Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ১.১৮

    ১৮

    কালাঘর থেকে নেমে এসে ছম্ভী চলে এলেন রাজপ্রাসাদে। ওপরে উঠে দেখলেন, লম্বা টানা বারান্দার মাঝখানে একটা মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে আছে রাজকুমার তীক্ষ্ণ।

    ছম্ভী থমকে দাঁড়িয়ে ভুরু কোঁচকালেন। লোহার দ্বারের ওপাশে রাজকুমারের থাকার কথা। সে এ পাশে এল কী করে?

    তা ছাড়া ওই মূর্তিটাই বা কার?

    প্রথমে তিনি ভাবলেন, হাঁকডাক করে প্রহরীদের ধমকাবেন। তারপর তিনি নিজেই আস্তে আস্তে এগোলেন রাজকুমারের দিকে।

    একটা পাথরের মূর্তির সামনে দাঁড়িয়ে আছে তীক্ষ্ণ, তার চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে।

    ছম্ভী দেখলেন, সেই মূর্তিটা তলতাদেবীর। তিনি দারুণ চমকে উঠলেন। রাজকুমারকে না ডেকে তিনি এগিয়ে গেলেন প্রহরীদের দিকে। যাকে সামনে পেলেন, তার চুলের মুঠি ধরে দাঁতে দাঁত পিষে তিনি বললেন, “পামর, ওই মূর্তিটা এখানে কে এনেছে? কে এনেছে? শীঘ্র বল, নইলে এই মুহূর্তে তোর প্রাণ যাবে!”

    ছম্ভীর এরকম উগ্রমূর্তি দেখে প্রহরীটির প্রাণ কণ্ঠাগত হয়ে গেল, ভয়ে তার মুখ দিয়ে কথাই বেরোল না।

    ছম্ভী আর-একটা ঝাঁকুনি দিয়ে বললেন, “এখনও চুপ করে আছিস?”

    প্রহরীটি এবার কাঁপতে কাঁপতে বলল, “প্রভু, রাজবাড়ির বাগানে একজন শিল্পী এই মূর্তিটা গড়েছিল। আমাদের মহারানির মূর্তি। তারপর কে সেটা ওপরে নিয়ে এসেছে আমি জানি না।”

    প্রহরীটির বুকে পদাঘাত করে ছম্ভী হুঙ্কার দিয়ে বললেন, “মহারানির মূর্তি মানে কী রে, হতভাগা? কে মহারানি? জানিস না, এ-রাজ্যে এখন কোনও মহারানি নেই?”

    অন্য একজন প্রহরী বলল, “সেই শিল্পীই মূর্তিটা ওপরে এনে বসিয়ে দিয়ে গেছেন। আমি দেখেছি!”

    ছম্ভী বললেন, “সেই শিল্পীকে এক্ষুনি ধরে নিয়ে গিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করো। যাও, ছুটে যাও, তাকে ধরার পর আমাকে খবর দেবে। আর এই মূর্তিটাকেও সরিয়ে ফেলবে এই দণ্ডেই!”

    তারপর ছম্ভী ধীরে-ধীরে তীক্ষ্ণর কাছে গিয়ে তার কাঁধে হাত রেখে কোমল গলায় বললেন, “এখানে কী করছ, কুমার?”

    তীক্ষ্ণ বলল, “কিছু না।”

    ছম্ভী বললেন, “এই মূর্তিটা দেখতে বিশ্রী হয়েছে। তাই এটা এখানে রাখা হবে না। আমি ভেঙে ফেলতে বলেছি!”

    তীক্ষ্ণ জিজ্ঞেস করল, “আমার মা কোথায়?”

    ছম্ভী বললেন, “তোমার মাকে তুমি আর দেখতে পাবে না। মাকে তুমি ভুলে যাও, কুমার। তুমি তো আজ নিজের চোখেই দেখলে, সকালবেলা তোমার মা তোমাকে দেখেও পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেছিলেন। উনিই তোমার বাবাকে হত্যা করেছেন। তোমার মা পাপীয়সী। অমন মাকে মনে রাখতে নেই।”

    তীক্ষ্ণ চুপ করে গেল।

    ছম্ভী বললেন, “এবার শুয়ে পড়বে চলো। তোমার বাবা নেই, মা নেই, এখন থেকে আমিই তোমার বাবা ও মা।”

    ছম্ভী আদর করে তীক্ষ্ণকে ভেতরের ঘরে নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিলেন। তীক্ষ্ণ কোনও আপত্তি করল না। ছম্ভী চলে যাবার পর সে বালিশে মুখ গুঁজে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল।

    ছম্ভীও একটু পরে শুয়ে পড়লেন নিজের শয্যায়। চক্ষু বুজে তিনি কালকের রাত থেকে আজকের রাত পর্যন্ত সব ঘটনা ভাবতে লাগলেন। একদিনের মধ্যে কত কী হয়ে গেল। মহাশক্তিশালী রাজা মহাচূড়ামণি, যাঁকে অন্য কোনও রাজা হারাতে পারেননি, তিনি এখন নিহত। মহারানি তলতাদেবীর বুদ্ধির প্রশংসা করত সবাই, সেই মহারানি এখন অন্ধকার কারাগারে চিরজীবনের মতন বন্দিনী। চম্পক নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। এখন এই রাজ্য নিষ্কণ্টক। সিংহাসন ছম্ভীর করায়ত্ত।

    পরম নিশ্চিন্তভাবে ঘুমিয়ে পড়লেন ছম্ভী।

    খানিকবাদেই তাঁর আবার ঘুম ভেঙে গেল। তিনি একটা দারুণ দুঃস্বপ্ন দেখে জেগে উঠেছেন, ঘামে ভিজে গেছে তাঁর সারা শরীর!

    ঘুমের মধ্যে ছম্ভী দেখেছেন একটা বাচ্চা ছেলের মুখ!

    রাজা মহাচূড়ামণিকে খাদের মধ্যে ঠেলে দেবার সময় দু’জন সাক্ষী ছিল। একজন মেষপালক আর তার সঙ্গে একটি ছেলে। ছম্ভী সেই মেষপালকটিকে ভুলিয়ে ভালিয়ে কাছে ডেকে এনে তার মুণ্ডু কেটে দিয়েছিলেন, কিন্তু ওই ছেলেটা যে পালিয়ে গেল! পৃথিবীতে ওই ছেলেটিই একমাত্র জানে যে, ছম্ভীই রাজা মহাচূড়ামণির হত্যাকারী।

    এই ছেলেটিকে তো বাঁচতে দেওয়া যায় না।

    ধড়মড় করে উঠে পড়ে ছম্ভী দ্রুত পোশাক পরতে লাগলেন। উত্তেজনায় তাঁর শরীর কাঁপছে।

    ঘর থেকে বেরোতেই প্রহরীরা উঠে দাঁড়িয়ে প্রণাম জানাল তাঁকে। ছম্ভী বললেন, “সেনানায়ক ভামহ কোথায়? শিগগির তাঁকে ডাকো!”

    ছম্ভী নিজেই দৌড়ে চলে এলেন রাজপ্রাসাদের বাইরে।

    সেনানায়ক ভামহ তখন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। জরুরি ডাক পেয়ে তিনি ছুটে এলেন।

    ছম্ভী তাঁকে একপাশে ডেকে বললেন, “তুমি শিগগির দশজন অতি বিশ্বাসী সৈন্যকে প্রস্তুত হতে বলো। আমার সঙ্গে যেতে হবে!”

    ভামহ হাত জোড় করে বললেন, “এত রাতে কোথায় যেতে হবে, প্ৰভু?”

    ছম্ভী বললেন, “প্রশ্ন কোরো না। মনে রাখবে, আমার প্রত্যেকটি কথাই আদেশ। আমি অবিলম্বে রওনা হতে চাই। তুমিও যাবে আমার সঙ্গে।”

    একটু পরেই দশজন অশ্বারোহী সৈন্য ও ভামহকে সঙ্গে নিয়ে ছম্ভী বেরিয়ে পড়লেন।

    ভামহের পাশ দিয়ে ঘোড়ায় চড়ে যেতে-যেতে ছম্ভী বললেন, “আমি একটু আগে একটা স্বপ্ন দেখেছি। আমি দেখলাম, কুরালা নামে একটি গ্রামে একটি বালক আছে। এই বালকটির কপালে একটা তিল আছে। বড় অশুভ লক্ষণ। যার কপালে এইরকম তিল থাকে, সে বড় হয়ে রাজ-হত্যাকারী হয়। এই বালক নিশ্চিত বড় হয়ে আমাদের রাজকুমার তীক্ষ্ণকে হত্যা করবে! সুতরাং এখনই সেই বালকটিকে বন্দী করা দরকার। নইলে রাজ্যের সর্বনাশ হয়ে যাবে।”

    শিউরে উঠে ভামহ কপালে হাত চাপা দিলেন। তাঁর কপালেও তো তিল আছে একটা।

    ভামহের এই ভাবান্তর ছম্ভীর চোখ এড়াল না। তিনি বললেন, “তোমার কপালে যেটা আছে, ওটা তিল নয়, আঁচিল। ওতে কিছু যায় আসে না। কিন্তু যাদের কপালে লাল তিল থাকে, তারা অতি সাঙ্ঘাতিক হয়! সুতরাং যে-কোনও উপায়ে এই বালকটিকে খুঁজে বার করতেই হবে। আজ রাত্রের মধ্যেই। যদি কখনও কোনও দিকের প্রজারা বিদ্রোহ করে, তখন তারা এই বালকটিকে কাজে লাগাতে পারে।”

    অন্ধকার রাস্তায় ঘোড়ার খুরের খটাখট শব্দ হতে লাগল। অশ্বারোহীরা এগিয়ে চলল পাহাড়ের দিকে।

    কুরালা গ্রামটি পাহাড়ের মাঝামাঝি জায়গায়। তারপর আর কোনও জনবসতি নেই।

    সেই গ্রামের প্রান্তে এসে ছম্ভী ঘোড়া থেকে নেমে একটা পাথরের ওপর বসলেন। একজন সৈন্য একটি মশাল জ্বেলে তাঁর পাশে রাখল।

    ছম্ভী বললেন, “এবার তোমরা যাও, গ্রামের প্রত্যেকটি বাড়ি তল্লাশ করো। এ-গ্রামের ছয় থেকে বারো বছর পর্যন্ত সব ছেলেদের আমার সামনে এনে হাজির করাও।”

    গ্রামটি একেবারে ঘুমন্ত। ঘুটঘুট্টি অন্ধকারের মধ্যে ঝিঝি ডাকছে। এরই মধ্যে সৈন্যরা এক-একটা বাড়িতে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিতে লাগল। ঘুম ভেঙে লোকেরা উঠে এলে সৈন্যরা তাদের ঠেলে ঢুকে পড়ছে ঘরের মধ্যে। বিছানা থেকে টেনে-টেনে তুলতে লাগল বাচ্চাদের। মেয়েদের ছেড়ে দিয়ে শুধু ছেলেদের টেনে টেনে আনতে লাগল বাইরে। ছম্ভীর সামনে।

    ছম্ভী এক-এক করে তাদের পরীক্ষা করতে লাগলেন। মশালটা মুখের সামনে এনে দেখলেন ভাল করে। সকালবেলার ছেলেটিকে তিনি সামান্য একটুক্ষণের জন্য দেখেছিলেন, তবু ভোলেননি। ছেলেটির মুখ লম্বা মতন, টানা-টানা চোখ, টিকলো নাক, মাথা ভর্তি চুল, তার ডান দিকের ভুরুর ওপর বোধহয় একটা কাটা দাগ ছিল।

    এক-একটি ছেলেকে সামনে দাঁড় করিয়ে ছম্ভী তার মুখখানা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছেন। কারও মুখ গোল, কারও নাক থ্যাবড়া। ছম্ভী তাদের বাতিল করে দিতে লাগলেন।

    একজনের মুখ লম্বাটে কিন্তু চোখ দুটো ছোট-ছোট। তবু ছম্ভী তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোর নাম কী?”

    ছেলেটি জানাল যে তার নাম ভল্ল।

    ছম্ভী জিজ্ঞেস করলেন, “তুই আজ সকালে কোথায় গিয়েছিলি?”

    ছেলেটি বলল, “কোথাও তো যাইনি, বাড়িতে ছিলাম।”

    ছম্ভী বললেন, “তোর বাবা কোথায়?”

    ছেলেটি বলল, “বাবা ওই তো দাঁড়িয়ে!”

    ছেলেটির বাবাকে ডেকে আনানো হল। ছম্ভী তাকেও দেখলেন। সে একটি নিরীহ, রোগা মতন লোক। ছম্ভী বললেন, “এরা অন্য। সেই ছেলেটির বাবা বেঁচে থাকতে পারে না।”

    আর-একটি ছেলেকে দেখা গেল, তার মুখ লম্বাটে, নাকও টিকলো। তার ডান দিকের ভুরুর ওপর অবশ্য কাটা দাগ নেই। কপালে তিল অবশ্য এ-পর্যন্ত একজনেরও দেখা যায়নি।

    ছম্ভী এই ছেলেটিকে জিজ্ঞেস করলেন, “এই, তোর নাম কী রে?”

    ছেলেটি চুপ করে রইল।

    ছম্ভী ধমক দিয়ে বললেন, “উত্তর দিচ্ছিস না কেন? তোর নাম জানিস না?”

    ছেলেটি তবু কোনও কথাই বলল না।

    ছম্ভী এবার ঠাস করে একটা চড় কষালেন ছেলেটির গালে।

    একজন প্রৌঢ় লোক হাউ হাউ করে কাঁদতে-কাঁদতে এসে বলল, “প্রভু, ওকে মারবেন না, মারবেন না। ও কথা বলতে পারে না। আমার এই নাতিটা বোবা!”

    এই কথাটা শুনে ছম্ভীর আরও সন্দেহ হল। ভুরু কুঁচকে তিনি বললেন, “বোবা? আমার সামনে মিথ্যে কথা বলছিস? ছেলেটা বোবা কি না পরীক্ষা করে দেখছি। এর বাবা কোথায়!”

    প্রৌঢ়টি বলল, “প্রভু এর বাবা মারা গেছে। আমি ওকে মানুষ করেছি।”

    ছম্ভী আরও সন্দেহের সঙ্গে বললেন, “ওর বাবা মারা গেছে? কবে?”

    প্রৌঢ়টি বলল, “ওর বাবা মারা গেছে এক বছর আগে। জঙ্গলে গিয়ে ভাল্লুকের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে সে প্রাণ দিয়েছে।”

    ছম্ভী বললেন, “একবছর আগে, না আজই সকালে সে মরেছে?”

    প্রৌঢ় বলল, “আজ নয় হুজুর, বছর পার হয়ে গেছে!”

    ছম্ভী হঠাৎ তাঁর মশালটা নিয়ে ছেলেটির হাতে ছ্যাঁকা দিয়ে দিলেন। ছেলেটি যন্ত্রণায় ছটফট করে উঠল, কিন্তু মুখ দিয়ে কোনও শব্দ বেরোল না।

    ছম্ভী বললেন, “হুঁ।”

    তারপর একজন সৈন্যকে ডেকে বললেন, “ওর পা দুটো ধরে উলটো করে ঝুলিয়ে ধরো তো!”

    সৈন্যটি সঙ্গে-সঙ্গে ছম্ভীর আদেশ পালন করল।

    ছেলেটির মুখ নীচে, পা দুটো ওপরে। সে ছটফট করছে, তবু চিৎকার করে উঠল না একবারও।

    ছম্ভী একটুক্ষণ সে-দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, “সত্যিই দেখছি ছেলেটি বোবা! এইটুকু ছেলের এতখানি সহ্য শক্তি থাকতে পারে না। ওকে ছেড়ে দাও!”

    একে-একে সব বালককেই পরীক্ষা করে দেখলেন ছম্ভী। কারও সঙ্গেই সকালের সেই ছেলেটির মিল পাওয়া গেল না।

    একসময় ক্লান্ত হয়ে ছম্ভী উঠে দাঁড়ালেন। তারপর ঘোড়ার পিঠে চড়ে কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করে বললেন, “ভামহ, গোটা গ্রামটাতেই আগুন লাগিয়ে দাও। দেখো, যেন কেউ পালাতে না পারে। সেই ছেলেটাকে এরা নিশ্চয়ই কোথাও লুকিয়ে রেখেছে, সেজন্য এদের সবাইকেই শাস্তি পেতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }