Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. ঢাকা ত্যাগ

    ঢাকা ত্যাগ

    ২৬ মার্চ সকাল। কারফিউ চলছে। হাজি সাহেবের বাড়ির সামনের লাইটপোস্টে দড়ি বাধা কুকুরটা যে মরে পড়ে আছে, আশপাশের বাড়ির লোকজন তা শুধু জানালার পর্দা সরিয়ে দেখে, ভয়ে ঘর থেকে বেরোয় না কেউ। তখনো এদিক-ওদিক ফুটফাট গুলির আওয়াজ, বাতাসে পোড়া দুর্গন্ধ। ধারেকাছে নিশ্চয় ঘাপটি মেরে আছে ঘাতক। তা না হলে কুকুরটা মরল কীভাবে? পাড়ার প্রথম শহিদ পাহারাদার কুকুর একদিন একরাত রাস্তায় পড়ে রইল। সকালবেলায় একটা সাদা বিড়াল গুটি গুটি পায়ে মরদেহটা একচক্কর ঘুরে যায়। খানিক পর ডাক্তারের বাড়ির গলাছোলা মুরগিটা এক ঝাঁক ছানাপোনা নিয়ে এর লেজ থেকে মাথা পর্যন্ত ঠোকরায়, ঘাড় তুলে কুড়কুড়িয়ে বাচ্চাদের কী যেন বলে, তারপর জোরে কোথাও বোমা ফাটতে গম্ভীর চালে হেঁটে বাড়ির ভেতর ঢুকে পড়ে। দুপুরবেলা ডাক্তার সাহেব সাহস করে রাস্তায় নেমে শনাক্ত করেন–কুকুরটা গুলি খায় নাই, হার্টফেল করেছে। তখন ছাদে উঠে পাড়ার ছেলেরা স্বাধীন বাংলার পতাকা নামিয়ে ফেলে ঝটপট। মরা কুকুর ডিঙিয়ে কেউ কেউ ত্রস্তপায়ে এবাড়ি-ওবাড়ি যায়। কে বাঁচে কে মরে, তাদের হয়তো জরুরি কথা আছে প্রতিবেশীকে শেষবার বলার মতো।

    ২৫ মার্চ রাতে মহল্লার লোকেরা খাটের তলায়, টেবিলের নিচে, দেয়ালের আড়ালে কাঁথা মুড়ি দিয়ে বেঁচেছে, এখন অদৃষ্টে কী আছে, কে জানে। যে কুকুরটা গত দু’দিন করুণ সুরে বিলাপ করে তাদের আগাম বিপদসংকেত জানাচ্ছিল, তার নেতৃত্বের অভাবে শহরের বাদবাকি কুকুরগুলোও চুপ। টেলিফোন বিকল। রেডিওতে সামরিক আইন অধ্যাদেশের মুহূর্মুহূ প্রচার, বিরতিতে যন্ত্রসংগীত, পুনঃপুন ঘোষিত হচ্ছে-রাস্তায় বের হলেই গুলি। নানা রকম আশঙ্কায় দিনটা শেষ হয়। রাতে ইয়াহিয়ার বেতার ভাষণ শুনে চোখে সবাই অন্ধকার দেখে।

    সেই আঁধারে গা-ঢাকা দিয়ে হাজির বাড়ির দোতলার লোকটা নিঃশব্দে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে। ডানে-বাঁয়ে তাকিয়ে এক দৌড়ে রাস্তা পার হয়। লোহার গেট বেয়ে উঠে লাফিয়ে পড়ে উঠানে। কোনো শব্দ হয় না। মাটি টিউবওয়েলের জলে ভিজে কর্দমাক্ত। উঠানের বিক্ষিপ্ত ইটের সারি সে সন্তর্পণে পেরিয়ে যায়। খোলা জানালা দিয়ে লাফিয়ে ঘরে ঢোকে। অন্ধকারে প্রথম কিছুই ঠাহর হয় না। নাকে দুর্গন্ধ। রক্তপিণ্ডে পা পিছলে কয়েক গজ সামনে চলে যায়-অন্ধকারে বোঝা মুশকিল ভেজা আঠালো জিনিসটা কী। সে ডান দিকে তাকায়–কিছু নেই। বাঁয়ে তাকায়–খাট শূন্য। গেল কোথায় মেয়েটা? সে দম আটকে রেখে কান খাড়া করে। খাটের তলায় হালকা গুঞ্জন। যেন একটা বেখেয়ালি মাছি মাকড়সার জালে আটকে পড়েছে। লোকটা উবু হয়-খাটের নিচে মরিয়ম, যাকে ২৫ মার্চ রাত উড়িয়ে নিয়ে ফেলেছে ওখানে। মরে যে যায়নি, নাকের কাছে আঙুল ধরে কিংবা বুকে কান পেতে বোঝার চেষ্টা করে না। সে মেয়েটিকে খাটের নিচ থেকে টেনে বাইরে আনে। ঘরের মেঝে ভর্তি কাঁচের টুকরো আর ভেজা-আঠালো অদ্ভুত জিনিসটা। সেদিকে তার খেয়াল নেই। সে এখন এমন উত্তেজিত যে, নিঃশব্দে চলাফেরার কথাও ভুলে যায়। তবে দরজাটা সে খোলে না। হয়তো ভাঙা জানালাটা দিয়েই তার চলাচলের সুবিধা। সে টিউবওয়েল চেপে মগভর্তি পানি নিয়ে এই পথেই আসা-যাওয়া করে। মরিয়মের সারা গা ভিজে জবজবে। তবু জ্ঞান ফেরে না। কতক্ষণ ধরে বেহুশরাত ১২টার আগে নিশ্চয়ই নয়, গোলাগুলি শুরু হওয়ার পর খাটের তলায় নিজে থেকেই ঢুকেছে যখন। লোকটা আঙুল গুনে হিসাব করে, চব্বিশ ঘণ্টা পার হতে এখনো দুই আঙুল বাকি। সে অন্ধকার হাতড়ে হাতড়ে রান্নাঘরে যায়। ওখানে দিয়াশলাই, মোম, কেরোসিনের কুপি সব রাখা আছে। চুলার কাছের কাঠের তাকে হলুদ, লবণ, গুড়ো মশলার পাশে শুকনো মরিচের কৌটা। কৌটাটা হাতে তুলে নেওয়ার সময় লোকটাকে মিটিমিটি হাসতে দেখা যায়। সেকেন্ডে ১ লক্ষ ৮৬ হাজার মাইল আলোর গতিতে একটা হারানো স্মৃতি তার ওপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে-বউয়ের দাঁতকপাটি লেগে গেছে। দু’দিন যায়, তিন দিন যায়, খোলে না। ওঝা আসে বাড়িতে। মাটির মালশার তুষের আগুনে লাল টুকটুকে মরিচ পোড়ানো হয়। বউ হেঁচে-কেশে রক্ত জবার মতো চোখের পাপড়ি খোলে, যা তিন দিন আগে দু’পাটি দাঁতের সঙ্গে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তারপর বাপের বাড়ি চলে যায়। সেখান থেকে জোরজবরদস্তি আনতে গিয়েই খুনখারাবির ঘটনাটা ঘটে।

    মরিয়ম চোখ খোলে–দুটি ঘুমন্ত রক্তজবা পাপড়ি ছড়ায়। ঘরভর্তি ধোঁয়া, মরিচ পোড়ার তাণ্ডব। এই লঙ্কাকাণ্ডের ভেতর কাকে যেন সে দু’হাতে ধোঁয়া ঠেলে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে দেখে। বোতল পোঁতা বাড়িটা তাকে ভরসা দেয় না। আবার জিনপরির ভয়ে সে চেতনাও হারায় না। সুন্দরীর জলা এখান থেকে বহুদূর। ভূত-পেতনির জায়গা নিয়েছে মানুষ–শহর আক্রান্ত হয়েছে যেসব মানুষের হাতে। অদূরের গোলাগুলির আওয়াজ তাকে জানিয়ে দিতে পারত, এখনো যুদ্ধ চলছে এবং বাড়িতে সে একা। সে ভাবতে পারত, তার একটা অতীত ছিল, যা থেকে এখন সে বিযুক্ত। এমনকি আবেদের সঙ্গের সম্পর্কের গিঁটগুলোও যে যুদ্ধ লাগার ঠিক আগমুহূর্তে ছিঁড়ে গেছে, তা ভেবে সে দুঃখ পেতে পারত। মরিয়মের এসব কিছুই হয় না। সে তলপেটে সামান্য ব্যথা অনুভব করে, তার পরও বোঝে না যে, আপদ নিজে থেকে বিদায় হয়েছে। মরিয়ম শুধু অচেনা লোকটাকে ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে পানির গেলাস হাতে ফিরে আসতে দেখে। লোকটা তাকে বিছানায় শোয়ায়, মাথার পেছনে হাত রেখে চুমুক দিয়ে দিয়ে জল খেতে সাহায্য করে। তারপর গায়ের ওপর ধীরেসুস্থে চাদর টেনে দিয়ে। বেরিয়ে যায়। এসব হয়তো কোনো সিনেমার দৃশ্য। ঘর খালি হতে আরামে চোখ। বোজে মরিয়ম।

    ‘গাড়ি-ঘোড়া চলতাছে’ বলে দরজায় ঘা দিয়েই চলে যায়। সে গেট টপকে এসেছিল হাজির চোখে ধুলা দিয়ে। ঢাকা ছেড়ে লোকজন চলে যেতে শুরু করেছে। সকাল থেকে দুপুর কারফিউ-মুক্ত। ঘরের জিনিসপত্র যে যতটুকু পারে বোঁচকা বানিয়ে পিঠে, কাঁধে, হাতে তুলে নেয়। দরজায় তালা পড়ে। কোনো দিন যদি ফিরে আসতে পারে, ঘরদোর, জিনিসপত্র ফেরত পাওয়ার আশা নেই। এই মুহূর্তে জীবনটাই সবচেয়ে দামি। মরিয়মও দুর্বল শরীরে ঘরছাড়া মানুষের কাফেলায় ভিড়ে যায়। তাকে চোখে চোখে রেখে বিশাল এক বোঁচকা মাথায় হাঁটছে গত রাতের লোকটা। বোঁচকায় হাজি সাহেবের মালসামান। হাজির খাস চাকর দড়ি ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে মরা কুকুরটাকে। সকারের জন্য নয়, তাকে নাপাক জন্তুটাকে এলাকার বাইরে ফেলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাজি সাহেব। তিনি মরিয়মকে আচমকা জিগ্যেস করেন, ‘তোমার ভাই মন্টু না ঝন্টু-হে কই?’ মন্টু গ্রামের বাড়ি গেছে শুনে বিড়বিড়িয়ে মনে হলো বদদোয়া দিলেন। মেরিকে কিছু বললেন না।

    হাজি সাহেবের নেতৃত্বে পনেরো-কুড়ি জনের দলটা যখন নৌকা করে বুড়িগঙ্গা পার হয়, তখন কয়েকটা শবদেহ তাদের পাশ দিয়ে ভেসে যাচ্ছে। এদের চলায় জীবিতদের মতো তাড়া নেই। ছোট ছোট ঢেউয়ের দোলায় ভাসছে। কোথাও আটকে পড়ছে জলজ গুল্মে, আবর্জনায়। এ দৃশ্য দূর আকাশ থেকে দুরবিন-চোখে দেখছে। একদল শকুন। তখনো এদের পাখা টানটান, ধারালো নখ গুটানো। অপেক্ষাকৃত নিচ দিয়ে ওড়াউড়ি করছে কতগুলো মাংসলোভী কাক।

    বেলা চড়ে গেছে। সামনে উত্তপ্ত বালুচর। মরিয়মদের দলটা যাচ্ছে কেরানীগঞ্জের দিকে। সেখানে মহল্লার আওয়ামী লীগের সংগ্রাম কমিটির সেক্রেটারির মৃত স্ত্রীর বাবার বাড়ি। হাজি সাহেব বিয়েতে ঘটকালি করেছিলেন। সংগ্রাম কমিটির সেক্রেটারি এখনো রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়ে শহরের অফিসঘরটা আগলাতে ব্যস্ত। সেক্রেটারির। অনুপস্থিতিতে হাজি সাহেব পাড়ার এক দঙ্গল লোক নিয়ে যাচ্ছেন নিজের ঘটকালি করা অন্যের শ্বশুরবাড়ি, যে বর্তমানে তার বিরোধীপক্ষও বটে। তবে সব বাঙালিই আপাতত একদিকে। তিনিও মহল্লার পুরোনো লিডার। তাই বিপদের দিনে তার ওপর ভরসা রেখে সবাই যাচ্ছে।

    সংগ্রাম কমিটির সেক্রেটারির শ্বশুরবাড়িতে প্রথম রাতেই উদ্বাস্তুদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই বেঁধে গেল। গৃহকর্তা শৌখিন মানুষ। একটা তিন ব্যান্ডের পুরোনো পাই রেডিও চালিয়ে যুদ্ধের আগে অনুরোধের আসরের গান শুনতেন। যন্ত্রটা এখন এজমালি সম্পত্তি। যে হাতের কাছে পায়, সে-ই নব ঘোরায়। রাতে নব ঘোরাতে ঘোরাতে ধরা পড়ে স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র। উত্তেজনায় শ্রোতাদের দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম যখন, হাজি সাহেবের বুকে হাতুড়ির বাড়ি পড়ে। স্বাধীনতার ঘোষণাপাঠ আরম্ভ হয়ে গেছে–আই, মেজর জিয়া, অন বিহাফ অব আওয়ার গ্রেট ন্যাশনাল লিডার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান…। যুদ্ধটা যে একতরফা হবে না, এখন তা স্পষ্ট। কে এই মেজর জিয়া? হাজি সাহেব নিজেই-বা কার দলে? পাকসৈন্যরা বাছবিচারহীন বাঙালি খতম করছে বলে জানের ভয়ে সপরিবারে তাকেও ঢাকা ছেড়ে পালাতে হয়েছে। ভেবেছিলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন করতে সক্ষম হবে মিলিটারি। পাকিস্তান পাকিস্তানের জায়গায় থেকে যাবে। এখন এদিক থেকেও যদি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালায়! আজন্মের শত্রু ভারত তো ওত পেতেই আছে ঘোলাজলে মাছ শিকারের জন্য। হাজি সাহেবের অবস্থা এখন বাঘের ঘরে ঘোগের ছা। নিজে এসে ধরা দিয়েছেন।

    উদ্বাস্তুরা শহরের শিক্ষিত মানুষ, সবজান্তা। ঢাকার পতন হলেও সারা দেশে যে দাবানলের মতো যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে, কেরানীগঞ্জ বসে ঠিক ঠিক তা বলে দিচ্ছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বন্দি না পলাতক-রাতদিন কানে রেডিও লাগিয়ে তা আন্দাজ করতে পারছে না। লোকগুলো আসলে চোখ থাকতে অন্ধ। কান থাকতে বধির। হাজি সাহেব ভয়ে ভয়ে উচ্চারণ করেন, ‘শেখেরে মনে হয় বন্দি করে আননোন ডেস্টিনেশনে নিয়া যাওয়া অইছে।’ কেউ তার কথার প্রতিবাদ করে না। বিষয়টা অস্বস্তিকর। মাথা না থাকলে ধড় দিয়ে কী হবে? ২৭-২৮ মার্চ দুই দিন হাজি সাহেব সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললেন। মনের মতো খবর শোনার জন্য লুকিয়ে-চুরিয়ে রেডিও পাকিস্তান ধরবার উপায় নেই। ২৯ তারিখ স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র টিক্কা খানের নিহত হওয়ার গুজব নিউজ আকারে পরিবেশন করে। গৃহকর্তা খুশি হয়ে রাতে ফিস্টের আয়োজন করলেন। হাজি সাহেব দেখলেন, বিপদ ঘাড়ের ওপর। ব্রিটিশ আমল থেকে। তিনি রাজনীতি করছেন। হিন্দু-মুসলমান দাঙ্গা দেখেছেন। বাঙালি মুসলমানদের পাকিস্তান চাইতে এবং এখন তা ভাঙতে দেখছেন। বুঝতে পারছিলেন, আড্ডার পরিবেশ বেশি দিন ঠিক থাকবে না। শ্রোতারা দুই ভাগে ভাগ হয়ে যাবে এবং রক্ত। ঝরবে, যা থেকে তিনি নিজেও বাদ যাবেন না। ২৯ মার্চ রাতে বৃষ্টি হয়। হাজি সাহেব বললেন, আগুন নেভাতে অসময়ে আল্লাহতালার এই অমোঘ বর্ষণ। পোড়া শহর আবার চাঙ্গা হবে–মহা প্লাবনের পর পৃথিবী সুজলা-সুফলা হওয়ার কথা আল্লাহর কালাম পাকে যেমন বলা আছে। ভোরবেলা বর্ষণসিক্ত মাটির ওপর দিয়ে সপরিবারে। তিনি ঢাকা ফিরে গেলেন। সঙ্গে নিলেন দোতলার বাসিন্দাকে। যার নাম এখন দলের সবাই জানে রমিজ শেখ। সে দুর্দিনের আশ্রয়দাতা হাজি সাহেবের ডান হাত। কৃতজ্ঞতাবশত বা বাধ্য হয়ে গেলেও রমিজ শেখের মনটা পড়ে থাকল কেরানীগঞ্জে, যেখানে মরিয়ম রয়েছে। যাকে সে মরিচ পুড়িয়ে ধোয়া দিয়ে বাঁচিয়েছে। ফলে মেয়েটার জানের ওপর তার হক আছেই। তা ছাড়া কাউকে মেরে ফেললে যদি শাস্তি পেতে হয়, বাঁচালে এর সুফল ভোগ করবে না কেন মানুষ? যুক্তিটা রমিজ শেখ মাথায় করে নিয়ে যায়।

    দলের বাকি লোকজন রাতের বর্ষণে খোদার লীলাখেলার আলামত কিছু দেখতে পায় না। গোলাগুলি থামারও কোনো লক্ষণ নেই। স্বাভাবিকভাবে তারা নিজের নিজের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে পায়ে হেঁটে যাত্রা করে। নিখরচায় ছোট ছোট খেয়া পারাপার হয়। ধানখেতের আইল ধরে হাঁটে। খায়-ঘুমায় অচেনা লোকের বাড়ি। দিনের বেলায় গ্রামবাসী ডাব কেটে, চিড়ে-গুড়, সেদ্ধ ডিম নিয়ে মাঠে, গাছতলে আপ্যায়ন করে। তারা দেখে, ধনী হোক গরিব হোক শহরের লোকগুলো জান নিয়ে পিঁপড়ার মতো পিলপিলিয়ে পালিয়ে আসছে। সাধ্যে যা কুলায়, তাদের সাহায্য করাই কর্তব্য। এদিকে যার যার গন্তব্য অনুযায়ী পথ ভাগ হয়ে যাচ্ছে। চলতে চলতে বদলে যাচ্ছে দলের লোকজন। উত্তরবঙ্গ থেকে বরিশালে ধান কাটতে যাচ্ছিল কয়েকজন খেতমজুর। তাদের নৌকায় করে মরিয়ম যখন উত্তাল পদ্মা পার হয়, তখন দলের লোক সব তার অপরিচিত। সে ভাত খাচ্ছে নৌকার এক মাল্লার মাটির সানকিতে-পোড়া মরিচ-লবণ মেখে পান্তাভাত। পদ্মায় জেলে-নৌকা বিস্তর, মাছও উঠছে, তখনো মানুষের মৃতদেহ নদীর মাছের খাদ্য তালিকাভুক্ত হয়নি আর মানুষও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেয়নি নদীর মাছ। কিন্তু পয়সার অভাবে মাল্লা-মজুররা মাছ কিনতে পারছে না। মরিয়মের গাল বেয়ে দু’ফোঁটা নোনা পানি পান্তাভাতে ঝরে পড়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }