Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মানসাঙ্ক

    কলকাতার ভেতরেই। অথচ ঠিক কলকাতার ভেতরে নয়। ট্রাম থেকে নেমে বাস, অটো, মিনিবাস। যেটা ইচ্ছে ধরে আদিগঙ্গা পেরােও। তারপরই সুধীর পার্ক, চট্টরাজ গার্ডেন্স, ওয়াজেদ আলি পল্লি, বােসনগর, দাসপাড়া—এই সব নাম দিয়ে গেরস্থপাড়া। আর তাদের মাঝে মাঝে ফুলকপির খেত। লঙ্কার চাষ। বেগুনের ঝুড়ি মাথায় মেয়ে ব্যাপারী কলকাতা চলেছে। মুলাে বােঝাই সাইকেল ভ্যান। ইলেকট্রিকের খুঁটির পাশেই টেলিফোনের পােল। উল্টোদিক থেকে লরি এলে রিকশ থেমে যায়। চট্টরাজ গার্ডেন্সে বাড়িভাড়া নেবার পর কিছুদিন রিকশ চড়ে বাস রাস্তায় গিয়ে হিসেব কষে দেখি–ওরে বাবা! রিকশ। তারপর অটো। শেষে পাতাল রেল। তারপরেও আরও বাস, ট্রাম চড়তে হয়। রােজ গাড়িভাড়াই তাে দিচ্ছি কমসে কম পঁচিশ-তিরিশ টাকা। তারপর আবার একটু রাত হলে কিংবা বৃষ্টি পড়লে রিকশ উধাও। পঁচিশ-তিরিশ টাকায় সকালের বাজারটা নমঃ নমঃ করে হয়ে যায়। সেই টাকা রােজ অফিস যাতায়াতে বেরিয়ে যাবে? মনটা বেশ খারাপ হয়ে গেল। চট্টরাজ গার্ডেন্সে এই দশ-বারাে বছর হল ধানখেত, কপি খেতে ঘরবাড়ি উঠেছে। এখনও দু-চারটে ফাঁকা জায়গায় বেগুন, ধনেপাতার চাষ। মনকে বােঝাই কলকাতার ভেতরে থেকেও আমরা কলকাতায় নেই ঠিকই। কিন্তু এখানে বাতাসে কোনও পলিউশন নেই। ধুলাে নেই। সবজিটা টাটকা। বাজারে মাছ আশপাশের পুকুর থেকে আসে। জ্যান্ত। পাল্লায় উঠেও লাফায়। ঘাসখাের লােকাল পাঁঠার মাংস। দিব্যি মিষ্টি। এ তাে আর ভবানীপুর বা শ্যামপুকুরে পাওয়া যাবে না। এও তাে কম নয়।

    অফিস থেকে বাড়ি ফিরে টিভি-তে কলকাতার খবর পাই। মুক্ত বায়ুর জন্যে গণদৌড়। সম্প্রীতির জন্যে মানবশৃঙ্খল। আমাদের এখানে দুপুরবেলাতেই গভীর রাতের মতােই সব কিছু নিস্তরঙ্গ। কলকাতার ছবি টিভি-র পর্দায় খুব কঁপে। আবছা। লাে ভােল্টেজ। বুঝে নিতে হয় এটা গণদৌড়। ওটা মানবশৃঙ্খল। তার ভেতর বেশি রাতে শেয়ালের ডাক। বসতি এগিয়ে আসায় ওরা পিছিয়ে গেছে। টাটকা সবজির মতােই খুব অরিজিনাল সেই কলধ্বনি। সিনেমার মতাে মায়াদর্পণে নয়।

    বাড়িওয়ালা বলল, এটুকু রাস্তা রিকশয় চড়েন কেন? হাঁটলেই পারেন। বললাম, তারপরেও তাে—অটো আছে—

    অটোয় উঠবেন কেন? একটু পিছিয়ে গিয়ে মিনিবাসের টার্মিনাস। একদম কার্জন পার্কে গিয়ে নামবেন। পাতাল রেলের গলাকাটা ভাড়াও বাঁচাতে পারবেন।

    মন্দ বলেননি। কেডস কিনে পায়ে দিয়ে হাঁটতে গিয়ে দেখলাম—সময় যায়। ঠা-ঠা রােদুরে ঘেমে একশা। সট করে একটা সেকেন্ডহ্যান্ড সাইকেল কিনে ফেললাম। চড়ে দেখি—উঃ! কী আনন্দ। গায়ের দুপাশ দিয়ে বাতাস বেরিয়ে যাচ্ছে। সে বাতাস চোখে দেখা যায় না। কিন্তু গায়ে লাগে। বহু বছর পরে সাইকেল চালাচ্ছি। ব্যালান্সে ভর করে। বাস রাস্তায় গিয়ে জমা রেখে প্রাইভেট বাসের দরজায় ঝুলি। নয়তাে মিনিবাসে লাদাই হয়ে দিব্যি কার্জন পার্কের গায়ে গিয়ে পৌছলে কন্ডাক্টর খালাস করে দেয়।

    এইভাবেই জীবন চলে যাচ্ছিল। পাতাল রেল, অটো, রিকশ মিলিয়ে দুপিঠে মােট আঠারাে টাকার জায়গায় যাতায়াতে ছ-টাকাও লাগছে না। গাদাগাদি, ঝুলােঝুলিতে শরীরের খানিকটা ব্যায়ামও হয়ে যাচ্ছে। এর ভেতর একশাে পয়সা কখনও একটাকা কুড়ি পয়সা হচ্ছে—আবার আশি পয়সায় নেমেও আসছে। এরই নাম বােধহয় জীবনের লবণ।

    এই লবণ দিয়ে—যাতে কিনা খানিকটা পয়সা বাঁচানাে, দরাদরি, যাচাই মিশে থাকে—তাই দিয়ে জীবন করে যাচ্ছি। গরম লাগলে পাখা চালাই। ঠান্ডা লাগলে চাদর নামাই। আকাশে মেঘ দেখলে ছাতা বের করি। দোকান থেকে দেখে-শুনে ভালাে ফ্লেবারের চা কিনি। আর বাড়ির সামনে আখেচড়া একটা বাড়ির দিকে তাকিয়ে থাকি। ঢােলকলমির বুনাে ঝাড় দিয়ে বাড়িটার বাউন্ডারি এবড়াে-খেবড়াে ভাবে জানান দিচ্ছে। রাস্তা থেকে রান্নাঘর দেখা যায়। সে জানলায় একটি বউ হাতা-খুন্তি নাড়ে। একটি বাচ্চা মেয়ে টিউবয়েলে জল ঘাঁটে। চট্টরাজ গার্ডেন্সে এসেছি মাস কয়েক। বেশ লাগে নতুন জায়গাটা।। সেকেন্ডহ্যান্ড সাইকেলটা আমায় অনেক জায়গায় নিয়ে যায়। চারশাে পঁচিশ টাকায় কী অবাধ স্বাধীনতা। আর বছর দুই বাদে রিটায়ার করলে এখানেই জায়গা কিনে থিতু হব ভাবছি।

    এর ভেতরে সামনের সেই বাড়িটা থেকে একদিন একটা বুড়ােটে ছেলে বেরিয়ে এসে বলল, সরলদা, আপনার সাইকেলটা দিন তাে। গড়ে থেকে চালটা নিয়ে আসি।

    অবাক হলাম। আপনি আমায় চেনেন? আমায় আপনি বলছেন কেন? আমি তাে চিত্ত। সুইস পার্কের চিত্ত নিত্য দুই ভাইকে মনে নেই আপনার? আমি সেই চিত্ত।

    প্রায় তিরিশ বছর আগে পুরনাে যেসব পাড়ায় থেকেছি সেখানে হাতড়াতে হাতড়াতে চিত্তকে পেয়ে গেলাম। কালাে মতাে দুই ভাই—আমাদের চেয়ে বছর দশেকের জুনিয়র-ক্যারাম খেলে, রেশন আনে, কলেজে পড়ে—সবই মনে পড়ে গেল।

    তুমি সেই চিত্ত? হা। এই তাে আমার বাড়ি। এই বাড়িটা। হ্যা। আমি তাে রােজ তাকিয়ে থাকি। ওই তাে টিউবয়েলে আমার বউ মেয়েকে চান করাচ্ছে। এখানে বাড়ি করেছ কতদিন? তা সাত বছর হয়ে গেল। একদম কর্নার প্লট পেয়েছ।

    হা। ছ-কাঠা। এগারশাে টাকা করে কাঠা কিনেছিলাম—বছর দশেক আগে। এখন তাে প্রায় লাখ টাকা কাঠা।

    শস্তায় পেয়ে গেছ।

    বলছি আর ভাবছি–চিত্ত তাে না হােক পঞ্চাশ হয়েছে।

    পাজামার ওপর পাঞ্জাবি। মাথার চুল পাকছে। চোখে চশমা। পায়ে স্যান্ডেল। বেশ ছিপছিপে চিত্ত বলল, চট্টরাজমশাই নিজে জমিটা কিনিয়ে দিয়েছিল। আরও দিতে চেয়েছিল চার কাঠা। নিইনি। নিয়ে রাখলে খুব কাজের হত।

    তা তাে হতই। দশকাঠা মানে দশ লাখ টাকা। প্রমােটাররা আবার সাধে সরলদা। জায়গাটা দিন। থাকার জন্যে দুটি ফ্ল্যাট ফ্রি। দিলে পার। দাও না কেন? দিলে ফ্ল্যাটে বন্দি হয়ে যাব। কোনও স্বাধীনতা থাকবে না। চট্টরাজ তােমার ভালাে চাইতেন। সবাইকে তিনি চিনিয়ে দিতেন সরলদা— তাঁর নামেই চট্টরাজ গার্ডেন্স। মানী লােক ছিলেন নিশ্চয়—

    হাঃ হাঃ করে হেসে উঠেই চিত্ত বলল, না না সরলদা। চট্টরাজ তাে জমির দালাল ছিল। সবাই যা তা বলত তাকে পেছন ফিরলেই

    জমির দালাল? দালালের নামে গার্ডেন্স ?

    হ্যা, জমি কেনাবেচার ব্যবসা করত লােকটা। খুব মিষ্টি কথা বলত। একশাে-দুশাে টাকায় কাঠা কিনে হাজার বারােশােতে বেচে দিত।

    একশাে-দুশাে ? হা। তখন তাে এদিকে কেউ আসত না। দিন। সাইকেলটা দিন।

    সাইকেল নিয়ে চলে গেল চিত্ত। ঘন্টা দেড়েক পরে একবস্তা চাল চাপিয়ে সাইকেল নিয়ে ফিরল। ফিরে বলল, চালটা কিনে রাখি একবারে। কিলােতে তিরিশ-চল্লিশ পয়সা শস্তা পড়ে।

    বস্তা বয়ে আনার ধকলে আমাকে সাইকেলে টাল–মাডগার্ড সারাতে হল আড়াই টাকা দিয়ে।

    চিত্তর বউ চিন্তা। সে ডালের বড়া ভাজলে আমায় দেয়। সজনে ফুলের চচ্চড়ি রাঁধলে আমায় বাটি ভরে পাঠায়। আমি কখনও তাকে তুমি বলি।

    কখনও তুই বলি।

    চিত্ত আমায় বলে, দাদা।

    ওকে আপনি একবার বলুন তাে বাড়িতে একটা গেট লাগানাে দরকার। আমি চিত্তকে বলি, লােহার গেট লাগাও চিত্ত। চ্যাটাইয়ের ঝাপ চোরে কাটবে। ছাদের টালি সরিয়ে করগেট দাও অন্তত।

    চিত্ত বলে, এই দেব সরলদা। আগের বউ সবে ক্যান্সারে মারা গেল। মােটে পাঁচ বছর হল। সব খরচের ধাক্কা সামলে উঠতে—

    চিন্তা তােমার দ্বিতীয় বউ? | হা, ওর দিদির সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। তার তাে পেটেই বাচ্চা মরে গেল। আছাড় খেয়ে। মরে গিয়ে ভেতরে ছিল অনেকদিন। ভাগ্যিস বের করা গেল। কিন্তু ততদিনে ইউটেরাসে ক্যান্সার।

    মাঝখানে শীত চলে গেল ভাব দিয়ে শীত আবার ফিরে এল। এ ফেরা একেবারে জাঁক দিয়ে ফেরা। হি হি কঁপুনি। তার ভেতরে খালি গায়ে বিধবা বুড়িরা থােড়, মােচা, শাক পাতা নিয়ে বেচতে বসে। চার আনায় এক আঁটি মেথি শাক। পঞ্চাশ পয়সায় এক আঁটি কচি নিমপাতা। ভাবি—এমন কচিপাতা তাে ডালের একদম ডগায় থাকে। বুড়িরা পাড়ে কী করে? | চিন্তাদের বাড়ি গেছি। গিয়ে জানতে চাইলাম, ডালে সম্বরা দিয়েছ। বড়াে ভালাে গন্ধ বেরােচ্ছে—

    খাবেন একটু দাদা? দেবড়াে ভালাে ডাল।

    হ্যা, ডালটা ভালাে। চিত্তদা ইনকাম ট্যাক্সের কো-অপারেটিভ থেকে ডাল, মশলা নিয়ে আসে।

    ওখানে কাজ করে?

    তাে। চিত্তদার তাে অন্য অফিস। বিবাদি বাগে। আর এ ডাল, মশলা সব আনে শ্যামবাজারে আয়কর সমবায় থেকে—কার একখানা সমবায় কার্ড পায়—তাই দেখিয়ে সারা মাসের সওদা বয়ে বয়ে আনে। মনে মনে ভাবি–কোথায় বিবাদি বাগ—কোথায় শ্যামবাজার। মুখে বলি, তুই স্বামীকে চিত্তদা ডাকিস কেন?

    অভ্যেস যাবে কোথায়! আগে যখন জামাইবাবু ছিল তখন যে চিত্তদা ডেকে এসেছি। সেই অভ্যেসে। ও এমনিতে পরিশ্রমী আছে। এই দেখুন না—সাবান, সর্ষের তেল, আটা—সব আনে খিদিরপুর থেকে।

    খিদিরপুর থেকে?

    হা। সব জাহাজি মাল। খুব সেরা জিনিস। কিন্তু ঘটে বুদ্ধি নেই। কেন? কেন? রােজ রাতে অফিসের পর আলাে জ্বালিয়ে খাতা লেখে। তাতে দুটি পয়সা হয়।

    এত খাটে কেন? কার জন্যে খাটে?

    আমিও বুঝি না। ভালাে অফিসে ভালাে মাইনে পায়। নিজেদের বাড়ি। বাড়ি ভাড়ার বালাই নেই। খেটেখুটে কোথায় মানুষ একটু সুখ করে। তা নয়। অফিসের পর খাতা লেখে। অ্যাকাউন্টসের খাতা ঠিক করে দেয় নানান কোম্পানির। তাতে মােটা টাকা পায় ফুরনে। অথচ দিদির ক্যান্সারের চিকিৎসা করল কবিরাজি বড়ি দিয়ে—

    কবিরাজি বড়ি দিয়ে ? হা। স্রেফ বড়ি আর সেঁকতাপ অত টাকা কী করে? জায়গা কেনে। অন্তত চার-পাঁচটা প্লট কিনে রেখেছে। তার ভেতর একটা তাে বেদখল হয়ে গেল।

    এত জমি দিয়ে কী করবে চিত্ত? দাম বাড়লে বেচে দেবে।

    তার আগে যে বেদখল হয়ে যাবে। তারপর শহর সম্পত্তি আইনে তাে অত জায়গা একজন শহরের ভেতর রাখতে পারে না। সরকার নিয়ে নেবে।

    অতসব বুঝি না দাদা। তবে নানান নামে রাখছে। আপনার কথা শােনে। একবার একটা টেবল ল্যাম্প কিনতে বলুন না। রাতে বড়াে আলাে জ্বালিয়ে খাতা লেখে। ঘুমােতে পারি না চড়া আলােয়।

    তাের না আবার বাচ্চা হবে? হ্যা।

    তাের তাে ঘুমের দরকার।

    তা কী বােঝাে চিত্তদা! এই যে মেয়েটার তিন বছর হল। তাকে একটু কোলে নেয় ? একখানা বিস্কুট কিনে হাতে দেয় ? কখনও না। ভুলেও দেয়—

    সেদিন রিকশর পয়সা বাঁচিয়ে অতটুকু মেয়েকে গড়ে থেকে হাঁটিয়ে এনেছে। শেষে কচি কচি পা ফুলে ঢােল। কোথায় জায়গা শস্তা। কোথায় ডাল শস্তা। লুঙ্গি শস্তা। তাই কিনতে ছুটছে চিত্তদা। শ্যামবাজার, খিদিরপুর, ডানলপ। হয় আপনার—না হয় অন্য কারও সাইকেল নিয়ে। গাড়িভাড়া যতটা পারে বাঁচায়। ঘটে বুদ্ধি থাকলে তাে!

    বুদ্ধি আছে। তবে অন্য দিকে। হা দাদা। অন্য দিকে। কীসে দুটি পয়সা সাশ্রয় হয়। কীসে আয় দেয়। চিন্তার মুখে তাকালাম। মুখখানি শুকনাে। চোখ কোটরে। পেটটা ফুলে উঠেছে। কাঠি কাঠি হাত। মুখে বললাম, আচ্ছা বলব—বলে মনে হল, চিন্তার বুদ্ধিটা একদম বােকার বুদ্ধি।

    চিত্তকে ধরা কঠিন। তা ছাড়া এত বছর পরে দেখা। ও একজন আলাদা মানুষ। আমিই বা কীভাবে ওর ব্যাপারে নাক গলাই। আবার অগােছালাে বাড়িটার সামনে সন্ধের সময় চিন্তাকে একা পথ চেয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মনও খারাপ হয়। আহা! এর জন্যে কিছু একটা করা দরকার। বাঁ-হাতে মেয়েটাকে ধরে চিন্তা দাঁড়িয়ে। বাড়ির সামনের উঠোনে বসানাে মানকচুর বিরাট পাতার সামনে রঙিন কাচপােকা শব্দ করে উড়ছে। চিন্তার পেটটা ফোলা ফোলা। হাত দুখানি কাঠি কাঠি। এই সময় বিশ্রাম—ভালাে খাবার দরকার। আর চিত্ত দুহাতে আয় করে জমি জায়গা কিনে চলেছে। একটার পর একটা।

    ফাল্গুন পড়তেই বঙ্গোপসাগর থেকে এক আহামরি বাতাস ক-দিন ধরেই কলকাতার ওপর এসে ঝাপিয়ে পড়তে লাগল। কী মূর্তি বাতাসটার। লাখ লাখ গেরস্থবাড়ির দরজা জানলা দরাম দরাম করে ধাক্কা মেরে খুলে দিচ্ছে। রাস্তা থেকে ধুলাে উড়িয়ে নিয়ে যখন তখন ঘূর্ণী তুলছে। এর ভেতর দেখি চিত্ত মাথার চুল সামলাতে সামলাতে বাড়ি ফিরছে। আমায় দেখে বলল, সরলদা। কালীতলার ওপর দিয়ে শুনেছিলাম একটা বড়াে রাস্তা যাবে বাইপাসের দিকে। আদৌ যাবে কিনা আপনি একটু জেনে দেবেন? অনেককে তাে চেনেন আপনি।

    কালীতলা কাছেই। রােজ সেদিকে ইটের লরি যায়। অনেক বাড়ি হচ্ছে। এসব ভাবতে ভাবতেই বললাম, না হয় রাস্তা গেলই। তাতে তােমার কী ?

    প্রােপােজড রাস্তার গায়ে আমার তিন কাঠা কেনা আছে। চিত্ত। ক-জায়গায় তুমি থাকবে?

    আমার কথা বলছি না। আরেকটা বাচ্চা তাে আসছে। সে বড়াে হলেওখানে যদি একটা বাড়ি করা থাকে তাে–সেখানে থাকতে পারবে।

    এই বাড়িটার কী হবে? আমার আর চিন্তার অবর্তমানে মেয়েই পাবে। আমি কোনও কথা না বলে চিত্তর মুখে চেয়ে রইলাম।

    তারপর অনেকদিন চিত্তর সঙ্গে দেখা হয় না। কাজকর্মে চিত্তর কথা ভুলেই বসে আছি। বাসস্টপে চির সঙ্গে দেখা। আমায় দেখে বলল, চলুন প্রাইভেট বাসে যাই। ওরা টাইমলি পৌঁছে দেয়।

    ইচ্ছে ছিল না—ভেবেছিলাম মিনিবাসের টার্মিনাসে গিয়ে বসে যাব। চিত্তর সঙ্গে সঙ্গে প্রাইভেট বাসেই ভিড় ঠেলে উঠলাম। চিত্ত আমায় নিয়ে বাসের ঠিক মাঝখানটায় এসে মাথার ওপর হ্যান্ডেল ধরে দাঁড়াল। দুই দরজায় দুই কন্ডাক্টর। তাদের কেউই ভিড় ঠেলে আমাদের নাগাল পাচ্ছে না। যেদিককার কন্ডাক্টরই আমাদের দিকে হাত বাড়ায় চিত্ত ঠিক তার উল্টোদিকে তাকিয়ে—

    আমার সঙ্গে গল্প জুড়ে দেয়।

    ভবানীপুরের কাছাকাছি এসে বাসে লােক কমতে লাগল। কন্ডাক্টর দুজন দুদিক থেকে আমাদের ছুঁয়ে ফেলে প্রায়। চিত্তর রকমসকম দেখে আমি তাে কাটা হয়ে আছি। ওরই ভেতর এক ট্রাফিকে বাস দাঁড়িয়ে পড়তেই চিত্ত আমাকে একরকম টানতে টানতেই নেমে পড়ল। আর অমনি ট্রাফিক ক্লিয়ার পেয়ে দরজার কন্ডাক্টর আফশােসের ভঙ্গিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে।

    এটা কী হল চিত্ত? এরকমই তাে করতেই হয় দাদা বিরক্ত হয়ে বললাম, তুমি যা কর-কর। আমাকে আর কোনওদিন এভাবে জড়িয়াে না।

    রাগ করছেন সরলদা? বলে ফুটপাথেই দাঁড়িয়ে পড়ল চিত্ত। হিসেব মিলিয়েই আমায় চলতে হয়। কাল দু-বার মিনিবাসে উঠে বাসের চেয়ে দু-টাকা বেশি লেগেছে টিকিট কাটতে। তার একটা টাকা আজকের এই বাসে টিকিট কাটলে লেগে যেত। ফেরার পথে আরেকবার বাসে উঠে টিকিট কাটতে না হলেই বাকি টাকাটাও উসুল হয়ে যাবে বুঝব।

    আপত্তি করে উঠি, কী বলছ চিত্ত? কাটতে না হলে কোথায় ? তুমি তাে কাটছ না।

    ওই একই হল সরলা।

    তাই কী ? তাহলে যেদিন বাস-মিনিবাসে উঠতে না পেরে ট্যাক্সি নিতে খুব দরকারে বাধ্য হও—সেদিন? | সময়ে সময়ে ট্যাক্সি নিতে তাে হয়ই। তখন চার-পাঁচদিন ধরে একটানা এভাবেই যাবার জায়গাগুলােয় বাসে উঠি-ফেরার জায়গাগুলােয় এভাবেই বাস ধরে পৌছে যাই।

    তার মানে টিকিট কাটতে না হলেই ট্যাক্সি ভাড়ার টাকাটা খেপে খেপে উশুল হয়ে যায়।

    ভিড়ের রাস্তায় হাে হাে করে মহাখুশিতে হেসে উঠল চিত্ত। বলল, আপনি তাে সরলা আমার ভাষায় কথা বলছেন! আপনার বলা উচিত—যে টাকাটা ট্যাক্সি ভাড়ায় গেছে টিকিট না কেটে সেটা বাঁচিয়ে তােল চিত্ত।

    আমি কথা বলতে পারছি না। সারা রাস্তা জুড়ে মানুষের ভিড়। সবাই যে যার নিজের নিজের ধান্দায় বুদ হয়ে আছে। যে যার অঙ্কে অঙ্ক মিলিয়ে যাচ্ছে।

    চিত্তর যে কত অঙ্ক। সে নিজেই বলল, ধরুন, বাঁশদ্রোণী থেকে ট্যাক্সিতে দেশপ্রিয় পার্ক গেলাম। বাধ্য হয়েই গেলাম। ভাড়া দিতে হল বাইশ টাকা। দিলাম। আবার তখনই দেশপ্রিয় পার্ক থেকে ঢাকুরিয়ার মিনিতে কার্জন পার্ক গেলাম। ভাড়া দিলাম না। তখন কিন্তু ভাবব, ট্যাক্সিতে দেশপ্রিয় থেকে কার্জনে গেছি। তার মানে তিরিশ টাকার মতাে ট্যাক্সি ভাড়া বাঁচল। তাহলে তিরিশ থেকে বাইশ বাদ দিয়ে হাতে থাকল আট টাকা। সেই আট টাকা কিন্তু আমার কাছে রিয়াল। আমি তখন স্বচ্ছন্দে বাসের ভাড়ার মতাে খরচ করতে পারি। তখন আমি বাসে খেপে খেপে মােট আট টাকা সত্যিই ভাড়া দেব।

    আমি তাকিয়ে আছি চিত্তর মুখে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }