Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ১৪

    ॥ চৌদ্দ ॥

    এদিকে একবার বন্দর হওয়ার কথা হয়েছিল। শ’খানেক বছর আগের কথা। তখন নানান সাহেব ছুটে আসে। একজন নুনের কারবারে নেমেছিল। সে চোঙ লাগানো কারখানা বসিয়েছিল। সেই সাহেবও নেই কারখানাও নেই। জঙ্গলের ভেতর বন ধোঁধলে ঢাকা ইটের পাঁজা দেখে বোঝা যায় ওখানে একদিন কিছু একটা করার চেষ্টা চলেছিল। এখন শুধু জং ধরা একটা বিরাট চোঙ কাত হয়ে পড়ে আছে। অনেক জায়গায় মরচে পড়ে গর্ত। হাওয়া দিলে চোঙ দিয়ে সমুদ্রের শব্দ আসে। সেসব কিছু নেই আর। লোকে তবু বলে কারখানা। আজ পঞ্চাশ ষাট বছর ধরে লোকে ওই নামে জায়গার নাম দিয়েছে। এখন সেখানে তেল খোঁড়ার টঙ্‌ আকাশের মাঝে মধ্যে এক এক জায়গায় গঙ্গা ফড়িং হয়ে বসে আছে।

    পিচ রাস্তা থেকে নতুন তৈরি চওড়া মেঠো পথ সাইটে চলে গেছে। ঠাণ্ডা রাখার বাক্স বসানো বিরাট বিরাট ঘর। কাচের জানলা। তাতে দু’জন সাহেবের মাথা দেখা যাচ্ছে। হয়ত এদের কাউকে কুবের সেবারে কদমপুর লেভেল ক্রসিয়ে ডাব কিনে দিয়েছিল। সারাটা এলাকা ঘুরে এতক্ষণ ব্রজ ফকিরের চিহ্নও দেখতে পায়নি কুবের। ফেরার পথে কারখানা গাঁয়ের ভাঙা টালির স্তূপে একটা লোকের মাথা দেখা গেল, জটাজুটো, আলখাল্লা তাও ভেসে উঠল শেষে। প্রায় একশো বছরের পুরনো সাপের আড়তে ব্রজদা কি করছে?

    অনেক ঘুরে কুবের সেই কারখানার কবরখানার নীচে এসে দাঁড়ালো, ‘এখানে কি করছো?’

    ‘কে?’ চোখ ঠেলে বেরিয়ে আসছিল ব্রজদার। গলা চিরে গেল। কুবেরকে দেখে শান্ত হল, ‘ওঃ! তুই! আমি ভেবেছিলাম—’

    ‘কাকে?’

    ‘তেল খোঁড়ার লোকজন আমাকে এখান থেকে তাড়াতে চায়। কাল রাতে কেরোসিন মাখানো ন্যাকড়ার বলে আগুন দিয়ে ছুঁড়ে মেরেছে অনেকবার। আমি এখান থেকে নড়বো না।

    ‘সাপের কামড় এনজয় করছো এখানে তাহলে!’

    ‘পাগল! আমি আছি এখানে নানান্ ধান্দায়-–’

    কুবের তাকিয়ে আছে দেখে ব্রজ ভেঙে বললো, ‘বাবার আত্মজীবনী, অদ্বৈতের পালা, সরল পশুচিকিৎসা —তাবৎ বইপত্রের মিশেল ডাঁই দিয়ে রাখি। গাঁয়ের লোকজন কিনে নিয়ে যায়। কাজে বেরোবার সময় আমাকে দেখলে, আমার এই থান দেখে জোড়া নমস্কার করে। এখন এখানে শুধু একখানা বিগ্রহ বসাতে পারলেই হল। তা হলে কেউ আর ওঠাতে পারবে না। তোর বউদি আসার কথা ছিল—’

    ‘আসবে কি করে? সেদিন যে লোক পাঠিয়েছিলে আমি দেখেছি।’

    কি রকম! ব্রজ দত্ত ইট গোছাতে গোছাতে থেমে গেল। একটা মঞ্চ হচ্ছে বোধ হয়। কোন ঠাকুর দেবতার গান হবে নিশ্চয়। চারদিকে বুনো লতার ঝাড়। তার মাঝখানে একখানা ছোট ত্রিপলের ছাউনি। জলের কু’জো, উনুন—একখানা বড় থালা। ভাঙা দেওয়ালে ব্রজ দত্তর জগৎ প্রপঞ্চ মারকা হাসি মাখানো একখানা ছবি।

    ‘আমি সেদিন তোমার খোঁজে গিয়ে বেড়িয়ে এসেছি। একটা লোক জিপে চড়ে গিয়ে হাজির। হঠাৎ চীৎকার শুনে ছুটে গেলাম। লোকটা বেরিয়ে এসেই জিপে হাওয়া হয়ে গেল। বউদি কাঁদছিল। লোকটাকে তখন ধরার উপায় নেই—’

    ‘লোকটাকে পেলে কি করতিস?’

    ভেতরে ভেতরে চমকে গেল কুবের। সেও যা করেছে, তাতে আভার পাড়া মাথায় করে কান্নাকাটি করা উচিত। তাকেও ধরা উচিত ছিল কিন্তু—

    ‘আচ্ছাসে শিক্ষা দিতাম খানিকটা—’

    ‘কি বলতিস?’

    নিজের ভেতরে তাড়াতাড়ি নেমে গিয়ে কুবের দেখল, লোটাকে বলার কিছু খুঁজে পাচ্ছে না। সে নিজেও একজন কালপ্রিট। যাকে বলে দাগী আসামী।

    ‘বলতাম ইয়ারকির জায়গা পাওনি? পরস্ত্রীর গায়ে হাত—’

    ‘সবই ঈশ্বরের সম্পত্তি মনে রাখবি। আমরা শুধু মাঝে মাঝে কেয়ারটেকার—’

    ‘তাই বলে নিজের বউ?’

    ‘আভার সেদিন চলে আসা উচিত ছিল। এলে আমি এতটা অসুবিধেয় পড়তাম না। সস্ত্রীক সাধু একটা হ্যালো সৃষ্টি করে। আচমকা কেউ সাহস পায় না। তার ওপর দখল নিতে সুবিধে। কেউ এলে বলা যায়—আর এগোবে না মশায়, মেয়েছেলে আছে।’

    ‘তাই বলে তোমার নিজের বউ?’

    ‘নিজের বউ তো আমার এই নতুন নয়। আগেও হয়েছে কবার। হয়ত আরও ক’বার হবে। তাই বলে একটা ডিটারমিনেশন থাকবে না। বাই হুক আর ক্রুক আমাদের এখানে একটা ডেরা গড়ে তুলতেই হবে।’ ব্রজ দত্তর চোখে ঠিকরে বেরিয়ে এল। কুবের ভেতরে ভেতরে চমকে গেল। সে নিজেও প্রায় একইভাবে জেদ করে যে কোনভাবে কদমপুরে একটা নতুন বসতি গড়ে তুলতে চাইছে। ক’দিন পরেই গৃহপ্রবেশ। দু’একখানা বাড়ি হয়েছে মাত্র। আলো এল বলে। কিন্তু বুলু এখুনি আসতে চায় না। মা এক দমকে শ্বশুরকুলের বাড়ি ছেড়ে উঠতে পারছে না।

    অথচ কুবের আজ দেড় দু’বছরে প্রায় একটা নগর বসাতে চলেছে। স্বপ্নের সেই কলবাড়ি বানাতে চলেছে। সম্বচ্ছরের ধান মলানোর মাঠ, মাছের পুকুর, গরুর গোয়াল—কত কি। এসবের কোন হয়ত মানে নেই। কিন্তু চারদিকে আষ্টেপৃষ্টে পাকাপোক্ত সব ব্যবস্থা করে চলেছে। একটা জিনিসের অভাব থেকে যাচ্ছে। নগেন বলেছিল, ‘সেঝদা সবই করছ’—কিন্তু একটা শ্মশান করা হল না আমাদের। শেষে পাবলিকের সঙ্গে সেই ওলড্ ক্যাওড়াতলা নয়ত কাশী মিত্তিরের ঘাটে যেতে হবে বুড়ো বয়সে!’

    ব্যাপারটা গোড়ায় ভাবাই হয়নি তার। বড় দেরি হয়ে গেছে। শ্মশানের জন্যে কেউই জায়গাজমি কোবালা করতে চায় না!

    কুবেরের আজকাল এক এক সময় খুব ভয় ধরে। আমি এখন কি করছি। কি করে চলেছি। সব যদি ফট করে ফেটে যায়—চুরমার হয়ে যায়। তখন বুলু, খোকন, নতুন বাচ্চাটা—আমি-আমরা সবাই কোথায় যাব? আমি তো প্রায় চোখ বুজে এগিয়ে যাচ্ছি। পথটা যদি নদীতে গিয়ে শেষ হয়। তখন কোথায় যাব? একদিন যদি টাকা আসা দুম করে বন্ধ হয়ে যায়। তখন কি হবে।

    হঠাৎ খুটখাট আওয়াজ হতেই ব্রজদা একখানা লাঠি নিয়ে নীচের চাতালে লাফিয়ে পড়ল, ‘কে রে?’

    কয়েকটা লোক দুড়দ্দাড় করে ছুটে চলে গেল।

    ‘দিনের বেলাতেও চোর! কুবেরকে তাকিয়ে থাকতে দেখে বললো, ‘সাহেবের আমলের সব টালি। যে যা পারছে খসিয়ে নিয়ে গিয়ে বেচে দিচ্ছে। আগে গরুরগাড়ি নিয়ে আসত। বোঝাই দিয়ে গঞ্জে, হাটে চালান দিত। আমি এসে বন্ধ করেছি—’ ব্রজ দত্ত হঠাৎ থেমে সামনের একটা লোককে বললো, ‘এই যে সাহেব—আসুন।’

    কুবের ভুত দেখলেও এত চমকে যেত না। এই লোকটাই সেদিন আভার ঘর থেকে ছিটকে বেরিয়ে এসেছিল। আভা চেঁচাচ্ছিল, ‘এই কি প্রবৃত্তি! ছিঃ! ছিঃ!’

    লোকটার নিশ্চয় কোন একটা নাম আছে। ব্ৰজদা ডাকল সাহেব বলে। সাহেব মিত্তির। ব্রজদা বললো, ‘কলকাতার কায়েত। সচ্চরিত্র সুপুরুষ। বুঝলে কুবের; দিশী লোকজনের মধ্যে এখানকার সবচেয়ে কঠিন কাজটাই করতে হয় মিত্তির মশায়ের—’

    মিত্তির বিনয় করে হাসল। কুবেরদের চেয়ে এক আধ বছরের বড় হবে। হাফশার্টের বাইরে পুরন্ত দু’খানা হাত ফেঁপে ফুলে বেরিয়ে আছে। বিরাট একটা হ্যাকসর ওপর ভর দিয়ে মোটা একটা পাইপ কটকট আওয়াজ তুলে মাটির ভেতর সেধিয়ে গেল। সেদিকে আঙুল দেখিয়ে সাহেব মিত্তির বলল, ‘পাইপ মাটির নীচে চলে গেলে স্পেশাল বন্দুক দিয়ে আমি জায়গা নিরিখ করে গুলি ছুড়ি। হিসেব মত জায়গায় গুলির চোটে পাইপ ফেটে গিয়ে গ্যাস নয়ত তেল ভুস ভুস করে উঠে আসবে। ‘আমি ম্যাকম্যান—‘

    ‘তীরন্দাজ বলুন।’

    কুবেরের রসিকতার আঁচ ধরতে না পেরে লোকটা গবেটের কায়দায় হেসে বলল, ‘গোলন্দাজও বলতে পারেন।’

    গোঁফ থাকলেই লোকটাকে শিকারী বলা যেত। সেদিন একটুর জন্যে কুবেরের হাত ফসকে বেরিয়ে গেছে। অবশ্য আজ আর হাত ফসকে গেছে বলে ভাবতে পারছে না। যার বউ সেই বলছে, আমার নিজে বউ তো নতুন নয়—আগেও হয়েছে ক’বার—আরও হয়ত ক’বার হবে, আসলে চাই ডিটারমিনেশন। কিসের ডিটারমিনেশন? দখলের ডিটারমিনেশন? এই জিনিসটা আমার। এটা দখলে রাখতেই হবে। যেনতেনভাবে দখলে রাখতেই হবে।

    ‘আপনার হাতে কি হয়েছে?’

    কুবের হাত লুকোতে পারল না, ‘ও কিছু না—’

    মিত্তির হাত বাড়িয়ে কুবেরের কব্জি ধরে ফেলল। সাঁড়াশির চেয়েও জোরে ধরেছে। কুবের নিজের হাতখানা বের করে আনতে পারল না।

    ‘ড্রিঙ্কস্ চলে?’

    ‘তেমন কিছু নয়। মাঝে মাঝে এক আধদিন—তাও কেউ এলে তবে।‘

    ‘হাঁটুতে, তলপেটে পরদিন লাল বিজগুড়ি বিজগুড়ি বেরোয়?’

    লোকটা জানল কি করে? খুব অবাক হলেও মুখে শুধু বললো, ‘তা বেরোয়।’

    বাঁ পায়ের প্যান্ট অনেকটা তুলে ধরে কুবেরকে দেখাল, ‘এই দেখুন। আপনার মত হয়ে আছে। কালচে কালচে ছোপ। আমারও অমন বিজগুড়ি বেরোতো। আমার আপনার লিভার ড্রিঙ্কস্ নিতে রাজি নয়। তারই ইরাপশান। সেই থেকেই এই কালো ছোপ ছোপ দাগ। ড্রিঙ্কস্ ছেড়ে দিয়ে তবে এইসব দাগদাগালির ছড়িয়ে পড়া অ্যারেস্ট করেছি—এত এক ধরনের একজিমা। বাড়তে দিলে নিস্তার নেই। ‘

    ব্রজদা নির্বিকার হয়ে শুনছিল। মিত্তিরকে কুবেরের খুব বন্ধু লাগল। এতদিনে একটা দলের লোক পাওয়া গেল। নিস্তার নেই শুনলেই ভেতরটা একদম কেঁপে যায়।

    ‘মিত্তির এই যে ছেলেটিকে দেখছো—একে একবার আমি মানসপুত্র করেছিলাম—অনেককাল আগে। এমন ছোকরার এত টাকা পয়সা—আমাকে দত্তক নিতে পারে!’

    কুবেরের খুব ভাল লাগল না কথাগুলো। বুড়ো দামড়া। সরস্বতী বউদির ওখানে তোমার দু দু’টি ছেলে গোকুলে বাড়ছে। পয়লা বউদির হেফাজতেও তোমার একটি নিজস্ব ছেলে আছে। তারা সবাই বাড়ছে। একদিন তারা বড় হবে। সবাই বড় হয়ে মাথার ওপর বাবা চাইবে। শেভ্ চাইবে। গ্যারান্টি চাইবে। আর এখন তুমি কারখানা গাঁয়ে একশো বছর আগের বাতিল কারখানার টালি আগলাচ্ছ।

    ‘আপনার কথা অনেক শুনেছি। ব্রজবাবু প্রায়ই বলেন।’

    আমি তোমার কথা শুনিনি কোনদিন। আমি তোমাকে দৌড়ে, পালাতে দেখেছি শালা। এঁটো ডাটা না চিবোলে নয়।

    ‘এখানকার কাছাকাছি কিছু জায়গা ধরে রাখুন না। ভাল রিটার্ন পাবেন।’

    ‘আমার আর ভালো লাগে না।’

    ‘টায়ার্ড!’

    লোকটা ধরল কি করে? এবার সত্যিই অবাক হবার পালা। মিত্তির কুবেরের হাতের দাগদাগালির মানে করে দিল এইবার।

    ‘আপনারই মত—তবে আরও বড় সাইজের লোক দেখেছিলাম আঙ্কেলেশ্বরে। সেখানে তখন তেল বেরিয়েছে। আমরা গুটিয়ে চলে আসব। তখন আলাপ। চল্লিশ ক্রশ করে গেছে। কুপার সাহেবের তখন চারদিকে পয়সা। বিয়ে করেনি। বলত—মিত্তির ভীষণ টায়ার্ড আমি। কিছু ভাল লাগে না। এরকম মন নিয়ে আমি বিয়ে করতে ভয় পাই—’

    বাঃ! লোকটা কতসব বোঝে! অথচ সেদিন—কি ভয়ঙ্কর জ্ঞানপাপী!

    ‘আপনি বিয়ে করেছেন?’

    ‘মনে নেই।’ কুবেরকে অবাক হতে দেখে সাহেব মিত্তির বললো, ‘বাল্যবিবাহ বলতে পারেন। এখন যাই না। টক লাগে।’

    ‘ওঃ!’ কুবের মনে মনে বুঝল একখানা স্যাম্পেল বটে। বুলুকে তার কেমন লাগে জানতে চাইলে এক ঢোকে বলতে পারবে না। গৃহ প্রবেশের আগেই ঢালাও ফার্নিচারের অর্ডার দিয়ে বসে আছে বুলু। ইলেকট্রিক আসেনি তাতে কি। সেই আগের বুলু নয়। কুবেরই মাঝেমাঝে চিনতে পারে না।

    বিকেল আসতে দেরি নেই। সাইটের ডায়নামো গর্জে উঠতেই বড় বড় ডুমগুলো জ্বলে উঠল। তখনও কড়কড় করে পাইপ নামছে আর একটা মোটা লোহার চেন গাঁটে গাঁটে ইস্পাতের দাঁত নিয়ে ওপরে উঠে আসছে। অন্য যে কোন জায়গায় এখন যেমন সূর্য থাকে তেমন একখানা সূর্যই দিগন্তে লটকানো। খানিক পরেই ঝুলে পড়বে। মিত্তির বলে ডাকতেই কারখানার কবরখানার ভাঙাচোরা গলি দিয়ে সাহেব তরতর করে নেমে গেল।

    ‘বলতে পারিস তোকে দেখেই আমি চলে এলাম এখানে—’

    ‘এখন ফিলজফি ভাল লাগছে না ব্ৰজদা। অন্য কথা বল।’

    ‘সত্যি বলছি। বিশ্বাস কর। আমি তোকে জায়গা দেখাতে নিয়ে এলাম। আর তুই কি না কদমপুরে মৌরসীপাট্টা করে বসে গেলি! আমি যে কে সেই কলমিলতা?’

    ‘আমি কি এমন হয়েছি ব্রজদা? সবাই এই এককথা বলে। তুমি, নগেন, বীরেনের বউরা। অথচ আমি তো আমিই আছি। দোষের মধ্যে শুধু কিছুটা আরাম দরকার হয় আজকাল আমার। ভিড়ের গাড়িতে চড়তে পারি না। বসতে পেলে শুতে চাই—‘

    ‘এখানে কিন্তু তোকে শুতে দিতে পারব না। কিছু নেই আমার। তবে মনে হয় সব হবে একে একে

    ‘হওয়া মানে কি মনে কর তুমি?’

    ব্রজ খুব বিপদে পড়ল। বলতে গিয়ে দেখল লজ্জা করছে। তবু কোন মতে বলে দিল, ‘ধর আমার বংশধর থেকেও তো নেই। বুড়ো হলে বাবা ডাকতেও আসবে না কোনদিন। তখন আমি—বিশেষ কার তোর বউদি কোথায় যাবে? বাবার আত্মজীবনী লিখলাম। মন্দ কাটছে না! এখন যদি একটা মন্দির কি বিগ্রহের থান করে যেতে পারি—তাহলে কোনদিন ভাবতে হবে না কিছু—। কিন্তু এসবে লাগে প্রচণ্ড ডিটারমিনেশন।’

    কুবের দেখল ব্রজ দত্তর চোখের শিরা ফুলে উঠছে। মাথার বাবরি তামার ঢালাই স্তূপ হয়ে থেমে গেছে। কথা ছিল, আজই বিকেলে ভদ্রেশ্বরের সঙ্গে নৌকোয় মেদনমল্ল ভাঙা দুর্গ দেখতে যাবে। নৌকোয় একরাত। ফরসা হতেই চোখের সামনে ভোর ভোর জম্বু দ্বীপ ভেসে উঠবে। জেলেরা সমুদ্রের মাছ মেরে সেখানে ফেলে ফেলে শুকোয়। সপ্তমুখী পেরিয়ে এসব কাণ্ড। ভদ্রেশ্বর জায়গা দেখাতে নিয়ে যাবে।

    যাওয়া হল না। ফস করে সন্ধ্যে নেমে গেল। দূরে তাল নারকেলের ঘন আড়াল আরও অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। তার পেছনে বসতির আবছা আবছা লণ্ঠনের আলো এদিক সেদিক আনাগোনা করছে। কেউ হয়ত গোয়ালে গরু তুলে দিচ্ছে। কারও ঢেঁকিঘরের পাশে পুরনো গাদা ভেঙে দু’ তড়পা খড় নামানো দরকার। এঁড়ে বাছুরটা ইদানীং রাত বাড়লে খিদেয় ঘন ঘন পা ঠোকে। দোকায় খড় কুঁচিয়ে দিতে হবে। কত লোকের যে কত কাজ। শুধু কুবের এর ওর খবর কুড়িয়ে কুড়িয়ে বেড়ায়। তার নিজের কোন খবর নেই।

    রাতের সিটের লোক এসে যাচ্ছে। মাঠের মাঝখানে খানিক জায়গায় আলো। তার মধ্যে ওভারঅল পরনে এই লোকগুলো মায়াপুরীর পাত্রমিত্র। কাউকে পরিষ্কার চেনা যায় না। ওরই মধ্যে সাহেব মিত্তিরও আছে নিশ্চয়।

    ব্রজ দত্ত হাতে গড়া রুটির সঙ্গে চোঙের গায়ে লতানো জঙ্গলের বন ধোঁধলের তরকারি দিয়ে কলাই থালাখানা কুবেরের সামনে সাজিয়ে দিল, ‘খেয়ে ফেল—’

    ‘তাতো খেলাম। ওদিকে কদমপুরে একটা মানুষ কি খেল না খেল দেখছে কে?’

    হাতের পাঁচটা আঙুলে রুটির তাড়া প্লেট হয়ে আছে। তার ওপর গরম তরকারি সাজিয়ে ফুঁ দিচ্ছিল ব্রজদা, ‘তোর খুব চিন্তে হয়? নিয়ে যা না। একটা মানুষ তো মোটে—’,

    ব্রজ দত্তর চোখের নীচে কান্না কিংবা হাসিতে—নয়ত নিতান্তই ঠাণ্ডায় খানিক খানিক জায়গা ঝকঝক করে উঠেছে। একেবারে ধরে ফেলার হাসিতে কুবেরকে বললো, ‘তোর তো অনেক পয়সা আছে। রেখে দে না একটা লোককে। মোটে তো একটা মানুষ!

    কথাটা খট করে মাথায় লাগল কুবেরের। টিন, নড়বড়ে ইটের থাক দেওয়াল এখুনি তাকে প্রায় ঠেসে ধরার যোগাড় হল। থালায় তখনও একখানা রুটি। একট তরকারি চাইবে ভেবেছিল। প্রবৃত্তি হল না! সামনের লোকটা রুটিতে তরকারিতে চোয়ালে একটা যে কোন বড় গরুর কায়দায় জাবর কাটছে। হঠাৎ থালখানা তুলে ধরল কুবের। দেবে মাথার ওপর এবার ঠাঁই করে বসিয়ে।

    ‘ওকি? মারবি নাকি?’

    ‘হ্যাঁ।’

    তখনও বিশ্বাস হয়নি ব্রজ দত্তর। এক ঘা বসাতেই তড়াং করে দাঁড়িয়ে উঠল। তারপর কুবেরকে আচমকা চার পাঁচটা ঘুষি মেরে কাবু করে ফেলল। শেষে একটা লাথি দিয়ে এই জোড়াতালি দেওয়া ঘরের কোণে ফেলে দিল, ‘খুব বেড়েছিস?’

    আর একটা লাথি মারতে যাচ্ছিল। থেমে গেল ব্রজ। কুবের কোঁকাচ্ছে। কোথায় লাগলরে বাবা। ‘এই কুবের, কুবের—’

    ব্রজ একটু ভয় পেয়ে গেল। নীচে ড্রিলিংয়ের একটানা কড় কড় আওয়াজ। তার আস্তানার ভেতরে কুবেরের গোঙানি। বেচারা মুখও ধোয়নি। তার চেয়ে বয়সে ছোট। ইদানীং যে কী হয়েছে ছোকরার। লঘুগুরু জ্ঞান নেই। আচমকা থালা উঁচিয়ে এল কেন?

    ড্রিলিং সাইটের কাছাকাছি খালাসীদের তাঁবুতে এক সর্দার নাড়াবুনিয়ার দিশী মোষ পোষে। তার বউকে বলে আধসের দুধ নিয়ে এল ব্রজ। খানিক ফুটিয়ে সাহেব মিত্তিরের উপহারের বোতলটা থেকে কিছুটা বাটিতে ঢেলে দিল, ‘নাও বাছাধন খেয়ে নাও। খেয়ে উদ্ধার কর এখন।’

    কুবের উঠে বসে সুস্থ হয়ে উঠল। ব্রজ পেছনে ফিরে ঘরকন্না সাজাচ্ছিল। বাইরে উঠোনে একখানা পাথর পড়ে আছে। সিঁদুর মাখানো। ব্রজ ফকির নাম দিয়েছে রেলেশ্বর শিব। রেল লাইনের পাশেই কুড়িয়ে পেয়েছে সম্ভবত। পূর্ণিমার দিন জাঁকজমক করে প্রতিষ্ঠা হবে। শুধু আভা বউদির এসে পড়ার অপেক্ষা।

    এখন ধাঁ করে লাথিটা বসিয়ে দিলেই হয়। তারপর দে ছুট। নইলে, এটুক বুঝেছে কুবের, ব্রজ দত্তর সঙ্গে সে সামনাসামনি পেরে উঠবে না। কিন্তু সে, নিজে নুনের কারবারি হরিরাম সাধুখাঁর বংশধর। যার নুন খেয়েছে একবার তাকে পেছন থেকে ঘা দেয় কি করে। সে যে বড় মুশকিলের ব্যাপার। হঠাৎ খুব মায়া হল কুবেরের। ব্রজ ফকিরের জন্যে মায়ায় তার মন ভরে গেল। চল্লিশ পার হয়েও থিত হয়ে বসতে পারল না কোথাও। এখন বিগ্রহ বসিয়ে থান বানিয়ে বউকে সাজাবে। জটা রাখছে! রুদ্রাক্ষ এনেছে। তেল সিঁদুর মাখাচ্ছে গুচ্ছের আম পাতায়। সামনের আঁটিসার গাছটার ডালপালা বেরিয়ে পড়ল বলে।

    সে যে আজ কোথাকার কোন্ জগতে এসে পড়েছে। কত লোভ করে দূরের সাহেব নুনের কারখানা বসিয়েছিল। হয়ত হরিরাম সাধুখাঁর সঙ্গে কারবার করতে গিয়ে আলাপও হয়েছিল। শীতকালের আকাশে ছিটকে ছিটকে তারা খসছে। কোথায় কোন্ মহালোক মরে গেল। আকাশে ট্যাড়া পড়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে। হয়ত পাঁচ জন্ম আগে সে নিজেই সমুদ্র পার হয়ে এখানে কারখানা বসাতে এসেছিল। কিংবা সৈন্ধব লবণের কারবারে নেমে ভরাডুবির মুখে হরিরামের সন্ন্যাস হয়েছিল। কথা দিয়েছিল সাহেবকে, একদিন তোমার কারখানা দেখে আসব-গোলা ফেলে কোথাও যে ঘুরে ফিরে আসব তার ফুরসত মেলে না। কিছুদিন হল সেই হরিরাম নানা জন্ম ঘুরে ব্রজ ফকির হয়ে কারখানা দেখতে এসেছে। দেখে আর নড়ে না। সেখানে এখন নগর বসবে। ব্রজ দত্ত ঠাকুরতলা নয়ত রেলেশ্বর শিবের খান বানাবে।

    বয়স বল, আয়ু বল—এই হল গিয়ে যত নষ্টের গোড়া। জিনিসটা এত কম, এত মাপা—সময় হলে ফুরোবেই। অথচ যে তখন কত কি বাকি পড়ে থাকে। এটা আধখানা, সেটা পুরো, ওটা মাঝামাঝি সে এক আজব হাল! হরিরাম নাকি নুনের বড় বড় চালানের কাগজ পড়তে পড়তে বুকে হাত রেখে তাকিয়ায় হেলে পড়েছিল। তখন গদিতে মাত্র তার ছোট ছেলে ছাড়া কেউ ছিল না।

    হারিকেনের আলোয় ইটের পাঁজার ওপর থেকে বাইরে ডাঁই ঘেঁটে কুবের রজনী দত্তর জীবন ও সময় খুঁজে পেল। হাঁটকাতেই বইয়ের ছত্রিশ পাতা খুলে গেল। লাইনের শুরুতেই ব্ৰজদা লিখেছে—

    ‘আকাশে ইদানীং যেসব মেঘ হইতেছে তাহারা আমার বড় চেনা চেনা ঠেকে মনে হয় গত জন্মে ইহাদেরই সঙ্গে সঙ্গে কত শস্যক্ষেত্রে বৃষ্টি হইয়া ঝরিয়া পড়িয়াছি। রৌদ্র উঠতেই আবার মিলাইয়া গিয়াছি। বিকালের দিকে আষার-শ্রাবণে দুই দিগন্ত রামধনু উঠিবার জন্য জায়গাও করিয়া দিয়াছি। সেই কালের নানা রং ও আমার গায়ে লাগিয়া আছে। তাই স্বপ্ন দেখি। মানুষকে ভালবাসি। ব্রজকে পাই। আশা করি বয়স হইলে ব্ৰজও স্বপ্ন দেখিবে। সন্ধ্যাতারা আমাদের চোখকে দ্বিতীয় তারায় লইয়া যায়। দ্বিতীয় তারা তৃতীয় তারায় পৌছাইয়া দেয়। তৃতীয় তারা আমাদের তারার জঙ্গলে ফেলিয়া পালায়। তখন চারিদিকে হলুদ ছিটানো আগুনের কুচি আমাকে পাগল করিয়া তোলে। ব্রজর গর্ভধারিণী এসবের ধার ধারেন না।’

    ‘বাটনা বাটতে জানিস? আজ তোকে একটা রান্না খাওয়াবো।’

    কুবের ঝপাং করে দশ বছর পিছিয়ে গেল। কুবের দ্য ফ্রিভলাস। কুবের দ্য ভ্যাগাবন্ড। রিজারড্ কুবের। তখন কলকাতার ফুটপাতে করপোরেশনের বকুলগাছ থেকে ফুল ঝরে পড়ে সন্ধ্যের দিকে রুমাল-চাপা গন্ধ দিত। তখন স্যান্ডো গেঞ্জির ওপর ফিমফিনে আদ্দির মোড়কে কুবের সাধুখাঁ কত অল্পে খুশী হয়ে উঠত। গাছের একটা পাতা খসে পড়লে কত মানে খুঁজে পেত তার ভেতর।

    ‘তারার ডালনা।’

    ‘মানে?’

    ‘এই যে লিখেছ। ‘হলুদ ছিটানো আগুনের কুচি।’ তারাগুণতির দেশের কথা—’

    ‘রাবিশ! বইটা রেখে দিয়ে মাথার ওপর থেকে শুকনো লঙ্কার কৌকোটা দে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }