Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উদাসী রাজকুমার – ২.১৩

    ১৩

    মল্লপাল এবং তার সঙ্গীরা এসে রাজকুমার তীক্ষ্ণকে ধরে ফেলল রুকমি নদী তীরে এসে। রাজকুমার প্রচণ্ড জোরে ঘোড়া চালিয়ে এলেও থমকে গেছে নদীর ধারে। এর মধ্যে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেছে। বৃষ্টির সময় খেয়া নৌকোর মাঝিরা থাকে না। নদীটা এখানে খুব চওড়া, ঘোড়া সমেত এই নদী পার হওয়া সম্ভব নয়।

    একটা পিপুল গাছের তলায় ঘোড়া থামিয়ে নদীর দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে দাঁড়িয়ে আছে রাজকুমার তীক্ষ্ণ।

    মল্লপাল তার পাশে এসে দাঁড়াতেই তীক্ষ্ণ তাকে জিজ্ঞেস করল, “এই বৃষ্টি কতক্ষণে থামবে?”

    মল্লপাল বলল, “সমস্ত আকাশে মেঘ একেবারে জমাট বেঁধে আছে। এই বৃষ্টি বেশ কিছুক্ষণ চলবে মনে হয়।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ অস্থিরভাবে বলল, “আমি দেরি সহ্য করতে পারছি না! যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অহিচ্ছত্রপুরে পৌঁছতে চাই!”

    মল্লপাল হেসে বলল, “রাজকুমার, আপনি আমাদের ছেড়ে একা ঘোড়া ছুটিয়ে চলে এলেন। কিন্তু আপনি একা-একা যাবেন কী করে? আমাদের রাজধানীতে তো এক রাত্তিরে পৌঁছনো যাবে না। সে যে অনেক দূরের পথ।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “যত দূরেই হোক, আমি একা যেতে পারব না কেন? আমি প্রতিশোধ নিতে চলেছি। আমি তোমাদের সাহায্য চাই না।”

    মল্লপাল বলল, “কুমার, অহিচ্ছত্রপুরে যেতে গেলে অনেকগুলি রাজ্য পার হতে হবে। তার প্রত্যেকটি রাজ্যেই আপনি দ্বন্দ্বযুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। কোনও রাজকুমার কিংবা সেনাপতিকে হারিয়ে দিয়েছেন। ওদের রাগ আছে আপনার ওপর।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “কিন্তু আমি তো আর দিগ্বিজয়ী হতে চাই না! আর তো অন্য কারুর সঙ্গে লড়াই করব না আমি!”

    মল্লপাল বলল, “তবু আপনার ওপর তাদের রাগ থেকেই যাবে। সুযোগ পেলেই তারা আপনাকে হত্যার চেষ্টা করবে। কুমার, আমার মনে হয়, দিনের বেলা কোথাও লুকিয়ে থেকে রাত্তিরের দিকেই আপনার পথ চলা ভাল। আমরা সঙ্গে থাকলে সবরকম খোঁজখবর নিতে পারব!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ তবু ছটফটিয়ে বলল, “তোমরা সঙ্গে থাকলে আমার অনাবশ্যক দেরি হয়ে যাবে! মল্লপাল, আমার শরীরের সমস্ত শিরা-উপশিরায় আগুন জ্বলছে দাউদাউ করে। বিশ্বাসঘাতক ছম্ভীকে চরম শাস্তি দেবার আগে আমি ঘুমোতেও পারব না!”

    এই সময় দেখা গেল, এই ঝড়-বৃষ্টির মধ্যেও একটা ঘোড়া ছুটে আসছে বৈশালীর দিক থেকে। কাছে আসতে দেখা গেল, সেই অশ্বের পিঠে দু’জন আরোহী। একজন বাহুক, অন্যজন শিল্পী জয়পাল।

    ঘোড়া থেকে নেমে একগাল হেসে বাহুক বলল, “আমাদের ফেলেই চলে এলেন, রাজকুমার? আমাদের ঘোড়া ছিল না। পায়ে হেঁটে তো আপনাকে ধরতে পারব না। তাই অতিকষ্টে একটা ঘোড়া জোগাড় করলাম। দেখুন, ঠিক এসে আপনাদের ধরেছি!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বিরক্তভাবে বলল, “এত লোককে আমি সঙ্গে নিতে চাই না। আপনাদের আসার কোনও প্রয়োজন ছিল না।”

    বাহুক বলল, “হ্যাঁ, প্রয়োজন আছে, রাজকুমার। আপনার পিতার যে হত্যাকারী, সে আমার পিতাকে হত্যা করেছে। আপনি প্রতিশোধ নিতে চান, আর আমি প্রতিশোধ নেব না? আপনার মতন আমি বীর নই, একা-একা শক্তিমান ছম্ভীকে শাস্তি দেবার ক্ষমতা আমার নেই, তবু আপনাকে যদি সামান্য সাহায্য করতে পারি। তাতেই আমার তৃপ্তি হবে।”

    শিল্পী জয়পাল বলল, “রাজকুমার, আপনার মাকে আমি উদ্ধারের চেষ্টা করেও পারিনি। একবার যদি তাঁকে কারাগারের বাইরে দেখতে পাই, তা হলে আমার জীবন ধন্য হবে। আমাকেও আপনার সঙ্গে নিন। শ্রমণ হবার পর আমি বহু দেশ ভ্রমণ করেছি। অনেক সংক্ষিপ্ত পথ আমি জানি। আপনাকে আমি অনেক দ্রুত অহিচ্ছত্রপুরে পৌঁছে দিতে পারব।”

    রাজকুমারের মুখ থেকে অপ্রসন্নতার ছাপ খানিকটা মুছে গেল।

    শিল্পী জয়পালের দিকে তাকিয়ে বলল, “এখান থেকে কোন সংক্ষিপ্ত পথে আমাদের রাজধানীতে যাওয়া যায়, আমাকে বলুন।”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “স্থলপথের চেয়ে জলপথ অনেক সুবিধাজনক। এই রুকমি নদীর বুকে নৌকো নিয়ে যদি পশ্চিমে যাওয়া যায়, তা হলে দু-তিনটি দেশের মধ্যে আর প্রবেশ করতেই হবে না। পথ অর্ধেক হয়ে যাবে।”

    মল্লপাল জিজ্ঞেস করল, “নৌকো চালাবে কে? আমাদের দেশে নদ-নদী আর জলাশয় খুব কম। আমরা কেউ নৌকো বাইতে জানি না, সাঁতারও জানি না।”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “শ্রমণদের সব কিছু জানতে হয়। আমি নৌকো চালাতে জানি।”

    বাহুক বলল, “আমিও এক সময় খেয়া নৌকোর মাঝির কাজ করেছি। আমরা দু’জনে মিলে চালালে নৌকো ছুটবে শনশনিয়ে।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “আমিও সাঁতার জানি না। যদি নৌকো উলটে যায়!”

    বাহুক আর শিল্পী জয়পাল পরস্পরের দিকে তাকাল। তারপর হাসল। বাহুক বলল, “কুমার, আমাদের প্রাণ থাকতে কি আপনাকে জলে ডুবতে দেব? আমাদের প্রাণের চেয়েও আপনার প্রাণের দাম অনেক বেশি।”

    শিল্পী জয়পাল অন্যদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ভয় নেই। আমি হাল ধরে থাকলে সে নৌকো কখনও উলটে যাবে না!”

    মল্লপাল তখন বলল, “তা হলে তো এক্ষুনি একটা নৌকো কিনে নিলেই হয়।”

    বৃষ্টি একটু থামতেই কয়েকজন ছুটে গেল কাছাকাছি গ্রামে।

    বিকেলের মধ্যেই একটা নৌকো কেনা হল, সেটাকে সুন্দর করা হল সাজিয়ে গুজিয়ে। চাল-ডাল কিনে রান্নার ব্যবস্থাও রাখা হল সেখানে। তারপর সন্ধের সময় যাত্রীদের নিয়ে জলে ভাসল সেই নৌকো। ঘোড়াগুলো ওরা বিক্রি করে দিল গ্রামবাসীদের কাছে।

    তিন দিন নদীপথে সমানে এগিয়ে গেল ওরা। কোথাও কোনও বাধার সৃষ্টি হল না। তারপর একদিন এক ঘাটে রাত্তিরবেলা নৌকো বেঁধে শিল্পী জয়পাল বললেন, “এবার আমাদের স্থলের ওপর দিয়ে যেতে হবে। নদী বেঁকে গেছে অন্যদিকে।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ জিজ্ঞেস করল, “বাকি সবটা পথই স্থলের ওপর দিয়ে যেতে হবে?”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “হ্যাঁ, আর দু’দিন লাগবে!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ রেগে গিয়ে বলল, “স্থলপথে আমরা পায়ে হেঁটে যাব নাকি? তোমাদের বুদ্ধিতে আমাদের ঘোড়াগুলো রেখে আসতে হল।”

    বাহুক বলল, “রাজকুমার, দিনের পর দিন একটানা ঘোড়া ছোটালে সেই ঘোড়া বাঁচত না। আমরাও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়তাম। এই তিন দিনে আমাদের বিশ্রাম হয়েছে। ঘোড়া বিক্রির টাকাগুলো রয়েছে আমার কাছে, এখানেও নিশ্চয়ই ঘোড়া কিনতে পাওয়া যাবে।”

    বাহুক সত্যিই করিৎকর্মা ব্যক্তি। অন্য সকলকে নদীতীরে বসিয়ে রেখে সে মল্লপালকে সঙ্গে নিয়ে চলে গেল লোকালয় খুঁজতে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে কয়েকটা ঘোড়া নিয়ে ফিরে এল। এবারে শিল্পী জয়পালের জন্যও আলাদা একটা ঘোড়া জুটল।

    সেই রাত্রেই অশ্বারোহীরা ছুটে চলল অহিচ্ছত্রপুরের দিকে।

    সারারাত ঘোড়া ছুটিয়ে সকালবেলা ওরা বিশ্রাম নিল একটা জঙ্গলের মধ্যে। খাওয়াদাওয়া করে ঘুমোল। সন্ধের অন্ধকার নামতেই আবার শুরু হল যাত্রা।

    পরদিন সকালবেলা একটা পাহাড়ের কাছাকাছি পৌঁছে বাহুক বলল, “রাজকুমার, এই পাহাড়েই একটা খাদে আপনার পিতা মহাচূড়ামণিকে ছল করে ঠেলে ফেলে দিয়েছিলেন পুরোহিত ছম্ভী। ওই পাহাড় থেকেই আমাদের রাজ্যের সীমান্ত।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ ঘোড়া থামিয়ে স্থিরভাবে চেয়ে রইল সামনের দিকে। চকচক করছে তার চোখ। যেন দু’ চোখ ঠেলে জল বেরিয়ে আসতে চাইছে, অতিকষ্টে আটকে রেখেছে সে।

    আস্তে-আস্তে সে বলল, “আমার বাবার কথা ভাল মনে নেই। শুধু মনে আছে, মাঝে-মাঝে তিনি আমাকে কোলে তুলে আদর করতেন। একদিন তিনি ঘোড়া সেজেছিলেন, আমি তাঁর পিঠে চেপেছিলাম।”

    শিল্পী জয়পাল পাশ থেকে বললেন, “তিনি তেজী পুরুষ ছিলেন। রাগী ছিলেন। কিন্তু তাঁর রাগ বেশিক্ষণ থাকত না। রাগ করে তিনি কারুকে শাস্তি দিলে পরের দিন ক্ষমাও করে দিতেন। তিনি খুব বিশ্বাস করতেন রাজপুরোহিত ছম্ভীকে।”

    বাহুক বলল, “এত শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস করার পরও যে লোক বিশ্বাসঘাতকতা করে, তার নরকেও স্থান নেই!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আবার কঠিন হয়ে গেল তার মুখ সে বলল, “চলুন!”

    বাহুক বলল, “দাঁড়ান, রাজকুমার। হঠাৎ এইভাবে রাজধানীর মধ্যে ঢুকে পড়া বোধ হয় ঠিক হবে না। আগে আমাদের কোনও গুপ্তচর গিয়ে দেখে আসুক, সেখানকার কী অবস্থা!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “কোনও দরকার নেই। এখনি ছম্ভীর কাছে যেতে চাই!”

    বাহুক বলল, “ভুলে যাবেন না কুমার, ছম্ভী আপনাকে ইচ্ছে করেই রাজধানীর বাইরে রাখতে চেয়েছিলেন। তিনি আপনাকে দিগ্বিজয় করতে পাঠিয়েছিলেন, এতে আপনি মরে যেতেও পারতেন। এতদিনে তিনি তো আপনার কোনও খোঁজ করেননি!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “ওসব কথা থাক। এবার ছম্ভীর সঙ্গে আমার চরম বোঝাপড়া হবে।”

    আর কোনও কথা না বলে রাজকুমার তীক্ষ্ণ ঘোড়া ছুটিয়ে এগিয়ে গেল।

    পাহাড়ের পাশ দিয়ে প্রাচীনকালের পথ। সে পথ সোজা চলে গেছে রাজধানীর দিকে। কোথাও কোনও সৈন্য-সামন্তের চিহ্ন দেখা গেল না।

    সাধারণ গ্রামের লোকেরা কৌতূহলের চোখে দেখল এই ছোট দলটিকে। সব মিলিয়ে এগারোজন অশ্বারোহী। রাজকুমার তীক্ষ্ণ অনেকদিন দেশছাড়া, তাই তাকে কেউ চিনতে পারল না।

    রাজধানীর কাছে গিয়ে সবাই বেশ অবাক হয়ে গেল। এই ক’ বছরের মধ্যেই সমগ্র রাজধানীটি পাথরের দেওয়াল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। সেই দেওয়ালের এক এক জায়গায় প্রকাণ্ড প্রকাণ্ড দরজা। দেওয়ালের মাথায় বর্শা হাতে নিয়ে চলাফেরা করছে প্রহরীরা।

    দরজাগুলি সব বন্ধ। বাইরের লোক ইচ্ছে করলেই রাজধানীর মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণর দলটি এসে থমকে দাঁড়াল প্রধান সিংহদ্বারের সামনে। ওপর থেকে একজন প্রহরী হুঙ্কার দিয়ে জিজ্ঞেস করল, “কে তোমরা? দূরে হঠে যাও! যদি কোনও পরিচয়পত্র থাকে, আগে সেটা দেখাও!”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “সর্বনাশ! রাজধানীতে প্রবেশ করার তো কোনও উপায় নেই দেখা যাচ্ছে! একটা মাছিও গলতে পারবে না। রাত্তিরবেলা অন্ধকারের মধ্যে চেষ্টা করা যেতে পারে।”

    বাহুক বলল, “আমাদের গোপনেই ঢুকতে হবে। একটা মই বা সিঁড়ি বানিয়ে রাত্তিরবেলা উঠব।”

    মল্লপাল বলল, “তা কেন? আমাদের রাজকুমার নিজের রাজ্যের রাজধানীতে চোরের মতন লুকিয়ে ঢুকবেন কেন? সেভাবে ঢুকলেও এত সৈন্যদের চোখ এড়াতে পারব না। তাদের সঙ্গে আমরা এই কয়েকজন মাত্র লড়াই করতেও পারব না। আমার মনে হয়, রাজকুমারের প্রকাশ্যেই প্রবেশ করা উচিত। রাজকুমারকে চিনতে পারলে প্রহরীরা বাধা দেবে না মনে হয়। রাজকুমারকে দিনের আলোয়, সবার সামনে হত্যা করার হুকুমও দিতে পারবেন না ছম্ভী।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “আমি প্রকাশ্যেই যেতে চাই।”

    মল্লপাল বলল, “তা হলে আপনাকে একটু সাজিয়ে দিতে চাই, কুমার। এই পোশাকে আপনাকে কেউ চিনবে না।”

    কয়েকদিনের পথশ্রমে রাজকুমারের মুখখানা ক্লান্ত, সর্বাঙ্গ ধূলিধূসর। মাথার চুলে জট পাকিয়ে গেছে। গালে একটু-একটু দাড়ি।

    মন্ত্রপালের অনুরোধে ময়লা পোশাক ছেড়ে পরিষ্কার পোশাক পরে নিল রাজকুমার তীক্ষ্ণ। মল্লপাল তার মাথায় পরিয়ে দিল মুকুট। বাহুতে স্বর্ণকঙ্কণ। তারপর সে নিজে ডঙ্কা বাজাতে-বাজাতে এগিয়ে গেল দ্বারের দিকে। চিৎকার করে বলল, “শোনো, প্রহরীরা, শোনো। আমি মল্লপাল, রাজধানীর কোটাল। আমি কাকে এনেছি, তোমরা ভাল করে দ্যাখো! এসেছেন আমাদের যুবরাজ! মহারাজ মহাচূড়ামণির পুত্র রাজকুমার তীক্ষ্ণ। তিনি দিগ্বিজয়ে গিয়েছিলেন। তিনি পঞ্চাশটির বেশি রাজ্য ঘুরে এসেছেন। তাঁর তুল্য বীর আর কেউ নেই। দ্বার খুলে দাও! আজ আমাদের আনন্দের দিন। জয়ধ্বনি দাও!”

    প্রহরীরা নীরব হয়ে রইল। দ্বার খুলল না।

    বাহুক আর শিল্পী জয়পাল একটু দূরে দাঁড়িয়ে অধীরভাবে অপেক্ষা করছে। তারা ভাবছে, সৈন্যরা যদি ওপর থেকে অস্ত্র ছুঁড়তে শুরু করে, তা হলে রাজকুমার বাঁচবে কী করে?

    মল্লপাল আবার চিৎকার করে বলল, “প্রহরীরা, শুনতে পাচ্ছ না? রাজকুমার তীক্ষ্ণ দিগ্বিজয় করে ফিরে এসেছেন। রাজপুরোহিত ছম্ভীকে এই শুভ সংবাদ জানাও! রাজপুরোহিত এই রাজকুমারকে আমাদের রাজ্যের যুবরাজ হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন, তোমাদের মনে নেই?”

    এবার প্রহরীরা তুমুলভাবে হর্ষধ্বনি করে উঠল। খুলে গেল দ্বার।

    কোষ থেকে তলোয়ারটা মুক্ত করে উঁচু করে ধরে রাজকুমার তীক্ষ্ণ বাহুক ও শিল্পী জয়পালের দিকে চেয়ে বলল, “আপনারাও আসুন আমার সঙ্গে।”

    প্রহরী ও সৈন্য-সামন্তরা রাজকুমার তীক্ষ্ণকে ঘিরে ধরে জয়ধ্বনি দিতে লাগল।

    মল্লপাল তাদের বলল, “শোনো, শোনো, রাজকুমার অনেক দূরের পথ পার হয়ে এসেছেন, তিনি খুব ক্লান্ত, আজ তিনি রাজপুরীতে বিশ্রাম নেবেন। তোমরা পথ ছেড়ে দাও!”

    ভিড়ের মধ্য দিয়ে এই ছোট দলটি এগিয়ে চলল রাজপ্রাসাদের দিকে। এখন অপরাহ্ণ। এই সময় রাজপুরোহিত ছম্ভী প্রতিদিন রাজসভায় বসে রাজকার্য চালান। রাজসভার কাছে এসে রাজকুমার তীক্ষ্ণ অশ্ব থেকে নামল। রাজকুমার উঁকি মেরে দেখল, সেখানে ছম্ভী নেই, মন্ত্রী, সভাসদরা কেউ নেই। একেবারে শুনশান!

    এবার ওরা এসে পৌঁছল রাজপ্রাসাদের সামনের উদ্যানে।

    বাহুক বলল, “ব্যাপারটা তো কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। রাজকুমার যে পৌঁছে গেছেন, সে সংবাদ নিশ্চয়ই ছম্ভীর কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু রাজকুমারকে সংবর্ধনা জানাবার জন্য তিনি কোনও দূত পাঠালেন না। নিজেও এলেন না। রাজকুমারকে বন্দী করারও তো কোনও চেষ্টা দেখা যাচ্ছে না।”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “এই উদ্যানে বসে আমি মূর্তি বানাতাম। মহারানি তলতাদেবী রোজ দেখতে আসতেন। আমার সেসব মূর্তির কোনও চিহ্ন নেই। সব ভেঙে ফেলেছে!

    বাগানের একজন মালিকে দেখতে পেয়ে তাকে ডেকে শিল্পী জয়পাল জিজ্ঞেস করলেন, “ওহে বৎস, এখানে কোনও দ্বারী প্রহরীকে দেখছি না। রাজ পুরোহিত ছম্ভী কোথায় বলতে পারো। তিনি কি রাজধানীতে নেই?”

    লোকটি মুখে কোনও উত্তর দিল না। শুধু হাত তুলে রাজপ্রাসাদের দোতলার একটা কোণ দেখিয়ে দিল।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “রাজপ্রাসাদের ওই কোণে আমি পুরোহিত ছম্ভীর সঙ্গে বছরের পর বছর কাটিয়েছি। এবার ওঁর সঙ্গে আমার শেষ সাক্ষাৎকার! মল্লপাল, তুমি তোমার লোকজনদের নিয়ে চলে যেতে পার। আমি তোমাদের বিপদে ফেলতে চাই না। কুটকৌশলী ছম্ভী সহজে ধরা দেবেন না। শেষ যুদ্ধে কে জয়ী হবে, তার ঠিক নেই। তোমরা ফিরে যাও।”

    মল্লপাল বলল, “কুমার, বছরের পর বছর আমরা আপনার সঙ্গে থেকেছি। আপনাকেই আমরা যুবরাজ বলে জানি। শেষ মুহূর্তে আপনাকে কিছুতেই পরিত্যাগ করতে পারব না। অন্যদের কথা জানি না, আমি ফিরে যাব না।”

    অন্যরাও একসঙ্গে বলে উঠল, “আমরা কেউ ফিরে যাব না!”

    সবাই একসঙ্গে ঢুকল রাজপ্রাসাদে। একতলাটা একেবারে জনশূন্য। এরকম তো হয় না। রাজবাড়িতে কত মানুষজন থাকে, সব সময় একেবারে গমগম করে। এখন কেউ নেই। কোনও বিপদের আশঙ্কায় দাস-দাসীরা পালিয়ে গেছে।

    সিঁড়ি দিয়ে সবাই উঠে এল দোতলায়। শ্বেতপাথরের অলিন্দ দিয়ে কিছুটা এগোতেই দু’ পাশের কক্ষগুলি থেকে হুড়মুড় করে বেরিয়ে এল একদল প্রহরী। অস্ত্র নিয়ে তারা ঝাঁপিয়ে পড়ল এই দলটির ওপর।

    সঙ্গে-সঙ্গে ঝলসে উঠল রাজকুমার তীক্ষ্ণর তলোয়ার। মল্লপাল, বাহুক ও অন্যান্যরাও লড়াইতে লেগে গেল। শিল্পী জয়পালও একজন প্রহরীকে ধরে আছাড় মেরে তার হাতের বশাটা কেড়ে নিলেন। তারপর তিনিও মেতে গেলেন যুদ্ধে।

    বোঝা গেল, দেশের সৈন্যবাহিনী রাজকুমান, তীক্ষ্ণকে বাধা না দিলেও কিছু অতিবিশ্বাসী প্রহরীকে ছম্ভী এখানে গোপনে রেখে দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, তারা অতর্কিতে তীক্ষ্ণকে হত্যা করবে।

    কিন্তু রাজকুমার তীক্ষ্ণ যে এর মধ্যে যুদ্ধে কতখানি দক্ষ হয়েছে, সেটা তিনি ধারণা করতে পারেননি। সাধারণ প্রহরীরা তাঁর সামনে দাঁড়াতেই পারছে না। রাজকুমার তীক্ষ্ণ যেন উড়ন্ত যোদ্ধা, সে এমন লাফিয়ে লাফিয়ে ওঠে যে, কেউ তার শরীরে অস্ত্রই ছোঁয়াতে পারে না। মল্লপাল, বাহুক এবং অন্যান্যরাও লড়ছে প্রাণপণে, শিল্পী জয়পালের দারুণ পরাক্রম। তাঁর শরীরে সন্ন্যাসীর পোশাক, অথচ তিনি এমনভাবে লড়ছেন, এই দেখে বিপক্ষের সৈন্যরা বিস্ময় সামলাতে সামলাতেই হেরে যাচ্ছে।

    অল্পক্ষণের মধ্যেই ছম্ভীর বিশ্বাসী প্রহরীরা কয়েকজন ধরাশায়ী হল, আর বাকি কয়েকজন প্রাণ নিয়ে পালিয়ে গেল।

    এবার রাজকুমার তীক্ষ্ণ এগিয়ে গেল ছম্ভীর শয়নঘরের দিকে। এক সময় সেটা ছিল তার নিজেরও শয়নঘর।

    লোহার দ্বারের বাইরে যমদূতের মতন দাঁড়িয়ে আছে শুভ আর নিশুম্ভ। এই রাজ্যের সৈন্যদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বীর।

    শুম্ভ গম্ভীরভাবে বলল, “সাবধান। এদিকে কেউ এগোবে না!”

    মল্লপাল এগিয়ে এসে বলল, “শুম্ভ নিশুম্ভ, তোমরা কী করছ? আমাকে চিনতে পারছ না? আমাদের যুবরাজ তীক্ষ্ণ এসেছেন, পথ ছেড়ে দাও!”

    নিশু বলল, “আমরা গুরুদেব ছম্ভীর কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাঁর আদেশ ছাড়া অন্য কারুর আদেশ মানব না। এখানে কেউ আসতে পারবে না!”

    শিল্পী জয়পাল বর্শা হাতে নিয়ে এগিয়ে এসে বললেন, “কুমার, এই দু’জনের জন্য আপনার দাদাকে আর আমাকে নদীতে ঝাঁপ দিতে হয়েছিল। তখন কোণঠাসা হয়ে পড়েছিলাম। আজ আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমিই ওদের পরাজিত করব!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “না, আমরা থাকতে আপনি একজন ভ্রমণ হয়েও কেন লড়াই করবেন। আপনারা একটু দূরে থাকুন।”

    তারপর সে আদেশের সুরে শুম্ভ-নিশুম্ভকে বলল, “যদি বাঁচতে চাও, তোমরা অস্ত্র ফেলে দাও!”

    শুম্ভ আর নিশুপ্ত অহঙ্কারের ভঙ্গিতে তলোয়ার উঁচিয়ে ধরল।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ সঙ্গে-সঙ্গে একটা লাফ দিল। প্রতিপক্ষ কিছু বোঝার আগেই সে যেন শূন্য দিয়ে উড়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল নিশুম্ভর ওপর। নিশুম্ভ লড়াই করার প্রায় কোনও সুযোগই পেল না। রাজকুমারের তলোয়ারের আঘাতে আহত হয়ে ঢলে পড়ে গেল।

    শুম্ভকে অবশ্য এত সহজে হারানো গেল না। সে ধেয়ে এল রাজকুমারের দিকে। চলতে লাগল দু’জনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। অন্যরা দূর থেকে দেখতে লাগল। শুম্ভ অসাধারণ যোদ্ধা। রাজকুমারের সঙ্গে তার তলোয়ারের ঠোকাঠুকিতে আগুন জ্বলে যাচ্ছে!

    এক সময় রাজকুমার তীক্ষ্ণ একটু সরে গিয়ে চুপ করে দাঁড়াল, মল্লপালরা আতঙ্কিত হয়ে ভাবল, রাজকুমার ক্লান্ত হয়ে গেছে, আর যুদ্ধ করতে পারছে না।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “শুম্ভ, এই শেষবার আমি তোমাকে সাবধান করছি। যদি বাঁচতে চাও তো অস্ত্র সমর্পণ কর!”

    শুম্ভ বিদ্রুপের হাসি হেসে বলল, “কুমার, আজ তোমার মৃত্যু আমার হাতে!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ আবার শূন্যে লাফিয়ে উঠল। শুম্ভকে সে প্রাণে মারল না। তলোয়ারের এক কোপে সে শুম্ভর ডান হাতের অর্ধেকটা কেটে ফেলল। শুম্ভ ছটফট করতে লাগল মাটিতে পড়ে।

    এবার রাজকুমার তীক্ষ্ণ, বাহুক আর শিল্পী জয়পাল এসে দাঁড়াল ছম্ভীর শয়নকক্ষের দ্বারের সামনে। বাহুক ঠেলা দিয়ে দেখল, দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ।

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “পুরোহিত ছম্ভী, দ্বার খোল, আর কেউ তোমাকে বাঁচাতে পারবে না।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }