Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহাভারত

    আপনাকে গুলি করতে বললাম। করলেন না কেন? কাওয়ার্ড !

    যাকে বলা সেই নীরদ দত্ত খুব মন দিয়ে কপি লিখছেন। ছােটোখাটো মানুষটি। দেওয়াল ঘড়িতে রাত দুটো পঁয়ত্রিশ। টেলিপ্রিন্টারে খবর এসেই চলেছে। কট কট আওয়াজের কোনও থামা নেই। সারা অফিস প্রায় খাঁ খাঁ করছে। ডিসেম্বর মাসে সারা বছরের ছুটি পাছে পচে যায়—তাই বেশির ভাগই ক্যাজুয়াল ছুটি নিয়ে বসে আছেন।

    মর্নিং ওয়াকে খুব ভাের ভাের জুবিলি পার্কে হাঁটতে আসত ইনস্পেক্টর চার্লস। বিপ্লবীদের টর্চার করতে ইনস্পেক্টর চার্লসের জুড়ি ছিল না। আপনাকে ভার দেওয়া হল ওকে গুলি করার। আর আপনি ঠিক ফেল করলেন! ছিঃ! ছিঃ ! আমিই নীরদবাবু, আপনাকে নিয়ে তিনদিন ধরে ঘুরে ঘুরে সারাটা লক্ষ্মৌ শহর চেনালাম। রেসিডেন্সি, হজরতগঞ্জ, আমিনাবাদ, গােমতী রেলব্রিজ। সব। আপনি ডিসেম্বরের ভােরে কুয়াশার ভেতর মুখােশ পরে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালিয়ে চার্লর্সকে সাবাড় করেই চলে আসবেন—এই ছিল কথা। আমি কাইজারবাগের পাশে চাটুজ্যেদের হােটেল ঘরে বসে সেকেন্ড-মিনিট গুনছি। আর আপনি ফিরলেন কাপতে কাপতে—এই তাে আপনাদের অনুশীলন পার্টি! যুগান্তর পার্টির আমরা—

    শিশির ঘােষ বলা যায় সবচেয়ে জুনিয়র সাব-এডিটর। তার হাতে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কপি। আর দশ মিনিটের ভেতর হেডিং দিয়ে প্রেসে পাঠাতে হবে। নইলে আজ ভােরের কাগজে ধরানাে যাবে না। গুলি, চার্লস, জুবিলি পার্ক, লক্ষ্ণৌ শহর, গােমতী রেল ব্রিজ—এসব কথা সাতাশ-আটাশ বছরের শিশিরকে চঞ্চল করে তুলল। সে জানতে চাইল, বাসবদা, কোথাকার কথা বলছেন? কবেকার কথা? যুগান্তর? অনুশীলন ?

    বাসব পালিত বিয়ে থা করেননি। যাট পেরিয়ে এক্সটেনশনে আছেন। বলেন, ভাইপাের বাড়িতে টাকা দিয়ে থাকি। রােগামতাে মানুষটির গায়ে খদ্দরের পাঞ্জাবির ওপর ফুলহাতা রঙচটা একটি জাম্পার। হাতে কলম। সামনে খবর লেখার নিউজপ্রিন্টের প্যাড। শিশিরের কথায় তিনি চিড়বিড় করে উঠলেন, এসব তােমার জানার কথাই নয়। অনুশীলন, যুগান্তর তুমি বুঝবে না। তুমি বুঝবে অহিংসা-স্বাধীনতা-গান্ধীজি—ওই কঙ্করবাবুদের কথা!

    কঙ্কর ঘােষাল খদ্দরের ধুতি-পাঞ্জাবিতে ঢাকা। পায়ে গরম মােজাসুদ্ধ দুই পা পাম্পসুর ভেতর। চোখে চশমা। মাথাটি সাদা। টেলিপ্রিন্টার থেকে কেটে আনা লম্বা কাগজে খবর খুঁজছিলেন। নিজের নাম শুনে কঙ্কর ঘােষাল চোখ তুলে একবার বাসব পালিতকে দেখেই হাতের কাগজে ফের চোখ নামালেন। খুবই তুচ্ছ করে চাপা গলায় বললেন, হ্যা! আপনারা টেররিস্টরাই তাে স্বাধীনতা এনেছেন!!

    শিশির দৈনিক সুপ্রভাত-এর উঁদে নাইট এডিটর এই কঙ্কর ঘােষালকে যমের মতাে ভয় করে। যে-খবর আদৌ ছাপা হবে না—তেমন তেমন গাদাগুচ্ছের খবর লিখতে দিয়ে কঙ্করদা বলবেন, তাড়াতাড়ি লিখে দাও। কাল বিহার ডাকের কাগজে যাবে।

    শিশির যে বলবে—নাইট ডিউটিতে এসে কাল দুপুরের খবর লিখব? কঙ্করদার সামনে এমন ন্যায্য কোশ্চেন করাও তার সাহসে কুলােয় না। কোশ্চেন করলে যদি কঙ্করদা ফের এক গাদা লেখার পানিশমেন্ট দেন।

    বরং শিশির কঙ্করদাকে তার প্রিয় টপিকগুলাে বলে। যেমন, স্বাধীনতার অনেক আগে ভলান্টিয়ার হিসেবে কঙ্করদার ওপর সােদপুরের গান্ধী আশ্রমে গান্ধীজিকে দেখাশােনার ভার পড়ে। মােহনদাস করমচাঁদ গান্ধী পায়খানায় গেছেন। ভলান্টিয়ার কঙ্করদা জলভর্তি গাডু গান্ধীজিকে এগিয়ে দিয়ে দেখেন—গান্ধীজির ঝােলার ভেতর থেকে একখানি চিঠি বেরিয়ে আছে। তাড়াতাড়ি সেখানা পড়ে নিয়ে বুঝতে পারলেন, চিঠিখানি বেঙ্গল কংগ্রেসের খুব কাজে আসবে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তা সরিয়ে ফেললেন।

    দৈনিক সুপ্রভাত-এর মালিক তখন বেঙ্গল কংগ্রেসের মাথা। তাঁকে গান্ধীজির জরুরি চিঠিখানি চুরি করে পৌঁছে দিয়ে সুপ্রভাত-এ কঙ্করদা চাকরি পেয়ে যান। সুভাষচন্দ্রকে নিয়ে বেঙ্গল কংগ্রেসের তখন সেন্ট্রাল কংগ্রেসের সঙ্গে ঝগড়া চলছে। তখনকার কাগজ স্বাধীনতা আন্দোলনের লােকজন দিয়েই ভরানাে হত। ওঁদের কাছে খবরের কাগজ ছিল স্বাধীনতার মুখপাত্র—স্বাধীনতার অস্ত্র। সেই সুবাদেই কঙ্কর ঘােষাল, বাসব পালিত, নীরদ দত্তর মতাে মানুষজন—তাঁদের জীবনের শেষদিকে স্বাধীনতার পর ডিসেম্বরের এক শেষরাতে দৈনিক সুপ্রভাত-এর নিউজরুমে বসে খবর লিখছিলেন। খবর বাছছিলেন।

    শিশির তাকিয়ে দেখল। কঙ্করদা প্রায় ষাট। বাসবদার বয়স বােঝা যায় । চৌষট্টি-পঁয়ষট্টি হবেন। একসময় নাকি জার্ডিনের খেলা সুপ্রভাত-এ পাতায় রিপাের্ট করে বিখ্যাত হয়েছিলেন। নীরদদা তিপ্পান্ন-চুয়ান্ন।

    বাসবদাকে কঙ্করদার এই তাচ্ছিল্য শিশিরের ভালাে লাগল না। আট মাস হল সে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর ডুব দিয়ে দিয়ে তার আর ক্যাজুয়াল ছুটি নেই। ভূমিকম্প হলেও একত্রিশে ডিসেম্বর পর্যন্ত তাকে অফিসে আসতেই হবে। নইলে ডুব দিলে মাইনে কাটা যাবে। শিশির এতক্ষণ তক্কে তক্কে ছিল—হাতের কাজ যদি শেষ হয়ে যায় তাে নাইট রিপাের্টারের গাড়িতে বাড়ি ফিরে যাবে। বাড়ি ফিরে স্বাতীর পাশে নিজের বিছানায় রাতের শেষটুকু ঘুমােবে। সে এখনও স্বাতীকে ভালাে করে জানেই না। ঘুমন্ত স্বাতী মশারির ভেতর নিশুতি রাতে একদম অন্যরকম। দিনে দিনে লজ্জাবতী লতাটি। কিন্তু রাতে ঘুমের ভেতর ও স্বপ্নে চলাফেরা করে।

    কিন্তু কঙ্করদা এমন কাজই দিলেন—তার আর বাড়ি যাওয়া হল না। নাইট রিপাের্টার অফিসের গাড়িতে হেডলাইট জ্বালিয়ে কলকাতার নিশুতি রাতের ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরে গেছে ঘন্টাখানেক।

    শিশিরের বাসব পালিতকে দেখে মায়া হল। ওঁরা স্বাধীনতা এনেছেন কিনা তাই নিয়ে চুলচেরা বিচার করতে সে চায় না। তা ছাড়া তার মনে হয়—ওঁদের মতাে মানুষকে বিচার করার আমি কে? শিশির ক্লাস টেনে পড়ার সময় ইন্ডিয়াকে স্বাধীন হতে দেখেছে।

    শিশির বলল, আচ্ছা বাসবদা, নীরদদাকে গুলি করতে বলেছিলেন কেন? কবেকার কথা? কী হয়েছিল?

    মাথা নিচু করে খবর লিখতে লিখতে বাসব পালিত রাগে গর গর করতে করতে বললেন, জুবিলি পার্ক জানাে না? লক্ষ্মৌর ফেমাস পার্ক। নাইনটিন থার্টি থ্রির টেনথ ডিসেম্বর নীরদবাবু আর আমার ওপর ইনস্পেক্টর চালর্সকে গুলি করার ভার পড়েছিল।

    কাজ করতে করতে মাথা তুললেন নীরদদা। শীতের রাতের ফঁাকা অফিসে গম্ভীর হয়ে বললেন, ইন্ডিয়ার ফার্স্ট প্রাইম মিনিস্টার জওহরলাল নেহরুর শরীর খারাপ। আফটার নেহরু হু?

    বাসব পালিত ফের তিড়বিড় করে উঠলেন। ফেলে দিন তাে আপনার ওসব ধাঁধা। আফটার নেহরু হু? সেদিন ভােররাতে জুবিলি পার্কে আপনি নিজেকে কাওয়ার্ড প্রমাণ করেননি?

    শিশির ঘােষ হিসেব করে দেখল, সে জন্মেছে সেই নাইনটিন থার্টি থ্রিতেই—যে-বছর নীরদ দত্ত বাসব পালিতের চোখে পাকাপাকিভাবে কাওয়ার্ড

    প্রমাণিত হয়ে যান। শিশির বলে উঠল, কী হচ্ছে বাসবদা?

    বাসব পালিত অবাক হয়ে বললেন, কী ? এটা নাইনটিন সিক্সটিওয়ান। কবেই দেশ স্বাধীন হয়ে গেছে। স্বাধীন হয়েছে না ছাই!

    আপনি মানুন বা না-মানুন, ইন্ডিয়া আজ চোদ্দো বছর হল ফ্রি। এতবছর পর আপনি নীরদদার কাজের কৈফিয়ত চাইছেন?

    নীরদদা হাসতে হাসতে চেঁচিয়ে বললেন, বুঝলে শিশির—এই, নীরদ দত্ত কোনেদিনই কাওয়ার্ড নয়। জেলে থাকতে তামিল, তেলেগু, উর্দু, মালয়ালাম শিখেছিলাম। তােমরা তাে দেখেছ—সেইসব ভাষায় স্কুল সিলেবাসের গ্রামার লিখে একসময় আমি সংসার চালিয়েছি। ওয়েজ বাের্ড হবার আগে কী মাইনে ছিল কাগজে!

    বাসব পালিত ফোড়ন কাটলেন, বিয়ে করেছেন অনেক ছেলেমেয়ে হয়েছে। তাদের মুখে ভাত জোটাতে উর্দু গ্রামার তাে লিখতে হবেই !! | এ ঠাট্টা গায়ে না মেখে নীরদদা রে রে করে বলে উঠলেন, কাওয়ার্ড আমি নই। আপনারা। এমন একটা জংধরা রিভলভার দিয়েছিলেন—যার ঘােড়া টিপলাম তিন তিনবার। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে। একটাও গুলি বেরােল না। উল্টো ইনস্পেক্টর চার্লস আমাকেই কোমর থেকে পিস্তল বের করে গুলি চালাল। অল্পের জন্যে বেঁচে গিয়েছিলাম।

    বাসব পালিত রীতিমতাে অবাক হয়ে নীরদ দত্তর মুখে তাকালেন। এতদিন একথা তাে বলেননি আমাকে? | কী বলব! তার আগেই তাে আপনারা আমাকে রেনিগেড দুর্নাম দিয়ে সন্দেহ করতে শুরু করে দিলেন। শেষে আপনাদের গুলির ভয়েই পালিয়ে থাকতাম। ভাগ্যিস পুলিস অ্যারেস্ট করে নিয়ে গিয়ে আমায় বাঁচিয়ে দিল। রিভলভারটা ফেরত দেননি কেন। পরীক্ষা করে দেখা যেত।

    দেব কী! ওটাসুদ্ধ ধরা পড়লে তাে চিত্তির হয়ে যেত। গােমতীর জলে ছুড়ে ফেলে দিলাম।

    জার্মান মাউজার রিভলভার ছিল। অনেক কষ্টে জোগাড় করা হয়েছিল নীরদবাবু।

    কথা আরও এগােত। কিন্তু আর এগােল না। ভূদেবদার মােটা গলা শােনা গেল। ওরে শিশির—আমার মাথার বালিশটা কোথায় গেল।

    ভূদেব গুহ এই পঁয়তাল্লিশ-ছেচল্লিশ। রীতিমতাে গাট্টাগােট্টা। শিশিরের চেয়ে অনেক সিনিয়র। কখন খবর লিখে বিছানা পেতে ফেলেছেন টেবিল জোড়া দিয়ে। ঘুমােবেন সেই বেলা ন-টা অবধি। তারপর অফিসেই চা খেয়ে বাজার করতে যাবেন। বাজার করে বাড়ি ফিরবেন।

    ভূদেবদার বিছানা পাতা মানে আজকের রাতের মতাে খবর লেখা শেষ। ঘড়িতে রাত সওয়া তিনটে। এসব লােক কেন যে ডিসেম্বরের রাতেও খবর লিখতে আসেন তা জানে শিশির। ছুটি অনেক জমা আছে ভূদেবদার—নতুন বছরে ঢুকেই অফিসকে বেচে দেবেন!

    আমার মাথার বালিশটা কোথায় জানিস?

    আমি জানব কী করে? অফিসের বিছানা-অফিসের বালিশ—অফিস জানে।

    দে না ভাই একটু খুঁজে। আমি এখন বাসবদার সঙ্গে কথা বলছি। শােন না। একটা কথা শুনে যা—

    কাছে গেল শিশির। ভূদেব গুহ চাপা গলায় বললেন, ওই দুজনের এই কাজিয়া আমি সেই কবে থেকে দেখে আসছি। যুগান্তর? না, অনুশীলন? না, অহিংসা? ওরফে গান্ধীজি ? এ কাজিয়া শেষ হবার নয় রে শিশির! শুনে শুনে আমার কান পচে গেছে। তুই ওসবের ভেতর থাকিস না। নে—আমার বালিশটা খুঁজে দে ভাই—

    আপনি কবে থেকে শুনে আসছেন ?

    ওরে বােকা! আমার বাবা যখন জলপাইগুড়ি জেলের জেলার—তখন বাসবদা, নীরদদা দুজনই সেখানে প্রিজনার ছিলেন। স্বাধীনতার অনেক আগে। আমি তখন স্কুলের নিচু ক্লাসে পড়ি। বাবার কোয়ার্টার জেলের সঙ্গেই ছিল। আমি ওঁদের সেলের পাশে ঘােরাঘুরি করতাম ছােটোবেলায়। তখন যা শুনতাম—আজও তাই শুনলাম। দে না ভাই–বালিশটা যদি খুঁজে দিতে পারিস। ওসব ফালতু কথায় থেকে কী লাভ!

    রাত পৌনে চারটের ভেতর সবাই শুয়ে পড়ল। ভূদেব গুহর নাক ডাকছে। কঙ্করদা টেবলল্যাম্প জ্বেলে বসে। প্রথম ছাপা কাগজখানা দেখে ছাপার অর্ডার দিয়ে শুয়ে পড়বেন। মনে পড়ল শিশিরের—ওঁরই মুখে শুনেছিল—দৈনিক সুপ্রভাত-এর মাথাকে পরাধীন আমলে জেলে যেতে হয়েছিল। তখন জেলারসাহেব তার দেখাশুনাে করতেন। তাঁরই রিকোয়েস্টে তাঁর ছেলে ভুদেবদা সুপ্রভাতে চাকরি পান। তখন স্বাধীনতা আসতে পাঁচ-ছ-বছর বাকি।

    গান্ধীজির চিঠিচোর কখন ঘুমিয়ে পড়লেন—কেউ তা দেখতে পেলেন না। কারণ, তার আগেই সবাই ঘুমিয়ে পড়েছেন।

    একেবারে ফিকে ভােরে টেলিফোন বেজে ওঠায় শিশিরের ঘুম ভেঙে গেল। পাতলা কম্বলের নীচে গাঁইগুই করতে থাকলেন ভূদেব গুহ। তিনি জড়ানাে গলায় বললেন, আবার এখন কে মারা গেল?

    কঙ্কর ঘােষাল কম্বলের ভেতর থেকেই বললেন, তেমন কেউ মারা গেলে দরকারে উঠতে হবে—প্লেট চেঞ্জ করতে হবে—এটা খবরের কাগজ—দেখ

    তাে শিশির ।

    শিশিরেরও উঠতে কষ্ট হল। সে খােলা জানালা দিয়ে দেখল রীতিমতাে কুয়াশা। ঘড়িতে পাঁচটা বেজে পনেরাে। মনে মনে বলল, ইনস্পেক্টর চার্লস নয়তাে?

    ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে ভারী গলা, বাসব আছে? বাসব পালিত ? ঘুমােচ্ছেন। আপনি কে বলছেন? বলুন ভূপেন দত্ত। শিশিরের রাগ চড়ে গেল। এত ভােরে কে আবার এই ভূপেন দত্ত? সে জানতে চাইল, কোন ভূপেন দত্ত?

    ভূপেন দত্ত আবার ক-জন! আই অ্যাম ওয়ান অ্যান্ড ওনলি ওয়ান ভূপেন দত্ত। বাসব জানে। তাকে দিন। বললাম তাে ঘুমােচ্ছেন।

    আঃ! বুঝছেন না কেন? ওঁর সঙ্গে ডিসকাশন আছে আমার। যুগান্তর পার্টির ইতিহাস নিয়ে—

    গভীর ঘুমে এখন বাসববাবু।

    কিছু হবে না। ডেকে তুলে দিন। বলুন আমি ডাকছি। ভূপেন দত্ত। ও হ্যা। আমার আরও একটা পরিচয় আছে। আমি স্বামী বিবেকানন্দর ছােটভাই। বলুন—খুব জরুরি। যুগান্তর পার্টির হিস্ট্রি নিয়ে। নাইনটিন থার্টি থ্রি-র একটা ব্যাপারে—বাসব সব জানে।

    ফোনটা শিশিরের হাত থেকে পড়ে যাচ্ছিল। সে বাসব পালিতকে ডেকে দিতে গেল। কয়েক পা মাত্র। হঠাৎ তার মনে হল—গােমতীর জলে ডুবুরি নামালে নীরদদার ছুড়ে দেওয়া রিভলভারটা কি এখন খুঁজে পাওয়া যাবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }