Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প413 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুবেরের বিষয় আশয় – ৩

    ॥ তিন ॥

    চুটিরামের জমি কিনতে গিয়ে শুধু হেনস্তাই হল। বুড়োর জমি বিক্রি খুবই দরকার। কিন্ত লোভ সামলাবার ক্ষমতা নেই। মোট দু’বিঘের মধ্যে প্রায় সবটাই ভাইপোদের। নিজের অংশে আঠারো শতক-দশ কাঠা চৌদ্দ ছটাক। সাড়ে তিনশো করে কাঠা ঠিক হল।

    মাস মাস মাইনে থেকে যদি জমিয়ে আসত কিছু কিছু। কেউ যদি ধার দিত চার হাজার টাকা—কুবের তাকে কিস্তিতে কিস্তিতে শোধ করে দিত। প্রভিডেন্ড ফাণ্ডে খোঁজ নিয়ে জানলো সাত বছর চাকরি না হলে ওখানে হাত দেওয়ার জো নেই। কোথায় পাওয়া যায়। সামান্য হাজার চারেক টাকা হলে স্টেশনের ধারাধারি জায়গাটুকু আটকানো যেত। ক’কামরার বাড়ি হবে কুবের তা ভেবেও ঠিক করতে পারে না। তবে, বাড়ির সামনে খানিক ফাঁকা জায়গা থাকবে। সেখানে গরমের দিনে বিকেলে বেতের চেয়ার পেতে বসে বাসি খবরের কাগজ পড়া যাবে।

    আত্মীয়ের ভেতর একজনকে টেলিফোনে বললো সব। মাসে মাসে একশো করে ফেরত দেবে কষ্টেসৃষ্টে। সব শুনে তিনি ফোনেই বললেন, তার আগাগোড়া ওভার ড্রাফটে মোড়া। রাসেল স্ট্রীটের বাড়িখানা নাইন পারসেন্ট লোনে তৈরি। দশ বছর হয়ে গেল আজও আসলের অর্ধেক শোধ হয়নি। এদিকে ডায়েবেটিস—কবে আছেন কবে নেই তার ঠিক কি!

    অতএব ধনরাজ শরণং। ওয়েলফেয়ার অফিসার হলেও কোম্পানির নানা কাণ্ডে জড়ানো ধনরাজকে অনেক টাকা নাড়াচাড়া করতে হয়। একদিন সকালবেলা কুবের তার বাড়ি গিয়ে হাজির হল। ধনরাজ নতুন কেনা বাড়ির লনে চীনে ফুলের তোয়াজ করছিল ঝারি হাতে। কুবের বোগেনভেলিয়া না কী একটা জমকালো ফুলের নাম জানতো। জিনিসটা ফুল নাও হতে পারে। কোনদিন চোখে দেখেনি। তাই নিয়েই খানিক কথা চালালো। বেতের চেয়ারে বসতে বসতে ধনরাজ চীনের ভূগোল টেনে আনলো কুবের গভর্নমেন্ট স্কুলের স্টুডেন্ট ছিল। বেতের ডগায় হোয়াং হো, ইয়াং সিকিয়াং করেছে পুরো ক্লাস এইট। চোখ বুজে চীনের প্রদেশগুলো, নদী, এমনকি পাহাড়—শেষে ভাষা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি আরম্ভ করে দিল।

    ধনরাজ তখন চীনের দুর্ভিক্ষ নিয়ে পড়ল। কোন্ পোলিস সাহেব হিটট্রিটমেন্ট ফার্নেসের রিফ্যাক্টরী কারখানা বসানোর ব্যাপারে দিল্লি থেকে এসেছিল ক’দিন আগে। তারই মুখে শোনা, চীনেরা এখন খাবারের অভাবে পুরনো ভারি ভারি ডিকসনারির মলাট জলে ভিজিয়ে সকালে বিকেল টিফিন সারে।

    এই জায়গায় খানিক থেমে থেমে কুবের গড় গড় করে বলে গেল, ‘জীবনের সাকসেসের মাঝখানে আপনি আজ দাঁড়িয়ে’, কথাগুলো প্রবন্ধ হয়ে যাচ্ছে দেখে মুখটা অনেকখানি ভাবালু করে বললো, ‘খানিকটা জায়গা দেখেছি—বাড়ি করে উঠে যাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিল, কিন্তু কোথাও অতগুলো টাকা যোগাড় করতে পারলাম না-অথচ পেলে আমি মাসে মাসে শোধ করে দিতাম।’

    ‘কত?’

    ‘চার হাজার—’

    ‘অত তো হবে না। আড়াই হাজার নিয়ে যেও-বাকিটা দেখ আর কেউ দিতে পারে কি না—’

    কুবেরের বিশ্বাস হচ্ছিল না।

    পরদিন কারখানায় টিফিনে ধনরাজের ঘরের সামনে গিয়ে স্লিপ দিতেই ভেতরে ডেকে পাঠাল কুবেরকে। মেঝে থেকে টেবিল অব্দি থাকে থাকে একশো টাকার নোটের বান্ডিলের সাজানো সিঁড়ি। রেডি করা ছিল। কুবের গুনে দেখল পঁচিশখানা।

    ‘কিছু সই করতে হবে না?’

    ‘দরকার নেই, বলে একখানা বাঁধানো খাতা খুলে কুবেরের নামের পাশে টাকার অঙ্কটা লিখে রাখল ধনরাজ, ‘এখন পঞ্চাশ করে কাটাব মাসে মাসে—শেষে কিন্ত বেশি কাটব, আমার কন্টিঞ্জেন্সি ফান্ড থেকে দিলাম। তাড়াতাড়ি ফেরত দিলে অন্যদেরও দরকারে টাকাটা দিতে সুবিধে হয়।

    ‘নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই—সে তো একশোবার।’ আরও অনেক কিছু বলতে পারত অন্য সময় হলে। এখন ঠিক ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতার মত কোন কথাই মুখে এল না কুবেরের। তাহলে জায়গা বোধহয় কেনা হবেই।

    রাতে বাড়ি ফিরে টাকাটা বুলুর হাতে দিল, ‘আরও দেড় হাজার দরকার।’

    বুলু বলল, ‘কদমপুর থেকে তোমার ব্রজদা লোক পাঠিয়েছিল—চটিরাম জমি ছেড়ে দিতে পারে-আজকালের ভেতরে বায়না করতে হবে।’

    সেদিন কদমপুর যাওয়ার পর কুবের অন্তত দশবার চটিরামের ওখানে গেছে। যাতায়াত করে দর ঠিক হওয়ার পর টাকার ধান্দায় আজ হপ্তা দুই চৌদিকে ঘুরে বেড়িয়েছে। তাই আর একটা দিন ওদিক মাড়ানো হয়নি। তা বলে জমি ছেড়ে দেবে চটিরাম।

    কিছুকালের ভেতর কুবের খানিকটা খানিকটা করে অন্যরকম হয়ে গেছে। রবিবার সকালের আড্ডা আজকাল জমে না। ফার্নেসে দু’চারজনকে জমি কিনে বাড়ি তৈরির প্ল্যান বলেছে। গুপ্তবাবু বলেছেন, আমরা কলকাতার বনেদী ভাড়াটে—পাঁচ পুরুষ ওপর ভাড়াটে। কদমপুর গিয়ে অ্যাতখানি পথের হ্যাপা পোয়াতে পারব না। দিব্যি মাসের শেষে ভাড়া দিয়ে যাও—কোন ঝামেলা নেই।

    ‘কালই বায়না করবো—’

    ‘বাকি টাকা?’

    ‘যোগাড় করতেই হবে—’

    আবছা আবছা শুনেছিল, জমি কেনার আগে সার্চ করাতে হয়। আরও নাকি সব কাগজপত্র লাগে। পরদিন সকালেই কুবের বুলুকে নিয়ে শিবপুরে সারদা চ্যাটার্জি লেনে চলে গেল। সেখানে কুবেরের বন্ধু প্রসূনের শ্বশুরবাড়ি। শ্বশুর নিত্যগুপ্ত রায় বাড়িই ছিলেন। মানুষটি বড়দরের সার্ভেয়ার। বায়নায় কী করতে হয় তাও কুবের জানে না। রায়মশায় আর বুলু কদমপুর চলে গেল মিড্‌ ট্রেনে। পরের ট্রেনে প্রসূনকে নিয়ে কুবের সাবরেজেস্ট্রি অফিসে গেল। দু’খানা ডেমি আর দু’টাকার স্ট্যাম্প নিয়ে ওরা যখন কদমপুরে চটিরামের বাড়ি পৌছাল তখন বেলা প্রায় এগারোটা।

    গুপ্তরায় মশায় এতক্ষণ জামাই-এর বন্ধুর জন্য চটিরামকে নরম নরম কথা দিয়ে আটকে রেখেছে। কত লোক নাকি ওই দশ কাঠা চৌদ্দ ছটাক কেনার জন্যে হাঁটাহাঁটি করছে।

    শ্রীশ্রীকালী দিয়ে বায়নাপত্রের শুরু হল—

    ‘বায়নাপত্র গ্রহিতা-শ্রীকুবেরচন্দ্র সাধুখাঁ, পিতা শ্রীদেবন্দ্রলাল সাধুখাঁ, জাতি হিন্দু, পেশা চাকুরী, আদি সাং ১৩। ২, মুন্সী জেলার রহিম লেন, সালকিয়া, হাওড়া, থানা গোলাবাড়ি।

    বায়নাপত্র দাতা-শ্রীচটিরাম সরদার, পিতা ময়ূর সরদার, জাতি হিন্দু, পেশা চাষ, সাং কদমপুর, থানা ও সাবরেজিস্ট্রি বহরিডাঙ্গা, জেলা ২৪ পরগনা।

    কোথাও দাড়ি কমার বালাই নেই।

    তারপর অন্তত পঞ্চাশখানা দলিল করে কুবেরকে খুচখাচ শরিকানি জমি কিনে দাগ ধরে এগোতে হয়েছে। এখন তার এসব প্রায় মুখস্থ—

    কস্যরায়ত স্থিতিবাদ স্বত্ত্বের ভাগী বিক্রয়ের বায়না পত্রমিদং কার্যাঞ্চাগে…..নিরাংশে অবিবাদে নির্দায় নির্দোষ নিঃগৌল পরিষ্কার সুস্থ অবস্থায় খাসে ভোগ বাস দখলীকার আছি।

    অদ্য তারিখে বায়নার বাবদ আদায় ১০০ একশত টাকা লইয়া অঙ্গীকার করিতেছি যে, অদ্য হইতে ১ মাসের মধ্যে পনের অবশিষ্ট তিন হাজার নয় শত টাকা দিলেই মহাশয়ের খরচে মহাশয়ের নাম বরাবর রীতিমত সাফ কোবালা লিখিত পঠিত সহি সম্পাদন ও রেজিস্টারি করিয়া দিতে বাধ্য থাকিলাম।’

    বানানগুলো সব খোদ বিদ্যাসাগরের।

    বায়নাপত্র লেখার পর মাঠে নামতে হল। বেলা তিনটে থেকে ফিতে ধরে মাপতে মাপতে সন্ধ্যে হয়ে এল। চটিরাম একখানা লাঠিতে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে দেখল, ভাইপোদের অংশ আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। কিনেছে এখানকার এক বাগ। হরি বাগ-ব্যাংকশাল কোর্টে কী একটা কাজ করে।

    মাপামাপির পর গুপ্তরায় মশায় বললেন, ‘বোর্ডে ফেলে দেখতে হবে কতটা জায়গা আছে—’

    চটিরাম তখনও দাঁড়িয়েছিল, ‘মেপে কী আর দেখবেন! দলিলের চেয়ে কাঠা দুই বেশিই আছে। দু’কুড়ি বছর চাষ নিজেই দিয়ে আসছি-আল সরে গিয়ে দু’কাঠা জমি বেড়ে গেছে-’

    ‘যা দখলে আছে—দলিল আছে—তাই কিনব আমরা।’

    চটিরাম হাসল, ‘দু’ কাঠা মুফতে পাবেন-তার জন্যে কিছু টাকা আমার হাতে ধরে দিতে হবে।’

    ‘তা কেন?’

    ‘যে জমিন আপনার না—তার জন্যে দাম দিতে পারব না—’

    ‘ও হবে না বাবু।’

    কুবের আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল। গুপ্ত রায়মশায় তাকে থামাল, ‘বেশ তো, আগে বাড়িতে আঁক কষে দেখি—ঠিক কতটা জমি আছে—কমেও তো যেতে পারে।’

    ‘বেশ তো কষে দেখুন—’

    চটিরাম স্টেশন অব্দি এগিয়ে দিতে আসছিল। লোকাল লোক-যজমানি করে বলে মনে হল, আগ বাড়িয়ে কথা আরম্ভ করল, ‘যা জমি আছে তার দাম দেবেন না?’

    সারাদিন দৌড়াদৌড়িতে সবাই টায়ার্ড। প্রসূনকে যে কী বলে কৃতজ্ঞতা জানাবে। এমন সময় এ আবার কী ফ্যাকড়া। কুবের নিজেকে সামলাতে পারল না, ‘আপনার জমি?’

    ‘না।’

    ‘তবে?’

    ‘আমাদের এখানকার লোক-আমরা দশজনই তো বলব, দেখবো—ঠিক দর পাচ্ছে কিনা।’

    ‘বেশ তো বলবেন। কিন্তু, কিন্তু আগে কষে দেখি কতটা জায়গা আছে—’

    ‘রোজ রোজ আমিনবাবুকে টেনে এনে তাঁর পিছনে দশ-পনের টাকা না ঢেলে একদিন সব মেপে দেখে নিন না—’

    কুবেরের মাথায় আগুন চড়ে গেল। পকেট থেকে গুপ্ত রায়মশায়ের কার্ডখানা বের করে দেখালো, ‘দশ পনের নয়—রোজ একশো দেড়শো টাকা ফি ভদ্রলোকের-আমিন নয়, সার্ভেয়ার—’

    লোকটা চমকে গেল, মুখের চেহারা নরম হয়ে এল, ‘আমারই ভুল হয়েছে,-আপনারা এসেছেন যখন, একবার আমার বাড়ি ঘুরেই যেতে হবে—’

    ‘আমাদের সময় নেই মশাই—সন্ধ্যের ট্রেনে ফিরব—

    ‘সে অনেক দেরি—বাড়ি আমার স্টেশনের উল্টোদিকেই-চলুন, দু’মিনিট বসবেন—‘

    দু’মিনিটের জায়গায় দশ মিনিট বসতে হল। শান বাঁধানো পুকুর। প্রসূন, গুপ্ত রায়মশায়, বুলু আর কুবেরকে চণ্ডী মণ্ডপের বারান্দায় বসিয়ে প্লেট ভর্তি মিষ্টি খাওয়ালো। লোকটির নাম প্রবোধ মণ্ডল। মণ্ডপের কোণে বড় বড় তামার বাসনের ডাঁই—জং ধরে নীল হয়ে গেছে, ওপরে মাকড়সার জাল, এক সময় সেখানে ধুমধামে পুজো হত। তখন ঘাটলা বোধ হয় এমন ভেঙে যায়নি, ধসে যায়নি।

    বায়নাপত্রে চটিরাম সই দেবার পর বুলুকে একবার একা পাওয়ার ইচ্ছে হচ্ছিল কুবেরের। বুলুর নামেই কেনা হচ্ছে। স্টেশনে কেনা পান খেয়ে বুলুর ঠোঁট এখন শুকিয়ে কালো হয়ে আছে।

    ট্রেন যখন কদমপুর ছাড়ল তখন, লালজী আর ঘনরাম চাটুর্য্যের ইটখোলার মাথায় দগদগে লাল আর নিখুঁত গোল হয়ে সূর্য ঝুলছে—যেকোন মুহুর্তে গাছপালার আড়ালে টুপ করে খসে পড়বে।

    আলো প্রায় নেই, কামরায় বাতি জ্বলতে জ্বলতে শেয়ালদা এসে যাবে। ছুটন্ত মাঠে মেটে জ্যোৎস্নার কায়দায় সূর্যের ফ্যাকাসে আলো নিভে আসছিল। তার ভেতরেই গুপ্ত রায়মশাই বললেন, ‘কেমন প্লেন জমি দেখেছেন? এক সময় সি বেড ছিল’, একটু থেমে বললেন, ‘দু’চার শো বছর আগে এখানে নদী বইত—‘

    তার মানে এসব জায়গার ওপরে জল ছিল। ভাবাই যায় না। এখন তাহলে জলের ভেতর দিয়ে ট্রেন এগোচ্ছে। তার চেয়ে কামরার জানলায় বসে ফুটি ফুটি তারা দেখা ঢের সোজা।

    বায়না করে একদিকে কুবেরের যেমন সুখ হচ্ছিল, অন্য দিকে তার মন বেশ খুঁতখুঁত করছিল। মোট দশ-বারো কাঠা। কতটুকুই বা জায়গা। আশা ছিল অন্তত দেড় বিঘে। সামনের দিকে কাঠা পাঁচেক ছেড়ে দিয়ে বসতবাড়ি, পেছনে দশ-বারো কাঠার পুকুর, পাড় ধরে কলাগাছ আর সুপুরির চারা বসিয়ে দেবে—এক কোণে থাকবে জালে ঘেরা পোলট্রি, হাঁসের আস্তানা—কত কী! সেই যে ঠাকুরমশাই মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিল পঞ্চাশ টাকার কাঠা! তা বোধহয় বে অব বেঙ্গলের পাড় ঘেঁষে পাওয়া যায়। সেখানে বড্ড ঢেউ।

    .

    বায়নার বয়ানে ছিল, ‘১ মাহার মধ্যে পনের অবশিষ্ট’ টাকা দিয়ে সাফ কোবালা লেখাতে হবে। কুড়ি দিন পার হয়ে গেল। কুবের বাকি দেড় হাজার কিছুতেই যোগাড় করতে পারল না। পাড়ার কাবুলিদের লিডার গোছের তিন মণ ওজনের এক খাঁ সাহেব তার অনেক দিনের বন্ধু। সে বলতেই রেডি। কিন্তু বুলু পইপই করে বলল, ‘তাহলে ডুববে তুমি—’

    এক মাস পুরতে দিন পাঁচেক বাকি থাকতে কুবের কদমপুর গিয়ে দেখে, হরি বাগ তার খুঁটো পোঁতা জমির হাত দশেক ভেতরে পিলার পুঁতে তার লাগোয়া জমির দখল নিয়েছে। চটিরাম বলল, কী করব বাবু? আজ দু’কুড়ি বছর চাষ দিয়ে আসছি ও জায়গা আমার। বাগ মশাই তো মানা না শুনেই পিল্পে বসিয়ে দিলে শনিবার।’

    বাগের সঙ্গে দেখা করলে কুবের। লোকটা আইন বোঝে, কোর্টে কাজ করে। চা খাওয়াল কুবেরকে, তারপর বললো, ‘আমি মেপেই পিলার দিয়েছি—ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের রাস্তা কাঠা দুই জায়গা খেয়ে ফেলেছে। সেটুকু সব শরিকের ঘাড়ে ভাগ দিয়ে আমার কেনা অংশটুকু সব পাচ্ছিলাম না। তাই চটিরামের গা থেকে খুঁজে বের করে তবে পিলার দিলাম।’

    কুবের বুঝল, হরি বাগের সঙ্গে পারা যাবে না। আর চটিরামের জায়গা অন্য কেউ কিনুক হরি চায় না। কেননা, হরির ওটা পেতেই হবে। এদিকে তারও বাকি টাকা যোগাড় হয়নি। স্টেশনে ফেরার পথে চটিরামকে বলল, ‘আপনি দখল দিতে পারছেন না—আমি কিনব কি করে?’

    ‘হরেনবাবু উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করে আমি মামলা ঠুকে আপনাকে দখল দেব?’

    ততদিন আমি বসে থাকব?’ এবারে উল্টো চাপ দিল কুবের, ‘আমি কিনব বলে তৈরি—পাঁচ দিনের ভেতর দখল দিন, আমি কিনছি।’

    ‘সে আমি কোত্থেকে পারব—শরীরটাও হেলে গেছে ক’দিনের ঠাণ্ডায়

    কুবের বলতে যাচ্ছিল, গত বছর জমির বিঘে ছিল আড়াই হাজার। সে জিনিস ক’দিনের তফাতে সাত হাজারে ছাড়ছো—তখন শরীরের কথা মনে ছিল না? কিন্তু এসব কিছুতেই বলতে পারল না! রেলের এই বরো পিট, এই ভিজে কচুবন—এদের পাশাপাশি চটিরাম অনেকদিন এখানকার লোক। কদমপুরের কত কথা লোকে ভুলে গেছে—সেসব মাটি চাপা জিনিস চটিরাম চেষ্টা করলে এখনও মনে করতে পারে হয়ত।

    বিকেলবেলা পাশের মৌজা কমলপুরের দিকে সূর্য ঢলে গেছে। থাক থাক আলে ভাগ করা জমির সারা গায়ে সবুজ ঘাস—রোগা রোগা তালের চারা মাথা ধরে উঠেছে-এ সবের মাঝে আদুড় গায়ে চটিরাম দাঁড়ানো—চোখের কোণ ভাল ধোয়া নয় বলে কেমন অস্পষ্ট—মনে মনে ঠিকও করেছে হয়ত, আর পাঁচ দিনের ভেতর সাফ কোবালা হয়ে কুবেরবাবুর হাজার চারেক টাকা কোন দফায় কী রকম লাগাবে।’

    ‘কিন্তু আমিই বা বসে থাকি কি করে?’

    ‘তাহলে কাল এসে বায়নার টাকা নিয়ে যাবেন-আর বায়নাপত্রখানা সঙ্গে নিয়ে আসবেন বাবু।’

    চটিরামের নীচের ঠোঁটের ওপর মুখের বাকিটুকু দাঁতের অভাবে চেপে বসে গেছে—পাকানো শরীরখানা খুব অবহেলায় তালের আঁটি মাথাটা ধরে আছে। কুবেরের এই বিকেলবেলায় তার জন্যে খুব কষ্ট হল। ষাট সত্তর বয়স হবে। মাথার ওপর বাপ মা নেই, চটিরামের ছেলেবেলার লোকজনও কমে যাচ্ছে তার দিকে। অতগুলো আল ডিঙিয়ে চটিরাম এখন তার বাপকেলে ভিটেয় গিয়ে উঠবে। সন্ধ্যে হতে দেরি নেই। বায়না করার দিন কুবের উঠোনের গোলাটা দেখেছে—একেবারে ফাঁকা, এককালে নাকি চার-পাঁচশো মণ ধান থাকত। মাটির বারান্দা বুক সমান উঁচু, চটিরাম কারও হাত না ধরে উঠতে পারে না নামতেও পারে না।

    ঠাকুরমশাই একদিন ভাটিখানার ওদিকে বাড়ি দেখাতে নিয়ে গিয়ে কুবেরকে কী করে দিল। তার কারখানার কলিগরা কেউ এখন ফার্নেসে—কেউ অফডে বলে ঘুমোচ্ছে, নয়ত ঘুরতে বেরিয়েছে। আর কুবের। এমন ফাইন বিকেলে।

    কদমপুরে প্রথম আসার পর কিছুদিন কেটে গেছে। কুবের এখন জায়গাটা প্রায় তার মনে ধরেছে বলতে পারে। মাত্র কিছু দিন আগেও কদমপুর সে একদম চিনত না। এত ঘোরাঘুরির পর সব ঠিক হতে হতে হল না। সেদিন বিকেলে মাপামাপির সময় প্রসূন আর বুলু জায়গার পাশে উঁচু কিনারে সারা দিনের ছুটোছুটির পর বসে ছিল। প্রসূন বুলুর মাথার ওপর রোদ বাঁচিয়ে ছাতা খুলে ধরেছিল। গুপ্তরায় মশায়ের সঙ্গে ফিতে ধরার সময় কুবের দেখছিল, বুলু প্রসূনের ছাতা ধরার সময় লজ্জায় আপত্তি করছে-প্রসূন শুনছে না। বন্ধুর স্ত্রীর মাথায় ছাতা ধরতে সবারই ভাল লাগে। বুলুর লজ্জাটাও নর্মাল। কালো শান্তিপুরের পাড় ঘেঁষে লাল সুতোর লতাপাতা তোলা বুলুর শাড়ি মাটিতে ঘাগরা হয়ে ঘুরে ছড়িয়ে আছে। শাড়িটা সবুজ হলে বিকেলে বুলুকে কুবের বনদেবী বলে ডাকতে পারত।

    কিন্তু আজ বাড়ি ফিরে বুলুকে কী বলবে। এ যে সেই ভাটিখানার বাড়ি দেখার মত শেষ অব্দি শুধু গাড়িভাড়াতেই গুচ্ছের পয়সা গচ্চা গেল। কদমপুর-শেয়ালদা রেলের টিকিটেই কম করে পঞ্চাশ টাকা গেছে এ ক’দিনে।

    বায়নার পর বুলু বলেছিল, ‘একবারেই দোতলা বাড়ি করতে হবে। ঢালাই ছাদ চাই।’ করোগেট ভীষণ অপছন্দ। একতলা তিনখানা ঘরের মোটামুটি বাড়িতে ইট চাই পঁচিশ ত্রিশ হাজার ছাদে, ভিতে, দেওয়ালে—সব নিয়ে সিমেন্টও প্রায় আট ন’ টন। দোতলায় অবশ্য খরচ কিছু কম লাগে। তার ওপর আছে জানলা, দরজা, স্যানিটারি ফিটিং—কত কী। এত জিনিসের কত দাম-তার একটা হিসেব মনে মনে কষতে গিয়ে কুবেরের মাথার ভেতরে নোটের পাহাড় ডাঁই হয়ে উঠেছিল।

    এ লাইনই ছেড়ে দেবে কুবের। ধনরাজ মাস মাস মাইনে থেকে যেমন কাটান দিচ্ছে দিক। টাকাটা দিয়ে বুলুকে একজোড়া চূড় বানিয়ে দেবে। বিয়ের আংটিটা সুদ-আসল দিয়ে ছাড়িয়ে আনবে—তারপর ফার্স্ট ক্লাস ট্রেনে চড়ে লটবহরসুদ্ধ চেঞ্জে যাবে—রাজগীর নয়তো নেতারহাট।

    শেয়ালদা থেকে একখানা প্যাসেঞ্জার এসে দাঁড়াল। সামনের স্টেশনে কোনদিন যায়নি কুবের। ঢুকতে একটা ব্রীজ আছে। কদমপুর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে সেটাই শুধ দেখা যায়।

    প্যাসেঞ্জারের লেজে মালগাড়ি থেকে কুলিরা কিম্ভূত সাইজের যন্ত্রপাতি নামাচ্ছে। গায়ে লেখা ও এন জি সি। তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস কমিশন। গুপ্তরায়মশাই সেদিন মাপামাপির পর ট্রেনে বসে ঠিকই বলেছিলেন, জমি কী প্লেন-এদিকটা সি বেড ছিল। সারা তল্লাট জুড়ে গভর্নমেন্ট গর্ত খুঁড়ছে, তাঁবু গাড়ছে। সকালের দিকে কদমপুর বাজারে নতুন নতুন জিপে চড়ে সরকারী অফিসারদের ঠাকুর চাকর দশ পনের মাইল দূরের

    মাঠ থেকে বাজার করতে আসে। লেভেল ক্রসিংয়ে গেট পড়ে গেলে ওদের জিপের জন্যে আবার পথ খুলে যায়।

    প্রাগৈতিহাসিক আমলের সমুদ্র যা কিছু গিলেছিল তা সবই এখন মাটির চাপে পড়ে এতদিনে কালো তেল। কোনদিন হয়ত চটিরামের জমিতে টিউবয়েল বসাতে গিয়ে হরি বাগ তেল পেয়ে যাবে।

    কুবের উল্টোদিকে তাকালো। দূরের স্টেশনে ঢুকবার মুখে ব্রিজটা এখন একটু দেখা যাচ্ছে। ওদিক থেকে শেয়ালদার আপ গাড়ি আসতে আসতে ডিসট্যান্ট সিগন্যালে আলো দেখা যাবে। একদিন কুবের ওদিকে যাবেই—যেতে যেতে নাকি সমুদ্র পাওয়া যায় শেষে। এক একদিন ফার্নেস বেড়ে দাঁড়িয়ে ঠাণ্ডা হাওয়ার জন্যে কুবের হাঁপিয়ে ওঠে। ফার্নেসের দরজা তুলে তাকেই বেলচায় করে পোড়াচুন ফুটন্ত ইস্পাতের জলে ছুঁড়ে দিতে হয়। স্লাগের ফেনা সরিয়ে গুঁড়ো চুনের দলা ভেতরে গিয়ে পড়ে। কোন শব্দ নেই—শুধু গলন্ত ইস্পাতের বুক বেয়ে নীলচে আগুন তখন পাক খায়।

    ‘কখন এসেছিলেন?’

    লোকটা কাউন্টারে টিকিট দেয়। ভিড় দেখে কুবেরকে একদিন ভেতর থেকে টিকিট দিয়েছিল। নিজে নিজেই লোকটা আবার বলল, ‘তিনটে কুড়ির?’ একটু থামল, ‘জায়গা পছন্দ হল?’

    এখন একে সব বলতে গেলে রামায়ণ হয়ে যাবে। তার চেয়ে অন্য কথাই ভাল। কিন্তু কী নিয়ে এখন কথা বলা যায়। আজ বোধহয় লোকটার ছুটি। কাছেই কোয়ার্টার—পায়চারির পক্ষে এমন বাঁধানো প্ল্যাটফর্মই প্রশস্ত—তাই বোধ হয় এখানে। কথা বলতে বলতে ফার্স্ট ক্লাস ওয়েটিং রুমে ঢুকল দুজনে। অন্যদিন দারোগার টুপি মাথায় যে টিকিট নেয় সে একটি অল্পবয়সী ছোকরার সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দিচ্ছে। কুবেরের দিকে আড্ডা ঘুরে গেল। কী করে যেন ওরা জানে, কুবের জমি কেনার জন্যে ঘোরাঘুরি করছে।

    ছোকরার কাছে তিনটে বাচ্চা দাঁড়িয়ে-ছোটটা বছর তিনেকের, চেঁচিয়ে উঠল, ‘বাবা—‘

    আরও কী যেন বললো। কুবের অবাক, এই ছোকরার তিন তিনটে পোনা! এলেম আছে তো।

    ‘আমাকে চিনতে পারছেন?’

    ছোকরা উঠে কুবেরের দিকে এগিয়ে এল, বাচ্চা তিনটেও পায়ে পায়ে এল। ঠিক মনে করতে পারল না। কোথায় দেখেছে?

    ‘আমি কিন্তু আপনাকে চিনি—’

    ধড়াস করে উঠল বুকের মধ্যে। কুবের সাবধান হয়ে গেল।

    ‘শালকের কুবের সাধুখাঁ না আপনি?’

    কুবের মাথা নাড়ল। আর কি জানে ছোকরা? সাদা শার্ট, মালকোঁচা ধুতি, কব্জিতে মানানসই ঘড়ি। এই বয়েসে তিন তিনটে বাচ্চা—নিশ্চয়ই পয়সা আছে।

    ‘আমার নাম বিকাশ বোস—’

    কুবেরের কথা কী জানে? কোন্ সময়ে কুবেরকে চিনত? রিজার্ভড্ কুবের? ফ্লিভোলাস কুবের? কুবের দ্য মিন? লিবারাল কুবের? কিংবা, প্রায় ভবঘুরে?

    ‘আমরা যেবার ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হলাম—আপনারা ফোর্থ ইয়ারে—’

    কুবের হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। কীভাবে চেনে কে জানে। কখন কোথায় দেখেছে। এত কষ্টের পর চটিরামের জমিটা কেনা হল না। কাল আবার ভোরের ট্রেনে এসে বায়নার টাকাটা ফেরত নিয়ে যেতে হবে। তখন না আবার কোন ঝামেলা পাকায়। মনটা খিচড়ে ছিল—খানিকটা ডিস্টার্বড্, বিকাশ তার দিকে দাঁত কেলিয়ে তাকিয়ে আছে।

    ফোর্থ ইয়ারে যখন পড়ত, তখন নেহরু অব্দি তাজা ছিল। সে বছর পনের আগের কথা। প্রায় কিছু মনে নেই। তখনকার এমন কি মনে থাকতে পারে? কী জানে এই ছোকরা? কেউ চেনে বললে কুবেরের সবচেয়ে বেশি ভয় করে। তখনকার একখানা ছবি দেখে বুলু নাক কুঁচকে বলেছিল, ‘এ মা কি রোগা। মাথা অমন হেলিয়ে বসেছ কেন?’ এখনও কুবের কারও সঙ্গে কথা বলতে বলতে অন্যমনস্ক হয়ে ডাইনে কিংবা বাঁয়ে মাথা কাৎ করে ফেলে। ওই অভ্যেস।

    অতীত কুবেরের কাছে প্ৰায় ভূত।

    বিকাশ তার কথা কী জানে, তা বের করতে না পেরে কুবের মনে মনে কাঁটা হয়ে থাকল। এখনি ট্রেনটা এলে লাফিয়ে উঠে বসতো। অথচ আজই দশ মিনিটের ওপর লেট। কথায় কথায় জানা গেল, বিকাশ বোসের বাবা ননী বোস বছর তিরিশেক আগে কলকাতায় এক কলেজ থেকে ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল হিসেবে রিটায়ার করেন। তখন যা পেয়েছেন, তা দিয়ে এখানে স্টেশনের ধারাধারি তিনি বেয়াল্লিশ বিঘের ঝিল সমেত একশ’ আশি বিঘে জায়গা এক লপ্তে কেনেন। ঝিলে মাছ চাষ, ডাঙ্গায় ইঁট আর টালির ব্যবসা—সবই ননী বোস চুটিয়ে করেছেন। কথায় কথায় মনে হল, বিকাশ তার বাপের আট আনায় কেনা কাঠা এখন বাজার বুঝে হাজার দেড় হাজারেঁ ঝেড়ে যাচ্ছে। কেননা, বিকাশ বার বার জানতে চাইছিল, কি দরের ভেতরে কুবের জমি চায়—মানে, তার রেস্ত কত, সে হদিস পাওয়াই আসল মতলব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশেষ দ্রষ্টব্য – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)
    Next Article বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    Related Articles

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026
    Our Picks

    আলথুসার – মাসরুর আরেফিন

    August 10, 2026

    বুকের মধ্যে আগুন – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026

    কুবেরের বিষয় আশয় – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 10, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }