Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ১১

    ॥ এগারো ॥

    কুবের জানে ওই ফালি বারান্দায় তার জন্ম। হোগলার বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছিল। তখন হাসপাতালের এত চল হয়নি। মিডওয়াইফ শশীবালার হাতে সে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল সাত টাকায়। বুড়ির কেউ নেই। এক ইউনিটের কার্ডে নিজেই রেশন নেয় লাইন দিয়ে। কুবের বড় হয়ে ভাঁড়ার ঘরে একই ধরনের লম্বা লম্বা বোতলে কেরোসিন রাখতে দেখত। সেগুলো মৃত-সঞ্জীবনী সুধার বোতল। কুবের হওয়ার পর শরীর ভেঙে যাওয়ায় মা অনেকগুলো খেয়েছিল।

    এগারোই চৈত্র, শনিবার, অমাবস্যার দুপুরে তার জন্ম। ক’দিন পরেই বোধহয় নীলের উপোস ছিল। কুবের জন্মাতেই কলকাতা-হাওড়া-সালকের ওপর দিয়ে গত চল্লিশ বছরের সবচেয়ে বিখ্যাত ঘূর্ণিঝড় বয়ে গিয়েছিল। সেকেন্ডে হোগলার আড়াল নিশ্চিহ্ন। তখনও ফুল পড়েনি মার।

    কাশীবাসী এক পাগলি পিসি ছিল কুবেরের। ভয়ঙ্কর মুখরা বলে বিয়ের পরেই স্বামী তাকে ফিরিয়ে দিয়ে গিয়েছিল। বড়ঘরের ছেলে। আচমকা মরে যাওয়ায় তার ভাগের সম্পত্তি থেকে টাকা আসত পিসির নামে। সেই টাকায় পিসি কাশীবাসী। ভয়ঙ্কর সুচিবাই।

    হোগলার আড়াল সরে যাওয়ায় ঝড়ের মধ্যে কাতরাতে কাতরাতে মা বলেছিল, ‘ঠাকুরঝি ছেলেটাকে একটু ঘরে নিয়ে যাবি?’

    ‘বউ, তুই কি আমাকে গঙ্গাচান করাবি? ও আমি ছুঁতে পারব না।’

    ননদের কথায় মুখ চেপে ঘষটে ঘষটে মা ঘরে এসেছিল। আসবার সময় কয়েক ঘণ্টার কুবেরকে গামলা চাপা দিয়ে বাইরে রেখে এসেছিল। ঝড় থামলে তবে তাকে ঘরে আনা হয়।

    কোন ক্ষণজন্মা মহাপুরুষের জীবনের ইতিবৃত্ত নয়। জন্মের পর যারা একদিন গাছপালা, পশুপাখি, পোকামাকড়ের ধারায় মরে যায়—কুবের সাধুখাঁ তাদেরই একজন। মা বড় ভাল কথা। তার মুখেই এসব শোনা। ইতিহাসে যেমন যুদ্ধ-বিগ্রহ, সন্ধি, শান্তিস্থাপন, পতন-উত্থান–এক একটা স্তর, সময়ের ধাপ—এই মহিলার জীবনেও তার ছেলেমেয়েদের জন্ম, অসুখ, পরীক্ষা পাস, বিয়ে, চাকরিতে বসা—জীবনের এক একটা মনে রাখার মত সিঁড়ি।

    কুবের চেষ্টা করে দেখল, একেবারে পেছনে, কত পেছনে তার কি মনে আছে। আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের ‘চা-পান না বিষ পান’ পড়ে অনেকে চা ছাড়লেও বাজারে বাজারে তখন কলেরগানে খরখরে রেকর্ডে ভাটিয়ালি শুনিয়ে বিনি পয়সায় চা খাওয়ানোর বিজ্ঞাপন শুরু হয়ে গেছে। গোপি চাকরের কোলে উঠে কতদিন কুবের এইসব গান শনেছে। গোপি ফ্রি চা খেত, মুখের চা কুবেরকে খাওয়াতো। সেই সময় তিন বছরের কুবেরকে অস্টার পরিয়ে দেবেন্দ্রলাল একটা ছবি তুলিয়েছিল। ছবিখানা এখন বুলুর অ্যালবামে। ঘাড় ঠিক ডানদিকে হেলানো। এক মাথা কোঁকড়ানো চুল। ডান কানের কাছে ছবিটা উইয়ে কেটেছে।

    দ্বিতীয় যা মনে পড়ে, তা হল, এক জ্ঞাতি দাদুর একটি সাদা ঘোড়া। হরিরাম সাধুখার তৈরি পৈত্রিক এই বাড়ির চারতলার চিলেকোঠায় বুড়ো থাকত। হরিরামের প্রথম পক্ষের দিক দিয়ে প্রপৌত্র। অনেক বয়স। কার ছেলে—কি বৃত্তান্ত, সবাই ভুলে গিয়েছিল। দেখবার কেউ ছিল না বুড়োর। তার বয়সকালের ঘোড়াটা পৈত্রিক আস্তাবলে পা ঠুকে ঠুকে ডাঁশ তাড়াতো মাঝরাতে। মার পাশে শুয়ে রাত জেগে বালক কুবের সেই শব্দ শুনত। একদিন রাতে স্বপ্ন দেখল, ঘোড়াটা সদর দরজা দিয়ে ঢুকে সোজা সিঁড়ি বেয়ে তাদের ঘরের সামনে এসে দাঁড়াল। তারপর কুবেরের বুকে উঠে এক জায়গাতেই পুরো দৌড়ের কসরৎ শুরু করে দিল। কুবের চেঁচিয়েও কূল পায় না। ঘুম ভাঙতে দেখল মশারির মধ্যে সবাই ঘুমোনো। ঘরের বড় আয়নায় জ্যোৎস্না পড়ে উল্টোদিকের দেওয়ালের অয়েলপেন্টিংয়ে হরিরাম আচমকা আলোয় জ্বলজ্বল করছে। সেদিনই ভোরে কম্প দিয়ে জ্বর এল। টাইফয়েড। ছত্রিশ দিনের দিন রেমিশন। বড়দা চৌরাস্তা থেকে সেদিনই কুবেরের জন্যে বড়দানার চিনিমাখানো একটিন হাংলিপামার বিস্কুট নিয়ে এল। দুধে ভিজিয়ে তাকে একখানা খেতে দেওয়া হয়েছিল।

    পাড়ার রায়সাহেব বাড়িতে কাঠের বাক্সে রেডিও থাকত। শীতকালে সন্ধ্যেবেলা রেডিও শুনে সবাই বললো, যুদ্ধ লাগলো। কিছুদিন পরেই বড়দা পট করে চাকরি পেয়ে গেল। মা কালী-বাড়ি পুজো দিয়ে এল।

    ৮ই জানুয়ারী অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে কুবের সাধুখাঁ ক্লাস থ্রিতে ভর্তি হল। রোল সেভেন। হাফ-ইয়ারলি পরীক্ষার পর ঢিলেঢালা ক্লাসে ফিফথ পিরিয়ডে সনৎ একদিন কু দিল। ক্লাসটিচার মহতাবউদ্দিন স্যারের ক্লাস। কে করেছে? জানতে চাইতেই সনৎ উঠে দাঁড়িয়ে বললো, স্যার আমি! অমনি স্যার সনতের সত্যবাদিতার প্রশংসা করে ক্লাসসুদ্ধ সবাইকে বললেন, ফলো সনৎ।

    পরের সপ্তাহে ওই পিরিয়ডে কুবের কু দিল। কে করেছে? জানতে চাওয়া মাত্র কুবের উঠে দাঁড়াল। মহতাবউদ্দিন স্যার কাছে ডাকলেন। স্যারের মাথার পেছনে দেওয়ালে হরিণের মাথা লাগানো একটু উঁচুতে। স্যার চক দিয়ে কুবেরের গোঁফ এঁকে উঁচু টুলের ওপর কুবেরকে দাঁড় করিয়ে মাথাটা হরিণের দুই সিংয়ের মধ্যে আটকে দিলেন। তারপর ক্লাসসুদ্ধ সবাইকে বললেন, আমার ক্লাসে গোলমাল হলে এই শাস্তি।

    সেদিন থেকে কুবের জীবনে বেতাল হয়ে গেল।

    রোজ সে খারাপ হতে থাকল। লোকে যাকে খারাপ বলে—তাই।

    শীতকালে হরগঞ্জ বাজারে কমলা ঢেলে বিক্রি হত। একপাল বন্ধুর সঙ্গে সন্ধ্যেবেলা চাদর জড়িয়ে কমলা আনতে যেত। দরাদরি করে কেনার সময় কে কটা চাদরের নীচে সরাতে পারতো—তাই ছিল খেলা। মারাত্মক খেলা। ধরা পড়ে একদিন বেদম মার খেল ব্যাপারীদের হাতে। বাড়িতে বলার উপায় নেই। বললে, ডবল ধোলাই হবে।

    ব্ল্যাক আউট হয়ে গেলে কুবেররা সনতদের দেশের বাড়ির কাছাকাছি মফস্বল শহরে চলে গেল। সেখানকার স্কুলের গায়ে ম্যাজিস্ট্রেটের বাড়ি ছিল। একদিন মর্নিং স্কুলের সময় কি ভিড় সাহেব ম্যাজিস্ট্রেটের বাড়ি। কুমির মারা পড়েছে সাহেবের গুলিতে। কুমিরের পেটের ভেতর থেকে চুড়ি, হার, দুল, মানুষের হাতের হাড় পাওয়া গেল একখানা।

    এরপর সনতের সঙ্গে ঘোলাডাঙায় শেফালির ঘরে যাওয়া অব্দি কিছু মনে নেই কুবেরের। তারপর সবই ঘোলা। হরি ডাক্তারের ওষুধে ইনজেকসনে কুবেরের পুঁজ পড়া বন্ধ হল। কুবের সৎ হয়ে যাওয়ার জন্যে উঠে পড়ে লাগল। কলেজ পার করে দিয়ে চাকরির বাজারে নেমে দেখল, এই নিষ্পাপ ভাবটা কোন কাজেই আসে না। বরং এজন্যে তাকে ঘা খেতে হচ্ছে। চাকরিতে সবাই তুখোড় লোক চায়। ফুলের এগজিবিশনে মানুষের একটা নিষ্পাপ মুখ টবে বসিয়ে রাখা হয়। মিলমিশ হতে অসুবিধে হয় না। কিন্তু অফিসে কারখানায় অমন মুখের লোককে কেউই ভরসা করে না। বরং বোকা, নয়তো মিনমিনে মনে করে। অথচ মুখে এই ছাপ কুবের সাবান ডলেও ওঠাতে পারবে না। এক শুধু ধার চাওয়ার সময় এই ভাবখানা খুব কাজে এসেছে। ধনরাজের সামনে টাকার কথা তোলার দিন কুবেরের মুখে সব কিছু মিলে একটা করুণ ছায়া ফেলেছিল।

    কুবের সিওর—ইরা তাকে ভালবাসত। ভালবাসত তার মুখের পাপহীন অবুঝ, করুণ ভঙ্গীকে। বুকের মধ্যে তার মুখটা ঠেসে ধরে মাথার গন্ধ নিত। পুষ্পঘ্রাণ। মেয়েলোক ভালবাসার এমন এমন সব জিনিস খুঁজে পায়। কুবেরকে মাঝে মধ্যে বানিয়ে বানিয়ে বিপদ আপদের কথা বলতে হত। তখন ইরা টাকা দিতে পেরে আরাম পেত। অথচ কুবের রোগাভোগা নয়। গীতা চণ্ডীপাঠ, কালীর পায়ে দম আটকে রক্তদান, সাঁতরানো, গাছে-ওঠা, ফার্স্ট থেকে ফোর্থ ইয়ার অব্দি কুস্তির সঙ্গে ডন বৈঠক—সব কিছু করে জামাকাপড়ের নীচে সে আর পাঁচজন পুরুষের মতই ছিল। কিন্তু তবু তাকে জ্বর জ্বর ভাব মুখে নিয়ে ইরার পছন্দ মাফিক দুর্বল, করুণ লাভার হতে হয়েছিল। ইরার স্বপ্নে ছিল—তার প্রেমিকের চুল কোঁকড়া হবে। কুবেরের তা ছিল। স্বপ্নে ছিল, চোখে চশমা থাকবে। কুবের নগেনের অল্প পাওয়ারের চশমা চোখে দিয়ে ইরার সামনে টলতে টলতে ঘুরত। কেন না চোখে দেওয়ার খানিক পরেই মাথা ঘুরতো। স্বপ্নে ছিল, লাভার গান জানবে। এইটে আর হওয়ার উপায় ছিল না। একদিন নগেনকে আনিয়ে মাঠের মধ্যে বসে ইরার সামনে ‘মনে রেখো, ম-ও-নে রে—এ-এ-খো’—গাইয়ে ছিল। সেঝদার হিরোইন। নগেন তাই গেয়েছিল।

    এমন পছন্দ মিলিয়ে মিলিয়ে ভালবাসা হয় না। এ যে শুধু শর্তপূরণ। শেষদিকে পুরো ব্যাপারটাই বোঝা হয়ে দাঁড়াল।

    ইরা বলেছিল, ভালো চেহারার লোকজনে তার মার বড় ভয়। ইরার মা ভালো দেখতে নয় বলে ইরার বাবা তার শালীর দিকে ঝুঁকেছিল। অতএব ইরার পক্ষে কুবেরের সুন্দর হওয়ার ব্যাপারটা কিছু অসুবিধের ছিল। তখন কুবের নাইট্রিক এসিড দিয়ে নিজের মুখখানা ইরার পক্ষে জুতসই করে তুলতেও রাজি ছিল। প্ৰেম।

    গ্র্যান্ড হোটেলের নীচে ব্রজদার সঙ্গে দেখা। দেখেই বললো, ‘তোর হবে। আয়।’

    তিরিশ মাইল বেগে হাঁটছে ব্ৰজ দত্ত। নিখুঁত সুট—হাঁটার দমকে গলার টাই একবার এদিক আরেকবার ওদিক।

    ‘কোথায় যাচ্ছি আমরা?’

    ‘গ্র্যান্ডে। ক্যানাডার ফেমাস ম্যাজিসিয়ান সন্ত্রীক এসেছে। কাল ভোরেই কলকাতা ছেড়ে যাবে। আমি ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর ম্যাজিকস্-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট। আজ আমাকে লাঞ্চে ডেকেছেন। তুই হলি কাগজের রিপোর্টার—’

    ‘কবে থেকে?’

    ‘আমিই বা কবে থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট?’ থেমে ব্রজ দত্ত বললো, ‘কাল বিকেলে সাহেব জাদুকরের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় সোসাইটির কথা বলে ফেললাম। মুখে এসে গেল। সঙ্গে সঙ্গে অনেকবার এই সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট পোসটে নিজেকে নিজে ইলেক্ট করতে হল। একটা রিপোর্টার দরকার ছিল—হ্যাগাড লুকিং-ফাইটিং ফর ফুটিং। ভগবান তোকে মিলিয়ে দিল—’

    আর কিছু বলার চান্স পেল না কুবের। একটা ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ব্ৰজদা বোতাম টিপছে। মোটাসোটা বুড়ো সাহেব বেরিয়ে এল। কুবেরের পরিচয় দিয়ে ব্রজ দত্ত তাকে নিয়ে ঘরে ঢুকল। টেবিল সাজানো রয়েছে। ভালো ভালো খাবার। ব্রজ দত্ত সাহেবকে বিশেষ কথা বলতে দিল না। কুবেরকে নিয়ে সোজা খাবার টেবিলে। একটু পরে বুড়োর বুড়ি এসে যোগ দিল। খেতে খেতে ব্রজদা একটা চামচ হাওয়া করে দিল। সঙ্গে সঙ্গে সাহেব দু’স্লাইস পাউরুটি, একখানা মাছ ভাজা শূন্যে উড়িয়ে দিল। এইভাবে উড়তে উড়তে টেবিল প্রায় ফাঁকা। দু’জনেই খুব গুণী জাদুকর। দু’জনের উড়িয়ে দেওয়া খাবার, চামচ সব আবার একে একে টেবিলে ফিরে আসতে লাগল। কিন্তু কুবের অনেকক্ষণ ধরে একা একা যেসব জিনিস ওড়াচ্ছিল তা আর ফিরিয়ে আনা গেল না। টেবিলের নীচ থেকে ব্রজদা একটা লাথি দিল, দাঁত চেপে বললো, ‘অত গেলে না—’

    সঙ্গে সঙ্গে কুবের সাহেবের দিকে তাকিয়ে বললো, ‘হাউ লং ইউ আর ইন দি প্রফেশন?’

    সাহেব নানা শব্দ করে কি বললো। কুবেরের পকেটে একটি আটা কোম্পানির প্রসপেকটাস ছিল। সেইটে মুড়িয়ে নোটবই করে বাংলা লং হ্যান্ডে লিখল, ‘জীবনে এমন বিপদে পড়িনি।’ সাহেবের কথার শেষে ছিল, … লাইফ লং।’

    ভাইস-প্রেসিডেন্ট ব্রজ দত্ত সমঝদারের হাসি হাসল। সাহেবের বউ অল্প হেসে খাওয়ার শেষে ছোট কাপের কফি এগিয়ে দিল। কুবের সেই ফাঁকে তার নোটবই ব্রজদার চোখের সামনে তুলে ধরল। ব্রজ দত্ত খুঁটিয়ে দেখে আর একবার হো হো করে হেসে উঠল।

    সঙ্গে সঙ্গে কুবের দেখল, টেবিলের ওপর তার কলম নেই। হাওয়া।

    ব্রজদার হাত সাফাই। সঙ্গে সঙ্গে ভাঁজ করা প্রসপেক্টাসখানাও অদৃশ্য। সাহেবই বা পিছিয়ে থাকবে কেন? যাবার আগে সাহেব অবশ্য ফেরত দিল। কেননা কালকে সকালের কাগজেই বেরোবে। সাহেব তখন প্লেনে কোন সমুদ্র পার হচ্ছে। বিজনেস ট্রিপে বেরোয়নি বলে কোন প্রেস এজেন্ট সঙ্গে আনেনি!

    গ্র্যান্ড থেকে বেরিয়ে ব্রজদা বললো, ‘কেমন লাঞ্চ খেলি ফ্রি। এবারে এক খিলি পান খাওয়া তোর দাদাকে—’

    ‘আমি না হয় এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জে এসেছিলাম। খাওয়া হয়নি। কিন্তু তুমি তো খেয়ে বেরোতে পার। বৌদি নিশ্চয় রেঁধে রাখবেন—’

    ‘রাখবেন কিরে! ষোড়শোপচারে রেঁধে রাখেন। ওর ওপক্ষের বড় মেয়ে আমি খেতে বসলে হাওয়া করে। কিন্তু যতক্ষণ ঘরের ভেতর থাকি—স্রেফ মনে হয় আমার ডানা কেটে দিয়েছে কে—’

    ‘ওসব ধানাই পানাই মানায় না তোমাকে। বৌদি এত ভালবাসেন—‘

    ‘ভালবাসার তুই বুঝিস কিরে! পুটকে পুটকে মেয়ে নিয়ে এদিক ওদিক করে বেড়াস। সব নজরে আসে। ভাল ভাল কথা বলিস গাছতলায় নয়তো রেস্টুরেন্টে বসে। তুই ভালবাসার কি বুঝবি রে?’

    ‘শুধু তুমি একাই বোঝ। বৌদি বোঝেন না?’

    ‘খুব বোঝে। একবার স্বামী হারিয়েছে। দোবারা হারাতে চায় না। কিন্তু আমি জানি—আই ফর মাইসেল্ফ—দি ব্রজ দত্ত খোলাখুলি যখন ভাবি, পরিষ্কার বুঝি, পুরুষলোকের কোন মেয়েলোককে ভালবাসা সম্ভব নয়। কাছাকাছি থাকা যায়। বিপদে আপদে দেখা যায়। কিন্তু আমরা সবাই স্ট্রেঞ্জ বেডফেলোজ—’

    একটা প্রসেশন যাচ্ছে। দু’জনকেই থামতে হল। ট্রাম, বাস, ট্যাকসি, প্রাইভেট অচল করে দিয়ে কতগুলো লোক চেঁচাতে চেঁচাতে হাঁটছে। আর স্লোগান—‘চালের মণ ষোলটাকায় বেঁধে দাও—বেঁধে দাও—দাম বাড়ানো চলবে না।’

    সামনেই ইলেকশন। উল্টোদিকের বড় বাড়িটার দেওয়ালে ছাপানো পোস্টারে নেহরু তাকিয়ে। পাশেই এক দুই তিন করে গত ক’বছরে দেশের উন্নতির খতিয়ান লেখা।

    ‘বুঝলি। আমার বাবার জীবেনও তাই। মা ভীষণ ডোমিনেটিং লোক। বাবা সুতো ছেড়ে দিয়ে বসে থাকতো। ছাড়তে ছাড়তে মার কাছ থেকে বাবা এত দূরে সরে গিয়েছিল, শেষদিকে বোধ হয় মাকে চিনতেই পারত না। অথচ চোখ খারাপ নয়—’

    কুবেরের বাঁ হাতের কোন আঙুলে খানিক জায়গা কালো হয়ে উঠছে ইদানীং। শীতকাল বলে ঘষতে ঘষতে খানিক ছাল উঠে এল। চাকরি পাওয়া গেল না একটা। অথচ এই সময় আঙুলে এসব কি ফ্যাকড়া।

    ‘রাতে ডিনারে তোর নেমন্তন্ন—’

    ‘কোথায়?’

    ‘আকাডেমি অব মালটিপিল্‌ আর্টস অব ইনডিয়া। স্যার বিপিনের বাড়িতে পার্টি। লেডিও থাকবেন। দু’জন ফরাসী আর্টিস্টের সঙ্গে সবাইকে ইনট্রোডিউস করিয়ে দেব। তুইও থাকিস। দাড়ি কামিয়ে পাউডার মেখে আসবি। গপগপ করে গিলবিনে! একটু আধটু ড্রিংকস্ও থাকবে।—’

    ‘তুমি সেখানে কি ব্যাপারে?’

    ‘বাঃ! আমি হলাম ফাউন্ডার সেকরেটারি জেনারেল। লেডি হলেন গিয়ে প্রেসিডেন্ট।’

    ‘আমি কোন্ সুবাদে যাব?’

    ‘তুই একজন কনটেমপোরারি আর্টিস্ট। সত্যি কি না বল? তুই এযুগে বাস করছিস-যুগের সঙ্গে জড়িয়ে আছিস তোর এভরি রাইট আছে আর্টিস্ট বলে পরিচয় দেবার। ক’জন তোর আমার মত সাফার করছে বল? ক’জন তোর আমার মত টাইমকে নিঙড়ে নিয়ে সেকেন্ড মিনিট একটুও ফাঁকি না দিয়ে সব সময় ফিল করছে?’

    ‘সর্দারজীর দোকানে কাচের আলমারিতে আস্ত ছাড়ানো মুরগি কেমন মশলা মাখিয়ে থাক থাক সাজিয়ে রেখেছে—’

    ‘তোকে খাওয়াব একদিন।’

    ‘এরল ফ্লিন রবিন হুড আধপোড়া মাংস আখের কায়দায় দু’হাতে ধরে খাচ্ছিল—’

    ‘আমার বড় দুঃখ হয় কুবের—’, সিনেমার লাইনটা পেছনে বাড়তে বাড়তে কুবেরদের সেখানে দাঁড়াতে দিল না। এত গোলমাল, তার ভেতরে কাশ্মীর সরকারের সূক্ষ্ম হাতের কাজের জিনিসপত্র ঝুলিয়ে ধুলো মাখানো হচ্ছে, ‘আমি যা জানি—শেখাবার মত কাউকে পাচ্ছি না—’

    ‘ছেলে মেয়েদের শেখাও। সৎ বাপের কাছ থেকে তারা ম্যাজিক শিখুক হাঁটাচলা শিখুক—কত কি শেখার আছে শিখুক—’

    ‘তুই হাসবি না কুবের?’ ব্রজ দত্ত ইলেকট্রিক সাপ্লাইয়ের লোহার বাক্সে হেলান দিয়ে দাঁড়াল, ‘বিপদে ভেসে বেড়াতে এও ভাল লাগে—আমি জানি, বিপদ কি করে কাটিয়ে উঠতে হয়। আমার কোন নিজের লোককে ব্যাপারটা শিখিয়ে যেতে চাই—’, এখানে একটুও না থেমে ব্রজ দত্ত বলল, ‘তুই আমার ছেলে হবি? অনেকে তো দত্তক নেয়,—বেশ—না হয় মানসপুত্র হ—’,

    ‘ওয়ান্ডারফুল প্রোপোজাল —একটা সিগারেট ছাড়ো আগে—‘

    ‘আইডিয়াটা বল? কেমন এসেছে মাথায়। আচ্ছা এবার তোকে দীক্ষা দেব। খুব কিছু কঠিন না। ওই যে বড় মিষ্টির দোকানটা দেখছিস—’,

    ঠিক হল ওই দোকানে গিয়ে কুবেরকে একটা কালোজাম খেতে হবে। দাম দেওয়া যাবে না—দোকানীও চটবে না। পুরো ব্যাপারটা দু’ তরফে হাসির ভেতর দিয়ে সারতে হবে।

    কুবের এগিয়ে গিয়ে দোকানের শোকেসে হাত বোলাতে বোলাতে বললো, ‘চুলোয় টেম্পারেচার কনট্রোল করে এসব বানাতে হয়—’, চোখে শ্রদ্ধা ফুটে উঠল কুবেরের। লোকটা গাঁটাগোট্টা, তার ওপর ফরসা—নিশ্চয় খুব নৃশংস। একটা সিলভার লাইন আছে। সময় দিয়ে লোকটা গোঁফ ছাঁটে। তার মানে মনটা একেবারেই পাথর না। আর্ট লাভার।

    ‘না তেমন কিছু না। বেশির ভাগ মিষ্টির ফিনিশিং টাচ ঢিমে আঁচে দিতে হয়—’

    ‘তবু বলতে হবে ব্যাপারটা খুবই কঠিন—’, বলতে বলতে কুবের সন্দেশ, রসগোল্লা, কমলাভোগ, কালোজাম, লেডিকেনির থাকগুলো খুব ধীর চোখে দেখে নিয়ে অবাকভাবে বললো, ‘এসব আপনার—

    লোকটা হাসতে হাসতে বললো, ‘নিন্ না খান—খেয়ে দেখুন কোনটা দেব?’

    ‘দেবেন। মানে—‘

    ‘খান আপনি। কালোজাম দিই?’

    কুবের গোটা তিনেক খেল। তারপর পকেটে হাত ঢুকিয়ে পয়সা দিতে গেল। লোকটা হাহা করে উঠে নিষেধ করল। তখন ছানার দর, দুধের চালান এসব নিয়ে মোট তিনটি বাক্য ব্যয় করে কুবের ফিরে এল রাস্তার এপারে।

    ব্রজদা হাঁটতে হাঁটতে বললো, ‘ফুলমার্কস! কিন্তু আমার জন্যে একটা আনলে পারতিস।’

    ‘সিচুয়েশনের সঙ্গে খাপ খেত না। নইলে আনতাম~~’, বলতে বলতে কুবের দেখল, সামনে একটা লোক বিজ্ঞাপনের জন্যে বিখ্যাত ছাতা কোম্পানির একটা ঢাউশ ছাতা মাথায় দিয়ে ফুটপাথ জুড়ে হাঁটছে।

    অল্পক্ষণ আগে মানসপুত্র হওয়ার পর থেকেই কুবের খুব হালকা বোধ করছে। বিশেষ বলতে হল না। লোকটা হাঁফিয়ে উঠেছিল। হাতে নিয়ে কুবের প্রথমেই সামনের শোকেসের আয়নায় নিজের চেহারা দেখল। চ্যাপ্‌টা চোয়াল। হাসল। ছায়ায় ভাল দেখাল না। কত লোক হাসলে সুন্দর দেখায়। অথচ তার বেলায় যত গোলমাল। মুখ বুজে থাকলে এত সাধু, এত পবিত্র, এত নিষ্পাপ লাগে। তা আর থাকতে চায় না কুবের। তাই আবার হাসল। এবার আর সাহস করে ছাপ দেখল না। গার্ডেন পার্টির বিরাট ছাতাটার হাতল সাবধানে ধরে হাঁটতে লাগল কুবের। একপাশে ব্রজ দত্ত, অন্য পাশে সেই লোকটা।

    ‘সারাদিন কতটা হাঁটতে হয়?’

    ‘মাইল দশেক বাবু।‘

    ‘কত দেয় রোজ?’

    ‘পাঁচ টাকা আর জলপানি—’

    কুবের হিসেব করে দেখল সে আজ কম করেও সাত মাইল হেঁটেছে। সব মিলিয়ে সারাদিন দশ মাইলে দাঁড়াবে। অথচ তার জন্যে দুপুরের লাঞ্চ আর তিনটে কালোজাম ছাড়া নগদে কিছুই পায়নি, ‘রোজ ক’টা ছাতা এমন বেরোয়?’

    ‘কোন কোন দিন সাতটা অব্দি—নইলে চারজন লোক রোজ বেরোয়—।’ রাস্তা দিয়ে লোক যাচ্ছে আর কুবেরদের দেখছে। মেট্রোর কাছাকাছি ভিড়ের চাপে ছাতাটা একটু কাৎ হয়ে চিরুনির একজন ফেরিওয়ালাকে প্রায় ঢেকে ফেলল। কাঠের বাক্সের ওপর ঢেলে বিক্রি করছে। মাথায় চুল ঠিক রাখা ব্রজ দত্তের হাতে একখানা চিরুনি উঠে এল। মাথা আঁচড়াতে আঁচড়াতে কুবেরকে বললো, ‘দেখবি ওখানে?’ তারপর ছাতার বাইরে গিয়ে ঘুরিয়ে ঝালরে লেখা কোম্পানির নাম ঠিকানা জোরে জোরে পড়ে শোনাল। পড়বার সময় কুবেরের হাঁটা থামেনি। ব্রজ দত্ত লেখা পড়তে পড়তে পেছন ফিরে হেঁটেছে।

    ‘আমরা গেলে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘুরতে দেবে?’

    ‘বাবুরা বিশ্বাসী লোক চায়। আজ বিশ বছর ছাতা মাথায় ঘুরছি। বর্ষাকালে একটা লোক দিলাম বাবুদের। আমার নাম খারাপ হয়ে গেল বাবু। পয়লা দিনেই লোকটা ছাতা নিয়ে পালালো। তারপর অনেক খোঁজ খবরের পর ব্যাটা পূর্ণিয়ায় ধরা পড়েছে—’

    কুবের অবাক হয়ে গেল। অত বড় ছাতা মাথায় দিয়ে পূর্ণিয়া অব্দি এত মাইল গেল কি করে লোকটা! কিছুকাল আগে পূর্ণিয়ায় বন্যার ছবি কাগজে ছাপা হত। সব বন্যা, সব শীতকাল এত একঘেয়ে। আলাদা কোন ফ্লেভার নেই। বাড়ি ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যে হয়ে যাবে। রাস্তা বাড়বে বলে হরিরাম সাধুখাঁর বাড়ি ভাঙার নোটিশ পড়েছে। অথচ এখন কোথাও যাওয়ার উপায় নেই। একটি বাড়ি খুঁজে নেওয়া দরকার। পাড়াটা বেশ খোলামেলা হবে। বাড়ির সামনে একটা লন থাকলে সোনায় সোহাগা। সেখানে শীতকালের সকালে বেতের চেয়ার টেবিলে বসে রঙীন ছবির বই দেখবে। মাথার ওপর এই ছাতাটা বসানো থাকলে খুব আরাম হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }