Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ২.১

    ১

    এর পর বারো বছর পার হয়ে গেছে।

    এর মধ্যে নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। পৃথিবীতে শুকিয়ে গেছে অনেক গাছ, আবার জন্মেছে অনেক নতুন বৃক্ষ-লতা। যারা শিশু ছিল, তারা কিশোর হয়েছে। কিশোররা পৌঁছেছে যৌবনে। অনেক যুবক-যুবতী প্রৌঢ় হয়েছে, প্রৌঢ়রা হয়েছে বৃদ্ধ, আবার তাদের বংশে এসেছে নতুন শিশু।

    রাজকুমার দৃঢ় এখন রীতিমতন যুবক, আর রাজকুমার তীক্ষ্ণ এসে পৌঁছেছে কৈশোরের শেষ দিকে। ছম্ভী ছিলেন রাজপুরোহিত, এখন এ-রাজ্যের পুরোপুরি রাজা, তিনি প্রৌঢ় হয়েছেন বটে কিন্তু তাঁর চেহারা দেখলে বোঝা যায় না। তাঁর শরীর আগের চেয়েও সবল হয়েছে, প্রতিদিন তিনি ব্যায়াম ও অস্ত্রচালনা করেন।

    রানি তলতাদেবী আজও অন্ধকার কারাগারে বন্দিনী। এই দশ বছরের মধ্যে তাঁকে বাইরের কেউ দেখেনি। একজন প্রহরী তাঁকে খাবার দিতে যায়, আর ছম্ভী মাঝে-মাঝে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু সেই সময় কারাগারের মধ্যে মশাল জ্বালা হলেও তলতাদেবী দু’ হাতে নিজের মুখ ঢেকে রাখেন, তিনি ছম্ভীর মুখ দেখতে চান না। নিজের মুখও দেখাতে চান না।

    রাজকুমার দৃঢ়ও সূর্যের আলো দেখতে পায় না। কালাঘর দুর্গেরই অন্য এক প্রান্তে তাকে রাখা হয়েছে আর-একটা অন্ধকার ঘরে। সে জানে না তার মা কোথায়, তার ছোট ভাই কোথায়। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর সে একা ওই ঘরে রয়েছে, তবু সে মনের জোর হারায়নি।

    দু’ বছর আগে রাজকুমার দৃঢ় একবার পালাবার চেষ্টা করেছিল।

    প্রথম-প্রথম তাকে খাবার দিতে আসত একজন প্রহরী। বয়েস বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে প্রহরীর সংখ্যা বেড়ে হল দু’জন। উন্মুক্ত তরবারি হাতে নিয়ে তারা আসে, রাজকুমার তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তারা কোনও উত্তর দেয় না।

    একদিন রাজকুমার দৃঢ় জ্বরে পড়ল। বিছানা থেকে আর ওঠে না, খাবারও খায় না। প্রহরীরা খাবার রেখে যায়, আবার সেই খাবার-ভর্তি পাত্র ফেরত নিয়ে যায়। এইরকম চলল তিনদিন।

    প্রহরীরা সেদিন এসে দেখল, রাজকুমার দৃঢ় এমনভাবে কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে যে বেঁচে আছে কি না বোঝা যায় না। প্রহরী দু’জন চিন্তায় পড়ে গেল। তারপর একজন মুখের ওপর থেকে কম্বলটা সরিয়ে গায়ে হাত দিয়ে দেখল। গা বেশ গরম। তখন সে একটা ধাক্কা দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “এই, তুমি কিছু খাচ্ছ না কেন?”

    দু-তিনবার প্রশ্ন করেও কোনও উত্তর পেল না।

    তখন তারা ধরে নিল যে, রাজকুমার জ্বরের ঘোরে অজ্ঞান হয়ে গেছে। এর পর যদি চিকিৎসা না করা যায়, তা হলে সে মরেই যাবে। এরকমভাবে তাকে মরতে দেওয়া উচিত কি না, বুঝতে পারল না তারা।

    একজন রাজকুমার দৃঢ়র পাশে রইল, আর-একজন গেল রাজবাড়িতে খবর পাঠাতে।

    দ্বিতীয় প্রহরীটি বেরিয়ে যাবার একটুক্ষণ পরেই রাজকুমার দৃঢ় তড়াক করে লাফিয়ে উঠে চেপে ধরল অন্য প্রহরীটির কণ্ঠ। বাঘ যেমন মোষের টুটি কামড়ে ধরে আর কিছুতেই ছাড়ে না, রাজকুমার দৃঢ়ও কিছুতেই ছাড়ল না তাকে। সে লোকটি হাতের তলোয়ার চালাবারও সুযোগ পেল না, গোঁ-গোঁ আওয়াজ করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল কয়েক মুহূর্ত পরেই।

    রাজকুমার দৃঢ় হাতে তুলে নিল তলোয়ার। দরজা খোলা। পালাবার এই তো দারুণ সুযোগ। সামনেই মুক্তি।

    তবু সেবার রাজকুমার দৃঢ় পালাতে পারেনি। কারও হাতে সে ধরাও পড়েনি অনেকটা সময়, তা হলেও তাকে ফিরে আসতে হয়েছিল এই অন্ধকার কারাগারে।

    সেদিন তলোয়ার হাতে নিয়ে রাজকুমার দৃঢ় বেরিয়ে এসেছিল তার ঘর থেকে। খানিকটা অলিন্দের পর সিঁড়ি। সিঁড়ি দিয়ে নেমেও এসেছিল অনেকটা, আর-একজন প্রহরীর চোখ এড়িয়ে সে চলে এসেছিল এই বন্দিশালার প্রধান দ্বারের কাছে। কিন্তু দুর্গের বাইরে পা দিয়েই সে চিৎকার করে উঠেছিল যন্ত্রণায়!

    দশ বছর ধরে রাজকুমার দৃঢ় একটুও সূর্যের আলো দেখেনি। অন্ধকারে থাকতে থাকতে তার চোখে অন্ধকার সয়ে গিয়েছিল। অন্ধকারের মধ্যেও সে একটু-একটু দেখতে পায়। কিন্তু রোদ সে সহ্য করতে পারল না। দারুণ যন্ত্রণায় সে মাটিতে পড়ে ছটফট করতে লাগল। তার চিৎকার শুনে প্রহরীরা এসে তাকে আবার তুলে নিয়ে রেখে এসেছিল কারাগারে।

    সে সংবাদ শুনে ছম্ভী খুব হেসেছিলেন।

    এমন ব্যবস্থা তিনি করেছেন যে, প্রহরীরা অমনোযোগী হলেও রাজকুমার পালাতে পারবে না। সারাজীবন তাকে অন্ধকারেই কাটাতে হবে!

    রাজকুমার তীক্ষ্ণর অবস্থা অবশ্য অন্যরকম। ছম্ভী তাকে খুব ভালবাসেন, তীক্ষ্ণ তাঁর দু’ চোখের মণি। সব সময় তিনি তীক্ষ্ণকে নিজের কাছে কাছে রাখেন। তীক্ষ্ণকে তিনি লেখাপড়া শেখাচ্ছেন। অস্ত্র শিক্ষা দিচ্ছেন। ব্রাহ্মণ পূজারী হলেও ছম্ভী অস্ত্রচালনাও ভাল জানেন। প্রত্যেকদিন খানিকক্ষণ অস্ত্রচর্চাও করেন।

    রাজসভাতেও ছম্ভী নিয়ে যান তীক্ষ্ণকে। তাকে রাজকার্য শেখাচ্ছেন। ভবিষ্যতে তীক্ষ্ণকেই তিনি সিংহাসনে বসাবেন। ছম্ভী বিয়ে করেননি, তাঁর আর কেউ নেই। তীক্ষ্ণকে তিনি নিজের ছেলের মতনই মনে করেন। রাজবাড়ির নিয়ম অনুযায়ী রাজকুমার তীক্ষ্ণ রাজ পুরোহিত ছম্ভীকে গুরুদেব বলে ডাকে। ছম্ভী বারবার বলেন, আমাকে গুরুদেব বলিস না, আমাকে বাবা বলে ডাকবি! তোর বাবা বেঁচে নেই, তোর মা তোর স্নেহময় বাবাকে খুন করেছে। ওরকম মায়ের কথা মনে রাখতে নেই।

    তীক্ষ্ণ অবশ্য এখনও ছম্ভীকে বাবা বলে না, গুরুদেবই বলে।

    এত বছর কেটে গেছে, তীক্ষ্ণর এখন আর বাবা-মায়ের মুখ ভাল করে মনেই পড়ে না। তার মা তার বাবাকে হত্যা করেছে। এই কথাটা শুনলেই তার ঘৃণা হয়! ওই মাকে সে আর কোনওদিন দেখতে চায় না।

    তীক্ষ্ণর চেহারা খুব সুন্দর হয়েছে। ছিপছিপে লম্বা, চোখা নাক। কিন্তু তার চোখে সব সময় যেন একটা অন্যমনস্ক ভাব। তার অস্ত্রশিক্ষক মামোজি মাঝে-মাঝে অনুযোগ করে বলেন, “এই রাজকুমার তো ইচ্ছে করলেই মহাবীর হতে পারে, কিন্তু সব সময় যে মন দিয়ে লড়াই করে না! এক-এক সময় হাত থেকে তলোয়ার ফেলে দেয়!”

    ছম্ভী রাজকুমার তীক্ষ্ণকে সব জায়গায় নিজের সঙ্গে নিয়ে যান। শুধু এক জায়গায় ছাড়া। মাঝে-মাঝে তিনি কালাঘর দুর্গে রানি তলতাদেবীকে দেখতে আসেন, তখন তিনি তীক্ষ্ণকে রেখে আসেন রাজবাড়িতে।

    কালাঘর দুর্গে এসে, একটার পর একটা কক্ষ পেরিয়ে চলে আসেন রানি তলতাদেবীর কক্ষে। একজন প্রহরী মশাল জ্বালিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়ায়।

    তলতাদেবী ঘরের এক কোণে সরে গিয়ে দু’হাতে নিজের মুখ ঢেকে রইলেন। দেওয়ালের দিকে মুখ করে বললেন, “নমস্কার, গুরুদেব।”

    ছম্ভী হেসে উঠে বললেন, “এখনও তুমি আমাকে প্রণাম জানাচ্ছ? আমি তোমাকে এমন শাস্তি দিয়েছি, তবু তোমার রাগ হয় না?”

    তলতাদেবী বললেন, “আমি এ-রাজ্যের রানি, আমি রাজপুরোহিতকে প্ৰণাম জানাব না? আপনি আমাকে যে শাস্তি দিয়েছেন, সেটা আপনার ব্যাপার! তা বলে তো আমি আমাদের পরিবারের রীতি অমান্য করতে পারি না!”

    ছম্ভী আরও জোরে হেসে উঠে বললেন, “তুমি এখনও নিজেকে এ-রাজ্যের রানি মনে করো? হায় রে! এ-রাজ্যের মানুষ তোমার নামই ভুলে গেছে। এ-রাজ্যের রাজা এখন আমি! তলতাদেবী, তোমার রাজত্ব এখন শুধু এই অন্ধকার ঘরটুকু! ওই ছেঁড়া কম্বলটা তোমার সিংহাসন!”

    তলতাদেবী বললেন, “গুরুদেব, আপনি বলছেন, আপনিই এখন এ রাজ্যের রাজা। আপনি মহা শক্তিমান। তবু মাঝে-মাঝে আপনাকে আসতে হয় আমার কাছে। আমি আপনার মুখ দেখি না, তবু আপনি আমার সঙ্গে কথা বলতে চান। তাতেই প্রমাণ হচ্ছে, আমি আপনার চেয়ে বড়!”

    ছম্ভী বললেন, “তোমার তেজ দেখছি এখনও একটুও কমেনি! ভাল, তেজ থাকা ভাল! শোনো, তলতাদেবী, তোমাকে আমি একটা প্রস্তাব দিচ্ছি। তোমার এখনও এ-রাজ্যের রানি থাকার শখ। তুমি রানি হতে পারো, যদি তুমি আমাকে বিয়ে করো!”

     তলতাদেবী এতই অবাক হলেন যে, কয়েক মুহূর্ত কথাই বলতে পারলেন না।

    তারপর আস্তে-আস্তে বললেন, “আপনি এখনও এমন একটা অদ্ভুত কথা বলতে পারছেন? কোনও রানি কি কখনও কোনও পুরোহিতকে বিয়ে করতে পারে?”

    ছম্ভী বললেন, “কেন বারবার আমাকে পুরোহিত বলছ? আমি এখন রাজা। চারপাশের অন্যান্য রাজ্যও আমাকে শক্তিমান রাজা বলে স্বীকার করে। কেউ এ রাজ্য আক্রমণ করতে সাহস পায় না। অনেক ব্রাহ্মণও রাজা হয়, তাদের সঙ্গে রাজকুমারীদের বিয়ে হয়! এখনও বলো, তুমি রাজি কি না!”

    তলতাদেবী বললেন, “আমি সত্যিই আপনার কথার মানে বুঝতে পারছি না। আপনি আমার সর্বনাশ করেছেন। আপনি আমার স্বামীকে হত্যা করেছেন, আমার ছেলেদের কেড়ে নিয়েছেন। আমার জীবনের বারোটি বছর অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছেন। তারপরেও আপনি আমাকে বিয়ে করতে চান? আমি যদি রাজিও হই, তা হলে প্রথমেই তো প্রতিশোধ নিতে চাইব। প্রথম দিনেই আপনাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলব।”

    ছম্ভী অট্টহাস্য করে বললেন, “সে কথা কি আমি জানি না? তুমি প্রতিশোধ নেবার চেষ্টা করবে, আর আমি প্রত্যেকবারই তোমার ষড়যন্ত্র ধরে ফেলব। বুদ্ধির খেলায় তুমি প্রত্যেকবার আমার কাছে হারবে। সেইটাই তো মজা! তুমি যে এখন কারাগারে রয়েছ, তা প্রজারা জানে না। আমি চাই, প্রজারা সবাই দেখুক, এককালের সেই অহঙ্কারী রানি তলতাদেবী আমার রানি হয়েছে, আমার বুদ্ধির কাছে সে বশ মেনেছে!”

    তলতাদেবী বললেন, “আপনাকে সেই মজা পেতে দিতে আমি রাজি নই। তবে, জেনে রাখবেন, প্রতিশোধ আমি নেবই!”

    ‘ছম্ভী বললেন, “তুমি কোনওক্রমেই এই কারাগার থেকে বেরোতে পারবে না!”

    তলতাদেবী বললেন, “আমি না পারি, আমার ছেলেরা প্রতিশোধ নেবে। মায়ের অপমান, পিতৃহত্যা তারা ভুলবে না!”

    ছম্ভী বললেন, “তোমার সে আশা দুরাশা। তোমার এক ছেলে তোমায় ঘৃণা করে। সে কোনওদিন তোমার মুখ দর্শন করবে না। আর-এক ছেলে অন্ধকার ছাড়া আলোতেই আসতে পারবে না কোনওদিন! যতদিন বাঁচবে; তুমি এই অন্ধকার নরকেই থাকবে। আমি মাঝে-মাঝে এসে তোমার অবস্থা দেখে যাব!”

    এই বলে বেরিয়ে এলেন ছম্ভী। তলতাদেবীর তেজ দেখতে তাঁর ভাল লাগে। তিনি দেখতে চান, এই তেজ কতদিন বজায় থাকে। এই নারী কোনওদিনই তাঁর কোনও ক্ষতি করতে পারবে না।

    পরদিনই কিন্তু ছম্ভী একটা দুঃসংবাদ পেলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }