Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প262 Mins Read0
    ⤶

    উদাসী রাজকুমার – ২.১৪

    ১৪

    বেশ কয়েকবার করাঘাত করার পরেও দরজা খুলল না, ভেতর থেকে কোনও সাড়াশব্দও পাওয়া গেল না। শিল্পী জয়পাল পুরোহিত ছম্ভীর নাম ধরে ডাকলেন কয়েকবার, তবু উত্তর দিল না কেউ।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ একবার পেছন ফিরে তাকাল। শুভ আর নিশুপ্ত আহত ও পরাজিত হওয়ায় আর কোনও সৈন্য এদিকে ধেয়ে আসছে না।

    বাহুক বলল, “ভেতরে কেউ নেই নাকি? তবে দরজা বন্ধ কেন?”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “দ্বার ভেঙে দেখতে হবে!”

    ওরা তিনজনেই পিছিয়ে গেল কিছুটা। তারপর একসঙ্গে ছুটে এসে লাথি মারল। বিশাল দরজা তাতে সামান্য কেঁপে উঠল মাত্র।

    আবার ওরা পিছিয়ে গেল।

    এইভাবে দশবারের চেষ্টায় মড়মড় শব্দ করে উঠল একটা পাল্লা। শিল্পী মল্লপাল এবার কাঁধ দিয়ে একটা চাড় দিতেই দরজা ভেঙে পড়ল।

    অস্ত্র হাতে নিয়ে তিনজনে লাফিয়ে চলে এল ঘরের মধ্যে।

    সেখানে কেউ নেই। শয্যা শূন্য। অন্য কোনওদিক দিয়ে পালাবার পথ নেই, অথচ ঘরের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে না কাউকে।

    বাহুক মস্তবড় পালঙ্কটি টেনে সরিয়ে ফেলতেই দেখা গেল সেখানে রয়েছে একটি সুড়ঙ্গের মুখ।

    শিল্পী জয়পাল হতাশ ভাবে বললেন, “যাঃ! পুরোহিত ছম্ভী আগে থেকেই পালাবার পথ তৈরি করে রেখেছিল। এখান দিয়ে নিশ্চয়ই সে রাজপ্রাসাদের বাইরে চলে গেছে এতক্ষণে।”

    বাহুক বলল, “পালালেও কতদূরেই বা সে যাবে! চলুন, এই সুড়ঙ্গ পথ কোনদিকে গেছে, দেখা যাক।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “দাড়ান, আমি আগে যাব। এই পথে যদি কোনও প্রহরী লুকিয়ে থাকে, তবে প্রথমে আমি তার মুখোমুখি হতে চাই।”

    তলোয়ার উদ্যত করে রাজকুমার তীক্ষ্ণ নামতে লাগল সেই সুড়ঙ্গের সিঁড়ি দিয়ে। বেশিদূর যেতে হল না। একটু পরেই দেখা গেল একটা লম্বামতন ঘর। সম্পূর্ণ অন্ধকার, শুধু মাঝখানে একটা অগ্নিকুণ্ড। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে, তার একপাশে বসে আছেন পুরোহিত ছম্ভী। লাল রঙের কাপড় পরা, একমনে তিনি ঘি ঢেলে দিচ্ছেন সেই যজ্ঞের আগুনে।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণর দু’পাশে শিল্পী জয়পাল এবং বাহুক থমকে গেল।

    শিল্পী জয়পাল বলল, “পুরোহিত ছম্ভী, তোমার খেলা এবার শেষ। আমরা এসে পড়েছি!”

    মুখ তুলে ছম্ভী গম্ভীর ভাবে বললেন, “কী চাও!”

    বাহুক বলল, “তোমার ছিন্ন মুণ্ড।”

    তাকে অগ্রাহ্য করে ছম্ভী রাজকুমার তীক্ষ্ণর দিকে তাকিয়ে বললেন, “এসেছ, কুমার! এসো। তুমি দিগ্বিজয়ী হয়ে ফিরে এসেছো জেনে আমি খুব সন্তুষ্ট হয়েছি। এই রাজ্য তোমার! এতকাল আমি তোমার রাজ্য রক্ষা করেছি। এবার তুমি নাও!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “এটা আমার পিতার রাজ্য। আপনার হাত থেকে নিতে যাব কেন?”

    ছম্ভী বললেন, “এবার আমি বনবাসে যাব। সংসার আর আমার ভাল লাগছে না। তোমার দায়িত্ব বুঝে নাও, কুমার। আমি তো নিজের জন্য এই রাজ্য কখনও চাইনি।”

    বাহুক বলল, “তোমাকে কোথাও যেতে দেব না, শয়তান!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ এক পা এগিয়ে বলল, “আপনি আমার পিতাকে হত্যা করেছেন, আমার মাকে বন্দিনী করে রেখেছেন কারাগারে। আমি সব জেনেছি। আমি আজ প্রতিশোধ নিতে এসেছি!”

    ছম্ভী বললেন, “সাবধান! আর এগিও না! আমি এই যজ্ঞে হবি দিয়েছি। এই আগুনের এক হাতের মধ্যে এলে আমার অভিশাপে ভস্ম হয়ে যাবে।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ আবার এগোতে যেতেই শিল্পী জয়পাল তার হাত চেপে ধরে বললেন, “এগোবেন না, রাজকুমার। আমাদের অন্য পন্থা ভাবতে হবে। এইসব ব্রাহ্মণের দৈবশক্তি থাকে। আপনাকে ভস্ম করে দিতে পারে।”

    শিল্পী জয়পালের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে রাজকুমার তীক্ষ্ণ দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, “এই ব্রাহ্মণ পাপী। এই ব্রাহ্মণ খুনি। এরও যদি দৈবশক্তি থাকে, তবে সেই দৈবশক্তিকে ধিক! আমি গ্রাহ্য করি না।”

    তারপর এক লাফে অগ্নিকুণ্ড পার হয়ে এসে সে ছম্ভীর চুলের মুঠি চেপে ধরল এক হাতে। অন্য হাতে উঁচিয়ে ধরল তলোয়ার।

    কিন্তু এক কোপে সে ছম্ভীর মুণ্ড কাটতে পারল না। তার হাত কাঁপছে। হঠাৎ তার মনে পড়ে গেল, এই পুরোহিত ছম্ভীর সঙ্গে সে বছরের পর বছর কাটিয়েছে। কখনও ছম্ভী তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি, বরং স্নেহ করেছেন খুব। বিচিত্র মানুষ এই ছম্ভী! তীক্ষ্ণর বাবাকে মেরেছেন, মাকে কঠিন শাস্তি দিয়েছেন, তবু তীক্ষ্ণকে তিনি পরম যত্নে রেখেছেন।

    বাহুক চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল, “দেরি করছেন কেন, কুমার? শত্রুর শেষ রাখবেন না!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ কোনও উত্তর দিল না।

    তখন বাহুকও আগুনের বেড়া পার হয়ে এসে বলল, “আপনি না পারেন, আমাকে ছেড়ে দিন। এই পাপী আমার বাবার মুণ্ডু কেটে ফেলেছিল, আমি নিজের চোখে দেখেছি। আজ এর ছিন্ন মুণ্ডু দেখে আমার হৃদয় জুড়োবে।”

    বাহুক ছম্ভীকে মারবার জন্য অস্ত্র তুলল।

    সেই মুহূর্তে শিল্পী জয়পাল হেঁকে বললেন, “দাড়াও, বাহুক, দাড়াও! এখনই ওই পাপীকে মেরো না। ওকে বন্দী করে নিয়ে চলো। মহারানি তলতাদেবী কারাগারে কী অবস্থায় আছেন আমরা জানি না। চলো, আগে তাঁর খোঁজ করি। মহারানিই ওকে শাস্তি দেবেন।”

    লোহার শিকল দিয়ে ছম্ভীর হাত-পা বেঁধে টানতে টানতে নিয়ে আসা হল রাজপথ দিয়ে। প্রজারা হাঁ করে তাকিয়ে রইল। তারা যেন ধরেই নিয়েছিল, ছক্কীর অশুভ শাসন থেকে তারা আর কোনওদিন মুক্তি পাবে না। ছম্ভীকে কেউ পছন্দ করত না। কিন্তু তাঁর কোনও কথাতেও প্রতিবাদ করতে সাহস পেত না কেউ!

    কালাঘর দুর্গের দ্বার খোলা। সমস্ত প্রহরী সার বেঁধে দাঁড়িয়ে আছে। সবাই একসঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, “জয়, রাজকুমার তীক্ষ্ণর জয়!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ সেদিকে একেবারেই মনোযোগ দিল না। শিল্পী জয়পালকে অনুসরণ করে সে লাফিয়ে লাফিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে লাগল।

    একটার পর একটা দ্বার খুলতে খুলতে ওরা এসে পৌঁছল একেবারে কোণের সেই ঘরে। অন্ধকারের মধ্যে দেওয়ালের পাশে বসে আছেন তলতাদেবী।

    দ্বারের কাছে দাঁড়িয়ে রাজকুমার তীক্ষ্ণ কাঁপা গলায় ডেকে উঠল, “মা!”

    তলতাদেবী অমনই মুখ ফিরিয়ে বললেন, “কে?”

    তারপর তিনি উঠে দাড়িয়ে আস্তে আস্তে এগিয়ে এলেন। তাঁর মাথার অনেক চুল সাদা হয়ে গেছে, তবু আগেকার সেই তেজস্বিনী রূপ নষ্ট হয়নি। এতকাল অন্ধকারে থেকেও তাঁর চোখের জ্যোতি তীক্ষ্ণ।

    কাছে এসে বললেন, “কে আমাকে মা বলে ডাকল? কতকাল ওই ডাক শুনিনি!”

    শিল্পী জয়পাল আবেগের সঙ্গে বলল, “মহারানি। মহারানি! আপনার পুত্র তীক্ষ্ণ এসেছে!”

    তলতাদেবী অমনি তীক্ষ্ণকে বক্ষে জড়িয়ে ধরে বললেন, “তীক্ষ্ণ? আমার সেই তীক্ষ্ণ? এতকাল তুই কোথায় ছিলি? আর একবার ডাক। আর একবার মা বল!”

    তীক্ষ্ণ এবার একটু লজ্জা পেয়ে গেল। সেও তো বহু বছর মা শব্দটা উচ্চারণ করেনি। সেই বাচ্চা বয়েসের পর মাকে সে আর দেখেনি। শুধু স্বপ্নে মাঝে-মাঝে একটা মুখ ভেসে উঠত!

    সে খুব আস্তে বলল, “মা! আমি এসেছি! আর তোমার কোনও দুঃখ থাকবে না।”

    এই সময় বাহুক পুরোহিত ছম্ভীকে এনে ছুঁড়ে ফেলে দিল মহারানি তলতাদেবীর পায়ের কাছে!

    তলতাদেবী চমকে একটুখানি সরে গেলেন।

    পুরোহিত ছম্ভী কাতরভাবে বললেন, “মহারানি! আমি আপনার কাছে প্রাণভিক্ষা চাইছি না। শুধু একটা দয়া ভিক্ষা করছি। আমাকে যা শাস্তি দেওয়ার আপনিই দিন। এই লোকগুলোকে ছুঁতে দেবেন না আমার শরীর। আমার মৃতদেহও যেন এরা না ছোঁয়!”

    তলতাদেবী বললেন, “রাজপুরোহিত! একদিন আপনি সগর্বে বলে গিয়েছিলেন, এ-রাজ্যে আর কোনও মহারানি নেই! আজ আপনি আবার নিজের মুখেই আমাকে মহারানি বলে ডাকলেন!”

    বাহুক বলল, “এবার একে শেষ করে দিই?”

    তলতাদেবী ছম্ভীর মুখের দিকে কয়েক পলক তাকিয়ে রইলেন। তারপর বললেন, “মনে আছে, সেদিনের কথা? আমাকে এই কারাগারে বন্দী করে বলেছিলেন, আর কোনওদিন আমি দিনের আলো দেখতে পাব না? আমি বলেছিলাম, যদি বেঁচে থাকি, তবে একদিন ঠিকই দেখব, কেউ আপনাকে পদাঘাতে সিংহাসন থেকে ফেলে দেবে! সেই দিনটা দেখার জন্য আমি এতদিন বেঁচে ছিলাম। আপনার পদাঘাতটা পাওনা আছে।”

    তিনি তাঁর বাঁ পা দিয়ে ছম্ভীর মুখে একবার আঘাত করলেন।

    তারপর বাহুককে আদেশ দিলেন, “ওঁর শিকল খুলে দাও! কেউ ওঁর গায়ে আর হাত দেবে না। ওঁকে মারবে না। ওঁকে বাঁচিয়ে রাখো। যে কারাগারে আমি ছিলাম, সেইখানে এখন থেকে ছম্ভী থাকবেন। এই অন্ধকারে। নির্মম নিঃসঙ্গতায়! মাঝে-মাঝে আমি এসে ওঁকে দেখে যাব। এই হবে ওঁর শাস্তি। এই হবে আমার প্রতিশোধ!”

    এর পর সারা রাজ্যে আনন্দ কোলাহল পড়ে গেল বটে, তবু সব সমস্যা মিটল না।

    তিনদিন ধরে বিরাট উৎসব হল, প্রজারা জয়ধ্বনি দিতে লাগল মহারানি আর রাজকুমারের নামে, কিন্তু এ দু’জনকে আর দেখতে পাওয়া গেল না। রাজপ্রাসাদে সব দাসদাসীরা ফিরে এসেছে, অথচ তাদের আদেশ দেওয়ার কেউ নেই, মাতা আর পুত্র একটি কক্ষে বসে থাকে প্রহরের পর প্রহর। আড়াল থেকে কোনও-কোনও দাসদাসী মহারানিকে কাঁদতে দেখেছে।

    মহারানি তলতাদেবী চেয়েছিলেন, ছম্ভীকে বন্দী করার পরের দিনই রাজকুমার তীক্ষ্ণর অভিষেকের কথা ঘোষণা করে দেবেন। রাজা হয়ে তীক্ষ্ণ বসবে সিংহাসনে। এ-রাজ্যের সিংহাসনের সে-ই তো উত্তরাধিকারী। তার অভিষেকের উৎসবে আমন্ত্রণ করা হবে প্রতিবেশী সব রাজ্যের রাজাদের।

    কিন্তু রাজকুমার তীক্ষ্ণ কিছুতেই রাজা হতে রাজি নয়!

    সে বারবার বলছে, “মা, তুমি সিংহাসনে বসো! এই সিংহাসন তোমারই জন্য এতকাল খালি পড়ে ছিল!”

    মহারানি তলতাদেবী সে-কথা শুনেই প্রবলভাবে মাথা নাড়েন। তিনি তাঁর স্বামীর সামনে প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, কোনওদিন তিনি সিংহাসনে বসবেন না।

    মা আর ছেলের এই নিয়ে তর্ক চলছে অনবরত।

    তীক্ষ্ণ বলছে, “সে ফিরে এসেছে মা-কে কারাগার থেকে মুক্ত করতে আর পিতার হত্যার প্রতিশোধ নিতে। সিংহাসনের কথা সে একবারও ভাবেনি!” মহারানি ব্যাকুলভাবে জিজ্ঞেস করলেন, “তুই কেন সিংহাসনে বসবি না, তীক্ষ্ণ! বল, বল, বল!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ উত্তর দিল, “মা, আমি আর এক রাজকুমারকে দেখেছি। তিনিও সিংহাসনের মায়া ত্যাগ করে, নিজের রাজ্য ছেড়ে চলে এসেছেন। কী অপূর্ব সুন্দর হাসি তাঁর মুখে। কোনও রাজা ওরকম হাসতে পারে না।”

    “তিনি কোন রাজ্যের রাজকুমার?”

    “কপিলাবস্তুর রাজা শুদ্ধোদনের পুত্র তিনি। সবাই তাঁকে এখন গৌতম বুদ্ধ বলে জানে।”

    “কেন সিংহাসনের অধিকার ছেড়ে এলেন তিনি?”

    “সবাই বলে, তিনি নিজের রাজ্য ছেড়ে এসেছেন বটে, কিন্তু বহু মানুষের হৃদয়ের রাজা হয়েছেন। তিনি কিছুই চান না, তবু সমস্ত মানুষ তাঁর কাছে যেতে চায়। আমিও তাঁর কাছে আশ্রয় নিতে চাই!”

    “তবে চল কুমার, আমিও তোর সঙ্গে যাই! তোকে ছেড়ে আমি কী করে থাকব?”

    এই রাজ্যের মন্ত্রী, সেনাপতি ও পাত্রমিত্ররা এই কথা শুনে হাহাকার করে ওঠে। মহারানি যদি চলে যান, রাজকুমার তীক্ষ্ণও যদি চলে যায়, তা হলে কি সিংহাসন শূন্য পড়ে থাকবে? রাজ্য চালাবে কে?

    মহারানি তলতাদেবী… বাহুক আর শিল্পী জয়পালকে ধরলেন রাজকুমার তীক্ষ্ণকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে রাজি করবার জন্য। কিন্তু রাজকুমার কারও কথা শুনতে রাজি নয়!

    এইরকম অনিশ্চয় অবস্থার মধ্যে কাটতে লাগল দিনের পর দিন।

    তারপর হঠাৎ বেজে উঠল যুদ্ধের দামামা!

    অহিচ্ছত্রপুরের সিংহাসন শূন্য, রাজ্য শাসন করার দিকে কারও মন নেই। এই সংবাদ রটে গেছে চতুর্দিকে। সেই সুযোগ নিয়ে এক বিদেশী রাজা বিরাট সৈন্যবাহিনী নিয়ে এই রাজ্য আক্রমণ করেছে।

    আবার সাজ-সাজ রব পড়ে গেল। যে-কোনও উপায়ে অহিচ্ছত্রপুর রক্ষা করতেই হবে। কিন্তু সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেবে কে? আর কে, অবশ্য‍ই রাজকুমার তীক্ষ্ণ! মহাবীর এই রাজকুমার, তার নাম শুনলেই শত্রুরা কাঁপবে!

    কিন্তু রাজকুমার তীক্ষ্ণ তাতেও রাজি নয়। সে আর যুদ্ধ করতে চায় না। যুদ্ধ মানেই তো নরহত্যা। সে আর কিছুতেই রক্তদর্শন করবে না ঠিক করেছে।

    মহারানি তলতাদেবী এবার কেঁদে পড়লেন। নিজেও আর কোনওদিন অস্ত্র ধরবেন না বলে প্রতিজ্ঞা করেছেন। তা হলে কী হবে? তিনি কাঁদতে-কাঁদতে বললেন, “আমার এতবড় বীর পুত্র থাকতেও এই রাজ্য পরাধীন হবে? তা হলে আমি আত্মঘাতিনী হব। পরাধীন দেশে আমি এক মুহূর্তও বাঁচতে চাই না।”

    শেষ পর্যন্ত সকলের অনুরোধে অস্ত্র হাতে নিতেই হল রাজকুমার তীক্ষ্ণকে।

    প্রজারা উল্লাসে জয়ধ্বনি করে উঠল, সৈন্যরাও দারুণ উৎসাহী হয়ে উঠল।

    সাদা ঘোড়ায় চড়ে সকলের আগে আগে চলল রাজকুমার তীক্ষ্ণ। তার দুপাশে বাহুক আর শিল্পী জয়পাল। এক সময় বাছক অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, “এ কী, কুমার, আপনার চোখে জল কেন?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ ধরা গলায় বলল, “আমার ভাল লাগছে না, আমার ভাল লাগছে না! মানুষ কেন মানুষকে মারবে? এক রাজা কেন অন্য রাজ্য দখল করার লোভ করবে? যুদ্ধ ছাড়া কি মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকতে পারে না?”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “কুমার, আপনি ঠিকই বলেছেন। যুদ্ধ অতি নিন্দনীয়। কিন্তু সবাই যে তা বোঝে না। শত্রু আক্রমণ করলে প্রতিরোধ করতেই হয়। না হলে পরাধীন হয়ে থাকতে হয়। পরাধীন জাতির মেরুদণ্ড নষ্ট হয়ে যায়। পরাধীনতা নরকবাসের তুল্য। স্বাধীনতা রক্ষার জন্য যুদ্ধ করতেই হয়।”

    অশ্রু মুছে, অস্ত্র তুলে, চোয়াল কঠিন করে রাজকুমার তীক্ষ্ণ ঝাঁপিয়ে পড়ল রণে।

    তার শৌর্যের সামনে বিপক্ষের যোদ্ধারা কেউ দাড়াতেই পারল না। সকলে ভয়ে পালাতে লাগল। অন্যদিকের সৈন্যবাহিনী ভেদ করে এগোতে লাগল রাজকুমার তীক্ষ্ণ!

    হঠাৎ বাহুক দারুণ বিস্ময়ে চেঁচিয়ে উঠল, “রাজকুমার দেখুন! দেখুন!”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ অশ্বের রাশ টেনে বলল, “কী হয়েছে?”

    বাহুক বলল, “সামনে তাকিয়ে দেখুন।”

    একটু দূরেই একটি কালো ঘোড়ার পিঠে বসে আছেন শত্রুপক্ষের রাজা। তিনি যেন যুদ্ধ ভুলে প্রচণ্ড অবাক হয়ে তাকিয়ে আছেন রাজকুমারের দিকে। রাজকুমার বলল, “মাথায় মুকুট, ইনিই তা হলে রাজা? এঁকে জয় করতে পারলেই যুদ্ধ থেমে যাবে?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ আবার আক্রমণে উদ্যত হতেই বাহুক তার হাত ধরে টেনে বলল, “কুমার, ভাল করে দেখুন। কিছু বুঝতে পারছেন না?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ সামনে তাকিয়ে বলল, “শত্রুপক্ষের রাজাকে চেনা-চেনা লাগছে যেন?”

    বাহুক বলল, “ওঁকে অবিকল আপনার মতন দেখতে।”

    এই সময় শিল্পী জয়পাল সেখানে পৌঁছে চিৎকার করে বলল, “ইনি তো আপনার বড় ভাই! রাজকুমার দৃঢ়!”

    তারপর তিনি ঘোড়া ছুটিয়ে আরও এগিয়ে গিয়ে বললেন, “বড় রাজকুমার, বড় রাজকুমার, আমায় চিনতে পারছেন না? আমি জয়পাল!”

    বিরুদ্ধপক্ষের রাজা ভুরু কুঁচকে বললেন, “না, চিনতে পারছি না। কে জয়পাল?”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “কালাঘর দুর্গে আমি রক্ষী ছিলাম। আমরা একসঙ্গে পালাবার চেষ্টা করেছিলাম, মনে নেই? শেষকালে কোনও উপায় না দেখে আমরা দু’জনেই উঁচু গম্বুজ থেকে ঝাঁপ দিলাম নদীতে!”

    রাজা অস্ফুটভাবে বললেন, “কালাঘর দুর্গ? আমি সেখানে বন্দী ছিলাম? একটা অন্ধকার ঘরে?”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “হ্যাঁ, হ্যাঁ! আপনি তো এই রাজ্যেরই রাজকুমার! আপনি বড় রাজকুমার দৃঢ়। আপনি আপনার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে যুদ্ধ করতে এসেছেন।”

    রাজা আবার বললেন, “আমার ছোট ভাই?”

    তারপর তিনি হাত তুলে বললেন, “যুদ্ধ বন্ধ করো। যুদ্ধ বন্ধ করো। সব মনে পড়েছে! এতকাল আমি অন্ধকারে ছিলাম! এ তো আমার পিতার রাজ্য! আমার মা কোথায়?”

    ঘোড়া থেকে নেমে তিনি দৌড়ে এলেন। রাজকুমার তীক্ষ্ণ ও নেমে দাঁড়াল। তারপর দুই ভাই আলিঙ্গনে আবদ্ধ হল।

    অস্ত্র নামিয়ে অন্য সবাই হর্ষধ্বনি করে উঠল।

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “দাদা, তুমি ঠিক সময়ে এসেছ। এ-রাজ্যের সিংহাসন তোমার জন্য শূন্য পড়ে আছে।”

    রাজা দৃঢ় বললেন, “না, না, আমার অন্য রাজ্য আছে। আমি মায়ের সঙ্গে দেখা করে ফিরে যাব। এই রাজ্য তোর থাকবে।”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ . তার তলোয়ারটা বড় ভাইয়ের পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে বলল, “আমি কোনওদিন রাজা হব না। আমি আর কোনওদিন অস্ত্র ধরব না। এই আমার শেষ শপথ!”

    এর পর দুই ভাই চলল রাজপ্রাসাদের দিকে।

    বাহুক রাজকুমার তীক্ষ্ণকে বলল, “কুমার, এবার তো সব কিছুই আনন্দময় হয়ে গেল। আপনি নিজের বড় ভাইকে ফিরে পেলেন। এখন এই সিংহাসনে আপনি না বসলেও আপনার মা দুঃখ পাবেন না। তিনি তাঁর বড় ছেলেকে রাজত্ব দেবেন। সবই ঠিক হয়ে গেল। তবু আপনার মুখখানা বিষণ্ণ কেন?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “বাহুক, আমি এই রাজ্য ছেড়ে আজই করুণাময় বুদ্ধের কাছে ফিরে যেতে চাই। কিন্তু আমার মনে সন্দেহ জেগেছে, তিনি কি আমাকে গ্রহণ করবেন? তিনি আমাকে দূরে ঠেলে দেবেন না তো?”

    বাহুক বলল, “কেন, আপনার মনে এই সন্দেহ জাগছে কেন?”

    রাজকুমার তীক্ষ্ণ বলল, “আমি এত রক্ত মেখেছি হাতে। এত লড়াই করেছি। এর জন্য তিনি আমাকে ঘৃণা করবেন না?”

    বাহুক বলল, “তিনি তো কোনও মানুষকেই ঘৃণা করেন না। আপনি বুঝি অঙ্গুলিমালকে দেখেননি? অঙ্গুলিমালের পূর্বকথা জানেন না? অঙ্গুলিমাল ছিল আগে এক দস্যু। কত মানুষ মেরেছে। পরম করুণাময় বুদ্ধ তার জীবনেও পরিবর্তন এনে দিয়েছেন। সে এখন ভক্ত।”

    শিল্পী জয়পাল বললেন, “কুমার, আপনি যখন বুদ্ধদেবের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন, তখন তিনি কী জানিয়েছিলেন মনে নেই? তিনি বলেছিলেন, এখনও সময় হয়নি। তিনি কাউকেই ফিরিয়ে দেন না। তবে, আপনার সময় হয়েছে কি না তা ওখানে গিয়ে আপনাকে দেখতে হবে। হয়তো আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে!”

    সেদিন রাজবাড়ির উৎসবে অংশ নিলেন কুমার তীক্ষ্ণ। রাজা দৃঢ়কে অহিচ্ছত্রপুরেরও রাজা বলে ঘোষণা করা হল।

    তারপর রাজকুমার তীক্ষ্ণ বিদায় চাইলেন মায়ের কাছে।

    এই সন্তানটিকে যে আর কিছুতেই ধরে রাখা যাবে না, তা বুঝতে পেরেছেন তলতাদেবী। সিংহাসনের প্রতি এর বিন্দুমাত্র লোভ নেই। এতবড় বীর হয়েও সে চিরকালের মতন অস্ত্র ত্যাগ করেছে। তাই আর বাধা দিলেন না রাজমাতা তলতাদেবী। চোখের জল গোপন করে তিনি তাকে আশীর্বাদ জানিয়ে বিদায় দিলেন।

    বাহুক আর শিল্পী জয়পালকে সঙ্গে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল তীক্ষ্ণ। ওদের দু’জনকেই সে জানিয়ে দিল, আর আমাকে রাজকুমার বলে ডাকবেন না। এখন থেকে আমি শুধু তীক্ষ্ণ।

    এখন ওদের সঙ্গে ঘোড়াও নেই। চলেছে পায়ে হেঁটে। সারাদিন পথ হাঁটে, রাত্রে কোনও গাছতলায় ঘুমোয়। তবু পথ চলায় ওদের ক্লান্তি নেই।

    প্রায় দশ দিন পরে ওরা এসে পৌঁছল বৈশালীতে। কিন্তু সেখানে এসে ওরা নিরাশ হল খুব। বুদ্ধ সেখানে নেই। তিনি সদা ভ্রাম্যমাণ। সদলবলে অন্য কোথাও চলে গেছেন।

    স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে খবর নিয়ে ওরা এবার গেল শ্রাবস্তীতে সেখানেও বুদ্ধকে ধরা গেল না। এবার শোনা গেল, তিনি গেছেন কাশীর কাছে সারনাথ গ্রামে। সেখানে পৌঁছে বহু মানুষের সমাগম দেখে ওরা নিশ্চিন্ত হল।।

    বুদ্ধদেব এক-একদিন সন্ধেবেলা কোনও গাছতলায় বসে ভক্তদের উপদেশ দেন ও অনেকরকম গল্প বলেন। আবার মাঝে-মাঝে দু-তিনদিন তিনি দেখা করেন না কারও সঙ্গে। ধ্যানে মগ্ন থাকেন কিংবা একা একা ভ্রমণ করেন বনের মধ্যে।

    সারনাথে এসে ওরা শুনল, গত দু’দিন ধরে বুদ্ধদেব কাউকে দর্শন দিচ্ছেন না।

    তীক্ষ্ণ ধৈর্য ধরতে পারছে না। এত যুদ্ধ-বিগ্রহ করেছে যে, তার নিজের শরীরটা অপবিত্র মনে হচ্ছে। শতবার স্নান করলেও যেন সেই রক্তের দাগ মোছা যাবে না। কিন্তু করুণাময় বুদ্ধ একবার ছুঁয়ে দিলেই সে পবিত্র হয়ে যাবে।

    সারনাথ গ্রামে পৌঁছবার পরের দিন তীক্ষ্ণ একা-একা ঘুরতে-ঘুরতে লোকালয় ছাড়িয়ে চলে গেল অরণ্যে। গ্রীষ্মকাল শেষ হয়ে সবে বর্ষা শুরু হয়েছে। বৃষ্টির জলে ধোয়া গাছপালাগুলি থেকে ঘুচে গেছে মলিনতা। কয়েকটি ময়ূর খেলা করছে একটা জলাশয়ের ধারে।

    হঠাৎ তীক্ষ্ণ দেখতে পেল এক জ্যোতির্ময় পুরুষকে। দেখা মাত্র চিনতে পারল সে। এর মধ্যে আর একটু যেন শীর্ণ হয়েছেন তিনি। কিন্তু চক্ষু দুটি শান্তিময়।

    তিনি আপনমনে ভ্রমণ করছেন। এক সময় তিনি মুখ ফিরিয়ে দেখতে পেলেন তীক্ষ্ণকে। তিনি সামান্য হাসলেন।

    সহসা কোনও কথা বলতে পারল না তীক্ষ্ণ। সে এগোতেও পারল না, তার পা যেন ভূমিতে আটকে গেছে। সে বিস্ফারিত চোখে চেয়ে রইল।

    বুদ্ধও তাকিয়ে রইলেন তার দিকে।

    বেশ কিছু মুহূর্ত কেটে যাওয়ার পর তীক্ষ্ণ কোনওরকমে আস্তে-আস্তে বলল, “বুদ্ধং সরণং গচ্ছামি।”

    বুদ্ধও ধীরস্বরে বললেন, “ধম্মং সরণং গচ্ছামি!”

    তীক্ষ্ণ আবার বলল, “সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি।”

    এবার বুদ্ধও তার সঙ্গে গলা মিলিয়ে বললেন, “সঙ্ঘং সরণং গচ্ছামি!”

    তীর সারা শরীরে যেন একটা আনন্দের স্রোত খেলে গেল। সে বলল, “আপনি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমার নাম তীক্ষ্ণ!”

    বুদ্ধ বললেন, “আমি তোমাকে চিনেছি। তুমি তীক্ষ্ণ নও, এখন থেকে তুমি উদাত্ত। তোমার নতুন জন্ম হয়েছে, এই জন্মের নাম উদাত্ত!”

    কাছে এসে তিনি তাকে ছুঁয়ে দিতেই তার চক্ষু দিয়ে ঝরঝর করে জল পড়তে লাগল। আগে যে তীক্ষ্ণ ছিল, এখন সে উদাত্ত। তার চোখে যে অশ্রু, তা শুধু আনন্দের। এমন আনন্দের স্বাদ সে আগে কখনও পায়নি!

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুখ অসুখ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 31, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    নিঃসঙ্গ-সম্রাট – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    July 27, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026
    Our Picks

    উদাসী রাজকুমার – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 3, 2026

    যমুনা নদীর মুশায়রা – সেলিনা হোসেন

    August 3, 2026

    কিতাগড় – শ্রীপারাবত

    July 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }