Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ১৬

    ॥ ষোল ॥

    বিরাট বাথান। সারি সারি পুরুষ্টু গাই গরু সারি সারি দাঁড়ানো। ঝকঝকে মাজা পেতলের কেঁড়েতে দুধ দোয়া হচ্ছে। দোকা ভর্তি নানান খাবার। মুগ, অড়হর, ছোলা, গুড়, কচিঘাস টাল দিয়ে সাজানো। গরুগুলো আরামে খাচ্ছে। ফোঁসফাঁস নিঃশ্বাস ফেলছে। বাঁট থেকে দুধের ধারা ক্ষীর হয়ে নামছে। পূর্ণিমার সন্ধ্যে। পালতোলা দু’খানা জাহাজ মাঝনদীতে নোঙর ফেলে ভাসছে। ডিঙি নৌকো ডাঙ্গা থেকে খাবার জল বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। জাহাজে তোলা হবে। এমন সময় পরি বসানো দীঘির ধারের চত্বরে মেদনমল্ল এসে দাঁড়ালো। পেছনেই দুর্গ। দেখেই চেনা গেল। দেবেন্দ্রলাল সাধুখাঁর সেজো ছেলে কুবের সাধুখাঁ। তবে জুলফি অনেক লম্বা আর মাথায় বাবরি। তখনও দুধ দোয়ানোর ছনছন শব্দ শোনা যাচ্ছে। জ্যোৎস্নায় সাদা পরিদেহগুলো শুধু ফকফক করছে।

    চেনা রাস্তা ধরে কুবের চত্বর থেকে নেমে এল। সবই তার জানাশোনা। শুধু লোকজন নেই কোন। তাতে বিশেষ অসুবিধে হল না। কুবের লম্বা লম্বা পা ফেলে দুর্গের পেছনে এসে দাঁড়াল। সেখানে দুর্গের অতিকায় ছায়ার মধ্যে রাশি রাশি দুধলি ফুটে আছে। একটা দুটোয় সামান্য আলো পড়ে জোনাকির ধারা জ্বলে উঠছে। কুবের গায়ের জাব্বা জোব্বা খুলে ফেলল। একটা গুড়গুড়ি পাখি মনের সুখে গুড়-গুড়—গুড় ড়-ড় করে ডাকছিল। কুবের কোমরের তলোয়ারখানা আলগোছে ঘাসের উপর রাখতেই পাখিটা থেমে গেল। তারপর নদীর মধ্যে নামতে লাগল কুবের। জল সরে যেতে লাগল। বিশাল শুকনো নালার কায়দায় নদীর বুক পেট সব ঠেলে উঠল কতকাল জলের নীচে ছিল। উলটো দিক থেকে দশখানা হাল টেনে কুড়িটা মোষ আসছিল। লাঙলের ফলার দু’ধারে মাটির চাঙড় উলটে উলটে পড়ছে। জল বেটে আসতে হয়েছে বলে মোষের গা ভিজে।

    কুবেরও এগোচ্ছিল। কত জমি। কত জায়গা। এ সব আবাদ হয় না। জল সরে যাওয়ায় হুহু শব্দটা সুন্দরী গাছের জঙ্গলের বাঁক পেরোয়নি তখনও—এমন সময় কুবের স্পষ্ট শুনতে পেল, কে ডাকছে, ’সেজদা! সেজদা! সেজদা আছো নাকি?’

    সালকে থেকে নতুন বাড়িতে উঠে আসা ইস্তক এমনিতেই কুবেরের ভালো ঘুম হচ্ছিল না। চারদিক খোলামেলা। লোকজন নেই। বড় বড় ঘর ফাঁকা পড়ে আছে। দেওয়ালে গৃহপ্রবেশের দিনের লাল লাল সিঁদুরের দাগ। খুব অস্বস্তিতে যাচ্ছিল।

    আরেক ডাকেই কুবের উঠে বসল। বুলু ঘুমে। কচি মেয়েটা একদিকে ঢলে পড়ে আছে। ছেলেটা আড়মোড়া ভেঙে উঠবে এখনই।

    দরজা খুলতেই নগেনের সামনে পড়ল। এত ভোরে। গৃহপ্রবেশের দিন মা আসেনি। আর আসেনি নগেন। ওভারটাইম ছিল অফিসে।

    ‘বাড়ি চল।’

    কুবের তো রাগারাগি করে চলে আসেনি। নিজের বাড়ি করে উঠে এসেছে। তরিতরকারি কুটতে অনেক জায়গা লাগে মার। বুলুর বুদ্ধিতে পুবের দিকে ঢালাও একটা বারান্দা বানিয়েছে। মা সেখানে বসে কুটনো কুটবে ইচ্ছে মত।

    মুখ না ধুয়েই, এতক্ষণ নগেনের সঙ্গে কত কথা হয়ে গেছে—এইভাবে কুবের নতুন বাড়ি দেখাতে লাগল নগেনকে। ‘প্রত্যেক ঘরের সঙ্গে অ্যাটাচড্ বাথ্‌—’

    ‘জামা কাপড় পরে নাও। তাড়াতাড়ি যেতে হবে—’

    ভদ্রেশ্বরের সঙ্গে কুবের মেদনমল্লর দুর্গ দেখে ফেরবার পর ক’দিনই আবাদে ঢালাও চাষে নামার কথা নিয়ে ভাবছিল। একটু আধটু তৈরিও হচ্ছিল। মাঝরাত থেকেই বাঁ হাতখানা বুকের ওপর। অন্যদিন বুলু নামিয়ে দেয়। বোবায় ধরে এই কাণ্ড।

    তখন কুবেরের দুর্গের ঘোর ভালো করে কাটেনি।

    নগেন বললো, ‘তাড়াতাড়ি নাও। সবাই বসে আছে। তুমি গেলেই রওনা হবে।’ কুবের তখনও নগেনকে বোঝাচ্ছিল, কদমপুরের এই বাড়িতে থাকার সুবিধে কতখানি। ‘তোরা সবাই থাকবি বলে এ বাড়ি বানিয়েছি। ওই ঘরটায় তুই আর রেখা থাকবি। মা আর বাবা বড় ঘরে। বীরেন আর ডলি দক্ষিণের বারান্দা লাগানো ঘরে—’

    ‘মা নেই।’

    ‘আমি না হয়ে রান্নাঘরের কাছে থাকব। কোন অসুবিধে হবে না—’, খচ করে থেমে গেল কুবের, ‘কি বললি?’

    ‘মা নেই।’

    ‘মানে?—’

    ‘কাল রাতে বড়দার ওখানে মারা গেছে। সারা রাত লরি চড়ে আজ শেষরাতে ডেড়বডি এসে পৌঁছেছে—

    ‘বাবা!’

    ‘ভেতরে বসে আছে দেখে এসেছি—’

    ট্রেনে বসে নগেন প্রথমে কথা বললো, ‘তোমার বাড়ির কথা যে মা কতজনকে বলেছে। অথচ নিজে দেখতে পেল না।’

    কুবের কিছু বলতে পারল না। ভোরের ট্রেনের জানলায় বসে ঘনরাম চাটুজ্যের ইটখোলা দেখা যাচ্ছে। ক’বছর আগে প্রথম প্রথম কদমপুরে আসত—তখনই মা শেষরাতে স্টোভে চা করে দিয়েছে। কুবেরকে কতবার। হরলিকসের শিশিতে ঢেঁড়সের বিচি রেখেছিল গুছিয়ে। কুবেরের জায়গা জমি হয়ে গেলে খানিক ক্ষেত করবে ঠিক করেছিল। ঘাটের সিঁড়ির বজ্র গাঁথতে গিয়ে অসময়ে বৃষ্টি নামল। কাজ পিছিয়ে গেল। নইলে কবে গৃহপ্রবেশ হয়ে যেত। মা অনায়াসে এ বাড়ি দেখে যেতে পারত।

    বুলু বললো, ‘যদি একটা বছরও এখানে থাকতেন। থেকে, হাঁটা চলা করে বাড়িটা পুরনো করে দিয়ে মরলে আমাদের কোন দুঃখ থাকত না।’

    ইটের কামড় বড় কামড়। দালান কোঠা করলে, মাটি পোড়ালে, মাটি খুঁড়লে একজনকে না একজনকে টেনে নেবেই। শেষকালে মায়ের ওপর দিয়েই তা গেল। শেষকালে তুমি সবাইকে হারিয়ে দিলে মা।

    ট্রেন সরু পিয়াসলে ছাড়িয়ে গেল। কুবের অনেক কষ্টে মনে করতে লাগল, শেষ কবে মায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে। নগেনের মেয়ের জন্মদিনের দু’দিন আগে? টোয়েন্টিনাইস্থ মে? না তারও আগে। তারিখ মনে নেই ঠিক।

    কিছুকালই মা বড়দার ওখানে গিয়ে থাকছিল। সেখানে থাকার সুন্দর ব্যবস্থা। বড়দা বিকেলে পাবলিক লাইব্রেরি থেকে বই আনিয়ে দিত। মা বড়দার কোয়ার্টারের সামনে লঙ্কা, বেগুন লাগিয়েছিল। ছাদ ঢালাইর সময় কুবেরের কিছু টান যাচ্ছিল। এদিক সেদিক টাকা আটকানো। কতকাল ধান নিয়ে গেছে—ফেরত দেয়নি। সে সময় একদিন চিৎপুর ইয়ার্ড থেকে লরিতে কদমপুরে সিমেন্ট নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়িতে টাকা নিতে এসেছে। বুলু ঘুমোচ্ছিল। সামনের দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ।

    পাছে বুলুর ঘুম ভাঙে—কুবের গিয়ে দরজা খুলে দিল। বোঁচকা হাতে মা দাঁড়ালো। রিকশাওয়ালা দাঁড়িয়ে। মা বললো, ‘খুচরো পয়সা হবে তোর কাছে? দশ আনা?’

    কুবের দিয়ে দিল। তুমি একা! রিকশায় করে হাওড়া স্টেশন থেকে এলে কি করে একা একা? বড়দা?’

    ‘মফঃস্বলে বেরিয়েছে।’

    ‘বলে এসেছো?’

    ‘তোর বড়দা জানতো আমি সালকে চলে আসতে পারি। আমি না থাকলে সালকের এ-বাড়িতে রেশন আসে না ঠিক মত।’

    ‘ভেতরে এসে বস।’

    কুবের জানতো, মা যেখানেই থাক—যত আনন্দেই থাকুক, স্বামীর পিতৃপুরুষের বসতবাড়ির এই আড়াইখানা ভাগের ঘরে তার মন সব সময় পড়ে থাকে।

    ডলি বেরিয়েছে। কচি মেয়ে ঘুমোয় না রাতে। রেখা তাই আগাম ঘুমোচ্ছিল। কুবের জল ভরে দিল কুঁজো থেকে।

    ‘তোর বাড়ির কদ্দূর?’

    সময়টা ক’দিন খারাপ যাচ্ছিল তখন। সে সব না বলে কিছু ফাইন চলছে—এমন একটা ছবি তুলে ধরেছিল কুবের দি ড্রিম মারচেন্ট—ড্রিম সেলার। সে সব শুনে মায়ের যে কি তৃপ্তি

    লরি পাওয়া গেল না। ঘণ্টা চারেক পরে বাড়ি ফিরে দেখল মা নেই। সন্ধ্যের ট্রেনে বড়দার ওখানে ফিরে গেছে। বউমাদেরই একজন গম্ভীর হয়ে ঘর গুছোচ্ছে। বুলু তখনও বিড়ে পাকিয়ে খাটে শুয়ে শুয়ে ঘুমোচ্ছে। একদম অ্যাডভান্সড্ স্টেজ। কাউকেই তাই ব্যাপারটা কি—জানতে চাইতে পারল না।

    নগেনের মেয়ের জন্মদিনের দু’দিন আগে সব কেনাকাটা করতে হল। পয়লা জন্মদিন। কিছু ধুমধাম ছিল। আগাম কাজ সেরে রাখল কুবের। কেননা জন্মদিনের দিন একটা সাত বিঘের জলকর ইজারা নেওয়ার কথা ছিল। সেদিনই সই-সাবুদের দিন ছিল। তাই আগেভাগে কাজ সেরে রাখতে হয়। সেদিন মা ছিল। কুবের যে নগেনের মেয়ের জন্মদিনের ফ্রকট্রক কিনতে গিয়ে সবাইকে সুখী করার জন্যে খাওয়া-দাওয়া হইচই লাগিয়ে দিয়েছিল, তাতেই মা খুশী, খুব খুশী, আনন্দে গায়ের জামা খুলে ফেলল, ফ্যান চালিয়ে দিতে বললো। হরিরাম সাধুখাঁ বাড়ির বউ। একদা যাদের গন্ধেশ্বরীর টাটে সন্ধ্যে হলেই ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালানো হত—সে বাড়ির বউ হয়ে এসে ইস্তক মা পুরনো যা-কিছু, গৌরবের যা-কিছু সবই আঁকড়ে ধরতে চাইতো প্ৰাণপণে।

    তারপর আর মার সঙ্গে দেখা হয়নি কুবেরের। গৃহপ্রবেশের দিন মা না আসাতে কুবেরের খুব মন খারাপ হয়েছিল। মাছ কুটতে দেরি, ডাল সেদ্ধ হচ্ছে না, কলাপাতাগুলো শুকনো—এ সব হতেই পারত না মা থাকলে। কেন যে এল না। এমন শরীর খারাপ ছিল—বিছানায় উঠে বসতে পারেনি। উঃ! যদি বুদ্ধি করে একখানা মোটর ভাড়া করে নিজে গিয়ে কুবের মাকে নিয়ে আসত।

    সেদিন নতুন বাড়িতে হইচই—সবকিছুর মধ্যে কুবেরের বার বার মনে হয়েছিল, যে থাকলে সব চেয়ে খুশী হত—সেই আসেনি, আসতে পারেনি। মা যা কল্পনাপ্রবণ–হয়ত ফাঁকা কোয়ার্টারের ঘরে বসে বসেই চোখের সামনে এ-সব দেখতে পেয়েছিল। সেদিন কদমপুরে থাকলে মা যা গণ্ডগোল বাধাতো—এটা হয়নি কেন? ওটা ওরকম কেন? কত কি! তবু, তবু ভাল লাগত কুবেরের।

    পরদিন কুবের একখানা চিঠি লিখেছিল। হুবহু মনে নেই। তবে মোট কথা, তুমি না থাকাতে সবকিছু ফাঁকা লেগেছে। ওই দিন তোমারই সব চেয়ে ভাল লাগত। মা কি তার চিঠি পায়নি। পেলে একটা জবাব দিত নিশ্চয়।

    কুবেররা পৌঁছতেই শ্মশানে রওনা হল সবাই। ইলেকট্রিক চুলো খারাপ হয়ে আছে। বেদি করা উঁচু জায়গায় পোড়াতে দশ টাকা বেশি নিল। গঙ্গামৃত্তিকা মাখিয়ে নাইকুন্ডুলি জলে ফেলতে ফেলতে তিনটে বেজে দশ। আগুনের ভিতর থেকে বাঁশ দিয়ে খুঁচিয়ে শেষে নাইকুন্ডলি পাওয়া গেল। ছাই, পোড়া পোড়া চর্বির গাদ-তার ভেতরে ভস্ম মেখে পড়ে ছিল।

    কুবের কদমপুর থেকে যাতায়াত করে সালকের বাড়িতে হবিষ্যি করল চারদিন। ঠিক হল শ্রাদ্ধের পরই লরিতে করে মালপত্র নিয়ে নগেন, বীরেন, দেবেন্দ্রলাল—সবাইকে পাকাপাকি কদমপুরের বাড়িতে নিয়ে যাবে। সঙ্গে বংশের নারায়ণ শিলাও যাবে। রাস্তা বাড়বে বলে বাড়িভাঙার নোটিসও পড়ে গেছে এদিকে। সালকেও নতুন হচ্ছে।

    লরি ঠিক। রোজান দুধ ঠিক হয়ে গেল নগেনের মেয়ের জন্যে। চারদিনের দিন হবিষ্যিতে বসে নগেন বোমাটা ফাটালো, ‘আমরা যাব না সেজদা।’

    কুবের আগেই কিছু আশংকা করেছিল।

    রেখাকে জিজ্ঞাসা করেছে কুবের, ‘ওখানে থাকতে তোমাদের অসুবিধে হবে?’

    ‘অসুবিধে কি? আপনার ভাই থাকলেই আমরা থাকব।’

    বীরেনকে জিজ্ঞাসা করেছে, ডলিকে জিজ্ঞাসা করেছে কুবের। এমন করুণভাবে জিজ্ঞাসা করতে হবে জানলে কুবের ঢাউস করে বাড়ি বানাতো না। মা গেল না। বাবার শরীর ভাল নয় বলে বড়দা বড় বউদি দেবেন্দ্রলালকে কলকাতার বাইরে যেতে দেবে না। তাহলে বীরেন চলুক, নগেন চলুক অন্তত।

    কিন্তু ডলিও যে সেই একই কথা বলে, ‘আপনার ভাই গেলেই আমরা যাব।’

    হবিষ্যের সময় কথা বলতে নেই। এ সব জানলে কুবের সাধুখাঁ বস্তা বস্তা সিমেন্ট ঢেলে পেল্লায় বাড়ি ফেঁদে বসত না। দশাসই দিঘি কাটাতো না। একখানা একতলা বাড়ির ইট, সিমেন্ট, বালি খরচা করে ঘাট বানাতো না। শুধু বুলু আর সে—এই ক’জনার জন্যে এত টাকা মাঠের মধ্যে ঢেলে দিত না। এত সবের পর এখন তোমরা এই পায়রার খোপে বসে বকবকম করে কী সুখ পাবে। একটা নিদারুণ কষ্ট—তা হরফে লিখে ফোটানো যায় না—কুবেরের দুই ভ্রুর মাঝখানে এসে নাক চোখ লাল করে দিল। কথা বাড়াল না কুবের।

    বউমাদের একজনের বাড়ির জানালায় দাঁড়ালে কচুরিপানা ঢাকা পুকুর দেখা যায়। বর্ষাকালে সে-বাড়ি যেতে জলে কাদায় রাস্তা একসা হয়ে থাকে। আরেকজনের বাড়িও হাঁটু অব্দি কাপড় তুলে এগোতে হয়। ভাড়ার ফালি ফালি ঘর। কী সুখে এরা এখানে পড়ে থাকতে চায়। নগেন বীরেনের কোন অসুবিধেই হত না কদমপুর থেকে অফিস করতে।

    পরদিন কুবের একা একাই হবিষ্যি করল কদমপুরের ফাঁকা বাড়িতে। বুলু স্বামীর মনের অবস্থা বুঝে চুপচাপ কাজ করে যাচ্ছিল। আজ খুক করে হেসে উঠলে নির্ঘাত দাবড়ি খেত। ছেলেটা শুধু বকবক করে যাচ্ছে। পুকুরে ঢিল ছুঁড়ছে। দেবেন্দ্রলাল এর নাম রাখতে চেয়েছিল সৃষ্টিধর।

    পিয়ন চিঠি দিয়ে গেল। মা জবাব দিয়েছে। নতুন লোক বলে ঠিকানায় চিঠি পৌঁছতে এত দেরি। এর আগে মরা লোকের চিঠি পায়নি কোনদিন কুবের। বাঁধানো ঘাটের চত্বরের কাছেই খামার হয়েছে। আছড়ানো ধানের কিছু ছিটকে এসে পড়েছে। সেগুলো পাখিরা কুবেরের ভয়ে খুব সাবধানে খুঁটে খাচ্ছিল। খামের ওপর চেনা হাতের লেখা। চিঠিখানা খুলে ফেলল—

    কল্যাণবর,

    বাবা কুবের। আমি এই শনিবার তোমার ওখানে যাইব ঠিক করিয়াছিলাম। কিন্ত ৫/৬ দিন জ্বরে ভুগিয়া দুর্বল হইয়াছি। ডান হাঁটুতে ভীষণ ব্যথা। শরীর বড় দুর্বল হইয়াছে। তোমার বাড়ি দেখার জন্যও আমার মন বড় অস্থির হইয়াছে। এবার সালকিয়ার বাসার থেকে এত মনঃকষ্ট পাইয়া আসিয়াছি। আর সালকিয়া যাইব না। এবার তোমার নতুন বাড়িতে গিয়া লক্ষ্মীপূজা করিব। আমি একটু সুস্থ হইলেই তোমার ওখানে যাইব।

    আমার যাইতে ইচ্ছা করে কিন্তু আমার জন্য হয়ত তোমাদের বিব্রত হইতে হইবে। এই জন্য চিন্তা করি। যাক যদি সম্ভব হয় তোমার বাবাকে নিয়া যাইও। তোমাদের বড়দা আমাকে ওষুধ আনিয়া দিয়াছে।

    সৃষ্টিধর ও কুসুমসখি কেমন আছে? তাহাদের আমার শত চুমু দিও! বুলু ও তুমি আমার আশীর্বাদ নিও। তোমাদের কুশল প্রার্থনা করি।

    আং মা

    মহাগুরু নিপাত। গুরুদশার কাছা যে কতকাল কুবেরের গলায় আছে! চিঠিখানা মুড়ে হাতে নিল। বুলু লম্বা চাতালে বসে লোক দিয়ে শ্রাদ্ধের চাল ঝাড়িয়ে নিচ্ছিল। কুঁড়ো তুলে রাখা হচ্ছে। হাঁস খাবে। চিটে ধান নতুন বসানো সুপুরি নারকেল চারার গোড়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মা দেখলে কি যে খুশী হত।

    নতুন কাটা পুকুরে মোচাচিংড়ি ফেলা হয়েছে। মাছওয়ালা জানতে এসেছে, বড় সাইজের চারা মাছ ছিল—ফেলে দিয়ে যাবে নাকি। কুবের মাথা নেড়ে দিল। এখন কিছু দরকার নেই। এত কাজের মধ্যেও মা কুবেরের মেয়ের নাম রেখে বসে আছে—কুসুম।

    খুব খিদের মাথায় ভাত খেয়ে কুবের আর নড়তে পারে না। হাত পা অবশ হয়ে যায়। আজ ক’বছর দিন নেই, দুপুর নেই, কুবের মাঠে ঘাটে হরদম ঘুরে বেড়িয়েছে। কোথাও বসেনি। এবার কিন্তু, পরিষ্কার দেখতে পেল কুবের, আর দৌড়ঝাঁপ করতে পারবে না সে। সেরকম দৌড়ানোর আর মানে পাচ্ছে না কুবের। কি দরকার। এখন এই ছাব্বিশ হাজার টাকা ধসানো পুকুর, জলের ধার, বাঁধানো ঘাট ফেলে তাকে যেতেই হবে একদিন।

    এতদিনকার ভাবনা চিন্তা, উদয়াস্ত পরিশ্রম সব জলে গেল। কুবের কোনদিন নিজের জন্যে এত সব করতে চায়নি। তার বিশেষ কিছু দরকারও হয় না। দীর্ঘদিন বেকার থাকার পর এমন একটা সাশ্রয় মেথডে চলবার অভ্যেস হয়ে গেছে—ইচ্ছে করলেই কলের জল খেয়ে তিন দিন কাটিয়ে দিতে পারে। কতরকম স্বপ্ন ছিল! মা আসবে, বাবা আসবে—রেশনে লাইন দেওয়ার চিন্তা থাকবে না। ক্ষেতের ধান, পুকুরের মাছ, গরুর দুধ, মাঠের সবজি—সব কিছু কুবের গুছিয়ে আনছিল। হরিরাম সাধুখাঁর ভদ্রাসন থেকে বেরিয়ে এলেই সবার হাতের সামনে কুবের এসব এগিয়ে দিত। এখন এতসব দিয়ে কি হবে। কার কাজে লাগবে। ছেলে, মেয়ে, বুলু, কুবের আর বাড়ির লোকজন মিলিয়ে ফেলে-ছড়িয়ে সব শেষ করা যাবে না। অথচ মা থাকলে যে কী সুখী হত—কী খুশী হত। মা হাতে ধরে কাউকে কোন একটা জিনিস তুলে দিলে বাড়ির বউদের কিছুই বলার থাকত না!

    ঘাটে এসেই কুবের কেষ্টবাবুর আবাদ, নবীনবাবুর আবাদ মাড়ানো কোম্পানির ভেড়ির উঁচু পিঠ দেখতে পাচ্ছিল। কোথায় আকাশের অনেকখানি ফাঁকা হয়ে গেছে। সেখানে তাকিয়ে কুবেরের বুকের মধ্যে হুহু করে উঠল। এক দমকে সব মনে পড়ে গেল। মা তুমি কত অল্পে সুখী হতে। একবার ছোটবেলায় আমি সস্তায় অনেক মুড়ি কিনে ফেলেছিলাম। তুমি নিজের হাতে টিনে ভরে ইট সাজিয়ে খাটের নীচে গুছিয়ে রেখেছিলে। কত যত্ন। অনেক দিন ধরে আমরা সেই মুড়ি খাই।

    বুলুকে আস্তে ডাকল। ক’দিনে বুলুও অনেকখানি শুকিয়ে গেছে। কদমপুর চলে আসার সময় একটা পুরনো ট্রাঙ্কের সঙ্গে মার কিছু কাঁথা, দুটো বাঁধানো মাসিক—পত্রিকা আর কিছু কাগজপত্র চলে এসেছে। পরশু বুলু তার ভেতরে মার একখানা অগোছালো ডাইরি পেয়েছে। হাতের চিঠিখানা কুবের বুলুকে দিয়ে ডাইরিখানা আনতে বলল। বুলু খোলা চিঠিখানা পড়ছিল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। কুবের বললো, ‘আগে ডাইরিটা নিয়ে এস—।’ বুলু ডাইরি আনতে যেতেই কুবেরের কাছে ফট করে একটা সত্যি কথা পরিষ্কার হয়ে গেল। বুলু—তার ওয়াইফ, তার সঙ্গে কুবেরের লাইফের হাফটাইমের পর থেকে দেখা হয়েছে। মা সেই হাফটাইমের আগের কথা লিখেছে। কুবেরের ওপরে এক ভাই ছিল। সে মরে গেলে বোধ হয় মা কী খেয়াল হতে এসব কথা লিখেছিল। বুলু ডাইরিটা দিল।

    শ্রীগোপাল আয়রন ওয়ার্কস্ সন উনিশ শো পঞ্চাশে একখানা প্রেজেন্টশন ডাইরি বাজারে ছেড়েছিল। তারই পাতার পেছনে পেছনে মা লিখেছে—

    ‘বহুদিন প্রায় সাতাশ বছর পরে ডাইরি লিখতে বসিলাম। দীর্ঘ সাতাশ বছরে বহু পরিবর্তন আসিয়াছে আমার জীবনে। শুধু আমার জীবনে কেন, সমগ্র জাতির জীবনে! সমস্ত পৃথিবীর ইতিহাসে। স্বাধীনতা আসিয়াছে। কিন্তু উৎসাহ-উদ্দীপনাহীন জীবনে এই মুক্তির স্বাদের উপলব্ধি করিতে পারি না। নিজের দুঃখ যখন অসহ্য হয়—সর্বদা মৃত্যু চিন্তা মনকে অধিকার করে। অধরকে ছাড়িয়ে বাঁচিয়া থাকা নিজের কাছে নিজের আশ্চর্য মনে হয়। এই তো মানুষের জীবন। কত ক্ষণস্থায়ী—তবু এর জন্য মানুষের আকাঙ্ক্ষার সীমা নাই। পরস্পরের প্রতি হিংসা দ্বেষের অন্ত নাই। কিন্তু এক মুহূর্তে ইহা শেষ হইয়া গেল। আরও কতকাল বাঁচিয়া থাকিব জানি না। যে জীবন বিদ্যায় বুদ্ধিতে স্বাস্থ্যরূপে এমন উজ্জ্বল হইয়া উঠিয়াছিল—যাহা সর্বদা নিজের কৃতিত্ব মনে করিয়া গর্বিত হইতাম—এই মুহূর্তের ভিতর তাহা ফুরাইয়া গেল। কিছুতেই তাই বিশ্বাস করিতে পারি না। সত্যি ভগবান আছেন কি না—তাহাকে পাওয়া যায় কি না। যদি তিনিই নিয়া থাকেন, কেন নিলেন? কি অপরাধে নিলেন? কিছুই নাকি নষ্ট হয় না। তবে সেই অবিনশ্বর আত্মা কোথায় আছে? যদি এই মহাবায়ুতে মিলাইয়া থাকে তবে নিঃশ্বাসের সঙ্গে বুকের ভিতরে পাই না কেন? যন্ত্রণায় বুক ফাটিয়া যায় কেন? যদি ভগবান ন্যায় বিচারক হইয়া থাকেন তবে এ আঘাত আমার ন্যায্য প্রাপ্যই ছিল—এ বিশ্বাস মনে স্থান পায় না কেন?

    কতবার দক্ষিণেশ্বরে গিয়াছি। পরমহংসদেবের জীবনে মা কালীর দর্শনপ্রাপ্তি আমার মনে আশ্চর্য বিস্ময় জাগায়। তিনি নাকি বহুবার কালীর দর্শন পাইয়াছেন। তাই দক্ষিণেশ্বর আমার এত ভাল লাগে। পঞ্চবটীর সাধনঘর আমার ছাড়িয়া আসিতে ইচ্ছা হয় না। মনে হয় সব ছাড়িয়া এই পঞ্চবটীর তলায় থাকিতে পারিতাম, তবে হয়ত মনে শান্তি পাইতাম।

    মনের ভিতর জলস্রোতের মত চিন্তাস্রোত আমার মনকে আচ্ছন্ন করিয়া রাখে। কতদিনের কত কথা। কত ব্যথা দিয়াছি। ভাল জামা কাপড় দিতে পারি নাই।…

    কুবের আর পড়তে পারল না। খাতা বন্ধ করে দিল। এ ভাষা মা কোথায় পেল! তার নিজের ছেলে নতুন বসানো বক ফুলের গাছটার গোড়ায় একটা বেড়াল ছানার গলায় দড়ি দিয়ে বেঁধেছে। বকতে গেল। পারল না। একবার সেই মৃত দাদার কথা মনে করার চেষ্টা করল। তাও পারল না। সব ভুলে যাচ্ছে। পরিষ্কার রোদ্দুরে তার হাতের আঙুলের কালো কালো দাগগুলো শুধু চোখের সামনে ভয়ঙ্করভাবে স্পষ্ট হয়ে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }