Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. উদ্ধার পর্ব

    উদ্ধার পর্ব

    তালা ভেঙে মরিয়মকে যারা উদ্ধার করে, অকুস্থলে পৌঁছাতে তাদের আরো চার দিন বাকি। পাকিস্তানি ট্যাংক আর যৌথ বাহিনীর ট্যাংক তখন সামনাসামনি মোকাবিলা করছে। ট্যাংকের ওপর গোলমতন ফাঁকা জায়গায় গ্রেনেড চার্জ করছে মুক্তিবাহিনী। প্রথমটা ছুঁড়ে দেওয়ার পর যখন বাস্ট হলো, ‘হা-হা-হা’ মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম হাসতে হাসতে মুক্তিকে বলে, ‘তখন খুব আনন্দ পালাম।’ তারপর দুপাশে মাথা নাড়ে, ‘এ বলা যায় না তো–এ ছিল স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণ।’ সেদিনের ট্যাংক ফাইটে তাদের ছয় থেকে সাতজন ছেলে মারা যায়। পরেরটা বাস্ট হলো কি না, কাজটা চুরি চুরি করে করা হচ্ছে বলে রফিকুল বলতে পারবে না। তবে দ্বিতীয় দিনে তারা অনেক দূর অ্যাডভান্স করে। তৃতীয় দিনে তারা আরো অ্যাডভান্স করে। কমান্ডিং অফিসার শুধু অর্ডার দিয়ে যাচ্ছেন–অ্যাডভান্স। গুলির বৃষ্টিতে তারা ঢুকে পড়েছে। জীবনের পরোয়া নেই। তখন মুক্তিযযাদ্ধাদের কাছে রিপোর্ট এল, ‘পাকবাহিনী ভাইগ্যা যাচ্ছে। ওরা পালাচ্ছে। এদিকে ফায়ার চলছে। পেছনে আর্টিলারি। আর্টিলারি সেল নিক্ষেপ করে যথারীতি অপারেশন পার্টিকে কাভার দিয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা অ্যাডভান্স করছে। চারপাশের গ্রাম দেখতে পাচ্ছে তারা। আশপাশের গ্রামের মানুষ গরুগাড়ি করে, পায়ে হেঁটে সরে যাচ্ছে। তাদের আগে আগে পাঞ্জাবিরাও যাচ্ছে। পালাচ্ছে।

    চতুর্থ দিন সকালবেলা একটা খোলা জিপে করে রফিকুল ইসলামরা শহরে ঢোকে। তাদের জিপের এক সাইডে ফিট করা মেশিনগান, অন্য সাইডে এলএমজি। শহর একবারে ফাঁকা। পাকিস্তানি সৈন্যরা আগেই পালিয়েছে। কোনো লোকজনও নেই। রাস্তার কুকুরগুলো পাগলের মতো এলোমেলো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ততক্ষণে মুক্তিযোদ্ধাদের জয় বাংলা ধ্বনি আর ব্ল্যাংক ফায়ার চারদিক থেকে শুরু হয়ে গেছে। রফিকুলদের গাড়িটা চালাচ্ছিল সিক্সথ বেঙ্গলের একটি ছেলে। নাম স্বপন। পাশের সিটে আর পেছনে স্টেনগান হাতে ওরা পাঁচজন। একজন হলো রুস্তম আলি, যাকে ’৭৩ সালে মহররমের আশুরার দিন কিছু অজ্ঞাত ব্যক্তি গুলি করে হত্যা করে। সে জাসদের গণবাহিনী করত। আরেকজন ছিল কালো হ্যাংলা মতন, নাম সিরাজ। কমিশনার সাহেবের মেয়ে সে বিয়ে করেছে। এখন কন্ট্রাকটরি করে। পরের জন সুধীর, শহিদ সুধীর পাল, পরদিন নারকেলবাড়িয়ার যুদ্ধে সুধীর শহিদ হয়। এখন জেলখানার দিকে যেতে যে সাদা একতলা বাড়িটা, এর মালিক আগে স্টেশনমাস্টার ছিল, পরে ইনসিওরেন্স কোম্পানিতে কাজ করত, তার মেজো ছেলে, কোনো এক ব্যাংকের এখন ডিরেক্টর, সে ছিল রফিকুলদের দলের চতুর্থ ব্যক্তি। আর রফিকুল নিজে হচ্ছে একজন প্রাক্তন ব্যবসায়ী। ব্যবসায় লাল বাত্তি জ্বলে উঠলে রাস্তার ওপরের দোকান বেচে দিয়ে, দোকানের পেছনের নামায় একটা ছাপরা মতন ঘর বেঁধে থাকে। তার কথামতো, এখন মদ না খেলে রাতে ঘুম হয় না।

    পাঁচজনের দলটা একটা ভোলা জিপ নিয়ে সেদিন বন্দি মানুষদের উদ্ধারে নেমে পড়ে। তারা জয় বাংলা স্লোগান দিতে দিতে প্রথম জেলখানার দিকে যায়। জেলের তালা ভেঙে ছোটে ক্যান্টনমেন্টের দিকে। মরিয়ম বলে, ‘সকাল থেকে খালি কানে আসতেছে জয় বাংলা স্লোগান। সারা দিনই জয় বাংলা স্লোগান শুনছি। গোলাগুলির শব্দও দূর থেকে ভেসে আসছে।

    মেজর ইশতিয়াক চলে যাওয়ার দিন থেকে মরিয়ম না-খাওয়া। এই চার দিনে এক বেলাও খাবার জোটেনি। বাথরুমের কল ছেড়ে দু’দিন শুধু পানি খেয়েছে। তারপর কলেও পানি নেই। পানি-বাতি সব বন্ধ। জিব দিয়ে ঠোঁট চাটতে গেলে জিব। জড়িয়ে আসে। খিদা-তৃষ্ণার বোধটা ধীরে ধীরে শরীর থেকে চলে যাচ্ছিল। এই বুঝি শেষ, না-খেয়ে মরতে হবে। এই অবস্থায় জয় বাংলা স্লোগানটা আরো নিকটে এলে, মরিয়ম বলে, ‘তখন যে কী অনুভূতি হচ্ছিল তা ভাষায় বোঝাতে পারব না। আরে আল্লা, আমরা তাইলে বেঁচে গেছি, বোমার আঘাতে বা না-খেয়ে আমাদের আর মরতে হবে না!’ শরীরে তখন অসুর ভর করে। ‘ও বাবা, ও ভাই’ চিৎকার করে করে মরিয়ম তখন দরজায় লাথি মারছে। বাইরে থেকেও চিৎকার আসে, ‘ও মা, ও বুইন আমরা আসছি, আমরা আসছি। মা-মা, এই যে আমরা আসছি, এই যে আমরা আসছি।’

    আঁচলে চোখ মোছে মরিয়ম, ‘কান্না পায় কথাগুলো মনে পড়লে। এত বছর পর কান পাতলে আজও শুনি মা-মা চিৎকার করে ওরা আসছে।’ মরিয়ম যে কোনোদিন জীবিত সন্তানের মা হতে পারল না, দূর থেকে ভেসে আসা ওই মা-মা চিৎকারটা ওর কষ্ট এখন আরো বাড়িয়ে দেয়। তখন কত আশা ছিল, মেজর ইশতিয়াক পালিয়ে গেছে–যাক, দেশ স্বাধীন হয়েছে, মুক্তিবাহিনী এগিয়ে আসছে তাদের উদ্ধার করতে।

    ‘আমরা তো পাগলের মতো একটার পর একটা তালা ভেঙে আগুই যাচ্ছি।’ রফিকুল বলে, ‘কতগুলি বিদগুটে চেহারার মেয়েছেলে পিলপিল করে বেরিয়ে আসলো। সারা গায়ে ঘা। বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়েছে। শরীরে এক ফোঁটা গোশত নেই। একেকটা কঙ্কাল। তখন ওদের মানুষ বুইলে মনে হতো না। হাফম্যাড। কাপড় বলতে এদের যা ছিল, এ তো ভাষায় বলা যাবে না! এরা মনে হয় যোনিদ্বারটা শুধু ঢাইক্যা রাখছিল।’

    কিন্তু সিল্ক শাড়ি? খোঁপায় লাল গোলাপ? দেয়ালে তৈলচিত্র? মেঝেতে হারমোনিয়াম-তবলা? কোথাও একটা গোলমাল হয়েছে। রফিকুল যাদের তালা ভাঙার পর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসতে দেখেছে, তারা অন্য কেউ, সেখানে মরিয়ম ছিল না। মুক্তি তার সন্দেহের কথা জানালে একটানে হাঁটুর ওপর শাড়ি তুলে ডান পায়ের ক্ষতস্থান দেখায় মরিয়ম। ‘দেখতে চাও? আরো দেখাই,’ বলে যখন সে ব্লাউজ খুলতে যাচ্ছিল, মুক্তি বাধা দেয়। ‘তোমাকে যে বলেছে মিথ্যা বলেছে,’ মরিয়ম রাগে কাঁপতে থাকে। ‘ওরা তখন আমাদের দ্যাখবে কেন? নজর তো অন্যদিকে। আমরা হলাম গিয়ে বাসি, মিলিটারি আমাদের ইজ্জত মারছে। গায়ে খোঁচা খোঁচা দাগ। রক্ত, গন্ধ। আমাদের এরা চিনবে কেন?’ রেগে হড়হড় করে একসঙ্গে এতগুলো কথা বললেও সিল্ক শাড়ি, লাল গোলাপ, তৈলচিত্র, হারমোনিয়াম-তবলা নিয়ে একটি কথাও আর বলে না মরিয়ম। রফিকুলকে দেখানোর জন্য তার কাছে ছবি চাইলে হালের একটা পাসপোর্ট সাইজের সাদাকালো ছবি দিয়ে মুক্তিকে বিদায় করে। বাইশ বছরের তরুণীকে যে দেখেছে, সে বায়ান্নতে তোলা ছবি দেখে তাকে চিনতে পারবে?

    হারিকেনের ঘোলা আলোয় সাদা-কালো ছবিটা চোখের সামনে মেলে ধরে রফিকুল। ‘এহ্‌ হে, এ তো বুড়ি! আমরা যাদের তালা ভেঙে বের করে দেছিলাম, ওরা সব মোলো-সতেরো বচ্ছরের ছুঁড়ি ছেল। তয় ঘিন্না লাগত ওদের দেখলে।’

    ‘আপনেও তো বুড়া।’ বলে মুক্তি ছবিটা ফিরিয়ে নিতে হাত বাড়ায়। রফিকুল তার হাত সরিয়ে ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখে ছবিটা। একদিন আবেগের বশে তালা ভেঙে যাদের বের করেছিল, তারা কোথায় গেল, কী করল, বেঁচে আছে না মরে গেছে, মাঝখানে এতগুলো বছর, কোনো দিন খোঁজ নেওয়া হলো না। সে নিজেও একজন মেয়েটি বলল, ‘বুড়া’। লিভার পচে গেছে। আজ আছে কাল নেই। রফিকুলের মনের পর্দায় ভেসে ওঠে অনেকগুলো মুখের ভেতর একটা মুখ। যার গালের মাঝখানে একটা আঁচিল ছিল গোলাপি রঙের, সাদা-কালো ছবিতে যদিও বোঝা যাচ্ছে না, এ কি সেই? মুক্তি সায় দিতে লোকটা হে-হে করে হাসতে থাকে। ‘গালে আঁচিল একটা মেয়ে বেরুইয়ে পানি খাতি চাইল। আমরা পানি দেলাম। বাড়ি কোথায় বলল না। খালি কইল, ঢাকাত থ্যে বাড়ি যাচ্ছিল, পথে ধরা পড়ছে। তখন এ খুব রোগা ছিল। এখন দেখি গায়ে গোশত হয়েছে–হে-হে-হে।’

    ‘পরনে কী শাড়ি ছিল? সিল্ক শাড়ি?’

    ‘শাড়ি-টাড়ি কিছু ছিল না। ও-ওই রহমই। হাফম্যাড। পরে, অনেক বছর পরেও রাতে ঘুম ভাঙলে ওই চেহারা কয়ডা মনের পর্দায় ভেসে উঠত।’

    ‘ঘরের মধ্যে কি হারমোনিয়াম-তবলা বা দেয়ালে পেইন্টিং ছিল?’

    ‘কে কয়? যে ব্যারাকে এদের আটক রাখছিল, তা একটা নোংরা-ময়লা ঘর। নয় মাস ঝাড় পড়ে নাই। এর মধ্যে হাফম্যাড–পাগলের মতো মেয়েটা বইসে ছেল।’

    ‘তো আপনি প্রথম তাদের হাসপাতালে নিলেন, না সামনের ইস্পাহানি স্কুলে?’

    ‘হাসপাতালে কারে নেয়া হচ্ছে, কারে নেয়া হচ্ছে না…’

    ‘ইস্কুল ঘরে?’

    ‘ইস্কুল ঘরে কারে নেয়া হচ্ছে, কারে নেয়া হচ্ছে না…’

    রফিকুলের গ্লাস খালি। কথায় বিরতি দিয়ে কাজের ছেলের কাছে সে ইনিয়ে বিনিয়ে আরেকটু মদ চায়। তারপর ফের শুরু হয় কথাবার্তা, ‘কথা হইল গে ওই সময় সৈনিকের দুটো মন থাকে। একটা মন থাকে মানুষরে উদ্ধার করার জন্য, আরেকটা মন থাকে শত্রুরে মারার জন্য। মানুষ তো খালি মদ খেয়ে মাতাল হয় না! যারা জীবন্ত মানুষ গুলি করে মারে, ওরাও মাতাল।’

    গ্লাসের তলানিটুকু গলায় ঢেলে রফিকুল বলে, ‘আমি যত পুড়ি ততই আমার ভালো লাগে। হা-হা-হা।’

    পাকিস্তানি মিলিটারি তখন পালাচ্ছে। যুদ্ধ তখনো শেষ হয়নি। রফিকুলরা শুধু তালা ভেঙে দিয়েছে। হাসপাতালে কাকে নেয়া হচ্ছে, কাকে নেয়া হচ্ছে না, ইস্কুল ঘরে কাকে নেয়া হচ্ছে, কাকে নেওয়া হচ্ছে না–সেসব দেখা তাদের কাজ না। যুদ্ধ করার জন্য মাতালের মতো অবস্থা তখন তাদের। এ সময়ে কমান্ডারের নির্দেশ আসে–অ্যাডভান্স! সামনে বাড়ো!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }