Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় এক পাতা গল্প379 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নদী

    যুধিষ্ঠির ইলিশের সঙ্গে আমার আলাপ হয় ১৯৮৪-র সেপ্টেম্বরে। বরানগর বাজারের পেছনে। বাড়িটা এখন আমি ভুলে গেছি। তার জোয়ান নাতি আমাকে নিয়ে গিয়ে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। বাড়িটা খুব সম্ভব রতনবাবুর ঘাট আর প্রামাণিক ঘাটের মাঝামাঝি। খুব সাধারণ বসতবাড়ি। খালি বারান্দা। একচিলতে উঠোন। টালির চাল। মরা ডুমের আলাে।

    তখন আমি নগর বরাহনগরের গায়ে গঙ্গার বুক দেখি। জল। মাছের নৌকো। বন্ধ কারখানার ভাঙা দেওয়ালের ভেতর দিয়ে ফলন্ত বাতাবি গাছের নুয়ে-পড়া মাথা। একটা শঙ্খচিল রােজ দুপুরে তার দুই ছানাকে নিয়ে শিকারের—আকাশে উড়ে বেড়াবার কোচিং দিতে আসত।

    এইসব দেখতে দেখতে কুঠিঘাট থেকে প্রামাণিক ঘাট, রতনবাবুর ঘাট, সর্বমঙ্গলা ঘাট অবধি চলে যেতাম। মাঝে কাশীপুর মহাশ্মশান, অর্ডনান্স কারখানা, বরাহনগর থানার ভাঙাবাড়ি, সন্ধ্যার আঁধারে বাঁধানাে কুঠিঘাটে বসে ওসি গরম দুধ খাচ্ছেন, টালি আর চুনের নৌকো এসে ভিড়ছে মেদিনীপুর থেকে। জলের গায়েই হরকুমার ঠাকুর রােডে ইমারতি স্টোর্স। উল্টোদিকেই ওপারে বেলুড় মঠ, বালি ব্রিজে রেলগাড়ি ঝমঝম।

    গঙ্গার গায়ে ঘুরি। প্রামাণিক ঘাটে জলের ওপর অনেক উঁচুতে কাঠের জলটুঙি, অশ্বত্থ গাছের ঝুরি, মাছখেকো কুকুর জলের কিনারায় লাফিয়ে লাফিয়ে মাছ খাচ্ছে। আমি হাঁটছি জল ধরে ধরে। যেখানে না পারি—সেখানে মিউনিসিপ্যালিটির সরু রাস্তা ধরি। প্রাচীন জমিদার বাড়িগুলাের গা দিয়ে—যেখানে

    এখন মােটর গ্যারেজ, গুলকয়লার কারখানা।

    এইভাবেই পেয়ে যাই একটা বাড়ি—যার গায়ে লেখা

    হেয়ার লিভড ডাচ গভরনর। বাড়িটা এখন গার্লস ইস্কুল। আরও এগােই। লােকালয়। চিত্তেশ্বরীর মন্দির। শাহজাহানের আমলের। তারপর সর্বমঙ্গলা ঘাট। শীতের ভােরে খুরির চা। সর্বমঙ্গলা ঘাটের গায়ে পাথরে লেখা—

    ক্যালকাটা পাের্ট

    ইস্টার্ন লিমিট

    ১৮৬১ তারপরই গঙ্গার গায়ে সেইসব ভুতুড়ে গুদাম—যার গা দিয়ে রেললাইন বেরিয়ে ঘাসে-ঢাকা বাফারে এসে বুজে গেছে। তীর ঘেঁষে ঝাকড়া নিষ্ফলা সবেদা গাছ। গাছের পায়ের কাছে জোয়ারের গঙ্গা যতবার পারে তীরে উঠতে চেষ্টা করছে—ততবারই একটা জখম শকুন পা হেঁচড়ে গাছটার শেকড়ে উঠে বসে বাঁচতে চাইছে। পারছে না। জল তাকে টেনে নামাবেই। অথৈ জলে।

    গাছতলায় ঘাসে-ঢাকা, জং-ধরা রেলপাটির ওপর যশাের খুলনার অভাবী মুসলমানরা এসে ঝুপড়ির নগর তুলেছে। তাদের বাচ্চারা শকুনটাকে বাঁশ দিয়ে জলে ঠেলে দেবেই। বাচ্চাদের বাবারা বিনা লাইসেন্সের তে-ভাঙা রিকশা-সাইকেল চালিয়ে সর্বমঙ্গলা ঘাটে প্যাসেঞ্জার নামিয়ে দিয়েই ঝুপড়ির সংসারে নিজের নিজের বাজার নামিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। দেড়শাে সর্ষের তেল, চারআনার মিল্ক পাউডার, মরা তেলাপিয়া, পচা কুমড়াে, বাসি পাউরুটি, বাংলা গােলা সাবান, ব্ল্যাকে কেনা রেশনের কাঁকুরে চাল, কৌটো থেকে বানানাে মগ।

    শিকারি শঙ্খচিল, জখম শকুন, ঘাসে-ঢাকা রেলপাটি, অভাব থেকে রিফিউজি, নদীতে ভাসিয়ে আনা মেদিনীপুরি বাঁশের গােছা, গঙ্গার ঘাটে ঘাটে লেগে থাকা হরকুমার ঠাকুরের নামে রােড, গরম দুগ্ধপায়ী ও সি, ক্যালকাটা পাের্টের ১৮৬১ সনের সীমানা, হিয়ার লিভড ডাচ গভরনর, চৈতন্যদেব ত্রৈলঙ্গস্বামী-রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দ পা ধুয়ে ডাঙায় উঠেছেন যে কুঠিঘাটে—তার গা দিয়ে থানার সামনে বয়ে-যাওয়া এই গঙ্গায় একদিন সুবে বাংলার সুবেদার শাহজাদা সুজা নৌকোয় করে এলাহাবাদে গিয়ে উঠেছেন—এই জলধারাই কাশীতে পৌছে একদিন আকবর বাদশাকে হাতির দঙ্গলসমেত মুঘল ফৌজ নিয়ে পারাপার হতে দেখেছে। আকবর তখন বিদ্রোহ গুড়িয়ে দিতে বাস্ত।

    আর সেই গঙ্গার পারেই ছােট্ট একখানি ঘরে যুধিষ্ঠির ইলিশে সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিল তারই জোয়ান নাতি। স্বয়ম্বর কাওরা। এমনই এক ইলশেগুঁড়ি সেপ্টেম্বরের ঝিরঝিরে বিকেলে।

    স্বয়ম্বরেরর কাছে আমি অনেকদিন গঙ্গার ইলিশ নিয়েছি। বিকেলের দিকে। গঙ্গার ওপার থেকে পড়ন্ত সূর্য তখন ফাঁকা বরাহনগর বাজারের ভেতর তিন-চারটি আলাের রেখা পাঠায়। সেই আলােয় স্বয়ম্বর গােনাগুনতি তিনটি কি চারটি গঙ্গার ইলিশ নিয়ে বসে। চকচকে। সেদিনেরই ধরা। হয়তাে কয়েক ঘণ্টা আগে। নাক থেকে লেজে পাটের সুতুলি বাঁধা। ধনুক-হয়ে-ওঠা ইলিশ সামনে রেখে স্বয়ম্বর চুপ করে বসে থাকে।

    আমি গঙ্গা দেখি, গঙ্গার সঙ্গে জড়ানাে ইতিহাস চালি। হাওড়ার ঘুসুড়ি থেকে তাঁতের কাপড় নিয়ে তাঁতিরা এই গঙ্গা পেরিয়ে গােবিন্দপুর, সুতানুটি মাড়িয়ে লাসা অবধি চলে যেত জাহাঙ্গির বাদশার আমলে। লাসায় সব বিক্রি না হলে ঘুসুড়ির তাঁতিরা সেখান থেকে সিঙকিয়াঙ-কাশগড় অবধি ধাওয়া করত। এই নদী দিয়েই আওরঙ্গজেবের নৌকোরা পাটনা চলে গেছে একদিন—আমাদের এই তীর ঘেঁষেই পর্তুগিজ হার্মাদরা চলে যেত হুগলির গায়ে গায়ে-হাটবারে— গরু-ছাগলের মতাে মানুষজন তুলে এনে গােলামবাদী করে বেচে দিত। ওইসব ঢেউয়ের ওপর দিয়েই এলাহাবাদের ব্রিটিশ রেসিডেন্সির জন্যে কলকাতা থেকে বজরায় করে গােলাবারুদ যেত তখন—যখন রেললাইন বসেনি—সিপাহি বিদ্রোহ হয়নি। একটা ভুল হল। ওইসব ঢেউ নয়। তখন তাে অন্য ঢেউ ছিল।

    একটা দুটো করে গঙ্গার ইলিশ কিনতে কিনতে আমি আর স্বয়ম্বর বন্ধু হয়ে গেলাম। শেষদিকে ও বাকিতেও দিত। এক কেজি সাড়ে তিনশাে হলে স্বয়ম্বর পঞ্চাশ গ্রামের দাম ছেড়েও দিত। একদিন স্বয়ম্বর বলল, ইলিশ চিনতেন আমার ঠাকুর্দা। কিন্তু—

    আমি তাকিয়ে পড়ায় বলল, ঠাকুর্দা জানত-ইলিশের ঝক কখন আসবে। হাওয়া দেখে—ঢেউ দেখে বলে দিত। এই গঙ্গায় মােহানা অবধি–গঙ্গাসাগর ফেলে ভেতর-দরিয়ায় পাঁচ-সাত মাইল অবধি সেঁধিয়ে গিয়ে ঠাকুর্দা ইলিশের গন্ধ পেত। গঙ্গা ছিল তার বৈঠকখানা। গঙ্গার দু-পাড়–গঙ্গার গায়ে বুলগানিন জেটি, পির সারেংয়ের দরগা, রেক টিসিমারু, আছিপুর, কুইনাইন রেক, রাঙ্গাফুলার চর, ওয়াল্লিশ ঘাট—সব ঠাকুর্দার যেন খেলার মাঠ। তক্তাঘাট, ভূতঘাট, কালাদুনিয়া মিল, কুকরাহাটি—এসব জায়গায় তাে দাদু যৌবন বয়সে এক-একসময় থেকেছে।

    ওসব জায়গায় থাকতেন?

    হা। আমার এক-এক ঠাকুরমায়ের সঙ্গে এক-এক জায়গায় সংসার করেছেন।

    রেক টিসিমারু, ওয়াল্লিশ ঘাট, কালাদুনিয়া মিল—এসব নাম শুনি আর মনে হয়—ওসব নাম যেন দূর-দরিয়া-পেনাং, সিঙ্গাপুর কিংবা জাকার্তার দিককার। অথচ ওরা আমাদের এই বাস-ট্রামের কলকাতার গায়েই–গঙ্গায়। বাড়িঘরদোর দিয়ে ঢাকা বলে দেখতে পাই না।

    দাদু কতদিন হল মারা গেছেন? কে? যুধিষ্ঠির ইলিশ? তিনি তাে মারা যাননি। অবাক হলাম। জানতে চাইলাম, যুধিষ্ঠির ইলিশ ?

    হ্যা। যুধিষ্ঠির ইলিশই আমার দাদু। আসলে তিনি যুধিষ্ঠির কাওরা। সবাই যুধিষ্ঠির ইলিশ বলে। একবার—একটু থেমে স্বয়ম্বর আমার মুখ দেখে বলল, হয়তাে প্রত্যয় যাবে না—সারা জীবন মাছ ধরে ধরে স্বয়ম্বর যে কোত্থেকে এত ভালাে ভালাে বাছাই বাংলা শব্দ পায় জানি না। বললাম, কেন বিশ্বাস করব না। বল যা বলবে—

    দাদু একবার গঙ্গাসাগর ফেলে ভেতর দরিয়ায় এগিয়ে যান নৌকো নিয়ে। ওর সঙ্গী থাকত আমার বাবা, জ্যাঠা, কাকারা। জাল ফেলতে ফেলতে এগিয়ে গিয়ে দাদু একসময়-—এক ভাদ্র মাসের দুপুরবেলায়—অত বড়াে দরিয়ার ভেতর একা নৌকোয় দাঁড়িয়ে পড়ে চেঁচাতে লাগলেন—ইলিশ! ইলিশ !! ওরে ইলিশ !!

    কী ব্যাপার ?

    দাদু পাগল হয়ে গিয়েছিল। হা কিছুক্ষণের জন্যে পাগল। কয়েক বছরের ইলিশ যেন একটা ঝাঁকে ঝাঁক বেঁধে সেদিন দুপুরে দাদুর জালে দেখা দেয়। তাইতাে বলেছিলেন বড়াে জ্যাঠা। সেদিন ওরা জাল টানেনি। টানলে সবাইকে তলিয়ে যেতে হত ঝকের সঙ্গে। এত ইলিশ এসেছিল। কিন্তু—

    কিন্তু কী?

    আমার দিকে না তাকিয়েই স্বয়ম্বর বলল, সেই থেকে দাদুর মাথাটা গণ্ডগােল হয়ে যায়।

    পাগল?

    ঠিক পাগল নয়। এমনিতে কোনও পাগলামি নেই। হঠাৎ হঠাৎ এক-একসময় ইলিশের কথা বলতে থাকেন দাদু। একটানা। অনেকক্ষণ ধরে। আর চোখটাও চোখ?

    হা। ডাক্তার দেখানাে হয়। তিনি বলেছেন, অত ইলিশ একসঙ্গে। খােলা আকাশের আলাে পড়ে একসঙ্গে অত ইলিশ ঝিকমিক করে উঠেছিল। সেই আলােয়—

    চোখ ধাঁধিয়ে গিয়েছিল? তাই হবে। তবে এমনিতে দেখতে পান। মাঝে মাঝে সব গুলিয়ে যায়। তাহলে আমায় তােমার দাদুর কাছে নিয়ে চল।

    সেই যাওয়া আমার। তখনও জানি না—ছােট্ট একখানা ঘরে অমন একা বসে থাকা–জীবনের প্রায় সব ভুলে যাওয়া—মাঝে মাঝে ইলিশ! ইলিশ !! বলে চেঁচিয়ে ওঠা—জলদস্যু দর্শন-প্রায় পর্তুগিজ হার্মাদ-কান্তি এই যুধিষ্ঠির ইলিশের সঙ্গে জীবনের উত্তর-পঞ্চাশে আমার সেরা বেরিয়ে পড়া ঝুলছিল।

    ছােট্ট ঘরখানায় মানুষটি বসে। ছােট্ট খাটে। শাহজাহান বাদশার ব্যান্ডেল ঘাঁটি ভেঙে দেবার পর কোনও পালিয়ে বেড়ানাে পর্তুগিজ সর্দার যেন। ঈষৎ লালচে গায়ের রং। ছােটো করে ছাঁটা সাদা চুল। যেকোনও বলশালী মানুষের মতােই ভেঁতা নাক—ভারী চোয়াল। তাতে ভুলভুলে সাদা দাড়ি। চোখ অস্থির। কিন্তু মগ্ন। ভাবের পাগলের মতাে। এমন মানুষই বিশাল ভেতর দরিয়ায় ইলিশের ঝাঁকের মুখােমুখি দাঁড়িয়ে উঠে ইলিশ! ইলিশ !! বলে চেঁচিয়ে পাগল হয়ে যেতে পারে খানিকক্ষণের জন্যে। অত ইলিশকে চলে যেতে দিতে হবে বুঝতে পেরেই কি বিষাদে যুধিষ্ঠির ইলিশ অমন হয়ে যান? তাঁর মুখােমুখি তাঁরই ঘরে বসে আমি যখন এসব ভাবছি—তখন আমাদের সে জায়গা থেকে তিন ফারলং দূরে বি টি রােডের ওপর দিয়ে ভীমনির্ঘোষে লরির পর লরি যাচ্ছিল নিশ্চয়। এই বি টি রােড দিয়েই তাে একসময় ব্রিটিশ বড়ােলাট সপরিবারে হাতির পিঠে ব্যারাকপুরের লাটভবনে যেতেন। সবই যাওয়া আসা।

    একদিন বানের পর প্রামাণিক ঘাটে জলটুঙির সামনে ধ্বস্ত গঙ্গার বুকে স্বয়ম্বরের মাছমারার নৌকোটি একা ভাসছে। দুপুরের ঠিক মাঝামাঝি। আমি অশ্বথের ছায়ায়। হঠাৎ দেখি সে নৌকোয় যুধিষ্ঠির ইলিশ এসে বসল। এসেই ঘাটে বাঁধা কাছি খুলে ফেলল। করেন কী ? করেন কী?—বলতে বলতে আমি নৌকোয় উঠে তাকে আটকাতে গেলাম। পারব কোত্থেকে? গঙ্গা যে তার বৈঠকখানা !! স্রোত চেনেন। বৈঠাখানা এক বিশেষ কায়দায় ধরলেন। আমার দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, চুপ করে বসুন।

    যুধিষ্ঠির ইলিশের চোখে বা গলার স্বরে কোনও পাগলামি নেই। নৌকো চলেছে বন্ধু স্রোতে। একসময় জগন্নাথ ঘাট পেরিয়ে হাওড়া ব্রিজের তলা দিয়ে বাবুঘাটের দিকে চলে এলাম। চলেছি পাগলের সঙ্গে। তবে বানের পর যেমন শান্ত থাকে গঙ্গা–তেমনি শান্ত। জানা কলকাতা এবার চঁছাছােলা হয়ে ভেসে উঠছে চোখের সামনে। যেন কলকাতায় বেড়াতে এসেছি। নিউ সেক্রেটারিয়েট বাড়িটা পাড়ার মােড়ে মুদিখানায় সওদা করতে আসা সিড়িঙ্গে মেয়েটার মতাে দাঁড়িয়ে। রেল আর জাহাজ কোম্পানির চেনা বাড়ি দুটোকে সেই তুলনায় বেঁটে ছােকরা মতাে দেখতে। বাবুঘাটের বাস-মিনিবাস বুঝিবা খেলনা নিয়ে আঁকা কোনও ক্যালেন্ডারের ছবি। এভাবে তাে কখনও কলকাতাকে দেখিনি।

    তাকিয়ে দেখি—-যুধিষ্ঠির ইলিশ গাদাবােটে দাঁড়ানাে এক বুড়াে লস্করকে দেখে হাত নাড়ছে। আমাকে বলল, চেনা মানুষ। কতকাল পরে দেখছি। এ তাে স্বাভাবিক মানুষের গলা। গঙ্গাই বােধহয় যুধিষ্ঠিরের ওষুধ। আলটপকা বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে প্রামাণিক ঘাটে চলে এসেছে। কেউ জানে না হয়তাে। হয়তাে প্রামাণিক ঘাট থেকেই একসময় মাছ ধরতে বেরােত। আগাম ডাকবাংলাে ভাড়া করে–ডবলু ওয়াই লাক্সারি গাড়ি রেডি করে কিংবা ট্রেনে জানলার গায়ের সিট রিজার্ভ করে বেরিয়ে পড়া একরকম। আর কিছুই ঠিক করে জলপথে চেনা কলকাতাকে দেখতে দেখতে আনতাবাড়ি ভেসে পড়া আরেকরকম। বিশেষ করে একজন পাগলের সঙ্গে। যে কিনা গঙ্গাকে জানত। ইলিশকে চিনত। কিন্তু সব ভুলে গেছে। আর তারই হাতে নৌকো। আমি চালাতে জানি না। সাঁতার জানি। কিন্তু নৌকো ওল্টালে সাঁতরে তীরে উঠতে পারব বলে ভরসা রাখি না। কারণ, অনেকদিন তাে সাঁতরাইনি। সাইকেল চালাইনি। গাছে উঠিনি। একটা বিশাল জাহাজ দেখিয়ে বলল, নুনের জাহাজ।

    প্রায়ই আসে।

    একদম স্বাভাবিক গলা। নদীপথে সঙ্গী এমন পাগলই যেন আমার সই। স্বাভাবিক মানুষদের নিয়ে হাওড়া থেকে লঞ্চ বাগবাজার ঘাটে যাচ্ছে। গােয়ালিয়র মনুমেন্ট পড়ল বাঁ-হাতে।

    জাহাজের পর জাহাজ। যুধিষ্ঠির ইলিশ গঙ্গার ধারাবিবরণী দিচ্ছিল একা একাই। অনেকটা এরকম

    খিদিরপুর ডক। এখানে একটা সময় আমরা লুকিয়ে-চুরিয়ে ভেড়ানাে সব জাহাজের দরকারি লােহা-লক্কড় গঙ্গায় ফেলে দিতাম।

    বড়াে তৃপ্তি-মাখানাে হাসি যুধিষ্ঠিরের মুখে। বললাম, কখন ?

    সে অনেক বছর আগে। তখন বয়স কম ছিল। মনে হল, যুধিষ্ঠির এইমাত্র তার স্মৃতি ফিরে পেয়েছে।

    আমরা দরকারি জিনিস গঙ্গায় ফেলে দিতাম। বয়া দেখে ফেলার জায়গার নিরিখ রাখতাম। ভিনদেশি সব জাহাজ। ওরা মাথার চুল ছিড়ত। জাহাজ সারাই বন্ধ হয়ে যেত। তখন এগিয়ে গিয়ে বলতাম—দেখি খুঁজে। কী দেবে? দর কষাকষির পর মােটা টাকা নিয়ে ডুব দিতাম।

    খুঁজে পাওয়া যেত? যাবে না কেন? গঙ্গার পেট তাে দশ-বারাে বছর বয়স থেকেই চিনি।

    এমন গঙ্গালজিস্ট-—অথচ সব ভুলে যান মাঝে মাঝে। ধারাবিবরণী বন্ধ হয়নি। যুধিষ্ঠির ইলিশ বললেন, ওই যে কলেজ চরা।

    সত্যিই তাে! এভাবে তাে কোনওদিন শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে দেখিনি। গাছগাছালির ভেতর জলের ট্যাঙ্ক। আদালত-বাড়ির মতাে লালচে দেওয়াল। জল থেকে দেখতে একদম অন্যরকম। কাছাকাছি বটানিকসের কঁকড়া কোনও গাছের মাথা।

    ফের বাঁদিক দেখিয়ে বললেন, ওখান থেকে তুফান সিগনাল দেখায়। ঝড়ের আগে।

    একটা উঁচু লােহার টঙ। সেখানে উঁচুতে চোপসানাে একটি বেলুন ঝুলছে। সামনেই নেতাজি ডক। ওর উল্টোদিকে বুলগানিন জেটি। এই জেটির গায়ে একবার সংসার পাতি।

    তার মানে কোনও বউ নিয়ে ঘর করেছিলেন যুধিষ্ঠির। বড়াে বড়াে জাহাজ দাঁড়িয়ে। লঞ্চের আনাগােনা। লঞ্চের লেজে ভাঙা ঢেউয়ের ভেতর মাছের আশায় ভাসন্ত বক। বাঁ-হাতে খিদিরপুর ফুরিয়ে যাচ্ছে। গঙ্গাও সরু হয়ে আসছে।

    এই তাে সাঁকরাইলের চরা। সামনে আক্রা-শ্যামপুর। এখানে একসময় খুব ইলিশ পড়ত। স্বয়ম্বর তখনও হয়নি।

    একদম টনটনে স্মৃতি। যাক, কোনও ভয় নেই। সাঁকরাইলের চরার ওপারে ডাঙায় বর্ষার পরেকার বাগানবাড়ি। চাষের জায়গা। সাইকেল সারাইয়ের দোকান দেখা যায়। গাছপালা ঘন সবুজ। একদল স্কুলের ছেলে ছুটতে ছুটতে নদীর পাড়ে এসে দাঁড়াল। আঃ! যদি ছবি আঁকতে জানতাম।

    গঙ্গা এখানটায় অনেকটা সরু। ওই যে কালাদুনিয়া মিল। আমরা ইলিশ দিলে ওদের মিলের খালাসি চটের বস্তা দিত। এক ইলিশে চার বস্তা।

    ভাবি, যুধিষ্ঠির ইলিশ কি আজ আমাকে সব দেখাবে বলে বেড়াতে নিয়ে বেরিয়েছে ?

    রােদ পড়ে আসার আভাস। এক জায়গায় নৌকো ভিড়িয়ে দিয়ে যুধিষ্ঠির একটা গাছের শেকড়ে কাছি বাঁধল। কাছেই কোনও পাটকলে ভেঁ দিচ্ছে। বােধহয় দিনের পয়লা শিক্ট শেষ হল। কোথায় ?

    এখানে পির সারেংয়ের দরগায় যাব। এর পরেই তাে বজবজের তেল-জেটি। যখন বলছেন যুধিষ্ঠির তখন বজবজের তেল-জেটি নির্ঘাত এই পির সারেংয়ের দরগার পরেই।

    বােঝাই যায়–গঙ্গার গা থেকে ডাঙার ভেতর দিকে গেলে ঘনবসতি আছে। ছালতােলা একটি বাজারে রাস্তা। তার গায়ে সােডাকল। ভাতের হােটেল। ইলেকট্রিক খুঁটি এসেছে। কারেন্ট আসেনি।

    একটা সবুজ মাঠের ভেতর সাদা একতলা। তার ছাদে সিমেন্টের উড়ন্ত কিন্তু ডানাভাঙা পরী। নিশ্চয় এটাই দরগাহ। লুঙ্গির ওপর ফতুয়া গায়ে যুধিষ্ঠির ইলিশ সাদা মাথা—ভুলভুলে সাদা চিবুকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সঙ্গে আমি বুঝি ফড়ের মতাে।

    পড়ন্ত দুপুর বলে দোকানপাট সবই বন্ধ। একটু বাদেই খুলবে। যুধিষ্ঠির ইলিশ যেন খুব চেনা জায়গায় এগিয়ে যাচ্ছেন। লম্বা লম্বা পা ফেলে।

    হঠাৎ দরগাহর ভেতর থেকে বিশাল লম্বা একটা লােক বেরিয়ে এল। হাসতে হাসতে। মাথায় বােধহয় রাঙতার টুপি। হাতে রুপােলি ছড়ি। লালচে মুখে সাদা খটখটে দাড়ি। গলায় ডুমাে-ডুমাে কালাে মটরমালা। গায়ের আলখাল্লাটি ঘাসে লুটোচ্ছে। তাই পা দেখা যায় না। বড়াে হুজুর! কতদিন পরে

    বড়াে হুজুর এগিয়ে এলেন। দু-হাত বাড়িয়ে যুধিষ্ঠিরের হাত দু-খানি ধরলেন। কতকাল পরে—কতদিন আসাে না।

    দেখলাম, বড়াে হুজুরের চোখে মােটা করে সুরমা। নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছি না। শুনলাম, যুধিষ্ঠির ইলিশ বলছেন, এদিকটায় তাে আর ইলিশ পড়ে না। তাই আসা হয় না। করেকন্মে আর সময়ও থাকে না যে আসব।

    তােমার হাতের ইলিশ কতকাল খাই না।

    এবার এদিকে এলে যদি ধরা পড়ে তাে দিয়ে যাব। এই একটাকার বাতাসা চড়াব।—বলতে বলতে ফতুয়ার পকেট থেকে বড়াে একটা কাঁচা টাকা বের করলেন যুধিষ্ঠির তাতে জর্জ দ্য সিক্সথের মুখ।

    বড়াে হুজুর আমার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলেন, ইনি—?

    যুধিষ্ঠির ইলিশ সেই ভাবের পাগল চোখ তুলে আমায় দেখলেন। তারপর শান্ত গলায় বললেন, চিনি না তাে। কথাটা মিথ্যে বলেননি। এর আগে একবার মাত্র দেখেছেন। আমাকে মনে রাখার কথাও নয়। বুঝলাম, আমার জীবনের সেরা বেরিয়ে পড়ার গাইড গঙ্গায় পড়লে তার চেনাজানা ঘাটে এলে স্বাভাবিক হয়ে ওঠেন।

    পৃথিবীতে আরেকটা দিন ফুরােবার মুখে। নানান সভ্যতায় এখন পড়ন্ত বেলায় রােদ ফেলে ফেলে সূর্য একদম নিস্পৃহ। পির সারেংয়ের দরগার সামনে দাঁড়িয়ে সূর্যের সে মুখে তাকানাে যায় না। সে এক বলকা দিয়ে ফুটে ওঠা প্রাচীন আলাে। অথচ দেখতে কিন্তু নিত্য নতুন।

    সেই আলােয় গঙ্গার বুকে প্রতিটি ভাঙা ঢেউ এক একটি মিনি-আয়না। সে আয়নাগুলাের দিকে পিঠ ফিরিয়ে দাঁড়ানাে আরেক নিস্পৃহ মানুষ যুধিষ্ঠির ইলিশ। যে কিনা যৌবন বয়সে এক-এক ঘাটে সংসার পেতে ফেলেছিলেন। নদীর পাড়ে নারী নিয়ে।

    সেইসব ঘরনি এখন কোথায় ?

    স্বয়ম্বর তা আমায় বলেনি। তার ঠাকুর্দা ইলিশের ঝাক দেখে সব সংসার—সব গেরস্থালি ভুলে গেলেন? বুঝি না। জানি না। নদী জনপদ খায়। জনপদ তার পেটে তলিয়ে যায়। আবার কোনাে জনপদকে দেখে দিব্যি ভুলে গিয়ে দূরে সরে যায়। যুধিষ্ঠির ইলিশ কি সেইভাবে তার ঘরনিদের খেয়ে ফেলেছেন? না, তাদের ছেড়ে দিয়ে দুরে সরে এসেছেন?

    আমি স্বয়ম্বরের ঠাকুর্দার মুখে তাকালাম। তার চোখে আমার কোনও ছায়া পড়ল না। খানিক আগেই তাে গঙ্গায় তিনি আমার গাইড ছিলেন। আর এখন?

    আমাকে চিনছেনই না। সম্পূর্ণ অপরিচিত আমার চোখ থেকে চোখ সরিয়ে নিয়ে ফের বড়াে হুজুরের দিকে তাকালেন যুধিষ্ঠির। যেনবা বিরক্ত হয়েছেন আমার ওপর। যেন আমি একজন সম্পূর্ণ অজানা লােক। নাছােড় ল্যাংবােট হয়ে ওঁর সঙ্গ নিয়েছি। উনি আমায় ছাড়াতে পারলে বাঁচেন।

    বড়াে হুজুর এবার ফের আমার দিকে তাকালেন। সে চোখে বিরক্তি নেই। আবার কোনওরকমের আত্মীয়তাও নেই। আমার একবার মনে হল—এই বড়াে হুজুর কি আজকের! এই প্রাচীন দরগায় উনি শ-শ বছর ধরে পির সারেংয়ের মাজারে চামর দোলাচ্ছেন। গাঁদাফুল চড়াচ্ছেন। বাতাসা চড়াচ্ছেন। কত মানুষ কত মাসিক নিয়ে আসে দরগায়। সবার সব প্রার্থনা—সব মােনাজাত শুনে রাখেন বড়াে হুজুর। সারাদিন ধরে। তারপর গভীর রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে—শুধু গঙ্গা যখন জেগে থাকে-তখন তিনি দরগার ভিতর মাজারের ওপর থেকে ফুল-কাপড় সব সরিয়ে দেন। ফিরে মাজারের খুব কাছে গিয়ে বলে—

    পির সারেং। যুধিষ্ঠির ইলিশ এসেছিল তােমার দরগায়। বাতাসা চড়িয়ে দিয়ে গেল এক টাকার। ওর মােনাজাত হাসিল হয়নি এ-জীবনে। দরিয়াজুড়ে ইলিশ ঝুঁকবেঁধে এসেছিল। আটকাতে পারেনি। পাছে জালে আটকে অত বড়াে ঝকের ইলিশ ওদের নৌকো উল্টে দেয়। তাই—।

    পির সারেং। যুধিষ্ঠিরের খায়েশ পূর্ণ করে দাও। দুনিয়ায় আবার ইলিশ আসবে একদিন। যুধিষ্ঠিরও আবার এ দুনিয়ায় ফিরে আসবে তখন। সেদিন যেন যুধিষ্ঠির সেই ঝকের সব ইলিশকে আটকাতে পারে।

    পির সারেং। যুধিষ্ঠির গঙ্গার ঘাটে ঘাটে সংসার পেতেছিল। এক-একজনার সঙ্গে। ঘর-গেরস্থালিতে যুধিষ্ঠিরের বড়াে সাধ। সে সাধ ওর মেটেনি। এক-এক ঘাটে এক-এক বেগম। কোনও বেগম নিপাত্তা। কোনও বেগম যুধিষ্ঠিরকে ফেলে অন্য জায়গায় গিয়ে সংসার পেতেছে। এবার ওর ঘর-গেরস্থালির সাধ মিটিয়ে দাও।

    আমি বড়াে হুজুরের মুখে তাকিয়ে বুঝি আমাদের সাধ—ইচ্ছেগুলাে ইলিশ হয়ে ঝাকবেঁধে আসে। সেসব ইচ্ছায় রােদ পড়ে ঝিকমিক করে ওঠে। আমাদের। চোখ ধাঁধিয়ে যায়। তবু আমরা ইলিশ! ইলিশ !!—-বলে চেঁচিয়ে উঠি। কোনওটাও ধরতে পারব না জানি। ধরতে গেলে ভেসে যাব। ইচ্ছেগুলাে এতই জোরালাে। এত ধাঁধালাে। তাই বিষাদের প্রজা হয়ে যাই পাকাপাকি।

    যুধিষ্ঠির আমাকে দেখেছেন তাে পাগল দশায়। চিনবেন কী করে? হয়তাে এই পির সারেংয়ের দরগার কাছাকাছি কোনও দিন সংসার পেতেছিলেন।

    বড়াে হুজুরকে পকেট থেকে একখানা দু-টাকার নােট এগিয়ে দিয়ে বললাম, আমি আলাদা এসেছি। বাতাসা চড়াব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেরা ৪৫ – সায়ক আমান
    Next Article সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Our Picks

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    পঁচিশটি গল্প – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026

    সেরা ৪৫ – সায়ক আমান

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }