Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ২৭

    ॥ সাতাশ ॥

    রোদে তাঁবু গরম হয়ে উঠতেই কুবেরের ঘুম ভেঙে গেল। বেলা হয়েছে। আভা নেই। কুবের বাইরে এসে দাঁড়াল। কাল রাতে জল অনেকটা উঠে এসেছিল। কিছু ফিরে গেছে কিছু রয়ে গেছে। দিনের আলোয় কুবের এখন বুঝতে পারল–ঝড়ে জলে যা হয়েছে, তা হল ভরাডুবি। যতদূর দেখা যায় —ধানগাছ শুয়ে পড়েছে—মাঝে-মধ্যে কয়েকগুছি দাঁড়িয়ে। কি বেগে হাওয়া বয়ে গেছে। মাঠের নানান্ জায়গায় এক একদল কামলা বসে।

    থোড় ফেটে শিষ বেরিয়েছিল। ফুল ধরেছিল। বুড়ো মত একজন কামলা তার একটা নিবেদন আছে জানিয়ে বললো, ‘এখন খানিকটা জল মেরে দিতে পারলে—মোটা ধানটা ভাল ফলতে পারে। কেন না ধানগাছের সারা গা জলে থাকলেও শিষ যদি একটুখানিও মাথা তুলে থাকতে পারে—তাহলে ধানের আর মার নেই।

    গত ক’মাসের সব পরিশ্রম নষ্ট। কম টাকা ঢালেনি। প্যাকেটের পর প্যাকেট ব্লাইটক্স, লিটার লিটার এনড্রিন। সব গেল। বুড়ো কামলার কথা মত দু’দুটো পাম্প চালু হল। শুয়ে পড়া ধানের গোছের পাশ দিয়ে নালা কেটে জলের রেখা সাকসন পাইপের মুখ অব্দি টেনে নিয়ে যাচ্ছে কামলারা। এত বড় মাঠের জল যেদিক থেকে যতটা পারা যায় ছেঁচে ফেলতেই হবে। যদি কিছুটা বাঁচানো যায়।

    মেদনমল্লর চত্বরে উঠতে গিয়ে কুবেরের মন আরও খারাপ হয়ে গেল। ভাঙাদুর্গের এখানে ওখানে পাখিরা বাসা করেছিল। হাওয়ায় গুচ্ছের ডিম বাঁধানো চত্বরে পড়ে ফেটে গেছে। পালক বেরোয়নি—এখন অনেক ছানা জলে, ঠাণ্ডায় সিঁটিয়ে মরে পড়ে আছে। দিঘির পদ্মপাতা ডাঁটিসুদ্ধ জলের ওপর অনেকটা টেনে তুলেছে কে। ঝড়ের কোন বাছবিচার নেই।

    কুবের দাঁড়িয়ে থাকতে পারল না। হনহন করে বড় পাম্পটার দিকে ছুটে গেল। উঁচু বাঁধ দেওয়া জলাভূমির পাড়ে আভাকে পেল। মেদনমল্লর দুর্গের উঁচু দেওয়ালে রকমারি বুনোফুল ফুটে থাকত। সেগুলো কাল রাতে ঝড়ে পড়ে হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এতদূরে ভেসে এসেছে। সকালের ঝকঝকে রোদে দাঁড়িয়ে আভা সেগুলো কুড়িয়ে কোঁচরে নিচ্ছিল, কয়েকটা খোঁপায় গুঁজেছে। কুবের দাঁড়াতে পারল না।

    দশঘোড়ার পাম্পটা চালু করতে বিশেষ বেগ পেতে হয় না। তবে মাঝে মাঝে এয়ারহেডের স্ক্রুটা ঢিলে দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা পেট্রোল ঢালতে হয়। তাই হচ্ছিল। কুবের এসে দাঁড়াল। তোড়ে জল টেনে নিয়ে বাইরে ফেলছে। কি মনে হল, সাকসন পাইপের ঝাঁঝরিতে কুচোমাছ নয়ত কাঠকুটো আটকে গিয়ে জলের তোড় কমে যাচ্ছে।

    কুবের মাঠে নেমে গেল। তারপর মরীয়া হয়ে সাকসন পাইপের মুখের কাছে দু’হাতে মাটি আঁচড়ে গভীর করে দিতে লাগল। ঘোলা জল পাক খেয়ে সোঁসোঁ করে পাইপে গিয়ে ঢুকছে।

    কপাল বেয়ে ঘাম এসে ভ্রুতে আটকে যাচ্ছিল। মাথা তুলে চোখ ডলতে গিয়ে কুবের আভাকে দেখতে পেল। একেবারে সামনা-সামনি রোদ বলে বেশিক্ষণ তাকাতে পারল না। একটা বেগুনি শাড়িতে আভা স্থির হয়ে দাঁড়ানো। মাথায় সেইসব ফুল—কোঁচর হাতে চেপে আছে। মুখে কী একটা সুখ খুব স্থির হয়ে আভার সারা শরীর জুড়ে ভর করে আছে। খুব রাগ হলেও দাঁত চেপে বললো, ‘কি দেখছ?’

    ‘কিচ্ছু না। এমনি দাঁড়িয়ে আছি।’

    কুবের বুঝল, এখন কিছু বলেই আভাকে ছোঁয়া যাবে না। সে এখন এমন কোন জায়গায় আছে, যেখান থেকে সবকিছু সুখের লাগে। অথচ এত কষ্টের চাষবাস—কত বড় বড় অঙ্কের লাভের স্বপ্ন কাল রাতে ঝড়জলে ধুয়ে গেছে।

    কয়েক জায়গায় ধানচারা কেটে ফেলে জলের পথ করে দিতে হল। কাটতে মায়া হচ্ছিল। শিষ ভর্তি হয়ে এসেছিল। টিপতেই দুধ বেরিয়ে যায়। সারা ক্ষেত জুড়ে জল নিকাশের নালা তৈরি করছে কামলারা।

    আভা নড়েনি। রোদে খালি গায়ে কুবেরকে এই প্রথম অনেকক্ষণ ধরে দেখল। গাঢ় কালচে দাগে সারা গা ভরে গেছে। অমন সুন্দর চকচকে কপালেও ছোপ ছোপ দাগ ধরেছে, চোখ বসে গেছে—টলে টলে কাদার মধ্যে ছপছপ করে এগোচ্ছে মানুষটা—এখন জল কাদা দুইই গরম হয়ে উঠছে। কুবেরের সারাটা গা এক রকমের কালচে শ্যাওলায় ঢাকা পড়ে যাচ্ছে।

    থেমে দাঁড়াতেই কুবেরের মাথা দুলে উঠল। সামনের ঢালাও মাঠ চোখের সামনে চলকে গেল। দেখল, তার কিছুই মনে নেই। কেন এখানে দাঁড়িয়ে আছে তাও জানে না। অনেক চেষ্টা করেও কোমর ভেঙে নীচু হতে পারছে না। হতে গেলেই খচখচ করে মেরুদণ্ডের ভেতরের হাড়ের চাকতিগুলো ছুঁচলো একটা ব্যথা তুলে তাকে সিধে করে দিচ্ছে!

    পাম্পের আওয়াজের মধ্যেই আভা চেঁচাচ্ছিল, ‘কুবের। কুবের—’

    দু’জন কামলা পাশেই কাজ করছিল। ছুটে এসে কুবেরকে ধরে ফেলল। তাদের গায়ে ভর দিয়ে পাড়ে উঠবার মুখে আভাকে দেখেই খিঁচিয়ে উঠল, ‘তুমি এখানে কেন?’

    আভার মুখে সেই সুখ একটুও চিড় খেল না। কাল রাতে ঝড়ের পর ভোর হতেই কেউ এমন করে সাজে। কামলাদের সঙ্গে হাত লাগিয়ে আভাও কুবেরকে টেনে তুলল। ঝাঁকুনিতে খোঁপা ভেঙে পড়তেই কুবের দেখল বেণীর খাঁজে খাঁজেও আভা লালচে কি একটা ছোটমত বুনো ফুল বসিয়ে নিয়েছে।

    ‘তুমি এখানে কেন? যাও—’

    আভা পেছোলো না। বরং আরও শক্ত করেই কুবেরকে ধরল।

    ‘চলে যাও আভা। এখান থেকে যাও। তাকিয়ে দেখ—আমার আর কিছু নেই।‘

    ‘আবার হবে। আবার হবে—’, আভা কুবেরের কোমরে হাত দিয়ে মানুষটার মাথা সুদ্ধ অনেকখানি নিজের শরীরের ওপর নিতে গেল।

    ‘তুমি যাও—‘

    আভা ধাক্কা খেয়ে ছিটকে পড়ে যাচ্ছিল। সামলে নিল। কামলারা মাঠে নেমে গেছে। কুবের টলতে টলতে তাঁবুর দিকেই এগোচ্ছিল। হঠাৎ ফিরে দাঁড়িয়ে জানতে চাইল, ‘তুমি কে?’

    ‘আমি? আভা! কেন?’

    ‘উঁহু। আভা নও।’

    ‘তবে কে!’

    জা’নি না। তোমাকে আমি চিনি না। আমার কিচ্ছু মনে পড়ছে না—’, কুবের চিৎকার করে উঠল, ‘আমি সব ভুলে যাচ্ছি আভা—’

    একদম না ঘাঁটিয়ে আভা কুবেরের পেছন পেছন তাঁবুতে গেল। বাইরে যেমন হাওয়া তেমন রোদ। এখানে ওখানে নাবি জায়গায় জল দাঁড়িয়ে আছে। ধপ করে বিছানায় বসে পড়ল কুবের। আভা পায়ের গাম বুট খুলে নিল। তারপর তাঁবুর একদিককার ক্যাম্বিশের পর্দা তুলে দিল। হাওয়া আলোয় ভেতরটা ভরে গেল। তার মধ্যে, কুবের দেখল, দিঘির ধারের আস্ত একটা পরী ঠিক তারই সামনে দাঁড়ানো। একেবারে ঠিক আভা।

    ‘আমাকেও ভুলে গেলে!’

    ‘দয়া করে চুপ করে থাকো খানিকক্ষণ। তুমি যা পারতে তা তো করলে না—’

    ‘আমাকে মুক্ত করে তোমার কি লাভ কুবের?’

    ‘দয়া করে চুপ করে থাকো খানিকক্ষণ। ঘুমে চোখ ভেঙে আসছে আমার—’

    ‘কিছু খাবে?’ তারপর কোন জবাব না পেয়ে আস্তে আস্তে আভা বললো, ‘যদি চাও-আমি মুক্ত হয়ে যাই—’, কোন কথা নেই তাঁবুর ভেতরে। সাঁ সাঁ করে ঠাণ্ডা হাওয়া ঢুকছে। শেষে নিজেই বললো আভা, ‘কিন্তু দেরি হয়ে গেছে কুবের। এখন বের করতে হলে ডাক্তাররা ছুরি চালিয়ে মেরে বের করবে—’ নিজের মত করে একটু কেঁদে নিল আভা, ‘সে আমি কিছুতেই পারব না কুবের। জেনেশুনে মেরে ফেলতে দিলে পারব না। সে হয় না–।’

    যেমন জবুথবু হয়ে বসে আছে, তাতে দেখেই বোঝা যায়—কুবের কিছুই শুনছে না। পা ছড়ানো, চোখ খোলা, হাত দু’খানা বিছানায় ভেঙে পড়েছে—হাঁ করে নিঃশ্বাস নিচ্ছিল।

    ‘এখন যেন বড় হয়ে গেছে। ভেতরে নড়াচড়া করে। আগে তো এসব কোন দিন হয়নি আমার—’

    তখনও কুবের চুপ করে আছে। তার মাথার ভেতরে তখন বড় দেওয়াল এলোপাথাড়ি ভেঙে পড়ছিল। হাওড়া স্টেশন পার হয়ে গেলাম। চুয়ান্ন নম্বর বাস। হরগঞ্জ বাজার। আস্তাবলে একটা ঘোড়া সারারাত পা ঠুকছে। দুপুরবেলা সালকের বাড়ি দরজা খুলল। মা দাঁড়িয়ে বাইরে। রিকশাওয়ালা ভাড়া গুনে নিচ্ছে। ঘচাং করে এইসব ছবি একটানে ছিঁড়ে তুলে নিল কে ফরফর করে।

    আভা তখনও বলছিল, ‘আমায় নাহয় ডাঙায় কোথাও রাখলে–কলকাতায় কোন ফ্ল্যাটে, মাঝে মাঝে যাবে—’

    এবারও কোন উত্তর পেল না আভা। দম নিয়ে বললো, ‘তোমার দাদার কাছেই ফিরে যাই। যদি চাও—মাঝে মাঝে দু’জনে বাইরে কোথাও চলে যাব—আবার ফিরেও আসব।’

    ‘কার সঙ্গে থাকবে তাহলে?’

    ‘তোমার কাছেও থাকব—মোহান্তের কাছেও।‘

    কুবেরের মনে অনেক কিছু এসেছিল একসঙ্গে। শুধু বললো, ‘শেষে যদি ব্রজদাকেই ফিরে আবার ভাল লেগে যায়!’

    আভার বিশ্বাস হচ্ছিল না। কুবের যে কোনদিন আবার এমন হেসে কথা বলবে ভাবাই যায় না। দু’খানা বুক খুলে ফেলে ভেতর থেকে কথা বললো আভা, ‘আর হয় না—’

    ‘আমার কাছেও থাকবে—ব্রজদার কাছেও, কোন অসুবিধে লাগবে না?’

    ‘আহা! ন্যাকা! আমি কি ক্ষয়ে যাচ্ছি?’ আভা কুবেরের দ্বীপে এসে ঠিক এই ধারায় গোড়ায় গোড়ায় ফুঁসে উঠত।

    ‘তবু—’

    ‘তবু কি? তোমার কথাই ভেবে দেখ কুবের। বুলুর কতদিনকার লোক তুমি—অথচ আমার কাছেও আছ—কোন অসুবিধে লাগছে তোমার?’

    কুবের চুপ করে গেল। কথাটা ফেলা যায় না।

    ‘আমাকে নিয়ে যাও কোথায়’, থেমে গিয়েছিল আভা, পাম্পের আওয়াজ থেমে নেই, ফিরে বললো, ‘নয়ত এখানেই থেকে যাই না কেন আমরা—কি হবে আর ডাঙায় গিয়ে? বল কুবের।’

    কুবের চোখ খুলে তাকিয়েছিল। এইমাত্র যেসব জবাব তার মনে আসছিল ভেতরের ভাববার যন্ত্রপাতি কেমন ঢিলে হয়ে যাওয়ায় তা সাজিয়ে উঠতে পারছিল না। শুধুই ছড়িয়ে যাচ্ছে। খুব আস্তে আস্তে বললো, ‘তুমিই হয়ত ঠিক বলছ আভা। আমরা কেউ ক্ষয়ে যাই না। কিন্তু ধরো’ সব হারিয়ে গেল কুবেরের। এইমাত্র দিব্যি একটা ভাল কথা—বেশ জুতসই কথা মনে এসেছিল। শেষে একটু সাবধানে মনে করে করে বললো, ‘ধরো যদি জং পড়ে যায় মনে?’

    আভা হাসি ছিটকে দিয়ে বলল, ‘দিচ্ছে কে! পড়লেই হল!’ তারপর একেবারে অন্য জায়গা থেকে আভার গলা উঠে আসতে লাগল, ‘সবারই কুবের দু’জন বউ থাকে—দু’জন বর থাকে। একজনকে নিয়ে ঘর করে—অন্যজন ভাবনায় থাকে—লোকে সত্যি কথা বলতে ভয় পায় বলে এসব বলে না—’

    কুবের খুব আস্তে বললো, ‘হবে—’

    বাইরে খুব বাতাস। কাল রাতে ঢেউয়ের সঙ্গে অনেক মাছ চিঙড়ি ডাঙায় উঠে এসেছে। আভা গোটা দুই নোনা চিংড়ি তাঁবুর ধারেই ধরে ফেলল। দাড়া ধরে কুবেরের চোখের সামনে তুলে ধরল, ‘দেখেছ—কত বড়।’

    কুবের চোখ তুলে তাকাল। দৃষ্টিতে কোন আলো নেই। একেবারে ফাঁকা। ‘এগুলো কি হয়েছে তোমার—এই যে—’, কাঁধে হাত রাখল আভা, কালচে হয়ে গেছে একেবারে।’

    কুবের হাসলো, ‘তাই তো ভাবছিলাম। কিসের থেকে কি হয়ে গেল।’

    ‘ডাক্তার দেখিয়েছ কোনদিন?’

    ‘কোন লাভ নেই। আমি জানি কি অসুখ।’

    ‘সব জেনে বসে আছ।’

    ‘অনেকদিন জানি। একবার কদমপুরের হেল্থ সেন্টারের রিমল ডাক্তার বলেছিল—কোন্ জার্নালে পড়েছে, এ রোগ পুরনো হলে হাত পায়ের গাঁটে গাঁটে কালচে ছোপ ধরতে শুরু করে—’

    ‘বলে দিল আর তুমি ধরে নিলে!’

    ‘আমি যে জানি আভা-’ অল্প একটু থেমে পড়ল কুবের, ‘আর জানত মা। তখন কম বয়স ছিল। কি বা বুঝতাম। আমার জীবনে এটা একটা স্যাড় ঘটনা আভা—বলতে পার এক্সপেরিয়েন্স। সেই অল্প বয়সে এমন ধাক্কা খেলাম মনে মনে কি ভীষণ চাপা গুমোট—যারা জানত তাদের ঘেন্নায় তাদের চোখ তুলে তাকানো আমি সেই বয়সেও সহ্য করতে পারতাম না। আমার ভেতরটা বিলকুল থেঁতলে গেল। অনেকগুলো লোক একসঙ্গে ধরাধরি করে একখানা ভারী পাথর এনে আমার বুকের ওপর চাপিয়ে দিল। সেই থেকে আমি আর নড়তে পারছি না—’

    ‘কি সব বলছ কুবের। আমি কিছুই বুঝতে পারছি নে—’

    ‘সেই থেকে আমি ভীষণ সরল, নিষ্পাপ হয়ে গেলাম। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখ আভা—আমি নিজেই জানি—এমন নিষ্পাপ মুখ শুধু শিশু, নয়ত পাগলের হয়—’

    ‘কুবের—’, আভা থামানোর চেষ্টা করল। বিন্দু-বিসর্গও বুঝতে পারছে না। ছেলেটাকে গোড়ায় কেমন দেখেছিল—আর এখন কেমন হয়ে গেছে।

    ‘আমি সব সময় আমার নিজের মুখ দেখতে পাই। আয়না লাগে না আভা।’

    ‘চমৎকার! চুল আঁচড়াতে চিরুনি লাগে?’

    কুবের রসিকতার ধার দিয়েও গেল না, ‘কখন কখন মোলায়েম—কখন সরল, সাধু, নিষ্পাপ দেখায় আমার মুখ—আমি জানতে পারি আভা। এ-ভাবটা আমার ছিল না। এই মুখোশটা অভ্যেসে অভ্যেসে আমার মুখে একেবারে চেপে বসে মিশে গেছে।’

    ‘সেই থেকে কি ভুল বোকছো। মাছ ভেজে দেব—খাবে?’

    ‘দাও। আমার পরের ভাই নগেন বলত—সেঝদা তোমার মুখে সব সময় ভাবলেশহীন একটা বোভাইন লুক্ স্থির হয়ে আছে—’

    স্টোভ ধরাতে ধরাতে আভা বললো, ‘আবার ইংরেজী বলছ—জানো আমি বুঝি নে―।’

    ‘গরুর চোখ দেখেছ? আমার মুখে নাকি কোন ভাবই ফোটে না। শুধুই সরল, শুধুই নিষ্পাপ পাপের কোন ছায়া নেই—’

    ‘ভালো তো। তুমি খুন করে উঠে দাঁড়ালেও কেউ সন্দেহ করবে না—’

    ‘শুধু এক মুহূর্তের ভুলে আভা। তখন কিছুই বুঝতাম না।’

    স্টোভের দশটা ঘোরানো পলতে একসঙ্গে আগুন পেয়ে শিখা হয়ে উঠল। আভা মুট মুট করে দাড়া ভেঙে ফেলল। মাছ ব্যথা পেলে শব্দ করে না। সেই অবস্থায় বাটিতে রেখে দিয়ে কুবেরের কাছে এল আভা, অনেকদিন পরে একেবারে গা ঘেঁষে পিঠে হাত রাখল, ‘কি হয়েছিল কুবের?’

    ‘ক্লাস এইটে একদিন শুক্কুরবারের দেড় ঘণ্টার টিফিনে সনতের সঙ্গে ঘোলাডাঙার ফেরিঘাটে গিয়েছিলাম। ওর কাছে পৈতের ব্রতভিক্ষের টাকা ছিল অনেক।’

    ‘ঘোলাডাঙা?’

    ‘খারাপ পাড়া বলতে পার—’

    ‘তুমি গিয়েছিলে?’

    ‘সেই একবারই–সেই শেষবার—’

    ‘কত বয়স ছিল?’

    ‘কত আর-বারো চোদ্দ’

    ‘মোটে! তখনই!

    ‘সেই ভুলেই তো আভা—’

    ‘বল খুব অল্প বয়সেই পেকেছিলে। মেয়েটিকে দেখতে কেমন ছিল?’

    ‘চেনা মেয়ে। শেফালি—যখন যা পাই তাই ভাল। এখন বুঝি—একেবারে পিওর ফ্যাকাসে একটা মেয়ে। তখন জানতামও না—একবারেই কত কি হয়ে যায়—তারপরেই অসুখ—’

    ‘বাজে বোকো না। তোমার কোন অসুখ নেই কুবের। তাই ধরে বসে আছে বুঝি। অমন তো লোকে কত যায়। আচ্ছা সেই সন? দেখা হয়েছে পরে?’

    ‘একবার। অনেকদিন পরে কলকাতায় এসপ্ল্যানেডের মোড়ে—’

    ‘কিছু বললো?’

    ‘একদম না। ভুলেই গিয়েছিল আভা। আমি মনে করিয়ে দিতে বললো—’এখনও প্রায়ই যাই’—অথচ আভা আমার যে কি হয়ে গেল! সেই একবারেই—অথচ —’

    ‘কিচ্ছু হয়নি তোমার—দিব্যি ছেলেমেয়ের বাবা হয়েছ—আবার কি হবে?’

    ‘তুমি জানো না আভা।’

    ‘আমি সব জানি।’

    স্টোভের আগুন নীল হয়ে জ্বলছিল। আভা মাছ চাপিয়ে দিল। আলোর দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারছিল না কুবের, ‘আমার তখন অসুখ হয়—খুব। জানাজানি হয়ে গেল। মা জানলো। মা ওষুধ দিয়ে দিত। সে যে কি কষ্ট আভা—‘

    আভা স্টোভের পাশ থেকে নড়তে পারল না। পরিষ্কার দেখল, কুবেরের নাক, চোখ, মুখ পারলে এখুনি আলাদা আলাদা হয়ে ভেঙে পড়ে। কাছে এল। খুব আলগোছে মুখের কাছে মুখ নিল। ঠোঁটে চুমু রাখতে ভরসা হল না। গালে পাতলা করে একটা চুমু বসিয়ে দিল। চুলের ভেতরে আঙুল চালিয়ে হাল্কা করতে চাইল কুবেরকে, ‘ওসব কথা এখন থাক।’

    ‘পুঁজ পড়তে শুরু করল। সে যে কি বিপদ আভা। কি লজ্জা। নগেন হয়ত পরে বড় হয়ে আবছা আবছা বুঝেছে—’

    ‘আমি আর শুনতে চাই না’, আভা উঠে গিয়ে খোঁচাখুচি করে মাছ নামাল, প্লেটে এগিয়ে দিল, ‘খেয়ে নাও।’

    ‘গরম।’

    ‘চামচ দিচ্ছি—’

    তাঁবুর বাইরে তাকিয়ে কুবের বললো, ‘তাই বলছিলাম আভা—আমার রক্ত দোষে ধরেছে—খারাপ। পিঠের ব্রণ খুঁটলে পাতলা ফ্যাকাসে অনেক রক্ত বেরিয়ে আসে। হাঁটতে গেলে মেরুদণ্ডের হাড়ের চাকতিগুলো ছুঁচলো ব্যথায় খচ খচ করে ওঠে। সেখানে একটা সরু রেখা ধরে কি সব মাথার মধ্যে সিধে চলে যাচ্ছে। আভা আমি একে একে সব ভুলে যাচ্ছি। আবার খাপছাড়ান ভাবে অনেকখানি এক সঙ্গে ঘচাং করে মনে পড়ে যায়। গায়ের এই দাগগুলো দ্যাখো কত কম ছিল আগে—এখন রোজ বেড়ে যাচ্ছে একটু একটু করে—রোজ—’

    ‘চিকিৎসা হয়েছে। সেরেও গেছ তুমি।’

    ‘ভয়ঙ্কর চিকিৎসা হয়েছিল। বাড়ির মধ্যে আলাদা মশারিতে আলাদা ঘরে জায়গা হল। ডাক্তার চিকিৎসা ছাড়াও দরজা আটকে একা ঘরে দাবড়ি দিয়ে হাজারো কোশ্চেন করত। চিকিৎসার সঙ্গে সোশ্যাল ওয়ার্কও চালাত লোকটা—’

    ‘সব ভুলে যাও কুবের। এবার বোধ হয় মাছ ঠাণ্ডা হয়েছে। শুধু হাতেই খেতে পারবে।’

    কুবের খেতে খেতেই দাপাচ্ছিল, ‘আমি একটু ঘুমাবো।’

    ‘চান করবে না? আচ্ছা ঘুমোও। আমি বেরিয়ে যাচ্ছি।’ আভা তাড়াতাড়ি স্টোভ নিবিয়ে ফেলল। তাঁবুর বাইরে এসে দেখল, কাল রাতে যতদূর জল উঠেছিল—দ্বীপের ততটা জুড়েই যতদূর চোখ যায় সাদা সাদা কি একটা জিনিস রোদে চিকচিক করে জ্বলছে। জল ফিরে গেছে। এখন নানান মাছ পড়ে আছে। জল নেই আর—রোদ বাড়ছে, এরা আজ সকালেই মরেছে। কামলারা শিল কুড়োবার ধারায় মাথা নীচু করে কুড়োচ্ছে। এতক্ষণ কুবের বাইরে ছিল বলে পারেনি।

    শরীরের কথা ভুলে গিয়ে আভা একছুটে তাঁবুর ভেতরে এল। কুবেরকে মাছ কুড়োতে ডাকবে। কয়েক সেকেন্ডে মানুষটা গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে। মুখ হাঁ হয়ে আছে। বুকের ওপর থেকে বাঁ হাতখানা নামিয়ে দিল।

    কুবেরের তখন খুব আনন্দে কাটছিল। অনেকদিন পরে নগেনের হাত ধরে একটা কালো পাথরের মন্দিরের সিঁড়ি বেয়ে নামছিল। নীচেই রাস্তায় বাস দাঁড়ানো। এমন নিশ্চিন্তে কতকাল কোন জিনিস দেখে বেড়ায় না দু’ভাই। বাস স্টপে দেখল, ‘বোঁচকা নিয়ে মা বসে আছে। কুবেরদের দেখে বললো, ‘পরের বাসে যাবি। এখানে একটু বস।’

    দু’ভাই একসঙ্গে বলে উঠল, ‘তুমি বেঁচে আছ মা?’

    ‘বারে! আমি আবার মরলাম কবে?’

    নগেন কুবেরের দিকে তাকাল। সেঝদা কাঁদছে। কুবের ভুলে যেতে যেতে মনে করার চেষ্টা করল, একদিন তবে কাকে আমরা পুড়িয়ে এলাম? কথাটা বলতেই মা বললো, ‘ভুল হচ্ছে তোর। অন্য কারও সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিস। তোর গৃহপ্রবেশে যাওয়া হয়নি। চল বাড়ি দেখাবি। ক’টা ঘর?’

    কুবেরের মুখ হাঁ হয়ে গিয়ে হাসি বেরিয়ে আসছে গলগল করে। নগেন পুকুরের কথা বলছে, দোতলার ছাদের কথা বলছে। তিনজনে কি জোরে হেঁটে এগিয়ে যাচ্ছে। মোড় ঘুরে রাস্তাটা সেখানে খানিক জায়গা কালো পাথরের। তার ওপর দিয়ে উঁচ কোন জায়গা থেকে জল আসছে। তিনজনের পা ডুবে গেল সেখানে।

    মা বললো, ‘সাবধানে এগোবি। এখানকটা খুব পেছল।’

    ছপছপ করে তিনজনে হাঁটছে তো হাঁটছেই। জলের ধারা নেমে আসার একটানা শব্দ। কুবের একবার পেছন ফিরে দেখল, জল কেটে অনেকটা এগিয়েছে দু’ভাই। কিন্তু মা বেশ পেছনে পড়ে গেছে। সেই দূর থেকেই মা বললো, ‘তোরা এগিয়ে যা—আমার জন্য থামিস নে।’

    ‘মা তোমার কুটনো কুটতে বেশি জায়গা লাগে বলে একটা চওড়া বারান্দা বানিয়েছি। দেখবে চল।‘

    এবার ফিরে দেখল, পেছনে মা নেই, পাশে নগেন নেই—শুধু জলের শব্দ—অনেক জল বয়ে যাচ্ছে, মাঝখানে ফেনার রেখা।

    কুবের উঠে বসল। তখনও জল পড়ার একটানা শব্দটা শোনা যাচ্ছে। আশ্চর্য! এইমাত্র মা ছিল, আবার চলেও গেল। অথচ জল পড়ছে। আভা নেই। বিছানা থেকে একেবারে তড়াক করে উঠতে পারল না। তাঁবুর জানলা দিয়ে দেখল দশ ঘোড়ার পাম্পটা খুব বেগে জল ছেঁচে বাঁধের ওপারে ফেলে দিচ্ছে। তারই ছ্যাঁচা থ্যাতলানো শব্দটা এখন বাতাস কম বলেই এমন সহজে তার ঘুমের মধ্যে চলে গিয়েছিল।

    কুঁজো গড়িয়ে জল খেতে গিয়ে দেখল চন্দনে দাগানো পাথরখানা একপাশে পড়ে আছে। কুবেরের ভেতরটা ছ্যাঁত করে উঠল। ব্রজদার রেলেশ্বর শিব।

    এখন কুবের বুঝতে পারল, তার মন এক এক জায়গায় আলাদা সব ঘরে ধরা পড়ে আছে। ঘুমের মধ্যে মাকে পেল, নগেনকে পেল। আভা তাঁবুতে থাকে। মেদনমল্লর পৌরাণিক তকতকে পরিষ্কার বাথান তার বড় চেনা। কদমপুরে জায়গা মাপার দিন যে-সাপটা আগাগোড়া মাথা তুলে তুলে তাদের দেখেছিল, সে কোথায় থাকে—কুবের জানে।

    এই অবেলায় বাইরে আকাশ বোধ হয় অন্ধকার হচ্ছিল। ভেতরেও আলো কমে গেল। তাতে রেলেশ্বর শিব মিশে গেলেও চন্দনের দাগ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল অবিশ্বাস করার কোন কারণ নেই, একটু আগেও এখানে মা ছিল, নগেন ছিল। বাইরে এসে দাঁড়াল কুবের।

    লণ্ডভণ্ড মাঠ দেখে বোঝাই যায়, চাষ-আবাদে আগাগোড়াই কুবেরের ভরাডুবি। তবু ধানকাটা, আছড়ানো অব্দি পর পর সব করে যেতে হবে। পুরোটা গচ্চা জেনেও থামা যাবে না। এর নাম ধান। নেশায় নেশায় জড়ানো। যদি শেষদিকে বাকি শিষের সবটুকু দুধে ভরে যায় তাহলে তো বাজিমাৎ। কিন্তু ফিরে কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মত ইচ্ছে বা জোর কুবের কিছুতেই পাচ্ছে না।

    দু’-চারদিন বাদেই পূর্ণিমা। জ্যোৎস্নার তেজ থাকতে থাকতে ‘ডাহুক’ খোঁড়াতে খোঁড়াতে লঞ্চঘাটায় যাবে। ঝড়ে কি সব ভেঙে বসে আছে। রাতে চললে ইঞ্জিন কম গরম হয়। ঝুঁকিও কম। খুব আস্তে আস্তে লঞ্চটা খাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছে। মেদনমল্লর দুর্গ বরাবর নোঙর ফেলবে। বেলাবেলি মেঘে ঢাকা পড়ে সূর্য কিছ আলোর রেখা সোজাসুজি কুবেরের মাঠে পাঠিয়েছে। তাতে চারদিক এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে আলাদা চেহারা পেয়ে বসে আছে।

    ঠিক এই সময় আভাকে দেখা গেল। বড় নদীর মাছমারারা বিদঘুটে মাছ পেলে যেখানটায় ছাল ছাড়িয়ে শুকোতে দিয়ে যায়—সেই দূরের তীর থেকে মেয়েমানুষটা উঠে আসছে। অদ্ভুত এক অভ্যেস। মুখ ফেরানোর জন্যে ভেসে আসা মাছের খোঁজে প্রায়ই দূর দূর জায়গায় চলে যায়। খানিক পরে কুবের দেখল-নদী, দুর্গের অতিকায় কাঠামোটা পেছনে ফেলে একখানা খুব সুখী মুখ নিয়ে আভা এগিয়ে আসছে। হাঁটাচলা, হাসিতে কোন চিন্তা নেই।

    অসুখ থেকে উঠলে লোকে ঠিক এমন খিটখিটে মেজাজ, নড়বড়ে পায়ে দাঁড়িয়ে থাকে—অপেক্ষা করে। রাগবার চেষ্টা করে দেখল, হচ্ছে না। তাই কুবের কোন একটা কিছু ধরে বসবার চেষ্টা করল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }