Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাগলাঘণ্টি

    আজ পৃথিবী খালি করে দিয়ে সবাই যেন বেড়াতে চলে গেছে। তাই মনে হচ্ছে এখন গােষ্ঠতলায়। বেশির ভাগ বাড়ির দরজা-জানলা বন্ধ। ভেতরে কেউ আছে কিনা বােঝা যায় না। সামনে দোল! দু-দিন আগে গেছে ঈদ। আসলে আজ ঈদের পরের পয়লা রবিবার। বেলা ন-টা অবধি শীত থাকে এখনও বাতাসে। রাত ন-টার পর সেই শীত আবার ফিরে আসে।

    এখন দুপুরবেলা। গােষ্ঠতলার রূপশ্রী সেলুনের ঝাপ বন্ধ। কৃপাসিন্ধু মেডিকেল হল সেই সন্ধে সন্ধে খুলবে আবার। সবেধন যে পিচরাস্তাটি ধরে সাইকেল ভ্যান, স্কুটার, বাঁশবােঝাই গাে-গাড়ি দেড়মাইল উজিয়ে তবে বাস রাস্তায় উঠেই ডাইনে ট্রামডিপাে নয়তাে বাঁয়ে গড়িয়া পাড়ি জমায়—তারই দুধারে বটতলায় বসা সকালের বাজার কখন উঠে গেছে।

    ভাটিতে একখানি সাইকেল রিকশা এসে বটতলা ডাইনে ফেলে বাঁয়ে দেবনাথ পাড়ায় ঢুকল। পরপর সব গেরস্থ বাড়ি। মাঝারি বয়সের এক ফুলপ্যান্ট রিকশা থেকে নেমেই চারদিক তাকাল। রাস্তার দুপাশে বাড়িগুলাে যেন ঘুমুচ্ছে। পকেট থেকে পয়সা বের করে দিতেই রিকশাওয়ালা অবাক গলায় জানতে চাইল, এ কী দিলেন?

    কেন? ঠিকই তাে দিয়েছি। দেড় টাকা— দেড় টাকা! ঠিক হল ? তাই তাে দিই আমি রােজ।

    কী বলছেন? আরও তিন টাকা দিন। ভাড়া এখন সাড়ে চার টাকা। বাস রাস্তা থেকে গােষ্ঠতলার বটতলা মােড়। যাকে ইচ্ছে হয় জিজ্ঞেস করুন না—

    কাকে জিজ্ঞেস করব। রাস্তায় তাে একজন লােকও নেই।

    আরও তিন টাকা দিল লােকটি। তারপর মসমস করে হেঁটে ডান হাতের পয়লা বাড়িটি ছেড়ে সাদা দোতলা বাড়ির ল্যান্ডিংয়ে উঠে এল। শেষে লােহার গেটের ভেতরে দিয়ে হাত গলিয়ে কলিংবেল টিপল।

    একটু বাচ্চা মতাে কাজের ছেলেই হবে, ঘুম-চোখ ডলতে ডলতে এসে দোর খুলে দাঁড়াল, কাকে চাই? লােকটি তাকে প্রায় ধাক্কা দিয়েই ঘরে ঢুকে পড়ল। ঢুকতে ঢুকতে চেঁচিয়ে উঠল, দুপুরবেলা এ কী ইয়ার্কি? যা এক গ্লাস জল নিয়ে আয় শঙ্কর। কেউ ফোন করেছিল?

    বলতে বলতে লােকটি পাখা খুলে দিয়ে টেবিলের সামনে চেয়ার টেনে ধপ করে বসে পড়ল। তারপর গায়ের বুশ শার্টটা এক ঝটকায় খুলে ফেলে ফের চেঁচিয়ে উঠল সে—কোথায় গেলি? জল পরে দিস। জামাটা আগে হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে দে।

    পাশের ঘরের ভেতর থেকে একজন মহিলার গলা ভেসে এল, কার সঙ্গে কথা বলছিস নিমু?

    ছেলেটি লােকটির হাত বাড়িয়ে ধরা ঘামে-ভেজা বুশ শার্টখানা নিয়ে গলা তুলে বলল, দেখুন তাে মা—কে এসেছেন একজন। ঠিক বুঝতে পারছি না। আবার শঙ্কর শঙ্কর বলে ডাকছেন—

    পাশের ঘরের ভেতর থেকে দুপুরে ঘুমনাে সংসারী গিন্নিবান্নি গলা—ভারী আর বেশ চওড়া, ‘কতবার বলেছিনা দেখে শুনে দরজা খুলবি নে। রাত জেগে পাড়ায় ভিডিও দেখে দেখে দুপুরে আর চোখ খুলতে পারিস নে। ফিরুক আজ ও—ধরে যখন ঠ্যাঙাবে—আমি কিন্তু বাঁচাতে যাব না।’

    পাশের ঘরের দরজার দিকে পিঠ ফিরে বসা লােকটি এই কথাগুলাে শুনতে শুনতে বেশ তারিয়ে তারিয়ে হাসছে। সে হাসিতে কোনও শব্দ নেই।

    নিমু এবার পশ্চিমের বন্ধ কাচের জানলা দিয়ে এসে পড়া রােদে লােকটির খােলা পিঠ, কাধ, কঁচাপাকা মাথা দেখতে পেল। বেশ ভারী চেহারা। প্যান্টের ওপর দিয়ে বড়াে ভুঁড়ি ভেসে উঠছে। সে ভুঁড়ির বাড়তি দুপাশ পেছন থেকে দেখা যায়। এ বাড়ির দাদাবাবুর কোনও দাদা-টাদা হবেন নিশ্চয়। নয়তাে এভাবে নিজের বাড়ির মতাে করে কেউ কি ডান পা-খানা টেবিলের ওপর তুলে দেয়—ঠিক টেলিফোন আর খাতাপত্তরের পাশে? গিন্নিমায়ের কথা শুনতে শুনতে কি বন্ধ জানলার দিকে অমন হাসি হাসি মুখে তাকিয়ে থাকতে পারে? | ঘরে পরার চটি পায়ে গলাতে গলাতে শাড়ির আঁচল—দুহাতে মাথার চুল সিজিলমিছিল করতে করতে দুই ঘরের মাঝের দরজায় এসে দাঁড়িয়েই চমকে উঠল, ওমা! কে? কে আপনি? | লােকটি উঠে দাঁড়িয়ে চেয়ারখানা ঘুরিয়ে নিল মাঝের খােলা দরজার মুখােমুখি। তারপর ধপ করে চেয়ারে বসেই একগাল হেসে বলল, কী হচ্ছে বীথি? হুইস্কি খাই তাে আমি। তাও সন্ধের পর। তুমি তাে কোনওদিন ওসব খাও না। দুপুরবেলাই ভুল বকছ? আমাকে চিনতে পারছ না ?

    বাইরে রােদের তাত। বন্ধ কাচের জানলা দিয়ে যে আলাে এখন ঘরের ভেতর, তাতেও যেন বেশ ভাপানাে গরম। সবার মনে এখনও ফেব্রুয়ারির খাঁটি শীতের স্মৃতি মুছে যায়নি। ইলেকট্রিক ওয়ালক্লকের সেকেন্ডের কাটা অবিরাম ব্যাঙ লাফাচ্ছে। এই ঘরের বাইরেই ঠাঠা দুপুরের শান্ত দেবনাথপাড়ার পানাপুকুর, পাইনবাবুদের ফুটবলমাঠ, ঘরবাড়ি পড়ে আছে। প্লাস্টিকের নেমপ্লেটটা সদর দরজায় লটকানাে বলে অলকার চোখে পড়ল—

    অলকা মিত্র সরকারি শিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ।

    থতমত খেয়ে অলকা গায়ের আঁচল ভালাে করে টেনে নিল। একজন লােক তার মুখােমুখি তাকিয়ে। একদম খালি গা। ঘামে ভেজা বুশ শার্টটা চেয়ারের কাধে। পায়ে সু। রীতিমতাে স্বাস্থ্যবান। ভালাে কাটের ট্রাউজার। ঘরের চাপা আলােয় মাথার সাদা জায়গা চিক চিক করছে। চওড়া কবজিতে স্টিলফ্রেমের ঘড়ি। চেয়ার জুড়ে বসে গাল বােঝাই করে হাসছে। তারই বসার ঘরে—তাদেরই চেয়ারে বসে—তারই মুখে তাকিয়ে—

    রীতিমতাে চেঁচিয়ে উঠল অলকা মিত্র। কে? কে আপনি? আপনাকে তাে চিনি না আমি—

    একথায় লােকটির মুখের হাসি আরও বেশি বেশি মজায় ভরে গেল। ভালাে করে দেখাে বীথি। এবারও আমাকে চিনতে পারছ না? আজ তােমার এ কী হল বীথি !

    বীথি? কে বীথি? এখানে বীথি বলে কেউ থাকেই না। কে আপনি? আমার স্বামী এখন বাড়ি নেই। আপনি যান এখন। দোর বন্ধ করে দে নিমু— | বারাে-চোদ্দো বছরের হাফপ্যান্ট-পরা খালি গা নিমু সাহস করে লােকটিকে উঠে যেতে বলতে পারল না। যদি ধাঁ করে এক ঘা বসিয়ে দেয়। সে এই অচেনা লােকটার হাত পায়ের এলাকার বাইরে গিয়ে দাঁড়াল। লােকটার মুখে তখনও হাসি। তুমি বীথি নও। তাহলে তুমি কে—বলতে বলতে লােকটি উঠে দাঁড়াল। দাঁড়িয়ে এক-পা এগিয়ে এল।

    ভয়ে অলকা মিত্র ভেতর-ঘরের দিকে পিছিয়ে এল। এখন চেঁচালে বাইরের কেউ শুনতে পাবে না। এ-ঘরের পেছন দিককার দরজা খুলে বাড়িওয়ালার দোতলায় ওঠার সিঁড়ি। পিছিয়ে একবার পেছনের দরজার কাছে গিয়ে পড়তে পারলেই অলকা টুক করে ছিটকিনিটা নামিয়ে দেবে। তারপর সােজা সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে দোতলায় ওঠা। কিন্তু এখন তাে মানসী একা বাচ্চা নিয়ে ঘুমুচ্ছে।

    অমলবাবু অফিসে। সিড়ি ঘরে মানসীর শ্বশুরের অয়েল পেইন্টিং।

    আমি? আমি অলকা মিত্র। তুমি অলকা! তাহলে আমি কে?

    লােকটার একথায় একবার অলকার মনে হল পাগল নয়তাে? কিন্তু চোখের চাউনিতে সেরকম তাে নেই।

    সে আমি কী করে বলব? এ কী? ভেতরে ঢুকছেন কেন? এ কী ? | লােকটি ভেতরের ঘরে ঢুকে পড়ে বলল, খাটটা এভাবে সরিয়েছ কেন? আমি তাে জানলার কাছে মাথা দিয়ে শুই বীথি—

    চুপ করুন। এক্ষুনি বেরিয়ে যান বলছি। আমি বীথি নই, অলকা। অলকা মিত্র—আমি কিন্তু চেঁচিয়ে উঠব— | একথায় কান না দিয়ে লােকটি খেতে বসার জায়গায় এসে পড়ল। খাবার টেবিলে নুনদানিটা খােলা ছিল। তার ঢাকনা চাপা দিতে দিতে বলল, কত দিন না বলেছি বীথি—খােলা থাকলে রাতে আরশােলা এসে বসে নুনে। এই শঙ্কর জামাটা টাঙিয়ে দিলি না হ্যাঙ্গারে—?

    নিমু তার নাম বদলে দেওয়ায় ভীষণ ঘাবড়ে গিয়ে যেখানে দাঁড়িয়েছিল, সেখানেই সেভাবে দাঁড়িয়ে থাকল।

    অলকা মিত্র চড়া গলায় বলল, না, দেবে না নিমু। এটা আমাদের বাড়ি। আপনি কে? বেরিয়ে যান বলছি—

    আমি কে!—বলে ভীষণ মজায়—নিজের ওপর দারুণ কনফিডেন্স নিয়ে লােকটি চাপা গলায় হাসল। আর তখনই ফোনটা বেজে উঠল।

    অলকা ফোন ধরতে যাচ্ছিল। তাকে পাশ কাটিয়ে গিয়ে লােকটি রিসিভার তুলে নিয়ে কানে লাগাল, হ্যালাে?

    ওপাশের গলা যেন চুপসে গেল। অলকা আছে? এখানে অলকা বলে কেউ তাে থাকে না। সঙ্গে সঙ্গে সরকারি শিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ অলকা মিত্র চেঁচিয়ে উঠল, কী হচ্ছে? ফোনটা ছাড়ুন। আমাকে চাইছে নিশ্চয়। ওর ফোন করার কথা

    ওপাশ থেকে ফোনে ভেসে এল, এটা কত নম্বর ? লােকটি পালটা জানতে চাইল, আপনি কত নম্বর চাইছেন?

    ফোর সেভেন ওয়ান ট্রিপল জিরাে সেভেন। মানে আমার ওয়াইফকে চাইছিলাম—আমি প্রসূন মিত্র।

    ফোর সেভেন ওয়ান ট্রিপল জিরাে সেভেন ? নাঃ! সরি। রং নাম্বার। আমি কমল গুহ কথা বলছি। আমার স্ত্রী বীথি গুহ। এখানে অলকা বলে কেউ তাে থাকেন না।

    অলকা ছুটে এসে রিসিভারটা কেড়ে নিতে গেল। পারল না কমল গুহ রিসিভার হাত দিয়ে উঁচুতে তুলে তার নাগালের বাইরে নিয়ে গেল।

    দিন। দিন বলছি। আমার ফোন। ওটাই তাে আমাদের নম্বর—কেন মিছে—

    রং নাম্বার বললেন? | লােকটি কানে রিসিভার লাগিয়ে তখন বলতে লাগল, এটা সেভেন টু থ্রি ডবল জিরাে সেভেন।

    অলকা একদম বােবা হয়ে গেল। সে বুঝতেই পারছে না—এটা কি কোনও বিপদ? না, কোনও খেলা? ফোনের রিসিভার লােফালুফির খেলা?

    ফোন নামিয়ে রেখে সারা মুখে একটা তৃপ্তি ছড়িয়ে কমল গুহ বলল, দেখেছ বীথি—কী আশ্চর্য! তুমি কিছুতেই বীথি হতে চাইছ না। নাম ভাড়িয়ে অলকা থেকেই যাচ্ছ। তােমার এ-রসিকতা ফোনের ওদিককার লােকটা টের পেল কী করে? ওর তাে জানার কথা নয়। আবার ন্যাকামাে, বলছে কী জান ?—আমার ওয়াইফ অলকা মিত্রকে চাইছি। আচ্ছা বল তাে—এখানে অলকা কোথায়? | অলকা মিত্র কী বলবে? সে নিজে দুপুরবেলা এমনভাবে ভেতর থেকে আচমকাই লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে ভাবতেও পারেনি। সে কি তাহলে আদপেই অলকা নয় ? অলকা বলে কেউ এখানে থাকে না। এক পলকে চেনাজানা। প্রসূন হয়ে গেল লােকটা? আর লােকটা হয়ে গেল কমল গুহ?

    এ তাে ভারী অন্যরকম। নতুন গরমের চড়া রােদ এ-ঘরে বন্ধ কাচের জানলা দিয়ে ঢুকে রীতিমতাে মিহি। তার ভেতর একটা লােক আমাকে বলছে—আমি বীথি গুহ—তার বউ—সে নিজে কমল গুহ। আমাদের ফোন নম্বর হয়ে যাচ্ছে রং নম্বর। প্রসূন হয়ে যাচ্ছে লােকটা। এ কীসের আভাস? আমাদের একমাত্র ছেলে নাগপুরে এন সি সি-র ক্যাম্প করতে গেছে। আমি—আমরা—প্রসূন আর আমি কি কোনও ভূমিকম্পের দরজায় এসে দাঁড়ালাম ?

    ঠিক এই সময় নিজের কথার তােড়ে ডুবে থাকা কমল গুহ যেন বেশ নিশ্চিন্ত গলায়—এ বাড়িকে নিজের বাড়ি—আর এ বাড়ির গিন্নি সরকারি শিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ অলকা মিত্রকে প্রসূন মিত্রের ওয়াইফ থেকে নিজের ওয়াইফ বীথি গুহ করে ফেলতে পেরে—যেন বা কোনও ন্যায্য অধিকার ফিরে পাওয়ায় নিশ্চিন্ত হয়ে সেই চেয়ারটায় ফের ধপ করে বসল।

    তারপর কমল গুহ পায়ের সু খুলতে খুলতে হাসি হাসি গলায় বলতে থাকল—গত তিরিশ বছর ধরে আমরা যে বাড়িই ভাড়া করেছি তার কোনওটাতেই তাে তিন চার বছরের বেশি থাকিনি বীথি। আশ্চর্য দেখাে—ছেড়ে আসা বাড়িগুলাের কাছাকাছি গেলেই তারা আমায় টানে। খােলা জানলা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখতে ইচ্ছে করে—আমি যেখানে শুতাম—বসতাম—সেখানে এখন কে শুয়ে আছে—কে বসে আছে—কেমন করে শুয়ে আছে—কেমন ভাবে বসে আছে— | অলকা মিত্র কোনও জবাবই দিল না। নিমুটা আনতাবাড়ি দরজাটা খুলে দিয়ে কী এক গণ্ডগােল পাকিয়ে দিয়েছে। এখন এর ভেতর থেকে বেরােই—

    কী করে?

    বুঝলে বীথি—কলকাতার নানান পাড়ায় সেসব বাড়িতে যাবার রাস্তাগুলােও আমাকে টানে—সেসব রাস্তায় খালি সাইকেল রিকশা দেখলে টক করে উঠে বসি তাতে—রিকশাওয়ালাকে ডিরেকশন দিয়ে সেসব বাড়ির একদম কাছে চলে যাই। আমি এক একদিন নিজেই ভীষণ অবাক হয়ে যাই—যখন সেসব বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে পড়ে একসময়কার চেনা ডাক্তারখানায় বসে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলি—ডাক্তারবাবু! প্রেসারটা একটু দেখে দিন তাে

    অলকা মিত্র এবারও কোন জবাব দিল না। সে বাড়িওয়ালার দোতলার সিঁড়িঘরে যাবার ছিটকিনি তােলা বন্ধ দরজায় তাকিয়ে। যদি এখন মানসী দোতলা থেকে নেমে এসে দরজার ওপিঠে নক করে ডাকত—কাকিমা আছেন নাকি? তাহলে— | অলকা ছুটে গিয়ে ছিটকিনিটা নামিয়ে দিতে পারত। এখানে এখন সব কিছু তছনছ দশা। কে কী তার কোনও ঠিক নেই। এতদিনের টেলিফোন নম্বর অব্দি এখন অন্য আরেক নম্বর। নিমু শঙ্কর। আমি একটু একটু করে বীথি হয়ে যাচ্ছি। অথচ দরজার ওপারেই সিড়িঘরে এখনও আজ ভােরেও যে-পৃথিবীটা ছিল, তা এখনও আস্ত রয়ে গেছে। একটুও টসকায়নি।

    অলকার মন চাইল,—খুব করে চাইল—এখন একটা ডেলিভারি কেসের কল আসুক তার। সে যত দূরেরই লেবার কেস হােক না কেন—তবু সরকারি শিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ অলকা মিত্র সেখানে আজ এখুনি যাবে—দরকার হলে সাইকেল-ভ্যানের পেছনে পা ঝুলিয়ে বসে সে চলে যাবে সেখানে। রাস্তা ফুরিয়ে গেলে ধেনােমাঠ ভেঙে অলকা সেখানে যাবে। একটা জরুরি কল আসুক তার এখুনি। এখান থেকে সে ভেঙে-ছিড়ে বেরিয়ে যেতে চায়। নয় তাে সবই অলকার তছনছ হয়ে যাচ্ছে।

    নিদেনপক্ষে হাবার মতাে দাঁড়িয়ে থাকা নিমু তাে ট্রানজিস্টরটা খুট করে চালিয়ে দিতে পারে। ওয়াল ক্লকে সওয়া তিনটে। এখন বিবিধ ভারতীতে আধঘণ্টার ক্লাসিকাল প্রােগ্রাম—অনুরঞ্জনী। একবার আমির খায়ের মেঘরাগের গলা নয়তাে বুদ্ধদেবের সরােদে ভৈরবী কানে ঢুকলেই তাে অলকা মিত্র ফের তার নিজের জায়গায় ফিরে আসতে পারে। কিংবা সুলােচনা সহস্রবুদ্ধির ললিত গৌরী ঠিক তাকে এখান থেকে টেনে বের করে নিয়ে যেতে পারে। একা একা ফাঁকা বাড়িতে এসব শুনে অলকার এখন অনেকটাই মুখস্থ।

    জুতাে জোড়া খুলে একদম যেন চেনা র্যাকে রাখতে রাখতে কমল গুহ পাখার স্পিড বাড়িয়ে দিল। তারপর বলল, এ বাড়িতেও তাে তিন বছর হয়ে গেল বীথি। এ বাড়িটা এবার বদলাব।

    যেন শেষ চেষ্টায় মরিয়া হয়ে চেঁচিয়ে উঠল অলকা মিত্র। কে বীথি? আমি অলকা। আমরা এবাড়িতে আছি তেরাে বছর হয়ে গেল।

    কমল গুহ অলকা মিত্রর মুখােমুখি দাঁড়াল। তারপর সিধে তাকিয়ে তার দুই কাঁধে দুখানি হাত রাখল। আজ তােমার কী হয়েছে বীথি?

    হাত দুখানি বেশ ভারী লাগল অলকার। তার চোখের সামনে আস্ত একটা মানুষ দাঁড়িয়ে। পেছনে জানলা বলে কমলের সারাটা মাথাই কালাে দেখাচ্ছে। অলকা কোনও কথা বলতে পারল না। সে দেখল, কমল আবছা আলােয় অনেকটা জায়গা নিয়ে দাঁড়িয়ে।

    একা একা দুপুরে কঁকা বাড়িতে খারাপ লাগে। বুঝি বীথি সবই বুঝি। বাসুর বিয়ে হয়ে গিয়ে আরও ফাঁকা। তার ওপর শঙ্করটার ঘটে যদি একটুও বুদ্ধি-বীথিতে আর কোনও আপত্তি জোগাল না অলকার। শুধু বলল, শঙ্কর কোথায় ? ও তাে নিমু। আমাদের নিমু—

    ওই হল। তুমি যদি ওকে নিমু মনে করে আনন্দ পাও তাে তাতে আমার কোনও আপত্তি নেই বীথি। শ্বশুরবাড়ি গিয়ে বাসু

    কে বাসু ?

    কেন বীথি? বাসু আমাদের মেয়ে—বাসন্তিকা গুহ। এই এপ্রিলে ওর বিয়ের এক বছর হবে। বাসু এখন বাসন্তিকা দত্ত।

    কী বাজে কথা বলছেন আপনি সেই থেকে। আমার কোনও মেয়েই নেই। আমাদের একটা মাত্র ছেলে। বারাে ক্লাসে উঠে এন সি সি-র নাগপুরে। ওকে তিন বছরেরটি কোলে নিয়ে তেরাে বছর হল এ-বাড়িতে ভাড়া এসেছি আমরা। সেই এইটিটুতে—

    কড়া রােদে একা কোনও মেঘ ভেসে গেলে তার ছায়া খুব স্পষ্ট করে পড়ে নীচের মাঠে। অলকার একথায় তেমনিই একটি ছায়া পড়ে কমলের মুখে মিলিয়ে গেল। সে আস্তে আস্তে বলল, সেই এইট্টিটু? তুমি যদি এসব ভেবে খুশি হও বীথি, তাে তাই সই। তুমি নিশ্চয় এভাবেই স্বপ্ন দেখে থাক। বুঝতে পারছি। মা গিয়েছিলেন বাষট্টি বছর বয়সে। আমার বাষট্টি পূর্ণ হবে আর দিন কুড়ি বাদে। কাল রাতে কী ছাই স্বপ্ন দেখেছিলাম তা মনে নেই। আজ বাড়ি ফেরার পথে লেক মার্কেট থেকে বড়াে কোয়ার রসুন কিনলাম পঁচিশ গ্রাম। যা দাম! এক কোয়া ছাড়িয়ে খেতে খেতে হাঁটছি আর ভাবছি—যদি মায়ের আয়ই পেয়ে থাকি তাে আর আছি বড়ােজোর বিশ দিন। ঠিক এই সময় কাল রাতের স্বপ্নটা মনে পড়ে গেল বীথি—

    কমলের গলায় কী ছিল। এবার বীথি বলায় অলকার মুখে আর আপত্তি জোগাল না।

    কমল গুহ নিজের কথার তােড়েই ডুবে আছে। সে বলতে থাকল, আমাকে কাল শেষ রাতে জাগিয়ে তুলে সময়মতাে টয়লেটে পাঠাবার জন্যে কত কাণ্ড দ্যাখাে বীথি। হাজার টাকার কয়েকখানা নােট বাজে কাগজ ভেবে দু-টুকরাে করে ছিড়ে ফেলেছি। বুঝতে পারে আঠা খুঁজছি। জোড়া লাগাব। অমনি বাতাস উঠে হাজার টাকার কয়েকখানা টুকরাে উড়ে গিয়ে রাস্তায় পড়ল। আমি পড়িমড়ি কুড়ােচ্ছি। বােঝাে আমার দশা। হাজার টাকার কয়েকখানা নােটের টুকরাে বলে কথা। হারিয়ে গেলে তাে গেল। ঘুম ভেঙে গেল। হাঁটছি আর ভাবছি—এমন স্বপ্ন ঘুমের ভেতর কোত্থেকে এল। আমাদের হাজার হাজার জন্মের স্মৃতি ঘিলুর ভেতরকার খােপে খােপে জমা থাকে। একটি খােপে হয়তাে জমানাে ছিল—হারিয়ে ফেলার দুঃখ, লােকসানের কষ্ট। আমার শরীরের কেমিস্ট্রি সেই লকারের চাবি খুলে ফেলল—যেনবা প্রেসিডেন্সি জেলে কয়েদিরা দেওয়াল টপকাচ্ছে। জোরে জোরে পাগলাঘন্টি বেজে উঠল। সার্চলাইট এসে পড়ল লক্ষ বছরের মেমারি ব্যাঙ্কের বিশেষ একটি লকারের ওপর।

    অলকা মিত্রের মাথার ভেতর কে পাগলের মতাে ঘণ্টা পিটতে শুরু করে দিল। ঢং ঢং ঢং। সে একসঙ্গে এতসব মনে করতে পারছে। সার্চলাইটের ফোকাস এসে পড়ল। তাতে সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। পরের পর নানান সন। নানান তারিখ।

    ১৯৭৮, ১ সেপ্টেম্বর।

    ১৮২২—

    এবার তারিখটা অন্ধকারে মুছে গেছে। সেখানে সার্চলাইটের আলাে পৌছয়নি। আবার

    ১৯০৩, ৮ আগস্ট।

    ১২১৩, ২ এপ্রিল।

    ১৩১২, ২২ জুন।

    এরপর শুধুই সন আর তারিখের মিছিল বা থাক। জায়গাটা কেমন অন্ধকারের বড়াে এক পােচড়া যেন। এবড়াে খেবড়াে। কয়েদিদের কায়দায় সেখান থেকে স্মৃতিগুলাে লকার খুলে-ফেলা আলাের তাড়া—পিছু হটছে। হটছে। হটছেই। এক ঝলক মনে পড়ে যায়। আবার হারিয়ে ফেলে সরকারি শিক্ষণপ্রাপ্ত মিডওয়াইফ অলকা মিত্র।

    হঠাৎ কমল গুহ বলল, এখন ডালের বড়া খেলে কেমন হয় বীথি? ফস করে অলকার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, ডাল ভিজিয়েছি কি? দেখােই না। কাল রাতে তাে বলছিলে ভেজাবে—

    রান্নাঘরে গিয়ে একই সঙ্গে অবাক আর খুশি হল অলকা। সে ডাল ভিজিয়ে রেখেছে কাল রাতে। একবার তার মনে হল—কার জন্যে ভিজিয়েছি? প্রসূনের জন্যে? না কমলের জন্যে? না, কোনও এক স্বামীর জন্যে ? কাল রাতে কি ? , ১২১৩ সনের ২ এপ্রিল রাতে? উঁহু, ১৩১২ সনের ২২ জুন রাতে—

    অলকা বলল, শঙ্কর একটু বেটে দে না বাবা শঙ্কর? অবাক হয়ে নিমু অলকার মুখে তাকাল। কমল বলল, দে না বাবা বেটে। চায়ের সঙ্গে সবাই খাব। নিমু ডবল অবাক হয়ে গ্যাসের সিলিন্ডারের পাশ থেকে শিল-নােড়া বের করল সাবধানে।

    খানিকবাদে বিকেল আসতে না আসতেই কালােজিরে, কাঁচালঙ্কা আর পেঁয়াজ দিয়ে মেখে প্রথম বড়াটি যখন অলকা মিত্র কড়াইয়ে ডুবােতেলে ছাড়ল—ঠিক তখনই দরজায় বেল—এখন আবার কে এল?—বলতে বলতে খাঁটি স্বামীর মতাে মুখ করে খুব বিরক্ত হয়ে কমল গুহ সদর দরজায় গেল।

    একমুখ সাদা দাড়ি। গায়ে হেঁড়া ফতুয়া। কঁাধে চামড়ার ঝােলা। হাতে একজোড়া কালাে শু। পালিশ করায় চিকচিক করছে। টিপিকাল মুচি। তার মাথার পেছনে দূরে পাইনবাবুদের ফুটবল মাঠে বল নিয়ে ছেলেরা নেমে—

    গেছে। কালাে হাফপ্যান্টের বাইরে খেলােয়াড়দের তরুণ সব থাই রােদে ঝকঝক করে উঠল।

    কী ব্যাপার? হামাকে চিনলেন না বাবুজি—

    তুমি? হামি বটতলার পুরানা মুচি। রাজি বাবুজি। পহচানা নেহি? কী ব্যাপার? হাপনি রিকশায় আসছেন দেখলম। পর সন বীত গয়ে—হামায় পালিশ করতে দিয়ে অউর ওয়াপস নেননি বাবুজি। পড়েই ছিল। তারপর তাে চলে গেলেন একরােজ। ইহাঁসে বাড়ি বদল করে কোথায় গেলেন—জানি না—এই লিন। হামি ঝাড়পােছ করকে লে আয়া—

    ওঃ! তুমি সেই রাজিন্দর। রাতে আর কর্নেট বাজাও না?—বলতে বলতে কালাে মােকাসিন পায়ে গলাল কমল গুহ।।

    বাজাই বাবু মাঝেসাঝে। আজকাল কৌন বাজা শুনে বাবুজি?

    কমল গুহ মােকাসিন পায়ে মসমস করে ঘরের ভেতর ফিরে এল। রাজিন্দরকে পালিশের পয়সা দিতে হবে। পনেরাে বছর পরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }