Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ২৩

    ॥ তেইশ ॥

    লোহার চেন ক্রেনের মুখ থেকে মাটির নীচে নেমে যাচ্ছিল। ড্রাইভার একটা ভাঙা পাইপ এবার চেন টাইট করে ওপরে তুলবে। তেল খোঁজার পাইপ প্রায়ই এমন ভেঙে গিয়ে ভেতরে পড়ে থাকে। সেটা তোলা এক ঝামেলা। তখন লোকগুলোর দৌড়ঝাঁপ বেড়ে যায়। আজ আর কিছুতেই পাইপ উঠছে না! চেন কড়কড় করে আপত্তি জানালো। তারপর অনেকখানি মাটি ফেটে গিয়ে যা বেরোলো—তা দেখে ব্রজর চক্ষুস্থির। চেনের শেষে তার শিব। তবে আগের চেয়ে অনেক গায়ে গতরে লেগে গেছে। মাটির নীচে পাথর ফুলে যায়? হবেও বা। ব্রজ নতুন বাঁধানো মন্দিরের চত্বর থেকে নীচে নেমে গেলো এক দৌড়ে, ‘আমার—মশাই শুনছেন—ও আমার শিব।’

    ধড়মড় করে উঠে বসল ব্রজ। সন্ধ্যে রাতে হাওয়া দিচ্ছিল। তাই কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়েছিল। ঘেমে জল। কোথায় শিব। বেলপাতার পাহাড় হয়ে আছে। ওর মধ্যে শিব নেই তা জানে ব্রজ। এ তল্লাটের লোকজনই শুধু জানে না।

    জীবনে কোনদিন ব্রজ খুব কাছাকাছি গিয়ে ঠাকুর দেবতা এর আগে কখনো নাড়াচাড়া করেনি। ব্যাপারটায় যে এত মজা আগে জানা ছিল না। পাথরের গায়ে চন্দনের দাগ দিতে দিতে ব্রজ কতদিন একমনা হয়ে গেছে তার ঠিক নেই। আভা ফোড়ন কেটে বলত, ‘ভালোরে ভাল। মায়া পড়ে গেল?’

    ব্রজ প্রথম প্রথম কিছু বলতে পারত না। তার এই নতুন ভালবাসার কথা লোকজনের সামনে বলতে তার কেমন লজ্জা হত। এসব কি জোরে বলা যায়! একদিন বলেছিল, ‘এ তুমি বুঝবে না আভা—’

    ‘খুব বুঝি।’ শেষে গুমোরে গুমোরে পা ফেলে ভাঙা চিমনিটির ওপরে গিয়ে বসেছিল আভা, তখন বোধহয় সকালবেলা ছিল, ফট করে ব্রজকে বলে ফেলল, ‘ছেলেপুলে যে পেটে ধরিনি খুব ভাগ্যি। না হলে কপালে শতেক হেনস্তা ছিল।’

    ‘একথা বলছ কেন আভা? যে জিনিস আমার আর ভাল লাগে না—যাতে আর স্বাদ নেই তা কেমন করে করি। তুমিই বল?

    খুব তীক্ষ্ণ গলায় আভা ফুঁসে উঠেছিল, ‘ওরে আমার কচি গোঁসাইরে!’

    মেয়েলোকটা গেল কোথায়? এখন মাঝরাত। বাতিল চিমনির ভেতর দিয়ে হাওয়া বয়ে যাচ্ছে শব্দ তুলে। বন ধোঁধলের জঙ্গলের আর কিছুই নেই। লোক চলাচলে এককালের নুনের কারখানার কবরখানায় হাঁটাপথের একটা আবছা ছাপ পড়েছে। এই মেটে জ্যোৎস্নাতেও তা চোখ এড়ায় না।

    ব্রজর ভেতরটা হুহু করে উঠল। বাইরে বেরিয়ে এসে তেল খোঁড়ার বাতিঘরের কড়া আলোর মধ্যে পড়ে গেল। একেবারে খরখর করে চোখে লাগে। সামনেই স্বপ্নাদিষ্ট মন্দির। প্রায় শেষ। শিব আমদানি থেকে মন্দির তৈরির জন্যে স্বপ্নে আদেশ পাওয়া—সারা ব্যাপারটাই কেমন গুজব আর মিথ্যের মিলে দিয়ে পর পর খাড়া করে ফেলেছিল ব্ৰজ-কোথাও আটকায়নি। অথচ শেষে রেল লাইনে কুড়িয়ে পাওয়া সেই পাথরখানা নিয়ে এত টান ভালবাসায় পড়ে যাবে আগে কোনদিন ভাবতে পেরেছে! রেলেশ্বর শিব নামটা দিয়ে নিজেই খুব একচোটে হেসে নিয়েছিল মনে মনে। তারপর স্বপ্নে মন্দির প্রতিষ্ঠার আদেশ! আসলে নিজের জন্যে এই পৃথিবীর মাটিতে একটা পাকাপাকির দাগ টেনে দিতে চেয়েছিল বলেই এত কাণ্ড। না হলে আর এসবে তার আর কি দরকার ছিল।

    রজনী দত্ত চেয়েছিল তার ছেলে থিতু হোক কোথাও। ব্রজ থিতু হয়েছে। কাঁহাতক আর ঘুরে ঘুরে বেড়ানো যায়।

    ‘দু’ জায়গায় সংসার পেতে আমার বেলায় ফুরিয়ে গেলে কচি গোঁসাই?

    এসব আভার শুধুই ঠাট্টার কথা নয়। কখনো খ্যাপা মোহান্ত বলেও ডাকত। ওই নামেই সে ইদানীং পরিচিত। আভা ফুট কেটে বলত, ‘যে যাই বলুক—যে নামেই লোকে ডাকুক—আমি তো তোমায় সেই দুপুরবেলা থেকেই জানি। আমি ওসবে ভুলছি নে। সংসারে নামিয়েছ তুমি—এবেলায় সরে পড়লে চলবে কেন?’

    ব্রজ দত্ত জবাব দিত না বড় একটা। কি হবে দিয়ে। আভা, তুমি আমার ভেতরে ভেতরে বদলানোর কতটুকু জান। আমি বদলাচ্ছি আভা। রোজ পালটে যাচ্ছি। পুরনো কথা তুলে আমাকে পোড়াও। আমি আর গায়ে গা লাগিয়ে মাংসে, ঘামে একাকার হয়ে স্বাদ পাই না, সুখ পাই না। আগে আগে যা হয়েছে সব ভুলে যাচ্ছি।

    ‘ব্যাঙাচির লেজ খসলে ব্যাঙ হয়—মোহান্ত হয় না গো বুঝলে!’

    এমন তরল করেও হাসতে জানে মেয়েমানুষ। যা বলবে, ঠিক ওই চিমনিটির ওপর উবু হয়ে বসে বলা চাই। কেন? আর কি কোন জায়গা নেই। তুমি শিব সেবায়েতের বউ। রেলেশ্বর শিবের সাধিকা। সে কথা ভুলে যাও কি করে।

    ‘আমি আভা। শুধু আভা। আগেকার সেই আভাই আছি। তোমার ওষুধ ছিল সরস্বতীদি।’

    ‘গত জন্মের কথা তুলো না গো। পায়ে পড়ি গো। কি হবে ওসব কথায়। তোমার তো কোন লাভ নেই। আমি নানান সংস্কারে জড়িয়ে ছিলাম। এক একটা গেরো আলগা হয়ে যাচ্ছে। কষি আলগা পড়তেই গায়ের ওপরে আগেকার সব দাগ হাতে ঠেকছে বটে—তবু ভুলেও যাচ্ছি, মিলিয়েও যাচ্ছে—’

    ‘তবে আমাকে গোড়া থেকে এভাবে বানালে কেন?’

    কেটে পড়ার আগে আভা এই ধারায় কথা চালাচালি করত খুব। নিশুতি রাতে বেপট জায়গায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ব্রজ দত্ত মনের ভেতরে একা একাই চাপান উতোর কাটছিল। কিন্তু একা কতক্ষণ পারা যায়। আগেকার বউগুলো একে একে হারিয়ে গেল। এককালে ম্যাজিক দেখাতাম আমি। এসব সময়ের হাত সাফাই। টাইম দি মাস্টার ব্রেইন। মাস্টার ম্যাজিসিয়ান।

    একবার নোবেল প্রাইজ পাওয়ার জন্যে ইংরাজিতে উপন্যাস লেখা শুরু করেছিলাম। সে বছর নোবেল প্রাইজের ছড়াছড়ি। রোজ সকালে কুবের ডিকটেশন নিতে আসত। মুখে মুখে বলে যেতাম। তখন চোখে ফলস চশমা থাকত সব সময়—ভারি ফ্রেম, পুরু কাচ। তখন আমি প্রফেসর দত্ত। ‘জ্ঞানাঞ্জনী’ নাম দিয়ে টিউটোরিয়াল খুলেছি মির্জাপুরে। এগারোখানা ঘরের পুরো বাড়ি। তিন সিফটে ক্লাস চলে। ঢালাও টাকা আসে। খরচাও দু’হাতে। সকালে ঘুম ভাঙবে ভালো কোন বাজনা শুনে। তাই একজন দুঃস্থ সেতারি অ্যাপয়েন্ট হয়ে গেল। আমার কোর্ট মিউজিসিয়ান। তার বাজনায় ঘুম ভাঙতো। সেতার থামিয়ে ছেলেটা গাঁজা টিপে দিত। তখন ঘোরে থাকতাম। মাস্টারদের মাইনে বাকি—বাড়ি ভাড়াও সাতমাস বাকি। এরকমই এক রাতে লেটারহেড, সিল, চাবি নিয়ে কেটে পড়লাম। কুবের জানে।

    তখনই সরস্বতী আছে। তারপর থেকেই কত গেরো যে আলগা করে বেরিয়ে আসছি।

    কিন্তু এখন এই একখণ্ড পাথরের টানে পড়ে এখানে হড়কে বসে আছি। অথচ টুকরোটা উধাও। মন্দিরের অয়ারিং শেষ। কানেকশন দিলেই ইলেকট্রিক আলোয় বেলপাতার পাহাড় ঠেলে রেলেশ্বর শিব উঁকি দেবে। ব্রজ তার ইট সাজানো ঘরের খোপে ঢুকে গেল। নিবু হারিকেন কিছুতেই নেবাতে পারল না। কল ঘোরে না। তখন রাগে রাগে উলটো দিকে ঘুরিয়ে আলো করে ফেলল ঘরখানা। মেঝে থেকে প্রায় এক মানুষ সমান বইয়ের থাক। নতুন বাঁধাই হয়ে এসেছে। বাবার আত্মজীবনী। রজনী দত্তর জীবন ও সময়।

    হাঁটকাতেই বাইশের পাতা খুলে গেল—‘জীবন জিনিসটি জীবনে একবারই ভাঙানো যায়। বারে বারে ভাঙাইলে তাহা খুচরার আন্ডিলে পরিণত হয়। তখন হাতে অর্থ থাকিবার নিশ্চিন্ত মনোভাব হারাইয়া যায়। বরং অর্থ বোঝা হইয়া দাঁড়ায়। চতুর্দিকে মন আছড়াইয়া ফেরে। তাই আমাদের নিজের নিজের মনকে একশো টাকার একখানি নোটের কায়দায় সযত্নে চারভাঁজ করিয়া রাখিতে হইবে। ঠিক করিব, সহজে এই ভাঁজ খুলিব না। খুলিলে ভাঙাইতে হইবে–ভাঙাইলেই ফুরাইবে। আমি মন ছড়াইয়া পড়িবার বিপদের কথা বলিতেছি। একটি মনকে বণ্টন করিলে তাহা শক্তি হারাইবে। বরং তাহাকে একত্র রাখিয়া এক জায়গায় নিয়োজিত করিলে শতগুণ কাজ দিবে। ব্রজর গর্ভধারিণী এই দিকটি বুঝিলেন না। জীবনে একটি রঙই প্রবল। সেই রঙটিকে দীর্ণ করিয়া একটি আলোক প্রজ্বলিত করাই শ্রেয়ঃ। তাঁহার মাথায় কিছুতেই এই সত্যটি আসিল না। আমি চাহিয়াছিলাম, সারাটা শীতকাল ঘানির সরিষা তেলে ব্রজকে ভোলা ভোলা করিয়া মাখাইয়া ছাদে উপুড় করিয়া ফেলিয়া রাখি। তাহাতে শিশুর মাংসপেশি শক্তি অর্জন করে। স্বাস্থ্যই সর্বাগ্রে। তিনি বুঝিলেন না। বেবিসোপ নামে একটি খারাপ জিনিসেই তাঁহার গভীর আস্থা।’

    সেইসব কাল কবে কেটে গেল। বাবা বলতেন, দেশবন্ধু গেলেন—আশুতোষ গেলেন—রবীন্দ্রনাথের বয়স হয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ খাঁ খাঁ করছে। কোন্‌দিকে এগোবো জানি না। এমন সময় সুভাষচন্দ্র এলেন। ব্রজ নিজেও সুভাষচন্দ্রকে দেখেছে। কি গায়ের রঙ! কি তেজ! এঁরা কেউ কি ভাবতে পেরেছিলেন—কলকাতার এত কাছে কদমপুরের কয়েক মাইলের মধ্যে দিশী সরকার একদিন পেট্রোলের খোঁজে মাটি খুঁড়তে লোক পাঠাবে। তাঁদের কাল আর এখনকার কাল—মাঝখানে অনেকগুলো বছর পড়ে আছে।

    নতুন অয়েলটাউনের চেহারা এখান থেকেই খানিক বোঝা যায়। রাস্তা তৈরির বড় বড় রোলারগুলো জায়গায় জায়গায় জমাট অন্ধকার হয়ে পড়ে আছে। রাতে ও লরি থেমে নেই। ঠিকেদারদের লোহা আসছে, বালি আসছে, পাথর আসছে। তবে সবই কুয়াশায় আবছা।

    সাইটে হঠাৎ দপ করে আগুন ধরে উঠল, গ্যাস বেরোচ্ছে। আগুনের মাথা আট দশ ফুট উঁচুতে উঠে গেছে। উল্টোদিক থেকে লোহার চেনে বেঁধে ঢালাই সিমেন্টের একখানা ভারি প্লেট টেনে এনে আগুনের মুখ চাপা দেওয়া হল। ব্রজ দেখতে পেল সাহেব দাঁড়িয়ে। অনেকদিন কোন কথা নেই দুজনে। সেদিন রাতে ব্রজ এক ঝটকায় ফেলে দিয়েছিল সাহেবকে। আভাকে কি সব খাইয়ে একেবারে ঢিলে করে ফেলেছিল। তার পরে পরেই মেয়েমানুষটা যে কোথায় গেল। শিবও নেই।

    সকালেই সাহেবকে পেয়ে গেল। পুজোর দুর্বো, বেলপাতা আনতে গিয়ে সাইটের সামনে পোড়ো মাঠে দেখা। সাহেব চোখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল।

    ‘একা ক’টা জীবন নষ্ট করবে সাহেব?’

    নাইট ডিউটির পর চা খেয়েই কাগজ আনতে গিয়েছিল। এখানে শহর ভালভাবে গজালে বাড়িতেই কাগজ পাওয়া যাবে।

    লাল চোখ তুলে ব্রজকে দেখল। ভারি একখানা মুখ। চিবুকে, চোখের নীচে ভরাট গাম্ভীর্য দানা বেঁধে আছে। এইসব লোককে কালেদিনে লোকে সফল বলে। এই মানুষটিকে সাহেব নানান বর্ণে দেখেছে। এখনকার চেহারাটাই তার ভীষণ রকমের ভড়ং বলে মনে হয়, ‘সকালবেলা ফ্রেস মাইন্ডে এখন আমার কথা বলার ইচ্ছে নেই—’

    ব্রজ এগিয়ে গিয়ে পথ আটকে দাঁড়াল, পায়ে খড়ম, হাতে ফুলতোলার সাজি, ‘কদমপুরে যাওয়া আসা কতদিনের?’

    সাহেব রুখে দাঁড়াল, হাতে হাতুড়ি থাকলে ব্রজর মাথা বরাবর সিধে বসিয়ে দিত। কিছুকাল সে নিজে দারুণ একটা স্নিগ্ধ নেশায় বিবিন্ করে উড়ে বেড়াচ্ছে। তার নিজের পাখনা পাতলা একটা সুখে প্রায়ই আজকাল ছড়িয়ে যায়, বুকের মধ্যে সব সময় কি হবে কি হবে ভাব। আগে কোনকালে এমন হয়নি সাহেবের, ‘কেন? তোমায় জবাবদিহি করতে হবে?’

    ‘তোর হাত ধরে বলছি সাহেব—কুবেরকে আমি অনেককাল জানি। মানুষটা ভয়ঙ্কর একা। বাইরের জিনিসপত্র অনেক কিছু বোঝে না। বড় সরল। জেনেশুনে তার কোন সর্বনাশ করিসনে। ছেলেটা আমাদের মত নয়রে। কোন ধাক্কাই সামলাতে পারবে না।’

    সাহেবের কাছে কুবের এখন একটি দূরের পাহাড়। আবছা দেখা যায়, কাছে যেতে হলে হাঁটতে হবে অনেক। সেই পাহাড়ের একটি জলধারায় এখন সে আছে, ‘এসব আমাকে বলার অর্থ?’

    ‘সবই তুমি জান বাছা। আমার আর তোমার মত পোড়া গরু ত্রিসংসারে তৃতীয়টি নেই!’

    ‘আমাকে তোমার দলে টানছো কেন?’

    ‘একই গোয়ালের বলে। আপত্তি আছে?’

    সাহেব মিত্তির পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যেতে গেল!

    ব্রজ ছাড়লো না। সামনা-সামনি দাঁড়িয়ে গেল, ‘আরও একটি কথা আছে ভাই।’

    ‘পথ ছাড় বলছি।’

    ‘ছাড়বো, নিশ্চয় ছাড়বো। তার আগে কথা সেরে ফেলি। আমাদের কতদিনের আলাপ পরিচয়। সে কি আজকের! তা ভাই যা বলব তা কাউকে বলতে পারবে না—’

    সাহেব খুব রেগে উঠেছিল। এবারে তেরিয়া হয়ে একটা কাণ্ড করে ফেলত। কিন্তু ব্রজ ফকিরের ঠাণ্ডা মোলায়েম গলায় অবাক হলো। কি কথা থাকতে পারে তার সঙ্গে। আভা যে এখানে নেই সে তো অনেকেই জানে।

    ‘আমার স্ত্রীরত্বের কথা বলছি না। যেখানেই থাক একদিন ফিরে আসবেই। আমি অন্য কথা বলছি—’

    সাহেব ভেতরে ভেতরে অধীর হয়ে উঠেছিল। বুলুর কথা আর কি জানতে চাইতে পারে। যে তারায় আমি কোনদিন যেতে পারব না—যে আলোয় আমি জেনেশুনে নেশাভরে তাকিয়ে থাকব শুধু—তার কথা আমি কি জানি।

    ‘আমার রেলেশ্বর শিব উধাও হয়েছেন।‘

    ‘মানে?’

    ‘পাওয়া যাচ্ছে না। সাহেব এ আমার বউ নয় যে থানার ডাইরি করে খোঁজাখুঁজি শুরু করব।’ ব্রজর চোখে জল এসে যাচ্ছিল বোধহয়, চোখ মুছে নিল, শেষ বল, শুরু বল জীবনে আমার এখন এই একটাই নেশা সাহেব। ভগবান নিয়ে আগে তো কোনদিন নাড়াচাড়া করিনি। ব্যাপারটা কি জানতামও না—’

    ‘সব জেনে ফেলেছ?’

    ‘তা আর বলি কি করে! মুখ্যু মানুষ। শাস্ত্র কি জানি না। নিজের মত করে চন্দনে দাগাতাম। বেলপাতা চড়াতে চড়াতে কি যে হয়ে গেল সাহেব—’

    সাহেব এক ধাতানিতে অন্যমনস্ক ব্রজকে ধাতে ফিরিয়ে নিয়ে এলো, ‘তোমাদের শিব শিবানীর কাণ্ডে আমাকে জড়াচ্ছ কেন? আমায় যেতে দাও।’

    ব্রজ এবার আটকালো না। কিন্তু এমন কথা বললো—সাহেব আর এগোতে পারল না, ‘দু’পা গিয়েই মাটিতে গেঁথে গেল। ‘সাহেব আমি আগে না জেনেশুনে অনেক ভালো জিনিস নষ্ট করেছি—শুধু সখের বশে, নেশার ঝোঁকে—কিন্তু কোনদিন জেনেশুনে কারও ক্ষতি করিনি। আর তুই?’

    সাহেব ফিরে দাঁড়াল।

    ‘সাহেব তুমি একটি আস্ত শয়তান। নিজের খেয়াল মেটাতে শুশুনিয়ার পাহাড়ি গাঁয়ে বিয়ে করে বসলে। সাহস নেই যে বাপকে বলবে। সে বউও ঘরে তুললে না কোনদিন। তারপর থেকেই জেনেশুনে কত মেয়েকে যে ভুলিয়ে ভালিয়ে কাছে টেনে এনেছ—ফেলে দিয়েছ, তার ঠিক নেই।‘

    ‘এই ভোরবেলা এসব বলার মানে? সেয়ানা ভাম কোথাকার!’

    ‘যত গালাগালিই দাও সাহেব—আমি তোমার মতো জেনে-বুঝে এতো শয়তানি কোনদিন করিনি।’

    ব্রজ ফকির উঁচু ঢিবির ওপর দাঁড়ানো। লাল আলখাল্লায় মহাপুরুষের পোজে খাড়া হয়ে আছে। এই সব লোক সব সময় সাহেবের পাশে পুরনো ক্যালেন্ডার হাতে দাঁড়িয়ে পড়ে। পুরনো তারিখগুলো এরা দাগিয়ে দাগিয়ে রাখে। কবে পূর্ণগ্রাস ছিল, কবে সাহেবের জীবনে রাহমুক্তির প্রথম আলো ছড়িয়ে পড়ল—সবই এদের মুখস্থ আমি যে এখন কি করি।

    ‘আমিই বা জেনেশুনে কবে কি করলাম ফকির সাহেব! আভাকে তো তুমি জেনেশুনেই—’

    ‘শুধু ওই একটা কথাই ধরে বসে আছিস।’

    ‘আর কোনটা ধরব বল? সব কি আর জেনেশুনেই করেছি! আমিও এক ঘোরে থাকতাম। ফলস ব্রাভাডো বলতে পার। কি দেমাক! ডাক দিচ্ছি—আসছে। নাচতে বলছি—নাচছে। কম মজা! বলো? তুমিও একজন পুরুষমানুষ—না হয় এখন মোহান্ত হয়েছ। বুকে হাত দিয়ে বলো তো তুমি হলে কি করতে?’

    ‘মানুষ বদলায় সাহেব। ভগবানও বদলায়।’ বলতে বলতে ব্রজ ফকির একটা কাণ্ড করে বসল। ঢিবির ওপর দাঁড়িয়ে রাতজাগা লালচোখে আঙুল দেখিয়ে বসে বসল, ‘উঠে এস। উঠে এস বলছি।’

    সাহেব ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল, ‘কোথায়?’

    ‘এই এখানে। আমার লেভেলে উঠে আসতে পারবে?’

    ঢিবির ওপরে লাফিয়ে সহজেই উঠতে পারতো সাহেব। কিন্তু ‘লেভেল’?

    ব্রজ তখনও কথা বলে যাচ্ছে, ক্রেনের টঙে তোলা শুঁড় বরাবর চোখ ‘মনের এখানে দাঁড়িয়ে তুমি খোসা ছড়ানো আলো অবধি দেখতে পাবে। আলোর গায়ে ছাল উঠে গেলে তা কত সুন্দর। ছাল ছাড়ানো আলো পর পর পুবে, দক্ষিণে, উত্তরে, পশ্চিমে টানানো—’

    ‘নাটক হচ্ছে! রেলেশ্বর শিবের কাছে আমি তো মানত করতে আসিনি—’

    ‘এসব দেখতে মানত লাগে না সাহেব। এসব দেখার চোখ আস্তে আস্তে তৈরি হয়। ভেতরে ভেতরে বদলে গিয়ে সেই চোখ ফোটে—’

    বদলের কথা ব্রজ কতটুকু জানে। সাহেব তা নিয়ে আর টানাটানি করল না। তবে একথা ঠিকই, একটা লোক পালটায়। ওলট-পালট হচ্ছেই! সূর্যের আঙটায় ঝোলানো এই দুনিয়াও প্রদক্ষিণের সঙ্গে সঙ্গে নিজেও ঘুরে নিচ্ছে। সেসব কথা ভূগোলেই আছে। কাঁটা বেছে মাছটুকু তুলে নেওয়ার মত প্রায় মানুষকেই সাহেব আলাদা করে ফেলতে পারে। আড়াই শো গ্রাম অভিমান, তিরিশ কেজি মাংস, হাড়—বারো কেজি আটশো। কিন্তু বুলু প্রায় সবটাই কোন গভীর কিছুর নির্যাসেই ষোল আনা তৈরি। তা বেছে বেছে আলাদা করা যায় না।

    সেই উঁচু ‘লেভেলে’ ব্রজকে ফেলে সাহেব এগিয়ে গিয়েছিল খানিকটা। নিজে নিজেই ফিরে এল। ‘বউদির কোন খোঁজই করনি? বেঘোরে কোথাও—

    ‘কপালে থাকলে হবে। আমার কি এখানে এসে শিবতলা বানানোর কথা ছিল?’

    তাও তো শিব উধাও। সত্যি কার এতো বুকের পাটা? শেষে শিব লোপাট।’

    অনেক দিন পর সাহেব ব্রজ ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ছিল। মোহান্তর সমস্যা অনেক। বউ বেপাত্তা—শিব নিখোঁজ। এরই মধ্যে ব্রজ খুব আত্মীয়ের গলায় বললো, ‘আমি বলি কি সাহেব—তুমি না হয় কদমপুর যাওয়া বিলকুল ছেড়ে দিলে! কি হয় না গেলে। মেয়েমানুষ কম তো ঘাঁটোনি।’

    সাহেবের গায়ে ফোসকা পড়ে গেল। ফের এক কথা। কিছুই হয়নি—এইভাবে সাহেব চলে গেল। ব্রজ বাইরে ঢিবির ওপর সাত সকালে পড়ে থাকল। কিছু একটা যদি বলতো সাহেব।

    মেয়েদের কত সুবিধে। হাঁটতে শিখেই ব্রত, উপোস। পুণ্যের নামে কষ্ট করতে করতে অচলা ভক্তির আবহাওয়ায় গিয়ে পড়ে। তখন ভগবান দাও, ছেলে দাও, স্বামী দাও—সবকিছুর মধ্যেই একটা মানে খুঁজে পায়। পুরুষলোক হয়ে ব্রজ দত্ত শুধু অবিশ্বাস করতেই অভ্যস্ত ছিল। কতবার কত ঢঙে কত রঙে নিজে নিজেই সাজলো—অন্যদের বিশ্বাস করাতে চাইল, অথচ নিজে তখন আদৌ বিশ্বাস করে না। ম্যাজিসিয়ান ব্রজ, ব্রজ দি সেলসম্যান, নোটমেকার ব্রজ, প্রফেসর ব্রজ, ডিরেক্টর ব্রজ। কত কি! শেষে নিজেরই একটা মনগড়া সাজানো ব্যাপারে জড়িয়ে গেল। এমন হবে আগে ভাবতেও পারেনি। কবে যে রেল লাইনে পাথরখানা কুড়িয়ে পেয়েছিল তা আর মনে নেই। এখন শিব সেবায়েৎ ব্রজ মোহান্তর নামে মানিঅর্ডারের টাকা আসে। লোকে লাউটা মুলোটা দেয়। গরুর দুধও আসে। এক্কায় চড়ে মাঝে মধ্যে এদিক—ওদিক যেতেও হয় ব্ৰজকে।

    শিবসাধিকা আভা তো এই চেয়েছিল। নিশ্চিন্তি আর নিয়ম। না হয় কপালময় চন্দন মেখে সারাটা দিন এলোচুলেই বসে থাকতে হতো। আগের মতো তো দুশ্চিন্তার আর কিছু ছিল না আভার। সরকারী লোকজনও আর ধর্মস্থানে ঘা দেবে না। যতদিন আয়ু শিবই সব যোগাবেন।

    ব্রজ দেখতে পাচ্ছে, সাহেব তার নতুন কেয়ারটেকারের বারান্দায় বেরিয়ে এল। এতদূরে হাওয়ায় গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে সাহেবের গলার এক কলি গান এখানেও উড়ে এসে পড়েছে। কি যে হলো ছোকরার।

    সিঁড়ির নীচের র‍্যাক থেকে শু বের করে নিল সাহেব। কালি, তারপর বুরুশ। অবাক হয়ে গেল, জুতোয় বুরুশ বুলোনোর তালের সঙ্গে যে রবীন্দ্রসঙ্গীতই গায়—সব মিলে যায়। ক’টাই বা জানে। বাঁ পায়ের জুতোতে কালি দিয়ে বুরুশ হাতে নিয়েই গলা ছেড়ে দিল—’মনে রবে কি না রবে আমারে-সে আমার মনে নাই মনে নাই।’ কথা গুলিয়ে গেল কিনা বুঝতে পারল না। কতকালের গান। বাঁকুড়ায় ক্রিশ্চিয়ান কলেজের হসটেলে গরম কালে সন্ধ্যেবেলা এসব গান গাইত। তখন চাপা গরম চিরে একরকমের হাওয়া বেরিয়ে পড়ত। গানেরও বয়স হল। একথা মনে হতেই সাহেবের শরীরের ভেতর দিয়ে সুর উঠে এলো। তাতে এইমাত্র ভাবা কথা ক’টি বসিয়ে নিল সাহেব-আমার গানেরও বয়স হল। মরি মরি এ যে কতদিনের-আমার গানেরও বয়স হল। বুরুশ থেমে নেই। চলন্ত ট্রেনের চাকায় যেমন সুর থাকে—একেবারেই তাই এসে গেছে বুরুশে। সেই সুরে যে গান ইচ্ছে বসিয়ে নাও। দু’পাটি জুতোর নাকই চকচক করছে। ঘরে ঢোকার একপাশে বারান্দায় আলগোছে জুতোজোড়া রাখল সাহেব। বেশ পূজনীয় দূরত্ব দিয়ে যাওয়ার সময় আরেকবার জুতোর দিকে তাকাল। একবার কুবের রোডে পা দেওয়া মাত্র ধুলোয় ভরে যাবে। কিছু করার নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }