Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাসি পুরুষমানুষ

    আপনি আর আসবেন না।

    একি স্বাতী? আমায় আপনি-আপনি করে কথা বলছ? হা। এখন থেকে এভাবেই ডাকব আপনাকে।

    তুমি তাে আমার নাম ধরেই ডাকতে। শঙ্কর বলে ডেকে এসেছ এই সাড়ে চার বছর। আমায় কেউ নাম ধরে ডাকে না আর। মা নেই, বাবা নেই তাে

    কে ডাকবে আর। বন্ধু কমে গেছে ভীষণ। শুধু তুমি শঙ্কর বলে ডাকতে বলেই আমি বেকুবের মতাে বিশ্বাস করে ফেলেছি—আমি আবার শঙ্কর হয়ে গেছি।

    স্বাতী—মানে আর-পাঁচটি বাঙালি বাড়ির বিয়ে না-হওয়া অনার্স গ্রাজুয়েট মেয়ে। যে চাকরি খোঁজে—আবার বরও খোঁজে। চওড়া কাঁধ। উদার। ভালােবেসে যে ঝাপিয়ে পড়তে পারে—এমন বর। বাবা বিপত্নীক। খেলা ভালােবাসেন। শঙ্করকে একবার শিল্ড ফাইনালের টিকিট দিতে চেয়েছিলেন। দাদা খেতে ভালােবাসে। স্বাতীকে ভালােবাসে। শঙ্করকে ঘেন্না করে। স্বাতীর সঙ্গে শঙ্করকে কথা বলতে দেখে একদিন বলেছিল :

    কুকুরটা এসেছিল কেন? স্বাতী চান করতে যাবে বলে রােজকার মতাে আজও সর-হলুদ মেখেছে মুখে, ঘাড়ে-গলায়—দুহাতে। সে আর কথা বাড়াতে চায় না বলেই চুপ করে থাকল। বাবা চান করতে গেছে। দাদা অফিসে। শঙ্কর ফের বলল, তুমিই বহুদিন পরে আমায় শুধু শঙ্কর বলে, তুমি বলে ডাকায়—আমি ভুলেই গেছি—আমি বাবা, কাকা, জ্যাঠা—এটসেটেরা, এটসেটেরা।

    স্বাতী মুখ তুলে তাকাল। বাড়ির বাইরে ভাদ্র মাসের দুপুরবেলা। রাস্তা শুনশান। সেখানে শুধু কুকুর ঘুরছে—আকাশে শুধু মেঘ। শঙ্কর নামে লােকটির মুখখানি সামান্য যৌবন-মাখানাে আগাগােড়া একজন পুরনাে লােকের মুখ। এই মুখ দেখে আমি ভুলেছিলাম। আশ্চর্য!

    স্বাতী বলল, আপনি শুধু-শুধু চোখের জল ফেলবেন না। ও-রকম অনেকবার হয়েছে। আর নয়। কাজের চাপে থাকেন সবসময়। আপনাকে আমি পাই না। আমি আর অপেক্ষা করব না।

    কী আর নয় স্বাতী ? আমি তােমাকে ছাড়া থাকতে পারি না। চেষ্টা করে দেখেছি। আমায় ফেলে দিয়াে না—আমি সহ্য করতে পারব না একদম। দয়া কর। আমি নিরুপায়।

    দিব্যি আপনার বউয়ের কাছে গিয়ে থাকবেন। আছেনও। রাস্তায় কারও সঙ্গে দেখা হলে বলে থাকেন—আমাদের বাড়ি যেয়াে। সে হয়তাে জানতে চাইল, বউদি আছেন? আপনি বললেন, হ্যা, তােমাদের বউদি আর আমি আছি। যেয়াে—

    যতক্ষণ একসঙ্গে আছি—বলতে তাে হবেই। ও তাে বলেছে—ডিসেম্বরে আমায় ডিভাের্স দেবেই।

    যাক ওসব কথা। অনেক হয়েছে। আপনার বউকে বলে দিয়েছি ফোনে—আপনার স্বামীকে ফেরত দিয়ে দিলাম।

    ওভাবে কি ফেরত দেওয়া যায় স্বাতী। আমার কোনও জায়গা নেই। একমাত্র তুমিই আমায় নিতে পারতে।

    আপনার জন্যে সে ভালােবাসা আমার আর নেই। আমি আর বাসি পুরুষমানুষে নেই। আপনি তাে আমায় বলেইছেন—আমার চেয়ে একজন বেটার স্বামী খুঁজে নাও।

    আমার সেদিন কাজ ছিল। আমি সুপার-অ্যানুয়েটেড লােক। যে অফিসে কাজ দেয়—তাদের সময়মতাে কাজ না দিলে নতুন কাজ পাব না। কাজ—

    করলে টাকা আসবে না। টাকা না হলে তােমায় পাব না। তাই আমায় জোর করেই যেতে হয়েছিল সেদিন। তােমার সেদিন উচিত ছিল—আমায় এক কাপ চা করে দিয়ে বলা—যাও, কাজটা করে এস। কিন্তু তার বদলে বললে—এখুনি, এখন থেকে এ ঘরে আমায় নিয়ে থাক। আমি তা কী করে পারি স্বাতী?

    ওসব পুরনাে কথা থাক।

    আমার এতদিনকার বিবাহিত স্ত্রীর জন্যে আমার একটা মানসিক দায়িত্ব, মর্যাদা, ভদ্রতা সব সময়েই থাকবে স্বাতী। আমি সেদিন সেকথাই বলতে চেয়েছিলাম। তুমি বুঝলে না কিছুতেই।

    আমার আর নতুন করে বােঝার কিছু নেই। সব শেষ হয়ে গেছে আপনার সঙ্গে। এবার আমি একজন আনকোরা পুরুষকেই ভালােবাসব। আর বাসি নয়। আর বাসি নয়। বাসিতে আমার ঘেন্না ধরে গেছে।

    আমায় দয়া কর স্বাতী। আমি সেদিন নিরুপায় ছিলাম। তুমি থিয়েটার দেখে ফেরার পথে বললে—আমি যা বলছি তা নাকি অভিনয়। আমি বলেছিলাম—ট্যাক্সি নিয়ে তােমায় পৌছে দিতে গিয়ে যখন জ্যামে আটকালাম—তখন বলেছিলাম আমারই ভুল—অটো নেওয়াই উচিত ছিল তােমার কথামতাে। তাতে তুমি বললে—অভিনয় করছ কেন?

    কী বলেছি—আজ আর তা বলে কী হবে বলুন? | সেদিন যখন আমি অফিসের কাজের কথা বললাম—তখন তুমি হাতের

    মুন স্টোনের আংটিটা দেখিয়ে বললে :

    —ওটা কি কাচ? আমি এত অপমানিত কখনও হইনি স্বাতী। তােমার রাশিচক্র দেখে জ্যোতিষী ওই মুন স্টোন পরতে বলেন—আমি তাই নিয়ে আসি। তুমি বললে কাচ—

    আপনাকে তাে গােড়াতেই বলেছিলাম—আমি পাথর ধারণে বিশ্বাস করি না।

    আমিও ব্যাপারটা বুঝি না। আমি শুধু বুঝি—স্টোন পরলে যদি ভালাে হয় তােমার।

    আমার ভালােতে আর কাজ নেই আপনার। দরজা বন্ধ করব। আপনি এখন আসুন।

    আমি পারব না স্বাতী। বিশ্বাস কর আমাকে। আমি খারাপ লােক নই। নয়তাে কোনটার পরে কোনটা করতে হবে—তা ঠিক করতে পারিনি। নতুন জীবন করতে গেলে আগের জীবনের সব দায়-দায়িত্ব সুন্দর করে মিটিয়ে আসতে হয়। তাই করতে আমি ব্যস্ত ছিলাম। সবটা তােমাকে লক্ষ করেই, আমার স্বাতী—

    আপনার সঙ্গে মিশে আমার যা ক্ষতি হবার তাই হয়েছে।

    কী ক্ষতি স্বাতী ?

    আমি যে নতুন করে আনকোরা মানুষের সঙ্গে মিশব—সেখানেও আপনার নামের সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে গেছে। মুছতে যে অনেক দিন লাগবে।

    আমার এই বাসি নামটা তাে। সেজন্য আমি আপনাকে সবটা দোষ দেব না। আমিও তাে আনন্দ পেয়েছি। কিন্তু এখন আপনার নাম থেকে আমার আলাদা হতে সময় নেবে।

    অথচ সময় খুব কম! তাই না স্বাতী ? স্বাতী কোনও কথা বলল না। একবার মুখ তুলে তাকাল। সে-মুখে সরহলুদ ভালাে করে মাখানাের পর একটা আভা বেরুচ্ছে। আপনি আসুন। আমার সামনে বসে চোখের জল ফেলবেন না। আমার বিচ্ছিরি লাগে। আসুন—

    বলেই স্বাতী উঠে দাঁড়াল।

    বাসি পুরুষমানুষ শঙ্কর ঘােষাল-কুকুর-ছড়ানাে শুনশান রাস্তায় এসে দাঁড়াল। স্বাতীর হাতে এখন সময় খুব কম। আমার নাম থেকে যত তাড়াতাড়ি ও আলগা হতে পারে ততই ওর পক্ষে ভালাে। ততই ও আনকোরা বিয়ে-না-হওয়া পুরুষের কাছাকাছি হয়ে যেতে পারে।

    একটা সাইকেল-রিকশা নিল শঙ্কর ঘােষাল। এ রাস্তাটুকু সে হাঁটতে পারছিল না। তার নিজের অফিসটা উঠে গেছে। নইলে সেখান থেকে যা পি এফ, গ্র্যাচুইটি পেত—তা থােক কোথাও রেখে মাস গেলে নিয়মিত কিছু-কিছু পাওয়া যেত। স্বাতী আমায় ভালােবেসেছিল বলেই এই সাড়ে চার বছরে আমি আনকোরা হয়ে উঠেছিলাম। একটু একটু করে। আমার আগেকার শেকড়গুলাে আমি বিনয়ী, ভদ্র, অলস কাঠুরের মতােই কাটছিলাম। স্বাতী আর ধৈর্য রাখতে পারল না।

    বাড়ি ফিরে শঙ্কর দেখল, তার বউ তার জন্যে টমেটো দিয়ে সুপ করেছে। খেতে খেতে মহিলার মুখে তাকাল শঙ্কর। সঙ্গে সঙ্গে তার মনে এই কথাগুলাে এল। তােমার জন্যে—শুধু তােমারই জন্যে—খাওয়ার পর শঙ্করের মনে হল, এই সব কথার মানে কী।

    তােমার জন্যে স্বাতীকে… অথবা শুধু তােমারই জন্যে স্বাতীকে…

    কী অস্পষ্ট সীমারেখা, যা কিনা একটার সঙ্গে আরেকটা মিশে গেছে। কোথায় মিশেছে ধরা যায় না। আমার বউ আমার ওপর নির্ভর করে। তার জন্যে আমার মায়া হয়। আমি না হলে ওর আর কী বা থাকে হওয়ার মতাে? ওর ঘুম থাকে না। হাসি থাকে না। আবার স্বাতী না-হলে আমি যে রােজ বাসি হয়ে যাই। বাসি থেকে আরও বাসি। কিছুতেই আর আনকোরা হতে থাকি না। সেই দশায় আমি যত বেশি করেই বউয়ের কাছে থাকি না কেন—আমি যে মরে থাকব।

    শঙ্কর ঘােষাল রাস্তার এমন একটা মােড়ে এসে দাঁড়াল—যেখানে চারদিকে চারটি রাস্তা গেছে।

    পুব দিকে গেলে অফিস। ওখানে আমি অভ্যেস বশে কিছু করলেই তিরিশ দিন অন্তর ডাল-ভাত, সাবান, সােডা, বাসের টিকিট, ব্লাড প্রেসারের ডাইটাইড

    বড়ির দাম পাওয়া যায়।

    পশ্চিমে গেলে বড়াে ছেলের বাড়ি। আজ ওর ছােটো ছেলের জন্মদিন। ক্লাস ওয়ানে পড়ে। যতবারই ছেলের বাড়ি যাই ততবারই ওকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। কিন্তু এখন সে যুবক। বিবাহিত। কোনও বিশেষ অকেশন না-হলে কোনও বাবা তার বিবাহিত ছেলেকে জড়াতে পারে না। এই যেমন বিজয়া দশমী। দুঃসংবাদ। অফিসে প্রমােশন। নয়তাে খারাপ দেখায়। তার ছেলের ছেলেকে কোলে নিয়ে সে-সাধ মেটাতে হয়। কিন্তু আজ জন্মদিন হলেও বড়ােখােকার ছােটোখােকাকে বাড়িতে পাওয়া যাবে না। তার যে হাফ-ইয়ার্লি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এখন সে স্কুলে। এই রাস্তায় গিয়ে কী হবে? আনন্দ নেই। আশা নেই। ফিউচার নেই কোনও।

    উত্তর দিকের রাস্তাটায় খানিকটা গিয়ে ফিরে এল শঙ্কর ঘােষাল। ওই রাস্তায় আমার পিঠোপিঠি ভাই থাকে। বাড়ি করেছে। বাড়ির কাজের লােকের জন্যেও মাসে অফিস থেকে পাঁচশাে টাকা পায়। বছরে মাইনে দুলক্ষ টাকা। না না। এগজ্যাক্টলি বলতে হলে বলতে হয়—এক লক্ষ নিরানব্বই হাজার পাঁচশাে দশ টাকা। কোম্পানির স্কেলে মাইনে? না মাইনে নয়—বলা হয় কমপেনসেশন। সেলার আছে বাড়িতে। কথা বলার সময় ছােটোভাই সমীরের হাত ঘন-ঘন সিগারেটের দিকে চলে যায়। ভীষণ টেনশনে ভােগে। মােটা মাইনেতেও লােকে বিপন্ন বােধ করে। মনে করে—আমি কি নিরাপদ? এই রাস্তায় ঢুকলে আনন্দ

    আসবে কোত্থেকে?

    দক্ষিণের রাস্তাটা ধরে এগােল শঙ্কর। একটা দশতলা বাড়ির দশতলায় তার এক বন্ধু থাকে। সে-ই এখনও তাকে শুধু শঙ্কর বলে ডাকে। বাড়ি ছিল। দরজাও খােলা। দেওয়ালে মুরাল। জানলায় সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ের অন্য আর সব দশ বারােতলা বাড়ির মাথা। একটা সিংহাসন টাইপের চেয়ার থেকে বন্ধু বলল, ভেতরে আয়। বােস।।

    শঙ্কর বলল, কতদিন পরে। তাই না? হ্যা। অনেকদিন পরে। তাের সব খবর পাই শঙ্কর। আজকাল কাদের সঙ্গে মিশিস ? যাকে পাই। ডাক্তার, প্রমােটার, বড়াে ফুটবল ক্লাবের পাণ্ডা—সবাই তাে আমার কাছে টাকা নিতে আসে। কেউ নার্সিংহােম, কেউ মাল্টিস্টোরিড, নয়তাে জবরদস্ত টিম বানাতে চায়। খবরের কাগজ করবে বলে কেউ কেউ টাকা চাইতে আসে। শর্ট টার্মে রেডি লােন। নাে হ্যাঙ্কিপ্যাক্কি। তেইশ পারসেন্টে।

    তাের অনেক টাকা?

    সবই তাে পরের টাকা। ফাইনান্স কোম্পানি গড়ে তােলা চাট্টিখানি কথা নয় শঙ্কর। ছাব্বিশ বছর লাগল। অনেক হ্যাপা। এখন তাে ডিপােজিট বিয়াল্লিশ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। হপ্তাওয়ারি রিপাের্ট দিই রিজার্ভ ব্যাঙ্কে। ফিল্ড এজেন্টই আছে সাড়ে তিনশাের ওপর। পার্টি হােলটাইমারের মতােই।

    তাের ভয় করে না? এত টাকা— ভয় কীসের? তাের ভয় করে না শঙ্কর ? কীসের ভয়?

    এই যে শুনি একটা হাঁটুর বয়সি মেয়ের সঙ্গে লটরপটর করে বেড়াচ্ছিস। একদিন গাড়ির জানলা দিয়ে চোখে পড়ল—তােরা দুজন হাসতে হাসতে হেঁটে যাচ্ছিস। যেন নতুন বিয়ে করেছিস।

    দেখেছিস? হা শঙ্কর। তােকে কী বলে ডাকে? ডার্লিং? নারে। ইদানীং বলে—ঘাটের মড়া।

    তােকে ঘাটের মড়া বলে ডাকে শঙ্কর! হাঃ! হাঃ! ওটা নিশ্চয় আদরের ডাক। তাের চেহারা তাে এখনও রীতিমতাে টঙ্ক আছে। একটু মােটা। কিন্তু নাক-মুখ-চোখ তাে এখনও শার্প।

    চেহারা নয় রে ! আমার মনটাই নাকি পচে-গলে গেছে। মন কী দিয়ে দেখতে পায় শঙ্কর ?

    তা জানি না। হয়তাে আমার স্বভাবে ফুটে ওঠে। আসলে কী জানিস, ওল্ড এজ জিনিসটাই বড় বিচ্ছিরি। কোনও আলাে নেই। আশা নেই। ঘটনা নেই। ভবিষ্যৎ নেই। আনন্দ নেই। কেউ আসে না। কোনও সুগন্ধ নেই। তার ভেতর স্বাতী এসে যখন বলল—আমি নাকি এখনও পারি—

    কী পারিস? | তা জানি না। ওই-যে একটা পারি’ ভাব—যেন আমি অরণ্যদেব! যেন আমি জেমস বন্ড। সামনে অঢেল ফিউচার। হাতে ছ-ঘড়ার পিস্তল। এই ভাবটা জাগিয়ে দিয়ে ও আমাকে এমন এক আনন্দের মধ্যে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল—

    বল—ভালােবাসার ধাক্কা শঙ্কর।

    সে যাই বলিস। আমি সেই আনন্দেই ভাসছিলাম। এ আনন্দে কেউ ডােবে । ভাসতেই থাকে। ভাসতেই থাকে। মনে হত আমি সব সময় উড়ে চলেছি।

    মনে হচ্ছে, এখন যেন পড়ে গেছিস!

    তাতে আমি কারও দোষ দেখি না। এমন তাে হয়েই থাকে। সত্যিই তাে আগেকার বয়সের হিসেবে আমাকে ওর ঘাটের মড়া লাগতেই পারে।

    সময়মতাে প্রেজেন্ট-ট্রেজেন্ট কিনে দিসনি নিশ্চয়। মাঝে-মধ্যে শপিংয়ে নিয়ে যাবি তাে।

    এই বয়সে অত পয়সা কোত্থেকে পাব? তাের মতাে ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি নেই আমার। কে দেবে আমায় পয়সা? আমি যা পারি, সাধ্যমতাে করতাম। আর জিনিসপত্রে স্বাতীর কোনও আগ্রহ নেই।

    তাের বউ?

    তার জন্যেও করি—যেটুকু পারি। ছেলে দুজন তাে বড়াে হয়ে তাদের মতাে আছে। তারাও তাদের মাকে খানিক-খানিক দেখে।

    এটা আশা করিস না শঙ্কর-বাপের প্রেম-ভালােবাসার জন্যে ছেলেরা পয়সা জোগাবে।

    তা করি না। আমার মুশকিল হয়েছে—আমি কাউকে অপমান, অসম্মান করতে পারি না। কাউকে বলতে পারি না—এখুনি চলে যাও। আমি তােমায় আর ভালােবাসি না। মেয়েটা কী চায়? এখুনি ওকে নিয়ে আলাদা হতে হবে। নয়তাে নয়তাে কী শঙ্কর ?

    ওর তাে বয়স বয়ে যাচ্ছে। বেলা বহে যায়! তার ওপর ট্রপিকাল কান্ট্রি। ও কেন ওর সুন্দর বয়সটা নষ্ট করবে? অথচ আমারও চলে আসতে যে এখনও তিন-চার মাস দরকার। তাই বলছিল—

    কী বলছিল ? এখুনি আমাকে বিয়ে করে আলাদা হও। আজই। নয়তাে আমাকে বিয়ে করার জন্যে তিনজন আনকোরা না-বিয়ে-হওয়া যুবক আমার হাতে রেডি। তবু আমি আর-খানিকটা সময় চাইলাম স্বাতীর কাছে।

    বন্ধুটি গদি-মােড়া সিংহাসন-মার্কা চেয়ারে দুই পা ভাঁজ করে বাবু হয়ে বসল। আরি ব্বাস! এ তাে চিমা-বিজয়ন। সব ক্লাব চাইছে—এমন একজনকেই আমি খুঁজছিলাম।

    কী করবি ?

    আমার অফিসের ফ্রন্ট ডেস্কে বসাব শঙ্কর। এত রকমের হােস্টাইল লােকজন আসে—যাদের এমন মেয়েই সামলাতে পারবে। হ্যান্ডসাম কমপেনসেশন দেব। অমন মেয়ে কাউন্টারে দেখলে পাবলিক চনমন করবে। যাতায়াত অফিসের গাড়িতে। শুনে আমার গর্ব হচ্ছে—আজকাল বাঙালির ঘর থেকে এমন মেয়েও আসছে তা হলে। আমরা তা হলে কারও চেয়ে আর পিছিয়ে নেই। কী বলিস শঙ্কর?

    ভালােবাসা বলে এতকাল যা শুনে আসছি—আসলে সেটা কী বলত? সেটা কোথায় গেল? সেটা ঠিক কেথায় থাকে? স্বাতী বলেছিল, ও নাকি পঙ্কজকে চুমু খেয়েছে।

    পঙ্কজটা আবার কে?

    আমি যেখানে কাজ দিই—সেখানকার তরতাজা ঘােড়া। তাকে নাকি চুমু খেয়েছে হর্টিকালচার গার্ডেনে। বললাম, তুমি খেলে? স্বাতী বলল, হ্যা। ভালাে লাগল। আপনাকে পাই না। আমি কী করব? পঙ্কজ আমায় জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। খুব জোরে।

    আমি বললাম খেতে পারলে?—বলতে গিয়ে আমার বুক ভেঙে গেল। ভয়ঙ্কর যন্ত্রণায়, অপমানে আমি ঘেমে গেলাম।

    স্বাতী বলল, হ্যা। পারলাম। কেন পারব না? শুনে ভাবছিলাম, এই স্বাতীকে আমি একদিন যখন বলেছি—আমি বয়স-হয়ে-যাওয়া মানুষ—আমাকে নিয়ে তুমি কী করবে?—তখন স্বাতী উপুড় হয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলেছে—ফাটা রেকর্ডটা আর বাজিয়াে না।

    জানতে চাইলাম, শুয়েছ? কিরে-কাটার গলায় বলল, না। তা করিনি এখনও।

    স্বাতীকে ভয়ঙ্কর সুন্দর দেখাচ্ছে। ঠোটে অরেঞ্জ লিপস্টিক। শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং ব্লাউজ। হাতে কালাে ডায়ালের ঘড়ি। সেই ঘড়ির কাটায় প্লাটিনামটুকু আমার প্রাণ। ইচ্ছে করলেই স্বাতী টিপে মেরে ফেলতে পারে। যৌবন দয়ালু হয়। যৌবন নিষ্ঠুর হয়। এখানে প্রার্থনার জায়গা নেই। আসলে ভালােবাসা ঠিক কোথায় থাকে? স্বাতী জানে ? পঙ্কজ জানে? শঙ্কর জানে? | ভালােবাসা শঙ্কর। ভালােবাসা, প্রেম—ও-সবই হল হরমােহন ঠাকুরের খেলা! ঠাকুর হরমােহন দেবশর্মণঃ।

    হরমােহন ঠাকুর ? সে কোন ঠাকুর রে ভাই? রবীন্দ্রনাথের কেউ?

    আরে না! হরমােন শুনিসনি? প্রেম-ভালােবাসার আকাশে তিনিই সূর্য। ওই-যে তাের ভালাে লাগেনা দেখলে আকুপাকু করিস—এসবই হরমােহন ঠাকুর তাের শরীরের ভেতর বসে করান। ওই-যে তােকে ঘাটের মড়া, মনটা তাের পচা-গলা হয়ে গেছে বলে তােকে জরুরি নােটিস দিয়েছে—এখুনি চলে এস, আমাকে নিয়ে থাক—নয়তাে হাটো ! ওর মনেও হরমােহন ঠাকুর বসে বসে কলকাঠিটি নাড়ছেন। সময় নেই। আর সময় নেই। এখনই আমার পায়ে কিক আছে। এখনই। তিন তিনটে ক্লাব আমায় ডাকছে। এ দশায় কে বল এরিয়ান্সের তাঁবুতে থাকে? আবার এই হরমােহন ঠাকুরই তােকে ওর চোখে নবকার্তিকটি করে তুলেছিল একদিন।

    ফের রাস্তায় নেমে এসে শঙ্কর ঘােষাল চৌরাস্তার মােড়ের দিকে এগােতে লাগল। এই হরমােহন লােকটা কে? সে আমাদের শরীরের ঠিক কোথায় থাকে? রক্তে? হাড়ে? মাংসে? ঘিলুতে? শুধু একজনকে আলাদা করে ভালাে লাগে কেন? শুধু একজনের আমাকেই বা কখনও ভালাে লাগবে কেন? সেই ভালােলাগায় কেন আনকোরা হয়ে যাই? সেই ভালাে-না-লাগায় কেনই-বা ঘাটের মড়া হয়ে উঠি?

    সরকার বলেছেন—পুজোর আগে কলকাতার সব রাস্তা সারানাে হয়ে যাবে। একটা রােড রােলার ঢিমে তালে শঙ্করের আগে-আগে চৌরাস্তার মােড়ের দিকে চলেছে। এই রােড রােলারের ভেতরে কোথাও কোনও হরমােহন ঠাকুর বসে নেই। ওর গড়ান আছে। ওজন আছে। সব স্টোনচিপ পিষে ময়দা করে গরম আলকাতরা দিয়ে মাখতে পারে। পুজোর আর দেরি নেই। কলকাতার সব রাস্তা এখন ওকে চাইছে। পচা-গলা ধসে-পড়া সব রাস্তাকে ও সমান-সরল- সিধে করতে করতে এগােবে। আনকোরা করে দেবে।

    আমাদের দেশে এখন একশাে জনে পঞ্চান্ন জনই ষাটের ওপর। ঠাকুর হরমােহন দেবশর্মণঃ এদের সবাইকে কি আনকোরা করে দিতে পারেন না?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }