Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তর কুরুক্ষেত্র

    কে? অমল মামা? মাকে দিচ্ছি—

    হ্যালাে? কে অমল ? হুঁ। তুমি যেদিন পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে— না তাে।

    আমি সেদিন ফোন করেছিলাম। তােমাদের বাড়ি থেকে বলল, তুমি পড়ে গিয়ে অজ্ঞান হয়ে গেছ—

    তাে। আসলে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে যাই অমল— ওই হল। খবরটা পেয়েও আমি তােমাকে দেখতে যেতে পারিনি নীতা। আসলে আমি তখন বাড়ি বদলাচ্ছিলাম। তাই যেতে পারিনি।

    এসে কী-ই বা করতে! আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ে গিয়েও বেশিদিন শুয়ে থাকতে পারিনি। উঠে দাঁড়াতে হয়েছে। মা খুব ভুগছেন। ভারী শরীর। বেডসাের হয়ে গিয়েছিল। একটা একটা করে সারিয়ে তুলেছি। একটা সারাই তাে আরেকটা হয় অমল। মায়ের আসলে আর বাঁচার ইচ্ছে নেই। উঠে বসতেই চান না একদম। সেই রুগীকে ভালাে করে ফেলেছি। একদম সহ্যশক্তি নেই। একটু লাগলেই ভীষণ চেঁচিয়ে ওঠেন। বাড়ি থেকে বলছ?

    নতুন নম্বর বল।
    ৭২…।
    কত বাড়িই পাল্টালে! কত ফোন নম্বর বদলাল।

    এ বাড়িও শিগগিরি বদলাব। কেন?

    ভালাে লাগছে না নীতা। ভালাে কথা—তােমার তাে এ-বছর পঞ্চাশ হল। বলেছিলে—পঞ্চাশ হলেই আমাকে বিয়ে করবে।

    শােন অমল—আমার ছেলেমেয়েদের বাবা এসেছিল।

    তাই নাকি? এখন কোথায় অবনীশবাবু?

    ভি আই পি লােক। ছােটো মেয়েকে নিয়ে গেল সঙ্গে। নিজের মায়ের কাছে যাবে—দিলে ?

    ওমা! তারও তাে মেয়ে। ছেলে গেল না। শংকরই তাে তােমার ফোন ধরল।

    শংকর একটা কাজ পেয়েছে। রিপাের্টারের চাকরি। জয়েন করবে তাই থেকে গেল। কাজটা আমি ভালাে মনে করি না।।

    জার্নালিস্ট তাে। আমারও তাে ভালাে লাগে না। কিছু না জেনে পেকে যাবে।

    অবনীশকে থাকতে বলতে পারতে।

    আমার কাছে? তা কী করে সম্ভব? সে তাে আর আমার স্বামী নয়-অন্য একজন ভদ্রলােক। তারপর সে এসেছে বিলেত থেকে। সঙ্গে তার স্বর্গ স্ত্রীর দুই ছেলেমেয়ে—

    সেইসঙ্গে তােমার মেয়ে—

    ওরও মেয়ে। তা ছাড়া এখন যে মহিলার সঙ্গে থাকে তারও দুটি বাচ্চা-—মােট পাঁচটি নাতি-নাতনি দেখাতে নিয়ে গেল নিজের মায়ের কাছে। শুধু শংকর থেকে গেল এখানে।

    মহিলার সঙ্গে থাকে? মানে? লিভিং টুগেদার। মাকে অবশ্য বলবে বিয়ে করেছে। বুঝি না ঠিক নীতা।

    কেন? ক্যানসার হয়ে ডােরা যখন মর মর—তখনই তাে অবনীশ ডােরাকে কাগজের বিয়ে করল। নয়তাে তার সঙ্গেও তাে প্রেম, একসঙ্গে থাকত অবনীশ।

    বড়াে জিনিয়াস তাে অবনীশবাবু!

    তা অস্বীকার করা যাবে না অমল। এ-বছরও তিনটে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে কনভােকেশন অ্যাড্রেস করেছেন অবনীশ। ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ডেকেছিল। যায়নি। অক্সফোর্ড ছেড়ে ও কোথাও যাবে না।

    সে তাে তুমিও অনেক জায়গায় যাও না নীতা— এবার কিন্তু যাচ্ছি। কোথায় ?

    মনট্রিয়ল। চার মাসের জন্য ভিজিটিং প্রফেসর ?

    তাহলে আমাদের বিয়ে হবে না।

    শান্তির মতন অমন স্ত্রী থাকতে ফের বিয়ের কথা মুখে-শান্তি যে বড়াে ভালাে। তােমার সঙ্গে আমার বিয়ে হলে শান্তি খুব আঘাত পাবে। শান্তি কোথায় এখন ?

    বাড়ি নেই। ছােটো মেয়ের বাড়ি গেছে। নাতনিটি খুব ভুগছে।

    তুমি বাড়িতে একা ? হ্যা। আর কে থাকবে। খালি বাড়িতে বসে বসে যত বদবুদ্ধি মাথায় আসছে তােমার। আমার বাড়ি তাে খালি হবেই নীতা।

    তােমার মতাে তাে আমার ছেলে নেই যে ছেলের বউ আসবে একদিন। আমার মেয়েরা বিয়ে হয়ে যে যার শ্বশুরবাড়ি।

    ছেলে হয়নি কেন অমল ?

    কী একটা অ্যাসিড নাকি আমার শরীরে নেই– কী ! শান্তি বলছিল আমার শরীরে নাকি কোন একটা অ্যাসিড নেই। আমার পরের দু-ভাইয়েরও কোনও ছেলে নেই।

    হাে-হাে-হাে-হাসালে অমল। মন দিয়ে লেখাে। এখনই তাে তােমার হাত দিয়ে আসল লেখা বেরােবার কথা। তােমার এই বয়সে লেখকরা বড়াে লেখা লেখেন।

    বত্রিশ বছর আগে এম.এ ক্লাসে এই একই কথা বলেছিলে নীতা।। বলেছিলাম? তা ক্লাসফ্রেন্ডকে বলতেই পারি। তুমি তাে চিরকালই লেখক। আমাদের স্টুডেন্ডরা তােমার লেখার কথা বলে।

    মনীষ বলে ? কোন মনীষ?

    আহা! যেন গাছ থেকে পড়লে! মনীষ আমাদের ক্লাসফ্রেন্ড। এখন য়ুনিভার্সিটিতে তােমার কলিগ নীতা।

    না। মনীষ সেই ল্যাটিন আমেরিকার সাহিত্য নিয়ে প্রবন্ধ লিখে যাচ্ছে। তাও যদি সাউথ আমেরিকার কোনাে ভাষা জানত! স্রেফ অনুবাদ পড়েই এত কাণ্ড!

    আসলে মনীষ আমাদের অবহেলা করতে চায়। তাই এত সাউথ আমেরিকা। আসলে মনীষ একটি বৃহৎ ভান। একসঙ্গে পড়বার সময় ও কিন্তু এমন ছিল না নীতা। তুমিও তখন এমন ছিলে না অমল। কেমন হয়েছি? এখন তাে কথার খই ফোটাও। তখন তােমার মুখ ফুটত না।

    অনেক কথা মনে আসত। বলতে পারিনি। তুমি আনকোরা গ্র্যাজুয়েট—পি জি-তে ভর্তি হয়েছ। আমি কয়েক বছর ধরে নানান ঘাটের জল খেয়ে ফের পড়তে ঢুকেছি। আমি তাে কিছুটা চুপচাপ থাকবই।

    তখনই তােমার লেখা ছাপা হচ্ছে এদিক ওদিক।

    বছরের গােড়ায় তােমায় হাসিখুশি দেখি। পরে তুমি কেমন আস্তে আস্তে চুপচাপ হয়ে গেলে। কোরা খােল সবুজ পাড়ের একটা শাড়ি পরে আসতে। আমরা বাসে একসঙ্গে য়ুনিভার্সিটি থেকে ফিরেছি। লম্বা রাস্তা। একটাও কথা হয়নি। তখনই আমি জানি কী জানতে?

    তুমি কাউকে ভালােবাসতে। সে আর বাসে না তােমায়। তােমার চোখ বলে দিত একথা।

    সুভাষ আমায় ঠকিয়েছিল।

    অবিশ্যি সে অবস্থা তােমার কেটে গেল। প্রফেসর হিসেবে তরুণ কিরণ বলতে তখন অবনীশবাবু। সবে এসেছেন। তুমি পাশ করতেই তােমাদের বিয়ে হয়ে গেল।

    তাই আর তােমার কথাটা বলতে পারলে না! সময় দিলে ? পি এইচ ডি করতে করতেই তাে ছাঁদনাতলায় চলে গেলে। ছাঁদনাতলা থেকে দুজনেই বিদেশে পাড়ি দিলে। পাক্কা দশ বছর পর কলকাতায় ফিরে এলে দুজনে। তখন অবনীশবাবু ডিভাের্স চাইছেন—

    আর তুমি আমাকে দেখতে এসে আমার মাথায় হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছ। আমি কাঁদছি বসে বসে—

    নীতা তুমি আসলে খ্যাতির পেছনে ছুটতে ভালােবাস।

    মােটেই না। অবনীশ নিজেই প্রােপােজ করেছিল। আমরা তাে অবাক। অমন কৃতী মানুষ—অথচ আমাকে দেখে

    তুমিই বা কম কীসের নীতা? পি জি ক্লাসে পড়ার সময় তােমার একবার খুব জ্বর হয়। বর্ষাকাল। তােমার মাথায় জলপটি দেওয়া চলছে। তােমার প্রেসিডেন্সির বি এ ক্লাসের বান্ধবীরা দেখতে এসেছে তােমায়। আমিও গিয়েছিলাম।

    এতদিন পরে তােমার মনে আছে ? তােমাদের দোতলার বসার ঘরের পাশের ছােটো ঘরখানায় ছােট্ট খাটে শুয়ে আছ।

    সেই ছােট্ট খাটে বসেই তােমার সঙ্গে এখন কথা বলছি। এ খাটেই আমি শুই। বেশি রাত অব্দি পড়ে এ ঘরে চলে আসি। হাঁপানিতে যখন কষ্ট পাই—তখন এই খাটই আমার শয্যা। এই খাটে শুয়ে আমার ছােটোমামা বিয়ের পর পরই সুইসাইড করেন।

    অমন অলুক্ষণে খাট রাখা কেন?

    আমার কোনটা সুলক্ষণে! বলতে পার? বছরে তিন মাস শুয়ে থাকি হাঁপানিতে।

    বাকি কমাসের অনেকটাই থাকো বিদেশে। ভিজিটিং প্রফেসর হও নানান বিশ্ববিদ্যালয়ে। উড়ে উড়ে যাও বিদেশে—সেদেশে অবনীশবাবুর সঙ্গে দেখা হয় না?

    হয়। আগে খুব হত। অসময় নেমন্তন্ন করে খাওয়াল একবার বড়াে এক রেস্তোরাঁয়। মেনু দেখে আমার চক্ষুস্থির।

    কেন? কেন?

    হাঁপানি যা খেলে বাড়ে—সেই সব খাবার অর্ডার দিয়ে বসে আছে অবনীশ। যেমন চিংড়ি মাছ—

    ও জানত না? খুব জানত। চিংড়িতে আমার অ্যালার্জি। ভুলে যেয়াে না-টানা দশ বছর আমরা স্বামী-স্ত্রী ছিলাম।

    ও কি তুমি হাঁপাচ্ছ কেন? কিছু না। দাঁড়াও। আমি যাচ্ছি—

    না। এখন এসাে না।

    বুঝেছি তােমার টান উঠেছে। আমি আসছি—

    দক্ষিণ কলকাতার একটা সাধারণ পাড়া থেকে বেরিয়ে অমল এক মাঝবয়সি বড়াে রাস্তায় পড়ল। গত বিশ বছরে তার শরীরের নানান জায়গায় যেসব চর্বি জমেছে—তাতে ঝাকুনি দিয়ে সে হেঁটে গিয়ে একটা ট্যাক্সি ধরল।

    বেল টিপতেই শংকর দরজা খুলে দিল। বাইশ-তেইশ বছরের সুশ্রী যুবক। অমলকে দেখে বলল, এই না ফোনে কথা বলছিলে—

    হুঁ। তােমার মা মনে হল অসুস্থ—

    ক-দিনই তাে শুয়ে। এখন একটু ঘুমিয়েছে মনে হল। শব্দ না করে ওপরে যাও—দিদিমার একটুতেই ঘুম ভেঙে যায়।

    তিনি কোথায় ? তেতলায়—

    সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে অমলের মনে হল—এমন দামি পাড়ায় এত সুন্দর বাড়িতে সুখের ঢােকা নিষেধ আছে। বত্রিশ তেত্রিশ বছর আগেও সে এমনি ভীরু পায়ে এই দোতলায় উঠে এসেছিল। নীতার সঙ্গে। তখন ওর বাবা বেঁচে।

    আর এখন?

    আমরাই মাঝবয়সি। আস্তাকুঁড়ের এঁটো কলাপাতার মতাে বয়স, স্মৃতি কবে গড়াগড়ি গেছে।

    এইসব ভাবতে ভাবতে বড়াে ঘর পেরিয়ে পর্দা সরিয়েই থমকে দাঁড়াল অমল। গত তিরিশ বছরে সে তেতাল্লিশখানা উপন্যাস, আশিটি গল্প লিখেছে। এসবের চেয়েও কঠিন অবস্থার সামনে সে এখন।

    কাশতে কাশতে একটা সাত পুরনাে লােহার খাট থেকে বাঁ-হাত নীচে ঝুলিয়ে দিয়ে নীতা আন্দাজে পিকদানিটা খুঁজছে।

    নিঃশব্দে পিকদানিটা তুলে অমল এগিয়ে ধরল। পিকদানি থেকে মুখ তুলে নীতা জানতে চাইল, কে? শংকর ? না। আমি—তুমি? তুমি কেন? রেখে দাও বলছি–আঃ কখন এলে? আমি এগিয়ে দিলে দোষের কী? আঃ। রাখাে। এখন এলে কেন? এখন আমি অসুস্থ। ভীষণ কষ্ট পাচ্ছি। এখনই তাে আমার আসা উচিত। এই ধরেছি। নাও ফ্যালাে।

    গলা বুক যতটা সম্ভব পরিষ্কার করে নীতা বলল, এই সময়েই কাজের লােক সবাই হাওয়া হয়ে যায়। আর থাকবেই বা কেন? মা জ্বরের ঝেকে ওদের বকে। আমিও বােধহয় চুপ করে থাকি না—

    তােমার গা তাে পুড়ে যাচ্ছে নীতা ? এখন কিছু কম। ওষুধের ওই বাক্সটা এগিয়ে দেবে—

    ওষুধ এগিয়ে দিয়ে দুহাতে নীতাকে ধরল অমল। নয়তাে ঝুঁকে পড়ে যেতে পারত।

    শান্ত গলায় নীতা বলল, ছাড়। এত ঘনিষ্ঠ হতে কে বলেছে তােমায় ? তুমি পড়ে যেতে পারতে সরাে। আমার ছেলে বড়াে হয়েছে। সে দেখলে কি ভাববে? কিছুই ভাববে না। আমাকে শংকর ছােটোবেলা থেকে দেখছে।

    ভাবতেও পারে। শংকর এখন একজন যুবক।

    শংকর যুবক বলেই তাে আমাকে বুঝবে নীতা। যৌবনেই ভালােবাসা ভালাে বােঝা যায়।

    কিন্তু আমি তাে তােমাকে ভালােবাসি না।

    তাতে কী। আমি তাে বাসি।। তুমি তাে শান্তিকেও ভালােবাস। নিশ্চয় বাসি নীতা।

    আমি আর কথা বলতে পারছি না।

    বলতে হবে না। শুয়ে পড়। এত বড়াে বাড়িতে এই ভাঙাচোরা লােহার খাটটায় শােও কেন?

    স্টুডেন্ট লাইফ থেকে এই ঘুপচি ঘরটাই আমার পছন্দ। এখানে বই। এখানে টেলিফোন। এ ঘরে শুয়ে শুয়ে নীচের রাস্তা দেখা যায় অমল।

    এখানে শুয়ে তুমি ১৯৫৬ দেখতে পাও? ডবল ডেকারের জানলায় রাস্তার গা থেকে কৃষ্ণচূড়া আছড়ে পড়ছে?

    অল্প বয়সে সব জিনিসই কত সুন্দর লাগে অমল। বেশি বয়স জিনিসটাই এত খারাপ। আগে রােজ সন্ধ্যায় মনে হত কত আলাে। কত লােক আসত। এমন যেন আলাে কমে গেছে। কে আর আসে!

    কথা বােলাে না। তােমার কষ্ট হচ্ছে।

    শুয়ে আছি সাতদিনের ওপর। শক্ত কিছু খাই না তিনদিন। চান করি না কতদিন। একটু কথাও বলতে পারব না? তাহলে থাকল কী আমার?

    সবই তােমার আছে নীতা। এখনাে তুমি সুন্দরী। বিদুষী তাে বটেই। টাকা পয়সা নিয়ে কোনােদিনই তােমায় ভাবতে হবে না।

    কিন্তু আমার জীবন অমল? একটা জীবনের কতখানি গড়িয়ে পড়ে গেছে।

    কিছুই যায়নি। তুমি চিন্তা করছ—তােমার অহংকার নিয়ে। আর তা তােমায় কুরে কুরে খাচ্ছে। তুমি ভাবছ—-আমায় ছেড়ে চলে গেল। আমার তাহলে কী নেই?

    চোদ্দো বছর হয়ে গেল—অবনীশকে ডিভাের্স দিয়েছি। এখন আর ওসব মাথায় আসে না।

    খুব আসে। ওই একটি চিন্তাই তােমার ভ্যানিটিকে খোঁচায়। তাই তুমি এত বড়াে পৃথিবীর বাকিটা দেখতে পাও না। এখনাে তােমার গবা-অবনীশ ক-টা মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ে কনভােকেশন অ্যাড্রেস করেছে! খ্যাতি, গৌরব তােমার কাছে ধ্রুবতারা। এদের জায়গা হয়ে গেলে তবে তুমি ভালােবাসাকে বসতে দিতে পার। নয়তাে নয়।

    আমায় পুড়িয়ে কথা না বললে তােমার সুখ হয় না অমল। নাও কাত হয়ে শােও। ভিজিটিং প্রফেসারি করতে বছর বছর দেশে দেশে এত ঘােরাে কেন নীতা ?

    বাঃ। এটা একটা সম্মান

    এমন সম্মান তাে বহুবার পেয়েছ তুমি। ঠান্ডা লাগার ধাত। এই শরীরে ঠান্ডার দেশে ঘােরাঘুরি কি ঠিক? আর

    আর কী অমল ? টাকার তাে তােমার অভাব নেই। আর কী দরকার টাকায়! নাই বা পড়াতে যেতে বিদেশে। এত কী দরকার টাকার

    টাকা যে কত দরকারি অমল। মা ভুগছে। আমি প্রায়ই ভুগি। এ পাড়ায় কাজের লােকের মাইনে তুমি জান না।।

    তুমি তাে ভালাে মাইনে পাও। তােমার তাে জমানাে টাকাও আছে। একতলা ভাড়া দিয়ে ভাড়া পাও।

    সে সেই মান্ধাতার আমলের ভাড়া। এ পাড়ায় মােটে আটশাে টাকা।

    কত টাকা লাগতে পারে তােমাদের? অবনীশবাবু ছেলেমেয়েদের জন্যে নিশ্চয় পাঠান।

    তা পাঠায়। ওর আয় তাে ডলারে—পাউন্ডে এটাও তােমার গর্বের পয়েন্ট। হতে পারে। এত সিকিউরিটি, এত শােক ভালাে না নীতা। তবুও তাে তােমায় ভালােবাসি না অমল।

    তাতে কিছু যায়-আসে না। এই গাদাগুচ্ছের ওষুধ—এগুলাে সব খেতে হবে?

    সব অমল। স্টেরয়েড না হলে আজকাল আমি চাঙ্গা হয়ে উঠতে পারি—

    তােমার দরকার বন্ধু। যে তােমায় বলবে—তােমার সব আছে। নিরাপত্তা, টাকা, রূপ, ভালােবাসা—

    ওসব মিথ্যে কথা। রােজ ভাের হলে ভাবি—ওগুলাে আমার নেই কেন? দ্যাখাে তাে অবনীশ কেমন ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমায় ছাড়ল। ডােরা চলে গেল। তবুও ও থেমে নেই। আরেকজনের সঙ্গে দিব্যি থাকছে। সারা দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }