Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. অনুরাধার ডায়েরি

    অনুরাধার ডায়েরি

    মন্টুর হারিয়ে যাওয়ার সংবাদ মরিয়ম দেখে ‘৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, পত্রিকার নিখোঁজ বিজ্ঞপ্তির পাতায়। সে তখন নারী পুনর্বাসনকেন্দ্রের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তখন সিনেটর কেনেডিকে যে রাজকীয় সংবর্ধনা দেওয়া হচ্ছিল, তার সচিত্র প্রতিবেদনের নিচে একগুচ্ছ ছবিসহ নিখোঁজ বিজ্ঞাপনগুলো ছাপা হয়। তাতে মন্টুর স্কুলজীবনের সাদা-কালো ফটোগ্রাফ। নিচে লেখা সাইফুদ্দিন আহমেদ মন্টু। বয়স বিশ। এর আগে মরিয়ম হাসপাতালের বেডে দৈনিক পত্রিকা নাড়াচাড়া করলেও পড়ে দেখেনি কখনো। অক্ষরগুলো মনে হতো পরস্পর জড়াজড়ি করা, এক লাইন আরেক লাইনের পিঠে চড়ে সিটি বাজিয়ে চলে যাচ্ছে অজানা গন্তব্যে, যার সঙ্গে মরিয়মের কোনো সম্পর্ক নেই। নতুন দেশের মানুষের হাসি-কান্না, পুনর্মিলনী তাকে স্পর্শ করে না। শহিদ পরিবারের ফ্যামিলি ফটোগ্রাফগুলো বেজায় ক্লান্তিকর। বিদেশি স্বেচ্ছাসেবকদের উৎসাহ-উদ্দীপনার খবরাখবর সে দলা পাকিয়ে ছুঁড়ে ফেলে খাটের তলায়। ধ্বংসস্তূপের ওপর এত হাঁকডাক আয়োজন অন্য কারোর জন্য, এর শরিক নয় সে।

    সেদিন মন্টুর নিখোঁজ-সংবাদ পত্রিকায় দেখামাত্র, মরিয়ম তা এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেলে। তবে বুঝতে খানিকটা দেরি হয়। হৃৎপিণ্ডের ধুকপুকানি ক্রমে বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় সে ফের চেনা আলোকচিত্রটির দিকে তাকায়–মন্টুর তেলসিক্ত চুল পরিপাটি আঁচড়ানো, কপালটা ভেজা ভেজা, যেন আঙুল দিয়ে ছুঁলেই তেলের আঠায়। তর্জনী আটকে যাবে। ফুলতলি গায়ের ধূলি-বালি থেকে শহরে উপড়ে আনা কিশোরের দুঃখ ভারাক্রান্ত চোখজোড়ায় ক্যামেরার প্রথম ফ্লাশ বিস্ময় ফোঁটাতে পারেনি। ঠোঁট দুটি আঁটসাঁট–এক বুক অভিমান প্রাণপণে চেপে রাখার চেষ্টা করছে। কিছুতেই বাইরে বেরোতে দিচ্ছে না–স্টুডিওর লোকটার বারবার এক্স-রে মেশিন অপারেটরের মতো ‘দম ছাড়ো, বি ইজি’ বলার পরও। সেদিন স্টুডিও থেকে বেরিয়ে মরিয়ম ভাইয়ের ওপর খুব চোটপাট করে, ‘তুই একটা গাঁইয়্যা ভূত। এই ছবি দেখলে শহরের স্কুলে ভর্তি নেবে? শুধু শুধু কতগুলি টাকা খরচ!’

    ‘যারা আজও ফেরেনি’ শিরোনামের সচিত্র খবরের মাঝখানে ‘দম ছাড়ো, বি ইজি’ নির্দেশ অমান্যকারী মন্টুর সেই ফটোগ্রাফ–খবরের কাগজের প্রতিদিনের নিখোঁজের তালিকার আজ জায়গা করে নিয়েছে। মরিয়মের সামনে থেকে কাগজের অক্ষরগুলো জড়াজড়ি ছেড়ে সরে দাঁড়ায়, এক লাইন আরেক লাইনের পিঠ থেকে নেমে পড়ে, সিটি বাজানো বন্ধ হয়ে দেয়। একাত্তরের এপ্রিল মাসের শেষ দিকে মন্টু বাড়ি থেকে উধাও। ভারতের ট্রেনিং ক্যাম্পে থাকার সময় একটা হাতচিঠি পাঠিয়েছিল। তারপর আর খবর নেই। বাবা-মা, ছোট দুই বোন অধীর আগ্রহে তার অপেক্ষা করছে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি মন্টুর খোঁজ পেলে, তাকে নিম্ন ঠিকানায় যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। পিতা কফিলউদ্দিন আহমেদ, সাং ফুলতলি, ডাকঘর সাহারপাড়।

    এটি হারিয়ে যাওয়া মন্টুকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ঠিকানা। সেখানে বাবা-মা, ছোট দুই যমজ বোন রত্না-ছন্দা বাস করে। তারা বেঁচে আছে। মন্টু গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে উধাও। মরিয়ম কোথাও নেই। তার জন্য বাবা-মা, ছোট দুই বোন। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে না। করলেও বিজ্ঞাপনে তার উল্লেখ নেই। কিন্তু সে তো বেঁচে আছে এবং ডাক্তারের কথামতো দ্রুত সেরে উঠছে! পুনর্বাসনকেন্দ্র থেকে বারবার তার ঠিকানা চাওয়া হচ্ছিল, যদি আপনজনেরা এসে নিয়ে যায়। কেউ কেউ নিরাময় লাভের পর ইতিমধ্যে নিজের বাড়িঘরে ফিরে গেছে। যদিও সংখ্যায় তারা অতি নগণ্য। ঠিকানা চাইতে এলে মরিয়ম পিঠ ফিরিয়ে দেয়ালের দিকে মুখ করে শুয়ে থাকে, টুঁ শব্দটি করে না। বিজ্ঞাপনটা পড়ার পর তার মনে একটাই প্রশ্ন, মন্টু নিখোঁজ! স্বাধীনতার দু’মাস পর নিখোঁজ কেউ ফিরে আসে? মন্টু আসবে?

    মরিয়মের সামনে থেকে হাসপাতালের সাদা দেয়ালটা সরে দাঁড়ায়। চোখের পর্দায় ভেসে ওঠে প্রায়ান্ধকার একটি কক্ষ। সেখানে টিমটিমে আলোর বালুবের নিচে ভাগ্যগণনা করছেন একজন কৃশ, খর্বাকৃতির লোক। স্বরটা অসম্ভব ভারী। যেন তার নয়, অন্য কারো কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত হচ্ছে—’হাতের তালুতে দীর্ঘ আয়ুরেখা নিয়ে অসময়ে চিরদিনের মতো কেউ হারিয়ে যেতে পারে না, যদি না প্রতিজ্ঞার বরখেলাপ হয়।’ ‘জ্যোতিষশাস্ত্রে সুপণ্ডিত, এশিয়া বিখ্যাত হস্তরেখাবিশারদ প্রফেসর কিউ এম তালুকদার’-এর চলটা ওঠা সঁতসেঁতে দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে মনমরা হয়ে বসে আছে মন্টু। প্রফেসরের পাথরের আংটি পরা বিশাল থাবায় পাখির ছানার মতো তার কচি হাতটা তিরতির করে কাঁপছে। মরিয়ম অদূরে। আবেদের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সে উদ্বিগ্ন। গলির ভেতরের তস্যগলিতে সে একা আসতে পারবে না বলে ভাইকে সঙ্গে এনেছে। মন্টুর হাত দেখানো ছিল ফাউ। তাই ছোটবেলায় মরিয়ম যে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছিল, প্রফেসরের প্রায়ান্ধকার ঘরে বসে সেদিন মনে পড়েনি। আজ পড়ছে।

    মেরির সাত আর মন্টুর পাঁচ বছর বয়স তখন। আব্বা-আম্মার বিছানা থেকে সদ্য তাদের চালান দেওয়া হয়েছে পাশের ঘরে। সেখানে ভাই-বোনের জন্য পাশাপাশি দুটি বিছানা। তখন মন্টুর বড় কোনো অসুখ নয়, সামান্য জ্বরই হয়েছিল। ফুলতলি বাজারের হাতুড়ে ডাক্তারের ওষুধে সারছিল না। ভাইয়ের জন্য বোন অন্ধকার ঘরে নিঃশব্দে কাঁদতে কাঁদতে সেদিন আল্লার কাছে মানত করেছিল, মন্টু সুস্থ হলে ছাপরা মসজিদে চার আনার মোমবাতি দেবে। আজ দেবে, কাল দেবে করে কোনোদিন যা আর দেওয়াই হয়নি। ভাই সুস্থ হওয়ার পর আগের মতোই সেই ঝগড়াঝাটি মারামারি। একজন মেরে পালালে, মার খায় যে, সে অভিশাপ দেয়—’কুষ্ঠ হইয়্যা মরবি তুই।’ বড় হওয়ার পর মেরি-মন্টু একে-অন্যের মরণ চায়নি ঠিকই, তবে দীর্ঘায়ু কামনা করে খোদার দরবারে ফরিয়াদও জানায়নি। হয়তো জানাত, যদি তারা বাঁচতে বাঁচতে একদিন বৃদ্ধ হতো। সে সময়টা আসার বহু আগেই যুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল।

    মন্টু আজ নিখোঁজ। মেরি হাসপাতালের বেডে। তাকে বাবা-মার অস্বীকৃতিটাও মনে খুব বাজে। যদিও কেন্দ্রের রেজিস্ট্রেশনের দিন থেকে সে তাদের লাগাতার অস্বীকার করে এসেছে, নিজের পরিচয়টাও ঠিকভাবে কেসহিস্ট্রিতে লিখতে দেয়নি। তবে দুটি বিষয়ে ফারাক বিস্তর–বাবা-মা অস্বীকার করছে সন্তান আর সে আড়াল করেছে নিজের পূর্বপরিচয়, যে পরিচয়ে বাস্তবিকই সে আর বাঁচবে না। নির্যাতন ক্যাম্পের দেয়ালের কিনারে যে মেয়েটি আড়ি পেতে বসত, যার নাম অনুরাধা সরকার, এটি ছিল তার ভবিষ্যদ্বাণী। হাতের রেখা না দেখেই অনুরাধা ভবিষ্যৎ বলে। দিতে পারত।

    তারা তখন হলরুমের মতো লম্বা একটি ঘরে বন্দি। জায়গাটা কোথায় মরিয়ম জানে না। কারণ চোখ বেঁধে তাদের ওখানে আনা হয়েছে, কয়েকবার বের করেও নিয়ে গেছে চোখ-বাঁধা অবস্থায়। প্রথম দিনেই মরিয়ম দেখেছে, ঘরের জানালা পেরেক। ঠুকে বন্ধ করা। প্রধান ফটক বাদে সব কটা দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝোলানো। বিশাল ঘরে বাতির ব্যবস্থা নেই। যেটুকু আলো আসে ভেন্টিলেটর দিয়ে। ঘরে কয়েকটা ভূগ্রস্ত মেয়ে কম্বল গায়ে নড়াচড়া করে। তাদের আলাদা কোনো চেহারা নেই, পরিচয় নেই, নাম নেই।

    ‘ধরো আমার নাম অনুরাধা সরকার’–দেয়ালে আড়ি-পাতা মেয়েটি একদিন মরিয়মকে ফিসফিস করে বলে। মরিয়ম তার চোখ দুটি কাছ থেকে দেখে অবাক হয়। মাইনাস ফাইভ চশমার পরকলার অভাবে তার যে মাছের মতো ঘোলা চোখ-কথাটা বলে মরিয়মের দিকে চেয়ে মিটিমিটি হাসে অনুরাধা সরকার। তাকে তখন আরো অদ্ভুত দেখায়। পাকসেনারা বিএম কলেজের ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রীটিকে বইয়ের জগৎ থেকে উপড়ে এনে ফেলেছিল চার দেয়ালের মাঝখানে। প্রথম দিনের ধস্তাধস্তির ফলে। চশমাটা ভেঙে যায়। থাকলে কী হতো? এখানে তো এর কোনো কার্যকারিতাই নেই। তবে কাগজ-কলম বরাদ্দ থাকলে, অনুরাধা তাকে বলে, সে আনা ফ্রাংকের মতো। বন্দিজীবনের ডায়েরি লিখত।

    যেদিন হলঘরের সর্বকনিষ্ঠ মেয়েটিকে দরজার বাইরে গুলি করে হত্যা করে মিলিটারিরা, অনুরাধা দেয়ালের কিনার থেকে হাতছানি দিয়ে ডাকে মরিয়মকে। সঁতসেঁতে দেয়াল। গত কদিন ধরে মেয়েটির কাশির সঙ্গে রক্ত পড়ছিল। যক্ষ্মা হয়েছিল বোধ হয়। তা বলে গুলি করে মেরে ফেলবে! হলঘরের মেয়েরা যখন নড়াচড়া করতেও ভয় পাচ্ছিল, দেয়ালে আড়িপাতার খেলা শুরু হয়ে যায় অনুরাধার। তারপর শুরু হবে অদৃশ্য খাতার পাতায় ডায়েরি লেখা। মরিয়ম এগিয়ে যেতে অনুরাধা। ফিসফিসিয়ে বলে, ‘দেয়ালে কান পাতো, মেরি। কি, শুনতে পাচ্ছ কিছু?’ মরিয়ম মাথা। নাড়ে। ‘শক্ত করে চেপে ধরো। পাবা। আরেক হাত রাখো ওই কানটায়। কী শুনতেছ?’ মরিয়ম ঠোঁটে তর্জনী চেপে তাকে চুপ থাকতে বলে। অনেকক্ষণ পর শোনে, রিমঝিম বৃষ্টির সুরেলা আওয়াজ। সে হয়তো অসম্ভব কিছু শোনার প্রত্যাশা করেছিল, তাই মুখ বেঁকিয়ে বলে, ‘এহ বৃষ্টি!’

    ‘হ্যাঁ বৃষ্টি।’ অনুরাধার চোখের কোণ দুটি সরু, কপালে গভীর কুঞ্চন। মরিয়ম কান খাড়া করে। অদৃশ্য খাতার পাতায় অনুরাধা কলম ছাড়া ডায়েরি লেখে-বর্ষাকাল এসে গেছে। মুক্তিযোদ্ধারা ভেবেছিল, সৈন্যরা জল-কাদায় নড়তে-চড়তে পারবে না। বৃষ্টির ভয়ে কেঁচো হয়ে থাকবে। তাদের অনুমান ভুল। সর্বাংশেই ভুল। স্পিডবোটে চড়ে সৈন্যরা এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল চষে বেড়াচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যে গাঁয়ের মেয়েতে হলঘরটা ভরে উঠবে। এখন আমরা যদি হই পাঁচ, মাস শেষে দশ হব।

    সত্যি সত্যি তা-ই হয়েছিল। নতুন মেয়েগুলোর একজনের নাম ছিল শোভা রানী। ঘোর বর্ষায় বাড়ির পেছনের জঙ্গলে সে ধরা পড়ে। শোভা রানীর বিয়ে হয়েছে। ছয় মাসও হয়নি। এর মধ্যে সে স্বামী হারিয়েছে। সুযোগ পেলেই গড়গড়িয়ে নিজের অত্যাচারের কাহিনি বলত আর হাপুস নয়নে কাঁদত। সেদিন জঙ্গল থেকে ধরে এনে। বাড়ির আঙিনায় দুজন সৈন্য তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনাস্থলের অদূরেই ছিল কুমড়োর মাচা। যা শোভা রানীর স্বামীর পারিবারিক সম্পত্তি। যুদ্ধ শুরুর আগে সে মাটি কুপিয়ে নিজহাতে বীজ বুনেছিল। আর্মির ভয়ে পালিয়ে বেড়ানোর সময়ও গাছের গোড়ার আগাছা সাফ করেছে, পুকুর থেকে কলসি ভরে পানি এনে ঢেলেছে। স্বামী বিমল দাসকে সঙ্গে নিয়ে একটা একটা করে লকলকে ডগা সযত্নে তুলে দিয়েছে কাঁচা বাঁশের মাচায়। কুমড়ো-লতা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে লাগল। অজস্র হলদে ফুল ফুটিয়ে ফল। ফলাল। তখন চোর নেই চুরি করার। নিজেরা যে কুমড়ো পেড়ে স্বস্তিতে রান্না করে। একবেলা সবাই মিলে খাবে, সেই সুযোগও মিলিটারি আর রাজাকাররা তাদের দেয়নি। অথচ সেদিন একজন সৈন্য মাচার বড় কুমড়োটার বোঁটা ছিঁড়ে তাকে ধর্ষণের পারিশ্রমিক দিতে চায়। শোভা রানী ঘেন্নায় নেয় না। শাস্তিস্বরূপ উঠানের ঘাস-কাদায়। মাখামাখি তার রক্তাক্ত শরীরটা ক্যাম্পে চালান করে। এর আগে স্বামীকে গুলি করে মারে সেই মাচাটার নিচে। শোভা রানীর বৃদ্ধা শাশুড়ি সুরবালা তখন মুখ-বাঁধা অবস্থায় গলাকাটা মুরগির মতো দাওয়ার ওপর দাপাদাপি করছিলেন।

    আস্তে আস্তে দিনগুলো আরো কঠিন হচ্ছে। গণধর্ষণের ফলে জবা নামের হাসিখুশি মেয়েটি সবার চোখের সামনেই মারা গেল। শেষ সৈন্যটি শরীরে থাকতেই ওর দম বেরিয়ে যায়। দিন গিয়ে রাত নামে, ডেডবডি সরাতে কেউ আসে না। কম্বলের নিচে পচে উঠছে তাদের রাতদিনের সঙ্গী, ফুলের মতো মেয়ে জবার শরীর। এরকম সময় অনুরাধা অদৃশ্য খাতার পাতায় ডায়েরি লিখছে–হানাদারদের সামনে দৃশ্যত এখন কোনো শত্রু নেই। যারা আছে, তারা পাটখেতের আড়াল থেকে রাতের অন্ধকারে অতর্কিতে আক্রমণ চালায়, পাকা সড়কে বা জলপথে অ্যামবুশ রচনা করে। অদৃশ্য শত্রুর ভয়ে সৈন্যরা তাই কাণ্ডজ্ঞানরহিত, দিশাহারা। এভাবে ভয় পেতে পেতে মনোবল হারিয়ে ফেললে তাদের দিয়ে আর যুদ্ধ হবে না। বাড়ির কথা মনে পড়বে–গলফ ক্লাব, টেনিস বল, ঘি আর টেংরি কাবাবের সেই সুখী, নিরাপদ, ভোগবিলাসের জীবন। কর্তারা তাই লাগাম খুলে দিয়েছেন–যে যত পারো খুন-ধর্ষণ লুণ্ঠন করো। এ কাজগুলো হচ্ছে ফুয়েল-পেট্রোলের মতো, যা যুদ্ধ চালু রাখে, এর গতি বাড়ায়। কিন্তু এইভাবে চলতে থাকলে…অনুরাধা কথার মাঝখানে খেই হারিয়ে ফেলে। আচমকা বর্তমান সময়টা ছুটতে ছুটতে আটকে যায় ধূসর অ্যালবামের পাতায়। যেখানে কতগুলো সাদা-কালো ছবি, যা ভবিষ্যতের মানুষ পাতা উল্টিয়ে দেখছে, বিশেষত আজকের মতো কোনো এক বৃষ্টির দিনে।

    যুদ্ধের পর এই ঘরগুলোতে একদল অনুসন্ধানকারী হয়তো তল্লাশি চালাবে। কিন্তু লুঙ্গি-গেঞ্জির ছেঁড়া টুকরা, হাড়গোড় এসব দেখে প্রথম বুঝতে পারবে না বন্দিরা নারী, পুরুষ ছিল। নিজের জট পাকানো চুল মুখের কাছে টেনে এনে অনুরাধার সেদিনের ভবিষ্যদ্বাণী–‘এই চুল তখন সাক্ষী দেবে।’

    হয়েছিলও তাই। ভূগর্ভস্থ বাংকার আর ব্যারাকগুলোতে স্বাধীনতার পর রাশি রাশি লম্বা চুল আবিষ্কৃত হয়। মাদার তেরেসা ঢাকা সেনানিবাসে পৌঁছে গিয়েছিলেন ডিসেম্বর কি জানুয়ারিতে। তার মাথায় ছিল ভ্রুণহত্যার খ্রিষ্টীয় পাপ আর অনাগত শিশুদের দত্তক বানিয়ে বিদেশে পাঠানোর পাঁয়তারা। সেখানে মাদার কোনো মেয়ে দেখতে পাননি। গোছা গোছা লম্বা চুল, ঘেঁড়া পেটিকোট আর কিছু টুকিটাকি আবর্জনা দেখে সেইবার তাকে কলকাতায় ফিরে যেতে হয়েছিল।

    অনুরাধা আরেক দিন আড়িপাতা বাদ দিয়ে মরিয়মকে উদ্ভট একটা প্রস্তাব দেয়, ‘চলো দেয়ালের গন্ধ শুকি। কানের বদলে নাক! কেন? মরিয়ম বেঁকে বসে। তখন ঘরের আরেক প্রান্ত থেকে ছুটে আসে শোভা রানী। অনাহারক্লিষ্ট দুর্বল শরীর, ঘন ঘন দম নেয়-হাঁপায়। দেয়ালে নাক ঘষে হাঁপাতে হাঁপাতে সে বলে, ‘অ্যাঁ রাম, কুমড়োর গন্ধ!’ শোভা রানী তখন গর্ভবতী। বলেই চাক চাক কুমড়ার টুকরা হড়হড় করে বমি করে দেয়। যদিও গত এক মাসের মেন্যুতে এক দিনও মিষ্টি কুমড়োর ঘাট ছিল না। শোভা রানীর পর মরিয়মের পালা। সে দেয়ালের ঘ্রাণ শোঁকে–ভেজা ইট-সিমেন্টের বালি বালি গন্ধ। ‘নাকটা চেপে ধরো!’ অনুরাধা উচ্ছ্বসিত, ‘কি, পাচ্ছ তো? আহা ধোঁয়া ধোঁয়া শিশিরের গায়ে জড়িয়ে থাকা শিউলি ফুলের মিষ্টি সৌরভ!’ বমির ওপর থেকে। শোভা রানী ক্লান্ত স্বরে বিড়বিড় করে, ‘মা দুর্গা কৈলাস ছেড়ে অচিরেই আসছেন।’ ইন্দিরা গান্ধীর চেহারাটা তার মনে আসে না।

    শরৎ এসে গেছে, তারপর হেমন্ত। তাদের আর কতকাল এভাবে বাঁচতে হবে? অনুরাধা বলে, ‘মনোবল হারালে সৈন্যরা যেমন যুদ্ধ করতে পারে না, আমরাও তেমন বাঁচতে পারব না।’

    মরিয়ম দীর্ঘশ্বাস ফেলে মুক্তির দিকে তাকায়। যার এত বাঁচার শখ ছিল, সে আজ বেঁচে আছে না মারা গেছে? কত আশা ছিল মেয়েটার! ভবিষ্যৎ নিয়ে কত কথা! মুক্তি নড়েচড়ে বসে। তখন সময়টাই ছিল অন্যরকম। সে এক আশাবাদের যুগ-জটিলতাবর্জিত আর একরৈখিক। যেমন এক দেশ, এক জাতি, এক নেতা, এক স্লোগান। জয়বাংলা স্লোগান দেওয়ার বিনিময়ে মানুষ মরতে প্রস্তুত ছিল। তারা বিশ্বাস করত, রক্ত দিয়ে যে-কোনো অর্জনই সম্ভব। রক্তের আরাধনায় গীতিকার-গায়কেরাও মেতে ওঠেন–রক্তে যদি ফোটে জীবনের ফুল/ ফুটুক না ফুটুক না ফুটুক না। সেই বেহিসেবি আশাবাদের কালে অনুরাধার অমরত্বে বিশ্বাস ছিল।

    অনুরাধা চেয়েছিল, কীভাবে তারা নির্যাতিত হলো, কারা তাদের নির্যাতন করল, কেন নির্যাতন করল–ভবিষ্যতের মানুষ সেসব জানুক, তাদের কথা মনে রাখুক। মুক্তিদের গবেষণার প্রকল্পে রয়েছে যুদ্ধাপরাধের বিচারের একটি সম্ভাব্য ছক, যা অনুরাধার মাথায় ছিল না। কারণ সময়টা ছিল ১৯৭১। মেয়েদের পক্ষ থেকে বিচারের দাবি উঠতে আরো দু’দশক লেগে যায় এবং তা বিস্তার লাভ করে পৃথিবীর আরেক ভূখণ্ডে। সেখানকার যুদ্ধ শেষ হওয়ার পঁয়তাল্লিশ বছর পরে। অভিযোগকারীরা কমফোর্ট উইমেন, যারা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জোরপূর্বক সৈন্যদের যৌনসেবায় নিয়োজিত ছিল। যুদ্ধশেষে এ মেয়েরা যেন দুর্গন্ধময় পচা মাছ-সমাজ-পরিবারে জায়গা পায়নি। সে আরেক কাহিনি–পৃথিবীর পূর্ব প্রান্তের, সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের, ঈশ্বরের প্রতিভূ সূর্যবংশীয় সম্রাট হিরোহিতোর আর তার সাম্রাজ্য বিস্তারের।

    সম্রাট হিরোহিতোর যুদ্ধ ১৯৩২-এ মাঞ্চুরিয়ায় শুরু হয়ে, শেষ হয় ১৩ বছর পর ১৯৪৫ সালে বার্মায়, বর্তমান মিয়ানমারে। জাপানি সৈন্যরা নিয়তির মতো গোটা পথ বয়ে নিয়ে বেড়ায় কমফোর্ট স্টেশনসহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বন্দি নারীদের। তারা তাদের বেঁধে-বেড়ে খাওয়ায়, নোংরা কাপড় কেচে দেয়, স্ত্রী বা গেইশাদের মতো যৌনসুখ বিলায়। বিনিময়ে রাজকীয় সেনারা সেসব মেয়েদের যৌনাঙ্গে তলোয়ার চালায়, স্তন কেটে নেয়, স্তন থেকে দাঁত দিয়ে বোঁটা উপড়ে ফেলে, গর্ভপাত করায়, শরীরে গনোরিয়া-সিফিলিসের জীবাণু ছড়ায়, গুলি করে, সাবমেরিনে তুলে গভীর সমুদ্রে ডুবিয়ে মারে। ’৪৫-এর আগস্ট মাসে তিন দিন আগে-পরে বোমা পড়ে হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে। সম্রাট হিরোহিতো যুদ্ধে হেরে যান। ১৫ আগস্ট অনুগত সুনাগরিকদের উদ্দেশে রেডিওতে ভাষণ দেন তিনি, ‘আমি এখন থেকে আর ঈশ্বর নই, আমি মানুষ। মানুষ! জাপানিরা নাগাসাকি-হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়েছে বলে নয়, যুদ্ধে হেরে গেছে বলে নয়, সেদিন গণকান্নায় ভেঙে পড়ে তাদের এত কালের আরাধ্য। ঈশ্বরকে হারিয়ে। সেই ঈশ্বর ’৯১ সাল থেকে ক্রমাগত আসামির কাঠগড়ায়। কমফোর্ট নারীরা তাকে রাজকীয় কবর থেকে তুলে এনেছে। মানুষরূপী ঈশ্বর ধর্ষণের হোতা, কমফোর্ট স্টেশনের প্রতিষ্ঠাতা। উচ্চপদস্থ রাজপুরুষ-জেনারেলসহ তার বিচার হোক, সে ক্ষমা চাক, ক্ষতিপূরণ দিক। ’৩২ থেকে ৪৫-এর নির্যাতনের জন্য তো বটেই, যুদ্ধ পরবর্তী নারীর আমৃত্যু ক্ষয়ক্ষতির মাসুলও তাকে গুনতে হবে।

    মুক্তির মুখে যুদ্ধাপরাধের বিচারের গল্প শুনতে শুনতে বহু বছর পর মরিয়মের মনে পড়ে একজন মেয়ের কথা, যার নাম শ্যামলী-শ্যামলী রহমান। মুক্তিযুদ্ধের পর শ্যামলী রহমান যুদ্ধাপরাধের বিচারের অপেক্ষা করেনি, নিজের হাতে আইন তুলে নিয়েছিল। অথচ সে ছিল মরিয়মের জানামতে একমাত্র নারী, যুদ্ধাবস্থায় হলঘর থেকে জীবিত ছাড়া পাওয়ার সৌভাগ্য যার হয়েছে। এ ঘটনায় সবচেয়ে বেশি টাল খায় অনুরাধা। অমরত্বের ঊর্ধ্বলোক থেকে সে মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে। আর তখন থেকেই ভাবতে শুরু করে, সব যুদ্ধই একদিন শেষ হয়, এই যুদ্ধও হবে। কিন্তু তারা পূর্বপরিচয়ে আগের ঠিকানায় ফিরে যেতে পারবে না, তাদের জায়গা হবে দেশ বিদেশের বেশ্যালয়ে।

    যুদ্ধের কয়েক বছর পর শ্যামলীর সঙ্গে মরিয়মের ফের দেখা পাকিস্তান। দূতাবাসের সামনে। সে মরচে ধরা কিচেন নাইফ কোমরে গুঁজে দিনেদুপুরে ঘুরঘুর করছে। পায়ে পোয়াতির মতো পানি নেমে গেছে, পরনে ময়লা শাড়ি, চুল মাথার ওপর উঁই করে বাঁধা, মুখে মদের গন্ধ। মরিয়মকে দেখামাত্র হাত ধরে টানতে টানতে রাস্তার ওপাশে নিয়ে শাড়ির কুঁচি সরিয়ে সে ছুরিটা দেখায়–যা দিয়ে মানুষ খুন করবে।

    কাকে?

    পাকিস্তানি আর্মি অফিসার শাহাদতকে, কারণ প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্ত্বেও লোকটা শ্যামলীকে বিয়ে করেনি। মাঝখান থেকে তার ছোট ছেলে বুলু মারা যায়, বিনা চিকিৎসায়, অবহেলায়।

    কত কথা ডুবে ডুবে রয়েছে, কত শত নির্যাতন! বলতে চাইলেও পুরোটা মুখ ফুটে বলা যায় না। বা কথা তো গাছের পাতা, একবার খসে পড়লে ডালে ফেরত যাবে। কেঁচো খুঁড়তে হয়তো সাপ বেরিয়ে পড়বে। ‘কিন্তু’ মুক্তি তাকে জিগ্যেস করে, ‘যদি এমন হয় যে আপনারা সে সময়ের কয়েকজন একসঙ্গে বসলেন, বাইরের কেউ আশপাশে থাকল না, তখন কি বলা সম্ভব?’

    সম্ভব কি না মরিয়ম জানে না। তবে মুক্তির কথা শুনে তার মুখে হাসি ফোটে। অনুরাধা নিজের কানে এ উদ্ভট প্রস্তাবটা শুনলে বইয়ের ভাষায় নাম দিত–নির্যাতিতের কনফারেন্স।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }