Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ১৩

    ॥ তের ॥

    ‘আপনি এ কি করলেন?’

    আভা বউদির বুকের ওপর দিয়ে পুরনো কালের কায়দায় শাড়ির সোনালি ফুলতোলা চওড়া পাড় হাঁটু অবধি নেমে গেছে। কুবেরের আগেকার অভ্যেসগুলো পালটে গেছে—। এখন কোথাও গেলে আড়ষ্ট ভাবটা আর তাকে চেপে রাখতে পারে না। ব্রজ দত্ত বাবার আত্মজীবনী সমেত নানান বইপত্তর নিয়ে তাড়দার হাটে বিকোতে গেছে। কুবের মাথায় বালিশটা তাকিয়ার মত পিঠের নীচে ঠেসে দিয়ে কাৎ হয়ে শুয়েছে।

    আমি সেদিন সামলাতে পারিনি নিজেকে-এমনভাবে হাওয়া কাটছিল আপনার হাত-বলছিলেন, চাঁদ নীল —

    ‘ওদিকটা তো আর যাওয়ার উপায় রাখেননি আপনি। কেমন খোলামেলা ছিল। এখন শুধু লরি যায়। এপার থেকে খালপাড়ে সবসময় ধুলো উড়ছে দেখি। মিস্ত্রিরা সন্ধ্যেবেলা গান গায়। আপনার বাড়ি হচ্ছে, আরও অনেকের বাড়ি উঠছে। খালপাড় আর আগেকার মত নেই—’,শূন্যে তাকিয়ে থেমে গেল আভা বউদি।

    ‘পরশু ছাদ ঢালাই হয়ে গেল।’

    ‘আপনি খুব বড়লোক হয়েছেন।’

    ‘কে বললো?’

    ‘আপনার দাদা—’

    ‘ভালো।’ থামতে পারল না কুবের, ‘আমি যে কি হয়েছি আমিই জানি না—’

    ‘আমি জানি—’, আভা নীচের ঠোঁট দাঁতে চেপে হাসছে। কুবের অন্যদিকে তাকিয়ে আছে বলে দেখতে পেল না।

    ‘কেমন?’

    ‘পরের বউয়ের সঙ্গে কি সব করে ফেলছেন!’

    ‘তাই বলুন!’

    ‘অবিশ্যি তাতে আমি পচে যাচ্ছিনে—’,

    ধক্ করে কুবেরের মাথার ভেতর কার হাত থেকে একখানা খাগাড়াই থালা পড়ে গেল। পড়ে আর থামতেই চায় না। ঝন্‌ঝন্ আওয়াজ হয়েই যাচ্ছে। মাথার ভেতরে নেমে অনেক কষ্টে কুবের আওয়াজটা থামাল।

    ‘আমার কিচ্ছু ভাল লাগে না—’

    ‘নিন উঠে বসুন। চা খাবেন?’

    কুবের শুনেও শুনলো না। ফিরে বললো, ‘আমার সত্যি কিছু ভাল লাগে না—

    ‘খারাপের কি হল? আপনার দাদা বলে—আমাদের কুবেরের এলেম আছে। দু’হাতে পয়সা কামাচ্ছে। ভবেশ শী, ইটখোলার ঘনরাম চাটুয্যে সবাইকে কাৎ করে দিয়েছে। কদমপুরের নিরিমিয্যি ডাঙায় যে অত পয়সা ছিল কে জানতো!

    ‘তা সত্যি! লোকে কেন যে জায়গা কেনে? কেন যে যা দাম তাই দেয়! এক এক সময় আমিও কোন মানে খুঁজে পাইনে —

    ‘ছেলের পিঠে মেয়ে হল। আমাদের মিষ্টি বাদ পড়ল।’

    ‘খুব কষ্ট পেয়েছে বুলু।‘

    ‘তা পাবে না!’

    তার চেয়েও বেশী কষ্ট পেয়েছে কুবের। সময় পার হয়ে যায়—বুলুর কোন ব্যথা নেই। হাসপাতালের কেবিনের বাইরে এসে কুবের ডাক্তারকে ধরে ফেলল, ‘স্যার, আমার একটা স্যাড় একপিরিয়েন্স’

    ডাক্তার এক ঝটকায় তাকে সরিয়ে দিয়েছিল, ‘যে ওষুধগুলো আনতে দিয়েছি, এনেছেন?’

    ‘এনেছি। কিন্তু একটা স্যাড ঘটনায়—মানে আমি দায়ী—‘

    ‘পরে বলবেন। পেসেন্ট এখন অপারেশন টেবিলে—’

    তারপর নাভি থেকে ন’ইঞ্চি চিরে ফেলল ডাক্তার। একটা মেয়ে বেরোলো। বুলুর চোখ বোজা। স্যালাইনের নল। হাতে ছুঁচ বিধিয়ে দেওয়া ছিল। এবার কুবের কোন বাচ্চা চায়নি। ফাও একটা মেয়ে এসে গেল।

    আভা বউদি বললো, ‘আপনার তো অনেক টাকা। আপনাদের দাদাকে একটা কাজ দিন না। হাটে হাটে ঘুরে বই বেচে বেড়াচ্ছে। হাটুরে গাইয়ে বাড়ি বয়ে ধরে আনছে আর গান শুনছে। ভাব এলে নাচও জুড়ে দেয়। অথচ সংসার টানতে আমাকে কি না করতে হয়—; বলতে বলতে আভা জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল। দূরে স্টেশন ঘুরে একখানা জিপ ছুটে আসছে!

    ‘উঠুন এবার। আপনার দাদার কাছ থেকে লোক আসছে—’

    ‘জিপে’

    ‘ওরকম প্রায়ই আসে। পেট্রোল খোঁজার সরকারী লোক। উঠুন তো।’

    প্রায় ধমকে তুলে দিল কুবেরকে। বাইরে বেরিয়ে এসে দেখল জিপগাড়ি থেকে সেই লোকটা নামছে। একদিন লেভেল ক্রসিংয়ে এদের ডাব কিনে দিয়েছিল কুবের। কিন্তু এ-লোকটা এখানে কেন।

    ‘মিসেস দত্ত আছেন?’

    ‘যান না ভেতরে আছেন—’

    কুবের কোন মানে করতে পারল না। জানলা দিয়ে পরিষ্কার দেখতে পেল, আভা তার বাসি বেণীটা ঝপাং করে বুকের ওপর ফেলে দিচ্ছে। কুবেরের ভেতরটা হু হু করে উঠল। এ আমি কোথায় আছি। সরাইখানায় সকালবেলায় শুয়ে আছি। সবাই চলে গেছে যে যার কাজে। আমি জানি না আমার সামনে কি কাজ আছে। অল্পদিন হল আমার একটি মেয়ে হয়েছে। এই সব জন্মদানের কাণ্ডকারখানা আমাকে দিয়ে কেন? আমি কি ভালো মত পারি। থাকি সালকিয়া-হাওড়া স্টেশন দিয়ে কারখানা যেতাম (আপদ চুকে গেছে)—কদমপুর আমার দেশ হয়ে যাচ্ছে। এক জায়গায় এতদিনকার টান ভালবাসা ছিঁড়ে এ কোথায় আমি চলে আসছি। বুলু বেশ বলে, এখন খাটে শুয়ে শুয়েই বলে, নতুন বাড়িতে উঠে গিয়েই কিন্তু লাউ কুমড়োর চারা বসাব। তুমি একটা লোক ঠিক করে দিও। কুঁবিয়ে দেবে। ‘কু বিয়ে’ দেবে কি? ও কথাটা কি? কুপিয়ে বলবে বুলু। মাই আরনেস্ট রিকোয়েস্ট। আর নয় তুমি ভীষণ অর্ডিনারি হয়ে যাচ্ছ—সে খেয়াল আছে?

    সিঁথির পাশ দিয়ে একটা চুল পেকেছে। কুবের সেটা অনেকবার তুলে দিয়েছে। না দেখে আন্দাজে সেই ছুঁতে পারে। ভায়রাভাই বলাই মহাপাত্র নিয়মিত দাড়ি কামায়। না হলে ভুরভুর করে পাকা দাড়ি গাল ঢেকে ফেলে দু’দিনে।

    ননী বোসের ছেলে বিকাশ বোস দু’ দুটো পাম্প বসিয়ে ঝিল ছেঁটে ফেলছে চব্বিশ ঘণ্টা পাম্পের আওয়াজ। এখন তিন বছর চার বছরের মাছগুলো ধরা পড়বে।

    হঠাৎ ব্রজ ফকিরের বাড়ি থেকে আভা বউদির গলার স্বর চিরে বেরিয়ে এল, ‘ছিঃ! ছিঃ!’ ক’বার এমন বলে ফেলেছে আভা এতদূর পর্যন্ত শোনা যায়নি। লোকটা তাড়া খেয়ে ছুটে বেরিয়ে এল। এসেই লাফিয়ে জিপে উঠে স্টার্ট দিল। তারপর কুবেরের গা ঘেঁষে ছিটকে বেরিয়ে গেল।

    কোন্‌দিকে যাবে। শেষে ব্রজদার বাড়িতেই গিয়ে ঢুকল।

    তখনও আভা চেঁচাচ্ছে, ‘ছিঃ! এই কি প্রবৃত্তি!’ তারপর পায়ের শব্দ পেয়ে ঘর থেকেই চেঁচিয়ে উঠল, ‘কে আবার?’ বাইরে বেরিয়ে এসে কুবেরকে পা থেকে মাথা অব্দি দেখল, শেষে একদম কিছু বুঝে ওঠার আগে হুহু করে কেঁদে উঠল, থামান যায় না, ভাগ্যিস অন্য ভাড়াটেরা যে যার কাজে প্রায় সবাই বাইরে।

    ‘আমি আর পারিনে কুবেরবাবু।’

    অনেকক্ষণ কথা বলানো গেল না। কুবের চুপচাপ বসে থাকল। ঘরে কিছু ঝুল, কোণে একটা একতারা। জানলার পাশে ছোট টেবিল—টেবিলে পাউডার, চুলের ফিতে, একখানা আয়না। এসব আগে কোনদিন দেখেনি কুবের—আসলে চোখে পড়েনি। কোন জিনিস তার আজকাল চোখে পড়ে না। সূর্যের নীচে যা কিছু তা এই মাঠ-ঘাট, এ-সবই শুধু দেখতে পায় কুবের। ভদ্রেশ্বর জায়গা-জমির খোঁজ আনে। দর বলে। হাজারো লোকের জমির পরচা হতে একখানা ডাইরির মধ্যে গুঁজে নিয়ে ঘুরে বেড়ায়। বেশ বলে লোকটা। কথার ঢিমে তালে লোকটার সুর থাকে কেমন। প্রায় ছড়া তুলে বলবেঃ সাগর ভেঙে নগর। নগর ভেঙে সাগর। কাল পরশুর মধ্যে নতুন জায়গা দেখাতে নিয়ে যাবে চড়াবিদ্যায়।

    ‘পেট্রোল খোঁড়ার জায়গা থেকে একজনার আসার কথা ছিল। আপনার দাদার খবর নিয়ে আসবে। এলেই তার সঙ্গে সোঁদালিয়া ক্যাম্পের ওখানে চলে যাব—

    কুবের কিছু বুঝতে পারছিল না, ‘কি ব্যাপার—’

    ‘ওখান থেকে পুলিশ দিয়ে সব লোক তুলে দিচ্ছে। আপনার দাদা আজ মাস তিনেক ঘর তুলে সেখানেই পড়ে আছে। তাড়দার হাটে হাটে বই ফিরি করে, গান গায় ঘুঙুর বেঁধে, ভাবের গান তুলে নাচে–’ হাঁপাচ্ছিল আভা॥

    ‘এক গ্লাস জল খেয়ে নেবেন?’

    ‘না থাক। শিষ্য জুটেছিল দু’একজন। ভেবেই ছিল ওখানে থেকে যাবে। পুলিশ দিয়ে লোক ওঠানো হচ্ছে। শুধু ধর্মস্থান, মন্দির, আশ্রম এসবে রেহাই পেয়ে থাকে। কথা ছিল, গোলমাল দেখলেই খবর দেবে। আমি গিয়ে একেবারে সংসার পেতে বসব। তাহলে সংসার তুলে ওখান থেকে আপনার দাদার উঠে আসতে হবে না?’

    ‘উঠতে হবে কেন?’

    থতমত খেয়ে গেল আভা, ‘আপনি কিছু জানেন না?’

    ‘নাতো।’

    ‘তেল বেরিয়েছে—পেট্রোল। কাউকে থাকতে দিচ্ছে না। যন্ত্র দিয়ে মড়মড় করে আধ ঘণ্টার ভেতর বাঁশ বাগান উপড়ে ফেলছে—সে কি প্রলয় কাণ্ড। আপনি কোনদিন যাননি বুঝি ওদিকে—’

    কুবের আভার শেষ দিককার কথাগুলো কিছু শুনতে পেল না। শুধু বললো, ‘তেল বেরিয়েছে—পেট্রোল—‘

    আভা বললো, ‘হ্যাঁ, সে জন্যেই তো তুলে দিচ্ছে সবাইকে। আপনার দাদার খবরের নাম করে অন্য একটা লোক এসে হাজির। দেখতে ভদ্রলোক। ভেতরে বসিয়েছি—’, এখানে একবারে মত থামল আভা, ‘ঠিক আর পাঁচটা পুরুষের মত—’, এবার কুবেরের মুখে তাকিয়ে ফেলল। একেবারে থেমে যেতে যেতে হঠাৎ এগিয়ে এসে কুবেরের গলাটা ডান হাতে জড়িয়ে ধরে মাথা প্রায় গলার কাছে চেপে ধরল ‘কি ঘেন্না! ঘেন্না!’ কুবের বুঝল আভা তখনও কাঁদছে।

    কোনক্রমে মাথা ছাড়িয়ে নিয়ে কুবের সোজা হয়ে বসার চেষ্টা করল। ‘ঘেন্না! কি ঘেন্না!’ কথাগুলা তার মাথার ভেতরে গদাম করে এইমাত্র একটা ডাণ্ডা মেরেছে। খানিক আগে লোকটা এমন ঝিলিক তুলে মিলিয়ে গেল। ব্রজদা নিশ্চয় তেল কোম্পানির আখড়ার ওখানে জমিয়ে আড্ডা দিয়ে থাকে। নইলে বলা নেই, কওয়া নেই—লোকটা এল, এসেই বলা নেই কওয়া নেই কাজকর্ম শুরু করে দিল। তক্কে তক্কে ছিল বোধ হয়।

    ‘একদিন বাজারে দেখেছিলাম ওকে। ফিরে ফিরে দেখছিল আমায়—’

    ‘তোমায় সবাই এত দেখে কেন বল দিকিনি?’

    ‘আমি জানব কি করে?’

    ‘একটু কম ঘোরাঘুরি করলে পার।’

    ‘চলে মশাই? মানুষটা সব সময় ঘোরের মাথায় আছে। একটা না একটা অসম্ভব জিনিস বেছে নিয়েই তার পেছনে ছুটবে। আমাকে বাকি দিকগুলো দেখতে কি যে না করতে হয়—’

    সুরমা টানা চোখ জোড়া স্ফটিক হয়ে ঝিকিয়ে উঠল। নাকের পাটা নিঃশ্বাসে উঠছে পড়ছে। কুবের বুঝল এমন ঘনিষ্ঠ দশায় তার লটাপটি এখন বেশ মানানসই হত। কিন্তু ভেবে অবাক হল, আভার কথা তার একটুও মনে ধরছে না। সোঁদালিয়া পেট্রোল ক্যাম্পের ওদিকে এখন লোক ছুটবে। জায়গা জমির দর হু হু করে চড়বে। অথচ টাকা পয়সা বাড়ি তৈরিতে, পুকুর কাটানোয়, নতুন জায়গার বায়নাপত্রে ছড়িয়ে আছে। আরও চিন্তার কথা ভদ্রেশ্বরের সঙ্গে চড়াবিদ্যা গিয়ে এক লপ্তে অনেকটা চর ভরাটি জায়গা বায়না করার কথা রয়েছে। কোন দিকে যাবে।

    ‘সন্ধ্যে না পড়তেই ভবেন শী আসবে। অথচ মানুষটার ঘরে ফিরতে রাত হয়ে যায় ভীষণ। আমার খুব ভয় করে কুবের। দারুণ ভয় করে কুবের। হাসি-ঠাট্টা মসকরা করে, চা এগিয়ে দিয়ে লোকটা কোন রকমে ঠেকিয়ে রাখি। কোন কোন দিন বাপের আগেভাগে পুচকে ছেলেটাও আসে বুড়োর। একগাদা পাউডার মেখে সে এক বেভ্যুল অবস্থা। না দেখলে তোমার বিশ্বাস হবে না কুবের!’

    ‘ঢুকতে দাও কেন?’

    ‘সাধে দিইছি। আগের চোতে গুচ্ছের টাকা হাওলাত করে বসে আছে। সুদ তস্য সুদ। আমি এখন তোমার দাদার চক্রবৃদ্ধির ফাউ।’

    ঢলঢল করে হাসল খানিক। আভার ঠোঁট ফাঁক হয়ে গেল অনেকটা। বাচ্চা—টাচ্চা হবে না তো শেষে।

    ‘আমাকে দেখার কেউ নেই এখন কুবের—’

    আভার কোমরের ওপর অনেকখানি তলপেট বেরিয়ে। এখন দুপুর। এই অজানা জায়গায় আমি কুবের সাধুখাঁ জোর করে আমার একটা শিকড় বসাবার চেষ্টা করছি। ভাল লাগাবার জন্যে কত রকমের শিকড় ছেড়েছি কতদিকে। নয়ানদের আশুতোষ নস্কর বিদ্যালয়ে টালির চাল ছেয়ে দেওয়ার জন্যে পাঁচশো টাকা চাঁদা দিয়েছি। এখানকার কাপড়ের দোকানের ফরাসে বসে দেশের কথা আলোচনা করি। এই মাটিতে বীরভূমের দুলার ধান কতখানি ফলতে পারে তাই নিয়ে শ্রীগোপাল সার কোম্পানির গোপালবাবুর সঙ্গে বসে চা খেতে খেতে চিন্তা করি। অথচ বছর দুতিন আগে কস্মিনকালেও আমি কদমপুর আসিনি। কান্তবাবু এপ্রিলে রিটায়ার করেছেন। নয়ান রেল ছেড়ে কয়লার দোকান করবে করবে করছে। বাজারে গিনি সোনার দোকানের ছাদে বিড়ি তামাকের আড়ৎ হয়েছে। ফালি মত ঘরটায় সব সময় রেডিও বাজে। ডজন দুই লোক গানের তালে তালে দুলে দুলে বিড়ি বাঁধে।

    ‘আমাকে নিয়ে পালাবে কুবের? এখনও সুন্দর করে ভুলিয়ে রাখব তোমাকে—’একটু হাসছে মনে হল আভাকে।

    ‘সিনেমা হয়ে যাবে না?’

    ‘হয় হোক্। আমি আর পারিনে কুবের—’

    ‘ব্রজদা ফেরে কখন?’

    ‘কোন ঠিক নেই। চল এই বেলা। আমি সব ফেলে দিয়ে যাব—

    ‘ভালবেসে বিয়ে করেছিলে না? সরস্বতী বৌঠানকে কানা করে দিয়ে মানুষটাকে টেনে আনোনি একদিন?

    ‘বয়স কম ছিল। সব বুঝতাম না। এ মানুষটা কাউকে ভালবাসে না। শুধু নিজের খেয়ালকে ভালবাসে কুবের। আমি বলে এতদিন এক সঙ্গে আছি। আমায় নিয়ে চল—এখুনি যাব আমি।’

    ‘আমি যেতে পারব না আভা। আমার যাবার উপায় নেই—’

    আঁচলের খুঁট ডান হাতের বুড়ো আঙুলে জড়িয়ে ফেলল আভা, ‘তা ঠিক! যাবেই বা কেন! অমনতর তাজা বৌ। দাগ পড়েনি কোথাও। সোনার চাঁদ ছেলে—’

    ‘আমার যাবার উপায় নেই বৌদি। আমি ভীষণ জড়িয়ে পড়েছি।’

    ‘অমন জড়াতে পারতাম! তোমার মেয়ের গায়ের রঙ কার মত হয়েছে?’

    ‘আমারই মত। সেকথা বলছি নে। সংসারে আমার টান ভালবাসা কমে গেছে আভা। চারদিকে জমি জায়গার দলির দস্তাবেজে আমি ষোল আনা বাঁধা পড়ে গেছি। পাশ ফিরবার উপায় নেই। নীলামের সম্পত্তি ডাকি আজকাল। লোক ভাড়া দিয়ে হোমড়াপলতায় আবাদে জায়গা দখল নিতে হচ্ছে। দুনিয়ার কত জায়গাজমি। তাতে ঘাস হয়, উলু হয়, কাশ হয়। পালম বুনলে পালম ফলে। বীজ ধান গুঁজে দিলে তিন কালির জায়গার চল্লিশটা অব্দি বিয়েন ছাড়ে—তাতে শিষ ধরে, দুধ আসে, লোকে বলে অমরলতা। অথচ এতকাল আধমরা ইট-কাঠের বাড়ির মধ্যে বাঁধা পড়ে ছিলাম সালকেয়—’

    ‘তবে যে বড় বাড়ি বানাচ্ছ! ক’দিন পরেই নতুন ঘরে চাপবে। সালকের বাস তুলে দিয়ে পাকাপাকি চলে আসছ—’

    ‘বুলুর ইচ্ছে। বাড়ি ঘরদোরে আমার তেমন লোভ নেই। মা বাবা এখানে থাকলে খোলা হাওয়ায় নিঃশ্বাস ফেলে দু’দিন বেশি বাঁচবে।’

    ‘আমি মরে যাব কুবের। তুমি আমায় রাখো। যেভাবে ইচ্ছে রাখো। কোন গোলমাল করব না। যা বলবে তাই করব। আমি আর দম ফেলতে পারছিনে কুবের—’

    ‘সংসারে অমন হয়ই। মানিয়ে চল। মনের মত ঘরবর সবাই চায়। ক’জন পায়?’

    আভা ফুঁসে উঠল, ‘খুব হয়েছে। আর বচন ঝেড়ো না। তোমাদের মত পুরুষমানুষ আমার খুব চেনা আছে—’

    কুবের কোন কথা বলল না। সালকিয়ার হরিরাম সাধুখাঁর বাড়িতে এখন বাবা, মা, বড়দা, বড় বউদি, ভাইরা, বৌমারা সবাই একটা কথা ভেবে মশগুল হয়ে আছে। হরিরাম সাধুখাঁর বংশধর কুবের সাধুখাঁর একখানা বাড়ি হচ্ছে। বাড়িতে পুকুর আছে, তিনশো লোক বসে খাওয়ার চাতাল আছে, দক্ষিণে তেতাল্লিশ বিঘের বিল আছে। তার ওপর দিয়ে হাওয়া এসে গরম একদম বুঝতে দেয় না।

    ‘দশটা টাকা দিয়ে যাও। মানুষটা তবিল একেবারে ফাঁক করে রেখে গেছে।‘

    ‘খুচরো তো নেই।’

    ‘যা আছে দিয়ে যাও।’

    কুবের ইনসাইড পকেটে হাত দিয়ে নোটের গোছা থেকে একখানা একশো টাকার নোট বের করে দিল।

    ‘খুব বড়লোক হয়ে গেছ তো!’

    আভার সঙ্গে কুবের হাসতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }