Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৬. রাধারানী একপ্রকার ভালো আছে

    রাধারানী একপ্রকার ভালো আছে

    ‘বঙ্গবন্ধু চলে যাবার সঙ্গে সঙ্গে পুনর্বাসনকেন্দ্রগুলোও উঠে গেল,’ প্রবীণ এক সমাজকর্মী দুঃখ করে বলছিলেন মুক্তিকে। শুনেছি জিনিসপত্রও নাকি ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে রাস্তায়। পতিতালয় উচ্ছেদ করার মতো করে মেয়েদের তাড়িয়ে দেয়।

    ‘তারপর মেয়েরা কী করল, কোথায় গেল?’

    ‘সবকিছু থেকে অ্যালুফ তখন আমি। চারদিকে ধরপাকড় চলছে। কোন সময় জেলে ঢুকব, কোন সময় কীভাবে টর্চারড হব–এটাই চিন্তা করতাম সারাক্ষণ।

    তারপর সমাজকর্মী বীরাঙ্গনাদের খোঁজার জন্য যে কয়েকটা জায়গার নাম মুক্তিকে বলেন, তার সব কটিই ব্রথেল, বেশ্যালয়। কিন্তু মুক্তি তো খুঁজছে বীরাঙ্গনাদের! ‘তাতে কী! বীরাঙ্গনা থেকে যারা বারাঙ্গনা হয়ে গেল, সমাজকর্মী বললেন, তারাই আজ তোমার কাছে মুখ খুলবে। এ দিয়ে একটা মেগা স্টোরি লিখতে পারবে তুমি।

    ‘কিন্তু একাত্তরের নির্যাতিতরা কি সত্যি সত্যি প্রস্টিটিউশনে চলে গেছে?’

    ‘যাবে না তো কী করবে? নো বডি কেয়ারস ফর বীরাঙ্গনাস। সমাজ তো দূরের কথা, কেউ ফিরেও তাকায়নি।’

    তারপর মুক্তিকে তিনি অদৃশ্য বীরাঙ্গনাদের লম্বা এক ফিরিস্তি দেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যেসব মেয়ে বিদেশ চলে গেছে দালালদের খপ্পরে পড়ে, তারা চিরদিনের মতো হারিয়ে গেছে। তখন আত্মহত্যা করেছে কেউ কেউ। স্বেচ্ছায় বিদেশে পালিয়ে গিয়ে সেটেল্ড করেছে যারা, ওখানে নোবডি কেয়ারস ফর দ্যাট। তিনটা বিয়ে করলে যদি অসুবিধা না-হয়, এটা তো একটা অ্যাকসিডেন্ট। এ নিয়ে তারা মাথা ঘামায়নি। তবে সেটেল্ড লাইফে একাত্তরের নির্যাতিত মেয়েরা আমাদের দেশে যে একেবারে নেই, তা নয়। তারা এখন ফিফটি আপ বা সিক্সটি–গোপনে সংসার করছে। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে তারা কি একাত্তরের কাহিনি বলে স্বামী বা পুত্রহারা হবে? সে অধিকার তোমার-আমার কারো নেই। তার পরও তুমি যদি কথা বলতে চাও–নিজে গিয়ে দেখতে পারো, কেউ রেসপনস করবে না।

    একসময়ের পুনর্বাসনকেন্দ্রের বেতনভুক কর্মী বেবির হদিশ দিয়েছিলেন এই সমাজকর্মীই। নাম-ঠিকানা নিজের হাতে পোড়ানো সত্ত্বেও মরিয়মের ঠিকানাটা যুদ্ধের আটাশ বছর পরও তার মনে ছিল। বেবি তত দিনে মহিলা অধিদপ্তরের একজন বড় কর্মর্কতা। পুনর্বাসন বোর্ড মহিলা অধিদপ্তরে মার্জড করে গেলে বেবিও ওখানে স্থানান্তরিত হয়। তার পর থেকে ওখানেই আছে। বেবির সঙ্গে যোগাযোগ করার আগে মুক্তি পতিতাপল্লি যাওয়া মনস্থ করে। এ ব্যাপারে তাকে দিকনির্দেশনা দেন উক্ত সমাজকর্মী।

    ‘তুমি যেতে পারো বানিশান্তায়,’ তিনি বলেছিলেন। মংলা পোর্টের দক্ষিণ দিকে পশুর নদের পশ্চিম পাড়ে বানিশান্তা পতিতাপল্লি। আরো দক্ষিণে গেলে সুন্দরবন। সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগারের চেয়ে মুক্তির ভয় বেশি ব্রথেলের দালাল আর সর্দারনিদের। পতিতাপল্লিতে একবার ঢুকলে সে যদি বেরোতে না পারে! সব মেয়েরই পায়ে পায়ে একটা বেশ্যালয় ঘোরে। তা ছাড়া এত দূরের পথ বানিশান্তা, একা। যাওয়ার তার সাহস হয়নি। ‘তারপর ধরো ইংলিশ রোড, এই ঢাকার মধ্যেই, পতিতাপল্লির নাম কান্দুপট্টি।’ কান্দুপট্টি উচ্ছেদ হয়ে গেছে দু’বছর আগে, ১৯৯৭ সালের মে মাসে। সেখানকার মেয়েরা এখন ঢাকার পথে-পার্কে-দরগায় খদ্দের বসায়। সমাজকর্মীর বয়স দুই হাজার সালে আশি হবে। কান্দুপট্টি উচ্ছেদের খবর শুনে থাকলেও তার মনে নেই। তিনি মুক্তিকে এরপর টানবাজার যেতে বলেন। টানবাজার ব্রথেলে ঢোকার মুখেই দেখবে হংস থিয়েটার-পুরোনো সুন্দর একটা বাড়ি। আনারকলি ছবিটা তিনি হংস থিয়েটারেই ষাটের দশকে দেখেছিলেন। মধুবালা ছিল আনারকলির রোলে, আর দিলীপকুমার হচ্ছেন গিয়ে শাহজাদা সেলিম। পরে যিনি চতুর্থ মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর হন।

    দেড়শ-দু’শ বছরের পুরোনো টানবাজার পতিতালয়। শীতলক্ষ্যা পাড়ের প্রাচীন বন্দরনগরী নারায়ণগঞ্জে। বিদেশি নাবিক-বণিকদের মনোরঞ্জনের জন্য অতীতের কোনো এক সময় তা গড়ে ওঠে। আজ যদিও শীতলক্ষ্যার বুকে বিদেশি জাহাজ নোঙর ফেলে না, পাট আর সুতোর জমজমাট ব্যবসাও নেই, তবু পতিতাপল্লিটিতে হু হু করে বন্যার পানির মতো মেয়ে বাড়ছে। বর্তমানে তারা প্রায় তিন হাজার। মালিক ও খদ্দের এখন তাদের ভিন্ন। সমাজকর্মী যখন মুক্তিকে টানবাজারে যেতে বলেন, তখন পতিতাপল্লি উচ্ছেদের পাঁয়তারা চলছে। প্রতিদিন কাগজে কোনো-না-কোনো খবর থাকছেই টানবাজার নিয়ে। কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধুর সঙ্গে মুক্তিও একদিন যায়। ওখানে। ঢোকার মুখে হংস থিয়েটারের পুরোনো সুন্দর বাড়িটার দিকে তাকাবে কি, মেয়েদের দেখেই তো চক্ষু স্থির। গলির দু’দিকে শাটার-ফেলা দোকানের রোয়াকে বা সিঁড়িতে দিনদুপুরে খদ্দের ধরার জন্য দাঁড়িয়ে করছে। তাদের সাজসজ্জা, ঠাকঠমক, দাঁড়ানোর অতি প্রাচীন ভঙ্গিমা, জীবনে প্রথম দেখলেও বোঝা যায়–এরা কারা। অথচ এই গলিপথেই সিগারেট বিক্রেতা, বাড়িঅলার এজেন্ট, ইনফরমার, সাংবাদিক, প্রেমিক, খদ্দের যারা আছে, জনে জনে পরিচয় না দিলে তাদের চেনা মুশকিল। প্রাপ্তবয়স্কদের পায়ে পায়ে ছোট ছোট বাচ্চারা ঘুরছে, হামা দিচ্ছে। গলির এপাশ ওপাশ করতে গেলে তাদের ডিঙিয়ে যেতে হয়। এদিকে বোঝার ওপর শাকের আঁটির মতো খানে খানে ইউনিফরমধারী পুলিশ। মুক্তির মনে হয়, স্মৃতিভঙ্গুর এক বৃদ্ধার কথায় এমন জায়গায় একাত্তরের বীরাঙ্গনা খুঁজতে না-এলেই ভালো করত। মুখ ফুটে সহযাত্রীদের বলতেও পারছে না। কিছুটা ধাতস্থ হতে দেখে, তারা একদল মারমুখী মেয়ের বেষ্টনীর মধ্যে। সাংবাদিকরা তাদের দাবিদাওয়া জানতে চাচ্ছে। সাধারণ সব প্রশ্নের তুখোড় সব জবাব আসছে মেয়েগুলোর কাছ থেকে। কেউ কেউ প্রশ্নের তোয়াক্কাও করছে না। আমরা কি রোডে গিয়ে পুরুষগো ডাকতাম, আমরা কি আপনার স্বামীরে ডাইক্যা নিতাম বসতিতে যে আমাদের উচ্ছেদ করবার নাগছেন? মুক্তি এর জবাব না দিয়ে মুখ নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। যদিও তার বিয়ে হয়নি, স্বামীও নেই। তারপর যে পুরুষ সাংবাদিকটির পেছনে সে আশ্রয় নেয়, মেয়েটি তার উদ্দেশে বলে, ‘তোমরা বউ থুইয়্যা আসো বা বউ ছাইড়া দেও, আমরা কইলাম হেইডাও কিনো দিন কই নাই। তোমরা টাকা দিছো, এনজয় কইরা চইল্যা গেছে। খেইল খতম, পয়সা হজম।’

    উচ্ছেদবিরোধী আন্দোলনে যে মেয়েরা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের মুখে রং নেই, সাজসজ্জার বালাই নেই। দু’দিন আগে রাজধানীতে গিয়ে বক্তৃতা-স্লোগান দিয়ে সবার গলা ভাঙা। আজ যাদের বয়স পঞ্চাশ, মুক্তি হিসেব করে একাত্তরে তারা ছিল ২১/২২ বছরের তরুণী। সেই বয়সের একজন ভাঙা গলায় বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ নকল করে, ‘আমরা তোমাদের ভাতে মারব, পানিতে মারব।’ শেখের পার্টির লোকেরা এখন ক্ষমতায়। তারা টানবাজারে পানির সাপ্লাই বন্ধ করে, বিদ্যুতের লাইন কেটে, খদ্দের আসার পথে নানা প্রকার বাধা সৃষ্টি করে বেশ্যাদের ভাতে মারছে, পানিতে মারছে। ‘আমার কী লাভ হইল,’ একজন বিহারি মহিলা বলে। ‘আমি তো বিহারি আছিলাম, বাঙালি অইছি, আমারেও তো শেখের বাহিনী উচ্ছেদ করে দিতাছে।’ বিহারি মহিলার নাম নাসিমবানু। বাঙালি পুরুষদের গ্যাংরেপের শিকার হয়ে বাহাত্তর সালে টানবাজারে আসে। মা-বাবা-ভাই-বোনের খোঁজ নেই। বেঁচে আছে না মারা গেছে, জানে না।

    শুরুতেই গন্ডগোল। মুক্তি দেখে, ইতিহাসের এক অন্ধকার গলিতে সে ঢুকে পড়েছে। বাঙালি মেয়ে খুঁজতে এসে পেয়ে গেছে বিহারি নারী। নিজে সে বীরাঙ্গনার পুনর্বাসনকেন্দ্রে না গিয়ে, চলে এসেছে পতিতাপল্লিতে। মাঝখানে অনেকগুলো বছর। বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর পুনর্বাসনকেন্দ্র উচ্ছেদ করা হয়েছিল। এখন পতিতাপল্লি উচ্ছেদ করতে চাচ্ছে তার দলের লোক, যেখানে সমাজকর্মীর ভাষ্যমতে– পুনর্বাসনকেন্দ্রের মেয়েরাও আছে। থাকলে তারা কোথায়? উচ্ছেদের ডামাডোলে হাজার হাজার মেয়ের অতীত পরিচয় উদ্ঘাটন সহজ কাজ নয়। জিগ্যেস করলে জবাব আসে, ‘আমার মা খানকি আছিল, আমিও খানকি।’ অতীত নিয়ে মাথাব্যথা নেই, ভবিষ্যতের চিন্তা সবার।

    মুক্তি ফিরে এসে রিপোর্ট করে। সব শুনে সমাজকর্মী বলেন, ‘আমি কালের সাক্ষী বৃদ্ধ বটগাছ। আমার কাছে অসহ্য লাগে এগুলি।’ তবে তিনি তাকে ওইসব জায়গায় খোঁজখবর চালিয়ে যেতে বললেন। মুক্তির আর ওখানে যাওয়া হয়নি। টানবাজার উচ্ছেদ হয়ে গেছে। মেয়েদের ধরে-বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কাশিমপুর, পুবাইল ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্রে। যদিও বঙ্গীয় ভবঘুরে আইন, ১৯৪৩ অনুযায়ী টানবাজারের মেয়েদের পেশা ভিক্ষাবৃত্তি ছিল না, অথবা রাস্তা বা জনপদে এমন কোনো ভঙ্গিমায় তারা দাঁড়িয়ে থাকেনি, যা দেখে মনে হতে পারে, তারা খয়রাত চাচ্ছে।

    কাছাকাছির মধ্যে বাকি থাকে দৌলতদিয়া। পদ্মাপাড়ের পতিতাপল্লি। মুক্তি এবার সমাজকর্মীর নির্দেশমতো না-এগিয়ে নিজেই পথ ঠিক করে। কারণ তিনি বটগাছ হতে পারেন, কালের সাক্ষীও বটে, তবে এনজিওর কর্মকাণ্ড যে অরণ্যের দাবানলের মতো পতিতাপল্লি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে, আর আড়কাঠি, দালাল, খদ্দের ছাড়াও সেখানে যে। বাইরের মেয়েরাও যাতায়াত করে, যদিও অ্যাপ্রন পরে, নিজেরা যে বেশ্যা না, তা বোঝানোর জন্য, এসব কথা বোধ হয় শোনেননি। শুনলেও মনে নেই। তার শুধু এক কথা, ‘তুমি কান্দুপট্টি যেতে পারো।’ কান্দুপট্টি উঠে গেছে দুই বছর আগে। ‘তাহলে তুমি টানবাজারে যাও।’ টানবাজারের মেয়েরা এখন ভবঘুরে আশ্রয়কেন্দ্রে। প্রতি জুম্মার দিনে মিলাদ-মহফিল হয় টানবাজারে। ‘আশ্চর্য, ঢাকা শহরে বসে থাকলে কাজ হবে তোমার! তুমি দৌলতদিয়া যাচ্ছ না কেন?’

    মুক্তি দৌলতদিয়া যাওয়ার আগে সেখানকার অ্যাপ্রন পরা নারীকর্মীর শরণাপন্ন হয়। তারা পতিতাপল্লিতে বয়স্ক ও শিশু শিক্ষার প্রজেক্ট চালায়, কনডম ব্যবহারের গুণাগুণ ব্যাখ্যা করে আর ভবিষ্যহীন মেয়েগুলোকে সঞ্চয় করার উৎসাহ দেয়। তাদের একজনের মাধ্যমে মুক্তির প্রথম সাক্ষাৎ ঘটে একাত্তরের বীরাঙ্গনা রাধারানীর সঙ্গে।

    দৌলতদিয়ার অলিগলিতে তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলে রাধারানী। মুখ ভোলা দূরে থাক, ধরাই দেয় না। একবার একটা চিপাগলিতে উভয় পক্ষ মুখোমুখি। রাধারানী বলে, ‘আমি একাত্তরের বীরাঙ্গনা, শিক্ষিত, তায় বেশ্যা–এগুলি আমার পাপ, মহাপাপ। তোমরা আমারে বিরক্ত করবা না। পথ ছাইড়া খাড়াও।’ গলি থেকে বাইন মাছের মতো শরীর মুচড়িয়ে সে বেরিয়ে যায়। অ্যাপ্রন পরা এনজিওকর্মী জল-কাদা ডিঙাতে ডিঙাতে বলে, ‘এরা সত্য কথা বলে না কেউ। সাবধানে পা ফালান। নইলে আছাড় খাইবেন কিন্তু।’ উল্টোদিকের ঘরের দাওয়ায়, পরনের পেটিকোট বুকের ওপর গিঁট দিয়ে পা ছড়িয়ে বসে আছে এক বেশ্যা। সে মুচকি হাসে, ‘ভাড়াইট্টা টেনেসফার করায় রাধারানী। তোমরা কি হেরে টেকা দিবা, মাল খাওনের টেকা?’

    বেশ্যার স্মার্ট চেহারার দিকে মুক্তি তাকিয়ে থাকে। অ্যাপ্রন পরা এনজিও কর্মী হাসে পাশ থেকে, ‘বুঝলেন না, এইডাই এখন রাধারানীর ব্যবসা। এ দিয়া হে মদের পয়সা তোলে। আপনে কাদায় পা ফালাইয়েন না কিন্তু। পিছলায় যাবেন।’

    কাদা থেকে সরে এসে মুক্তিরা একটা শুকনো উঁচু জায়গায় দাঁড়ায়। এটা রেলস্টেশনের মুখোমুখি পতিতাপল্লি ঢোকার মূল গেট। পনেরো-বিশ জন মেয়ে পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। খদ্দেররা ঢুকছে-বেরোচ্ছে। পতিতা আর খদ্দেরে যে কথা কাটাকাটি আর হাতাহাতি চলছে, দাঁত বের করে তা-ই দেখছে রাস্তার লোকজন। ক্যাসেট প্লেয়ারে উচ্চগ্রামে বাজছে মাইজভান্ডারির গান-দেখে যারে মাইজভান্ডারি, দেখে যারে মাইজভান্ডারি, হইতেছে রঙের খেলা, নূরে মাওলা বসাইছে প্রেমের মেলা, খাজা বাবা বসাইছে প্রেমের মেলা। এনজিও কর্মীর অ্যাপ্রনের হাতাটা চেপে ধরে মুক্তি শুধায়, ‘রাধারানীর কেইসটা কী–খুলে বলেন তো!’ ঠিক তখনই গলির মুখে উদয় হয় রাধারানী। ‘এ দি ভূতের লাহান, পাছ ছাড়ে না!’ বলেই কাদার ওপর দিয়ে পিছলে বেরিয়ে যায়।

    ‘হলো তো?’

    এনজিও কর্মী তো অবাক, ‘কী অইলো?’ সঙ্গে সঙ্গে মুক্তির জবাব ‘অপমান করে বেরিয়ে গেল!’

    মুক্তির রাগ দেখে এনজিও মাঠকর্মী হেসে কুটি কুটি, ‘এত সোজা অদের ধরা! অ মাগো, মদ খাইয়্যা হে যহন গালিগালাজ শুরু করবে, তহন বুঝবেন কত ধানে কত চাউল। আপনে আবার আছাড় খাইয়্যা প্যাকে পইড়েন না য্যান।’

    বর্ষাকাল। বলা নেই কওয়া নেই আচমকা ঝমঝম বৃষ্টি। মুক্তিরা যার চালাঘরে দৌড়ে ঢোকে, সে নাকি রাধারানীর বোন। বলে, পাতানো বোন। নাম কুসুমকলি। রাধারানীর কাহিনি বলার জন্য কুসুমকলি প্রকৃতপক্ষে মুখিয়ে ছিল। ‘আমার বইনের মতো বেরেইন দুলুদিয়ায় কারো নাই, এমন শিক্ষিত-কথায় কথায় খালি ইংরাজি কয়!’ কুসুমকলির আফসোস, ‘মদ খায় বিধায় ঘরের ছেলেরা তারে ছাইড়া চইল্যা গেছে। এককালে ওর অনেক নামডাক ছিল। ও একটা বাড়িঅলি ছিল। টাকা কামাইছে হিউজ। মদ খাইয়্যা সব উড়াই দিছে। ভাড়াইট্টা টেনেসফার করে রাধারানীর এখন দিন চলে।’

    ‘ভাড়াইট্টা ট্রান্সফারের ব্যাপারটা কী?’

    ‘যেমন ধরেন, কারো টাকার সমস্যা থাকলে বাড়িঅলি উঠায় দেয়। হয়তো এরা লোক পায় কম। হয়তো সাজগোজের জিনিস কিনতে পারে না। বাড়িভাড়া দেয় না সময়মতন। তহন একটা গন্ডগোল বাধল…’ কুসুমকলির কথার মাঝখানে তার পালক মেয়ে আনারকলি ফোড়ন কাটে, ‘রাধারানী তখন হুগুনির লাহান হামলাই পড়ল।’

    কুসুমকলি মনে মনে রাগ করলেও মেয়েকে কিছু বলে না। কারণ সে তার কামাই খায়। এখন ঠাকঠমক যা, সব পালক মেয়ের পয়সায়। মেয়েটা ব্যবসায় নেমেছে নতুন। উঠতি বয়স। পদ্মপাতায় মতো টলটলে মুখ। গলির মুখে না দাঁড়ালেও খদ্দের জোটে। তাই দেমাক বড়। বিগত যৌবনাদের প্রতি মায়াদয়া নেই। তার ঘরের চালের। নায়ক-নায়িকার পোস্টারগুলো কুসুমকলি মই বেয়ে উঠে, নিজহাতে সেঁটে দিয়েছে। তার দুঃখ, আনারকলির পছন্দ নয় রাধারানীকে। মুখের ওপর বলে কিলিকবাজ।

    ‘রাধারানী আসলে,’ কুসুমকলি ধীরে ধীরে কথা ভাঙে, ‘সারা পাড়া ঘুরে ঘুরে এক বাড়ির ভাড়াইটা পটাইয়ে পটাইয়ে আরেক বাড়ি দিয়ে আসে। তাতে পাঁচ শ টাকা পায়। ব্যস্–মদ-ভাঙ খাইয়া পাঁচ শ টাকাই এক দিনে শ্যাষ।’

    রাধারানীর সাত বছরের মেয়েটা এই জন সেই জনের দয়ায় বেঁচে আছে। কুসুমকলি পালক নিতে চাইলে রাধারানী বলে, ‘এরে আমি লেখাপড়া শিখাব। রান্ডি হতে দেব না।’

    যে রাতদিন মদ-গাঁজার ওপর থাকে, মেয়ের দেখাশোনা করার সময় পায় না, সে শেখাবে মেয়েকে লেখাপড়া?

    ‘তুই এত মদ খাস ক্যান’–আমি জিগাইছি, কুসুমকলি বলে তয় ও কয়। আমি মদ খাব না, আমার জীবনে তো কিছু নাই, রাধারানী যখন ছোট ছিল, তারে মেলেটারি উঠায় নিয়া যায়। ক্যাম্পে রাখে কয় মাস, তারপর ছাইড়ে দেয়।

    : কী মদ খায় রাধারানী?

    : সোনাগাছি থাকতে খাইত শুনছি ডবল টাইগার, রাম, জিন। দুলুদিয়া ঘাটে আইসা তো বাংলা মদই খাইতাছে।

    : মদের দাম কত?

    : এক লিটার দুই শ।

    : দুই শ! সোনাগাছি সে কবে গেছিল?

    : এইডা বাহাত্তুরে। তারপর সেখান থেইকে এক দালালে নিয়া আসে। তুমি একটা ভালো বংশের মেয়ে, তোমায় বিয়েটিয়ে দিয়ে দিব। আইস্যা ফরিদপুর বেইচ্যে থুয়ে গেল, ফরিদপুর থে আসলো এই জাগায়।

    : তারপর?

    : তারপর আর কী।

    : এত যে মদ খায় বলছেন, ওনার কোনো অসুখ-বিসুখের ঝামেলা নাই?

    : ওর কোনো ব্যাধি নাই। লবণ দে ডিরিং করে। দশ দিন যদি আপনি লবণ দিয়া ডিরিং করেন, আপনার লিভার পচে বাইর হয়ে যাবে। রাধারানী হাত দেখে না, তয় কার কী ভবিষ্যৎ সঠিক বুইলে দিতে পারে। নিজের পরমায়ু হেইদিন কইলো, একশ বছর। আপনেগর শুভ কামনায়, মেদেনিপুরের হুজুরের দোয়ায়, বড় পিরের আশীর্বাদে রাধারানী একপ্রকার ভালো আছে।

    মুক্তি এনজিওকর্মীর সঙ্গে কুসুমকলির ঘর থেকে যখন বেরিয়ে আসে, তখন বিকাল হয়ে গেছে। আকাশ ঝলমলে পরিষ্কার। পদ্মার ওপর সাদা সাদা মেঘ ডানা মেলে দিয়েছে। ‘ইশ্‌ আপনের কাপুড়চুপুড় এক্কেরে কাদায় মাখামাখি,’ এনজিওকর্মী চিন্তিত। ‘এই পইরা ঢাকা যাইবেন?’ মুক্তি অপাঙ্গে নিজের শরীরের দিকে তাকায়। রাধারানীর সঙ্গে একবার দেখা হলে ভালো হতো। কোনো কথাই হলো না–এটা কেমন। অন্যের কথা দিয়ে কি গবেষণার কাজ চলে? ‘আপনে মনে করেন কুসুমকলি সত্য কথা কইছে?’ এনজিওকর্মী ভিড়ভাট্টা ঠেলে মুক্তিকে বেশ্যাপল্লির বাইরে আনতে আনতে বলে, ‘আমি কিন্তু অদের কানাকড়ি বিশ্বাস করি না।’

    যে বেশ্যাদের কনডম জোগায়, এর গুণাগুণ ব্যাখ্যা করে, সে কি জানে খদ্দেররা কনডম ব্যবহার করে কি না? বেশ্যারা দিনের বেলায় দুয়ার খোলা রেখেও খদ্দের। বসায়। ইচ্ছা থাকলে খদ্দেরের পরনে কনডম আছে কি নেই–দেখতে বাধা নেই। তা তো তারা করে না। একটা অন্ধ বিশ্বাসের ওপর ভর করে বছরের পর বছর বেশ্যাদের কনডম বিলিয়ে যাচ্ছে, রক্ত পরীক্ষা করাচ্ছে, কেসহিস্ট্রি নিচ্ছে। অথবা বিশ্বাস না করেই এসব করে যাচ্ছে। মুক্তি তাদের বিশ্বাস করবে কি করবে না? রাধারানী যে বীরাঙ্গনা, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অচিরেই তার একটা সাক্ষাৎকার নিতে আসবে সে।

    সেই যাওয়া সম্ভব হয় আরো দুই বছর পর। দৌলতদিয়া থেকে ফিরে মুক্তি যায় মহিলা অধিদপ্তরে বেবির কাছে। ফলত পদ্মার ওপারে বঁড়শি ফেলে সে নিজে ধরা পড়ে। আরেক বিস্তৃত জালে। জায়গাটা ঢাকার পশ্চিম প্রান্তের গিঞ্জি এলাকা রায়েরবাজার। বাঁশঝাড় দূরে থাক, ততদিনে হাস্নাহেনার চিহ্নমাত্রও নেই, এমন একটা বাড়ি। তবে বাড়ির নেমপ্লেট তখনো ঠিক ছিল। আর লোহার ভারী পাল্লাটাও আলিবাবার চিচিং ফাঁক বলার মতো একবারেই খুলে যায়। ভেতরে ঢুকে মুক্তির হয় সাত চোরের দশা। সেখান থেকে জাল গুটিয়ে বেরোতে বেরোতে পাক্কা দুই বছর। কারণ রায়েরবাজারের। বাড়িটার প্রায় তিন যুগের বাসিন্দা, সেখানে যে কিশোরী থেকে যুবতী, যুবতী থেকে পঞ্চাশে পা দিয়েছে, সে গত এক বছর ধরে মুক্তির অপেক্ষায় ছিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }