Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ২৯

    ॥ ঊনত্রিশ ॥

    চিটু দাশ নিজেই তেতলা থেকে নেমে এল। ফটাশ ফটাশ চটির শব্দ তুলে নামার সময় এক এক তলায় এসে সিঁড়িঘরের আলোর সুইচ টিপছে। উল্টো দিকের বাড়িটায় ঘণ্টা পেটানো দেখে ভদ্রেশ্বর বুঝলো, পুলিসের থানা। আর গাদাখানেক কুকুরের একসঙ্গে চীৎকার শুনে বুঝে নিল—এইটেই চিটু দাশের বাড়ি।

    স্বয়ং চিটু দাশ দরজা খুলে মোলায়েম করে সব জানতে চাইল। পরে ভদ্রেশ্বরকে ভেতরে নিয়ে বসাল। অত বড় সব কুকুর এর কথা শুনে ওঠবস করে—এমন লোক এত ঠাণ্ডা করে কথা বলে কেন—ভদ্রেশ্বর বুঝতে পারল না। এর ভয় কি? সারা বাড়ি ঘেউঘেউ ডাকে গমগম করছে। চিটুর সঙ্গে তেতলার ছাদে যেতে হল।

    সমঝদারির ভঙ্গীতে দাঁড়িয়েও ভদ্রেশ্বরের ভয় যায় না। এগারোটা কুকুর একসঙ্গে জিভ বের করে হ্যা হ্যা করে যাচ্ছে সব সময়। চিলেকোঠায় কড়া আলো এসে পড়েছে। দু’টো লোক মিলে কুকুরদের পাউডার মাখাচ্ছে—উকুন বাছার চিরুনী বুলোচ্ছে গায়ে। জায়গাটা প্রায় কুকুরপাড়া। বড় বড় আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখে চেনে বাঁধা কুকুররা রোখ করে চেঁচিয়ে উঠছে—আয়নার ওপরে ঝাঁপ দিতে চাইছে।

    বাড়িতে আর অন্য প্রাণী আছে, কি না বোঝা গেল না। চিটু দাশকে সব বললো ভদ্রেশ্বর। বাঘার বয়স, গলার আওয়াজ, পছন্দ-অপছন্দ সব জানালো। চিটু দাশ বললো, ‘ছাদে দাঁড়িয়ে প্রায়ই ওই বৈকুণ্ঠপুরের দিক থেকে একটা কুকুরের ডাক শুনতে পাই। এমন চেঁচাবে—বোঝাই যায় মনে সুখ নেই। ওখানে একবার খোঁজ করে দেখতে পারেন—’

    সারাদিন ঘোরাঘুরি, খাওয়া হয়নি, ভদ্রেশ্বরের শরীর আর চলছিল না। দিনের দিন কাজও হয়নি আলিপুর কোর্টে। সরু পিয়াসলে স্টেশন থেকে বৈকুণ্ঠপুর তা মাইল দুই হবে। স্টেশনে ফিরে এসে কদমপুরের গাড়ি ধরল। আশা ছিল, আজ কোনক্রমে যদি বাঘাকে ফিরে পায়—তবে কুকুরসুদ্ধ সাধুখাঁ মশায়ের বাড়ি যাবে। তাহলে কিছুটা নুনও শোধ হবে আর মিষ্টি খাওয়ার টাকা চাই বলে খয়রাতি চাওয়ার লজ্জা থেকে বেঁচে যাবে।

    পরদিন খুব ভোরে বৈকুণ্ঠপুরে গিয়ে হাজির হল। খড়ের গাদার গায়ে লাউমাচার নীচেই বাঘা শুয়ে। গালে সেই তিল। একটা গোঁফ সাদা হয়ে গেছে। নাম ধরে ভদ্রেশ্বর ডাকতেই কুকুরটা উঠে দাঁড়াল। আর কি কান্না।

    বাড়ির কর্তা অমৃত ঘোষ বেরিয়ে এল। ভদ্রেশ্বর নমস্কার করে সব বললো। লোকটা গেরস্থ মানুষ। রেশনের দোকান আছে। সাইকেলে বাড়িতে কি একটা মেমো বই নিতে এসেছিল। সব শুনে ঘোষমশাই বললো, ‘থানায় ডাইরি করা আছে—ছেলেদের কাউকে থানায় নিয়ে গিয়ে ডাইরি কেটে দিয়ে কুকুরটা নিয়ে যান।’

    কিন্তু ছেলেরা বাদ সাধল। দিন ভাল নয়, ভোরবেলা কুকুর দিলে বাড়ির অকল্যাণ হবে—এইসব বলে তাকে প্রায় ফিরিয়ে দেয়। ভদ্রেশ্বর তখন বললো, ‘আজ্ঞে আমি কুকুর পোষার লোক নই। কুকুরটি কদমপুরের কুবের সাধুখাঁ মশাইর। বাঘাকে ফিরে পেলে সাধুখাঁ মশাই খুশী হবেন।‘

    এ তল্লাটে কুবের এখন একটা নাম। ঘোষমশাইর এক ভাইপো কিছু বেগড়বাঁই করছিল। নাম শুনে সিধে হয়ে এল। বাঘা তখন ছাড়া পেয়ে ভদ্রেশ্বরকে একনাগাড়ে আদর করে যাচ্ছে।

    সারা বাড়িতে ষাট সত্তরজন লোক। ছেলে মেয়ে বউ অনেক। জানা গেল, এই সরু পিয়াসলেতেই ঘোষেদের সাতখানা দোকান। রেশন, কাটা কাপড়, মুদির দোকান তো আছেই—তাছাড়া স্কুলের বই আর কয়লার দোকানও আছে। আরও জানা গেল, এবাড়িতেও এসে বাঘা ফেন খাওয়া ধরেছে, রাতে দুধের সঙ্গে রুটি খায় ন’খানা।

    অমৃত ঘোষের ভাইপোটি অনেক কথা বলে, শেষে বললো, ‘আমায় একটা চাকরি করে দিন—যদি ক্ষমতা থাকে সাধুখাঁ মশাইকে বলে কোন একটা কাজে লাগিয়ে দিন। কুকুর এসেছে স্টেশন থেকে আমাদের পিছু পিছু-অবলা জীব—যত করেছি। তার বদলি কিছু চাইনে। আমি ইয়ং ম্যান—আমাকে খাটিয়ে কিছু পয়সা দেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলুন।’

    ভদ্রেশ্বর ছেলেটার দিকে তাকিয়ে কোন কথা বলতে পারল না। কালই কলকাতায় ট্রাম পুড়তে দেখেছে। তার চেনা দুনিয়া অনেকদিনই চেহারা পাল্টাচ্ছে।

    ছেলেটা আবার বললো, ‘আমায় যে-কাজ দেবেন—ফাসক্লাস করে দেব, খুঁত পাবেন না। শুধু গোড়ায় গোড়ায় একটু দেখিয়ে দিতে হবে।’

    ছেলেটা আগ বাড়িয়ে কুকুর দেবার ব্যবস্থা করল। থানায় নিয়ে গেল ভদ্রেশ্বরকে। সেখানে অমৃত ঘোষের ভাইপো বেশ পরিচিত। দু’চারবার অ্যারেস্টও হয়েছে। এখানকার লোক দারোগার সঙ্গে কেমন হেসে হেসে কথা বলে। দারোগাও হাসে। ডাইরি কেটে রসিদ তৈরি হল।

    ভদ্রেশ্বর মুখের ওপর ঘোষ মশাইয়ের ভাইপোকে বলতে পারল না, বাবা এ—বাজারে চাকরি দেবার কথা কেউ বলতে পারে না। কিন্তু সেকথা বললে, ছেলেটা আঘাত পাবে। বড় আশা করে কথাটা পেড়েছে। কাজ যিনি দেবেন সেই কুবেরবাবুও এখানে নেই!

    ঠিক হল পূর্ণিমার দিন কি একটা ছুটি আছে। রেশনের দোকান বন্ধ থাকবে। সেদিন বিকেলে সবাই বাড়িও থাকবে। তখন ভদ্রেশ্বর বাঘাকে নিয়ে যাবে। যাবার আগে ভদ্রেশ্বর খানিকক্ষণ হাত বোলালো গায়ে, কিরে ব্যাটা ধৰ্ম্মরাজ্যের সঙ্গী!’

    পেটের মধ্যে এত খিদে কোথায় ছিল কুবের বুঝতে পারেনি। লঞ্চ ছেড়ে দেওয়ার পর সাহেব খেতে বসেছে। সারেঙ মাল্লাদের একজনকে তার সিটে বসতে বলে নিজে দু’বার সাধুখাঁ সাহেবের পাতে প্রায় হাঁড়ি উলটে ভাত ঢেলে দিয়েছে। কুবের খেয়েই যাচ্ছিল। সারেঙ থামালো, ‘কাল ভোরে বড় নদীতে পড়েই আপনার জন্যে মাছ কেনাবো—’

    কুবের মাথা নীচু করে খাচ্ছিল। ভাত না অমৃত। সারেঙের কথায় মাথা তুলে তাকাল, ‘বড় নদীতে পৌঁছতে পারব আমরা?’

    ‘না পারলে তো ভাঁটায় পড়ে যাব সাহেব—’

    ‘ভাঁটায়—’, খাওয়া থামিয়ে কুবের কি ভাবতে বসছিল।

    সারেঙ নিজে আঁচানোর জলের বালতি, মগ এনে পাটাতনে রাখল, ‘হাত ধুয়ে ফেলুন।’

    এঁটো তোলার নাম করে মাল্লাদেরই একজন অন্যমনস্ক কুবেরের সামনে থেকে কলাই থালা আর গ্লাস সরিয়ে নিল। কুবের পেছনে তাকিয়ে দেখল, কোথায় মেদনমল্লর দুর্গ! সব মিলিয়ে গেছে। সেখানে আকন্দর কাটা শেকড়ের ওপর আভা আছে। হাজার বিঘের ওপর মাঠে বোরো ধান শুয়ে। জ্যোৎস্নায় নদীপথ থানধুতির মত লম্বালম্বি দেখায়। আজই বিকেলে আভা বলছিল, ‘তাঁবুর কাছে কি একটা। আর বলা হয়নি। তখন বিকেল ছিল একটু। কিংবা সন্ধ্যে শুরু হয়ে গিয়ে থাকতে পারে। এখন সেসব, নদীর কয়েক বাঁক পেছনে। সামনে জলের ওপর ফ্যাকাসে ধোঁয়ার লম্বা লম্বা লাইন জ্যোৎস্নার মধ্যে ঝুলে আছে। সেগুলো ছিঁড়ে দিয়ে ‘ডাহুক’ এগোচ্ছে। এমন আলোয় হেডলাইট লাগে না। কারবন পালটে কালপরশু লঞ্চ ফিরে যাওয়ার কথা।

    আঁচিয়ে সিগারেট ধরিয়ে বিছানায় বসল কুবের। মাথার কাছে বালিশের পাশেই ঝোলাটা। তার ভেতরে হরেক জিনিস। ঝোলার একদিক ট্যাম হয়ে ফুলে উঠেছে I কুবেরের এখনই সব পর পর মনে পড়ে গেল। আজ সকাল থেকে কিসব হয়ে গেল। এখন ভুলে ফেললে সবচেয়ে ভাল। এতবড় একটা দ্বীপ, তাঁবু, দুর্গ এসব দেখার ইচ্ছা না থাকলেও মনে পড়লেই ঠিক চোখের সামনে ভেসে উঠবে। এত বড় একটা জিনিস—ভাঁজ করে পকেটে রাখারও উপায় নেই। কতদিকে চোখ বুজে থাকবে। লঞ্চের ডগায় আলো পেয়ে নোঙর বাঁধার লোহার খুঁটি, পাত—সবই চিকচিক করে উঠছে। ওখান থেকে ঘুমন্ত আভাকে একদিন এমন রাতে কুবের পাঁজাকোলে তুলে নিয়েছিল। তখন ‘ডাহুক’ দ্বীপে যাচ্ছিল। কুবেরের স্পষ্ট মনে পড়ল আভা বলত, ‘তোমার দ্বীপ’। মেদনমল্ল লোকটাই ফাউ। সেই দ্বীপে তার কত টাকা আটকে গেল। যাকে বলে হার্ড ক্যাশ-করকরে নগদ।

    শেষরাতে ঠাণ্ডা হাওয়া দিতেই কুবেরের ঘুম ভেঙে গেল। তখন আর পুরনো কিছু মনে নেই তার। জ্যোৎস্নায় পরিষ্কার সব দেখা যায়। সামনেই মৈসিনির চর। ওখানে খাবার জলের কুয়ো আছে। ওই বাঁকটা পেরোলেই লঞ্চঘাটা আর দু’তিন ঘণ্টা। লঞ্চ জোরে জল কাটছে। এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই হবে। নাহলে ভাঁটা।

    জলের নীচে কত বেওয়ারিশ জায়গা। ভাঁটায় তারা গা তুলে দেখা দেয়। জল নেমে গেলেই কাঁকড়ার ছানার রাজত্ব। কোটি কোটি। ভোররাতে ভাঙা ঘুমের মধ্যে কুবের সাধুখাঁ ফোলা মুখ নিয়ে বসেছিল। সেই মুখে হাসি ফুটে উঠল। একা একাই হেসে নিল। ভাঁটায় ফাঁকা নদীর বুক পারলে আমি একদিন বায়না করে নিতাম।

    তারপরেই কুবের ফট করে শুয়ে পড়ল। বালিশের বদলে ঝোলার খানিকটাও মাথার নীচে পড়েছে। সে-জায়গাটা একেবারে পাথর। ভীষণ শক্ত। মাথা সরিয়ে নিয়ে বালিশেই রাখল। ভাঁটায় পড়ার ভয়ে লঞ্চ তখন ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে। একবারও মনে পড়ল না, এবার পৃথিবী কাদা করে কতটা জায়গায় ধান রুয়েছে। সে কিছুতেই বুঝে উঠতে পারে না, আভা কাল কি একটা কথা বলতে চেয়েছিল। শেষ অব্দি বলতে পারেনি। তাঁবুর ধারে কি একটা—

    নিজের নামের রাস্তায় পা দিয়েই কুবের বুঝলো, কদমপুরে তার আজ অনেক বাকি। পাকা রাস্তা হবে বলে দু’ধারে ইটের গাছি, খোয়ার চৌকো সাজানো রয়েছে। অনেককাল পরে এদিকে এসে একেবারে গোড়ার দিককার নতুন নতুন লাগছে। একটু এগিয়েই স্টেডিয়ামের গোল ঢালাইটা চোখে পড়ল। তারই দিকে দাঁত বের করে আছে। এস.কে. বোসের দোতলায় সামিয়ানা খাটানো। লোকজন। বোধহয়, গৃহপ্রবেশ।

    বড় মুলতানী গাইটা দূর থেকে কুবেরকে দেখেই চিনলো। কদমতলায় দাঁড়িয়ে মেছলা থেকে মুখ তুলে তাকিয়ে আছে। গম্ভীর গলায় ডেকে উঠল। গরুটা কুবেরের কাছে কৃতজ্ঞ। তিন তিনবার পাল ঝেড়ে ফেলার পর বড় ডাক্তার বাড়িতে আনিয়ে গাইটাকে ইনজেকসনে গাভিন করেছে কুবের। খারাপ ষাঁড়ের পাল্লায় পড়ে জরায়ুতে আলসার হয়ে গিয়েছিল। জার্সি বুলের বীজ দেওয়ার আগে সেখানে ডাক্তার আগে পাঁচ সিসি স্ট্রেপটোমাইসিন দিয়ে নিয়েছিল। নইলে যতবারই বীজ দাও—ঘা থেকে পোকা উঠে শুক্র মেরে ফেলবে। এসব করার আগে ডাক্তার গাইটার চারপায়ে প্রণাম করে বলে নিয়েছিল, ‘কোন দোষ নিস নে মা—‘

    বাড়ির সামনের সবুজ লনে গার্ডেন পার্টির পেল্লায় এক ছাতা বসানো। তারই ছায়ায় দুই প্রাণী বসে কি করছে। কাঁধের ঝোলাটা সামনে নিয়ে কুবের গেট খুলে ভেতরে ঢুকলো।

    দেবেন্দ্রলালের হাত থেকে সকালের কাগজ পড়ে গেল। উঠে দাঁড়িয়ে সোজা কুবেরের দিকে তাকিয়ে আছে। কুবের কিছু বলতে পারল না। সৃষ্টিধর পেছন ফিরে ছবি আঁকছিল। সেও ঘুরে বসল। সঙ্গে সঙ্গে চেয়ার উলটে দিয়ে ছুটে এল, ‘বাবা।’

    কুবের সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে ছেলেটাকে টেনে নিল। তারপর দেবেন্দ্রলালের দিকে তাকিয়ে বললো, ‘বাবা? তুমি? এতদিন পরে—

    কোন কথা এল না দেবেন্দ্রলালের মুখে। ছেলেকে চেনা যায় না। গায়ের রঙ জ্বলে গেছে—না, সারা গায়ে কালো কালো কিসের ছাপ। তার ছেলেই মনে হয় না। ‘বোসো এখানে।’

    সৃষ্টিধর টেনে আনছিল। কুবের ধপ করে বেতের চেয়ারে বসে পড়ল। নিজের ঢাকা দেওয়া দুধের গ্লাস দেবেন্দ্রলাল এগিয়ে দিল। কুবের বললো, ‘আমি দুধ খাইনে—’

    ‘কেন?’

    ‘বমি আসে—’

    ‘তাহলে এতগুলো গরু পুষলে?’

    অনেক কষ্টে কুবের বললো, ‘তোমরা সবাই আসবে ভেবেছিলাম।’

    সৃষ্টিধর দেবেন্দ্রলালকে বললো, ‘দেখেছ—আমি বলেছিলাম, বাবা আসবে।’

    দেবেন্দ্রলাল ধমকে উঠল, ‘গায়ের ওপর উঠছ কেন? বাবাকে জিরোতে দাও।’

    এমন সময় কুসুম এসে হাজির। ছাতার নীচে একটা নতুন লোককে বসে থাকতে দেখে পায়ে পায়ে কাছে এল, তারপর খুব আস্তে জানতে চাইল, ‘তুমি বাবা?’

    কুবেরের চোখ জলে ডুবে যাচ্ছিল। লঞ্চঘাটায় নেমেই দৌড়ে এসে ট্রেন ধরেছে। কাল এইসময় মাঠে দাঁড়িয়ে আভার ডাকে সাড়া দেয়নি। অনেক কষ্টে বললো, ‘হ্যাঁ।’

    মেয়েটার তবু বিশ্বাস হয় না, ‘সত্যি!’ কুবের কোলে তুলে নিল। কোলে বসে তার মুখের দিকে তাকিয়ে কুসুম একটু একটু করে মিলিয়ে নিতে লাগল। কুবেরের দু’খানা হাত তাকে শক্ত করে ধরে আছে।

    একজন এইসব দেখে চুপ হয়ে গিয়েছিল। সে দেবেন্দ্রলাল। কুবেরকে তার বলার ছিল অনেক। ভাবেইনি ছেলেকে এমন আচমকা দেখতে পাবে।

    ঘাসের নরম মখমলে সৃষ্টিধর পা ডুবিয়ে দাঁড়ানো। পেল্লায় ছাতার ছায়া অনেকদূর ছড়িয়ে পড়েছে। এমন একটা ছাতা নিয়ে একজন লোক পূর্ণিমায় পালিয়ে গিয়েছিল। কুবেরের পরিষ্কার মনে পড়ল, আমি তখন এরকম একটা ছাতা মাথায় দিয়ে ব্রজদার সঙ্গে এসপ্ল্যানেডে হেঁটেছিলাম। বসেও ঘুম পাচ্ছিল। পারলে সেখানেই চোখ বুজে ঘুমিয়ে পড়ত। কিন্তু তিন প্রাণী তার দিকে তাকিয়ে আছে। তারা দেবেন্দ্রলাল, সৃষ্টিধর, কুসুম

    ‘তুমি এখানে?’

    ‘তোমার বড়দার প্রোমোশন হয়েছে। তাই নারায়ণকে সোনার বেড় পরাতে এসে কিছুদিন এখানে আছি। কেন?’

    ‘কিছু না। তোমরা তো এদিক মাড়াও না—’

    ‘কোন খবর নেই, এতদিন তুমি বাইরে ছিলে কি করে? তুমি এ বাড়ির কর্তা। বউ ছেলেমেয়ে হয়েছে। এখনও কি আগের মত ঘোরা যায়—’

    কুবের দেবেন্দ্রলালের মুখের ওপর মানানসই একটা জবাব দিতে পারত। আজ চার পাঁচ বছর আমি মুখে রক্ত তুলে টাকা কামালাম। ঘরবাড়ি করলাম। তোমরা এলে না। এই ফাঁকা তল্লাট, গরুবাছুর, ধান বিচুলি, কুকুর-পুকুর—আমরা একা একা আগলাই। আজ নতুন করে কি আর দুশ্চিন্তা দেখাচ্ছ।

    কুবেরের সেই ব্যথার জায়গাটা আজকাল খুঁজে পায় না। জায়গা মত ঘা পড়লে তবে মনে পড়ে।

    ‘বাবা। বাঘা নেই।‘

    সৃষ্টিধরের সঙ্গে সঙ্গে কুসুমও বললো, ‘নেই।’

    দেবেন্দ্রলাল ছেলেমেয়েকে ধমকে উঠল, ‘আগে তোদের বাপকে জিরোতে দে একটু। এবার পালাচ্ছে না।’ কুসুমকেও নামিয়ে দিল বুড়ো, তারপর নিজেই বললো, ‘তোমাদের মা নেই এখন। আমিও চৌদিক ঘুরে সবাদিকে দেখার সময় পাইনে। তোমরা কে কেমন থাক—’

    সুষ্টিধর ঝোলাটা নিয়ে বাড়িতে ঢুকছিল। কুবের দৌড়ে গিয়ে একরকম কেড়ে নিল, ‘আমিই রেখে দেব।’

    দু’বর্ষা আগে বসানো নারকেল চারা, কলমের বাতাবি, আম, জামরুল মাথায় কিছু বেড়েছে। এখনও এদিকে পাখি আসে। গরমকালের পানকৌড়ি ভুস করে জলে পড়ছে আবার ছুঁচলো হয়ে আকাশেও উঠে যাচ্ছে। বাড়ির ভেতরে ঘণ্টা বাজিয়ে ঠাকুর পুজো হচ্ছে। কুবের এসেছে-এ খবর এখনও ভেতরে পৌঁছয়নি।

    কালই বিকেলে বোধ হয়—কিংবা তার আগের দিন বিকেলে—দেবেন্দ্রলাল দশ টাকার খুচরো করে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে বসেছিল। ভিখিরী দেখে ডেকে ডেকে পয়সা দিয়েছে। মনে মনে বলেছে, আমার ছেলেটা যেন ফিরে আসে। কুবেরের কিছু হয়ে থাকলে আমি সারিয়ে ফেলব।

    গাভিন গরুর দুধ খুব ঘন বলে খানিক জল মিশিয়ে কড়ায় চাপাতে হয়। নতুন রাঁধুনী ব্যাপারটা জানত না। জল দেয়নি। দুধ ধরে গিয়েছিল। কড়া মাজতে দেওয়ার আগে নোখ দিয়ে চেঁছে চেঁছে পোড়া দুধ খেয়েছিল। বুলুর ধমকে সব স্বীকার করেছে। সে জানত না, গেরস্থবাড়ি এভাবে পোড়া দুধ খেলে গরুর বাঁট ফেটে যায়। দোহালকে কাল থেকে হাত দিতে দিচ্ছে না বাঁটে। কাছে গেলেই পা ছুঁড়ছে। কুবেরের ডাইরি খুলে দেখছিল বুলু। ওষুধটার নাম লেখা আছে। কয়েক পাতা উলটেই পেল বোরোফ্যাক্স।

    ওষুধটা আনতে দিতে হবে। অনেক কাজ বুলুর হাতে। সাহেব মিত্তির অনেক দিন তার দেখা পায় না। বুলু বলেছিল, ‘অত অস্থির কেন? শিব প্রতিষ্ঠার দিন শ্বশুর মশাইর সঙ্গে বাচ্চাদের নিয়ে যাচ্ছি। তখনই তো দেখতে পাবে।’

    ‘অত ভিড়ে কিছু কথা হয় না।’

    সাহেবকে ধমকে থাকিয়ে দিতে পারেনি বুলু, আস্তে বলেছে, ‘তোমার সঙ্গে আমার এমন কি কথা থাকতে পারে সাহেব?’ শেষে নিজেই নিজেকে শুনিয়ে বলেছে, ‘কোন কথা থাকতে পারে না।’

    ‘সে আমি জানি না। দুপুরে কোথাও বেরোবো না। কোয়ার্টারে তোমার জন্যে বসে থাকব। আসবে কিন্তু।’

    সবাইকে খাইয়ে দাইয়ে বুলু বেলা পড়তে না পড়তে গাড়ি নিয়ে বেরোতো। ঘুম থেকে উঠে একটু বসতে পারে না। অনেক কাজ। লবিতে প্রমাণ সাইজের আয়নায় নিজেকে দেখে চমকে উঠেছিল। কোথাও একটু টাল খায়নি। একেবারে পুরন্ত পাটালি। দোষের মধ্যে হাত দু’খানা ভারি হয়ে গিয়ে বয়সটা ধরিয়ে দেয়। মাথা নীচু করে বুকের ওপর ব্লাউজের ঘের দেখছি। তার জন্ম পৌষ মাসে।

    ‘কে?’ আয়নায় একটা লোককে দেখে চমকে উঠেছিল বুলু। বাবা থাকলে বাইরের কেউ সোজা ওপরে উঠে আসতে পারে না।

    ‘চিনতে পারলে!’

    বুলুর মাথার মধ্যে সারাটা দোতলা দুলে গেল,’ওমা তুমি—’, আনন্দর মত একটা জিনিস বেশ চেষ্টা করে গিলে ফেলল বুলু। অনেকদিন পরে নীচে দেবেন্দ্রলালের হাঁকডাক শোনা যাচ্ছে। শেষে বুলুই বললো, ‘এত দেরি হল ফিরতে? ধান কেমন হল?’

    কুবের একটা চেয়ার টেনে বসে পড়ল, ঝোলাটা কোলের ওপর, ‘ভালোই।’

    ‘পোকা লাগেনি?’ চটি এনে কুবেরের পায়ের সামনে রাখল।

    ‘একদম না।’

    ‘জল ছিল?’

    ‘খুব!’

    ‘কাটবে কবে?’

    ‘দেরি নেই আর—! এক গ্লাস জল দেবে?’

    জল, সঙ্গে এক গ্লাস দুধ নিয়ে ছুটে এল বুলু, ‘জায়গাটা কেমন? খুব ফাঁকা শুনেছি—’

    ঢকঢক করে জল, দুধ দুই-ই ফিনিস করে ফেলল কুবের, ‘চমৎকার!

    ‘তোমার গা একদম জ্বলে গেছে। কি কালো হয়েছ বাবা!’

    কুবের আর কোন জবাব দিতে পারল না। বুলু কাছে এসে মাথার আঙুল চালিয়ে তার চুলে বিলি কেটে দিচ্ছিল। অনেক পরে আস্তে আস্তে বলল, ‘স্টেডিয়ামের কাজ বন্ধ। সিমেন্ট আসছে না। আশি লরি ইট এসেছে। চালানগুলো সই করে রেখেছি তোমার দেরাজে—’

    ‘ওসব পরে শুনবো বুলু।

    ‘তোমার ঘাড়ে, গলায় এসব কিসের দাগ। আগে তো ছিল না।’ বুলু খানিক পিছিয়ে গেল। তারপর কুবেরের শার্ট উলটে পিঠটা দেখে চমকে উঠল, ‘কি হয়েছে তোমার?’

    ‘আমি জানতাম বুলু! তুমি একদিন ঠিক জানতে চাইবে—’

    ‘মানে—’

    ‘তোমায় আমি বলতে চেয়েছিলাম। ক’বার বলতে চেষ্টা করেছি। হয় তুমি থামিয়ে দিয়েছ বুলু-নয়ত, কেন যেন থেমে গেছি। আমি জানতাম বুলু—’

    হঠাৎ দুজনই এক সঙ্গে দেখল একতলার সিঁড়ির মাথায় সৃষ্টিধর আর কুসুম চুপ করে দাঁড়িয়ে। তারা মা বাবাকে এভাবে কোনদিন দেখেনি। কুসুম প্রায় এই প্রথম দেখেছে-বাবা কেমন হয়।

    ওদের দিকে তাকিয়েই কুবের বললো, ‘আমি মোটেই ঘুমোইনি কাল। একটু ঘর অন্ধকার করে দাও। শোব।’

    সৃষ্টিধর, কুসুম খুব মন দিয়ে বাবা দেখছিল। ঘুমজড়ানো চোখে কুবেরও ওদের দেখছিল। বুলু দক্ষিণের বড় ঘরের জানলায় জানলায় পেলমেটে গোটানো পর্দা নামিয়ে দিচ্ছে। সৃষ্টিধরের মাথাটা কিছু বড়। কুসুমের ব্রহ্মতালু এখনও নিশ্চয়ই নরম। ভেতরটা সব সময় দপদপ করে। হাত রাখলে বুঝতে পারত কুবের। সঙ্গে সঙ্গে মনে পড়ল, ওদের দু’জনেরই মাথার ঘিলু এখন নরম—মুদির দোকানে ওই সাইজের মাখনের দলা জল থেকে তুলে ছুরিতে পুচিয়ে কাটে, কাগজে মুড়ে খদ্দেরদের ভাগ করে দেয়। ওখান দিয়ে আমার রক্ত পাস করে।

    ঠিক তখন কুবেরের মাথার ভেতরে চেনা ছবিগুলো খুলে খুলে পড়তে লাগল। এইভাবে শখের থিয়েটারে নাটকের পর ডেকরেটারের লোকজন উইংস খুলে নিয়ে যায়। সারা আসর তখন পালক খসানো। চোখের সামনে নিজের ছেলেমেয়ে দাঁড়ানো। কুবের তাদের মনে করতে পারল না। ছোট দুই প্রাণী তখনও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাবা দেখছে। কুবের তখন নিজের মাথার মধ্যে নেমে লণ্ডভণ্ড-প্রায় ন্যাড়া একটা জায়গার ভেতর দিয়ে জোরে হেঁটে যাচ্ছিল। চেনা কিছুই দেখতে পাচ্ছে না। কাকে দেখে মনে রাখবে—তার নিজের নাম কুবের। নাম ভোলার চেয়ে বড় দুঃখ আর নেই। তখন সে কি কষ্ট। যে কোন একটা কিছু উঠে ধরে দাঁড়ানো দরকার।

    কখন কুসুম পায়ে পায়ে কাছে এগিয়ে এসেছে, পা উঁচু করে কুবেরের কোলের মাঝখানে জায়গা করে নিয়ে বসে পড়েছে—বাবা হয়েও কুবের তার এতটুকুও টের পায়নি। সব কিছু মনে রাখার জন্যে নিজের কোলের মধ্যে নরম মত একটা জিনিস পেয়ে সেটাকে এমন জোরে চেপে ধরেছিল, কুবের নিজেই তার চীৎকারে চমকে উঠল। এ যে কুসুম।

    সব কিছু অচেনার মধ্যে প্রথমবারে কিন্তু মনে হয়েছিল, একটা হাঁসকে আচ্ছাসে চটকাতেই সরু পাইপ মার্কা গলা চিরে ফেলে বাতাসের অভাবে প্যাঁক করে উঠল হাঁসটা। আরেকটু চেপে ধরতেই কুসুমের গলার ফাটা আওয়াজ—মেয়ের জলে-ভরা দুই চোখ—এসব দেখে শুনে কুবের খচ করে সব মনে করে ফেলল। আর ভয় নেই।

    কুবের খুব সাবধানে খসখসে আঙুল বুলিয়ে কুসমের চোখের জল মুছে দিল। এতখানি ব্যথার পর আদর পেয়ে মেয়েটা সব ভুলে যাচ্ছে। হাসি ঠিকরে পড়ল মুখে। কুবের পরিষ্কার বুঝল, এই ধারার মেয়ের পাকাপাকি কিছু মনে থাকে না, এরা জানে না, কেন এখানে আসে। মাথা তুলে দেখল, বুলু অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে—মায়ের হাত ধরে সৃষ্টিধর। সিঁড়ির মাথায় দেবেন্দ্রলাল।

    যেমন উঠেছিল, কোল থেকে তেমন নেমে গেল কুসুম।

    ‘আমি শুয়ে পড়িগে—’

    সিঁড়ির মুখ থেকেই দেবেন্দ্রলাল বললো, ‘চান খাওয়া-দাওয়া কখন করবে?’ বুলুর দিক থেকে কোন সায় না পেয়ে চুপ করে গেল। কুবের উঠে যাচ্ছিল—ফিরে এসে চেয়ারের পায়ার কাছ থেকে ঝোলাটা তুলে নিয়ে গেল।

    বুলু একটা কথাও বলেনি। এই সময়টুকু সে তার অনেক দিনের চেনাশোনা বিয়ে করা স্বামীর কেমন অচেনা হাঁটাচলা খুব মন দিয়ে দেখল, কুবের ঘরে ঢুকতেই বাইরে থেকে দু’ইঞ্চি পুরু কাঠের দরজা আস্তে আবজে দিল।

    কুবের প্রায় অন্ধকার ঘরে ঢুকে দেখল, বিছানায়, মেঝেতে, জানালার তাকে—সব জায়গায় ধান হয়ে আছে। ভালো করে তাকালে বোঝা যায় দানা শক্ত হয়ে হলদে হতে শুরু করেছে। কোন দিকে মন না দিয়ে কুবের ধপাস করে বিছানায় পড়ল।

    বেলায় খেতে বসে দেবেন্দ্রলাল দু’বার জানতে চাইল, ‘কুবের উঠবে না?’ ফ্রিজের মাথায় বসানো সুরেলা ঘড়ির ভেতর থেকে পাখি বেরিয়ে এসে ডাকছে।

    সুষ্টিধর চুপ। শুধু কুসুম দু’একটা কথা বলে যাচ্ছে। বুলুর গম্ভীর মুখ দেখে দেবেন্দ্রলালের বিশেষ ভরসা হল না। আজই সকালে অনেক দিন পরে কুবেরকে ফিরে পেয়ে এত আনন্দ হচ্ছিল। সব জোড়া লেগে যাচ্ছিল। শেষে এ কি হয়ে গেল। অল্পক্ষণে এমন হয়ে যায় সব জিনিস। দেবেন্দ্রলাল জানে, আজ ওদের মা থাকলে কুবের এমন হতে পারত না, ‘তুমি বসবে না বউমা?’

    বুলু শুধু মাথা নেড়ে পার পেল না, বলতে হল, ‘আমি একটু শিবতলায় যাচ্ছি—’, সাহেবের ওখানে যাওয়ার কথা আছে, শেষবারের মত যাওয়ার জন্যে তাকে দিয়ে দিব্যি গালিয়ে নিয়ে গেছে লোকটা—তা আর ভেঙে বলতে পারল না। তবু একটু অপরাধের খোঁচা লেগে থাকল কোথায়। মাথা নীচু করেই বুলু বললো, ‘আমি ফিরে এসেই ও’র সঙ্গে খেতে বসব—

    দেবেন্দ্রলালের মনে হল, হয়ত কোন মানত আছে। তবু বললো, ‘কাল তো সবাই যাচ্ছি। শিব প্রতিষ্ঠা সন্ধ্যে সন্ধ্যে। আজকের কাজ তখন হয় না-’দেবেন্দ্রলালের মন বলছিল, আজ কুবেরের কাছাকাছি থাকা দরকার। কুবেরকে খুব করে ঘিরে রাখা চাই।

    ‘না ঘুরে আসি।’

    বুলুর মন পড়েছিল এখানে। কিন্তু অন্য জায়গায় জটপাকানো একটা সুতো খুলে ফেলে দিয়ে তবে সুস্থির হয়ে বসা যায়। শাড়ি পালটে আজ আর নিজেকে দেখতে পেল না বুলু। ঘরের আয়নাগুলো ফলস্ লাগে তার। সিঁড়ির মুখে লম্বা আয়নায় নিজেকে পেয়ে গেল।

    সৃষ্টিধর, কুসুম নীচের বড় ঘরে আজ দেবেন্দ্রলালের সঙ্গে শুয়েছে। ‘গারো’ আর ‘ফ্লোরিকান’ স্টিমারে চানের জল কত মোটা নল দিয়ে পড়ত—সেই গল্পটা দেবেন্দ্রলাল বলছে। বুলুর শ্বশুর বলে জাহাজ। ‘বালুচ’ জাহাজে একবার মেঘনা পার হওয়ার সময় একটা কাক খুব বিপদে পড়েছিল। ডাঙায় থাকতে নোঙর করা জাহাজে কাকটা এসে পাটাতনে বসেছিল। খেয়াল করেনি—জাহাজ কখন বড় নদীতে পড়েছে। চারদিকে ঘোলা জল। দশ মাইলের মধ্যেও তীর দেখা যায় না। কাকটার পাখায় অত জোর থাকবে কোত্থেকে? এতটা পথ না জিরিয়ে একা একা উড়ে পার হওয়া যায় না। ‘গারো’, ‘ফ্লোরিকানের’ পর দেবেন্দ্রলাল ‘বালুচ’ জাহাজের গল্প বলবে। বুলু জানে। সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে সেই কাকটাকে আয়নায় পরিষ্কার দেখতে পেল। কাকটা আজ ভর-দুপুরের সঙ্গে মানিয়ে হালকা রঙের শাড়ি পরেছে—সরু সিঁথিতে অনেকদিন পরে খানিক সিঁদুরও ডলেছে। কতকাল আমি কোথাও বসে একটু জিরিয়ে নিতে পারিনি। শুধু ফেনা কাটার আওয়াজ—জল ভেঙে যাওয়ার ঘোলা ছবি।

    দেবেন্দ্রলাল গল্প থামিয়ে গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ার আওয়াজ শুনলো চুপচাপ। সৃষ্টিধর ঘুমিয়ে পড়েছে, কুসুমের চোখ ছোট হয়ে এসেছে। নিজেও ঘুমিয়ে পড়ছিল। অনেক কষ্টে চোখ খোলা রাখল। মেয়েটা ঘুমিয়ে পড়তেই পা টিপে টিপে দোতলায় এসে কুবেরের ঘরের দরজা একটু ফাঁক করে ভেতরে উঁকি দিল!

    হাঁ করে ঘুমচ্ছে। দুই চোখের নীচেই অনেকখানি করে গর্ত। কুবেরের একখানা পা খাটের বাইরে ঝুলে পড়তে পারে। খুব আলগোছে সেখানা জায়গা মত রাখতে গিয়ে দেবেন্দ্রলালের খুব ভারী লাগল। ঘরের অন্ধকার সয়ে এসেছিল চোখে। মুখের কাছে মুখ নিয়ে বহুকাল পরে তার একটা পুরনো ইচ্ছে উঠে এল। কুবেরের মাথার কিছু চুল কপালে এসে পড়েছে। ব্রহ্মতালু কত ফাঁকা। দেবেন্দ্রলাল মুখ নামিয়ে কুবেরের কপালে একটা চুমো রাখতে গেল। পারল না। ওদের মা বলেছিল, ঘুমন্ত শিশুকে চুমো দিতে নেই—বড় রাগী, জেদি হয়। তার ঊনচল্লিশ, চল্লিশে কুবের হয়।

    ‘কে? কে—’

    চোর পড়লে এমন চেঁচায় লোকে। কুবের উঠে বসেছে। দেবেন্দ্রলাল কিছু থতমত খেয়ে গেল, ‘কেউ না। আমি–তোমায় বাবা।’

    ‘এখানে কেন? এখানে?’

    ‘তুমি ঘুমের ঘোরে খাট থেকে পড়ে যেতে—ঠিক করে দিয়ে গেলাম।’

    ‘দাঁড়াও। যেও না। কিছু খাবার আছে? বড় খিদে পেয়েছে বাবা—’

    ‘পাবেই তো—’, বলে আর দাঁড়াল না দেবেন্দ্রলাল। কাজের লোকজন শুয়ে পড়েছে। ফ্রিজে কিছু রান্না জিনিসপত্র পাওয়া গেল। সেগুলো গরম করে দেওয়া চাই। ও পথে না গিয়ে পাথরবাটিতে তোলা ছানা চিনি মিশিয়ে নিয়ে এল দেবেন্দ্রলাল।

    ‘বুলুকে বললে পারতে—’

    কুবেরের হাতে বাটি তুলে দিয়ে পুবের জানলা খুলে দিল দেবেন্দ্রলাল। খাওয়া হয়ে গেলে ফ্রিজ থেকে ঘাম মাখানো একটা বোতল ছেলের হাতে তুলে দিল। কুবের মাথাটা পেছনে ঢেলে দিয়ে ঢকঢক করে এক বোতল জল খেয়ে ফেলল, ‘বুলু কোথায় বাবা?’

    ‘ও বুঝি শিবতলায় গেছে। খেয়ে যায়নি। ফিরে এসে তোমার সঙ্গে খেতে বসবে বলে গেছে।’

    কুবের এবার পাথরবাটি, বোতল নিজে উঠে গিয়ে রেখে এল।

    ‘তুমি এখানে পাকাপাকি থাকলে পার বাবা।’

    দেবেন্দ্রলাল মুখ খুলল না। হাসল একটু।

    ‘এখানে তোমার খারাপ লাগে?’

    ‘তা কেন? তবে, আমি বলি কি-এটা তোমার সংসার, যা-কিছু ডিসিসন তোমারই। সব সময় থাকা দরকার তোমার।’ কি আর একটা কথা মনে পড়ল দেবেন্দ্রলালের, ‘তোমার তুলনায় কত অল্প টাকায় সংসার করেছি আমরা।’

    ‘শুধু টাকাটাই দেখলে বাবা! তোমার কাছাকাছি আমরা ছিলাম। আমার কাছাকাছি কেউ নেই—‘

    ‘বয়স হলে সব লোক আলাদা হয়ে যায়। ছোটবেলায় একরকম থাকে। বিয়ের পর তার নতুন শেকড় বেরোয়—’,

    ‘তাহলে তুমি ফিরে ফিরে আসো কেন?’

    ‘বাঃ! আমি তোমাদের বাবা। তোমার এত দুঃখ কিসের কুবের?’ কথাটা শুনেই কুবেরের মাথার ভেতর দিয়ে ফুলস্পীডে একটা ইলেকট্রিক ট্রেন চলে গেল। তার ভেতরে মা, বড় বউদি, বুলু, বাবার সঙ্গে কুবের একটা কামরায় বসে আছে। ভিতপুজোর পর সবাই কদমপুর থেকে ফিরছে। সেদিন দেবেন্দ্রলাল বলেছিল, তোমার কত টাকা কুবের? ট্রেনটা ভীষণ দুলছিল। কুবের শক্ত করে খাটের ছত্রী চেপে ধরল। এই তো সব মনে আছে তার। দেবেন্দ্রলাল ইজিচেয়ারে শুয়ে ছিল এতক্ষণ। এবারে উঠে বসে বললো, ‘তোমাদের গর্ভধারিণী থাকলে তিনি এসেই দেখে যেতেন। না দেখে থাকতে পারতেন না—’

    তারপর নিজেই আবার দেবেন্দ্রলাল বললো, ‘আমার স্ত্রী বলে নয়—ওরকম মহিলা আর দেখনি আমি কুবের। কতই বা মাইনে পেতাম। তোমাদের কতজনের পড়াশুনো ওই টাকায় চলেছে। কিছু বন্ধ থাকেনি। রোজ স্টিমারঘাটায় বসে বসে নোঙর করা জাহাজের বয়লারে স্টোকারদের কয়লা দিতে দেখতাম—’

    কুবের দেবেন্দ্রলালকে থামতে দিল না। উৎসাহে চোখ বড় করে তাকাল।

    ‘তোমাদের মা তার নিজের কাজ ঠিক করে নিয়েছিল। সংসারটা চালু রাখার জন্যে যেনতেন প্রকারে আমাকে খাইয়েদাইয়ে স্টিমারঘাটায় পাঠিয়ে দিত। আমার ইঞ্জিনে কোনদিন কয়লার-জ্বালানির অভাব পড়েনি। সে ধরেই নিয়েছিল—আমি চালু থাকলেই সংসার চালু।’

    ‘মা না থাকলে আমরা উঠতে পারতাম না বাবা।’

    ‘কেমন মোক্ষম সময়ে চলে গেছে দ্যাখো!’

    ‘কিছুই দেখে যেতে পারেনি মা।’

    ‘ধান কেমন হল?’

    কুবের আকাশ থেকে পড়ল, ‘কোথায়?’

    ‘কেন! তোমার সেই দ্বীপে। মাটি কেমন?’

    কুবেরের সব মনে পড়ে গেল। তার এই মাত্র মনে হচ্ছিল, মা ছিল বলেই সে নিজে কঠিন, অসম্ভবের তোয়াক্কা না রেখেই কদমপুরের মাঠে ড্রিম মরচেন্ট হয়ে বসেছিল। এ শুধু মায়ের ছেলে বলেই সম্ভব হয়েছে। মায়ের কাছে আমরা ছিলাম এক একটা ক্যানাডিয়ান ইঞ্জিন। কুবের একদিন নগেনকে বলেছিল, জানিস—মা হল ইটারনাল স্টোকার। আমাদের ইঞ্জিনে ফুয়েল যোগানোই তাঁর কাজ। শুধু সেইটুকু জেনে বসে আছে এ-জীবনে। আজ অনেক দিন পরে দেবেন্দ্রলালের কথায় মায়ের সে-ছবি ভেসে উঠতেই কুবের ভরে যাচ্ছিল।

    ‘মাটি ভালোই। তবে কিনা—অনেক দিনের পোড়ো জায়গা তো—আগাছা, বিশেষ করে আকন্দ আর কিসব বুনো গাছ মাটির এক হাত নীচেই শেকড়ের জাল ছড়িয়ে রেখেছে—’, কুবের হাঁপাতে লাগল।

    ‘বলো তাহলে সেসব কেটে আবাদ করতে খুব কষ্ট গেছে!’

    ‘তা কিছুটা—’

    ‘ধান হল কেমন?’

    ‘খুব। গোছে গোছে মাঠ এঁটে গেছে।’

    ‘এত ধান আনবে কি করে কুবের।‘

    ‘সেই তো সমস্যা। খরো থাকতে থাকতে লঞ্চ বোঝাই দিতে হবে। তারপর ডাঙায় উঠে লরি—না হলে অগত্যা গোরুর গাড়ি।’

    ‘কোথায় রাখবে এত ধান। গোলা কোথায়? একটা ভাল স্টোর হাউস আগে চাই। আমি নিজে দাঁড়িয়ে সব দেখাশুনো করব। সালকের বাড়িতে থাকতে তোমরা রেশনের লাইন দিতে! এসব তোমাদের মা দেখল না।’

    কুবের অবাক হয়ে দেবেন্দ্রলালকে দেখছিল। ধানের নেশা বড় নেশা। পাকে পাকে জড়ানো। অথচ আমার গেরো খুলে গেল।

    ‘তোমার সামনে অনেক কাজ কুবের।’

    কুবের আরও অবাক হয়ে দেবেন্দ্রলালকে দেখল।

    ‘স্টেডিয়াম বানাতে হবে। খালের ওপরে ওখানে একটা ব্রিজ চাই।’

    ‘আমার আর ভাল লাগে না বাবা।’ কুবের গুছিয়ে বলতে পারল না। জমা হতে হতে অনেক জঞ্জাল স্তূপ হয়ে উঠেছে। তার মধ্যে স্টেডিয়ামটা মাথা তুলে দাঁড়ানো। চোখ খুললেই চোখ পড়বে। কিছুতেই তাড়ানো যাবে না।

    ‘আশ্চর্য! বুলু এখনো ফিরল না।’

    ‘তাড়া কিসের?’

    ‘না কুবের। তা ভাল না। অবেলায় খেলে নির্ঘাত অজীর্ণ। অবাক কাণ্ড! তুমি এসেছ—আর আজই এত কাজ পড়ল বউমার?’

    ‘কাজ হয়ে গেলেই চলে আসবে। এত ব্যস্ত কেন।’

    ‘আমরা এসব বুঝি না!’

    যা কোন দিন করেনি, তাই করল দেবেন্দ্রলাল। পরিষ্কার বললো, ‘আমি সোজাসুজি একটা কথা বলতে চাই তোমাদের—নগেন ওদের বলতে পারিনি—কিন্তু তোমাকে আজ বলছি—তোমরা আরও বড় হতে, অনেক বড় হতে—’

    কুবের উঠে বসে দেবেন্দ্রলালের দিকে তাকাল।

    ‘তোমাদের বউরা যদি অল্প অল্প করেও তোমাদের গর্ভধারিণীর গুণের ছিটেফোঁটা পেত!’

    ‘তা তুমি কি করে আশা কর বাবা!’

    ‘লোকে দেখে শেখে, ঠেকে শেখে। বিয়ের পর থেকে আমার ছেলেরা সবাই পায়ে পাথর বেঁধে পড়ে আছে।’

    ‘তুমি মানুষের কতটুকু জান বাবা? আমি আপত্তি করছিনে। কিন্তু—’

    ‘তুমি বুলুর কতটুকু জান? নগেন রেখার কতটুকু জান?’

    ‘কি বললে?’

    ‘তুমি বুলুর কি জান?’ দেবেন্দ্রলাল আর বলতে পারল না। কুবেরের চোখের কোণে ভীষণ সরু সব রেখায় হঠাৎ রক্ত থানা দিয়ে উঠেছে। হাঁটুমুড়ে আধখানা কুবের বিছানায় ঠেলে উঠল, ‘আবার বল—’,

    দেবেন্দ্রলাল কিছু বুঝতে পারছিল না। এমন সময় সৃষ্টিধরের পেছন পেছন কুসুম ঘরে ঢুকল। মেয়েটাই আগে কথা বললো, ‘বাবা আমি একটা নাচ করি?’

    থপ করে বিছানায় বসে পড়ল কুবের। দেবেন্দ্রলালের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারল না।

    সৃষ্টিধর বোনকে থামিয়ে দিয়ে বললো, ‘বেড়াতে চল না বাবা—’

    দেবেন্দ্রলাল, কুবের একসঙ্গে বাইরে তাকাল। সামান্য বাবলা গাছও হাওয়া পেয়ে খুশীর ভঙ্গীতে দুলছে। সারি সারি বসানো গাছ কিছু ডাগর হয়েছে গত বর্ষার পর। তাদের গা বেয়ে কুবের রোড। বিকেলে কদমপুরের লোকজন এদিকটায় বেড়াতে আসে—হাওয়া খায়। আজ অনেক আগে পরিষ্কার আকাশে চাঁদের জলছাপ পড়েছে। ঘনরাম চাটুয্যের ইটখোলার জোড়া চিমনি দিয়ে রাশি রাশি ধোঁয়া বেরিয়েও ঝুলন্ত সূর্য ঢাকতে পারেনি। দেখতে পাওয়ার এই চেনা সীমানা কুবেরকে সাহস দেয়। খাট থেকে নেমে বললো, ‘বাবা চল না, সবাই মিলে বেড়িয়ে আসি।’

    সৃষ্টিধর বললো, ‘চল। খুব মজা হবে।’

    দেবেন্দ্রলাল মাথা নাড়ল, ‘তোমাদের বাবা খায়নি। মা ফেরেনি—’

    কুসুম খুব গম্ভীর হয়ে বললো, ‘বাবার অত খিদে পায় না তোমার মত—বুঝলে—’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }