Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তালাশ – শাহীন আখতার

    শাহীন আখতার এক পাতা গল্প418 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৯. জীবনের শেষ কোথায়

    জীবনের শেষ কোথায়

    দুই বছর দীর্ঘ সময়–একটা কেস স্টাডির জন্য তো অবশ্যই। মরিয়ম যে একাত্তরের বীরাঙ্গনা, এর কোনো লিখিত তথ্য-প্রমাণ ছিল না। এ ব্যাপারে আগে থেকেই বীরাঙ্গনা অফিস দেউলিয়া। পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের পর নতুন শাসকদলের উত্থান ঘটে। যে দেশে ক্ষমতার লড়াই মুখ্য, সে দেশে মহৎ কাজ সরল গতিতে চলতে পারে না। এদিকে দুর্গম পথের যাত্রী চিরকালই দুর্লভ। প্রাক্তন সমাজকর্মীরা পাততাড়ি গুটালেও এ থেকে মুক্তি পান না। ১৬ ডিসেম্বর, ২৬ মার্চসহ বছরের আরো কয়েকটা দিন টিভির ক্যামেরার সামনে তাদের বসতে হয়। দীর্ঘ সাক্ষাৎকারও দেন কেউ কেউ খবরের কাগজে। তরুণেরা তাঁদের কথা অভিসন্দর্ভে কোড করে। কিন্তু মুক্তির হাত শূন্য–দেখা হওয়া মাত্র দৌলতদিয়ার রাধারানী বাইন মাছের মতো পিছলে বেরিয়ে গেছে। বেতনভুক সমাজকর্মী বেবি এসব দৃশ্যের বাইরে থাকলেও কিছু স্মৃতি সে টেবিলের কাঁচের ঢাকনার নিচে সংরক্ষণ করেছিল। সেই সুবাদে হয়তো মরিয়মের ঠিকানাটা তার মনে থাকে। পরে যা চলে আসে মুক্তির হাতে। সেখানে মরিয়ম আছে আবার নেই। কারণ তার পেছন পেছন নয় মাসের যুদ্ধের কাহিনি পদ্মা পার হয়ে চলে গেছে বহু দূর। মুক্তিকে সেই পথ ধরে এগোতে হচ্ছিল। নতুন অনুসন্ধানে দেখা গেল, যে রমিজ শেখ যুদ্ধের তৃতীয় মাসে পাকিস্তান জিন্দাবাদ আর জয় বাংলা স্লোগান দুটি আলাদা করতে পারেনি, সে একজন মৃত দেশপ্রেমিক। নতুনগাঁয়ের জৈতুন বিবি ফোকলা মুখে কথা কয়ে ওঠেন। মরিয়মের চাঁদপানা মুখ এখনো তার মনে আছে। তবে আশি বছরের বৃদ্ধা মনে করেন, মেয়েটি বড় অলক্ষুনে। তার শরীরের গন্ধ শুঁকে নতুনগাঁয়ে মিলিটারি এসেছিল। মন্টুর কবর পাকা করার মানত ছিল মরিয়মের। হানাদার বাহিনীর গাড়ির হেডলাইটের ওপর পতঙ্গের মতো মন্টুকে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখেছে মুক্তিযোদ্ধাদের গাইড, ভূমিহীন কৃষক আমিনুল। সে জানায়, যার লাশই পাওয়া যায়নি, তার কবর আসবে কোত্থেকে। বৃষ্টি আর বন্যায় তিরিশ বছরের ভাঙা কবর উদ্বাহু মুক্তিযোদ্ধা মজিবরের। কমলগঞ্জের ঘরজামাই আতা মিয়া, যে একের পর এক ব্যর্থ অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছে, অথচ এ নিয়ে কখনো দুঃখ করেনি, সে মেজর ইশতিয়াককে শনাক্ত করার একমাত্র দাবিদার। মেজর ইশতিয়াক তালাবন্ধ ঘরে। মরিয়মকে আটকে রেখে পালাতে গিয়ে গ্রামবাসীর ক্রোধানলে পড়ে এবং মরতে মরতে বেঁচে যায়। মরিয়মের উদ্ধারকারী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল, যে পর্যায়ক্রমে যুদ্ধ আর মদে মাতাল, মরিয়মের শত্রু লাঞ্ছিত, দুর্গন্ধময় শরীরটা আজও তার মনে ঘৃণার উদ্রেক ঘটায়। এফডিসির সাইড একট্রেস বকুল বেগম, যার সঙ্গে মরিয়মের দেখাই হয়নি, হবেও না হয়তো কোনোদিন, বীরাঙ্গনা অফিস’ অধ্যায়ে যে হঠাৎ হাজির হয় আবার চলেও যায়, যাকে বাস্তবের চেয়ে সিনেমার চরিত্র বলেই বেশি মনে হয়, তার ব্যাপারে মরিয়মের কোনো আগ্রহই নেই। মেরি ওরফে মরিয়মের মুখে খালি এক কথা, মুক্তি, অনুরাধার সঙ্গে আমার একটা সাক্ষাতের ব্যবস্থা করো। তোমার অফিস তো কত জনকে খুঁজে বের করেছে। দেখো না চেষ্টা করে–পারো কি না!’

    ‘কেন?’

    ‘ওর কাছে একটা কথা জানতে চাই আমি। আরেকটা ভবিষ্যদ্বাণী।’

    ‘কী সেটা?’

    ‘আমার জীবনের শেষ কোথায়, আমি জানতে চাই।’

    দুই বছর পর হঠাৎ করে মুক্তির তখন দৌলতদিয়ার রাধারানীর কথা মনে পড়ে। যে হাত না দেখেই অন্যের ভবিষ্যৎ বলতে পারত, নিজের পরমায়ুও বলেছিল–একশ বছর, মরিয়মের জীবনের শেষ কোথায়, এমন এক ভবিষ্যৎ বক্তারই তো তা জানার কথা। মুক্তি দ্বিতীয় দফায় দৌলতদিয়া যাওয়ার কথা ভাবে। মরিয়ম বলে, ‘যেতে চাচ্ছ। যাও। আমি গণকফনকে বিশ্বাস করি না। আমার মা করত।’

    না করুক বিশ্বাস মরিয়ম। রাধারানীর সঙ্গে মুক্তির অন্য কাজ আছে। তার সাক্ষাৎকারটা নিশ্চয় ব্যতিক্রমধর্মী হবে। টুকির উচ্চাকাঙ্ক্ষায় মুক্তিকেও পেয়ে বসেছে। আরো জবানবন্দি তার চাই যুদ্ধাপরাধের বিচারের আয়োজন করতে, যা তাদের গবেষণা প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য বা গৌল।

    দৌলতদিয়ার মুক্তিকে দেখে হায় হায় করে ওঠে এনজিওকর্মী, ‘এত দেরিতে আইছেন, রাধারানী মইর‍্যা গেছে।’

    বলে কী! ‘কীভাবে মরল?’

    ‘হার্টফেইল করছিল।’

    মুক্তিও মনে হয় বিশ্বাস করেছিল, রাধারানীর একশ বছর পরমায়ু। কিন্তু এনজিওকর্মী তা বিশ্বাস করে না। সে বলে, ‘ধুর ধুর, শিক্ষিত মানুষ, কী কন, পাগল ছাগলের মতো কথাবার্তা।’ এদিকে কুসুমকলি রাধারানীর একশ বছর পরমায়ুতে এখনো অটল। ‘রাধারানী মরলো ক্যামনে’ মুক্তি জানতে চাইলে সে বলে, ‘মদের মইধ্যে বিষ মিশাইয়া দিছিল। নইলে অত সহজে মরণ হয় রাধারানীর! ওর একশ বছর পরমায়ু ছেল।’

    ‘কে করল কাজটা?’

    পতিতালয়ে শত্রুর অভাব! ভালোবাসাবাসির পীঠস্থান বেশ্যাপল্লি। সংসারে প্রেমের ভাটা পড়লে পুরুষমানুষ ভালোবাসা খুঁজতে আসে এখানে। সঙ্গে নিয়ে আসে হিংসা-বিদ্বেষ-সন্ত্রাস। এই ‘এক বচ্চরে, জানেন, কয়জন বেশ্যা খুন অইছে এই পতিতালয়ে? জোছনা, পিরিয়বালা…’ কুসুমকলি একদিকে আঙুলের গিঁট গোনে আরেক দিকে মৃত বেশ্যাদের নাম স্মরণ করার চেষ্টা করে। এই ফাঁকে এনজিওকর্মী বলে, ‘মোট পাঁচজন।’

    ‘তুমি রাধারানীরে বাদ দিয়া গুনছো!’ এনজিওকর্মীর ওপর রেগে টং কুসুমকলি। একজন মনে করে, রাধারানী খুন হয়েছে, আরেকজনের দৃঢ় বিশ্বাস–এ স্বাভাবিক মৃত্যু। দুজনের মাঝখানে পড়ে গেছে মুক্তি। তার মধ্যস্থতা আবশ্যক—‘রাধারানী যে খুন অইছে আপনে শিওর?’ কুসুমকলি ঝাঁঝিয়ে ওঠে, ‘শিউর শিউর একশবার শিউর। হাজারবার শিউর।’

    রাধারানীর মৃত্যুর চার দিন আগে দৌলতদিয়ায় দুজন মাঝবয়সি খদ্দের আসে। এসেই পাশাপাশি দুটি ঘরে ঢুকে পড়ে। এদের দেখলে মনে হয় যমজ, আসলে আজরাইল-রাধারানীর জান কবজ করতে এসেছিল। তারা বেরিয়ে যাওয়ার সময় রাধারানী মাতাল অবস্থায় তাদের সামনে পড়ে যায়। তখন যমজ বা আজরাইল একজন বলে, ‘এই তুমি অনুরাধা না? বি কে সরকারের মাইয়্যা! যে লোয়ার কোর্টের উকিল ছিল।’

    মুক্তির বুক কেঁপে ওঠে। ওদিকে তখন রাধারানীর নেশা ছুটে গেছে। সে বলে, ‘না, আপনেরা ভুল করতাছেন, আমি রাধারানী। বাপের নাম খেদমত আলি। হে চৌকিদার ছিল। বর্তমানে মৃত।’ এক নিঃশ্বাসে কথা কটা বলে রাধারানী ঘরে ঢুকে খিল তুলে দেয়। সে সময় রাধারানীর জন্য কলাপাতায় শুঁটকি মাছের চচ্চড়ি নিয়ে আসছিল কুসুমকলি। গলির মুখে যমজ দুজনের সঙ্গে দেখা। তারা তখন বলাবলি করছিল, ‘অনুরাধা সরকার পাড়ায় আইয়্যা রাধারানী অইছে। হের ত্যাজ দ্যাকছো? আবার মদও খায়!’ কুসুমকলি আগামাথা কিছু না বুঝে শুঁটকির চচ্চড়ি হাতে রাধারানীর দুয়ারে ধাক্কা দেয়। অহ্ রাধে, ‘অহ্ রানী, দুয়ার খোল দিনি! তোর চাট বানাই আনছি।’ রাধারানী দুয়ার খোলে না। পাশের ঘর থেকে দুজন বেশ্যা তখন বেরিয়ে আসে। তাদের যমজ সোয়ামিরা যে হাটে হাঁড়ি ভেঙে গেছে, কুসুমকলি তখন তা। সবিস্তারে জানতে পারে। রাধারানীর মারা যাওয়ার দিন বিকালে যমজরা ফিরে আসে। হাতে বিলাতি মদের বোতল। এবার তারা বেশ্যা দুটির ডাকাডাকি অগ্রাহ্য করে সরাসরি রাধারানীর ঘরের দিকে চলে যায়। তারপর ঘরের মধ্যে খুব চিল্লাফাল্লা হয়। যমজরা চলে যাওয়ার পর সেই রাতেই রাধারানী হার্টফেল করে।

    মরিয়ম বিশ্বাস করে না। অনুরাধাকে এ তিরিশ বছর সে মৃতই ধরে নিয়েছিল। মৃত্যুসংবাদটা তাই নতুন কিছু নয়। কিন্তু কেউ কি নিজের ভবিষ্যদ্বাণী ফলানোর জন্য জোর করে রান্ডি হয়? মুখে বলে, ‘ওর মতো শিক্ষিত মেয়ে বীরাঙ্গনা বলে বেশ্যা হয়ে যাবে? ওর কি ভাত-কাপড়ের অভাব ছিল?’

    ‘কিন্তু সে বেশ্যা হয়ে গেছিল তো।’ মুক্তি জোর দিয়ে এই কথা বললে মরিয়ম মাথা নাড়ে, ‘না না, তুমি ভুল করছো।‘ তারপর ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে অনুরাধার চোখে চশমা ছিল কি না জানতে চায়। মুক্তি বলে, ‘ছিল। তবে ডাঁটিভাঙা। পাটের দড়ি দিয়া মাথার চুলের সঙ্গে বেঁধে রাখছিল।’ মরিয়ম তাতেও ভড়কায় না। যে অনুরাধা একদিন অনুসন্ধানকারী দলের কথা বলত, যারা ওর হাড়গোড়, ছেঁড়া কাপড়চোপড়, চুলের গোছা নির্যাতন শিবির থেকে উদ্ধার করবে, তাকে ভুলে যেতে দেবে না, অমর করে রাখবে, যুদ্ধের তিরিশ বছর পর মারা গিয়েও সে স্বাধীন বাংলাদেশে গোর পেল না, তার মৃত দেহটা ভাসিয়ে দেওয়া হলো পদ্মায়–এ কাহিনি শোনার পরও মরিয়ম একইভাবে মাথা নাড়ে। ‘না না, তুমি মেয়ে নিজেরে কী ভাবো? নিজে তুমি দেশ-দশের ওপর রাগ করে বেশ্যা হইবা? বা এমন কেউ বেশ্যা হবে, যার ভাত-কাপড়ের অভাব নাই, যে শিক্ষিত? তোমার ভুল হতে পারে না! এক নামে। দুনিয়ায় বহুৎ মানুষ থাকে। এই বেশ্যা অন্য কেউ।’

    মুক্তি মুখ ফুটে বলে না যে, এই মেরি ওরফে মরিয়মও একদিন বেশ্যা হওয়ার চিন্তা করেছিল, মমতাজের সঙ্গে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার সময়, যদিও সে শিক্ষিত, তার ভাত-কাপড়ের অভাব ছিল না। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চিন্তা-ভাবনাও কেমন বদলে যায়।

    তাদের কথাবার্তার মাঝখানে টুকির মোরগ-মুরগি উঠান থেকে বারান্দায় লাফিয়ে লাফিয়ে ওঠে। অনুরাধার মৃত্যুসংবাদে যেন মানুষ নয়, কতগুলো অবোধ প্রাণী এক জায়গায় জড়ো হয়েছে। সন্ধ্যালোকে এ বাড়িটার রং ধূসর, বিস্মৃতকালের প্রাসাদের মতো মলিন, বিবর্ণ। মরিয়ম গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে। টুকি দেশের বাড়ি গেছে আজ চার দিন। দিন শেষে মোরগ-মুরগিদের আধার খাইয়ে খোয়াড়ে তোলার কাজটা এখন তাকে করতে হবে।

    বহু বছর পর টুকি বাড়ি গেছে একটুখানি জমি ক্রয় করতে। তার পরিকল্পনা–নিজের জায়গায় পুষ্করিণী খুঁড়ে কয়টা মাছ ছাড়বে, পুকুরের তিন পাড়ে গাছ লাগাবে, আরেক পাড়ে হাঁস-মুরগির খামার। এ ছাড়া দামে বনলে নিজের কবরের জায়গা খরিদ করে টুকির এবার ঢাকায় ফেরার ইচ্ছা। স্বাধীনতার চার বছরের মাথায় তাকে গ্রাম থেকে পালিয়ে আসতে হয়েছিল। নিজের বাবা-মাও চায়নি সমাজে কলঙ্কিনী হয়ে এ মেয়ে বেঁচে থাকুক। মানুষের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে প্রথম টুকির বাবা বঁটিতে শান দেয়। তবে নিজের হাতে মেয়েকে খুন করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি। পরের বার মা বদনায় বিষ গুলে তার গালের ভেতর ঢেলে দিয়েছিল। মায়ের রাতদিন এক কথা, ‘তোরে বাঁচায় রাইখ্যে কিনো লাভ নাই। তুই মর!’ টুকি যখন মরো মরো, তখন ওর চাচি নাকের কাছে ঘেঁড়া জুতো ধরে, আর চাচাতো বোন যায় দায়ের আগায় করে মানুষের বিষ্ঠা তুলে আনতে। জুতোর গন্ধে আর গু খেয়ে বমি করে পেটের বিষ বের করে দিয়েছিল টুকি বেগম। তাকে হাসপাতালে নিতে হলে পথেই মারা পড়ত। সেই চাচি আর চাচাতো বোন দুদিন পর তাকে রওনা করে দেয় ঢাকার পথে।

    বর্তমানে টুকির বাপ-মা দুজনেই বিগত। সে ভেবেছিল, আজ ছাব্বিশ বছর পর বাড়ি যাচ্ছে, লোকজন তাকে চিনতে পারবে না অথবা চিনলেও বীরাঙ্গনার সম্মান দেবে। কিন্তু সেখানে তার অভিজ্ঞতাটা হয় তিক্ত। ‘আরে টুকি বেগম, তুই পাড়া থেইক্যে কবে আলি?’ বাড়ির সীমানায় ঢোকার মুখে একজন তাকে গায়ে পড়ে জিগ্যেস করে। টুকি কিছু বোঝার আগে অন্য জন জবাব দেয়, বয়স হয়েছে তো, পাড়ার থে রিটায়ার করছে। গ্রামের লোকেরা তার কাছে জমির দাম হাঁকলো ডবল আর টাকা নিয়েও কবরের জায়গা বেচতে রাজি হলো না। জমি ও কবরের জায়গা কিনতে ব্যর্থ হয়ে টুকি ঢাকা ফিরে এসেছে।

    টুকির ভাগ্যটাই খারাপ। জীবনে একটা গণ-আদালত চাইল–হলো না। আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ চাইল, তারও সম্ভাবনা নেই। বাকি জীবন গৃহস্থ হয়ে কাটাতে চেয়েও সে ব্যর্থ হলো। মরলে যে কবরে শোবে, নগদ টাকা দিয়েও সে তা কিনতে পারল না। ঢাকা ফিরে টুকি বেগম সারাক্ষণ মনমরা হয়ে থাকে। মরিয়ম দশবার জিগ্যেস করলে, একবার জবাব দেয়, কখনো দেয়ও না। কী মুশকিল! মরিয়ম নিজেকে সামলাবে না টুকিকে দেখবে? অনুরাধার বিষয়টা তাকে এলোমেলো করে দিয়েছে। জীবন নাটক-সিনেমার চেয়েও আজব। সে বিশ্বাস করবে কি করবে না? বিশ্বাস করলে নিজে সে দাঁড়াবে কোথায়? যে দেশে বীরাঙ্গনা মরলে কবর পায় না, সে দেশে হবে যুদ্ধাপরাধের বিচার! দুই বছর ধরে মুক্তিকে জবানবন্দি রেকর্ড করতে দেওয়াটাই তার ভুল হয়েছে।

    এসব চিন্তা যার মাথায় আসে, তার রেগে যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। মরিয়ম দেখে, সে রেগে যাচ্ছে, তবে টুকির ওপর।

    অবশেষে টুকি একদিন মুখ খোলে–

    ‘বেশ্যা না হয়েও বেশ্যা হয়ে গেলাম। কী সার্থকতা আমার জীবনের! আজীবন কুমারী থাইক্যে কী লাভ হলো।’

    ‘কে কুমারী?’

    ‘কেন আমি! তুমি তো দু-দুটি বিয়ে করেছ। আমি করিছি?’

    ‘কিন্তু তোমার না একটা বাচ্চা হইছিল মিলিটারি ক্যাম্পে?’

    ‘হইয়েছিল তো কী? তখন কি আমার স্বামী আছিল, না মন থাকি আমি চাচ্ছিলাম যে, আমার একটা বাচ্ছা হোক? এ তো অত্যাচারের ফসল।’

    চাক বা না চাক, বাচ্চা হওয়ার পর কেউ যে কুমারী থাকে না–এ কথাটা মরিয়ম বোঝাতে গেলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়ে যায়। কথাবার্তা বন্ধ। মুক্তি বাড়ি গেলে, টুকি আঙুল তুলে বন্ধ ঘর দেখায়, ‘খিল দিয়া পড়ি রইছে। দুয়ারে বাড়ি মারা নিষেধ।’ কী ব্যাপার? মরিয়ম কি অনুরাধার জন্য শোক পালন করছে? মহিলা মারা গেছে এখনো চল্লিশ দিন পুরো হয়নি। এত্তেকাফে বইছে মনে লয়, টুকি বলে। এই বেলা আল্লার বন্দিগি না করলে করবে কবে! সময় তো শ্যাষ। কিন্তু পরের বার মুক্তি গিয়ে শোনে, মরিয়ম দৌলতদিয়া গেছে এবং সেখানে সে প্রায়ই যায়, অনুরাধার ছোট মেয়েটার জন্য জামাকাপড়, কলম-পেনসিল, বইখাতা নিয়ে। তাতে বিশেষ লাভ হচ্ছে না। অনুরাধার মেয়ে নয় বছরের চম্পাবতাঁকে ব্যবসায় নামিয়ে দিয়েছে কুসুমকলি। চম্পাবতী তাতে অমত করেনি। সে এখন হাসি মুখে গরু মোটাতাজাকরণের ইঞ্জেকশন নিচ্ছে।

    টুকিও এক-দুইবার দৌলতদিয়া গেছে মরিয়মের সঙ্গে। জায়গাটা তার পছন্দ হয়নি, ‘এমুন জায়গায় সুখ আছে তয় শান্তি নাই। এত হইচই, যেন বছরচুক্তি মেলা বসাইছে।’ ব্রথেলে ঢুকেই তার পালাই পালাই ভাব। এদিকে মরিয়মের ইশারা পেয়ে কুসুমকলি টুকিকে বলে, ‘বুইন, তুমারে আমি একটা কমিডি দেখাই, মনে ফুর্তি লাগবে তোমার।’

    ঘরের মাঝখান থেকে ট্রাংক, চেয়ার, টেবিলফ্যান সরিয়ে মঞ্চ তৈরি হয়। কুসুমকলি পরনের শাড়ি কোমরে প্যাঁচ দেয় শক্ত করে। এ তার একক অভিনয়, নৃত্যগীত সহযোগে–

    এক ধনী রাজা থাকে, রাজার দুটি স্ত্রী থাকে, রাজা বৃদ্ধ। বড় স্ত্রী থুয়ে, নাতি নাতনি রাইখ্যাও সে আবার বিয়া করে। আমার রূপ দেখে সে পাগল হয়া যায়। পাগল হয়া সে আমারে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। আমি গরিবের মেয়ে থাকি, একটা ঝিয়ের মেয়ে থাকি। ধন-সম্পদের লোভে আমার মা ওই বুড়া রাজার সাথে আমারে বিয়া দেয়। আমার বাবা থাকে না। বুড়ার নাতি থাকে চন্দন কুমার। দাদু তো বুড়া মানুষ, আমি চ্যাংড়া মানুষ, দাদুর বউ হইয়্যা আমি তার নাতির সাথে প্রেম করি। গোপনে গোপনে প্রেম করি। এক রাইতে আমি বাগানে চলে যাই। বুড়া ঘরে আইস্যা পায় না আমারে। না পায়া হরিকল আর লাঠি নিয়া খুঁজতে খুঁজতে দেখে যে, আমারে পাওয়া গেছে। স্টেজে তখন একটা টেবিল থাকে। টেবিলের নিচে পর্দা থাকে। তখন চন্দন যায়া টেবিলের নিচে পলায়। বুড়া কচ্ছে কী, তুমি এখানে রয়েছ গিন্নি, আমি খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে যাচ্ছি। আমি বুড়া রাজাকে ল্যাং মেরে ফেলায় দিয়ে একটা গান ধরি–আমি তুমার ভাত খামু না। তুমার বাড়ি আর যামু না। তোমার সংসারেতে খাইট্টা মলাম বুড়া, তুমি পরনেতে, হায় হায় পরনেতে, ও পরনেতে ভালো একখান রঙিন শাড়িও দিলা না। তুমার বাড়ি আর যামু না।

    তখন বুড়ার মনে আবার সাধ জাগে, বুড়া রাজা তখন কয়–এবার আমি চাকরি পামু, ও সোন্দরি তোমায় নিয়া যামু গো, কত সাজনকাজন, হায় হায় সাজনকাজন, কত সাজনকাজন আলতা দিমু কেন তুমি যাইবা না…

    তোমার বাড়ি আর যামু না।

    বুড়া যাইয়া আসনে বসে। আরেক চেয়ারে বসি আমি। বসার পর বুড়া রাজা ওই টেবিলের নিচ দিয়া পা ঢুকায় দেয়। ঢুকাই দিয়া বলছে যে, আচ্ছা গিন্নি ও ছোট গিন্নি! ওই টেবিলের নিচে লড়ে কী? আমি কই, ওহো লড়ে কী! ওহ্ মনে পড়ছে। বাড়ির পাশ দিয়া চাল কুমোড় যাইতে লাগছিল গো। পাকা চাল কুমোড় তাই টাকা দিয়া কিনে রাখছি। তো বলছে চালকুমড়ো লড়ছে কেন? আমি বলছি, তুমি পাও দিয়া লড়াচ্ছো, একটার গায়ে একটা ধাক্কা খাচ্ছে, তারি জন্য লড়ছে। তখন বুড়া আঙুল ঢুকায় দেয় চন্দন কুমারের শরীলে। ও গিন্নি নরম কেন? আমি বলছি, তালি বোধ হয় একটায় পচন ধরেছে।

    চন্দন কুমার তকন পিছ দিয়া বার হইয়্যা দৌড়ে পালায়।

    কাহিনিটা টুকির পছন্দ হয়। কুসুমকলি মহিলাটাও খারাপ না। তবে বেলা পড়ে গেছে। তাদের ঢাকা ফেরা দরকার।

    পরের বার দৌলতদিয়া যাওয়ার সময় ফেরিতে ওঠার আগে মরিয়ম টুকিকে নিয়ে চলে যায় অন্যদিকে। সেখানে গিয়ে মাঝিমাল্লার সঙ্গে সে মুলামুলি করে। কত বড় সাহস নৌকায় করে পদ্মা পারাপার! মরিয়ম মুখ টিপে হাসে-কেন যুদ্ধের বছর তো বরিশালগামী ধানকাটার মজুরদের নৌকায় করে সে পদ্মা পার হয়েছিল। কিন্তু তখন। ছিল যুদ্ধের সময়। ফেরি চলাচল বন্ধ। মিলিটারি যাতে ব্যবহার করতে না পারে আইডব্ৰুটি-এর মোটরযানগুলো ঘাট থেকে আগেভাগে সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এখন পারাপারের লঞ্চ-ফেরি থাকতে নৌকা ভাড়া করে কোথায় যেতে চায় মরিয়ম? টুকিকে সে ভেঙে কিছু বলে না। পীড়াপীড়ি করতে বলে, ‘মাঝিমাল্লার আয়-ব্যয়ের হিসাব নিচ্ছিলাম।’ কেন? ‘এম্নি এম্নি।’

    মুক্তি অফিসে খোঁজ নিতে গিয়ে শোনে, সেখানে মরিয়ম অনেকদিন যায় না। একটা হাতে লেখা পদত্যাগপত্র দাখিল করে এসেছে বহুদিন আগে। তা গৃহীত হয়েছে। কি হয়নি, খোঁজ নিতেও সে আর যাচ্ছে না ওদিকে।

    আরেক দিন মরিয়মের বাড়ি গিয়ে মুক্তি দেখে, টুকি এটা-সেটা গোছগাছ করছে। তাকে দেখেই মিটিমিটি হাসে, ‘আপনে বসে খানিক বিশ্রাম করেন, মেরি আফা দুলুদিয়ায়।’ কখন ফিরবে, টুকি জানে না। মুক্তি বসে আছে। টুকির হাতে প্রচুর কাজ। একসময় উঠে গিয়ে টুকিকে সে জাল পেতে মুরগি ধরায় সাহায্য করে। হাতে হাতে তারা মোরগ-মুরগির পায়ে দড়ি পরাচ্ছে। মুক্তি কেমন ধন্ধে পড়ে যায়। জোড়ায় জোড়ায় মোরগ-মুরগির পায়ে দড়ি পরাচ্ছে কেন টুকি বেগম, ওর কি পুরোনো বাতিকটা ফিরে এসেছে? ফেরিঅলার কাছে লুকিয়ে লুকিয়ে মুরগি বেচে দিচ্ছে? টুকি আবার মিটিমিটি হাসে, ‘মেরি আফা কইল কাজটা করে রাখতি–তাই করছি।’ গোঁয়ারের হদ্দ যে টুকি, মরিয়ম বলেছে বলে কাজ করে যাবে, কথাটা ঠিক বিশ্বাস করার মতো না। মুক্তির জেরার মুখে বলবে না বলবে না করেও টুকি কয়েকটা কথা বলে ফেলে। মাল টানার জন্য সওয়ারি নাও ভাড়া পাওয়া যাচ্ছে না, তাই মেরি আফা অফিস থেকে টাকা তুলে নতুন একখানা নৌকার বায়না করতে গেছে আরিচায়। মুক্তি চমকে ওঠে-মরিয়মের স্বপ্নেও তো বারবার দেখা দেয় একটা নতুন নৌকা, যা পাল উড়িয়ে তাকে পারাপার করছে। কিন্তু মোরগ-মুরগির পা বাঁধার সঙ্গে এর সম্পর্ক কী? ‘সম্পর্ক নেই মানে?’ টুকি অবাক আর বিরক্ত হয়, ‘আমরা চলি গেলে এ বেচইন দুনিয়ায় মোরগ-মুরগি ক’খান পড়ে থাইকবে?’

    ‘মোরগ-মুরগি সঙ্গে নিচ্ছেন, আমারে নিবেন না?’ মুক্তি মশকরা করে। টুকি সিরিয়াস-তার মেরি আফা একমাত্র বলতে পারবে, তার জীবনকাহিনি যে লিখছে, তাকে সঙ্গে নিতে চায় কি না। তবে কথা হলো, কাছের মানুষ হলেই যে সঙ্গে নেওয়া যাবে, এমন কোনো কথা নেই। মহা প্লাবন শুরু হয়ে গেল, হজরত নুহ (আ.) খোদার অবাধ্য পুত্রকে নৌকায় তুলতে পারলেন না। তার ওপর খোদাতালার কড়া নির্দেশ ছিল–তোলার রহমানির রাহিম বলেছিলেন, দেখো রে নুহ নবি, তোমার পাপ পুত্রের জন্য ফের সুপারিশ করছ কি তোমার নবুওয়াতি চলে যাবে।

    টুকির ভাবগতিকে মনে হয়, এই পাপীতাপীর দুনিয়ায় একমুহূর্তও মন টিকছে না তার। যতটুকু না পারলে নয় ততটুকুই সঙ্গে নিচ্ছে। ব্যাপারটা আর হেঁয়ালি মনে হয় না মুক্তির। কিন্তু এরা যাচ্ছে কোথায়? খাওয়া-পরার তো অভাব নেই যে, দৌলতদিয়া চলে যেতে হবে। তার পরও গেল না-হয়, কিন্তু বয়স যাদের পঞ্চাশ পেরিয়ে গেছে, তারা বেশ্যাপল্লি গিয়ে কী করবে। টুকিকে এসব প্রশ্ন করা নিরর্থক। সে হয়তো ভালো করে জানেও না, তাদের এ যাত্রাপথের শুরু বা শেষ কোথায়।

    মরিয়মের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না মাসাধিক কাল হয়ে গেল। সে মুক্তিকে এড়িয়ে এড়িয়ে চলে। মুক্তি ঘরে ফিরে ভাবে, যে একটা উদ্দেশ্যহীন জীবনের লগি তিরিশ বছর টেনেছে, সে কি এর শেষ দেখার জন্য এমন মরিয়া হয়ে উঠবে যে, একটা ডেডবডির পেছনে নৌকা নিয়ে ধাওয়া করবে? এ পাগল ছাড়া কেউ বিশ্বাস করবে? অথবা মালসামান নৌকায় তুলে মরিয়ম আর টুকির দৌলতদিয়া চলে যাওয়া যে অসম্ভব নয়, কুসুমকলি তাদের সাহায্য করতে পারে–তা-ও তার বিশ্বাস হয় না। সে ভাবনা দুটিকে শুধু চোখ ঠারে আর অন্য চিন্তা করে–অভিযোগকারী ছাড়া যুদ্ধাপরাধের বিচারসভা ঠিকভাবে চলতে পারে না, তা প্রতীকী হোক আর আসলই হোক। মরিয়মকে আরো কয়েকটা দিন তার দরকার ।

    মুক্তি তখনো জানে না যে, যুদ্ধাপরাধের বিচার দূরে থাক, কাহিনিটাও অসমাপ্ত রেখে মরিয়ম একদিন চিরদিনের মতো হারিয়ে যাবে, আর সে অর্থাৎ মুক্তি, যে পাঠকদের আস্থা অর্জনের জন্য সাক্ষাৎকার গ্রহণের শুরু থেকেই সচেষ্ট ছিল, কখনো কখনো অসহায়ের মতো হাল ছেড়ে দিলেও নানান জনের কথা কেটেকুটে জোড়াতালি দিয়ে শেষতক বাস্তবের কাছাকাছি থেকেছে, তার একদিন সান্ত্বনা পেতে হবে, এমন একটি নৌভ্রমণের গল্প ফেঁদে, যা হবে তার নিজেরই তৈরি। মরিয়ম ও টুকি নিরুদ্দেশ হওয়ার বছর ছয়েক পর, রায়েরবাজারের বাড়ির জায়গায় চারতলা ফ্ল্যাটবাড়ি ওঠে। তাতে পাশাপাশি একজোড়া কালো গেট। সাং ফুলতলি, ডাকঘর সাহারপাড় ঠিকানাসহ কফিলউদ্দিন আহমেদের নাম মুছে লেখা হয়েছে রত্না ও ছন্দা-আলাদাভাবে দুটি গেটে যমজ দু’বোনের নাম। মেরি ওরফে মরিয়ম কোথাও নেই। ছিল যে, তারও কোনো সাক্ষীসাবুদ আর থাকল না। তার পরও লেখাটি হয়তো পাঠক বিশ্বাস করত, যদি এ কাহিনি এক অলীক নৌযাত্রায় শেষ না হয়ে, হতো দুনিয়ার জমিনের ওপর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Next Article স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026
    Our Picks

    স্মৃতিগন্ধা – সাদাত হোসাইন

    August 12, 2026

    তালাশ – শাহীন আখতার

    August 12, 2026

    রাধাকৃষ্ণ – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    August 12, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }