Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. পার্কের বিকল্প ঘর, ঘাসের বিকল্প তোশক

    পার্কের বিকল্প ঘর, ঘাসের বিকল্প তোশক

    পুত্রসন্তানের জন্য বাড়ি তৈরি হলেও এর প্রথম বাসিন্দা মরিয়ম। কোনো-না কোনোভাবে তার হক থেকেই যায়। যদিও সে এখন ঘরছাড়া, এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ক্রমাগত ঠিকানা বদলে চলেছে। তবে যুদ্ধের সময়ের মতো দল বেঁধে নয়। একা একা। রিনাদের বাসা, পুনর্বাসনকেন্দ্র, তারপর নিউ ইস্কাটন রোডের বাড়ি হয়ে সে এখন কর্মজীবী মহিলা হোস্টেলে। তার মতো আরো ক’জন বীরাঙ্গনা আছে এখানে। তাদের চাকরিস্থল ভিন্ন ভিন্ন। যে দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে এই মেয়েরা ধর্ষিত হলো, চাকরি করা ছাড়া সেই দেশের পুনর্গঠন কাজে কি লুটপাটের মধ্যে তারা নেই। তারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিপ্লবী মনোভাব নিয়ে চোরাচালান প্রতিরোধে এগিয়ে আসুন’ ডাকে সাড়া দেয়নি। কলকারখানা রাষ্ট্রীয়করণে তাদের কোনো ভূমিকা নেই। ঘন ঘন পাটের গুদামে অগ্নিসংযোগ বা আগুন নেভানো কোনোটাই করছে না। খুন-ছিনতাই-রাহাজানি সংঘটনে বা এর প্রতিরোধে তারা কখনো এগিয়ে আসেনি। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন, নতুন নতুন আইন তৈরির সময় তারা হাত গুটিয়ে বসে রইল। ‘দালাল আইন ১৯৭২’-এর ফাঁকফোকর নিয়ে মাথা ঘামায়নি। বঙ্গবন্ধুর সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা চুপ করে শুনল। রক্ষীবাহিনীর নৃশংসতার বিরুদ্ধে তারা একবারও নিন্দা জানায়নি। সর্বহারাদের শ্রেণিশত্রু খতম অভিযানেও শরিক হলো না। ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইবুনাল অ্যাক্ট, ১৯৭৩’ পাস হওয়ার পর আইনমন্ত্রীকে হাততালি দিয়ে স্বাগত জানায়নি। যদিও অ্যাক্টের ২(ক) ধারায় ‘ধর্ষণ’কে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রপতিকে যখন জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা দেওয়া হয়, তখনো এ নিয়ে তারা উচ্চবাচ্য করেনি। তারা বাকশালে যোগ দেয়নি। আসলে তারা একটা লড়াইয়ের মধ্যে ছিল। এজেন্ডা তাদের একটাই–বীরাঙ্গনার সামাজিক পুর্নবাসন। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপিয়ে, যৌতুকের প্রলোভন দেখিয়ে সরকার যে কাজে ব্যর্থ হয়েছে, তারা তা সমাধা করতে অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়ল।

    কর্মজীবী মেয়েদের হোস্টেলের পাশে জাতীয় নাট্যশালা, অদূরে রমনা পার্ক। আশপাশের রাস্তাগুলো সন্ধ্যার পর নির্জন। লাইটপোস্টের আর গাছগাছালির আলো আঁধারে মরিয়মরা ভালো কাপড়চোপড় পরে ঘুরে বেড়ায়। কাগজের ঠোঙা থেকে চানাচুর, ঝালমুড়ি বের করে ভাগাভাগি করে খায়। টাকা নষ্ট করে টিকিট কিনে নাটক দেখতে যায় না। আলোর নিচে বসে পড়া বা দাঁড়িয়ে থাকা থেকেও বিরত থাকে। তারা কেবল একের পর এক অন্ধকার নির্জন রাস্তায় পাক খেয়ে খেয়ে অন্ধের মতো ঘোরে।

    সন্ধ্যার পর রমনা পার্কে বেশ্যার শরীর বেচাকিনির হাট। ওখান থেকে একদল খদ্দের দলচ্যুত হয়ে একদিন বেরিয়ে পড়ে। ঘাসের ওপর দিনের পর দিন বেশ্যাগমন একঘেয়ে, ক্লান্তিকর। তার ওপর পুলিশের উৎপাত। তারা হাঁটতে হাঁটতে নির্জন রাস্তায় প্রবেশ করে, যেখানে মরিয়মরা সেজেগুজে আগে থেকেই ঘোরাঘুরি করছিল। মেয়েরা চানাচুর-ঝালমুড়ির ঠোঙাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়। পুরুষদের হাত ধরে নাট্যশালায় ঢোকে। অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহে পাশাপাশি দুটি চেয়ারে একজন বীরাঙ্গনা আর রমনা পার্কের একজন প্রাক্তন খদ্দের–তারা জোড়ায় জোড়ায় ঝালমুড়ি চানাচুর খায়, নাটক দেখে। যাদের উচ্চমার্গের নাট্যকলা বুঝতে অসুবিধা, তারা জোড় বেঁধে চলে যায় বলাকা, নাজ বা মধুমিতায়। সিনেমাহলগুলোতে বধূ মাতা কন্যা, কাঁচের স্বর্গ, জীবন সঙ্গীত দ্বিতীয় সপ্তাহেও হাউসফুল। তুলনায় গোপালভাঁড় ছবিটা পাত পায় কম। বাঙালি আসলে হাসতে ভুলে গেছে। রমনা পার্কের প্রাক্তন খদ্দেরদের কেউ কেউ ভাড়ামি দেখতে চাইলে মেয়েরা তাতে বাদ সাধে। বলে, ‘গোপালভাড় নামটা শুনলেই খালি হাসি পায়। লোকটা জানি কেমন!’ এসব কথার কথা। আসলে রঙ্গ-তামাশা দেখার জন্য তারা এই জোড় বাঁধেনি। একঘেয়েমি কাটানো বা রুচি বদলের মতো বিলাসিতাও তাদের নেই। দেশ বা জাতি যে সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ, যাকে বলে বীরাঙ্গনার সামাজিক পুনর্বাসন–সেই গুরুদায়িত্ব এখন তাদের কাঁধে। যে সকল নেতা-নেত্রী বলে বেড়াচ্ছিলেন, ‘এত বড় একটা দুর্যোগ আমরা তো ওভারকাম করেছি,’ তাদের আত্মতৃপ্তির ফাটল দিয়ে মরিয়মরা রাস্তায় এসে পড়েছে। যা করার এখন নিজেদেরই মেরে-কেটে করতে হবে। এ ব্যাপারে পত্রিকাগুলো সহায়ক ভূমিকা নেয়। তারা চুলে মুখ ঢাকা এক বীরাঙ্গনার ছবি অনবরত কাগজে ছাপিয়ে আগে থেকেই তাদের অবয়বশূন্য করে রেখেছিল। আর সরকারের পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান দেওয়া বা প্রেস কনফারেন্স করা থেকে বিরত থাকায় বরাবরই তারা কণ্ঠহীন। ফলে অন্ধকার প্রেক্ষাগৃহ তো বটেই দিনের আলোতেও কেউ তাদের শনাক্ত করতে পারে না। তারা একরাশ ঘন কালো চুলের আড়াল নিয়ে, চানাচুর-ঝালমুড়ি খেতে খেতে, নাটক বা সিনেমা দেখতে দেখতে জাতীয় সমস্যা সমাধানে এগিয়ে যায়।

    মমতাজ নামটা মরিয়ম এযাবৎ ভেবেছে মেয়েদের। তবে সে পুরুষই। পরিচয় পর্বে লোকটা সদর্পে জানায়, রমনা পার্কের বেশ্যাদের সে একজন প্রাক্তন খদ্দের। পেশায় ব্যবসায়ী। অস্ত্রহাতে যুদ্ধ না করলেও মনেপ্রাণে একজন মুক্তিযোদ্ধা। সেই সুবাদে মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট জোগাড় হয়ে গেছে। তাই দিয়ে ব্যবসার লাইসেন্সও জুটেছে। কাজটা যে রিলিফের চাল, গম, কম্বল কালোবাজারে কিনে খোলা বাজারে বিক্রির, মরিয়ম পরে তা জানতে পারবে। আপাতত হবু বর ঘাসের শয্যা ছেড়ে ঘরের নিরাপদ বিছানায় ফিরতে চায়। মরিয়মেরও ঘরে ফেরা দরকার। প্রথম ঘর, তারপর সমাজ–বিয়ের মাধ্যমে বীরাঙ্গনার সামাজিক পুনর্বাসন।

    নাটক-সিনেমা দেখতে দেখতে, ঝালমুড়ি-চানাচুর চিবোনোর এক ফাঁকে মমতাজ একদিন তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। মরিয়ম তাতে মিউজিক্যাল চেয়ারে ত্বরিত বসে পড়ার রেফারির বাঁশির সংকেত শোনে। আর বিয়েটাও হয়ে যায় সামনের খালি চেয়ারে ঝপ করে বসে পড়ার মতো। বীরাঙ্গনা, অ-বীরাঙ্গনা মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলই। তার ওপর খেলার নিয়মানুযায়ী একটা চেয়ার কম। তবে ভয়টা তার অন্যত্র। শিরীষ অরণ্যের ছত্রচ্ছায়ার বাদাম-পর্বে আবেদও বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। বিছানায় যাওয়ার পর দিনক্ষণ পেছাতে পেছাতে একসময় প্রস্তাবটা নাই হয়ে যায়। একই ভুল মানুষ দুইবার করতে পারে না, যার আবার নয় মাসের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সে হোস্টেল-বান্ধবীদের পরামর্শ বাতিল করে দিয়ে, বীরাঙ্গনার মুখের ওপর থেকে নেকাব সরানোর মতো কেশগুচ্ছ সরিয়ে নেয়। মমতাজ উদার পুরুষ। বীরাঙ্গনাকে জীবনসাথিরূপে পেলে, সে বলে, তার পুরুষজনমই সার্থক। এত দিন পর সে এমন একটা কাজ করতে যাচ্ছে, যা দশটা মুক্তিযুদ্ধের সমান গৌরবের। সেলাই মেশিন, হড়িকুড়ি কিছুই চাই না। শামিয়ানা টাঙিয়ে মাইক বাজানোরও দরকার নেই। পত্রিকায় সচিত্র-সংবাদ না-ছাপিয়ে বীরাঙ্গনার বিয়ে হবে। মরিয়ম সব জানিয়ে বাবা-মাকে একই খামে আলাদা দুটি চিঠি পাঠায়।

    ছুঁচোর লাথি খাওয়া হাতি শেষ পর্যন্ত গর্ত থেকে উঠে দাঁড়াল। তাদের বীরাঙ্গনা কন্যার লালা-ঝরা, জড়বুদ্ধির অমানুষের সঙ্গে বিয়ে হচ্ছে না। পাত্র রীতিমতো অবস্থাসম্পন্ন, উদার, লেখাপড়া জানা। কফিলউদ্দিন আহমেদ সেদিনের ডাকেই সুখবরটা গোলাম মোস্তফাঁকে জানিয়ে দেন। মরিয়ম নয় মাসের যুদ্ধ, অগণিত লাশ, ভাঙা ব্রিজ ও কালভার্ট, পোড়া ঘরবাড়ি আর দোকানপাট পেছনে ফেলে, একটা মৃত্যুর পর, চব্বিশ বছর বয়সে নতুন জীবনে প্রবেশ করে।

    নবদম্পতির সংসার শুরু হয় এক অবাঙালি পরিবারের পরিত্যক্ত বাড়িতে। এর। দরজা-জানালা, স্যানেটারি ও ইলেকট্রিক ফিটিংস মমতাজ দখল নেওয়ার আগে উধাও হয়ে গেছে। আসবাবপত্র সরানো হয়েছে নিশ্চয় তারও আগে। সে দেদার টাকা খরচ করে বাড়িটা মেরামত করে। অদৃশ্য মালিককে টেক্কা দিয়ে কেনে অট্টালিকার সঙ্গে মানানসই দামি আসবাব আর ঘর সাজানোর জিনিসপত্র। তারপর আনে বউ। ঘর পার্কের বিকল্প আর বিছানাটা বিকল্প ঘাসের শয্যার।

    ফুলতলি গাঁয়ের পর মরিয়মের প্রতিটা আবাস কোনো-না-কোনোভাবে উচ্ছেদ হওয়া মানুষের। তারা রাজনৈতিক উদ্বাস্তু। একেকবার একেকটা নতুন দেশের জন্মের সঙ্গে ভিটেছাড়া হয়েছে। ঘটনাচক্রে মরিয়ম ভোগদখলকারী। সে চাকরি ছেড়ে দিয়ে (বিয়ের শর্ত ছিল) অন্যের ঘরবাড়ি নিজের মতো করে সাজায়। বিছানায় জাজিম পাতে। ওপরে তুলোভরা নরম তোশক বিছায়। তোশকের আবরণে পুনর্বাসনকেন্দ্রের অসমাপ্ত ফুল-পাতা রঙিন সুতোয় নিপুণ হাতে ফুটিয়ে তোলে। বালিশের ওয়াড়ে ভালোবাসার দরদি পদ্য লেখে। এ ছত্রগুলো তার যৌবনের সূচনায় ফুলতলি গায়ে থাকতে মালার মতো গাঁথা হয়েছিল। তারপর আবেদের প্রতারণায় আর যুদ্ধের টানাটানিতে ছিঁড়ে গেলেও বিয়ের নাম শুনে অমরসংগীতের মতো বেজে উঠেছে। বিয়ে বিয়েই–যার-তার সঙ্গে হলেও স্বস্তিকর। বিয়ের ছত্রচ্ছায়ায় দুপুরগুলো মরিয়মের একার। সে এর অতুল বৈভব, সীমাহীন নিরাপত্তা উপভোগ করে। তবে তা মাত্র কয়েক দিন। তারপর সে আর একা থাকে না। নির্জন দুপুরগুলোতে মন্টু, অনুরাধা আর তার জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো দফায় দফায় অতিথি হয়ে আসে। মরিয়মের সাজানো সংসার ঘুরেফিরে দেখে, সূচিকর্মের তারিফ করে, দু-চারটা আজগুবি উপদেশও দেয়। মন্টু বলে, ‘কী হলো মেরিবু, তুমি না বীরাঙ্গনা! তোমার ছাদের অ্যান্টেনায় বাংলাদেশের পতাকা কই?’ অনুরাধা উঠতে-বসতে বাড়িটার খুঁত ধরে। তর্জনী উল্টিয়ে ঠোকা মারে কংক্রিটের দেয়ালে আর পালিশ করা সেগুনকাঠের দরজায়। তার ভবিষ্যদ্বাণী, বাড়িটা কাঁচের স্বর্গ। ‘দেখো মেরি, ঘুমের মধ্যে খান খান হয়ে ভেঙে পড়বে।’ শোভা রানী খিলখিলিয়ে হাসে, ‘ট্যাকা-ট্যাকা–দুনিয়ায় শুধা টাকার খেলা।’ মেজর ইশতিয়াক চোরের মতো বাইরে থেকে উঁকি দিয়ে চলে যায়। ঘরে ঢোকার তার সাহস হয় না। রমিজ শেখ বাহুল্য, তার অস্তিত্ব না থাকলেই যেন। ভালো ছিল। যদিও ঝক ঝক গুলি কচুরিপানার মতো দু’হাতে ঠেলে মরিয়মের দিকে সে সাঁতরে আসছিল। তারপর আর পারেনি, সেখান থেকেই উড়াল দেয় শূন্যে। আলো-বাতাসের বানডাকা দুপুরেও মরিয়মের নতুন সংসারে একাত্তরের হলঘরের গুমোট ভাব। দরজা-জানালা খুলে দিলে হারানো দিনের মানুষেরা ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ে। একে একে দখল নেয় বিছানা, চেয়ার, সোফা, কার্পেট, দরজার চৌকাঠ-সব।

    মমতাজ সন্ধ্যায় ফিরে এলে মরিয়ম অভিযোগ করে, দুপুরে একা একা তার সময় কাটে না। ঘর গোছানোর কাজ শেষ। এখন সে কী করবে। বাসায় চাকরবাকর থাকলেও কথা ছিল। এটা-সেটা বলে, কাজের ফরমাশ দিয়ে সময় কাটানো যেত। মমতাজের কাজের লোক রাখতে আপত্তির কারণ, মরিয়ম যে বীরাঙ্গনা তারা তা জানার পর দুপুরে আর ঘরে থাকবে না। মহল্লার ঘরে ঘরে হানা দেবে। এ বাড়ির চাকর থেকে আরেক বাড়ির চাকর। এক কান থেকে দশ কান। ওই আমগাছঅলা বাড়ির বিবিসাবরে মিলিটারিরা বেইজ্জত করছে। হেই দুঃখে রাইত অইলেই সাহেবডায় বোতল খুইল্যা বসে। এসব রটনার পর বাড়িটা আর বাড়ি থাকবে না, সকাল-বিকাল দর্শনার্থীদের ভিড়ের ঠেলায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর হয়ে যাবে। তাহলে কি মরিয়ম চাকরিতে ফিরে যাবে? তাতেও বর রাজি নয়। অফিসে তার পরিচয় একজন স্টাফের চেয়েও বীরাঙ্গনার। পিয়ন থেকে বস সবাই তা জানে। বর্তমানে ঘরে স্বামী আছে কি নেই, গ্রাহ্যও করবে না। উল্টো ফাউ খেতে চাইবে, ‘খানেদের দেহ দিতে পারলে, আমরা কী অপরাধ করছি, আমাদের একটু-আধটু দিলেই হয়!’ বাকি থাকে মরিয়মের শ্বশুরকুলের আত্মীয়স্বজন। যারা গ্রামে থাকে বলে মমতাজ দাবি করে, এত বড় বাড়ি, তারা স্বচ্ছন্দে এখানে এসে থাকতে পারেন। ‘তা পারেন।’ মমতাজ রাগ গোপন করে। চিবিয়ে চিবিয়ে বলে, ‘তবে কথা হচ্ছে কি, সুখে থাকলে ভূতে কিলায়। শাশুড়ি-ননদে চুল ধইরা হ্যাঁচকা টান মারলে ভালো লাগবে? বলে যদি একাত্তরের খানকি মাগি–তখন!’

    সব কথার শেষ কথা–খানকি মাগি নয়, বীরাঙ্গনা। মমতাজ নিজে বলে না। অদৃশ্য মানুষদের ছুতোয় সে তার ‘আসল’ পরিচয়টা বারবার শুনিয়ে দেয়। এ ছাড়া যুদ্ধ নিয়ে কথা নেই। সে নয় মাস কোথায় ছিল? রমনা পার্কে? রমনার কালীমন্দিরটা ভাঙা হলো যখন, তখন কোথায় ছিল। নাকি ওখানেও ছিল না! এই লোকের অতীত। কী, ভবিষ্যৎ কোথায়। এখন দু’হাতে টাকা কামাচ্ছে আর উড়াচ্ছে। মরিয়ম কেন। তাকে বিয়ে করল? বীরাঙ্গনার সামাজিক পুনর্বাসনের জন্য? নাকি সে বাচ্চা চায় বলে? পাকিস্তান আর্মির নয়, বাঙালির বাচ্চা। মমতাজ বলে, ‘এত তাড়াতাড়ি বাচ্চা কীসের। সবে তো বিয়া অইলো। জীবনটা আগে উপভোগ করি, তারপর দেখা যাবে।’

    উপভোগের বিষয়টা আরো বিভ্রান্তিকর। মমতাজ তাকে জাপটে ধরলে, মরা মাছের মতো মরিয়মের চোখ দুটি বেরিয়ে আসে। আগেভাগে শরীর খুলে যায়। জোরে জোরে দম নিতে শুরু করে। ফাঁদে পড়া ইঁদুরের মতো হৃৎপিণ্ডটা বেদম লাফায়। প্রথম প্রথম মমতাজের বিষয়টা অস্বাভাবিক লাগেনি। কারণ পার্কের বেশ্যারাও এক হাতে টাকা নেয়, আরেক হাতে পোশাক ফাঁক করে ঘাসের ওপর শুয়ে পড়ে। আদর-সোহাগ সেখানে অবান্তর। পুলিশ অকুস্থলে পৌঁছোনোর আগেই যত তাড়াতাড়ি কাজ শেষ হয়, ততই উভয়ের জন্য মঙ্গল। কিন্তু ঘর পার্কের বিকল্প আর বিছানাটা বিকল্প ঘাসশয্যার। তবে স্ত্রী কেন বেশ্যার মতো আচরণ করে? স্বামীর সঙ্গে যখন-তখন শোয়ায় না’ নেই। কার্যত সে অংশও নেয় না। পুরোটা সময় পিস্তলের মুখে যেন সারেন্ডার করে পড়ে থাকে। এ অবস্থায় স্ত্রীকে সক্রিয় করার তাগিদে মমতাজ দিনে দিনে রূপ নেয় ধর্ষকের–চার বছর আগেকার পাকিস্তান আর্মির।

    মরিয়মের একাত্তরের ক্ষতে মমতাজ দাঁত বসায়, মুখ দিয়ে অনবরত খিস্তি-খেউড় করে। মদ মমতাজ আগেও খেত। টাকা হওয়ার পর বেশি বেশি খাচ্ছে। একদিন মাতাল অবস্থায় এক বোতল হুইস্কি উপুড় করে ঢেলে দেয় স্ত্রীর যৌনাঙ্গে। পরদিন আহত স্ত্রীকে বিছানায় ফেলে কাজে যেতে তার ভয় হয়। মেয়েটি পালিয়ে যেতে পারে। যদি না-ও পালায়, পাড়াপড়শি কেউ এ অবস্থায় দেখে ফেললে থানা-পুলিশ করবে। এসব ঝুটঝামেলা থেকে বাঁচার জন্য তখন সে যা করে, তা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান আর্মি মরিয়মদের সঙ্গে করেছে। মমতাজ জানালার কপাট পেরেক ঠুকে বন্ধ করে, দরজায় তালা লাগিয়ে, চাবি নিয়ে চলে যায়। কিন্তু মরিয়মকে উদ্ধার করতে খোলা জিপ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা আর আসে না। দূর থেকে মা মা চিৎকারটা সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো বারবার ফিরে আসে, চলেও যায় দূর থেকে দূরে। বহু আগে নিয়াজির আত্মসমর্পণের পর্ব সমাপ্ত হয়েছে। মিত্রবাহিনী বিজয়ীর বেশে ফিরে গেছে নিজের দেশে। দিল্লি চুক্তি অনুসারে পাকিস্তান থেকে বাঙালিদের প্রত্যাগমনও শেষ। অভিযুক্ত জেনারেলরা ভারতে কয়েদ খেটে চলে গেছে ভাঙা পাকিস্তানে। একটা দেশ কতবার স্বাধীন হবে?

    তবে এসব দিনে মমতাজ খুব তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরে। আতঙ্কই তাকে বেশি সময় বাইরে থাকতে দেয় না। ঘরে ফিরে কাপড়চোপড় না ছেড়েই স্ত্রীর শুশ্রূষায় লেগে যায়। হাতে-পায়ে ধরে মাফ চায়, কান্নাকাটি করে। এ বিষয়টা নতুন-যা পাকিস্তান আর্মি করত না। মরিয়ম সঙ্গে সঙ্গে মাফ করে দিয়ে ভাবে, ক্ষমার মধ্য দিয়ে তাদের বিবাহিত জীবন নতুন করে শুরু হবে। তা না হলে আবারও কর্মজীবী হোস্টেল-বিকাল-সন্ধ্যায় ঝালমুড়ি-চানাচুর খাওয়া, আলো-আঁধারে রাস্তায় পায়চারি করা, নাটক-সিনেমা দেখতে দেখতে আবার একটা ভঙ্গুর বিয়ের প্রস্তাব। তার সঙ্গের বহু মেয়ের এখনো সামাজিক পুনর্বাসন বাকি। প্রতিদ্বন্দ্বী এখনো আছেই। তার ওপর খেলার নিয়মানুযায়ী একটা চেয়ার কম। মরিয়ম সেই ঝুঁকি দ্বিতীয়বার নিতে চায় না। কয়েকটা দিন মমতাজের সঙ্গে তার ভালো কাটে। বর শাড়ি, চুড়ি, ভ্যানিটি ব্যাগ নিয়ে কাজ থেকে ফেরে। সিল্ক শাড়ি কিনলেও কখনো লাল গোলাপ আনে না। গজল শোনার, আবৃত্তি করার অভ্যাসও তার নেই। তবু মেজর ইশতিয়াকের কথা মরিয়মের মনে পড়ে না। সম্পর্ক ভালো থাকার কয়েকটা দিন মমতাজ স্ত্রীকে নিয়ে সিনেমা দেখতে যায়। দীপ জ্বেলে যাই বা হারানো সুর। হল ভাঙার পর উত্তম-সুচিত্রার রোমান্টিক মেজাজে তারা রিকশায় ওঠে। মমতাজ শিস বাজায়–এই রাত তোমার আমার/ শুধুই দুজনার। রাতে মরিয়মের কোলে মাথা রেখে, স্টুডিওর ব্যাকড্রপের শিউলিগাছ থেকে বিছানায় টুপটাপ কাগজের ফুল পড়ার সে স্বপ্ন দেখে। ডাগর নয়না সুচিত্রা সেন কোল পেতে দিয়েছে। নিজে সে কখনো বসন্ত চৌধুরী কখনো উত্তমকুমার। মোহিনীর কণ্ঠে ঝরে, তুমি যে আমার দিশা অতল অন্ধকারে…। মরিয়ম নির্বাক। পীড়াপীড়ি করলে অর্থহীন আওয়াজ করে। শিউলি ফুলের বদলে মুখের ওপর চোখের পানি টুপটাপ ঝরে পড়লে মমতাজের স্বপ্নটা ছুটে পালায়। সামনে ড্রিম লাইটের আলোয় ঠিকরে বেরিয়ে আসা একজোড়া মরা মাছের চোখ। মোহিনীর মাথাটা পেছনে হেলানো। হলরুমের কড়িবর্গার কম্পন মরা চোখে ঝড় তোলে। সেই ঝড়ে দেয়ালগুলো কাপে ঠকঠকিয়ে। ছাদটা সরে সরে যায়। তখন মমতাজের মাথার ঠিক থাকে না। যার যুদ্ধের কোনো স্মৃতি নেই, গল্প নেই, সে একের পর এক পাকিস্তানি আর্মির মতো আচরণ করতে থাকে।

    মরিয়ম নিজেকে ধিক্কার দেয়–হাঁদারাম! বিয়ে কী এখনো জানে না। লোকটাকে যদি পার্কেই ফিরে যেতে হয়, সে ঘরে বউ রাখবে কেন। মরিয়ম চিন্তা করে দেখে, ভালোবাসাহীন শরীরী সম্পর্ক একপ্রকার ধর্ষণই, পুরুষটি স্বামী হলেও। এখন প্রশ্ন হচ্ছে–ভালোবাসার অর্থ কী। সংগম আর ধর্ষণের ফারাক কতখানি। মমতাজ হলঘরের লোকগুলোর মতো মদের গন্ধ নিয়ে বারে বারে আসে। তার হুইস্কির গন্ধটাও উকট। বন্দিজীবনের স্মৃতি-জাগানিয়া। মরিয়ম তাকে মদ খেতে বারণ করলে মমতাজ বলে মদ জিনিসটা খারাপ–সে জানে। বেশ্যা আরো খারাপ। মরিয়ম তার কাছে একজন বেশ্যা। তবে ভদ্র, শিক্ষিত আর মার্জিত রুচির। এ ছাড়া সে পার্কে থাকে না, ঘরে ঘুমায়।

    বিবেচনাটা অতি সংকীর্ণ। ঘর না হয় পার্ক, পার্ক না হয় ঘর।

    অনুরাধার ভবিষ্যদ্বাণী দেরিতে হলেও ফলতে শুরু করে। এখন মরিয়ম কেন বেশ্যার আসন আলোকিত করে একজন পুরুষের ঘর করবে? তাতে সুবিধা কী? সুবিধা এই যে, সারা দিন লাইনে দাঁড়িয়ে সন্ধ্যায় রেশন নিয়ে তাকে বাড়ি ফিরতে হয় না। কাপড়-চোপড়ের কষ্ট নেই। বাড়িতে বন্দি থাকতেও সে অভ্যস্ত। তা একাত্তরের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পের এক্সটেনশন। যুদ্ধটা টুকরো টুকরো হয়ে তার জীবনে ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু ধর্ষণ-নির্যাতন কারো ওপর জীবনভর চলতে পারে না। তাহলে কি সে ঠাই বদলাবে? পুনর্বাসনকেন্দ্রে কতবার ফেরা যায়! সেখানে যেতে না চাইলে বা জায়গা না পেলে বাকি থাকে যা, তা বেশ্যালয়। সে জায়গাটা দেখতে কী রকম? সেখানে মেয়েরা একবার ঢুকলে আর বেরোতে পারে না। কবরের মতো স্থায়ী এমন এক ঠিকানাই হয়তো তার দরকার।

    নির্জন দুপুরগুলোতে একটা অবয়বহীন বেশ্যালয় যখন মরিয়মের পায়ে পায়ে নাছোড়বান্দার মতো ঘোরে, দালালের মতো প্ররোচিত করে, তখন রত্না-ছন্দার যুগলবন্দি চিঠি আসে ফুলতলি গ্রাম থেকে। চিঠিতে স্বামীসহ মরিয়মকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বি. দ্র. কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় সুন্দরীর জলার ওপর কাঁচা সড়কের নির্মাণকাজ সমাপ্ত। দুলাভাইকে পায়ে হেঁটে শ্বশুরালয়ে আসতে হবে না। ঢাকার বাস থেকে নেমে ভ্যান বা সাইকেল রিকশায় তারা বাড়ির উঠান পর্যন্ত নির্বিঘ্নে পৌঁছে যাবে। তবে বর্ষাকালে ভুখা মানুষের গমের লোভে তৈরি মাটির রাস্তাটার কী দশা হবে কেউ জানে না। তাই মেরি যেন অতিসত্বর স্বামীসহ একবার বেড়িয়ে যায়। চিঠিটা যমজ বোনদের হাত দিয়ে লেখা হলেও মরিয়ম জানে, তাতে বাবা-মায়ের সায় আছে। যে মেয়ে স্বেচ্ছায় ঘরত্যাগী, তাকে তারা স্বহস্তে চিঠি লিখে নিজেদের ছোট করেননি। মরিয়ম নড়েচড়ে বসে। মমতাজের সঙ্গে সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটেছে। বর্তমানে পাকাপাকিভাবে স্ত্রীর জায়গায় বেশ্যা আর ঘরের জায়গায় পার্ক। এই অবস্থায় বেশ্যা হওয়ার চিন্তা স্থগিত রেখে বাবা-মায়ের কাছে ফেরার সিদ্ধান্ত নেয় সে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }