Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বেঁচে থাকার বিশেষ উপায়

    খরচ হয়ে যাওয়া টাকা এক বিশেষ উপায়ে বাঁচায় মানিক সরকার। প্রতিটি টাকাই তার কাছে মূল্যবান। যে রাস্তা বাসে পঞ্চাশ পয়সায় যাওয়া যায়—সেই রাস্তাই উর্মিলা ট্যাক্সি না হলে যাবে না বলে মানিকের ওপর চাপ দেয়। বলে—বাসের পাদানি উঁচু—আমার বয়স হয়েছে—ওই কেঠো বাসের ঝক্কর ঝক্কর আমার সহ্য হয় না।

    তখন মানিক তার বউ ঊর্মিলাকে বলে, তাহলে মিনিবাসে চল। আশি পয়সা করে পড়বে মাথাপিছু।

    উহু। মিনিবাস ভীষণ দোলে। আমার ভয় করে। অটোতে চল তাহলে। ট্যাক্সির অর্ধেক পয়সায় হয়ে যাবে। অটো নির্ঘাত উল্টোবে। আমি বাপু পারব না। গাড়ি বেচে দিলে কেন? একসময় নিজের গাড়ি ছিল মানিক সরকারের। টানা এগারাে বছর।

    মানিক সরকার হাল ছেড়ে বলে, গাড়ি মানেই তাে টেনশন। চলন্ত চালাঘরে বসে সারা পৃথিবী থেকে ডিসকানেকটেড হয়ে যাওয়া। এই ভালাে আছি বেশ।

    তা তাে বলবেই। বাসে ট্রামে ভিড়ের ভেতর গুঁতােগুতি না করলে তােমার মন ভরে না।

    আমার তাে ব্যায়াম করা হয় না আলাদা করে। এটাই ধর ব্যায়াম। দৌড়ে গিয়ে ওঠা। পেছনে ঝুঁকে নেমে পড়া। হ্যান্ডেল ধরে দুলতে দুলতে যাওয়া—এটাই আমার কসরত। এতেই তাে ব্লাড সুগার কমিয়ে এনেছি একশাে পঁয়তাল্লিশে—

    বাসে উঠলেই আমার কোমরের ব্যথাটা ফিরে আসে। বসে থাকতে কষ্ট

    হয়।

    অগত্যা ট্যাক্সি নেয় মানিক সরকার। উর্মিলার কোমরের এক্সরে ছবি তােলা আছে ঘরে। একখানা হাড়ে ঘুণ ধরে তা বেঁকে পেছনের মাংসে ধনুক হয়ে মুখ গুজড়ে আছে। দেখালে ডাক্তার বলে, শুকনাে জায়গা থেকে ঘুরিয়ে আনুন। এখন আর কাটাছেঁড়ায় যাবেন না।

    কিন্তু ডাক্তার কিছুতেই রােগটার নাম বলে না। বলে, এই বয়সে অপারেশন নাও সাকসেসফুল হতে পারে। আর তাে ক-টা বছর। মেরে এনেছেন প্রায়। জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে দিন। আপনার ওয়াইফের তাে পঞ্চাশ পেরিয়ে গেছে?

    ফিফটি ফাইভ চলছে।

    তবে! জীবনের অনেকটাই তাে বেঁচে থেকে ফুরিয়ে ফেলেছেন। এখন বাকি ক-টা বছর ওকে শান্তিতে থাকতে দিন। টাকার শ্রাদ্ধ করেও তাে ফেইলিওর হতে পারে। কী বলেন? | তা তাে বটেই—বলে মানিক ভাবে, মানুষ কতদিন বাঁচে। মানে ঠিক কতদিন তার বাঁচা উচিত। তার নিজের এখন ঊনষাট চলছে। উর্মিলার ব্যথা হয় মাঝে মাঝে। তখন ক্যালসিয়াম ইঞ্জেকশন নেয়। আর ম্যাকেলভিট সিরাপ খায়। ফের চাঙ্গা। কোমরের নীচে পেছন দিকটায় ব্যথা তখন উবে যায়।

    বাসে পঞ্চাশ পয়সার রাস্তা ট্যাক্সি নিল আট টাকা। ভাড়া দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে মানিক সরকার হিসেব কষে। বাসের ষােলােগুণ ভাড়া পড়ল। মানে সাড়ে সাত টাকা বেশি। এভাবে কতবার সে ষােলােগুণ ভাড়া দিতে বাধ্য হয়েছে নানাভাবে—সবটাই উর্মিলার জন্যে নয়—কখনাে কখনাে নিজের জন্যেও—তা এই সুদীর্ঘ জীবনের প্রায় গােড়া থেকেই সে হিসেব কষতে চায়। কিন্তু খুব নিকট অতীত ছাড়া কিছুই তার মনে পড়ে না। সবটা একসঙ্গে মনে করতে না পেরে অযথা খরচ হয়ে যাওয়া টাকাগুলাের জন্যে বিরাট এক বিষাদ তার মনে থানা গেড়ে বসে। তখনাে সে অতি নিকটের অযথা খরচা হয়ে যাওয়া সাড়ে সাত টাকা একা একা এইভাবে বাঁচাতে লাগল আর ভাবতে লাগল—না জানি সারা জীবনে আমি কত লক্ষ টাকা এভাবে ট্যাক্সিকে ভাড়া হিসেবে, বাড়ির কাছের মুদিকে মাসকাবারিতে, জুতাের দোকানিকে স্যান্ডেলের দামে, দর্জিকে প্যান্ট সেলাইয়ের জন্যে বাড়তি দিয়ে এসেছি—যে টাকা আর কোনােদিন উদ্ধার করতে পারব না। বড়বাজারে মাসকাবারি, কলেজ স্ট্রিটে স্যান্ডেল, মেটিয়াবুরুজে প্যান্ট করলে কতই না বাঁচানাে যেত।

    মানিক সরকার একজন মাননীয় ভদ্রলােক। তাদের একটি টেলিফোনও আছে। সে এই শীতে গত শীতের আলােয়ানের সুখস্পর্শ মনে করার চেষ্টা করে বারবার ব্যর্থ হয়। অফিস তাকে রিটায়ারের পরেও অন্তত এক বছর এক্সটেনশন দিতে পারে। রিপাবলিক ডে-র প্যারেড দেখতে সে নেমন্তন্ন পায়। নীচের পাটির একটি কষের দাঁত সে সম্প্রতি তুলেছে। খুব আবেগ হলে গােপনে সে একটু-আধটু কেঁদেও থাকে।

    রাজাবাজার-আলিপুর মিনিবাসে টিকিট চাইতে সে মাথা নাড়ল। মানে হয়ে গেছে। খুব গম্ভীরভাবে নােনাপুকুরে নামল। অফিসের পর ছােটোমেয়ের শ্বশুরবাড়ি যাবে বলে ২৩৪-এ উঠল! নামল সিঁথিতে। এখানেও টিকিট কাটল না। দু-দফায় আশি পয়সা আর পঁয়ষট্টি পয়সা বাঁচল। ট্যাক্সির অযথা খরচটা তাহলে প্রায় ছ-টাকায় নেমে এল। আঃ! বুক ভরে আনন্দ আর আরামের একটা নিশ্বাস নিল মানিক সরকার। পৃথিবীটা কখনাে কখনাে বড়াে সুখের জায়গা। এখানে একটু চেষ্টা করলেই খরচ হয়ে যাওয়া টাকা এই বিশেষ উপায়ে বাঁচানাে যায়। সিঁথি মােড় থেকে কাশীপুরে মেয়ের বাড়ি রিকশায় দু-টাকা। পথটা হেঁটে মেরে দিয়ে মানিক সরকার দেখল—মন আর শরীর দুই-ই একসঙ্গে তার বেশ ভালাে বােধ হচ্ছে। খরচ হয়ে যাওয়া সাড়ে সাত টাকা একটু চেষ্টাতেই চার টাকায় নেমে এসেছে। আরেকটু অধ্যবসায়—আর একটু পরিশ্রম করলেই—ব্যস।

    ফলে এইভাবে সে রােজ নানা পথে বাড়তি খরচ হয়ে যাওয়া টাকাগুলাে স্মৃতির কান ধরে টেনে তােলার চেষ্টা করে। আর তা বাঁচিয়ে তােলার বিশেষ উপায় হিসাবে নানা পথ বেছে নিতে থাকে। খানিকটা বাঁচিয়ে তুলতে পেরে মানিক সরকারের মন ফুরফুরে হয়ে ওঠে। তার মনে হয়—সে সফল।

    বেহালা থেকে মিনিতে উঠে সে আশি পয়সার টিকিট কেটে নােনাপুকুরে নামল। নামার সময় কন্ডাক্টর বলল, আপনি কোত্থেকে উঠেছেন ?

    কেন? কালীঘাট—

    কন্ডাক্টর সংশয়াচ্ছন্ন চোখে তার দিকে তাকিয়ে থাকল। এইসব সময় চোখের পলক ফেলতে নেই। মানিক সরকার নির্বিকার মুখে গটগট করে নেমে পড়ল নােনাপুকুরে।

    সিগারেট কিনতে গিয়ে দশ টাকার নােট ভাঙানির ভেতর একখানা ছেড়া নােট দিয়েছে দোকানি। সেই নােটখানা অফিসের ক্যাশে দিয়ে মানিক সরকার বলল, অজিতবাবু, এই নােটখানা এসে গেছে মাইনের ভেতর—

    তাই নাকি। দিন—পাল্টে দিচ্ছি।

    বত্রিশ বছরের যে অফিস থেকে মানিক সরকার পুরােনাে তেঁতুলের গন্ধ পায় সেখানে তার মনটা ছােটো দোয়েল হয়ে উড়তে লাগল। পাঁচ টাকার নােটখানা সিগারেটের দোকানে নিয়ে গেলে কিছুতেই ফেরত নিত না।

    টাকাকে ইদানীং তার মনে হয় জেলের জালে পড়া কিছু চকচকে মাছ। এদের সংরক্ষণের জন্যে চাই ব্যাঙ্ক আর মিতব্যয়িতার মতাে যুগল বরফ।

    নয়তাে টাকা পচে গিয়ে খরচাই হতে থাকে শুধু। কিংবা খরচা মানেই টাকা পচে যাওয়া। আর বাড়তি খরচ তাে জাল গলে যাওয়া সেইসব মাছ, যারা অন্য মাছদের গিয়ে বলে দেবে—ওদিক যাসনে, জাল ফেলছে মানিক সরকার। নিজেকে তার ইদানীং টাকা ধরার একজন ধীবর বলেই মনে হয়।

    উর্মিলা পঞ্চাশ পেরােতে পেরােতে মানিক সরকারের সাংসারিক সব কাজকর্ম—দায়দায়িত্ব মিটে আসে। মেয়েদের বিয়ে—ছেলেদের পড়ানাে—শেষ বয়সে দেখবে বলে দুটো ইনসিওর করানাে—সবই তার সাজিয়ে-গুছিয়ে করা সারা।

    শুধু একটা জিনিসই সে বুঝে উঠতে পারছে না। ঠিক কোন সময়ে মরা উচিত। টাকা আছে—আয়ুও আছে তাে ঠিক আছে। কিন্তু আয়ু থাকতে থাকতেই যদি টাকা ফুরিয়ে যায়? যে কেউ তাে পারে। কেননা, কোনাে মানুষই বেঁচে থাকার সবটা জুড়েই আয় করতে পারে না। বয়স, অসুখ-বিসুখ, ক্লান্তি এবং বার্ধক্য তাে আছেই।

    উপরন্তু ঊর্মিলার কোমরের ব্যথাটা চাগাড় দিয়ে তাকে যদি আগে তুলে নেয় তাে মানিককে কে দেখবে? কিংবা মানিকই যদি আগে পটল তােলে তাে উর্মিলাকে কে দেখবে?

    যদিও এসব কথায় ঊর্মিলা বেশ ঝঙ্কার দিয়েই বলে, কেন? টাকা থাকলে লােক রাখব। নার্স থাকবে।

    মানিক সরকার ঊর্মিলাকে ঘাঁটায় না। মনে মনে বলে, ছেলেমানুষ। টাকাও তাে সবটা সব সময় দেখতে পারে না। টাকার দেখাশুনােতেও লােক লাগে।

    সে তখন আবারও বিরাট ধাঁধাটার সামনে এসে দাঁড়ায়। তা হল—ঠিক কোন সময়ে মরা উচিত? ধাঁধাটার কোনাে সমাধান না পেয়ে মানিক সরকার খরচ হয়ে যাওয়া টাকাগুলােকে তার নিজস্ব উপায়ে পড়িমরি করে বাঁচাতে থাকে।

    বাসে টিকিট কাটে না। মিনিবাসে মাথা নাড়ে। কাটলেও শর্ট ডিসট্যান্সের টিকিট কেটে লং ডিসট্যান্স পাড়ি দেয়। মাসকাবারি মশলাপাতি কেনে বড়বাজারের কাছাকাছি পুরােনাে টাকশালের ফুটপাথে। জুতাে কেশব সেন স্ট্রিটে দুপুরের নিলাম থেকে।

    একদিকে তার মন একা একা যােগ দিতে থাকে। অন্যদিকে বাঁচানাে যেত এমন খরচ হয়ে যাওয়া চকচকে টাকাগুলাের কথা সে খতিয়ে দেখতে থাকে। এই যােগবিয়ােগ আর দেখাদেখিতে সে শেষ পর্যন্ত খেই হারিয়ে ফেলে। কেননা খরচ হয়ে যাওয়া টাকাগুলাে তার মনের সামনে জাল গলে বেরিয়ে—

    যাওয়া মাছ হয়ে দাঁড়ায়। আসলে মনে মনে হিসেব করতে গিয়ে মনেই অনেক কিছু হারিয়ে যায়। তখন বিষাদ এসে দাঁড়ায়। ভারী কালাে পর্দার মতাে।

    অথচ কয়েক বছর আগেও সে কোনােদিন এসব নিয়ে মাথা ঘামাত না। সে খরচ হয়ে যাওয়া টাকা ফের বাঁচিয়ে তােলার কথা আগে কখনাে ভাবেনি। যা যেত তার দিকে সে কোনােদিন ফিরেও তাকায়নি। বরঞ্চ গতকালের টাকা ছিল তার কাছে পুরনাে টাকা। আজকের টাকা তার কাছে নতুন টাকা। যা কিনা আগামীকালই পুরনাে হয়ে যাবে। উর্মিলা তখন সাংসারিক কোনাে প্রয়ােজনের কথা বললে মানিক সরকার বলেছে—নতুন টাকা আসুক—এলে পর কিনে এনাে। আগামীকালের মতাে তখন টাকাও ছিল নতুন। কেন? কেন এমন মনে হত তখন? | অনেক ভেবে ভেবে সে উত্তরটা পেয়েছে। তখন ছেলেমেয়ে বড়াে করার ছিল। সামনে ছিল অফিসে দু-একটা প্রােমােশন। মানে ভবিষ্যৎ বলে একটা কিছু ছিল। তাই নিত্যদিনের টাকাও তার কাছে নতুন হয়ে আসত—এসে হাতে পড়ে পুরনাে হয়ে যেত। মানিক সরকারও তখন তাদের ভুলেও যেত। তাদের বিলি-ব্যবস্থাও তখন তার কাছে তুচ্ছ হয়ে পড়ত। কেননা, উর্মিলার সারা মাথা তখনাে বেশ কালাে।

    আসলে এখন তার কোনাে ভবিষ্যৎ নেই। তাই টাকারও সে কোনাে উনিশ-বিশ দেখতে পায় না। খরচ হয়ে যাওয়া সব টাকাই এখন তাই তার কাছে বাঁচিয়ে তােলার জিনিস।

    পঞ্চাশ পেরিয়ে উর্মিলা তার কাছে মাসে একশাে টাকা হাত-খরচ পায়। কেননা, সব টাকা হাতে দিলে সে খরচ-খরচার গােলমাল পাকিয়ে বসে।

    একশাের ওপর আরও সত্তর টাকা দিয়েও যখন মানিক সরকার শুনল, দশটা টাকা দাও তাে—তখন সে বলে বসল—কেন?

    তােমার ভাইয়ের বউয়েরা তাে সব টাকা নিজেরাই খরচা করে। কোনাে কৈফিয়ত দেয় না কাউকে— | ওদের আয় বেশি। আমার তাে মাপা টাকা ঊর্মি। চাকরিও আছে মােটে অল্পদিন।

    শুনে রাখাে। আমিও আর বেশিদিন নেই। আর বড়ােজোর পাঁচ ছ-বছর আছি।

    ভেতরে ভেতরে চমকে গেল মানিক সরকার। উর্মিলা তাহলে ওর মৃত্যুর সময়টা জানতে পেরেছে। আশ্চর্য। আমি যে আমারটা কখন—তার কিছুই জানতে পারিনি।

    সন্ধেবেলা অফিস ফেরত বাড়ি না ফিরে বাহান্ন বছরের ছােটোভাইয়ের বাড়ি গেল। ছােটোভাই বাড়ির লনে বসে বরফ সােড়া দিয়ে হুইস্কি খাচ্ছিল। দাদাকে দেখে বলল, খাবে?

    দে— ওকি? এক তেঁাকে খেয়ে ফেললে? নাঃ! তােমার সঙ্গে খাওয়া যায়

    না।

    এক টোকে খেলেই তাে কিক পাই। তাই বলে? মানিক সরকার তার পরের দু গ্লাসও খেয়ে ফেলল। তবে এক টোকে নয়। আবার তারিয়ে তারিয়েও নয়। খেয়ে বলল, উঠি রে—

    যাবে কীসে? কেন? এত বাস, মিনিবাস চলছে। ট্যাক্সি নাও একটা। ড্রাইভার যে গাড়ি তুলে দিয়ে চলে গেছে।

    দিব্যি চলে যাব।—বলে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ল মানিক সরকার। বেশি রাতের ঠান্ডা বাতাস কপালে লেগে তার নেশাটা গাঢ় হয়ে এল। তখন তার মনে পড়ল—আমার তাে কোনাে বন্ধু নেই। আমার কোনাে লক্ষ্যও নেই। হাতে এই যে ঘড়ি আছে—তা থাকা না থাকারই সমান। কেননা, দিন রাত্রি সবই সমান আমার কাছে।

    মিনিবাস এসে দাঁড়াতেই মানিক সরকার লাফিয়ে উঠে গেল। ভেতরটা আলােয় উজ্জ্বল। বসার সিট নেই। কিন্তু লােক নেমে যাচ্ছে বলে ভালােভাবেই সে দাঁড়াল। হাতল ধরেই তার নেশাটা চাগাড় দিয়ে উঠল। তার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল, একি? আমিও উঠলাম—আপনারাও সবাই নেমে যাচ্ছেন—

    যারা বসেছিল তারা ভাবল, কোনাে ক্যানভাসার হবে। ধূপকাঠি কিংবা লজেন্সের। নতুন কায়দায় বক্তৃতা শুরু করবে লােকটা এখন।

    দুনিয়া গুলিয়ে ওঠা নেশার ঘূর্ণিতে মানিক সরকার তখনাে বলে চলেছে—এমা! কোনাে দোষ করলাম না তাে? সবাই নেমে যাচ্ছেন যে— | যাদের নামার তারা নামতেই মিনিবাস স্টার্ট নিল। কন্ডাক্টর দেখল, লােকটা তাে ক্যানভাসার নয়। সে বলল, টিকিট?

    মানিক সরকার একগাল হেসে বলল, রােজ টিকিট! ভালাে খেলা বের করেছ তাে। ভেবেছ বুঝি না কিছু? আমরা ঘাসে মুখ দিয়ে চলি—

    কন্ডাক্টর ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে গেল। বলল, মানে? যারা বসেছিল—তারা কেউ কেউ হেসে উঠল। কেউ মুখ ঘুরিয়ে নিল। একজন বলল, পথেঘাটে আজকাল সর্বত্র মাতাল—

    মানিক সরকারের নেশা তখন ঝাঁ ঝাঁ করে ধরে উঠেছে। সে প্যাসেঞ্জারদের দিকে তাকিয়ে নিয়ে বলল, কেউ ওর ফাঁদে পা দেবেন না। কেউ যেন ভুলেও

    টিকিট কাটে। রােজ ভুজুং দিয়ে আমাদের দিয়ে টিকিট কাটায়—ভেবেছ বুঝি না কিছু—

    অল্পবয়সি কন্ডাক্টর বলল, টিকিট দিন। মানিস সরকারও হাসি হাসি মুখে বলে, অত বােকা পাওনি আমাদের ভাই! সে গুড়ে বালি।

    মিনিবাস ছুটছে। থামছে। আবার ছুটছে। কেউ উঠল। কেউ নামল। দিন দিন—টিকিট দিন। যতই বল—আমরা ভুলছি না ভাই! আজ তুমি ধরা পড়ে গেছ।

    সারাটা মিনিবাস হাসির হররায় ফেটে পড়ল। আলাের ভেতর প্যাসেঞ্জারেরা দিব্যি মজা পাচ্ছিল। শুধু একজন বলল, নামিয়ে দিন দাদা। আজ একটু বেশি হয়ে গেছে।

    মিনিবাসের পাইলট স্পিড কমিয়ে দিয়ে বলল, থানায় ঢুকিয়ে দিচ্ছি গাড়ি—তখন সুড়সুড় করে টিকিট দিতে হবে।

    প্যাসেঞ্জাররা আপত্তি করল। থানায় যাবেন না। গাড়ি ছাড়তে দেরি করবে। এক মহিলা বলল, নামিয়ে দিন না।

    খচ করে মিনিবাস ব্রেক কষেই থামল। থামার ঝেকে টালমাটাল মানিক সরকার দোরগােড়ায় এসে পড়ল।

    নামুন। নামুন! আগে নামার জায়গা আসুক

    নামুন বলছি—বলে কন্ডাক্টর প্রায় ঝাকুনি দিয়ে মানিক সরকারকে নামিয়ে দিতেই মিনিবাসটা ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে লাগল।

    অন্ধকারে, আবছামতাে অন্ধকারে দাঁড়িয়ে একবার মানিকের মনে হল, একটা মিনিবাসে যতটা অপমান ধরানাে যায়—তার সবটাই এখন তার পিঠে চাপিয়ে দিয়ে মিনিবাসটা চলে গেছে। একবার এও মনে হল—অপমানের ওজন তাহলে এ-রকম। সে যেন সামনের দিকে ঝুঁকে পড়েছিল।

    কিন্তু এসব ভাবনা কয়েক সেকেন্ড মাত্র থাকল। তার সবটা ফুরফুরে হয়ে উঠল। অন্ধকারে মনে হল কোথায় যেন ফুল ফুটেছে। তারই গন্ধ আসছে। এক টাকা দশ পয়সা বাঁচানাে গেছে।

    কিন্তু এ ভাবও বেশিক্ষণ থাকল না। কেননা, আবছা অন্ধকারে এ জায়গাটা সে চিনতেই পারল না ভালাে করে। মাঝে মাঝে ভিড়ে বােঝাই বাস ঝড়ের বেগে বেরিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম নেই। ট্যাক্সিও ঊর্ধ্বশ্বাসে। টিমটিম করে রিকশা এগিয়ে আসে—পাশ দিয়ে চলে যাবার সময় তা অটো হয়ে যায়। হাত তুললেও দাঁড়ায় না।

    সদ্য সদ্য এক টাকা দশ পয়সা বাঁচানাের আনন্দ মাঠে মারা যায় যায়। সে একটা টিমটিমে আলাে দেখে ডুবন্ত লােকের মতাে আগাম হাত তুলে চেঁচাতে লাগল, অটোদা–ও অটোদা—

    যে করেই হােক তাকে চেনা পৃথিবীতে ফিরে যেতে হবে। একটা অটো দাঁড়াতেই সে তার পেছন দিককার অন্ধকারে ঢুকে বসল। বসেই বুঝল, দুজন। মেয়েলােক বসে আছে। মানিক সরকার দেখল, রাস্তার দুধারের দোকানপাট বন্ধ। তাহলে রাত কত এখন? রাস্তায় লােক নেই শীতের জন্যেই বােধহয়।

    এইসব ভাবতে ভাবতেই মানিক সরকার টলটল করে উঠল। খােলা অটোয় হু হু করে হাওয়া ঢুকছিল। তখনই তার মনে হল—সে তার দুপাশের আবছা দোকানপাট, পেট্রলপাম্প, দুধের কুঠি একটু একটু চিনতে পারছে।

    পাশে তাকিয়ে বুঝল, এত রাতে অটোতে যে দুই মেয়েলােক বসে তারা হয় চালউলি, নয়তাে বাজারে সবজি বেচে ফিরছে। ওদের ব্যবসাপত্তর নিয়ে কথা বলার খুব ইচ্ছে হল মানিক সরকারের। বিশেষ করে ওরা যদি সবজির | লােক হয়ে থাকে তাে সে এখনই লাউয়ের কেজি কত জেনে নেবে। কতদিন লাউ খাওয়া হয় না।

    নিজেকে একটু ঘন করে নিয়ে মানিক সরকার বলল, ও মেয়ে ওরা জবাবই দিল না। অটোর আওয়াজে তার গলা ঢাকা পড়ে গেল। তখন মানিক তার একটা আঙুল পেন্সিল করে একজন মেয়ের পিঠে ফোটাল। অ-মেয়ে-এ

    কী বেহায়া পুরুষ গাে। অ ড্রাইবর। থামাও—থামাও—

    সব বুঝতে পারল না মানিক। অটো থেমে যেতে মেয়েলােক দুজন সামনে গিয়ে বসল। আর ড্রাইভার পেছন ফিরে ধমকে উঠল তাকে, নেমে যান—নেমে যান বলছি—

    কেন অটোদা? আমি একটা কথা কইবাে বলে— নামুন বলছি। অসভ্য কোথাকার—

    মানিক সরকার নেমে দাঁড়াতেই হুস করে অটো চলে গেল। ভালাে করে তাকিয়ে দেখে—এ যে তাদেরই চেনা রথতলার মােড়। যেখানে নামার কথা

    সেখানেই তাকে নামিয়ে দিয়েছে অটোদা। অথচ ভাড়াটা নেয়নি রাগে রাগে। কী যে সুখের সবকিছু ঘটে যাচ্ছে পর পর। ভেবে পায় না মানিক সরকার। দেড়টা টাকা বাঁচিয়ে তােলা গেল এমনিতেই। আদিগঙ্গার একেবারে ঘাড়ের ওপর আস্ত একখানা চাদ। একেই কি বলে নেশা? চাদ এত কাছে?

    এখন পায়ে হাঁটলে পনেরাে মিনিট—তবে বাড়ি। রিকশায় লাগে মিনিট তিন-চার। কিন্তু একখানাও রিকশা নেই। পানের দোকান বন্ধ হয়ে গেছে। রাস্তায় শুধু কুকুর। কাঠের পুলটা কুয়াশা আর চাঁদের আলােয় এখন ছাই ছাই সিমেন্টের মনে হল মানিকের।

    হাঁটতে শুরু করবে মানিক-এমন সময় রিকশাভ্যান এসে মােড় নিল। এগুলােকে এদিকে বাজার গাড়ি বলে। ফুলকপি যায়। ডাবের সময় ডাব।

    নেবে ভাই আমায়? একটুখানি যাব— আসুন।

    মানিক সরকার পা ঝুলিয়ে বসে বলল, আমি একটা টাকা দিতে পারব। মেটে মসজিদ এলেই নেমে যাব ভাই—

    টাকা লাগবে না। বেহালায় ট্রিপ দে আলাম। কী নিয়ে গিয়েছিলে ? লাউ বাবু। টং করে উঠল মানিকের মাথার ভেতরে। কচি ছিল ? কেজি কত করে? আমরা পাইকারি জানি বাবু। খদ্দেরের খুচরাে দর তাে জানিনে— থামাও ভাই। এসে গেছি। থামাও

    রিকশাভ্যান থেকে নেমে বাড়ি মানে কয়েক পা। সেটুকুও ফুর্তিতে শিস দিতে দিতে ঘরে ঢুকল মানিক সরকার। ঢুকে দেখল, উর্মিলা কার সঙ্গে হেসে হেসে ফোনে কথা বলছে। কান ফোনে। ঊর্মিলার চোখ তারই দিকে। হাতে রিসিভার চেপে ঊর্মিলা গম্ভীরমুখে জানতে চাইল, এত ফুর্তি? আজও নিশ্চয় ভাড়া দাওনি বাসে?

    বাস, মিনিবাস—এমনকি অটোতেও লাগেনি! ছিঃ! ছিঃ! যাতায়াতের দুপিঠ কোথাও ভাড়া দিইনি! ছিঃ ! বেশ কয়েক টাকা বাঁচিয়ে তােলা গেল।

    কথা বােলাে না আর কার সঙ্গে কথা বলছ এত রাতে?

    ফোনে ওপাশে কাকে হুঁ হ্যা—এসব বলে আবারও উর্মিলা রিসিভারে হাত চাপা দিয়ে বলল, বেয়ান।—বলেই উর্মিলা কুলকুল করে হেসে উঠল, শুনে অবাক হবে—তােমার ছােটোমেয়ের দিদিশাশুড়ির ফের এই বয়সে দাঁত উঠছে—

    বেয়ানের শাশুড়ির? তিনি বেঁচে আছেন নাকি?

    তবে বলছি কী! আবারও ছেলেবেলা ফিরে এসেছে বুড়ির। বয়সের গাছ-পাথর নেই। নব্বই-পঁচানব্বই হবে। অনেকদিন হল দাঁত পড়ে গিয়েছিল সব। আবার দাঁত দেখা দিয়েছে কচি কচি তাই নাকি?

    ঊর্মিলা গম্ভীর হয়ে বলল, বয়সের চাপে ছােটো হয়ে গেছে বুড়ি। অথচ মৃত্যুর দেখা নেই। কবেই মরে যাওয়া উচিত ছিল। অথচ মরছে না। কে দেখবে

    ওকে এখন ? কেউ দেখার নেই। ফের ছেলেবেলা ফিরে এল বুঝি!

    মানিক সরকারের নেশা কোত্থেকে বেমালুম মুছে গেল। সারাদিনে বাঁচিয়ে তােলা টাকাগুলাের জন্যে যা কিছু ফুর্তি সব ঝপ করে নিভে গেল। সে বুঝতে চাইল, মানুষের ঠিক কখন মরে যাওয়া উচিত। ঘরের ঠিক মাঝখানে সে চুপ করে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    উর্মিলা তখনাে ফোনে কথা বলে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }