Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫.  স্বর্গধামের পতন

     স্বর্গধামের পতন

    এপ্রিলের মাঝামাঝি মরিয়মদের নতুন দলটা পদ্মা পার হয়ে পাকা সড়ক, বৈদ্যুতিক তার, টেলিফোনের পিলার অনেক অনেক পেছনে ফেলে এক প্রত্যন্ত গাঁয়ের পরিত্যক্ত বাড়িতে আশ্রয় নেয়। বাড়ি ঢোকার মুখে টিনের পাতে খড়ি দিয়ে লেখা-স্বর্গধাম। স্বর্গধামে ঘর প্রচুর, মানুষ নেই। দরজাগুলো হাট করে খোলা। তখনো উঠানের রোদে কাপড় মেলা রয়েছে। চুলার আগুনটাও নেভানো হয়নি। বাড়ির বাসিন্দাদের পালিয়ে যাওয়ার পর, বাড়িটা লুট হওয়ার আগে তারা ওখানে পৌঁছায়। পরিত্যক্ত মালামালের মালিক হয়ে বসে। বাড়ির সুবিধা-অসুবিধাগুলো গভীরভাবে নিরিখ করে। উঠানের কোনের তুলসীমঞ্চ, বাঁশঝাড়ের তলায় শীতলা ঠাকুর দেখে বোঝে যে, বাড়ির লোকগুলো ভারতে চলে গেছে এবং আপাতত ফিরছে না। তারা তুলসীগাছ উপড়ে ফেলে আর শীতলা ঠাকুরকে ভোগের ঝুনা নারকেলসমেত জঙ্গলের ভেতর ঠেলে দেয়। এখন কারো বোঝার সাধ্য নেই যে, বাড়িটা হিন্দুর। তাতে তারা নিরাপদ বোধ করে। ততক্ষণে পাশের ঝোঁপঝাড় থেকে বেরিয়ে আসে এক দঙ্গল মুরগি। সঙ্গে ঝাঁকে ঝাঁকে ছানাপোনা। বাড়িতে ঢুকেই প্রাপ্তবয়স্ক মুরগিগুলো কুড়কুড়িয়ে ডিম পাড়ার জায়গা খোঁজে। একটিমাত্র মোরগ গলা ফুলিয়ে উঠান, বারান্দা, রান্নাঘর মুরগিদের দাবড়িয়ে বেড়ায়। গোয়ালঘরে লাল ও সাদা গাই দুটি হাম্বা রবে ডেকে ওঠে।

    পরিত্যক্ত বাড়ি, রান্নার চুলা, তারে মেলা কাপড়, জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসা মোরগ-মুরগি আর গোয়ালের গরু-বাছুর দেখে উদ্বাস্তুদের ফের সংসারী হতে ইচ্ছে করে। জোড়াতালি দিয়ে পরিবার রচিত হয়। যা থেকে মরিয়ম বাদ পড়ে যায়। নিজেরা পক্ষে-বিপক্ষে বিভক্ত হয়ে পড়ে। কমন বিষয় বলতে থাকে হানাদার বাহিনীর আক্রমণের ভয়–যা রাতদিনের যে-কোনো প্রহরে জানান না দিয়ে হতে পারে।

    মিসেস আলাউদ্দিন স্বামীর মৃতদেহ ঢাকায় ফেলে এসেছেন। তিনি এখন বিধবা, দুটি কন্যাসন্তানসহ। আট বছরের যমজ শিশু দুটি জানে না তাদের বাবা-মা কোথায়। তারা তিন-চার দিন হয় দলে আশ্রয় নিয়েছে। এদের পরিচয় এখন এতিম। নিঃসন্তান আতিক দম্পতি যমজদের পালক নিলেও প্রকারান্তরে চাকরের মতো খাটাচ্ছেন। মলিনা গুপ্তের স্বামী, দেওর, পুত্র, শ্বশুরসহ পরিবারের ১১ জন পুরুষ লাইন করিয়ে পাকসেনারা হত্যা করেছে। লাইনটি ছিল দৈর্ঘ্যে বাঁকা, উচ্চতায় অসমান। ব্যাটন মেরে, ভয় দেখিয়ে, একজনের জায়গায় আরেকজনকে টেনে এনে সৈন্যরা তা সোজা আর সমান করতে পারেনি। ব্রাশফায়ারের আগমুহূর্ত পর্যন্ত লাইনটা পূর্বাবস্থায় থেকে যায়। সৈন্যরা একে অবাধ্যতা মনে করে ফেরার সময় ঘর-বাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। মলিনা কোমরের বটুয়ায় স্ত্রীধন আর দু’হাতে দুটি সন্তান নিয়ে পালিয়ে এসেছেন। ডাকাত বা মিলিটারির হাতে কে কখন তাকে সোপর্দ করে, এই ভয়েই সন্ত্রস্ত। মনটা তার এখানে নেই, সীমান্তের ওপারে। দাদা-বউদির কৃষ্ণনগরের বাড়িতে বৈধব্যের বেশে ফেরত যাবেন, না সল্টলেকের শরণার্থী ক্যাম্পে উঠবেন–এ নিয়ে খানিকটা সময় ভাবনা-চিন্তা করেন। বাকি সময় নিজের মেয়ে দুটিকে মুরগির মতো ডানার নিচে লুকিয়ে আপনমনে কথা বলেন। একটা বাঁকা ও অসমান লাইনের ধাঁধা তার কিছুতেই ঘোচে না।

    ইঞ্জিনিয়ার তৈয়ব ওয়াপদার বড় অফিসার। বারংবার রেডিওতে ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও তিনি যে চাকরিতে যোগ দিচ্ছেন না, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বপ্ন মনে করে, তা মেরির জন্য। নাম শুনে মনে হয় মেয়েটা খ্রিষ্টান, আবার মুসলমানও হতে পারে। তবে স্বভাবে ছেনাল। ওর স্বামীকে কুপথে টানছে। সাতকুলের সব ফেলে তাদের সঙ্গে ভিড়েছে পুরুষ ধরার জন্য। অন্তঃসত্ত্বা স্বপ্ন, যার সন্তান মাতৃগর্ভে খুন হবে, তিনি দলের আরেকজন সধবাকে ডেকে বলেন, ‘আতিক ভাবি, পুরুষ মানুষরে বিশ্বাস করছেন তো মরছেন। ওরা চাইলে মেয়েটারে বাইর কইরা দিতে পারে না স্বর্গধাম থেকে! আলাউদ্দিন ভাবির আর ভাবনা কী। মাথা থাকলেই না মাথাব্যথা। তবে ওনার নৈতিক দিকটা খুব স্ট্রং। বেশ্যা সন্দেহে মেরির সঙ্গে ওঠবোস বন্ধ করে দিয়েছেন।’

    মরিয়ম পুরোনো ভুক্তভোগী। আড়াল তার জীবনে ভীষণ প্রয়োজন। খানিকটা ফাঁক পেলেই ওরা ঢুকে পড়বে তার অতীতে। তখন সামান্য যে আশ্রয় যা খুব বড়ও নয়, ছোটও নয়, অনেকটা কবরের মাপের–যে পরিধিতে এখন সে মিসেস আলাউদ্দিন ও তার সন্তানদের পাশে শুয়ে আছে, তাও হারাবে। আহার নিয়ে ভাবনা নেই স্বর্গধামে। এখানে কেউ কারোর খাচ্ছে না। এখানকার গাই দুধ দেয়। ফলের ভারে বাগানের গাছগুলো সেজদার ভঙ্গিতে নুয়ে থাকে। মুরগির ডিম সমান ভাগে ভাগ হয়। দু’দিন ধরে মরিয়ম লক্ষ করছে, খাওয়ার সময় কেউ তাকে ডাকছে না। কাঁসার থালায় প্রসাদ আসে যমজদের হাত দিয়ে। সে দেবী না ডাইনি? এই যে সবার মতো আলাউদ্দিন ভাবিও দিনের বেলায় তাকে এড়িয়ে চলেন, পারত কথা বলেন না, এখন। তিনি অন্ধকার বিছানায় এপাশ-ওপাশ করছেন। রাত কিছুতেই শেষ হচ্ছে না। স্বর্গধামের পালঙ্ক দুটি দুই জোড়া দম্পতির দখলে। সেখানে সুখ আর আনন্দের ঝড় বইছে। মাস দেড়েক আগে স্বামী বেঁচে থাকাবস্থায় যেসবে মিসেস আলাউদ্দিনের অংশীদার ছিল, এখন ওসব জিনিস দরজা-জানালা ভেদ করে তাকে তিরবিদ্ধ করে। এরকম সময় তিনি মরিয়মকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। জোরে জোরে দু-চারটা কথা বলে তিরগুলোর গতিমুখ অন্যদিকে সরিয়ে দিতে চান। দিনে যে শত্রু, রাতে সে মিত্র। এ সময় মেরিকে ডাকতে মিসেস আলাউদ্দিনের সংকোচ হয়, কেমন যেন বাধো বাধো ঠেকে, আবার মায়াও হয় মেয়েটার জন্য। দিনে বড় অবিচার করেছেন। কোথায় বাবা-মা, আপনজন। তার তো তবু দুটি সন্তান রয়েছে। দিনের আলোয় মানুষ অন্ধ হয়ে যায়। মিসেস আলাউদ্দিনের এসব ভাবনা কেবল রাতের বেলার–যখন তিনি একা শরশয্যায়, যখন দিনের মিত্ররা বন্ধ দরজার ওপাশে শত্রুতে রূপান্তরিত হয়।

    স্বর্গধামের মানুষগুলো ভুলে যায়, যদিও গরু দুটি বালতি ভরে দুধ দেয়, মুরগি ডিম পাড়ে, গাছ ফল ফলায়–এখন যুদ্ধের সময়। স্বর্গধাম আসলে মায়া, তাদের যুদ্ধ তাড়িত মনের কল্পনা, অথবা স্বপ্ন, ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে যা মিলিয়ে যাবে। যদি সত্যিও হয়, মর্তে স্বর্গসুখ বেশিক্ষণ টেকে না। মরিয়ম দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যে স্বাধীনতা ভোগ করে, তাতেও প্রশ্ন থাকে। প্রশ্নগুলো দিনে দিনে বড় হয়। তার গোপন অতীত সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে বিস্ফোরণ ঘটায় আচমকা। সবাইকে অবাক করে দিয়ে রমিজ শেখ স্বর্গধামে হাজির হয়। তারপর যা ঘটতে থাকে, প্রকারান্তরে তা মরিয়মের জীবনে। আগেই ঘটেছিল।

    রমিজ শেখের আগমনে অন্তঃসত্ত্বা স্বপ্ন সবচেয়ে বেশি খুশি। কারণ স্বামীর ওপর তার ভরসা নেই। প্রসবের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই যেন মানুষটা স্ত্রীর প্রতি উদাসীন হয়ে যাচ্ছেন। একই ঘটনায় মলিনা গুপ্তের প্রতিক্রিয়া হয় ভিন্ন। রমিজ শেখের আগমনের রাতেই কোমরের বটুয়ায় স্ত্রীধন বেঁধে মেয়ে দুটিকে নিয়ে তিনি স্বর্গধাম ছেড়ে চলে যান। মিসেস আলাউদ্দিন আর আতিক ভাবি রমিজ শেখকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানান। তারা তা করেন স্বপ্নর মতো একই কারণে। তাদের নিজেদের গর্ভজাত বা পালক সন্তান রয়েছে। অথচ এত বড় দলটায় কর্মক্ষম পুরুষ মাত্র দুজন। তাদের আবার স্বর্গধামের আরাম-আয়েশে থেকে গায়ে পোকা পড়ার উপক্রম। আতিক মিয়া আর তৈয়ব সাহেবের অবস্থা দেখে মেয়েরা ভুলতে বসেছিল, পাকসেনার বিরুদ্ধে। এ দেশের পুরুষেরা বন-বাদাড়ে থেকে লড়াই করছে। স্বাধীন বাংলা যতই জাহির। করুক, রেডিওটা তো যন্ত্র। সত্য-মিথ্যা যাচাই করার উপায় নেই। বন্দুকধারী রমিজ শেখ রক্ত-মাংসের মানুষ। কখন, কোন দিক থেকে বিপদ চলে আসে–তখন চওড়া কাঁধের, খর্বাকৃতির, অভিব্যক্তিহীন, গেঁয়ো লোকটা সব সামাল দেবে।

    এদিকে তৈয়ব সাহেব, আতিক মিয়া মেয়েদের আদেখলাপনায় বিরক্ত। রমিজ শেখ তাদের সৌভাগ্যে ভাগ বসাতে এসেছে, যা পুরুষ হিসেবে দুজন স্বর্গধামে একচেটিয়া ভোগ করছিল। মরিয়মের প্রতি তাদের আকর্ষণ দলের কারো অজানা নয়। এ নিয়ে আড়ালে-আবডালে প্রতিযোগিতাও চলে দুজনের। সেটি প্রকট হয় তাস পেটানোর সময়। খেলার যে নিয়ম-একজন হারলে আরেকজনের জিত হবে, তা তারা ভঙ্গ করে। প্রত্যহ চেঁচামেচির মধ্য দিয়ে তাস গোটাতে হয়। মরিয়ম মরিয়মের জায়গায়। বিবাহিত পুরুষ হিসেবে তাকে বাগে আনার পথে বাধা বিস্তর, যা রমিজ শেখের নেই। লোকটা গোঁয়ার, বন্য প্রকৃতির, সারা দিন রাইফেল কাঁধে ঘুরে বেড়ায়। এমন জিনিস হাতে থাকলে আজকের দিনে আর কিছু লাগে! যে যা খুশি করতে পারে। অবিবাহিত যুবতীসহ স্বর্গধামের পুরো কর্তৃত্ব তার হাতে চলে গেলে আতিক মিয়া, তৈয়ব সাহেব বুঝতে পারেন না, তারা তখন কী করবেন। মিলিটারির আক্রমণের চেয়ে এই বিপদটাই দুজনের বড় মনে হয়।

    রমিজ শেখের পক্ষে-বিপক্ষে স্বর্গধাম বিভক্ত হয়ে গেলে মরিয়ম ফাঁপরে পড়ে। ভাবে, এই লোকটা তার শত্রু না মিত্র? স্বর্গধামের লোকজনের ব্যাপারে তার মনে কোনো সংশয় নেই। যুদ্ধের আগের ফুলতলি গাঁয়ের মানুষদের সঙ্গে এদের বদলে ফেলা যায়-কুটি আঁকা, তিরস্কার আর ঘৃণায় বাঁকানো মুখের অভিব্যক্তিসমেত। এই বাকা মুখগুলো যেন মৃত্যুঞ্জয়। মাঝখান থেকে মন্টু হারিয়ে যায়, আবেদের খোঁজ থাকে না, কফিলউদ্দিনের পরিবার ক্রমাগত ছোট হতে থাকে, গোলাম মোস্তফা তীরে বসে রোদ পোহান, হাজি সাহেব দেশপ্রেমিক বনে যান, রমিজ শেখ পাকিস্তান জিন্দাবাদ আর জয় বাংলার ভেতর তালগোল পাকিয়ে দিগভ্রান্ত হয়ে পড়ে।

    পাকিস্তানি জনগণের বাঙালি-অবাঙালি বিভক্তির সময়টার পাক্কা দশ বছর রমিজ শেখ জেলখানায় ছিল। কী নিয়ে যুদ্ধটা বেধেছে, কে কাকে কেন মারছে–মার্চ এপ্রিলের পর মে মাস, এখনো তার কাছে বিষয়টা পরিষ্কার নয়। রাজনীতির জ্ঞানগম্যি তার যতটুকু, তাও হাজি সাহেবের কাছ থেকে। তাই উত্তেজিত হলে এখনো পাকিস্তান। জিন্দাবাদ বলে চেঁচিয়ে ওঠে। জয় বাংলা বলার সময় তোতলায়। যেখানে গলা টিপে মানুষ খুন সম্ভব, অস্ত্রশস্ত্র তার বাহুল্য লাগে। তবে কাঁধের রাইফেলটা সে হাতছাড়া করে না। জিনিসটার বাড়তি শক্তিতে সে মুগ্ধ। এর মসৃণ বাঁটে সময়-অসময় হাত বোলায়, রোজ তেল পালিশ করে। সে দেশপ্রেমিক জনগণ বলতে বোঝে শান্তি কমিটির লোকদের। তার জানামতে, তাদের কাজ শুধু মেয়ে ও মুরগি সরবরাহ করে পাকিস্তানি সৈন্যদের খেদমত করা। হাজি সাহেব একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক। কেরানীগঞ্জ থেকে ঢাকা ফিরে তিনি শান্তি কমিটির মেম্বার হয়েছেন। রমিজ শেখকেও সঙ্গে রেখেছিলেন। একেক দিন একেক মহল্লায় জাল ফেলার মতো মেয়ে আর মুরগি ধরার নির্দেশ ছিল তার ওপর। এখন শহরে জিনিস দুটির ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

    স্বর্গধামে মোরগ-মুরগির স্বাধীন বিচরণ আর মেয়েদের সংখ্যাধিক্য রমিজ শেখকে নতুন করে ভাবনায় ফেলে। তাকে যদি দেশপ্রেমিক হতেই হয়, সে এখানকার ছোট বড় মেয়েসহ মুরগির ছানা-পোনা আর্মির হাতে তুলে দেবে। কিন্তু মেরিকে নয়। মেয়েটাকে পোড়া মরিচের ধোয়া দিয়ে বাঁচিয়েছে সে। ওর বাকি জীবন তার হাতে। আর এজন্যই হাজির জাল ছিঁড়ে পথ হাতড়ে হাতড়ে স্বর্গধামে তার আগমন।

    রমিজ শেখের অতীত না জানলেও তার কিছু ত্রুটি আতিক মিয়া, তৈয়ব সাহেবের নজর এড়ায় না। তারা মুক্তিফৌজের অপেক্ষায় থাকেন। লুঙ্গিপরা একদল লোক খালি পায়ে স্টেনগান কাঁধে কোনো একদিন স্বর্গধামের দরজার কড়া নাড়বে, রাতের মতো আশ্রয় আর ভাত চাইবে। আতিক মিয়া, তৈয়ব সাহেব স্বাধীনবাংলা বেতার কেন্দ্রের নির্দেশমতো মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন বটে, তার আগে তাদের কানে তুলে দেবেন রমিজ শেখের আড়ষ্ট জিবের তোতলানো জয় বাংলা স্লোগান আর আঙুল দিয়ে দেখাবেন মসৃণ বাঁটের একটি বন্দুক, যা যুদ্ধের বাজারে শত্ৰু না মেরে বেগার বয়ে বেড়ানো হচ্ছে।

    দিন যায়, রাত আসে। ভাত আর আশ্রয় চেয়ে দরজায় কাউকে কড়া নাড়তে শোনা যায় না। এর পরিবর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের পরস্পরের কাছে লেখা একটা সাংকেতিক চিঠি ভুল করে স্বর্গধামে চলে আসে। চিঠির দুটি লাইন তাদের কলজেয় জোর কামড় বসায়–এতগুলি মুরগি আর ডিম পাঠালাম কোনো কাজেই লাগাচ্ছ না, ব্যাপার কী?…আমি আবারও বলছি বিশ্বাসঘাতকের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। সেই থেকে দুজন ভয়ে অস্থির। রমিজ শেখকে তাদের মনে হয় ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধা, যে গোপনে তাদের বিরুদ্ধে চিঠি চালাচালি করছে। আর নিজেদের তারা ভাবতে শুরু করেন, মুরগির ডিম ভালো কাজে না-লাগিয়ে, খেয়ে সাবাড় করে দিচ্ছে এমন এক নতুন ধরনের বিশ্বাসঘাতক–যার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।

    বাকি থাকে মেয়েরা। যারা সংখ্যাগুরু এবং রমিজ শেখের ধামাধরা। স্বর্গধাম বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপের মতন। উত্তাল সাগরে ছোট্ট একটি ছিপ নৌকায় চেপে লোকটা যেন হাজির হয়েছে। সঙ্গে নিয়ে এসেছে একটা বন্দুক, একজোড়া লৌহবর্ণের কাঁধ, বেপরোয়া মনোভাব। মেয়েরা তাকে বীর মুক্তিযোদ্ধার সম্মানে ভূষিত করেছে। আর বীরের জন্য বরাদ্দ হয়েছে দ্বিগুণ খাবারদাবার, উত্তম বিছানা।

    যা ভাবনার কথা অথচ কেউ ভাবে না, কিছুদিন পর তা ঘটে। স্বর্গধামে খাদ্যসংকট দেখা দেয়। ফলশূন্য গাছগুলো ডালপালাসমেত মাথা তুলতে শুরু করে। গাভির ওলান শুকিয়ে যায়। মুরগিরা থলে শূন্য হয়ে ঘুরে বেড়ায়। ডিম পাড়ার পর নিয়মমতো তা দিয়ে বাচ্চা ফোঁটাতে না পেরে খুব হতাশ। শূন্য খাঁচা দেখলে খেপে ওঠে। ডিমপাড়ায় বীতশ্রদ্ধ হয়ে বাউন্ডুলেপনা জুড়ে দেয়। এই পরিস্থিতির প্রথম শিকার হয় মরিয়ম। মেয়েরা তার খাবার বন্ধ করে দেয়। তাতে পুরুষ দুজনেরও হাত থাকে। কারণ মরিয়মের প্রতি তাদের ব্যর্থ অনুরাগ তত দিনে ক্রোধে রূপান্তরিত হয়েছে। এ ছাড়া মেয়েদের হাতে রেখে হলেও স্বর্গধামের কর্তৃত্ব বজায় রাখায় তারা বদ্ধপরিকর।

    প্রথম প্রথম নিজের পাতের খাবার মরিয়মকে দিয়ে খেলেও রমিজ শেখ এ অন্যায় বরদাস্ত করে না। মেয়েটি না খেয়ে মরবে তার চোখের সামনে, যাকে সে নিজ হাতে জীবন দান করেছে! স্বর্গধামে প্রলয়কাণ্ড শুরু হয়। মেয়েরা অবস্থান পরিবর্তন করে এবং পুরুষদের সহযোগিতায় রমিজ শেখকে বীরের আসন থেকে ফেলে দেয়। তারা জনে জনে বলে বেড়ায়, মরিয়ম আর রমিজ শেখ লটঘট করছে, যা বিয়ের আগে করা ঠিক নয়–এ ব্যভিচার।

    রটনাটির সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের প্রশ্নই ওঠে না। কেউ এর প্রমাণও চায় না। যুদ্ধের দিন। আইন নেই, আদালত বসে না। এর সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে স্বর্গধাম থেকে বহিষ্কার।

    রমিজ শেখের পাতের খাবার ভাগ করে খেতে খেতে মরিয়ম অনুভব করে, তাকে বুক পেতে রক্ষা করছে রমিজ শেখ। লোকটা তার মা-বাবা-ভাই-বোন-স্বামী-বন্ধু-যে কোনো কিছুই হতে পারে। আবার নাও হতে পারে। চোখের সামনে আবেদ, মন্টু, কফিলউদ্দিন পরিবার, কলেজের বান্ধবী কেউ নেই যে মরিয়মের পাশে রমিজ শেখকে দেখে ভিরমি খাবে। সে জেলপালানো খুনের আসামি। দশ বছর কয়েদ খেটেছে। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর স্বাধীন বাংলাদেশে রমিজ শেখের পরিচয় কী হবে-মরিয়ম জানে না। এখন দরকার শুধু দুই বেলা খাবার, মাথা গোঁজার ঠাই, নিরাপদ আশ্রয়, যা এই লোকটাই তাকে দিতে পারে।

    স্বর্গের নিষিদ্ধ ফল খেতে রমিজ শেখকে প্ররোচিত করে মরিয়ম। বলে যে, এক কোটি মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে এখন ভারতে শরণার্থী। স্বর্গধামের মতো পরিত্যক্ত বাড়ি খুঁজলেই পাওয়া সম্ভব। সেখানে তাদের অপমান করার কেউ থাকবে না।

    রমিজ শেখ মরিয়মের কথা ফেলতে পারে না। মেয়েটার বিদ্যাবুদ্ধি অনেক। সে নিজে পড়েছে–অ-তে অজগর, আ-তে আম, ওই অজগর আসছে তেড়ে, আমটি আমি খাব পেড়ে। তা বলে দুজন অকর্মা পুরুষ আর এক দঙ্গল মেয়ের ভয়ে পালাতে হবে! যা হোক কথাটা যে বলছে, সে তার নিজের লোক। হাতে অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও রমিজ শেখ বিনা যুদ্ধে স্বর্গধামের কর্তৃত্ব ছেড়ে দেয়।

    স্বর্গধাম থেকে বেরিয়ে আসে আদম আর হাওয়া অগ্নিদগ্ধ, খুনাখুনির বিপজ্জনক এক পৃথিবীতে। সঙ্গে নেয় পেছনে ফেলে আসা আবাসের অনুরূপ একটি বাড়ির স্বপ্ন। সেখানে তারা হবে একমাত্র নর-নারী। তাদের দেখতে আকাশের ফালি চাঁদ দূর থেকে উঁকি দেয়। পরক্ষণে ভয় পেয়ে মেঘের আড়ালে লুকোয়। আকাশের বুক ফেটে গুমগুম আওয়াজ ওঠে। ছাই ছাই গাছের পাতা প্রবল ত্রাসে কাঁপতে থাকে। খারাপ কিছুর আশঙ্কা ব্যতিরেকেই দুজন অজানার উদ্দেশে যাত্রা করে।

    তখনো রাত শেষ হয়নি। খানিক আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে। কর্দমাক্ত রাস্তায় দু’ফাইল করে একদল সৈন্য স্বর্গধামের দিকে এগিয়ে আসছে। তাদের ভুতুড়ে ছায়া পড়েছে রাস্তার পাশের জলাশয়ে। যুদ্ধের এখন তৃতীয় মাস। উদ্যোগ-আয়োজনে তাদের খামতি নেই। খুন-ধর্ষণ-লুণ্ঠন-মার্চের তালে তালে শেষরাতের পৃথিবী ঘুমের ভেতর চমকে চমকে ওঠে। তাতে ভোরের গান গাওয়া পাখির তাল ভঙ্গ হয়।

    স্বর্গের দুয়ারে কোনো পাহারা ছিল না। মরিয়ম আর রমিজ শেখ যে পথ দিয়ে বেরিয়ে গেছে, সৈন্যরা তার ঠিক উল্টো দিক থেকে আসে। স্বর্গধাম শূন্য। লোকজন বুটের আওয়াজ পেয়ে পালিয়েছে। বাউন্ডুলে মুরগিগুলো রাতে খোয়াড়ে না-ঢুকে গাছে উঠে বসেছিল। ওখান থেকে স্বপ্নার প্রসববেদনার কাতরানি শোনা যায়। তার জন্য ধাই আসে না। আতিক ভাবি, পুরুষ মানুষরে বিশ্বাস করছেন তো মরছেন’-কথাটা। কদিন আগে যে বলেছিল, তার জীবনে তা সত্য হয়ে ওঠে। সৈন্যরা প্রতিটি ঘরে। তল্লাশি চালায়। সদ্য ত্যাগ করা উষ্ণ বিছানা-বালিশ রাগে লন্ডভন্ড করে। তবে কোনো গুলি ছোড়ে না। বেয়নেট দিয়ে স্বপ্নর উঁচু পেটটা চিরে দেয়। গোয়ালঘরে তখনো গাই দুটি বাঁধা। তারা এদের আঘাত করে না। শুধু দড়ি খুলে হিড়হিড় করে বাইরে নিয়ে আসে। অপারেশনের লাভের তালিকায়-বাছুরসহ দুটি গরু (জীবিত), একজন নারী ও একটি শিশু (মৃত)। তারা তাতে সন্তুষ্ট হয় না। স্বর্গধামের ঘরগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর গরম আঁচে গাছের ডালে বসা মুরগিগুলো কককক ডাকতে শুরু করে। তাদের গায়ে গায়ে ঠ্যালাঠেলি অন্ধকারে দেখা যায় না। সৈন্যরা সন্ত্রস্ত–যেন এক দল মুক্তিফৌজ এলএমজি কক করে অটোতে নিয়ে বাগিয়ে ধরেছে। তারা ঝটপট মাটিতে। শুয়ে, সেই অবস্থায় পজিশন নেয়। প্রথম দফায় বুলেটগুলো মাথার ওপর দিয়ে উড়ে চলে যায়। কককক আওয়াজ বাড়তে শুরু করলে সৈন্যরা গাছের ডাল লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। বাউন্ডুলে মুরগিগুলো সারেন্ডার করে না। থলে শূন্য হালকা শরীর নিয়ে উড়তে শুরু থাকে। সৈন্যরা নাছোড়, কককক আওয়াজ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত টানা গুলি চালিয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }