Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ডুব – কামাক্ষীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    অতীনদা সবরকম লেখা লিখতে পারেন। প্রেমের গল্প বলেন তো প্রেমের গল্প। অ্যাডভেঞ্চার বলেন তো অ্যাডভেঞ্চার। খেলাধুলোর গল্প? মনে হবে, তার মতো তুখোড় খেলোয়াড় আর দর্শক জন্মায়নি। তাঁর মতো ভালো রেফারি জন্মায়নি। অলিম্পিকের রেকর্ড তাঁর মুখস্থ। আর গান? রবীন্দ্র—সংগীত? রবীন্দ্রনাথ কত গান লিখেছিলেন, অতীনদা এক নিশ্বেসে বলে দেবেন। অতুলপ্রসাদ? গড় গড় করে আবৃত্তি করার মতো, অথচ গুনগুন করে গেয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা তিনি আপনাকে তাঁর গান শুনিয়ে যাবেন।

    অতএব খবরের কাগজে জার্নালিস্ট হবার, যাকে বলে কোয়ালিফিকেশন, সবটাই তাঁর আছে। কিন্তু কোথাও চাকরি তিনি করেন না।

    লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠা, যশ—সব কিছুই তিনি পেয়েছেন। কিন্তু টাকাকড়ি যতটা পাবার কথা তার সিকি ভাগও পাননি। বরং তার জন্য যে কোনোরকম দুঃখ তাঁর আছে—তাঁর সঙ্গে মিশলে সেটা বোঝা যায় না।

    কোনোদিন কারোর নিন্দে তাঁর মুখে শোনা যায়নি। যদি বলেন, অমুক লেখকের অমুক লেখা খুব খারাপ—তিনি সঙ্গে সঙ্গে বলবেন, সেই লেখকের সেই লেখাটা পড়েননি?

    অর্থাৎ, এক কথায়, সবাইকার ভালোর দিকটা তিনি দেখেন। না বললেও বুঝি—তিনি বলতে চান, মানুষের মন্দ দিক, মানুষের নিন্দে করার মতো লোকের অভাব নেই। তিনি, সেই সব লোকদের দলে কেন যোগ দিতে যাবেন?

    আমাদের সেই অতীনদাকে সন্ধেবেলায় সস্তার একটা চায়ের দোকানে আমরা ধরে বসলাম, ‘দাদা, আপনি ভগবান বিশ্বাস করেন?’

    তিনি বললেন, ‘মানুষের মধ্যে ভগবানকে বিশ্বাস করি।’

    ‘ভগবানের মধ্যে মানুষকে?’

    ‘জানি না।’

    ‘মানুষের মধ্যে ভূতকে?’

    ‘জানি না।’

    ‘ভূতে বিশ্বাস করেন?’

    ‘জানি না।’

    ‘আপনি তো সবরকম লেখায় সিদ্ধহস্ত—’

    ‘সবরকম লেখায় কেউ সিদ্ধহস্ত হতে পারে নাকি? এক রবীন্দ্রনাথ ছাড়া? আর কোন দেশে কোন সেঞ্চুরিতে ক—টি করে রবীন্দ্রনাথ জন্মান— বল তো?… তবে হ্যাঁ, নানারকম লিখেছি। শুধু আধুনিক কবিতা ছাড়া।’

    ‘কেন?’

    ‘কারণ আধুনিক কবিতা লিখতে শিখতে হয়। সেটা আমি শিখতে পারিনি। কিন্তু ছোট্ট একটি আধুনিক কবিতা আমাকে এমন নাড়া দেয়, যেটা হাজার পাতার ক্লাসিক্সও আমাকে নাড়া দেয় না।’

    ‘কিন্তু যেকোনো পত্রিকা খুললেই তো কবিতা দেখি, যাকে বলে আধুনিক কবিতা। মনে হয় তো, আধুনিক কবিতা লেখার মতো সহজ কাজ নেই—’

    অতীনদা খুব যত্ন করে কড়া একটা বর্মা চুরুট ধরালেন। চুরুটের আগায় ভালো করে আগুন ধরেছে কিনা ঘুরিয়ে—ফিরিয়ে দেখলেন। তারপর লম্বা একটা টান দিয়ে একমুখ ধোঁয়া ছেড়ে, চুরুটটা ঠোঁট থেকে নামিয়ে, চায়ের পেয়ালায় এক চুমুক দিয়ে, চেয়ারে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আপন মনেই হাসতে লাগলেন।

    আমাদের মধ্যে একজন প্রশ্ন করল, ‘অতীনদা, হাসছেন কেন?’

    ‘হাসছি তোমাদের হাসির কথা শুনে।—কতবার তোমাদের বোঝাব যে, কবিতার দুটো লাইন মিললেই যেমন কবিতা হয় না, তেমনি কোনো লাইন না মিললেই কবিতা হয় না—না আধুনিক, না অনাধুনিক। আসল কথা মনে রেখ, সব জিনিসেরই ব্যাকরণ আছে। কুমোর যে মাটির খুরি, গেলাস, ভাঁড় বানায়, তাকে কুমোরের চাকার ব্যাকরণ শিখতে হয়। ধুনুরি, যে তুলো ধোনে, তাকে শিখতে হয় ধুনুরির ধনুকের ব্যাকরণ। তেমনি জেলেকে, চাষিকে, ঘাস—কাটিয়েকে। আর্টিস্টকে, কবিকে, অভিনেতাকে, সাহিত্যিককে।—যারা এখন আধুনিক কবিতা লিখছে বলে মনে করে—আমার তো মনে হয়, তাদের অধিকাংশরই আধুনিক কবিতার অক্ষর—পরিচয় হয়নি—ব্যাকরণ তো দূরের কথা।

    আমরা প্রায় সমস্বরে বলে উঠলাম, ‘অতীনদা, আপনি ভারি সিরিয়াস ডিসকাশনে চলে যাচ্ছেন—’

    চুরুটে আর এক টান দিয়ে, চায়ের পেয়ালা শেষ করে, আর এক পেয়ালা কড়া গরম চায়ের অর্ডার দিয়ে তিনি বললেন, ‘সেটা তো তোমাদেরই দোষ। একটা সিরিয়াস সাবজেক্ট তোমরা পড়েছ। সেটার তো সিরিয়াস ডিসকাশন দরকার!—যাকগে, কোনো লাইট টপিক তোল। তাহলে লাইট ডিসকাশনে আসতে পারি।’

    আমাদের একজন বলল, ‘অতীনদা, আপনি তো বহু গল্প লিখেছেন, কিন্তু আপনার কোনো ভূতের গল্প তো পড়িনি! সব গল্পের মধ্যেই তো প্রেমের কথা—’

    অতীনদার মেজাজের তখনও যে সিরিয়াস ডিসকাশনের ঘোর কাটেনি, সেটা তাঁর উত্তর শুনেই আমরা বুঝলাম।

    তিনি বললেন, ‘আসলে কি জানো, আসলে প্রেমের গল্পও যা, ভূতের গল্পও তাই। মানুষকে ভূতে না পেলে প্রেমে পড়ে না, আর প্রেমে না পড়লে মানুষ কখনো ভূত হয় না—’

    আমি বললাম, ‘দোহাই অতীনদা! সন্ধের আড্ডাটা মাটি করবেন না। আমাদের একটা ভূতের গল্প বলুন।’

    অতীনদার চুরুটটা নিভে গিয়েছিল। বিরক্ত হয়ে সেটা ছাইদানে রেখে আর একটা চুরুট ধরাতে ধরাতে তিনি বললেন, ‘প্রেমের গল্প লেখার চেয়ে ভূতের গল্প বানানো অনেক কঠিন। সত্যিকারের ভূতের গল্প লিখতে হলে এডগার অ্যালন পো হতে হয়। তিনি আবার অনেক বিখ্যাত কবিতাও লিখেছেন। আমি কবি নই, এডগার অ্যালান তো নই—আমি কী করে ভূতের গল্প বানাই? তবে আমার নিজের একটা অভিজ্ঞতার কথা বলতে পারি। এখনও সে ঘটনার কথা আমার প্রায়ই মনে হয়। কারণ কোনো যুক্তিতর্ক দিয়ে সেটার কোনো সলিউশন খুঁজে পাই না। সেটাকে ভূতের গল্প বলতে চাইলে ভূতের গল্পও বলতে পার।’

    ‘বলুন, বলুন।’ চারদিক থেকে শোরগোল উঠল।

    আড্ডা জমেছে দেখে চায়ের দোকানের মালিক আমাদের সবাইকার জন্য আবার এক রাউন্ড চা পাঠিয়ে দিলেন।

    অতীনদার চুরুটটা ততক্ষণে বেশ ভালো করে ধরেছে। সেটা টানবার ফাঁকে ফাঁকে তিনি বলে চললেন—

    ‘জানো তো, যারা বইয়ের ব্যবসা করে, তারা সবাইকে নগদ পয়সা মিটিয়ে দেয়। কাগজওয়ালা টাকা না দিলে কাগজ দেয় না। প্রেস টাকা না পেলে ছাপে না। দপ্তরি টাকা না পেলে বই বাঁধে না। কিন্তু মজার কথা, প্রকাশকদের যাদের নিয়ে ব্যবসা, যাদের বই তারা ছাপে—তাদের প্রাপ্য টাকা দিতে গেলেই প্রকাশকদের মনে হয় খুব একটা বাজে খরচ হচ্ছে।’

    তখন আমার খুবই দৈন্যদশা। সবে আমার নতুন উপন্যাসটার বেশ নাম—ডাক হয়েছে। সেটার নাম ‘জানলার আয়না’। কলেজ স্ট্রিট পাড়ার এক প্রকাশক সাতশো টাকা দেবে বলে উপন্যাসটা ছাপিয়েছে। শুনেছিলাম, বইটা হু—হু করে কাটছে। তাই, যেদিন আমাকে প্রথম কিস্তির দরুন দুশো টাকা দেবার কথা, সেদিন এগারোটা নাগাদ কলেজ স্ট্রিটের পাড়ায় গিয়েছিলাম।

    যে বুড়ো লোকটি দোকান খোলে—আমারই মতোই দুঃখী লোক সে। দেখি, দোকান বন্ধ। মালিক তখনও আসেনি।

    সেই বুড়ো লোকটি বলল ঘণ্টাখানেক বাদে আসতে।

    কলেজ স্ট্রিটে ঘুরে কোথায় বেড়াই? কফি হাউসে গেলে অন্তত এক পেয়ালা কফি খেতে হয়। বসন্ত কেবিনে গেলে এক পেয়ালা চা। প্যারাগনে গেলে এক গেলাস শরবত।

    কিন্তু কফি—চা—শরবত কিনলে টালিগঞ্জে ফেরার বাসভাড়া থাকে না।

    তাই বিনা খরচায় সময় কাটাবার একমাত্র যেটা উপায় তাই করলাম। মরচে পড়া লোহার গেট ঠেলে ঢুকলাম কলেজ স্কোয়ার পুকুরের এলাকায়।

    দেখি সেখানেও রয়েছে আমারই মতো দুঃখী মানুষের ভিড়। কেউ ছেলে, কেউ বুড়ো। কেউ—এক কালে যে মেয়ে ছিল, এখন হাঁটু পর্যন্ত তোলা কাপড় আর ছেঁড়া আঁচলে আব্রু রক্ষা করার চেষ্টা করতে করতে যে হাল ছেড়ে দিয়েছে।

    একটা পাগল ঘাসে গড়াগড়ি দিতে দিতে আকাশের দিকে তাকিয়ে পরমানন্দে হাসছে।

    লুঙ্গি—পরা একটা লোক—তার বাঁ—পা’টা কী করে কাটা পড়ে ছিল জানি না—ক্রাচ—এ ভর দিয়ে পুকুরের রেলিঙের পাশে এসে তার ক্রাচ দুটো রেলিঙে ঠেসান দিয়ে রেখে, অদ্ভুত দক্ষতায় রেলিঙ টপকে নেমে, একটা গামছা পরে পুকুরে নামল।

    আর একজনের গায়ে দগদগে ঘা। সেও গামছা পরে পুকুরে নামল।

    একটা ঘেয়ো কুকুর—সেটাও জলে নামল।

    আর পুবদিকে দেখি কচি—কচি ছেলেরা সাঁতার কাটছে। দক্ষিণের দিকে দেখি কচি—কচি মেয়েরা সাঁতার কাটছে। মাঝ—পুকুরে দেখি পুকুরতলায়—গাঁথা, জলের ওপর মাথা—উঁচিয়ে—থাকা ক্ষয়ে যাওয়া পোস্ট ধরে সাঁতরাবার ফাঁকে দম নেবার জন্যে কয়েকজন লোক দাঁড়িয়ে।

    আমার মাথার মধ্যেটা ঝাঁ—ঝাঁ করে উঠল। এটা কি সুইমিংপুল? যেখানে নানা দুরারোগ্য অসুস্থ লোক স্নান করছে, সেখানকার জলে সাঁতার কাটছে কচি বয়সের ছেলেমেয়েরা। সেখানকার জলে কুলকুচো করছে। জলে নেমে কেউ জলবিয়োগ করছে, তাতে আমার কোনো সন্দেহ ছিল না। এবং তাদের আমি কোনো দোষ দিই না। কারণ পঁচিশ বছর স্বাধীনতার পর আমরা, সত্যি বলতে কী, কিছুই বানাতে পারিনি। বড়ো বড়ো কথা শুনি—ডিভিসি ময়ূরাক্ষী, কত কী? কিন্তু অতশত বড়োসড়ো প্রোজেক্টের কথা থাক; তোমরা সবাই তো জানো, সেগুলোর কোনোটাই একশো ভাগের এক ভাগও কাজ করে না। কিন্তু পঁচিশ বছর স্বাধীনতার পরও কলকাতার লোকেদের জলবিয়োগ করার জায়গা কেন থাকে না, বলতে পার? লাটসাহেবের বাড়ির সামনে পুলিশদেরও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এ কীর্তি করতে দেখেছি।

    যাক, এটা ভূতের গল্প, রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়।

    কিন্তু এখন দেখছি, রাজনীতি থেকে ভূত ছাড়াবার লোক কেউ নেই।

    যাকগে সিরিয়াস ডিসকাশন। যে ঘটনার কথা বলব বলেছিলাম, সেটাই বলি।

    কলেজ স্কোয়ারের বসবার যেসব বেঞ্চি, সেগুলোর অত্যন্ত দৈন্যদশা। অধিকাংশ বেঞ্চিরই পিঠের দিকে ঠেসান দেবার জায়গাটা কে বা কারা কবেই খসিয়ে নিয়ে গেছে। অনেক বেঞ্চির বসবার কাঠটাও নেই। দেখি যেসব বেঞ্চিতে বসবার কাঠ রয়েছে, সেগুলোয় লোক শুয়ে। কারোর পরনে লুঙ্গি, কারোর বা হাফ—প্যান্ট আর জাঙিয়া। বেশিরভাগ লোকেরই আদুল গা। কারোর—কারোর গায়ে কুটিকুটি গেঞ্জি। কুটকুটে ময়লা।

    বসবার জায়গা পেলাম না। অগত্যা কলেজ স্কোয়ারের চারপাশে ঘুরতে শুরু করলাম। মনে মনে হিসেব করছি, ক—বার চক্কর দিলে ঘণ্টাখানেক সময় কাটে।

    এমন সময় হঠাৎ দেখি ডাইভ দেবার কংক্রিটের জায়গাটার উলটোদিকের একটা বেঞ্চি ছেড়ে এক আধবুড়ো লোক আড়মোড়া ভেঙে উঠল। তার মাথার নীচেকার পুঁটলি হাতড়ে একটা বিড়ি বার করল। তারপর অনেক হাতড়াতে লাগল। বুঝলাম দেশলাই খুঁজছে। দেশলাই সে খুঁজে পেল না। তাই আমার দিকে এগিয়ে এসে সে বলল, ‘ছ্যার, মাচিস আছে?’

    আমিও তার ফাঁকা জায়গাটার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলাম। সেই ফাঁকা বেঞ্চিতে বসে বললাম, ‘এই নিন।’

    দেশলাইটা তাকে বাড়িয়ে দিলাম।

    আমি আমার হাতের খবরের কাগজটা খুললাম। তখন চৈত্র মাসের শেষ। ভারি কড়া রোদ্দুর! আমার ছাতা নেই। খালি মাথায় কলেজ স্কোয়ার দু—বার চক্কর দেওয়ায় মাথাটাও কীরকম যেন ঘুরপাক খাচ্ছিল।

    সেই ডাইভ দেবার জায়গাটার সামনের বেঞ্চিতে তো বসলাম। তারপর খবরের কাগজটা খুলে ধরলাম।—আজকালকার খবরের কাগজে সবকিছু ছাপা হয়। শুনি লাখে লাখে বিকোয়। কিন্তু পড়া যায় না। পাঠ্যবস্তুর অভাবের জন্য নয়, ছাপার জন্য।

    চড়চড়ে রোদে খালি মাথায় কয়েকবার কলেজ স্কোয়ার পাক দেওয়ায় আমার মাথাটাও পাক খাচ্ছিল।

    খবরের কাগজের লাইনগুলো চোখের সামনে যেন নাচছিল। এমন সময় হঠাৎ সামনের পুকুরে ঝুপ করে একটা শব্দ শুনলাম।

    তাকিয়ে দেখি, জলের ওপর গোলচে ধরনের ছোট্ট একটা তরঙ্গ উঠেছে। বুঝলাম কেউ একজন ডাইভ কেটেছে। সেই গোলচে তরঙ্গ ক্রমশ বড়ো হতে লাগল। তারপর পুকুরের কিনারায় বার কয়েক ছলাৎ ছলাৎ করে মিলিয়ে গেল।

    আমি তাকিয়ে রইলাম।

    অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলাম। কিন্তু কী সর্বনাশ! কোন মানুষ জল থেকে উঠে এল না!

    ভাবলাম, আমারই হয়তো ঝুপ করে শব্দ শোনাটা ভুল।

    ঘড়িতে দেখি দুপুর বারোটা। অতএব সেই এক ঘণ্টা সময় পার হয়ে গেছে। তাই প্রকাশকের দোকানে গেলাম। প্রকাশকমশাই বললেন, ‘দুশো দেব বলেছিলাম। কিন্তু বাজার ভারি খারাপ। এই নিন ষাট টাকা; সামনের মঙ্গলবার সকাল এগারোটায় আসবেন। দেখি কি করতে পারি—’

    মনে হল যেন কৃপা ভিক্ষে করতে এসেছি! মনে হল, কলম না চালিয়ে কোদাল দিয়ে মাটি কোপাতে শিখলে অনেক ভালো হত!

    কিন্তু ইংরেজিতে একটা কথা আছে—বেগার্স আর নো চুসার্স। অর্থাৎ যারা ভিক্ষুক, তাদের ভালো—লাগা, মন্দ—লাগার কোনো প্রশ্নই ওঠে না।

    সেদিনই প্রথম বুঝেছিলাম, ভিক্ষুকদের চেয়েও লেখকরা অনেক বেশি অসহায়। ভিক্ষুকরা তো হাত পেতে সোজা ভিক্ষে চায়। লেখকরা তো চৌমাথার মোড়ে দাঁড়িয়ে ভিক্ষে চাইতে পারে না।

    সেই মঙ্গলবার সকাল এগারোটায় আবার গেলাম কলেজ স্ট্রিট। প্রকাশকের দোকান বন্ধ। সেই বুড়ো লোকটি আমাকে আবার বলল, ঘণ্টাখানেক ঘুরে আসতে।

    আবার তাই কলেজ স্কোয়ার। প্রচণ্ড রোদ। ঘুরতে ঘুরতে সেই ডাইভ দেবার জায়গাটার সামনের বেঞ্চি থেকে হুবহু সেই আধ—বুড়ো লোকটা আড়মোড়া ভেঙে উঠে তার পুঁটলি থেকে দেশলাই খুঁজে পেল না। বিড়িটা দাঁতে চেপে আমার কাছে এসে বলল, ‘ছ্যার, মাচিস আছে?’

    রোদে—রোদে খালি মাথায় ঘোরার মধ্যে যেন একটা নেশা আছে। সেই নেশার ঘোরেই লোকটাকে দেশলাই দিলাম। তার খালি জায়গায় বসলাম। তারপর কী যেন মনে হওয়ায় খবরের কাগজটা না খুলে সোজা তাকিয়ে রইলাম ডাইভ দেবার সেই কংক্রিটের স্ট্রাকচারটার দিকে।

    সেদিন আমার দেখার কোনো ভুল হয়নি। সব কিছু স্পষ্ট দেখলাম। মই বেয়ে একটা লোক উঠে সবচেয়ে উঁচু জায়গা থেকে ডাইভ দেবার জন্যে তৈরি হয়েছে।

    সবচেয়ে উঁচু পাটাতনের কিনারে গিয়ে লোকটা দাঁড়াল। তারপর একবার বাঁ হাত দিয়ে ডান দিকের ঘাড় আর বুক, আর ডান হাত দিয়ে বাঁদিকের ঘাড় আর বুক ঘষতে লাগল।

    মানুষটা খুব একটা লম্বা—চওড়া গোছের নয়। মনে হল, ছোট্টখাট্ট ধরনের হলেও বেশ গাঁট্টাগোট্টা। তার চোখ মুখ খুব খুঁটিয়ে দেখতে না পারলেও—একটা জিনিস স্পষ্ট দেখলাম। সেটা তার বাঁদিকের বুক থেকে ডানদিকের বুক পর্যন্ত একটা ক্ষতের দাগ। মনে হল, অতীতে কোনো একদিন সে—জায়গাটায় মস্ত বড়ো একটা অপারেশন করা হয়েছিল। দাগটা সেই অপারেশনের স্টিচ করার দাগ।

    লোকটাকে আমি যেরকম খুঁটিয়ে দেখছিলাম—দেখি, সেও আমাকে সেরকম খুঁটিয়ে দেখছে।

    তারপর লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে অদ্ভুত একটা হাসি হাসল। কেন জানি না, শিরশির করে উঠল আমার মাথার চুল থেকে পায়ের বুড়ো আঙুলের নখ পর্যন্ত।

    আর তারপরেই লোকটা নিখুঁত ডাইভ কাটল।

    অলিম্পিক চ্যাম্পিয়নের মতো সেই ডাইভ। মনে হল, শানানো একটা ছুরির মতো তার দেহ কলেজ স্কোয়ারের জলের মধ্যে সেঁধিয়ে গেল। আর ছোট্ট গোল একটা তরঙ্গ জলের ওপর উঠে ক্রমশ বড়ো হতে হতে মিলিয়ে গেল পুকুরপাড়ে।

    লোকটার ভেসে ওঠার জন্যে রুদ্ধশ্বাসে আমি অপেক্ষা করতে লাগলাম। লোকটা কিন্তু ভেসে উঠল না।

    যে—ছেলেটি জুতো পালিশ করে বেড়ায়, তাকে প্রশ্ন করলাম, কাউকে ডাইভ কাটতে সে দেখেছে কিনা। ছাতি—মাথায় এক বুড়ো পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁকেও প্রশ্ন করলাম।

    তারা এমনভাবে আমার দিকে তাকাল, যেন আমি একটা ডিলিরিয়ামের ঘোরে কথা বলছি। গ্রীষ্মকালের কাঠফাটা রোদ্দুরে লোক স্নান করতে আসতে পারে। কিন্তু ডাইভিং—বোর্ড থেকে নিখুঁত ডাইভ কাটার শখ কারোর থাকে না।—এ ধরনের কীসব কথা যেন তারা বলছিল।

    আবার গেলাম প্রকাশকের দোকানে। আবার ষাট টাকা যেন ভিক্ষে করে পেলাম! শুনলাম, বইয়ের বাজার খারাপ। পরের সপ্তাহে আবার আসতে বলল।

    আবার পরের সপ্তাহ।

    আবার প্রকাশকের দোকান বন্ধ।

    আবার কলেজ স্কোয়ার। আবার সেই ডাইভিংয়ের কংক্রিটের স্ট্রাকচার। সবচেয়ে উঁচু জায়গা থেকে আবার সেই লোকটার ডাইভ কাটা—সেই নিখুঁত ডাইভ কাটা। আবার আমার সেই রুদ্ধশ্বাসে অপেক্ষা করা—লোকটার ভেসে ওঠার জন্যে।

    কিন্তু সেবারেও লোকটা ভেসে উঠল না।

    সেই চড়চড়ে রোদে দাঁড়িয়ে জীবনে সেইবারই প্রথম মনে হল, যে—লোকটা জলে ঝাঁপায় আর তারপর জল থেকে ওঠে না, সে মানুষ হতেই পারে না। নির্ঘাৎ সে ভূত! কিন্তু কলেজ স্কোয়ারে ভূত? কেউ কবে এমন কথা শুনেছে? কে বিশ্বাস করবে? বলতে গেলেই তো লোকে আমার দিকে এমনভাবে তাকাবে যাতে মনে হবে—আমার থাকার জায়গা কলকাতা নয়, রাঁচির কাঁকে—তে।

    তারপর গ্রীষ্ম শেষ হল।

    বর্ষাকালের মাঝামাঝি প্রকাশকের কাছে মোটামুটি টাকা আদায় হল।

    আমার আর একটা উপন্যাস বাজারে বেরোল শরৎকালের গোড়ায়। বেশ একটা হইচই পড়ে গেল। আমার নতুন উপন্যাসের জন্য নানা প্রকাশক তখন আমার বাড়িতে ঘোরাঘুরি শুরু করে দিয়েছে। যারা আগে আমায় চিনেও চিনতে পারত না, দেখি তারা আমার বাড়ি আসতে শুরু করেছে। অর্থাৎ নতুন—নামকরা লেখকের সঙ্গে বন্ধুত্ব আছে বলে জানাতে অনেকেই চায়।

    অর্থাৎ ধরো, আমি যেন সেই ডাইভ—কাটা লোক। পুকুরে ডাইভ কাটি। অর্থাৎ লিখি। সামান্য তরঙ্গ ওঠে। ব্যস—তার বেশি নয়। ভেসে উঠতে পারি না।

    কিন্তু তখন আমি রীতিমতো ভেসে উঠেছি। আর সত্যিই যে ভেসে উঠেছি, তার প্রমাণ পেলাম আমার এক ইস্কুলের সহপাঠীকে আমার বাড়িতে এসে নিমন্ত্রণ করতে দেখে। তার মামার কৃপায়—মামা ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের নামজাদা মন্ত্রী—আমার সঙ্গে বিএ পাশ করার পরেই ইউনেস্কোতে বেশ মোটা একটা চাকরি সে বাগিয়েছিল। আমেরিকায় তার আপিস। তিন বছর ছাড়া—ছাড়া সপরিবারে একবার আসে কলকাতায়। আগেও অনেকবার এসেছে। কিন্তু আমার খোঁজ করেনি।

    কিন্তু এবার আমার বাড়িতে সস্ত্রীক তারা এসে হাজির। কারণ বোধহয়, কাগজে—টাগজে আমার নাম—ডাক হয়েছে শুনে। তারা বলল, পরের সপ্তাহেই তাদের আমেরিকা যেতে হচ্ছে। যাবার আগে তাদের বাড়িতে একটা পার্টির আয়োজন করেছে। ছেলেবেলার অনেক বন্ধু আসবে। আমাকে যেতেই হবে। কারণ, অমি নাকি—ইত্যাদি, ইত্যাদি—

    গেলাম তাদের পার্টিতে। সে এক এলাহি কাণ্ড! খাবার—দাবার অঢেল। আর দামি—দামি স্কচ হুইস্কির যেন ফোয়ারা বইছে।

    টেবিলে আমার পাশে যে—লোকটা বসেছিল, সে খুব একটা লম্বা—চওড়া গোছের নয়। মনে হল, ছোট্টখাট্ট হলেও বেশ গাঁট্টাগোট্টা।

    মুখটা যেন খুব চেনা—চেনা। কোথায় যেন দেখেছি।

    বুঝতেই পারছ— লোকটা সেই কলেজ স্কোয়ারে ডাইভ—কাটা লোক। যে জলে ঝাঁপ দিত কিন্তু ভেসে উঠত না।

    শুনলাম, আমরা বন্ধুর সঙ্গে পরের সপ্তাহে একই প্লেনে যে যাচ্ছে আমেরিকা। সেখানেই সে নাকি একটা রেস্তোরাঁ চালায়। জমজমাট ব্যবসা।

    লোকটাকে একেবারে পাশের চেয়ারে দেখে খুঁটিয়ে তাকে দেখবার সুযোগ পেলাম। তার মুখটা যে খুব একটা খারাপ, তা নয়। বরঞ্চ ভালোই বলতে হবে। কিন্তু তার মুখের মধ্যে একটা কী যেন নেই।

    স্যুপ শেষ করে ন্যাপকিন দিয়ে মুখ মুছে আমার দিকে তাকিয়ে সে প্রশ্ন করল, ‘ক্ষমা করবেন, আপনার সঙ্গে আগে কখনো পরিচয় হয়েছিল? আপনার মুখ খুব চেনা—চেনা….’

    আমি বললাম, ‘আপনাকেও আমার খুব চেনা মনে হচ্ছে। কিন্তু যদি মনে না করেন, তাহলে একটা প্রশ্ন করি—আপনার বাঁ দিকের বুক থেকে ডান দিকের বুক পর্যন্ত একটা ক্ষতের দাগ আছে কি?

    চমকে উঠে লোকটা বলল, ‘কী করে জানলেন? আমেরিকায় এক সুইমিং পুলে ডাইভ কাটতে গিয়ে পা ফসকে পড়ে যাই। জ্ঞান হলে দেখি, হাসপাতালে। বুক—পিঠে প্লাস্টার। পাক্কা ছ—মাস হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল, স্টিচের দাগ এখনও মেলায়নি।

    সে—রাতে আমার একেবারেই ঘুম হল না। কেবলই মনে হতে লাগল, সমস্ত ব্যাপারটার মধ্যে কেমন যেন অশুভ একটা ইঙ্গিত আছে।

    তার পরের দিন ভোরেই আমার সেই বন্ধুর বাড়ি ছুটলাম। তাকে আর তার স্ত্রীকে সব ঘটনার কথা বললাম।

    আমার বন্ধু তো হেসেই সব কথা উড়িয়ে দিতে চাইল।

    কিন্তু বন্ধুর স্ত্রী ভীতু মানুষ। রেস্তোরাঁর সেই মালিকের সঙ্গে এক প্লেনে কিছুতেই সে যেতে রাজি হল না।

    ফলে আমার বন্ধু আমার ওপর বিরক্ত হয়ে গজগজ করতে করতে ফ্লাইট ক্যানসেল করে দু—দিন পরের ফ্লাইট বুক করল। আর রেস্তোরাঁর সেই মালিক প্লেনে উঠল তার আগেকার বুকিং অনুযায়ী।

    সেই প্লেনটা দমদম থেকে রানওয়ে দিয়ে ছুটতে গিয়ে খানিক উঠে কী একটা মেকানিক্যাল ডিফেক্টের দরুন মাটিতে আছড়ে ফেটে চৌচির হয়ে দাউ দাউ করে জ্বলে শেষ হয়ে গিয়েছিল।

    কাগজে তার কথা তোমরা পড়েছিলে নিশ্চয়ই।

    কিন্তু এই সব ঘটনার কোনো মানেই আজ পর্যন্ত বুঝতে পারি না।

    এটা কি ভৌতিক ব্যাপার?

    নাকি ভবিতব্য?

    ভূত আমি মানি না, ভবিতব্যও মানি না। তাহলে এটা কী?

    অতীনদা আর একটা কড়া চুরুট ধরিয়ে আর এক রাউন্ড চায়ের অর্ডার দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }