Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. বুলি আজও তোরে ভুলি নাই

    বুলি আজও তোরে ভুলি নাই

    আতা মিয়া উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে যখন শহরে ঢোকে, তখন দক্ষিণ সীমানা থেকে ৭/৮ মাইল দূরে পাকবাহিনী-যৌথবাহিনীর তুমুল লড়াই চলছে। পথেই পাড়াতুতো এক মুক্তিযোদ্ধা ভাইয়ের সঙ্গে দেখা। ছেলেটা অস্ত্র খুইয়ে কোনোরকমে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে এসেছে। উদ্ভ্রান্ত চেহারা। দুই দিন তিন রাত একনাগাড়ে যুদ্ধ করেছে। সে বলে, পাকবাহিনী এক ইঞ্চি জমিনও ছাড়তে রাজি নয়, শস্যখেত ভরে গেছে লাশে লাশে। ওখান থেকে যুদ্ধের আওয়াজ এলেও শহরের অবস্থা স্বাভাবিক। রাস্তাঘাটে কিছু মানুষ লুটপাট নিয়ে ব্যস্ত। কারো দিকে কেউ তাকাচ্ছে না। আতা মিয়াদের পাশ দিয়ে সেমাইয়ের পোটলা হাতে একজন দৌড়ে চলে যায়। অদূরে বাড়িঘরের দরজা-কপাট ভেঙে কিছু লোক ভ্যানে তুলছে। কোমরে পিস্তল ঝুলিয়ে রিকশাভর্তি লেপ-তোশকের ওপর পা ছড়িয়ে বসে একজন আসছিল তাদের দিকে। পাড়াতুতো ভাই বলে, ‘শালারে হ্যান্ডসআপ করায়ে পিস্তলডা নে, আমার অস্ত্রের দরকার।’ যে কথা সেই কাজ। লোকটা পিস্তল ফেলে লেপ-তোশকের রিকশা থেকে লাফিয়ে নেমে দৌড়ে পালাল। বুলেট নেই পিস্তলে। ‘শালা মাগনা পেয়ে তুলে নেইছে। যা-ই হোক, যুদ্ধের সোমায় হাতে লগার-ফগার কিছু থাকা ভালো।’ তারা আবার হাঁটতে শুরু করে। পথিমধ্যে শোনে যে, বোমায় পা উড়ে গেছে তাদের পরিচিত ফ্রিডম ফাইটার একজনের। তাকে আহত অবস্থায় সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে যাওয়ার পথে আরেক কাণ্ড। কয়েকটা পাঞ্জাবি সৈন্য কোথা থেকে রাস্তায় এসে পড়ে। পাবলিক তাদের দেখে। জয় বাংলা স্লোগান দেয়। ভয়ে পাঞ্জাবিরা চাইনিজ স্টেনগান দিয়ে ব্ল্যাংক ফায়ার। করলে পাবলিক ভাবে, পাকবাহিনী আবার এসে গেছে, তারা রাস্তার ধারের দোকানপাট ভেঙেচুরে দেয় দৌড়। আতা মিয়ারাও দাঁড়িয়ে থাকার কোনো কারণ দেখে না। দুজনের হাতেই অস্ত্র আছে, তবে গুলি সাকল্যে দুটি, তা-ও আতা মিয়ার কোমরের গামছায় বাঁধা। সে তো যুদ্ধ করবে না বলেই শত্রুমুক্ত শহরে ঢুকেছে। তাই তার প্রস্তুতিও নেই।

    হাসপাতালের অবস্থা করুণ। সেখানে কোনো ডাক্তার নেই। সিভিল সার্জন যে, সে অবাঙালি, চিকিৎসা করবে কী, নিজেই প্রাণের ভয়ে পালিয়েছে। নার্সরা ছোটাছুটি করে কোনোরকমে কাজ চালাচ্ছিল। ‘তখন তো হাসপাতালে দুইশ-আড়াইশ বেড ছিল না, ডাক্তারও কম।’ আতা মিয়া মুক্তিকে বলে, ‘ধরেন আজকে যেমন নাকের ডাক্তার হয়েছে, কানের ডাক্তার হয়েছে–একটা হসপিটালে বিশ রকমের ডাক্তার, তখন তো এসব ছিল না! তা-ও সদর হসপিটালে যে কজন ছিল–পলাইছে।’

    এদিকে রণাঙ্গন থেকে আহতদের এনে তোলা হচ্ছে সদর হাসপাতালে। মুক্তিযোদ্ধারা কোত্থেকে এক ডাক্তার ধরে আনে। একা কী করবে সে। যার পেটে গুলি ঢুকে আছে, তার তো জরুরি অপারেশন দরকার, অথচ তাকে ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পানি নেই, বাতি নেই। রাতে আবার বিমান হামলার আশঙ্কায় শহর নিষ্প্রদীপ। আতা মিয়া রোগী দেখতে এসে ফেঁসে যায়। পাড়াতুতো ভাই যুদ্ধ থেকে ফিরেছে, তার বিশ্রাম দরকার, কোন ফাঁকে সে সরে পড়েছে। আতা মিয়ারও কেটে পড়ি পড়ি ভাব। হঠাৎ ঠা-ঠা করে গুলি ফাটল। বোঝা যাচ্ছে ব্ল্যাংক ফায়ার-পাকসেনারা আবার ফিরে আসলো নাকি! আতা মিয়া তখনো জানে না যে, তা বিজয়োৎসবের। সে অন্ধকার হাসপাতালের করিডোরে নেমে আসে। গুলির আওয়াজেই সম্ভবত, করিডোরের রোগীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। যারা চলতে-ফিরতে সক্ষম তারা বাইরে বেরিয়ে আসে। উল্টো দিক থেকে হনহন করে হেঁটে আসে জোর করে ধরে আনা সেই ডাক্তার। এসেই মাথায় আর হাতে ব্যান্ডেজ বাধা সামনের। রোগীটাকে বুকে জড়িয়ে একটানে মাথার ওপর তুলে ফেলে। তাকে নামিয়ে আরেকজনকে। এভাবে পাঁচজনের সময় ডাক্তার আর লোকটিকে মাথায় তোলে না। শূন্য থেকে ছেড়ে দিয়ে আতা মিয়াকে স্টেনগানসহ জাপটে ধরে, ‘মুক্তিযোদ্ধা ভাই, দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। আমরা স্বাধীন। স্বাধীন দেশের নাগরিক।’

    ডাক্তারের চিৎকার করিডোর ছেড়ে পুরুষের ওয়ার্ড পেরিয়ে বন্ধ দরজার ওপাশে। মহিলা ওয়ার্ডের একমাত্র রোগী মরিয়মের কানে পৌঁছায়। এতে তার কোনো ভাবান্তর। হয় না। ইস্পাহানি স্কুল থেকে গতকাল তাকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। আগের। দু’দিন মরিয়মের অবস্থা ছিল চিড়িয়াখানার জন্তুর মতো। দলে দলে লোক দেখতে। আসছিল। অন্য মেয়েরা কে কোন দিকে চলে গেছে। সে একা। খাওয়া না, নাওয়া না, মানুষের ঠাট্টা-মশকরা শুনে শুনে সে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ে। বমি কিছুতেই বন্ধ। হচ্ছিল না। হাসপাতালে আনার পর একজন নার্স যত্ন করে গোসল করিয়ে তাকে বমির ওষুধ খাইয়ে দেয়। সেই থেকে সে ঘুমাচ্ছে।

    সেদিন বিকেলে জেনারেল নিয়াজি যখন আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করছিলেন, মরিয়ম তখন ওষুধের ঘোরে প্রবেশ করে সেখানে, যেখানে শালিমার বাগ আছে আর শহরটার নাম হচ্ছে লাহোর। সে লাহোরের সবুজ ঘাসের গালিচার ওপর দিয়ে খালি পায়ে হেঁটে যায়, ফোয়ারার ধারে চকিতে দাঁড়ায়, সারি সারি ঝাউবীথির মনোরম শোভা উপভোগ করে। কিন্তু টাইট কামিজ আর চুড়িদার পরা, গলায় দোপাট্টা প্যাঁচানো কোনো নারীকে সেখানে দেখতে পায় না। দৃশ্যটা তাকে স্বস্তি দেয় এবং ভবিষ্যতের জন্য একটা দরজা খোলা রেখে সে ফের ঘুমিয়ে পড়ে।

    আতা মিয়া ডাক্তারের বাহুবন্ধন থেকে ছাড়া পেয়ে দৌড়ে বেরিয়ে যায়। সে এখন বিজয়োৎসব করুক চাই না করুক, তার জন্য হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়াটা জরুরি। বাইরের অবস্থা তখন আরো হতাশাজনক। দিনের বেলা লুটপাট, পাকহানাদের ব্ল্যাংক ফায়ার–সব মিলিয়ে পরিস্থিতি খুব প্রাণবন্ত ছিল। এখন একে মনে হচ্ছে একটা মরা শহর। পথচারী বলতে একা আতা মিয়া। হাঁটতে হাঁটতে সে টাউন হলের সামনে আসে। ওখানে কয়েকটা খাবার হোটেল। মিষ্টির একটি মাত্র দোকানে ভিড় লেগে আছে মানুষের। দোকানের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে বিজয়োৎসব করার জন্য একজন রিকশায় বসে মাইকিং করছিল। উৎসবই বলে হচ্ছে না, তার আবার শান্তি-অশান্তি! একটুখানি উৎসব করার জন্য আতা মিয়ার মনটা ছটফট করে। এর আগে দু-চারটা মিষ্টি খাওয়া দরকার। পকেটে পয়সা নেই তো কী, কাঁধের স্টেনগানই যথেষ্ট। আতা মিয়া মুক্তিকে কৈফিয়ত দিয়ে বলে, ‘ওইসব দিনে মুক্তিবাহিনীরে মানুষ ফিরিই খাওয়াইছে। টেনে টেনে বাড়ি নিয়ে বিছনা পাইতে বলেছে–ভাইজান ঘুমাই পড়েন।’ তবে আতা মিয়ার সেদিন মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা পূরণ হয় না। দোকানে পৌঁছানোর আগেই কাঁচের আলমারির তাক সব ফাঁকা। দোকানদার হাত কচলায়, ‘স্যার, ময়দা আছে, দুইডা পরোডা বানাই দিই?’ পরোটা ভাজার আগেই মাইকিং বাদ দিয়ে ফ্রিডম ফাইটার শাহজাহান সিদ্দিক রিকশা থেকে নেমে আসে। কত দিন পর দেখা, মুখভর্তি দাড়ি-গোঁফ, প্রথম একজন আরেকজনকে চিনতে পারেনি। কোলাকুলির পর বলে যে, ‘দোস্ত উপশহরে গন্ডগোল শুরু হয়ে গেছে। এখন পরোটা খাওয়ার সময় নয়। পরে তোরে আমি গোশত-ভাত খাওয়াব-চল।

    উপশহরে বাস করে বিহারিরা। আতা মিয়া আর শাহজাহান সিদ্দিক ওখানে মাইকে স্লোগান দেয়, ‘বাঙালি-বিহারি ভাই ভাই/এক থালাতে ভাত খাই। তুমি কে আমি কে/ স্বাধীন বাংলার নাগরিক।’ তাদের স্লোগান, অভয়বাণী বিহারিরা শুনছে বলে মনে হয় না, শুনলেও বুঝতে পারছে বলে মনে হয় না। তাদের দরকার নিরাপদ আশ্রয়। এদিকে রাত গম্ভীর হচ্ছে। তারা যখন শাহজাহান সিদ্দিকের ডেরায় ফিরে আসে, ততক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের হাট বসে গেছে ওখানে। কে কার চেনা বা অচেনা, কে বড়লোক বা ঘোটলোক এসব নিয়ে চিন্তাভাবনার আপাতত দরকার নেই। সবাই বীর মুক্তিযোদ্ধা, সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় দেশ স্বাধীন হয়েছে। তাদের কথারও শেষ নেই। বীরত্বের কথা, দুঃখের কথা, কষ্টের কথা, আনন্দের কথা বলতে বলতে রাত কাবার। মাঝখানে দু’দুবার পাশের হোটেল মাংস-ভাত সরবরাহ করে। তারা যখন ঘুমাতে যায়, স্বাধীন দেশের প্রথম সূর্যকিরণ ততক্ষণে হামাগুড়ি দিয়ে তাদের পায়ের কাছে লুটিয়ে পড়েছে।

    পরদিন সন্ধ্যায় আতা মিয়া নিজেকে আবিষ্কার করে শহরের তস্যগলির শেষ মাথায় জোড়া তালগাছের পেছনে টিনের চাল আর বাঁশের বেড়ার একটা শোকার্ত বাড়ির সামনে। তালগাছ দুটি মোটা আর লম্বা হওয়া ছাড়া বহির্বাড়ির কোনো পরিবর্তন হয়নি। কিন্তু অন্দরমহলের চেহারা করুণ। ফুপুর মোটাকাটা শরীরটা শুকিয়ে চেরা তক্তার মতো পাতলা হয়ে গেছে। একসময়ের তেল জবজবে কালো চুল এখন রুক্ষ আর সাদা। সুখী গৃহিণীর খোঁপা ভেঙে তা পিঠের ওপর লুটাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা ভাইপোকে দেখে ফুপু হাউমাউ করে কেঁদে উঠে কী বলেন স্পষ্ট বোঝা যায় না। ফুপাজানের শহিদ হওয়ার খবর আতা মিয়া ফুপাতো বোন দুলির কাছ থেকে তখন। শোনে। কোনো অপরাধ ছাড়াই মিলিটারিরা তালগাছের গোড়ায় তাকে গুলি করে। দুই দিন দুই রাত লাশটা জোড়া তালগাছের চিপায় পড়ে ছিল। মুসলমান মুসলমানের কবর দেবে, ফরজ কাজ, তবু ভয়ে কেউ এগিয়ে আসে না। কুকুর আর কাকের উপদ্রপে যখন পাড়ার লোকজন অস্থির, দুর্গন্ধে টেকা দায়, তখন দুলির স্বামী আমজাদ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লাশের পাশেই গর্ত খোঁড়ে। দুলি পচাগলা বাপজানের শরীরটা কবরে নামাতে হাত লাগায়। তারপর কচি ঘাস-দুব্বো দিয়ে কবরটা ঢেকে দেয় রাতারাতি। মাত্র দুই মাসের পুরোনো কবর, আতা মিয়া তাই জোড়া তালগাছ পার হওয়ার সময় প্রথম দর্শনে তা শনাক্ত করতে পারেনি। কবর জিয়ারত করার সময়ও তার মনে হচ্ছিল, ফুপাজান আবদুল করিম-চল্লিশ বছর যিনি কোর্টের পেশকার ছিলেন, তিনি এখানে শায়িত আছেন তো, নাকি সে জ্যান্ত তালগাছ দুটির রুহের মাগফেরাত কামনা করছে!

    ‘তোর ফুপারে নিয়ে যে শোক করব, তা আমার নসিবে ছিল না রে, বাপ। তিরিশ বচ্ছর একসঙ্গে ঘর করলাম, এক চালের নিচে থাকলাম, মানুষটা চোখের সামনে গুলি খেয়ে ঘাপাতে ঘাপাতে মরি গেল, এক ফোঁটা চক্ষের পানি ফেলতি সময় পালাম না আমি! আমার বিপদের কোনো শেষ আছে?’

    কথা বলতে বলতে ফুপু হঠাৎ থেমে যান। দুলি, আমজাদ আমতা আমতা করে। আতা মিয়ার টনক নড়ে, ‘বুলি কনে ফুপু আম্মা? ওরে যে দেখতে পাচ্ছিনে!’ বাড়ির চার-পাঁচ বছরের মেয়েটি এতক্ষণ হাঁ করে স্টেনগান দেখছিল, এই প্রথম তার কথা বলার সুযোগ আসে। সে স্টেনগানের ফিতা ধরে টান দেয়, ‘বুলি খালারে মিলিটারি ধরে নে গেছে, মামা।’ সঙ্গে সঙ্গে ফুপু ডুকরে কেঁদে ওঠেন, আর দুলির মেয়েটা আগ বাড়িয়ে কথা বলার জন্য মায়ের হাতে দুমদুম কিল খায়।

    স্বাধীন বাংলাদেশের কোথাও কি এক ফোঁটা শান্তি নেই? কুত্তার বাচ্চারা কী করে থুয়ে গেছে দেশটার? আতা মিয়ার আর সহ্য হয় না। সে বাইরের দিকে পা বাড়াতে ফুপু খপ করে তার স্টেনগানের ফিতা ধরে ফেলেন, ‘বাজান কনে যাচ্ছিস। যাওয়ার আগে তোর ফুপুরে মাইরে থুয়ে যা।’ এখন ঠ্যালা সামলাও! পেছনে কুপির সলতেটা ফুপুর আহাজারিতে কেঁপে কেঁপে উঠছে। আতা মিয়া নিষ্কম্প। স্থির দাঁড়িয়ে ভুতুড়ে তালগাছ দুটির দিকে তাকিয়ে সে ভাবে, যুদ্ধের পরও যে আরেক যুদ্ধ, এর জোয়াল বয়ে বেড়ানোর দায় আছে কি না একজন মুক্তিযোদ্ধার। কমলগঞ্জের মর্জিনা বিবিকে সে চিনে না, দেখেওনি কোনোদিন অথচ মা মদিনা উঠোনে লাশ রেখে তার হাতে মেয়েকে সঁপে দিতে চাইলেন। তার একটা মন পড়ে আছে ওখানে। এদিকে ফুপুও তার পর নয়। দুই মাস আগে ফুপাজানকে মেরে ফুপাতো বোন বুলিকে ধরে নিয়ে গেছে মিলিটারিরা। এই বুলির সঙ্গেই একবার আতা মিয়ার বিয়ের কথা হয়েছিল। পাত্রের পড়ালেখা কম থাকায় প্রস্তাবটা টেকেনি। মানুষের জীবনে কখন যে কী হয়! এলাকা শত্রুমুক্ত হয়েছে তো চার দিন। আমজাদ হোসেন এ কয় দিন শালির জন্য কী করেছে? নাকি শ্বশুরের লাশ মাটি চাপা দিয়েই তার দায়িত্ব শেষ?

    এবার তার প্রশ্নের জবাব দেয় বুলির বড় বোন দুলি। মুন্নির আব্বা একা মানুষ, কী করবে। তুমি যখন আসি পড়িছো একটুখানি দেখো দিনি ঘটনাটা কী!’ ফুপু মেয়ের চেয়ে এককাঠি বাড়া। তিনি ভাইপোকে জড়িয়ে ধরে বলেন, দেশ স্বাধীন হইয়ে গেল রে বাপ, আমার মেয়ে কই? তোরা তারে এনে দে। বুকের আগুন আমি পানি ঢালি নিবাই।’ দুই মাস বুকে পাষাণ বেঁধে পড়ে থাকলেও ফুপুর আর একমুহূর্তও তর সইছে না, তিনি নিজের বুকে দুমদুম কিল বসাচ্ছেন। এদিকে আমজাদ হোসেন সোয়েটার গায় দিয়ে রেডি, শালিকে সে মুক্তিযোদ্ধা আতা মিয়ার সঙ্গে খুঁজতে যাবে।

    সব শুনে শাহজাহান সিদ্দিক চার-পাঁচ জায়গার নাম দিয়ে বলে, ‘এখন কি আর খুঁজে পাবি? বেঁচে থাকলি তো এদ্দিনে নিজবাড়িই ফিরত। তবে এমনও হতি পারে লজ্জায় সে মুখ দেখাতি পারছে না। দ্যাখ তবে চেষ্টা করে।’

    শাহজাহান সিদ্দিকের সঙ্গে কথা বলে আতা মিয়া আর আমজাদ হোসেন সোজা নদীর পাড়ের ভাগাড়ে চলে যায়। পরে ভাগাড়টার নাম হয় কালীতলা বধ্যভূমি। তারা প্রথম সেখানে যায়, কারণ জায়গাটা কাছে আর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা যেহেতু বুলির কম-শাহজাহান সিদ্দিক বলে দিয়েছে। সেখানে তখন শয়ে শয়ে কেরোসিনের লম্প। মানুষ আপনজনের লাশ খুঁজতে বেরিয়েছে হারিকেন দিয়ে। কত দিনের পচাগলা লাশ, বেশির ভাগই কঙ্কাল। কার লাশ কে নিয়ে যাচ্ছে। আতা মিয়াদের সঙ্গে হারিকেনও নেই। তারা ভাগাড় থেকে চলে যায় উপশহর, যেখানে বিহারিদের আবাস। বিহারিরা পাকবাহিনীর যোগসাজশে নয় মাস বাঙালি কেটে কেটে ম্যানহোল ভরেছে। এবার পাল্টাপাল্টির সময়। সেই রাতে ম্যানহোলের ঢাকনা তুলে পচাগলা যে কটা বাঙালির লাশ তোলা সম্ভব হয়, সেই খালি জায়গায় কেটে কেটে ফেলতে থাকে বিহারির লাশ। এই চলে পরদিন ভোর পর্যন্ত। সকালের দিকে সেই যে শাহজাহান সিদ্দিক বলেছিল ‘এমনও হতি পারে সে লজ্জায় বাড়ি যাতি পারছে না’ কথাটা মনে পড়তে আতা মিয়া আর আমজাদ হোসেন নয়াবাজারের বাংকারের দিকে ছোটে। সঙ্গে নেয় বুলির লজ্জা নিবারণের জন্য একখানা নাইলনের শাড়ি, যা কাঁধের স্টেনগান দেখিয়ে আতা মিয়া চকবাজারের এক আড়তদারের কাছ থেকে সংগ্রহ করেছে। শাড়িটা সঙ্গে নিয়ে লাভ হয়নি। বাংকারে সেদিন কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পাকবাহিনীর মাইনে পড়ে এক মুক্তিযোদ্ধার হাত-পা উড়ে গেছে। তাকে নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানি। দ্বিতীয় দিনে মিত্রবাহিনীর সার্চ করা নয়াবাজারের বাংকারে তারা কোনোরকমে প্রবেশ করে। সেখানে হাতের চুড়ি, শাড়ি, লম্বা চুলের গোছা সব আছে, মানুষ নেই। তারপর তারা যায় আইয়ুব স্কুলে, পরে যার নাম হয় এ কে ফজলুল হক স্কুল। স্কুলে গিয়ে দেখে টুল-বেঞ্চি-ব্ল্যাকবোর্ডহীন একটা ক্লাসরুমে কয়েকটা মেয়ে মুখ ঢেকে নতুন বউয়ের মতো বসে রয়েছে।

    স্কুলঘরের চারদিক থেকে কৌতূহলী মানুষ উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে। গেটে সশস্ত্র সান্ত্রি। মুক্তিবাহিনীর কয়েকটা ছেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে। ছেলেছোকরাদের জানালা থেকে নামানো হয় তো তারা বাউন্ডারি ওয়ালের ওপর চড়ে বসে। বা বানরের মতো লাফিয়ে লাফিয়ে গাছের মগডালে উঠে যায়। ইতিমধ্যে গাছ থেকে পড়ে দুটি ছেলের পা ভেঙেছে। সব শুনে একজন চেনা মুক্তিযোদ্ধা আতা মিয়াদের নির্ধারিত কক্ষে নিয়ে আসে। তারপর মুক্তিযোদ্ধার কথামতো বুলির নাম, তার আব্বার নাম বলে স্কুলের রোল-কল করার মতো তারা দুজন চারবার ডাক ছাড়ে। কিন্তু মুখঢাকা মেয়েগুলো সাড়া দেয় না। একজন শুধু শেষবার ডাকার সময় শীর্ণ একটা হাত বের করে পিঠ চুলকায়। আতা মিয়া তাকে বুলি মনে করে এগিয়ে যেতে চাইলে তাকে হাত তুলে বাধা দেয় মুক্তিযোদ্ধা ছেলেটি। মুখে বলে, ‘আপনি যা ভাবিছেন তা না, গর্তে থাকি থাকি ওদের গায়ে উকুন পড়ে গেছে। হাত দিয়ে চুলকোচ্ছে তাই।’ তারপর রাইফেলের বাঁট নিয়ে নিজের গা চুলকাতে চুলকাতে মুক্তিযোদ্ধা ছেলেটি হাসপাতালের বেড খালি হওয়ামাত্র তাদের ওখানে স্থানান্তর করা হবে বলে জানায়। কিন্তু আতা মিয়ার সন্দেহ দূর হয় না। সবার গায়ে গুঁড়ি গুঁড়ি উকুন থাকলে, তাদের একজন খালি পিঠ চুলকাবে কেন, যখন সে বুলির নাম ধরে ডাকছিল! ‘কিন্তু সবকিছুর একটা নিয়ম আছে,’ চেনা মুক্তিযোদ্ধা বলে। ‘কেউ নিজের মুখ দেখাতে না চাইলে আপনি জোর করে দেখতে পারেন না।’ এ ছাড়া আতা মিয়া নিজে একজন মুক্তিযোদ্ধা। সর্বাগ্রে তারই তো নিয়ম মানা উচিত।

    এরপর তারা হাসপাতালের দিকে হাঁটতে শুরু করে। যদিও বেড খালি না হলে মেয়েগুলোকে ওখানে স্থানান্তর করা হবে না। আইয়ুব স্কুল আর সদর হাসপাতালের মধ্যিখানে টাউন হল ময়দান। ওখানে তখন এ অঞ্চলের যুদ্ধবন্দিদের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া চলছে। জায়গাটা ঘিরে রেখেছে মিত্রবাহিনী। পাবলিক মাঠের বাইরে থেকে শ্লোগান দিচ্ছে, ‘একটা একটা সৈন্য ধরো, সকাল-বিকাল নাস্তা করো। বিচার চাই বিচার চাই, ইয়াহিয়ার বিচার চাই। বিচার চাই বিচার চাই, নরহত্যার বিচার চাই। ইয়াহিয়া-ভুট্টো, কুত্তার বাচ্চা কুত্তো।’ সেখানে আতা মিয়ার সহযোদ্ধারা মহা ব্যস্ত। তারা কোনো-না-কোনোভাবে নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় জড়িত হয়ে গেছে, যা বুলিকে খোঁজার চেয়ে উঁচুদরের কাজ। আতা মিয়াও তাতে শরিক হয়। এই ফাঁকে আমজাদ হোসেন তার কাছ-ছাড়া হয়ে গেলে, দুই রাত দুই দিন পর টাউন হল ময়দানের সামনে বুলিকে খোঁজাখুঁজির ইতি ঘটে।

    মেয়েটা মরে গেল না বেঁচে রইল–আতা মিয়া একজন মুক্তিযোদ্ধা, পথে পথে ঘুরেও এর সুরাহা করতে পারল না, ফুপুকে মুখ দেখাবে কেমন করে! পরদিন কাউকে কিছু না বলে সে শহর ছেড়ে চলে আসে। যায় কমলগঞ্জ। মর্জিনা বিবির তখনো ইদ্দতকাল চলছে। এ অবস্থায় শাদি নাজায়েজ। তখন সবে দেশ স্বাধীন হয়েছে। আইনকানুন ঢিলেঢালা। রাজাকারি করুক চাই না-করুক গাঁয়ের মোল্লা-মৌলবিরা পলাতক। তাই তাদের শাদিটাও নিয়ম ভঙ্গ করে হয়ে যায় নির্বিঘ্নে।

    ঢাকার স্টেডিয়ামে অস্ত্র জমা দিয়ে সরকারি কম্বল হাতে আতা মিয়া এ গাঁয়েই ফেরে। এখানে বৃদ্ধ আছেন কারবালার পুঁথি নিয়ে, আতা মিয়া আছে মর্জিনা বিবি, তাদের ছেলেমেয়ে আর গার্লস স্কুলের দফতরির চাকরিটা নিয়ে। এখনো আতা মিয়া ভুলতে পারে না শীর্ণ হাতের মেয়েটির কথা, যে তার ডাক শুনে পিঠ চুলকাচ্ছিল অথচ মুখ দেখাতে চায়নি। কিন্তু সে বুলি হয়ে থাকলে এত দিনে কি বাড়ি ফিরত না?

    বেঁচে থাকলেই সবাই বাড়ি ফিরেছে–তা কিন্তু নয়। আতা মিয়া টাউন হল ময়দানে যুদ্ধবন্দিদের নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়ায় যখন উঁচুদরের ভূমিকা রাখছিল, তখন কাছের সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে কিছু মেয়ে জড়ো হয়। তারা কেউই উদ্ধারকারীদের নিজের বাড়ির ঠিকানা দেয়নি। পরদিন ঢাকাগামী ভারতীয় মিলিটারি কনভয়ের যাত্রী ছিল ওরা। সঙ্গে যুদ্ধবন্দি পাকসেনারাও ছিল। মেজর ইশতিয়াকের কপালে, হাতে কমলগঞ্জের গণপ্রতিরোধের ফলক–দগদগে কাটা ঘা। উন্মুক্ত, ব্যান্ডেজহীন। ফেরি-পারাপারের সময় পদ্মার উত্তাল তরঙ্গের দিকে তাকিয়ে মেজর আহত হাত তুলে আনমনে একটা মাছি তাড়ায়। তা দেখে ফেরির পানিবিক্রেতা ছেলেটি ভাবে, খুনি লোকটা বুঝি তাকে সালাম দিচ্ছে। সে সালামের প্রতি-উত্তরে মেজরকে গাল দেয়, ‘শালা বাইনচোত!’ কেউ কিছু বলছে না যখন, ছেলেটি বীরত্ব দেখাতে তার বাদামবিক্রেতা বন্ধুকে ডেকে আনে। এবার তাদের টার্গেট হয় মরিয়ম আর সঙ্গের মেয়েরা, যারা কেউই উদ্ধারকারীদের বাড়ির ঠিকানা দেয়নি। বাদামবিক্রেতা পানিঅলাকে বলে, ‘এই দ্যাখ দ্যাখ, মাইয়্যা গুলান মিলিটারির লগ লইছে। খানকি মাগিরা যায় কই?’

    মরিয়মের মাথার ভেতর মেজর ইশতিয়াকের তাড়িয়ে দেওয়া মাছিটা ভনভন করে উড়তে থাকে। তাদের ঘিরে রেখেছে বাচ্চা বাচ্চা ফেরিঅলারা। স্বাধীন দেশে এ কেমন সংবর্ধনা! ভারতীয় সৈন্যরা এর মর্মার্থ না বুঝেই হাসছে আর যারা হাত বাড়াচ্ছে। তাদের সঙ্গে ঝুঁকে ঝুঁকে হ্যান্ডশেক করছে।

    ভারতীয় মিলিটারি কনভয় ফেরি ছেড়ে নদীর ঢাল বেয়ে তীরে উঠলে মরিয়ম মনে মনে পদ্মাকে বিদায় জানায়। গোধূলির রক্ত বর্ণের আকাশকে নিঃশব্দে বলে, অন্য দেশের সন্ধ্যা কী রকম, আমি জানি না। কিন্তু নিজের দেশ আমাকে কী দিল। বাইশ বছর কি অনেক সময়? জীবন তার চেয়েও দীর্ঘ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }