Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝিঁঝোটি দাদরা

    পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা যাকে বলে তা কোনােদিন কুড়িয়ে পায়নি শােভনলাল। একবার ভবানীপুরে ট্রাম থেকে দুপুরবেলা নামতেই জগুবাজারের উল্টোদিকের ফুটপাথে সে তিনখানা এক টাকার নােটকে গলাগলি করে শুয়ে থাকতে দেখে। তা প্রায় তিরিশ বছর আগে।

    চারদিক তাকিয়ে তখনকার শােভনলাল—বেকার ও প্রেমিক—বাঁ পায়ের স্যান্ডেলের গােড়ালি দিয়ে তিনখানা নােটের ওপরেই পুরাে তিন মিনিট দাঁড়িয়েছিল।

    গলি দিয়ে গলি দিয়ে পায়ে হেঁটে তার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে যাওয়ার কথা। চাকরির পরীক্ষার পড়া। বিকেল হলে অফিস থেকে ইরা আসবে। সন্ধেবেলা লাইব্রেরি ক্যানটিনে দুজনের চা নিয়ে বসার কথা। ফিরবেও এক সঙ্গে দুজনে। শােভনলাল নিচু হয়ে গােড়ালির তলা থেকে ধুলােমাখা নােট তিনখানা তুলে নিয়ে বুক পকেটে রেখেছিল। যেন স্যান্ডেলের খুলে আসা একটা পেরেক তুলে দুরে ফেলে দিয়েছিল শােভন—এমনভাবেই সে আবার উঠে দাঁড়ায়।

    বছর পনেরাে আগেও বর্ষা বােঝাই শেষ রাতে শােভন স্বপ্ন দেখত—তার ঘরের বাইরে জানলার ঠিক নীচেই ঘাসের ভেতর কয়েকটা আধুলি, সিকি, কঁচা টাকা পড়ে আছে। কয়েকটা কুড়ােবার পরেই সে দেখতে পেত—আরাে অনেকগুলাে ঘাসের ভেতর ঢাকা পড়ে আছে। শেষে দেখত—অফুরন্ত সিকি আধুলি পড়ে আছে। কুড়িয়ে কুড়িয়ে কেঁচড় ভরে গেল। কুড়ােতে কুড়ােতে রাত ফর্সা হয়ে আসত।

    এই আট দশ বছর আগে শােভনলাল যখন টের পেল—সে খুবই অর্ডিনারি, জীবনে বা অফিসে তার কোথাও বিশিষ্ট হবার কোনাে চান্স নেই—তখন সে পায়ে পাম্পসু পরে খুব ভােরে মর্নিং ওয়াক শুরু করল। আর ডাকঘরে টাকা ডবলের ছ-বছরি সার্টিফিকেট কিনতে লাগল। দুটোর মধ্যে একটা যােগ আছে।

    টাকা ডবল হলে তা ভােগ করার জন্যে বেঁচে থাকা দরকার। তাই ভােরে উঠে হাঁটাহাঁটি। সেই সঙ্গে সে ফৈয়াজ খাঁ, রসুলেন বাঈ, জ্ঞান গোঁসাই শুনতে লাগল। কেদার, কাফি, তিলক কামােদ তাকে প্রশান্তি দিতে লাগল। খুবই সাধারণ হয়ে পড়ার হাত থেকে বাঁচতেই সে রাগরাগিণী আর নানান সােনালি গলার সঙ্গী হয়ে যেতে থাকল।

    ফলে লটারির টিকিট কিনে সে যখন দেখত তার নম্বর ওঠেনি—তখন তার কোনাে আপশােশ হত না। কেননা ধ্রুপদ, খেয়াল, সরােদ ইত্যাদি শুনে শুনে তার ভেতর একটা শান্ত ভাব সবসময়ের জন্যে খেলা করতে থাকে।

    ঠিক এই সময়েই সে একদিন ধর্মতলার ফুটপাথে ৭৫ পয়সায় একখানা গওহরজান পায়। গানের শেষে ৮০ বছর পেছন থেকে ভেসে আসে গওহরের গলা—মাই নেম ইজ গওহরজান। এইভাবে কিনতে কিনতে—ফুটপাথে ঘুরতে ঘুরতে সে পেয়ে যেতে থাকল—মাই নেম ইজ আঙুরবালা। একদিন পেয়ে গেল ফৈজুদ্দিনকে। পেল জমিরুদ্দিনকে। একদিন তাে সে আলিপুরে গােপালনগরের মােড়ে একখানা পুরনাে রেকর্ডে শুনল কানাকেষ্টকে। চাপা বনে-এ-এ। কী গলা। পঞ্চাশ বছর আগের রেকর্ড হবে। দাম নিল আড়াই টাকা। ভরা যৌবনের তেজি কে সি দে। কী দাপট! রেকর্ড ফেটে যায়। অথচ মাত্র এক প্যাকেট সিগারেটের দামে কী দামি জিনিস। এ তাে একটা বড়ো দাঁও বলেই মনে হল শােভনলালের।

    রেকর্ডখানা বগলে নিয়ে সে আদি গঙ্গার ওপরে নতুন পুলে দাঁড়িয়ে জেলের উঁচু পাঁচিল, ডুবন্ত সূর্য দেখতে দেখতে পরিষ্কার বুঝল, পৃথিবীতে এখনাে চোদ্দ আনা পড়ে পাওয়া যায়। এখনাে জীবনে অনেক কিছু পাওয়ার আছে। এই সব গান খনির মণি। খুজলে এখনাে পাওয়া যায়। কে সি দে আর নেই। এই গানটি গাওয়ার সময়কার পৃথিবী আর নেই। তখনকার মানুষজনও অনেকে কবেই চলে গেছে। রয়ে গেছে গানখানি। যতবার বাজাও—সেই তেজ। সেই দাপট। সেই লাবণ্য।

    ইদানীং শােভনলাল রেকর্ড খুঁজতে বেরিয়ে–খুঁজতে খুঁজতে হরিমতি কিংবা দক্ষিণারঞ্জন—যাকেই পাক না কেন—ঘুঙুরের সঙ্গে হারমােনিয়মের হাত ধরে গান কিংবা ক্লারিনেট তাকে জাগ্রত দশায় স্বপ্নের ভেতরকার সিকি আধুলি কুড়ােতে দেয়।

    কানাকেষ্টর গলায় ‘রাই-ই’ দিয়ে আখর শুরু হতেই সে তার নানান সময়কার ডায়রিতে টুকে রাখা নাম আর টেলিফোন নম্বরগুলাে দেখেই তখন তখনকার মানুষগুলােকে পরিষ্কার মনে করতে পারে। এই সেদিনও সে এবেলার জানা পরিচিতদের ওবেলাতেই গুলিয়ে ফেলতে শুরু করেছিল। খানিক আগেই বলা কথা বলা হয়নি ভেবে রিপিট করে যাচ্ছিল। কিন্তু পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা জ্ঞানে যখন থেকে শােভনলাল ছায়ানট, আহির ভৈঁরাের আড়টা ধরে স্মৃতি আর মনে রাখার ভেতর ভেসে থাকতে পারল তখনই সে ঘূর্তি আর আহ্লাদের স্বাদ ফিরে পেল।

    এখন ধর্মতলায়, গােপালনগরের মােড়ে কিংবা চোরবাজারে ভরদুপুরে পুরনাে রেকর্ডের গাদি ঘাঁটতে ঘাঁটতে খনির মণি—ভীষ্মদেব, শচীনদেব, তরতাজা কানন, কী পঙ্কজ পেয়ে গেলে শােভনলালের মনে হয়—সে সেই দুপুরের গলাগলি পড়ে থাকা তিনখানা একটাকার নােট আচমকাই পেয়ে গেছে। কার বুকপকেটের ডায়রির ভেতর থেকে ভঁজ করা তিনখানা নােট তিরিশ বছর আগে রাস্তায় পড়ে গিয়েছিল। এইসব রেকর্ড গাদি ধরে পুরনাে কাগজওয়ালারা গেরস্ত বাড়ি থেকে কিনে এনেছে। এককালের রসিকদের স্বাদ আহ্লাদ মেশানাে এইসব রেকর্ড তার ওয়ারিশরা জঞ্জাল জ্ঞানে ওজনদরে বিদায় করেছে। অথচ এরই ভেতর সুর তাল লয় সব সময় ঘুমিয়ে আছে। জাগালেই উঠবে।

    পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা কুড়ােতে গিয়ে উমা বসুর রেকর্ড পেয়ে যাওয়া ননী গোঁসাই, পারুল ঘােষের ছ-খানা সেভেনটি এইট রেকর্ড শিকারি হীরুবাবু, নজরুল আর অতুলপ্রসাদের গলায় গাওয়া চারখানি গানের ই পি-র মজুতদার বিশু ঘােষ ইত্যাদি লােকজনের সঙ্গে শােভনলালের বন্ধুত্বও হয়ে যায়। কারাের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল ধর্মতলায়—কারাে সঙ্গে বা গােপালনগরের মােড়ে। এখন শােভনলাল এদের বাড়ি চেনে। এরাও শােভনলালের বাড়ি যায়। ছুটিছাটায়। কানাকেষ্ট কিংবা গওহরকে শুনতে। শােভন এক একদিন অফিস ফেরত পারুল ঘােষ শুনতে চলে যায় হীরুবাবুর বাড়ি। লীলা চিটনিসের গলায় এসব গান সিনেমায় একসময় মাত করে। কোনাে কোনােদিন বা বিশু ঘােষ তার সঙ্গে ধর্মতলার মােড়ে দেখা করে সন্ধেবেলা। বিশু ঘােষ কর্পোরেশন অফিসে রিটায়ার করবে আর ছ-বছর পরে। ভিড়ে ধর্মতলা বিলকুল হরিহরচ্ছত্র। সেই ডামাডােলের ভেতরেই বিশু ঘােষ ভিক্টোরিয়া হাউসের মাথার আকাশে তাকিয়ে এক একদিন এক এক গানের কথা বলে। আহা! দেবকীবাবুর কবি-তে কী গান গেয়েছিল রবীন মজুমদার। তারাশঙ্করের বাণী। অনিল বাগচির সুর। তুমি হােয়াে শিমূল ফুল—আহা! শােভনবাবু—কতকাল গানখানা শুনিনি। বড়াে শুনতে ইচ্ছে যায়। পাওয়া যায় ?

    নাঃ! কত খুঁজেছি। তবে হীরুবাবুর কালেকশনে আছে—টেপ করে নিলে পারেন।

    নেব নেব করে নেওয়া হয়নি। এবারে নেব। আর তােক-টা বছর অফিসে আছি। ছুটি হয়ে গেলে শুধু গান শুনব। এসপ্ল্যানেডের ভিড়ের ভেতর আলুকাবলি হয়ে যেতে যেতে শােভনলাল বুঝল, ভাঙা ট্রামলাইন, বাসে বাদুড়ঝােলা ভিড়, রেস্তরাঁয় একটা চেয়ারও খালি নেই—তবু এই পৃথিবীতে আশা করার অফিস থেকে পাকাপাকি ছুটি হলে পর রসিয়ে রসিয়ে শােনার মতাে গান রয়েছে—কত গান—যেসব গানে গলার নীচের ভেলভেটের নীল নরম টের পাওয়া যায়। সেখানে পৃথিবীর বাতাসে কোনাে ধুলাে নেই। আলাের ভেতর থেকেই আহ্লাদ বেরিয়ে পড়ে।

    এক-একদিন হীরুবাবুর সঙ্গে অফিস থেকেই ফোনে কথা হয় শােভনলালের। হীরু তারই বয়সি। স্কুলের ছেলেমেয়েদের টিফিনের বাক্স বানাবার একটা কারখানা আছে। নিজের বাড়ি টবিন রােডে। একতলায় ঘর ভর্তি করে সাজানাে পড়ে পাওয়া সব চোদ্দ আনা। আট আনা থেকে আড়াই টাকায় কেনা এক একখানা রেকর্ড। সেসব গলায় সােনা ছিল, কিন্তু এখন আর মাথা খুঁড়লেও পাওয়া যাবে না সেইসব রেকর্ড। জঞ্জাল সাফ করতে বেরসিকরা পূর্বপুরুষদের যেসব রেকর্ড বেচে দিয়েছে ওজন দরে সেইসব রেকর্ড—যার ভেতর লুকিয়ে থাকে আমীরবাঈ কর্ণাটকি, প্রতিভা সােম, জোহরাবাঈ অফ আম্বালা, তারাপদ চক্রবর্তী।

    একদিন ফোনে শােভনলাল হীরুবাবুর কাছে জানতে চেয়েছিল—একবারই শুনেছি গানটা—কার বাড়ির রেকর্ডে মনে নেই—অনেকটা এরকম-ভালােবাসার তুমি কী জানাে ও-ও-বাজনা ছাড়াই খােলা গলার গান। রেকর্ডখানা আছে আপনার?

    হীরুবাবু ফোনের ওপাশ থেকে বলেছিল—বাকিটুকু গেয়ে শােনান তো অফিসের ফোনে একজন বয়স্ক লােকের গান গাওয়া খুবই রিস্কি। বিশেষত পি বি এক্স-এর মেয়েরা শুনলে কী ভাববে। তা ছাড়া শােভনের মনেও ছিল —

    বাকিটা। শুধু গুনগুন করে ধরতাইটা ধরিয়ে দিয়েছিল সে-হীরুবাবুর কানে—ফোনে।

    এক সপ্তাহের ভেতর হীরুবাবু সে গান খুঁজে বের করে। সত্যজিবুর চিড়িয়াখানা ছবিতে গানটা ছিল। বেশিদিন আগের নয়। হয়তো সত্যজিৎবাবুরই সুর। ভারী সুন্দর। কথাও বােধহয় সত্যজিৎবাবুর। গানটা রেকর্ড হয়নি, আপনি সিনেমায় শুনেছিলেন শােভনবাবু—

    এইভাবেই শােভনলালের দিন চলে যাচ্ছিল—আর এইভাবেই সে এক দিন করে করে রিটায়ারমেন্টের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তার সিথিতে কয়েকগাছি রুপােলি তার। বউ বাতের সিমটম বলে পাড়ার ডাক্তারখানা থেকে বড়ি এনে খাচ্ছিল। পৃথিবীও একদিন করে বুড়াে হচ্ছিল। ছেলেরা বিয়ে করে বউ নিয়ে যে যার কাজের জায়গায় চলে যাওয়ায় শােভনলাল বাড়ির ফাঁকা জায়গায় পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা দামে রেকর্ড কিনে কিনে এনে ধুলাে ধুয়ে গাদা করে দিতে লাগল। এক-একটা গাদি কত যে গানের—কত যে সেতার সরােদের দাপট, লাবণ্য, তেজের স্তুপ দেওয়া ফসল হয়ে উঠল। সেদিকে তাকিয়েও শােভনলালের মনের ভেতরটা ঝলমল করে ওঠে আহ্বাদে। যেন বাজারে চাল উধাও হওয়ার আগেই তিন সপ্তাহের রেশন আগেভাগে তুলে রেখেছে। সে তৈরি, অনটন আসুক—পরােয়া নেই। বিপদ আসুক পরােয়া নেই। আনন্দ আহ্লাদ তাে স্টক করা আছেই। যৌবনের অশােককুমারের সঙ্গে কাননদেবীর ‘অনাদি কালের স্রোতে মােরা দুটি প্রাণ’—গানটার নীচেই তাে ভেলভেটের নীল নরম জমা করা আছে। এইসময় সে বউকে নিয়ে বি গার্ডেন লেখা মিনিবাসে চড়ে বােটানিকসে বেড়াতে যায়। সেখান থেকে ফেরার সময় ঘুরপথে উজিয়ে জীবনে প্রথম তারা বেলুড় মঠও দেখে ফেলে। এরই হপ্তা খানেকের ভেতর ওরা দুজনে টালার মাঠে বাঘের বােটকা গন্ধ শুকতে শুকতে সার্কাস এনজয় করে। এমনকি একদিন সন্ধে সন্ধে শােভনলাল সস্ত্রীক ফিল্ম ফেস্টিভালে দেবীকারানির অচ্ছুকন্যা দেখে ফেলে।

    দেখেই শােভনের মাথা খারাপ। অশােককুমার নয়—দেবীকারানি নয়—এক সিনে এক কাঠকুড়ানির গান—মাথায় কাঠের বােঝা—ফেস্টিভাল হল ফেটে যায় যায়—লয়কারীতে সুন্দর মােচড়। হলের ভেতরেই গানটা মুখস্থ হয়ে যায় শােভনলালের। গানের চেহারাও সে চিনে ফেলে। গায়িকার গলায় দারুণ জোয়ারি।

    কিৎ গয়া হো

    খইবন হিয়ারে-এ-এ

    কিৎ গয়া হো—

    পঞ্চাশ বাহান্ন বছর আগের গান। তখনাে প্লেব্যাক আসেনি নিশ্চয়। ঝিঝােটি দাদরায় গাওয়া। কিৎ মানে বােধহয় কোথায়। মারাঠি টান হবে।

    এই গায়কী, এই ঝিঝােটি দাদরার জন্যে শােভনলাল ধর্মতলার ফুটপাথ, গােপালনগরের মােড়, চোরবাজার চষে ফেলল। ঝিঝােটি দাদরা ছাড়া এই কলকাতাই বৃথা লাগল শােভনলালের। সিনেমার পর্দায় কাঠকুড়ানির এই গান ঝমঝম করে উঠেছিল।

    কোথায় সেই সব অপদার্থ উত্তরপুরুষ—যারা রসিক বাপ-দাদার খনির মণি-প্রায় রেকর্ডের গাদি ওজন দরে হাওয়া করে দেয়। তাদের ঠিকানা দিয়ে একটা ডাইরেক্টরি বের করা দরকার। ডাইরেক্টরি থাকলে ঠিকানা ঘেঁটে শােভনলাল ওর ঝিঝােটি দাদরা খুঁজে বের করত। ঝিঝােটি দাদরা শােভনলালের মাথার তালুতে গিয়ে আটকে আছে। অশােককুমারকে চিঠি লিখবে? কত ছবি। করেছেন। তার কি এসব মনে থাকবার কথা। সে বম্বে টকিজ তাে আর নেই। পুরনাে ছায়াছবির ফেস্টিভালে ছাপানাে কাগজপত্রে দেখল—অচ্ছুকন্যার মিউজিক ডিরেক্টর ছিলেন—এক গায়িকা মহিলা। রণছােড়জি মনমুখজি—আরও লম্বা নাম। যাকেই বলে—কেউই মনে করতে পারে না।

    রবিবার রবিবার বিকেলের দিকে হীরুবাবুর টবিন রােডের ডেরায় শােভনলাল, ননী গোঁসাই, বিশু ঘােষের হাজিরা দেওয়া চাই। ফি হপ্তায় ওই সময়টায় যে যার হপ্তা জুড়ে পড়ে পাওয়া চোদ্দ আনা একবার হীরুর মেশিনে বসিয়ে শুনে নেয়। ভালাে লাগলে বারবার বাজানাে হয়। হীরু ঘােষ শুনে হয়তাে বলল—এ রেকর্ডখানা তাে আমি আগেই পেয়ে গেছি। কিংবা না পেলে হীরু সে-গান টেপে তুলে রাখে।

    শীতের বিকেল। ঝিঝােটি দাদরার জন্যে উতলা শােভনলাল একবার হীরুর মুখে তাকিয়ে বলল, লীলা চিটনিসকে চিঠি লিখে দেখব?

    ননী গোঁসাই হেসে বলল, তিনি কি আর মনে করে রেখেছেন ! তাহলে দেবীকারানিকে লিখি? ঠিকানা পাবেন কোথায়? পেলেও না হয় লিখলেন। তিনি কি আর আমার আপনার চিঠির জবাব দিতে বসে আছেন।

    হীরু তার রেকর্ডের জাবদা খাতার পাতা উল্টোচ্ছিল। হঠাৎ থেমে বলল, এই রেকর্ডখানা যদি খুঁজে পাই তাে বাজিয়ে দেখি— | খাতা বন্ধ করে হীরুবাবু তাক থেকে একখানা সাত পুরনাে রেকর্ড বের করে ভালাে করে মুছল। তারপর মেশিনে বসাল।

    কাটা রেকর্ড নয়। একটুও দাগ পড়েনি। সেই আশ্চর্য ঝিঝােটি দাদরা। হীরুর ঘরের জানলা দিয়ে টবিন রােডের ব্যস্ত ভিড়ে গিয়ে উথলে পড়তে লাগল। গান শেষ হতে হীরুর বউ একটি বাচ্চা কোলে করে ঘরে ঢুকল, এই দেখুন আমার নাতি।

    গানটা শােভনলালকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সে এ-গান খুঁজে পাওয়ায় সারাটা মন জুড়ে হীরুর কাছে কৃতজ্ঞ। পঞ্চাশ বছর পেছন থেকে কেউ যদি এমন আচমকা সুর, তাল, লয় ফিরিয়ে আনে তাকে কী বলে ধন্যবাদ দেওয়া যায়। শােভনলাল পকেট থেকে একখানা দশ টাকার নােট বের করে হীরুর নাতির মুখ দেখল। বাঃ! বেশ সুন্দর হয়েছে তাে। আপনাদের দেশ কোথায় বউঠান ?

    আপনার বন্ধুর দেশ তাে নদীর পাড়ে—

    কোথায় ?

    এবার হীরু নিজেই বলল, দেশে বেশি থাকিনি। ৯-১০ বছর বয়স অব্দি ছিলাম—ভৈরবের গায়ে খালিশহরে—দৌলতপুর কলেজ ছাড়িয়ে রেললাইন

    আর ভৈরব নদীর মাঝখানে।

    আরে ওখানে তাে আমিও ছিলাম। বেলেপাড়ায়—

    হীরু বলল, আমরাও ছিলাম ওখানে–১৯৪২-৪৩ অব্দি। পুকুরপাড়ে—

    একতলায়—

    শােভনলাল ঝিঝােটি দাদরায় স্নান করে উঠেছে এইমাত্র। সে মন্ত্রপড়া গলায় বলল, ঠিক ওই সময় পুকুরপাড়ে তােমাদের ওই হলুদ রংয়ের বাড়িটার পাশের বাড়িতেই আমরা থাকতাম। তখন ফাইভ সিকসে পড়ি।

    আমিও তাে তখন ফাইভ সিকসে পড়ি। হীরুর এ কথায় শােভনলালের খেয়ালই থাকল না—সে হীরুকে তুমি তুমি করে কথা বলে যাচ্ছে। আমি জেলা স্কুলে পড়তাম—। তুমি?

    হীরু বলল, আমি মডেল স্কুলে পড়তাম। কিন্তু তােমার চেহারা মনে করতে পারছি না শােভন।

    আমিও সব ভুলে গেছি হীরু। কিছুতেই তােমাকে মনে করতে পারছি না।

    নাতি কোলে হীরুর বউ বলল, আহা! তা পারবেন কী করে? তখন তাে আপনারা দুজনই অন্যরকম দেখতে ছিলেন। এখন কত বদলে গেছেন সবাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }