Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৎস্য পুরাণ

    এক টেবিল থেকে আরেক টেবিলে ফাইল এগিয়ে দিয়ে—খাবার জলের গ্লাস হাতে ধরিয়ে দিয়ে মুকুন্দ এক এক সময় বেঞ্চে এসে বসে। জিরােবে বলে। কিন্তু বসবার উপায় নেই। অফিসে সাহেব আন্দাজে বেয়ারা ভীষণ কম। জল এগিয়ে দিতে না দিতে আরেকজন চা আনতে পাঠায়। চা ঢেলে দিতে না দিতে বাবুরা কেউ সিগারেট কিনতে পাঠায়। মাঝ বিকেলে মুকুন্দর মাথা ঘােরে। অর্ধেক তৈরি বাড়িতে উঠে এসেছে অফিস। লিফ্ট হয়নি এখনাে। তাই ওঠা নামাতেই তার হাঁটু ভেঙে আসে।

    তাতেও দুঃখ ছিল না মুকুন্দর। যেমন বাবুরা-সাহেবরা—তেমনি তার কাজের সঙ্গীসাথী অন্য বেয়ারারাও মুকুন্দকে পেলেই হল—ভীষণ ক্ষমাঘেন্নার গলায় ডাকবে—কী রে মুকুন্দ—কলকাতার জল সহ্য হচ্ছে তাে!

    মুকুন্দর দেশ কেশেডাঙা। কেষ্টনগর লাইনে পাগলচণ্ডী স্টেশনে নেমে ধানখেতের ভেতর দিয়ে তিন ক্রোশ হেঁটে যেতে হয়। বাওড় বিলের জায়গা। ছােটোবেলা থেকে মাছ ধরে আসা মানুষ। শােল শাল গজাল তাে ধরেছেই কেঁচে গেথে—এমনকি ইটখােলার ব্যোমে বঁড়শি ফেলে বড়াে বড়াে কাতলাও ধরেছে।

    কাজে ঢুকে এসব গল্প তােড়ে বলে গেছে মুকুন্দ। বলতে বলতে নিজের দেশের কথায় মুগ্ধ মুকুন্দ এই বলে কথা শেষ করেছে—

    সে কী জল বাওড়ের—না-পাতলা না-ভারী—ঝাঝিতে শ্যাওলায় গম্ভীর কালাে—আর তার ভেতর বড়াে বড়াে সফরি মাছের লেজের ঘাই—আশপাশের গাছে মাছরাঙা পাখিটা পর্যন্ত কেঁপে ওঠে।

    সেই কথায় অফিসসুদ্ধ সবাই তাকে থাবড়ে বসিয়ে দেয়। আর বলে—কলকাতার জল সহ্য হচ্ছে তাে!

    আপনাদের বিশ্বেস হবে কোত্থেকে! বরফ ঠাসা মাছ খেয়ে আসছেন। আরও কথা তার মুখে আসে। কিন্তু বলে না মুকুন্দ। যেমন—

    কেনেন তাে দুশাে গ্রাম তিনশাে গ্রাম কাটাপােনা। নয়তাে বাড়ি তেলাপিয়া কিনে নিয়ে গিয়ে রাঁধেন তাে সর্ষেপাতুড়ি।

    আমাদের দেশের মাছগুলাে জ্যান্তদশায় কলকাতার ক্লাস ওয়ান-টুয়ের বাচ্চাদের সাইজ।

    এক একটা বাওড়া-বিল দশ হাজার বিঘের।

    তাতে পদ্ম ফোটে—পদ্ম গােখরােও থাকে—আবার বিশ-বাইশ কিলাের পাকা রুইও ঘােরে নিঃশব্দে গম্ভীর চালে।

    শহর কলকাতায় বর্ষায় জল জমে। নয়তাে সারাটা শহর কেমন কেঠো কেঠো। শুকনাে বেঞ্চে বসে কোনাে কথা পাড়লেই তার সঙ্গীসাথীরা চড়াস করে তার পিঠে থাবড়া কয়।

    আরে চুপ কর। তাের আবার কথা কীসের মুকুন্দ! তার পিঠটা যেন হাতের সুখ করার জায়গা। তার গলার শব্দ যেন বেরিয়ে এলেই তুচ্ছ তাচ্ছিল্যে চেপে দেবার জিনিস।

    সে যা-ই বলুক না কেন—ওই মাছের গল্প—বিল-বাওড়ের জলের কথা বলার পর থেকেই সবাই তাকে কথা বললেই চেপে ধরে—থামিয়ে দেয়—হাসি মশকরায় ডুবিয়ে দেয়।

    ওঃ! মুকুন্দ বলেছে? তাহলে তাে না হয়েই যায় না।

    সে যদি সূর্য ওঠার কথাও বলে—কিংবা মুসুরির ডালের দাম নিয়ে কথা বলে—তাও তাকে অফিসসুদ্ধ সবাই চেপে বসিয়ে দেয়। ভাবখানা—তুই আবার কী বলিস! চুপ কর।

    কাজে ঢুকে বছর দুয়েকের ভেতর মুকুন্দ তাই একদম বােবা হয়ে গেছে। অনেক জিনিস জেনেও সে রা কাড়ে না। বলে কী হবে! তাকে দেখলেই চেপে ধরার নেশা পেয়ে বসে সবার। কী রে মুকুন্দ—এ যে দেখছি নতুন। স্যান্ডেল পায়ে দিয়েছিস—কোথায় পেলি?

    মুকুন্দও সেয়ানা। সে মুখের ওপর বলে, রাজভবনে নেমন্তন্ন ছিল! ওঃ! তাই বল

    হা। রাজ্যপালের স্যান্ডেলজোড়া পছন্দ হয়ে গেল। চুরি করে পায়ে দিয়ে চলে এলাম।

    তাই বুঝি? তা তাের স্যান্ডেলজোড়া? সেই স্যান্ডেল পায়ে রাজ্যপাল ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

    এসব বলে খোঁতা মুখ ভোঁতা করে দিয়েও ওদের একটুও থামাতে পারেনি মুকুন্দ। ওকে দেখলে—কী বাবু—কী সাহেব—কী তার কাজের সঙ্গীসাথীরা—তাকে পারলে পিষে ফেলার জন্যে পাগল হয়ে ওঠে।

    অথচ অফিস নামে এই নিষ্ঠুর জায়গাতেই কাজের ফাঁকে বেঞ্চিতে বসে মুকুন্দ কাচের জানলা দিয়ে রাস্তার উল্টোদিকে একটা গির্জার মাঠে সুন্দর পান্থপাদপ গাছ বেয়ে মাধবীলতার ফুল গায়ে ওপরে ওঠা দেখতে পায়।

    এ শহরে এখন ফেমিলি আনা কঠিন। জায়গা নেই। থাকলেও বেদম ভাড়া। তার সাধ্যের বাইরে। দেশের লােকের মােতিহারি তামাকের কারবার। বৈঠকখানায় তার গােলায় শােয় মুকুন্দ। রবিবার পড়লে গােলার বস্তাগুলাে রােদে দেয়। বউকে পােস্টকার্ড ফেলে আর চিটেগুড়ের কলসির কানাত থেকে উঁই পিঁপড়ে তাড়ায়। কোনাে কোনাে শনিবার বিকেলেই কেষ্টনগরের গাড়ি ধরে। সােমবার শেয়ালদায় নেমেই সিধে অফিসে চলে আসে মুকুন্দ।

    বর্ষার ভেতরে শুক্রবার কী একটা ছুটি ছিল। কাল বউয়ের চিঠি এসেছে। বেলঘরিয়ায় দিদির বাড়ি একবার ঘুরে এসাে।

    কলকাতায় এসে কারও বাড়ি কোনােদিন যায়নি মুকুন্দ। তার বড়াে শালি বড়াে ভায়রা থাকে বেলঘরিয়া। ছুটির দিন বলে লেবেলক্রসিং পার হয়ে বাস থেকে বেলঘরিয়ায় গিয়ে নামল মুকুন্দ। এখন সকালবেলা। আগেকার ছােটো জায়গা লােক বেড়ে এখন বড়াে জায়গা।

    সেই বিয়ের সময় দেখা হয়েছিল একবার। মুকুন্দ তবু খুব মাখামাখি গলায় বলল, কী বড়দা, চিনতে পারেন? | সুরকি ঘেঁষের পুরনাে বাড়ির বারান্দা। মােটা দেওয়াল। বুড়াে মতাে একজন। রুগ্ন লােক—একগাল সাদা দাড়ি ভুলভুল করছে—বাড়ির গায়েই কঁচা ড্রেনে থকথকে পাক-পচা ময়লার গন্ধ—চোখ কুঁচকে তাকাল—ইজিচেয়ারে শােয়া অবস্থাতেই। সরু রাস্তায় অবিরাম সাইকেল রিকশা। দাঁড়াবারও উপায় নেই। মনে পড়ছে না তাে

    মুকুন্দ নিভে গেল। ভুল ঠিকানায় আসিনি তাে। ঠিক এই সময় বড়াে শালি বারান্দায় বেরিয়ে এল। ও মা! কী ভাগ্যি!

    যাক। মুকুন্দ সাহস করে বারান্দায় উঠল।

    তােমার বড়দা তাে জ্বর বাধিয়ে হপ্তা দুই ঘরে বসে। ছুটি পেলেই এ দিঘি সে দিঘিতে ছিপ ফেলতে চলে যায়। কোত্থেকে আবার হারপিস বাধিয়েছে পিঠে—

    সেটা কী জিনিস? মুকুন্দর বড়াে শালি তার পিঠের দিকটার ফতুয়া তুলে ধরল। ওই ফোসকা মতন? হুঁ। কোন গাছের নীচে বসেছে তার ঠিক নেই। সারছেই না।

    গােড়ায় যাকে খিটকেল লেগেছিল মুকুন্দর—সেই বড়াে ভায়রাকে বিকেলের দিকে বড়াে ভালাে লাগল মুকুন্দর। জ্বরে হারপিসের ব্যথায় কুথে কুথে কথা বললেও—আটকুড়ে মানুষটা তাকে দু-হাত ধরে বলল, রাতটা থেকে যাও

    ভাই। আমরা তাে মােটে দুটি প্রাণী। ভালােই কাটবে। কেউ আসে না এদানি

    উপায় নেই বড়দা। আবার আসব আমি। পরের গােলায় শুই। না ফিরলে দোর খুলে বসে থাকবে।

    বেরােবার সময় ঘরের কোণে দাঁড় করানাে গুচ্ছের ছিপ থেকে একখানা তাকে উপহার দিল তার বড়াে ভায়রা। আর বউকে ডেকে বলল, মুকুন্দ যদি পারে তাে ধরবে গিয়ে মাছ—দাওনা টিকিটখানা—

    কীসের টিকিট দাদা?

    বড়াে শালি এগিয়ে দিয়ে বলল, তােমার বড়দার শখ। যেখানে পারে ছিপ ফেলার টিকিট কেটে রাখে আগাম—

    আমি তাে ওভাবে টিকিট কেটে ছিপ ফেলিনি কোনােদিন দাদা। চার জানি । কলকাতায় এসে ইস্তক কোনাে ছিপও নেই আমার।

    এইতাে ছিপ দিলাম। টিকিট পেলে। লালদিঘির টিকিট। কালই গিয়ে বসবে। কালই তাে শনিবার।

    এ ছিপ নিয়ে বাসে উঠতে দেবে ? ভাঁজ করা যায় ভাই। জাপানি ছিপ। সতেও জাপানি—

    বড়াে শালি বলল, আয়ােজনে কোনাে ত্রুটি নেই ভাই! এখন বয়সটা বেড়ে গিয়ে কিছু অসুবিধায় পড়েছেন তােমার দাদা।

    সন্ধেবেলা এক অপরিচিত তৃপ্তির স্বাদ মনের ভেতর টের পেতে পেতে শেয়ালদায় এসে নামল মুকুন্দ। কলকাতায় এসে ইস্তক এমন আদর আপ্যায়ন কোনােদিন পায়নি মুকুন্দ।

    বৈঠকখানার মােড়ে গিয়ে দেখল—কয়েকটা দোকানে বড়শি, সুতাে, ছিপ আর নানান চারের আয়ােজন। মুকুন্দ প্রথমে টিকিটখানা বেচার চেষ্টা করল।

    সুবিধা হল না। এক দোকানি এগিয়ে বলল, কাল তাে লালদিঘিতে গিয়েই বেচে দিতে পারেন। খদ্দের পেয়ে যাবেন।

    তিরিশ টাকার টিকিট। কম করেও বিশটা টাকা তাে পাওয়া যাবেই। বড়াে ভায়রা তাে আর দেখতে আসছে না।

    তখন সে ছিপটা বেচতে গেল। পর পর চারজন দোকানি বলল, কেনে যারা তারা নতুন কেনে।

    নালশে পিঁপড়ের থলথলে জ্যান্ত বাসার চার, ভাজা মেথি, বােলতার চাক মিশে এক অদ্ভুত গন্ধ বেরােচ্ছিল দোকানগুলাে থেকে। বঁড়শি তিরিশ রকমের। তাদের খদ্দেরও হরেক কিসিমের। সেই সঙ্গে সুতাে হুইল লাগানাে বাহারি সব ছিপ। মুকুন্দর নিজেকে বড়াে দীন-হীন লাগল। সে তাে কেঁচো দিয়ে মাছ গেঁথেছে দেশে। নয়তাে স্রেফ কেঁচোর টোপ গেঁথে মাছ তুলেছে। কিন্তু এ যে অন্য জগৎ। এমনকি এক দোকানে একটা পাঁচ-ছ কেজির রুই মাছের ফটো টাঙানাে রয়েছে। প্রমাণ সাইজের। একদম জ্যান্ত। যেন তাকেই দেখছে।

    এক দোকানি বলল, শুধু শুধু দামি ছিপটা বেচবেন কেন? টিকিট রয়েছে যখন—কালকের জন্যে চার নিয়ে যান। বানিয়ে দিচ্ছি এমন জিনিস-গন্ধে গন্ধে মাছ মানুষ সবাই ফিরে তাকাবে দেখবেন।

    রীতিমতাে অনিচ্ছায় গাদাগুচ্ছের চার কিনে গােলায় ফিরল মুকুন্দ। তখন গােলার ভেতরটা লােডশেডিংয়ে অন্ধকার। তােলা উনুনে ভুগ ভুগ করে ভাত ফুটছে।

    পরদিন সকালে রীতিমতাে আনাড়ির কায়দায় সবার আগে লালদিঘির ঘাসে ঢাকা ঘাটে গিয়ে বসল মুকুন্দ। না আছে চৌকি-না আছে হাত দা কিংবা কোন নাকাল। সামনে টেলিফোন ভবন। পেছনে রাইটার্স। ডানপাশে জি পি ও। মাথার ওপর ভাদ্র মাসের মেঘলা আকাশ। দশ বারাে হাত অন্তর আরও সব নেশাডু মাছমারা এসে একে একে বসল। আজ আর অফিস যাওয়া হবে

    মুকুন্দর। ভেতরে একটা খুঁতুথুতুনি থেকেই গেল তার।

    ভাগ্যিস গােলার ফাইফরমাশ খাটা ছেলে নবকে সঙ্গে এনেছিল মুকুন্দ। নবই দাঁতে কেটে ফাতনার ঝুল হেঁটে দিল। চার মাখল গােল্লা গােল্লা করে। তামাকের বস্তা এনেছিল কয়েকটা। তারই একটা ভাঁজ করে বসতে দিল মুকুন্দকে। পাশে মেলে ধরল মুড়ির ঠোঙা। উল্টোদিকে টেলিফোন বাড়ির ঘাটলায় জলের ফোয়ারায় আলাদা একটা ছবি হয়ে আছে। পুকুরের চারদিক দিয়ে বাস মিনিবাসের চক্কর চলছে তাে চলছেই। তারপর মানুষ। ট্রাম। মােটরগাড়ি। কত কী।

    জলের দিকে তাকাল মুকুন্দ। বেশ ভারী। কালাে আর গম্ভীর। হাত তিনেক ডুব দিলেই ঝঝি শ্যাওলার মাথা হাতে পাবে মনে হল মুকুন্দর। দিঘির কানাত ঘেঁষে টোকা পানার ছাট।

    ফাতনা ডুবতেই টান দিল মুকুন্দ। ভাগ্যিস হুইলের গাঁট খােলা ছিল। ঝাকুনি দিয়ে গলগল করে সুতাে টানতেই লাগল মাছটা। উঠে দাঁড়াল মুকুন্দ। অন্তত

    পাঁচ ছ-কেজির পাকা মাছ হবে। সুতাে কেটে বেরিয়েও যেতে পারে।

    দিঘির চারদিকে থেকে সবাই তার বেঁকে যাওয়া ছিপের মুখে তাকিয়ে। নব তাে লাফাচ্ছে।

    ধমকে উঠল মুকুন্দ। একটা বস্তার মুখ খুলে নাকাল বানা তাে—নাকাল ? তাও জানে না। শুধু লাফালেই চলবে?—এবার সুতােয় একটু টান রেখে অদেখা মাছটাকে দিঘির বুকে শুয়ে শুয়ে জিরােতে দিল মুকুন্দ। তারপর নবকে বলল বস্তার খােলা মুখে নারকেল দড়ির জালি বানিয়ে দুধারে করে বাঁধে। তারপর মাছটাকে তুলে ওর ভেতর ভরে জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে না ! কতক্ষণ বসতে হয় তার ঠিক কী।

    প্রায় ঘণ্টাখানেক কসরতের পর মাছটাকে তুলল মুকুন্দ। শ্যাওলা পড়া আট ন-কেজির এক কাতলা। গাঁথা বঁড়শির কষে মুখে খানিকটা মাটি। গোঁত্তা খেয়ে মাছটা যে দিঘির বুকে গিয়ে যন্ত্রণায় মুখ ঘষেছে—তাতে আর কোনাে সন্দেহ থাকল না মুকুন্দর।

    এখন ঘাট ভেঙে পড়েছে মানুষে। ভবঘুরে, ফিরিঅলা, দাঁড়ানাে গাড়ির ড্রাইভার, পানউলি—কে নয়? এমনকি সাহেবসুবাে প্যাটার্নের কিছু ভদ্দরলােকও তাকে আর মাছটাকে খুব সন্ত্রমভরে দেখছে।

    মুকুন্দ অন্যরকম হয়ে গেল সঙ্গে সঙ্গে। যেন কতকাল ধরে সে দুনিয়ার ঘাটে ঘাটে স্রেফ রাঘববােয়ালই ধরে আসছে। এ মাছটা তাে সে আন্দাজে নেহাতই পুঁটি। হাতের আঙুলে ফাঁদ বানিয়ে নারকেল দড়ির জালি ফেঁদে নব বস্তার মুখে তা ভালাে করে বসিয়েছে। এবারে তার ভেতরে দুজনে ঠেলে ঠুলে মাছটাকে ভরল। ভরা কি যায়। যেন জ্যান্ত এক খােকা! হাজার হােক সরকারি লালদিঘিতে চরে বেড়ানাে মাছ। বাস মিনিবাসের ঘর্ঘর শুনে বেড়ে উঠেছে। একেবারে বাবুর বাড়ির ছেলে। বস্তা সুদ্ধ জলে ডুবিয়ে দিয়ে বস্তার মুখ শক্ত দড়িতে বেঁধে একটা মুখ ঘাটের গায়ে পড়ে থাকা এক লােহার চাকায় কষে বেঁধে দিল নব।

    ফিরে বলল, মেসাে আর তাে বস্তা অনিনি—

    বেশ করেছ। এবার চার মাখাে। মেথিটা বেশি দিস—

    ছিপের মাথা ঝাকিয়ে বেশ দূরে ফাতনা ভাসাল মুকুন্দ এবার। ভাসিয়ে দিয়ে চিন্তা হল—আবার যদি এমন মাছ পড়ে তাে রাখবে কোথায়? নাকাল

    বানাবার আর তাে বস্তা নেই। মাছ ধরার সরঞ্জাম আর তাে কিছুই নেই। বড়ােজোর আর একটা মাছ ওই মাছটার সঙ্গে বস্তায় ভরা চলতে পারে।

    ভাবতে না ভাবতেই আবার ফাতনা ডুবল। যা ভেবেছে। এবারাে তেমনি টান সুতােয়। তবে আগেরবারের মতাে অত সময় নিল না এবারের মাছটা। পােয়া ঘণ্টার ভেতর মুকুন্দ সমান সাইজের একটা পাকা মৃগেলকে ঝটাপটির ভেতর এক ঝটকায় একদম ঘাসের ওপরে তুলে দিল।

    সঙ্গে সঙ্গে ঝুঁকে পড়া মানুষের ভিড়টা ভেঙে গিয়ে ফের গােল্লা পাকিয়ে ঝটাপটি যাওয়া মাছটাকে ঘিরে ধরল।

    সবুজ ঘাসে মৃগেলটার মুখ থেকে লাল রক্ত ঝরে পড়ে মেখে যাচ্ছিল। মাছের চোখে ভাঙা ঘাসের মাথা, মাটি। মতলব করেই মাছটাকে পাড়ে তুলেছে মুকুন্দ। আর তাে ডুবিয়ে রাখার জায়গা নেই। ডাঙায় ঝাপাঝাপি করে মারা গেলে তবে মৃগেলটাকে ঘাসের সিড়িতে শুইয়ে রাখবে ভেবেছে।

    কড়কড়ে রােদ উঠল। ঘেমে জামা খুলে ফেলল মুকুন্দ। খালি গা। হাতে ছিপ। পরনে একটা প্যান্ট। তাকে ঘিরে অন্তত শখানেক মানুষ। এমনকি রাইটার্স বিল্ডিংয়ের দোতলায় রেলিং ধরে মানুষ দাঁড়িয়ে গেছে। তাকে দেখবে বলে।

    মুকুন্দ সারা ভিড়টাকে চমকে দিয়ে নবকে এক দাবড়ি দিল। চার মাখবে কে? মৃগেল নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে!

    সে দাবড়িতে সবাই তটস্থ হয়ে গেল। কারাে দিকে না তাকিয়ে মুকুন্দ ছােটো খােকা কোলে নেবার কায়দায় মৃগেলটাকে দুহাতে বুকের সঙ্গে চেপে ধরে বুঝল, আর দাপাবে না—মরে এসেছে—

    এখন যদি এই ভিড়ে তার অফিসের কেউ থাকত তাে কী ভালােই হত। দেখে যেত কেশেডাঙার মুকুন্দ রানা একজন কেউকেটা লােক। ছিপ ফেলছে—আর মাছ তুলছে। মাছ বলে মাছ। সব ক্লাস ওয়ান টুয়ের বাচ্চা। ঠিকের বাস বােঝাই দিয়ে যেমন কিনা গুড়ােগাড়া স্কুলে যায় সকালে।

    বেলা বারােটা বাজতে না বাজতে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেল ঝমঝম করে। মৃগেলটা এখন নিথর ঠান্ডা। ডুবিয়ে রাখা বস্তাসুদ্ধ কাতলাটা দাপিয়ে উঠছে মাঝে মাঝে। এখন মুকুন্দকে ঘিরে হৈ হৈ হচ্ছে। জমাট ভিড়ে কথা একটাই। না জানি কী মাছ ওঠে এবারে—ভাজা মেথির সঙ্গে পাউরুটি, কচি বােলতা, থকথকে পিপড়ের ডিম সব এক করে মেখে গােল্লা পাকাচ্ছে মুকুন্দ নিজেই। খােলা গায়ে জায়গায় জায়গায় ঘামের ফোঁটা। বিড়ি আনতে গেল নব এইমাত্র—

    এরপরেই যা শুরু হয়ে গেল তাকে কী বলবে মুকুন্দ। একেবারে কেলেঙ্কারি। স্রেফ কেলেঙ্কারি। ছিপ ফেলে আর ফাতনা ডােবে। সুতােয় ঢিলে। খানিকক্ষণ খেলানাে। তারপর টান রেখে রেখে ছাড়া। শেষে নব জলে ঝাপিয়ে পড়ে কোলে তুলে নিয়ে ঘাটে উঠে আসে। পাছে সুতাে ছিড়ে পালায়।

    বেলা চারটে নাগাদ পুলিশ এসে ঘাটে দাঁড়াল। দুজন পুলিশ মিলেও ভিড় সামলাতে পারছে না। হাতের রুল চালিয়ে ভিড়ের কেঁপে ওঠা জায়গাগুলাে ঠেসে চেপে দিতে লাগল পুলিশ।

    বিড়ি ধরাবার জন্যে একবার মুকুনদ পেছন ফিরে দলা পাকিয়ে রাখা শার্টের পকেট হাতড়াতে গিয়ে ওপর দিকে চাইল। রাইটার্স বাড়ির দোতলায় রেলিং ধরে মানুষের গাদি। নিজের অফিসে যেসব ভদ্দরলােককে সে মনে মনে বড়বাবু কিংবা সাহেব বলে—তারাই কাতার দিয়ে রেলিং ধরে দাঁড়ানাে। তখন ঘাটের সিঁড়িতেও মাছের গাদি। একটার গায়ে আরেকটা! রুই, কাতল, মৃগেল। সব ছ, সাত, আট কেজি সাইজের।

    ইস্, আজ যদি অফিসের সঙ্গীসাথীরা—বাবুরা তাকে এ অবস্থায় দেখতে পেত। তাহলে?

    জি পি ও-র মাথায় একখানা চ্যাপটা মেঘ। কোথায় যে বৃষ্টি ঝরাবে বুঝতে পারল না মুকুন্দ। সূর্যের আলাে গঙ্গার দিকটায় আর সাদা নেই। রীতিমতাে রঙিন। লম্বা দিন। সন্ধে হতে অনেক দেরি। দাবড়ে উঠল মুকুন্দ। চার কোথায় ? মাখিসনি ?

    নব এক গাল হেসে তাকাল। সেও যে এই বিজয় উৎসবের একজন ছােটোখাটো বরকন্দাজ। আর কোথায় ?

    মানে? ফুইরে গেল যে মেসাে ! | ফুরিয়ে গেছে? আর নেই?

    নাঃ!

    ঘাটে বসে পড়ল মুকুন্দ। আধখানা চাঁদ হয়ে তাকে ঘেরা উপছে পড়া ভিড় থেকে আফশােসের হা হুতাশ উঠল।

    ইস্ এখনাে ঘণ্টা দুই ছিপ ফেলা যায়।

    কেউ বলল, এই ছেলেটাই যত্ত নষ্টের গােড়া। বেশি বেশি করে চার ছড়িয়েছে এতক্ষণ।

    মুকুন্দ পরিষ্কার শুনল, একজন লােক তার পাশের সবাইকে শুনিয়ে বলছ—উনি তাে কম্পিটিশনে মাছ ধরেন। ইন্ডিয়ার হয়ে যত কান্ট্রিতে গেছেন—কাগজে ছবিও থাকে বাকি কথাগুলাের সব শুনেও বুঝতে পারল না মুকুন্দ। চোখ তুলে তাকাল লােকটার দিকে। অল্পবয়সি। রােগভােগা তার অফিসে ক্যাশের ভাউচার বাবুর মতাে দেখতে অনেকটা। মুকুন্দর চোখের দিকে তাকিয়ে লােকটা চোখ নামিয়ে নিল। সম্রমে। সােজাসুজি তার চোখে তাকিয়ে থাকতে পারল না।

    সঙ্গে সঙ্গে খুব রুক্ষ গলায় হাঁক দিল মুকুন্দ। এই নবা নবও চমকে উঠল। মুকুন্দ মেসাে তাে তাকে কোনােদিন এই গলায় ডাকে । নবর মুখ শুকিয়ে গেল। সে হাঁটুজলে দাঁড়িয়ে বস্তায় ডােবানাে কাতলাটার আন্দাজ নিচ্ছিল। বকের মতাে টক করে উঠে এসে সিঁড়িতে দাঁড়াতেই মুকুন্দ বলল, কেঁচো তােল—

    কেঁচো? হা, কেঁচো। কেঁচো গেঁথেই মাছ লাগাব— ভিড়ের ভেতর থেকে একটা চাপা ধন্য ধন্য রব উঠল! রবের ভাষাটা অবিশ্যি অন্যরকম। এই যেমন

    কত বড়াে মাছমারা দেখেছ। শেষে হুইল ছিপে কেঁচো গেঁথেই— বড়াে প্লেয়ার তাে। ওদের বসিয়ে দিলেই হল। এ দিঘি ওদের কাছে চৌবাচ্চা। একটা লাঠি। কিছু কেঁচো। আর একটা আলপিন বাঁকিয়ে দিলেই হল। নব বলল, দা শাবল—কিছুই যে আনিনি মেসাে— হাত দিয়ে তােল বাবা। জলের গা ঘেঁষে-মাটি তাে নরম এখন।

    এমনই কপাল—কেঁচোতেও কে জি দেড়েকের একটা রুই উঠে এল। সবে লাল হয়ে উঠতে শুরু করেছিল। ততক্ষণে দুজন পুলিশের পক্ষে ভিড় সামলে রাখা আর সম্ভব হচ্ছিল না।

    সদ্য সদ্য অক্কা পাওয়া বাড়ি বাড়ি মাছগুলাের মাঝখানে পড়ে দেড় কেজির রুইটা সামান্য ঝটপট করেই ঠান্ডা মেরে গেল।

    তখন মাছমারাদের প্রায় সবাই মুকুন্দর ঘাটে এসে ঝুঁকে দাঁড়াল। বড়াে ডাকঘরের গােল টাকে গঙ্গার ওপার থেকে সূর্য আলাে ফেলছে। মুকুন্দ হুইলে ঢিলে দিয়ে এক্ষুনি কেঁচোর টোপ সমতে বঁড়শিটা যতদূরে পারে ফেলবে। লালবাড়িতে তাে মুখ্যমন্ত্রী বসেন। এইটুকু পথ মাত্র। নেমে এসে একবার যদি বলতেন—একী করেছ মুকুন্দ!

    বলার মতাে একজন সাক্ষী থাকত তাহলে। এইসব ভাবতে ভাবতে তন্ময় মুকুন্দর কানের কাছে কে যেন খুব চাপা গলায় কী বলে উঠল।

    মুকুন্দ চমকে উঠল। সে ভাবতেই পারেনি—লালবাড়ি থেকে সত্যি সত্যিই মুখ্যমন্ত্রী নেমে আসবেন। হাত থেকে ছিপখানা খসে পড়ে যাচ্ছিল। মুখখানা যতটা বিনীত করা যায়—তাই করে কোনােরকমে পেছনে ফিরে তাকাল মুকুন্দ।

    কোথায় !

    কাঁচা পাকা দাড়ি ভর্তি একটা লােক। মুখ ভর্তি হাসি। এত মাছ নিয়ে ফিরবে কী করে ভাই। অফিসটাইম। এখন তাে গাড়ি পাবে না—

    ঠিক তাে। এটা তাে ভাবা হয়নি। মুখে বলল, তাহলে খানিকবাদে অন্ধকার হয়ে যাবে ভাই—

    শুনতে শুনতে মুকুন্দ ভাবল, একথা বলতেও লােকটা হাসে কেন? এমনকি চোখ অব্দি হাসছে।

    কোনাে গাড়িও তাে কাছাকাছি দাঁড়াতে দেবে না পুলিশ। অফিস ছুটির পর এদিকটায় ট্যাক্সিও কমে আসে।

    নব সব শুনছিল। সে ফস করে বলল, আমি আর মেসাে মাথায় করে নে যাব।

    লােকটা বলল, পারলে ভালাে!—বলেই পিঠ ফিরে চলে যাচ্ছিল। মুকুন্দ নবকে ধমকাল। একই সঙ্গে লােকটাকে বলল, তাহলে?

    এবারে সেই লােকটা আবার ফিরে তাকাল। মুকুন্দ ভিড়ের গায়ে যতটুকু একবারে দেখল—তা হল—গায়ে খাকি হাফসার্ট—নীচে পাজামা-পায়ে নাগরা—কঁাধে ঝাড়ন মতাে।

    তাড়াতাড়ি মাছ তােলাে দুজনে। আমার ট্যাক্সি মিনিবাসগুলাের ঠিক উল্টোদিকে—-বলেই পাজামার দড়ি বাঁধতে বাঁধতে লােকটা চলতে শুরু করে দিল।।

    মুকুন্দ হুইলে সুতাে গােটাতে গােটাতে জানতে চাইল, হারে নবা—টাকা আছে তাের কাছে?

    গােলায় গিয়ে চেয়ে দিয়াে ড্রাইভারসাহেবকে— যদি কেউ দেবার না থাকে। ছােটো রুইটাই দিয়ে দিয়াে মেসাে। ড্রাইভারসাহেব নাচতে নাচতে নে যাবে।

    মুকুন্দ দেখল ছেলেটার হাসির ভেতরেও সূর্যের লালচে আলাের কুচি ঢুকে পড়ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }