Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. লাল গোলাপ, সিল্ক শাড়ি ও ধবধবে সাদা বিছানা

    লাল গোলাপ, সিল্ক শাড়ি ও ধবধবে সাদা বিছানা

    তখন পাকসেনারা সারাক্ষণ মুক্তিফৌজের ভূত দেখছে। সঙ্গে ভারতীয় আক্রমণের ভয়। প্রহরা আরো কড়াকড়ি হয়েছিল। শ্যামলী চলে যাওয়ার পরের সপ্তাহে হলরুমের সদর দরজায় একটা গ্রেনেড ফাটে। তাতে হত হয় দ্বাররক্ষী। জমাদারনি ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত ছিল, সেটাই তার অপরাধ। বন্ধ ঘরে ধোঁয়া ঢুকে পড়ায় মেয়েরা বেদম কাশছিল। সুতরাং তারাও সন্দেহের তালিকাভুক্ত হলো। সেটা এ কারণে, নাকি জেরার মুখে জমাদারনি তাদের যে ক’জনের নাম জানত বলে দিয়েছে, মরিয়ম আজও জানে না। ঘটনার দিন তাদের টেনে-হেঁচড়ে হলঘরের বাইরে আনা হয়। ‘সব শালি কো মার ঢালো, বাদ মে…’ মরিয়ম আর কিছু শুনতে পায়নি। তার পরের দৃশ্যগুলো মাঝখানে মাঝখানে ছেঁড়া, দাগ-পড়া, নষ্ট হয়ে যাওয়া ফিল্মের রিলের মতো।

    চলন্ত গাড়ির পেছনের সিটে চিত হয়ে পড়ে আছে মরিয়ম। মাথার আধখানা ঝুলছে সিটের বাইরে। এ অবস্থায় উরুর মাঝখানে রাইফেলের বাটের গুঁতো, দু’বগলে দুটি পুরুষাঙ্গের বিরামহীন ঘষাঘষি এবং ঠোঁটের দু’দিক টেনে ধরে একটি দুর্গন্ধময় পুরুষাঙ্গ মুখে ঢোকানোর প্রাণপণ চেষ্টা চলছে। গাড়িটা কোথাও থামছে না। চলতে চলতে একসময় এবড়োখেবড়ো রাস্তায় পড়ে। তাতে রাইফেলের বাঁটসহ পুরুষাঙ্গ দুটি পথভ্রষ্ট হয়, বগলের মাঝখানে ছন্দপতন ঘটে। তাতে লোকগুলো বিরক্ত হয়। মসৃণ রাস্তায় ওঠার পর, পুরো কাজটা ফের প্রথম থেকে শুরু করতে হয়। তার আগে বগল দুটি নিজেদের মধ্যে বদলাবদলি করে নিয়েছে দুজন। আর রাইফেলের বাঁট ফেলে পেছনের লোকটা সামনে চলে আসে, দুর্গন্ধময় পুরুষাঙ্গ মুখ বেজার করে চলে যায়। পেছনে। বিরতিতে ধুলা ওড়ে। গাড়িতে ঢুকে পড়ে শীতের দুপুরের ঝিলমিলে সোনালি রোদ্দুর।

    পরের দৃশ্যে একজন মহিলা রক্ত-বীর্যের শুকনো দাগগুলো মুছিয়ে তাকে একটা আনকোরা কাপড় পরায়। মরিয়ম কাত হয়ে নেতিয়ে পড়তে ষন্ডামার্কা এক লোক তার লটপট শরীরটা উপুড় করে কাঁধে ঝুলিয়ে হনহনিয়ে হাঁটা দেয়। তার পরের দৃশ্যে খোয়া ছড়ানো পথের দু’ধারে টবে বসানো সারি সারি ওল্টানো পাতাবাহারের গাছ। কাছেই চুনকাম করা একটি দোতলা বাড়ি, যার পেছনে বিকালের সূর্য পেন্ডুলামের মতো ডানে-বাঁয়ে দোল খাচ্ছে।

    যে চেয়ারটায় মরিয়ম এখন বসে আছে, এর হাতলের সঙ্গে তার হাত দুটি শক্ত করে পাটের দড়ি দিয়ে বাঁধা। সামনে একটা ঝোলা মুখ ঠোঁটে কলম চেপে ক্রমাগত তার দিকে ধোঁয়া ছাড়ছে। মরিয়ম কেশে উঠতে লোকটি পেট ফাটিয়ে হাসল। ‘নাউ টেল মি, হোয়াট ডু ইউ থিং অ্যাবাউড সভূরেন্টি। অ্যান্ড হাউ ডু ইউ এক্সপ্লেইন দ্য কনসেপ্ট অব ফ্রিডম। সঙ্গে সঙ্গে নেপথ্যকারীর কণ্ঠে বাংলা তর্জমা, সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে তোমার ধারণা কী? স্বাধীনতা শব্দটিকে তুমি কীভাবে ব্যাখ্যা করো।’ ধোঁয়ার ফাঁকে ঝোলা মুখ ফের আবির্ভূত হয়, ‘ডু ইউ বিলিভ ইন টু ন্যাশন থিওরি? টেল মি, হোয়াট দ্য ফিউচার অব পাকিস্তান?’ অদৃশ্য লোকটি—’তুমি কি দ্বিজাতিতত্ত্বে বিশ্বাস করো? পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ কী–আমাকে বলো।’

    ‘হ্যাভ ইউ সিন শেখ মুজিব? ডোন্ট ইউ থিং দ্যাট দ্য সিক্স-পয়েন্ট ডিমান্ড প্রেসড বাই মুজিব ইজ ভায়োলেশন অব আর্টিকেল সিক্সটিন অব দ্য মার্শাল ল প্রোক্লেমেশন? অ্যান্ড দ্যাট বাসটার্ড শুড বি হাঙ্গড ফর দ্যাট?’

    ‘তুমি শেখ মুজিবকে দেখেছ? তার ছয় দফা প্রচারণা, তুমি কি মনে করো না, সামরিক আইনের ১৬ নম্বর অনুচ্ছেদের চূড়ান্ত লঙ্ঘন? এবং তার জন্য জারজটার ফাঁসি হওয়া উচিত?’

    মরার আগে মনে হয় কলমা পড়ানো হচ্ছে। মরিয়ম ঢুকে পড়েছে সুন্দরীর জলার গোলকধাঁধায়। বেরোনোর পথ কই! সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে জোনাকির আলো, ঝোলা মুখটা তার ঠিক মধ্যিখানে, ‘উল্লু টর্চ বন্ধ করো!’ নেপথ্যের লোকটি ধমকে ওঠে, ‘বাতি নেভা উল্লুক!’ টেবিলের ওপাশ থেকে ঝোলা মুখের লোকটা এবার কচ্ছপের মতো গলা তোলে, ‘ডিড ইউ কিল হাবিলদার তাজ খান? ইফ ইউ ডিড নট, টেল মি হু আর দ্য কিলারস। তর্জমাকারী ফিসফিস করে, ‘তুমি কি হাবিলদার তাজ খানকে হত্যা করেছ?’ পরক্ষণে গলাটা তার সপ্তমে চড়ে যায়, ‘যদি না করে থাকো, বলো কে করেছে।’

    ঝোলা মুখ দু’কাঁধের মাঝখানে গলাটা ঢুকিয়ে চেয়ারে হেলান দেয়, ‘নাউ উই আর ভেরি মাচ সিওর দ্যাট ইউ আর এ মিসক্রিয়েন্ট। ইফ ইউ অ্যাডমিট দ্যাট, ইউ উইল বি ফ্রি।’ স্খলিত গলায় তর্জমাকারী, ‘তুমি যে একজন দুষ্কৃতকারী, এ ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত? তা যদি নিজের মুখে স্বীকার করো, তোমাকে মুক্তি দেওয়া হবে।’

    তারপর অন্ধকারে খানিক চেয়ার টানাটানি। এদিক-ওদিক খুটখাট আওয়াজ। ‘আচ্ছা ইন্টারভিউ থা।’ তর্জমাকারী খুশিতে বাগ বাগ, ‘সাক্ষাৎকারটা খুব ভালো হয়েছে। চেয়ারের হাতল থেকে মরিয়মের হাত দুটি খসিয়ে স্ট্রেচারে ধরাধরি করে শোয়ানো হয়েছে। মুখের ওপর ঝোলা মুখটা ধীরে ধীরে নেমে আসে, বহৎ আচ্ছি লাড়কি হো তুম।’ বিব্রত কণ্ঠে দ্রুত তর্জমা, ‘খুব ভালো মেয়ে তুমি।’

    ‘গুডনাইট।’

    ‘শুভরাত্রি।’

    সাদা ধবধবে বিছানায় একটা লাল গোলাপ। পাশে জারুল ফুলের রঙের ভাঁজ করা সিল্ক শাড়ি। একটা দুই লিটার আন্দাজের স্যালাইন বোতল খাটের স্ট্যান্ড থেকে ঝুলছে। মরিয়ম পাশ ফিরতে হাতে তারের টান লাগে। তবে কম্বলের নিচে পা দুটি মুক্ত। দেশ কি স্বাধীন হয়েছে? অনুরাধা কোথায়? তাদের না পাকিস্তান চলে যাওয়ার কথা! হাউ ডু ইউ ফিল?’ হঠাৎ ঝোলা মুখটা তার মুখের ওপর ঝুঁকে পড়তে মরিয়ম আরো একটা সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুত হয়। কিন্তু এবার আর অদৃশ্য তর্জমাকারীর কণ্ঠ শোনা যায় না। এ এক নতুন উপদ্রব। তবু আগের চেয়ে ভালো। হলরুমের নোংরা কম্বল-শয্যা থেকে ক্যাম্প খাট, সাদা নিপাট-পরিচ্ছন্ন বিছানা, শিয়রে লাল গোলাপ, সিল্ক শাড়ি। তার মানে সব জায়গাতেই পদোন্নতির ব্যবস্থা আছে–সেটি বন্দিশিবির আর সময়টা ১৯৭১ সাল হলেও!

     ‘আর ইউ ওকে?’ মরিয়ম বালিশের ওপর ভারী মাথাটা এদিক-ওদিক করে এবং এই প্রথম শোনে যে, সে নিজের মুখে প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে–‘ইয়েস।’ লোকটা মেজর ইশতিয়াকের মতো খুশি হয়। তার সংক্ষিপ্ত ইংরেজি ভাষ্য শুনে নাকি তাকে সুস্থ হয়ে উঠতে দেখে-মরিয়ম জানে না। তার শীর্ণ হাতটা কোলে তুলে বিছানায় বসার পর, ঝোলা মুখ রূপান্তরিত হয় মেজর ইশতিয়াকের ঢুলুঢুলু মাতাল চেহারায়। মরিয়মের মনে পড়ে, সার্কিট হাউসের সেই মাতালটার থাপ্পড়, যার ধাক্কায় সে উড়তে উড়তে রেলিংয়ের গায়ে পাতার মতো সেঁটে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুরাধার উপদেশ স্মরণ করে সে জানতে চায়, আর ইউ মেজর ইশতিয়াক? তার প্রশ্ন শুনে লোকটা যেন বিদ্যুতের শক্ খেয়েছে, ঝপ করে হাতটা ছেড়ে দেয়। চেঁচিয়ে বলে, ‘নো নো, হাউ ডু ইউ নো হিম?’ এর জবাব মরিয়ম কেন দেবে? যুদ্ধের দিনে বাঙালি মেয়ের সঙ্গে পাকিস্তানি আর্মির কীভাবে সাক্ষাৎ-পরিচয় ঘটে–প্রশ্নকর্তারই তো তা ভালো জানার কথা। মেজর ইশতিয়াকের নামটাই শুধু তার মনে ছিল। এ ছাড়া ইউনিফরম পরা প্রত্যেকটা লোকই এক। ততক্ষণে লোকটার চেহারা পাল্টে আগের মতো ঝুলে পড়েছে। মিনিটে মিনিটে চেহারার পরিবর্তন–মরিয়মের মাথা ঘুরে ওঠে।

    ‘হাউ ডিড ইউ নো হিম?’ লোকটা তো নাছোড়বান্দা! মরিয়ম সরাসরি প্রশ্নের জবাব দেয় না, ঘুরিয়ে বলে, ‘হি ওয়াজ কাইন্ড টু মি।’ দেখা যাক কোথাকার জল। কোথায় গড়ায়। চোখের কোণ দিয়ে সে তার ভাবান্তর লক্ষ্য করে। কিন্তু এ কি চোখের ভুল, নাকি লোকটা আশ্চর্য ক্ষমতা রাখে চেহারা পাল্টে ফেলার! ঝোলা মুখ ক্রমে মেজর ইশতিয়াকে রূপান্তর হতে হতে মরিয়ম শুনতে পায় বলছে, ‘হি ওয়াজ কিন্ড ডে বিফোর ইয়াসটারডে।

    কী আশ্চর্য! ওরাও বিলক্ষণ খুন হয়? মরিয়মের না তার সঙ্গে পাকিস্তান চলে যাওয়ার কথা–অনুরাধা বলেছিল!

    নিজের লোকজনের হতাহতের খবর শত্রুপক্ষকে জানানো বোধ হয় যুদ্ধের নিয়মবহির্ভূত। ঝোলা মুখ নিজে নিয়মভঙ্গ করে, চোখের পলকে মরিয়মের ওপর খেপে ওঠে। বিছানা ছেড়ে সামরিক কায়দায় দাঁড়িয়ে বলে, ‘ডোন্ট ট্রাই টু মুভ। স্টিল ইউ আর সাসপেক্টেড। ইউ হ্যাভ টু অ্যামার-হুঁ আর দি কিলারস অব দ্যাট হাবিলদার।’

    লোকটা গটগট করে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। লাল গোলাপ আর সিল্ক শাড়িটা পড়ে থাকে বিছানায়। হয়তো তুলে নিতে ভুলে গেছে। শত্রুর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে নিজের আখের গোছানো কি সোজা কথা? শ্যামলী যা পেরেছে, অনুরাধা নিজে তা পারবে? কখনো তো বড় বড় কথা বলার বাইরে সাহসী কিছু করে দেখাতে পারল না। মেজর ইশতিয়াকের চেহারা, নাকি ঝোলা মুখটা নিয়ে লোকটা আবার আবির্ভূত হয়, কে জানে।

    ‘শি ইজ সিক নাউ।’ গলাটা পরিচিত মনে হলেও ঘুমের ভান করে মরিয়ম মরার মতো পড়ে থাকে। নতুন ফন্দি এঁটে আর কাজ নেই। চুপচাপ থাকাই ভালো। ‘তা ছাড়া আমি মনে করি, সে সুযোগ পেলেই মুক্তিবাহিনীতে চলে যাবে।’ অপরিচিত কণ্ঠ—’লেটস সি।’

    এভাবে লাল গোলাপ, সিল্ক শাড়ি ও ধবধবে সাদা বিছানা মরিয়মের অধিকারে চলে আসে। যে ঘরে তাকে রাখা হয়েছে, এর যাবতীয় জিনিসপত্রও এখন তার। ছুঁয়ে দেখলে বারণ করার কেউ নেই। স্বর্গধামের মতো ফেলে যাওয়া কোনো পরিবারের সয়-সম্পত্তি হয়তো এসব। বা হালের কোনো বিনোদন কেন্দ্র। টাল টাল খালি মদের বোতল আর দেয়ালে লালচে লিপস্টিকের মতো রক্তের দাগ এমন সাক্ষ্যই দেয়। এ ছাড়া কফির কৌটা, আচারের বয়াম, চিনির ডিব্বার তলায় সবকিছু একটু-আধটু লেগে রয়েছে। মরিয়ম আঙুল দিয়ে টক টক আমের আচার মুখে পোরে। এখনো তিতকুটে বিস্বাদ হয়ে যায়নি। সরষে ফোড়নের ঝাঁঝটা নাকে সুড়সুড়ি দেয়। হেঁচে-কেশে ওপরে তাকাতেই তার চোখে পড়ে সারি সারি ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ। পোশাকে-চেহারায় পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে লোকগুলো অবাঙালি। ভারতের আক্রমণের ভয়েই হয়তো পাকিস্তান চলে গেছে। গলায় আচারের টুকরো মাকড়সার জাল বুনতে শুরু করলে সে হড়হড় করে বমি করে মেঝের কার্পেট নষ্ট করে দেয়। সেখানে একটা তার-ছেঁড়া তানপুরা ঘিরে শোকে মোহমান খান কতক তবলা। এর পাশের দেয়ালে লটকানো তৈলচিত্রগুলো অশেষ পীড়াদায়ক। যদিও নর্তকীদের স্থির অঙ্গ-বিভঙ্গ থেকে চোখ সরিয়ে নিলে তালাবন্ধ বিশাল ঘরটা মরিয়মের একার মনে হয়। চিড়িয়াখানার জন্তুর মতো সে চাইলে খাঁচায় পায়চারি করতে পারে। দেয়াল আয়নার নিজের প্রতিবিম্বের সঙ্গে কথা বলায়, হাই তোলায়, এমনকি ভেংচি কাটায় এখানে তার অপার স্বাধীনতা রয়েছে।

    ঝোলা মুখের লোকটা নিজের নাম বলে মেজর ইশতিয়াক। তার কথামতো সে দ্বিতীয়। প্রাক্তন যুদ্ধে মারা গেছে। সে এখন ঝোলা মুখ বাইরে রেখে মৃত মেজর ইশতিয়াকের মাতাল চেহারাটা নিয়ে ঘরে ঢোকে। আর প্রাক্তনের মতোই বলে, ‘আই হ্যাভ টু টক টু ইউ। ইফ আই কান্ট, সাচ এ ব্লাডি ওয়ার, আই উইল ডাই।’

    দোজখেও এক কণা বেহেশত থাকে। উল্টো করে বললে, বেহেশতের চারদিকে তখন দোজখের দাউদাউ আগুন। দ্বিতীয় মেজর ইশতিয়াক বারুদগন্ধময় পোশাক ছেড়ে, রক্তমাখা হাত মুছে বেহেশতের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়। বন্ধ ঘরের তালা খুলতেই তার নাকের পাটা ফুলে ওঠে। সে চোখ বুজে বুকে টেনে নেয় অজানা স্বর্গের সৌরভ।

    চূর্ণ অলক থেকে এক পরী
    মৃগনাভির এ গন্ধ ছড়ায়;
    না, অরণ্যের হরিণ নয় সে
    মানুষ দেখে যে বিষম ডরায়।
    [কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায় অনূদিত—হাফিজ]

    মরিয়ম দরজা খোলার মধুময় ছন্দে দু’কদম পিছিয়ে আসে–এ প্রস্তুতি-পর্ব। তারপর বেহেশত আর দোজখের মাঝখানের দুয়ার বন্ধ হতে যতখানি সময়, তারপরই শিকারের ওপর চোখ বুজে ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারি। স্বর্গারোহণেও কালবিলম্ব হয় না। বাইরের গোলাগুলি আর বিকট আওয়াজ, যা মানুষকে সন্ত্রস্ত করে, মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়, তা তাদের স্বর্গসম্ভোগে ব্যাঘাত সৃষ্টি না-করে আরোহণের মেয়াদ দীর্ঘতর করে। দুজনের মাঝখানের ফাঁকগুলো কানায় কানায় ভরে যায়।

    পরস্পরের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর সামনে যে বৈরী পৃথিবী, সেখানে মরিয়ম আর মেজর ইশতিয়াক একে অন্যের দুশমন। কেউ কাউকে বিশ্বাস করে না। প্রকারান্তরে একজন আরেকজনকে মারতেই চায় স্বর্গারোহণের সময়টুকু বাদ দিয়ে।

    তবু লাল গোলাপ আসে, মদ সহযোগে ওমর খৈয়াম, হাফিজ পাঠ হয়। বুলবুলকণ্ঠী নূরজাহান বন্ধ ঘরে মায়াজাল বুনে চলেন। প্রেম রসসিক্ত ঘন হয়। ভালোবাসা আর মদিরায় যুদ্ধের প্রহরগুলো যুদ্ধের নিয়মের বাইরে চলে যায়।

    মরিয়ম হুঁশ হারিয়ে ফেলেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে করে ভারতীয়রা যে এগিয়ে আসছে, তারপর বড় একটা যুদ্ধ হবে-অনুরাধার কথাগুলো সে বেমালুম ভুলে যায়। সে রাত-দিন এমন এক খোয়াবে বাস করে, যা ভাঙা না-ভাঙা সমান। তবে ভালো হয়, যদি বাকি জীবন এর মধ্যে থাকা যায়। ঝোলা মুখের মেজর তাকে রূপকথার দেশ আর এক রাজপুত্রের গল্প শোনায়। পঞ্চ নদের দেশ পাঞ্জাব-সুজলা-সুফলা। মোগল সম্রাটদের গড়া লাহোরকে খালি শহর বললে ভুল বলা হবে। ফুলবাগিচা, সুরম্য অট্টালিকার এক আশ্চর্য নগরী লাহোর। এর পাশ দিয়ে স্বচ্ছ জলের যে নহর বইছে, তার দু’ধার বৃক্ষশোভিত। অজানা ফুলের ঘ্রাণ পথিকের মন মাতোয়ারা করে। মরিয়ম পাঠ্যবইয়ে শালিমার বাগের ছবি দেখেছে। এর সারি সারি ঝাউবীথির পাশে যে ফোয়ারা, তার কোল ঘেঁষে টাইট কামিজ, চুড়িদার পরা মেয়েরা পায়রার মতো ঘুরে বেড়ায়। মাথার তালু ঘিরে এক ফালি দোপাট্টা সোহাগ করে গলা জড়িয়ে রাখে। তবে নিউজপ্রিন্টের ছাপার সাদা-কালো মুখগুলো স্পষ্ট হয় না। এসব অস্পষ্ট চেহারার একজন মরিয়মের মনে হয়-মেজর ইশতিয়াকের স্ত্রী। মেজর বলে, সেই মেয়েটি এখন ফুলবাগিচা-বেষ্টিত এক সুরম্য অট্টালিকায় বাস করে, যেখানে একদা এক সুখী রাজপুত্র তার স্বামী ছিল। যুদ্ধ লাগার পর স্বামীটিকে চলে যেতে হয় বাংলামুলুকে। সেখানে সম্মোহনী চোখ আর কালো কেশরাশির বিরল প্রজাতির নারীদের বাস। তারা জাদুকরী। তাদের মোহিনী রূপ সেই কোন কালে মেজর ইশতিয়াকের পূর্বপুরুষদের বশ করেছিল, সেই লোকগুলো পশ্চিম ভারতের রুখুশুকু, লাবণ্যহীন নারীদের কাছে আর ফিরে আসেনি। সেখানেই থেকে গিয়েছিল। স্বামী হারানোর বেদনা এ মহিলারা ভুলতে পারেনি, বংশপরম্পরায় আজও তা বয়ে বেড়াচ্ছে।

    মেজর ইশতিয়াকের বুকপকেট থেকে বেরিয়ে আসে গোলাপি লিপস্টিক রঞ্জিত ঠোঁট, সরু আঁকা জ্বর এক ভয়ার্ত নারী। চিঠিতে যে বারংবার স্বামীকে চরিত্র ঠিক রাখার কসম খাওয়ায় আর অনবরত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। খান্দান রক্ষার্থে সে আত্মঘাতিনীও হতে পারে, যদি জানে যে, তার খসম জাদুটোনার খপ্পরে পড়ে কালো কালো বাঙালি নারীর শাড়ির আঁচল ধরা হয়ে গেছে এবং ঠিকমতো যুদ্ধ করছে না। মেজরের স্ত্রী জর্জেটের স্বচ্ছ ওড়নার ফাঁক দিয়ে বারো শ’ মাইল দূর থেকে ঘৃণা আর অবিশ্বাস নিয়ে মরিয়মের দিকে তাকায়। জাদুকরীর তাতে ভাবান্তর হয় না। সে তখনো এসব হিসাব-নিকাশের বাইরে। তা ছাড়া মানুষের জীবনই যেখানে মিথ্যা, সেখানে একটা ফটোর মূল্য কী। কিন্তু ছবিটাকে উপলক্ষ করে কদিন পর প্রেমিক-প্রেমিকার মনে ভাটার টান লাগে। জোয়ারের ঢেউগুলো বিষাক্ত শৈবালের মতো তাদের শুকনো বেলাভূমিতে আছড়ে ফেলে ক্রমে দূরে সরে যায়। কী আশ্চর্য! মরিয়মের হঠাৎ হুঁশ ফেরে, খুনি-ধর্ষক লোকটাকে নিয়ে গত কয়েকটা দিন সে মাতোয়ারা ছিল! যার বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানও রয়েছে! যে তাকে বিশ্বাস করে না পর্যন্ত! তালাবন্ধ ঘরে রাতদিন আটকে রেখেছে। লাল গোলাপ, সিল্ক শাড়ি, গজল–সব মেকি আর প্রেমটা হচ্ছে চাতুরী। সত্য যে, লোকটা তাকে ভালোবাসে না, সে তার জন্ম-জন্মান্তরের শত্রু।

    এদিকে মেজর ইশতিয়াক মনে করে বাঙালিরা মানুষ না–প্যাট, পোষ্য, বিড়াল স্বভাবের। আশপাশে মিউমিউ ডাক ছাড়বে। কোলে বসে চোখ বুজে দোল খাবে। কিন্তু সুযোগ পেলে আঁচড়টা-খামচিটা দিতে ভুল করবে না। মেজরের দুঃখ যে, ইংরেজদের মতো তারা সঠিকভাবে দেশটা শাসন করতে পারেনি। তাই দুই শ বছরের জায়গায় চব্বিশ না পেরোতেই দুর্ভোগের একশেষ। আত্মসমালোচনাটা মেজর ইশতিয়াক এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই করে। তাই বন্ধুমহলে উদারনৈতিক হিসেবে তার খুব নামডাক। মরিয়মকে একদিন ‘আর ইউ হিন্দু অলসো?’ মেজর ইশতিয়াক দুম করে প্রশ্নটা করে বসে। এ প্রশ্নের কী জবাব দেওয়া যায়? হিন্দু বললে মেজর তাকে মেরে ফেলবে? মলিনা গুপ্তের স্বামী, শ্বশুর, ভাশুর, আর শোভা রানীর স্বামীর মতো?

    মরিয়ম মুসলমান শুনেও মেজর ইশতিয়াকের রাগ পড়ে না। বাঙালি মুসলমান আবার মুসলমান নাকি! হিন্দুরা তাদের কাফের বানিয়ে ফেলেছে। মুসলমান ভ্রাতৃত্বের মাঝখানে সুকৌশলে ছুরি চালিয়ে দু’ফালি করে দিল শালার মালাউনরা। ব্লাডি ওয়ারের একটা ভালো দিক মেজর মনে করে, তারা হিন্দুদের পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিলম্বে হলেও নিশ্চিহ্ন করতে পেরেছে। বাকিগুলো এখন ভারতের শরণার্থী ক্যাম্পে কলেরায় ধুকে ধুকে মরছে। ওই নরক থেকে কাফেরগণের আর ফিরতে হবে না।

    এদিকটা বাদ দিলে সত্য যা–মেজর ইশতিয়াকের যুদ্ধ করতে আর ভালো লাগে না। সে ক্লান্ত। শত্রুপক্ষের সৈন্যদলের সঙ্গে লড়াই করলে জয়-পরাজয় থাকে। কিন্তু নিরস্ত্র সিভিলিয়ানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা আর ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করা, তার মনে হয় একই ব্যাপার। এর শুরু আছে, শেষ নেই।

    অবশেষে আসল যুদ্ধটা ঘোষণা দিয়ে শুরু হলো। জন্মাবধি একে অপরের শত্রু–পাকিস্তান আর হিন্দুস্তান আবারও পরস্পরের মুখোমুখি। এবার কাশ্মীর বা রান অফ কাঁচ নয়-বাংলা। পশ্চিম সীমান্তে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার খেলা যখন চলছে, পূর্বে যুদ্ধটা ঝড়ের আকার ধারণ করে। ঝটিকা ঝড়, যার মেয়াদ মাত্র বারো দিন। জেনারেল ব্যাঘ ওরফে নিয়াজির তখত টলে ওঠে, গর্জন থেমে যায়, ভূগর্ভস্থ কক্ষে অস্থির পদচারণা শুরু হয়। সেখানে নিরাপদবোধ করার কোনো কারণ ছিল না। কেননা দেয়ালের মানচিত্রের তিরচিহ্নগুলো একই সঙ্গে নির্দেশ করছে পাকিস্তানিদের পশ্চাদপসরণ আর ভারতীয়দের অগ্রযাত্রা। টেলিফোন, বেতারযন্ত্র মারফত একের পর এক তার অধস্তনদের পথ হারানোর, আত্মসমপর্ণের, ডুবে মরার খবর আসছে। অথচ পশ্চিম অর্থাৎ কেন্দ্র নির্বিকার।

    মেজর ইশতিয়াকরা শক্ৰবেষ্টিত। এই অবস্থায় ভূগর্ভস্থ কক্ষ থেকে ইস্টার্ন কমান্ডের নির্দেশ আসে-শতকরা পঁচাত্তর ভাগ কেজুয়্যালটির আগে ডিফেনসিভ পজিশন ছেড়ে কেউ পালাতে পারবে না। নির্দেশটা মৃত্যুর পরোয়ানা। ভূগর্ভস্থ নির্দেশটিকে মেজর ইশতিয়াক বিচার করে বাস্তবতার নিরিখে। শত্রু জল, স্থল, অন্তরীক্ষ–সর্বত্র বিরাজমান। এ অবস্থায় যুদ্ধ নিরর্থক, পালানো কাপুরুষতা। তারপর বাকি থাকে মৃত্যু। ‘মুজে মাফ কর্‌ দো’ বলে ভারতীয়দের বোমাবর্ষণের মধ্যে সে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায়। মরিয়ম হতভম্ব। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শোনে দরজায় তালা লাগানোর ঝনঝন আওয়াজ। ‘এই, এই কী হচ্ছে? প্লিজ লেট মি ফ্রি, আই বেগ ইউ!’ সে দৌড়ে যায় দোর পর্যন্ত। বাইরে থেকে তখন জবাব আসে, ‘অর্ডার নেই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }