Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিনেমার বাংলোর নর্তকী – সসীমকুমার বাড়ৈ

    নিশানঘাটে দিনেমার বাংলো বাড়িটা দাঁড়িয়ে থাকে একা নিস্তব্ধ—নিঝুম। পাইক পেয়াদা গোমস্তার হাঁকডাক নেই। কর্মব্যস্ততা নেই। থাকার কথাও নয়। যুগটাই যে নেই। বাড়িটার বিবর্ণ খোলসের মধ্যে গুটিকয় কর্মচারী কাজটুকু সেরেই আক্রান্ত হয়ে যায় বুঁদ নেশায়। বসে বসে ঝিমোয় আর জাবর কাটে, না দেখা সময়ের। বাংলোটা হঠাৎ জেগে উঠল সেদিন বিকালে। লালবাতির বিদেশি মডেলের গাড়ি থেকে নেমে এলেন নতুন মহকুমা শাসক মিস অলকানন্দা। তেইশ—চব্বিশ বছরের মহিলা এসডিও—কে দেখে সাময়িক জড়তা কাটিয়ে হাউস—গার্ড স্বপন হাঁকডাক শুরু করল—গোপালদা, দিলীপ শিগগির এসো, ম্যাডাম এসে গেছেন। মালপত্র নামাতে হবে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বিপুল এল, অন্য হাউজ—গার্ড গোপাল এল। আপ্তসহায়ক ‘গুড ইভনিং ম্যাডাম’, বলে ঘরে ঢুকে গেল। বিপুল তর্জনী তুলে নির্দেশ দেওয়ার ভঙ্গিতে বলে গেল—ব্রিফকেসটা নাও, স্বপনদা। আহা, আহা, মাসিমাকে ধর। দেখ, মাসিমার যেন সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট না হয়। গোপাল গাড়ি বারান্দা থেকে ওঠার রাস্তা প্রায় আগলে দাঁড়িয়ে রইল। স্থির নিশ্চল দেহে পলকহীন চোখ। গা ঘেঁষে যেতে গিয়ে অলকানন্দার মনে হল একটা রক্তশূন্য মানুষের হিম বাতাস লাগল তার গায়ে।

    বাংলোটা উত্তরমুখো। পশ্চিমে সিঁড়ি। সামনে হাঁটছে অলকানন্দা। মাঝে বিধবা মা, পিছনে লাগেজ হাতে স্বপন। সিঁড়িটা দেখেই মন ভরে গেল অলকানন্দার। পুরোনো কাঠের সিঁড়িতে লাল কার্পেট পাতা। আলোটা সব জায়গায় সমানভাবে পড়েনি। খানিকটা আলো—আঁধারি। সিঁড়িতে পা দিতেই তার অদ্ভুত একটা অনুভূতি হল। মনে হল কে যেন পা—টা দুলিয়ে দিল। প্রতিটা সিঁড়ির ধাপ যেন এক—একটা কাঠের মঞ্চ। পায়ের মধ্যে নাচের তাল। পা যেন কয়েক পা না নেচে থাকতে পারছে না আর। ভুল হচ্ছে না তো। পিছনে মা একটু কুঁজো হয়ে হাঁটলেও দিব্যি উঠছে। সদ্য একটা মহকুমার দায়িত্বভার নেওয়ার ভারে কি ভাবনা জট পাকিয়ে যাচ্ছে? সে চেপে গেল ব্যাপারটা।

    —ওয়া! দেখ মা, কী সুন্দর বারান্দাটা। অলকানন্দা সিঁড়ি থেকে মায়ের হাত ধরে প্রায় ছুটতে যায়।

    —দাঁড়া দাঁড়া, আমার হাঁটুতে হাঁটুতে খিল ধরে গেল। বাব্বা, তিনতলার সমান দোতলা। এতগুলো সিঁড়ি এই কোমর নিয়ে, দম বেরিয়ে গেল। অলকার মা বারান্দায় পাতা সোফায় বসে হাঁপাতে লাগল। অলকা দু—দিকে জোড়া গোল স্তম্ভের মাঝখানে কাঠের রেলিং ধরে একটু ঝুঁকে দাঁড়াল। সামনে লন, লনের ফুলের বাগান অবিন্যস্ত। পাঁচিলের ওপাশে রাস্তায় অনিয়মিত যান চলাচল। নদীর ওপারে ব্যারাকপুরে জ্বলে উঠেছে তীর বরাবর একসার নিয়নের আলো। কড়িবর্গার দালান বাড়িটার বারান্দায় টালির ছাউনির নীচে দাঁড়িয়ে অলকার মনে বিষণ্ণবোধ এল। সামান্য মাইনের চাকরিতে বাবার জীবন কেটেছে উত্তর কলকাতার ঘিঞ্জি ভাড়াবাড়িতে। আজ যদি বাবা বেঁচে থাকত, তাকে বলত অলকা—দেখ বাবা, তোমার নন্দার বাংলোটা কেমন প্রাসাদের মতো। পিছনে ঘুরে মা—র দিকে তাকাল সে। মা—কেও কেমন আনমনা মনে হল। মা—ও কি বাবার কথা ভাবছে? কিন্তু মাকে কী করে বোঝাবে সে, বাবার আয়ু বড়োই ছোটো ছিল। তার দারিদ্র্য ছিল সম্রাটের মতো, জীবনের সীমা ছিল প্রগাঢ় মতো। বারান্দার আলোটা জোরালো নয়। সোফায় আধশোয়া মাকে তার মনে হল বৃদ্ধা শ্বেতপরির মতো। সাদা চুল, সাদা শাড়িতে মায়ের ঝুলে পড়া ফরসা মুখে আশ্চর্য সুন্দর একটা রূপ এসেছে। মা—র মুখ দেখতে দেখতে অলকার খেয়াল হল গ্যালারির মতো নদীমুখ করে পাতা সোফা, চেয়ার, ইজিচেয়ার মিলিয়ে মোট ছয়টা। ছয় ভাবতেই কল্পনার একটা স্রোত বয়ে গেল—ছয় ছয় ছয়। অমঙ্গল? বুকের মধ্যে ছ্যাঁৎ করে উঠল—কারা বসে এতগুলো যুগ সাক্ষী পুরোনো চেয়ার—টেবিলে এই শূন্য বারান্দায়?

    রবিবার সকালে স্বপন দোতলায় উঠে দরজা থেকে ডেকে বলল—ম্যাডাম, তিন ভদ্রলোক আপনার সঙ্গে দেখা করতে চান।

    অলকানন্দা বারান্দায় বেরিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল—কোথা থেকে এসেছেন, বলেছেন কিছু? স্বপন মাথা চুলকাতে চুলকাতে বলল—ক্ষেত্রমোহন কৃষি…কৃষি…। কী যে বলল পুরো কথাটা ঠিক মনে পড়ছে না, ম্যাডাম।

    —ঠিক আছে, ওঁদের বসতে বল। আমি যাচ্ছি।

    একতলায় বাংলো চেম্বারে তিনজন প্রবীণ নাগরিক এসডিও সাহেবের জন্য অপেক্ষা করছিল। অলকানন্দা চেম্বারে ঢুকতেই তিনজন উঠে দাঁড়িয়ে নমস্কার করল। তিনজনেরই মাথার চুল কদমফুল। তাদের মধ্যে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি নিজের পরিচয় দিয়ে অন্যদের পরিচয় করিয়ে দিল। সে বলল—ম্যাডাম, আমরা ক্ষেত্রমোহন শা মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে এসেছি। আমরা শুধু পূজা—আর্চাই করি না, কৃষি উন্নয়নেও ক্ষেত্রমোহন শা—র ব্যাপক অবদান ছিল। সেই ট্রাডিশন এখনও চলছে। কিন্তু আমরা এসেছি একেবারে অন্য একটা বিষয় নিয়ে। আপনি এই মহকুমার প্রথম মহিলা শাসক। আমাদের সংগঠনের প্রথম সভায় শ্রীরামপুরের প্রথম মহকুমা শাসক মি. জে. উয়িন্ডোর গিয়েছিলেন। আপনি আর একটা ইতিহাসের অংশীদার হলেন। একে স্মরণীয় করতে আমরা আপনাকে সংবর্ধনা দিতে চাই। এত বছরে মহকুমা প্রশাসনে আপনার আগমন একটা বিরল ঘটনা।

    অলকানন্দার রিভলভিং চেয়ার বিপরীত দিকে ঘুরে গেল। এতদিন খুঁটিয়ে পড়া হয়নি এসডিও—দের নামের তালিকাটা। সত্যিই তো প্রথম মহকুমা শাসক মি. জে. উয়িন্ডোর। আইসিএস ১৮৯৭। লম্বা লাইনের তালিকা। একদমে পড়ে ফেলল তার সামনে থাকা দেশি—বিদেশি সাহেব—সুবোদের নাম, সাল, তারিখ। সব শেষে সদ্য লেখা অলকানন্দার নাম। তার নামের আগে একটা মিস লেগেছে। প্রথম মহিলা এসডিও। এ যেন হোয়াইট হাউসে প্রথম মহিলা রাষ্ট্রপতি প্রবেশের মতোই বিরল ঘটনা। এক লম্ফে ইতিহাসের চরিত্র হয়ে যাওয়া ভাবতেই চোখের সামনে ভিড় করল শ্রীরামপুরের গণমান্য ব্যক্তিবর্গ। কে সোয়েটম্যান, কে ওলি বি, কে যে পঞ্চানন কর্মকার। টাক মাথার ভদ্রলোককে উইলিয়াম কেরি হিসাবে চিনতে একটুও অসুবিধা হল না। শ্রীরামপুরের অলিতে—গলিতে যেন বাংলা মুদ্রণ যন্ত্রের শব্দ—টরে টক, টরে টক ধ্বনিতে—প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। এত খাটো করে ধুতি পরা বাবুদের মধ্যে কে যে পঞ্চানন কর্মকার? বাঙালির আত্মবিস্মৃতি তাকেও গ্রাস করে নিল। শুধু জেগে আছে কেরি আর মিশনারি—ত্রয়ীর জীর্ণ ধূসর কবর।

    পুবদিকের কাঠের ঝুল বারান্দায় দাঁড়িয়ে জারিত হচ্ছিল অলকানন্দা। পায়ের নীচে যুগের ঘষায় ক্ষয়ে যাওয়া কাঠ। সামনে বিশাল বাংলো বাগানের জংলি পোকাদের চির চির, ক্রির ক্রির বিচিত্র সুরে অভিসার গান। পাঁচিলের ওপাশে চেসার্স হোমের প্রতিবন্ধী অনাথজনেরা সিস্টার লিন্ডার আদরে ঘুমিয়ে পড়েছে অনেকক্ষণ। গা—লাগা পাশের বাড়িটা ম্যাকডাওয়েল কোম্পানির। নেশা কারবারিরা রাত জেগে বাতাসে ভাসিয়ে নিচ্ছে বোতলে রঙিন পানীয় ভরার শব্দ। টুং টাং। অন্ধকার বারান্দায় দাঁড়িয়ে বুঁদ হয়ে যাচ্ছে অলকানন্দা। ইতিহাস নেশা। কোনো ডেনিস গভর্নর বানিয়েছিল নিশানঘাটের বাণিজ্য কুঠি। গথিক স্থাপত্যের বাড়িটায় লাল মেঝের উপর পা রাখলেই মনে হয় মুছে যাবে পদচিহ্ন। মৃত কত কত লোকের হেঁটে যাওয়া পায়ের ছাপ। কখনো কি তাদের আত্মা ফিরে আসে স্মৃতি ঝালিয়ে নিতে? বেডরুমে মা একা শুয়েছিল। সে সেখান থেকে ডাকে—নন্দা। অলংকার সাড়া দিতে ইচ্ছা হয় না। মা কালের গানের মতো ডেকে চলে—নন্দা। নন্দা। নন্দা… ঘরে আসতে গিয়ে অলকানন্দার মনে হল কে যেন পা দুটো নাচিয়ে দিল—তা তা থৈ থৈ। কেন যে এমন অনুভূতি হয়।

    অলকার চোখে ঘুমে নেই। মাথার মধ্যে ফেড্রিকনগরের পতনের ছবিটা কিছুতেই সরছে না। ১৮৪৫ সাল। দিনেমার বণিকরা ইংরেজ বণিকদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে ফিরে যাচ্ছে দেশে। আর ভেঙে পড়ছে সব বাড়িঘর। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে শ্রীরামপুরের হাঁসফাস। অলকা পাশ ফিরে শোয়। মা ঘুমোচ্ছে। ডিম লাইটে সাদা চুল আর সাদা শাড়িতে মাকে কেমন শুইয়ে থাকা মূর্তি মনে হল তার। মা, তার একমাত্র প্রিয়জন, তাকে কিনা পাথরের মূর্তি মনে হল? মন জুড়ে বসল দুঃখ—জড়তা। ইচ্ছা হল মাকে ঝাঁকিয়ে দিতে—না মা, তুমি কিছুতেই মূর্তি বা পরি হতে পার না। তখন তার কান খাড়া হয়ে গেল। নিস্তব্ধ বাংলোয় রাতদুপুরে জল পড়ার শব্দ। খানিকটা সময় বাদে বাদে শব্দটা। ছ্যার ছ্যার। ভেসে আসছে শব্দ। দূরে না কাছে বোঝা গেল না। আকাশে তো মেঘ ছিল না। খইয়ের মতো তারা বিছানো আকাশ দেখেছে সে একটু আগে। তবে কি ট্রাঙ্ক উপচে পড়া জল? বিছানা থেকে নেমে অলকা কলিং বেল টিপল। দরজা খুলে বারান্দায় আসতেই চমকে উঠল সে। হাউসগার্ড গোপাল দাঁড়িয়ে—স্থির নিশ্চল। আবছা আলোতেও বোঝা গেল গোপালের রক্তশূন্য শীতল চোখে পলক নেই। অলকার মাথায় এল না এত তাড়াতাড়ি দোতলায় এল কী করে সে। মায় পায়ের শব্দ পর্যন্ত পাওয়া গেল না। অলকা বলল—এত রাতে পাম্প চলছে কেন? জল পড়ে যাচ্ছে। শিগগির বন্ধ কর। গোপাল কোনো কথা বলল না। নিঃশব্দে ডুবে গেল সিঁড়ির অন্ধকারে। ছয়—ছয়টা শূন্য চেয়ার—সোফার মধ্যে অলকার নিজেকে বড়ো একা মনে হল। ইজিচেয়ারটায় কোনো অদৃশ্য মানুষ বসে নেই তো? স্পষ্ট যেন একটা নিশ্বাস লাগল তার ঘাড়ে। অলকানন্দার গা ছ্যাঁৎ করে উঠল। সে তড়িৎগতিতে দরজা বন্ধ করে মায়ের পাশে শুয়ে পড়ল। অলকা ছোটোবেলা থেকে অনুভব করেছে মশারির মধ্যে ঢুকলে একটা বাড়তি নিরাপত্তা বোধ জন্মায়। আজও ব্যতিক্রম হল না। কিন্তু ঘুম এল না চোখে। রোজকার মতো শ্মশানযাত্রীদের একটা গাড়ি চলে গেল পিছনের রাস্তা দিয়ে। এই এক সমস্যা, যাদের বাড়ি শ্মশান পথের পাশে তারা প্রতি রাতে একাধিকবার ঢুকে যায় মৃত্যুর আবর্ত ছায়ায়। অলকা হিসাব করে দেখেছে পিছনের রাস্তা দিয়ে প্রতি রাতে গড়ে প্রায় তিনটে করে বডি যায়। বাংলোর বাগানে স্থির হয়ে ঝুলে থাকে কান্না—ভেজা বাতাস অনেকক্ষণ। আজকাল হরি বোলের রকমফের শুনেই অলকা বুঝতে পারে কোন মৃত্যুতে খুশি হয়েছে পরিজনেরা। আর কোন মৃত্যুতে ভেঙেছে বেবাক হৃদয়। এখনও তার কানের গভীরে গেঁথে আছে—হরিবোল, হরিবোল। হরিবোল, হরি—বো—ও—ল—ল। অসহায় আত্মসমর্পণের কান্না গ্রাস করে ফেলল দিনেমার বাংলোর পাঁজর।

    ফুরফুরে আকাশ। গঙ্গার উপর ঝুলে রয়েছে নীল পেঁজা পেঁজা ঘন মেঘ। অলকানন্দার মধ্যে একটা মুগ্ধভাব। যা ইজিচেয়ারে আধশোয়া অবস্থায় কী একটা সেলাই করছিল। মাকে জড়িয়ে ধরে বলল—রাখো তো ওসব। সারাজীবন কি সেলাই করেই কাটাবে? দেখো মা আকাশে কেমন মন জুড়ানো মেঘ।

    —হ্যাঁ, আপিসে অমন গম্ভীর গম্ভীর মুখ করে থাকিস কি করে?

    —থাকতে হয় মা, থাকতে হয়, নইলে কেউ মানবে না। এমনিতে সবাই বলে বাচ্চা মেয়ে। আমার রাগ হয়। সামনে অবশ্য বলার সাহস পায় না।

    মা ফিক করে হেসে বলল। বলল—ওরা বোধহয় ঠিকই বলে, নইলে ফেলে আসা জীবন কেউ ভুলতে চায়! তোর ফ্রক সেলাই করতে করতে তোকে বড়ো করেছি। এখনও রানসেলাই দিতে গিয়ে দেখি ছোট্ট মেয়েটা কেমন বড়ো হয়ে যাচ্ছে। ফ্রক পরা মেয়েটা এখন এসডিও। কিন্তু তোকে আমার ছোট্ট মেয়েটিই মনে হয়। আর ওই আকাশের কথা বলছিস, ওটা শরতের আকাশ। এ সময় ওরকম পুজো—পুজো ভাব হয়। সামনের মঙ্গলবার মহালয়া তা খেয়াল আছে?

    —ও মা, বল কী! কাজের চাপে বুঝতেই পারিনি কখন পুজো এসে গেল।

    —একটা কাজ করবি, মা?

    —বল।

    —মহালয়ার দিন সকালে পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে অর্পণ তর্পণ করবি।

    —না, তুমি দেখছি কিচ্ছু জানো না মা। স্ত্রীলোক আর শুদ্দুরদের গায়ত্রী মন্ত্র, তর্পণের মন্ত্র উচ্চারণ করার অধিকার নেই। বামনাই মতে সব মেয়েরাই শূদ্র। তা হলে কি করে হবে, মা?

    —তোর ওই বামনই মতে কোনো ঘরের বউকে ট্যাক্সি চালানোর অধিকার দিয়েছে। তিনি তো আমাদের ভাসিয়ে দিয়ে একা চলে গেলেন। তারপর তোর জন্য আমি কী না করেছি। কে বামুন, কে শূদ্র, কে মুসলমান সব পুরুষের সঙ্গে সমান তালে ট্যাক্সি চালিয়েছি দিনের পর দিন। গিলেছি কত ব্যথা। কোনো সংস্কার আমাকে আটকাতে পেরেছে? আর তুই বাবার আত্মার তৃপ্তির জন্য একটু জল দিতে পারবি না?

    পৃথিবীর সব প্রতিযোগিতায় জিতলেও মা—র কাছে হারতেই ভালো লাগে অলকানন্দার। মা—র কাঁধে মাথা রেখে সে বলল—দেখ মা, তোমার মেয়ে এটাও পারবে। তার মনের মধ্যে বাবার চন্দনের ফোঁটা দেওয়া ছবিটা ভেসে ওঠে—তোমার নন্দা তৃপ্তির একটু জল দিতে পারবে না বাবাকে? মা—মেয়ের চোখের কোণ ভিজল। কেউ দেখল না।

    গঙ্গার নরম জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে ভেসে আসছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রর—যা দেবী সর্বভূতেষু…। তাই শুনে অলিগলি আর ফ্ল্যাটবাড়ির বাসিন্দারা কাতারে কাতারে চলে এল গঙ্গাতীরে। আকাশ খানিকটা ফরসা হতেই অলকাও দোতলা কাঠের সিঁড়ি দিয়ে নামতে গেল। পায়ের মধ্যে সেই অনুভূতি—কে যেন দু—এক পা নাচিয়ে দিল। নাচো, নাচো। সে দ্রুত পায়ে নেমে এল একতলায়। সিকিউরিটি গার্ড আগেই এসে গেছে।

    আদুল গায়ে খাটো করে ধুতি পরা মাঝবয়সি লোকজনই বেশি। ন্যাদোস ন্যাদোস চেহারার কেউ কেউ দিব্যি গামছা পরে চালিয়ে যাচ্ছে তর্পণ। ভিজে জ্যাবজ্যাবে ধুতি—গামছা গায়ে বসে গেছে। লেপ্টে বসা সবেধন কাপড়ে পুরুষাঙ্গ সুস্পষ্ট নধর। অলকা লজ্জা পায়। মাথা নীচু করে মহিলা—চানঘাটের দিকে গেল সে। সেখানেও দু—চারটে পুরুষ প্রায় উদোম। সিকিউরিটি গার্ড তাড়া করে সরিয়ে দিল তাদের। গঙ্গার নোংরা জলে প্রথমে পা দিতে ইতস্তত করছিল অলকা। পরে পা দিতেই একটা চোরা স্রোত তাকে টেনে নিয়ে গেল কোমর জলে। তার শরীর জুড়ে টান। অনেকগুলো জলরেখা ঢেউয়ের সঙ্গে ধাক্কা খেতে খেতে হারিয়ে গেল জলে। অলকা আঁজলা ভরে জল নিয়ে প্রায় গানের সুরে আহ্বান করল—

    ‘যে চ হই পিতরো যে চ নেহ

    জাংশ্চ বিদ্ম যা ঊ চন ন প্রবিদ্ধ।’

    যাদের আমি চিনি, যাদের আমি চিনি না, স্বদেশি—বিদেশি যেই হোন না কেন, হে আমার পূর্বপুরুষগণ, মাতৃগণ, আমাদের আনন্দ দিনে আপনাদের আসতে আজ্ঞা হোক। অলকার মনে হল ফেড্রিকনগরের চলে যাওয়া প্রাণ—পুরুষদেরও ডাকা যেতে পারে—হে ফেড্রিকনগরের শাসকগণ, হে সাধুগণ, আপনারাও আসুন। স্বর্গ অথবা নরকে অধিষ্ঠিত সারা বসুন্ধরার আত্মীয়—অনাত্মীয় পূর্বপুরুষগণ উৎসবে অংশীদার হোন।

    বাবার কথা মনে পড়তেই বাকি সব মন্ত্র, সব কথা ভুলে গেল অলকা। শরীরের মধ্যে একটা তিরতির স্রোতানুভূতির টান বয়ে যেতে লাগল। করাঞ্জলির জল যে কখন গঙ্গায় গড়িয়ে পড়ল খেয়াল নেই তার। ফোঁটা ফোঁটা চোখের জলে ভিজে গেল গঙ্গা। অলকানন্দা নদী হয়ে গেল।

    তক্ষকটা ডেকে যায় সারাক্ষণ—তকতক। তকতক। বাংলোর পিছনে বাগানের মধ্যে ছিল গেস্ট হাউস। বর্তমানে গেস্ট হাউসের কঙ্কাল হানাবাড়ির মতো দাঁড়িয়ে আছে ঠায়। আউট হাউসগুলোরও তথৈবচ অবস্থা। স্বপন একদিন ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছিল নতুন ম্যাডামকে বাংলোবাড়ির বিবর্ণ খোলস। বলছিল—রাজাও নেই, রাজত্বও নেই। এখন তো ম্যাডাম, আপনাদের শুধু আমলাই ভাবে লোকজন। পুষতেও চায় না কেউ। তক্ষকটা বোধহয় থাকে গেস্ট হাউসের পাঁজরে। অলকানন্দার মাথার মধ্যে ডাকতে থাকে—তক তক। তক তক। বাংলোর ছত্রিশ ইঞ্চি মোটা চুন—সুরকির দেওয়ালের ভিতর থেকে একনাগাড়ে আওয়াজ হয়—তক তক। ঘুমের ঘোরে মাথার কোষগুলো নড়ে—তক তক। পাতলা মসলিন হয়ে যায় ঘুম। মসলিন ওড়নায় ভাসে অলকা। খুলে যায় এক—একটি হাওয়া—দরজা। বারান্দায় কোজাগরী রাত পেরনো আলো ঠিকরে পড়েছে খানিকটা। অলকানন্দার নিজের চোখকে অবিশ্বাস্য মনে হয়—ঘোমটা মূর্তির মতো কারা বসে আছে মাথা নীচু করে। ছয় ছয় ছয়। না, আরও বেশি। গোটা একটা গ্যালারি জুড়ে বসে আছে আবছা আলোর মূর্তি মানুষেরা। তবে কি অলকানন্দা ভুল শুনল? সমস্বরে কারা বলল—ইয়োর হাইনেস। সোলস, দাউ ইনভাইটেড। অলকা চমকে উঠল—কাদের আত্মা? আত্মা—মানুষেরা ছিল কোথায়? চেহারা দেখে বোঝা যাচ্ছে দেশি—বিদেশি ফেলে আসা যুগের মানুষজন। কিন্তু কে যে হান্না মার্সম্যান, কে যে পঞ্চাননবাবু, সূত্রধর কৃষ্ণপাল বা অলি বি বোঝা দায় এত ভিড়ে। তবু অলকানন্দার বুঝতে অসুবিধা হয় না এরা সকলে ছিল ফেড্রিকনগরের বাসিন্দা একদিন। এতদিন পরে কেন এল এখানে? হঠাৎ অলকানন্দার ভাবার আচ্ছাদন খুলে যায়—হ্যাঁ, সত্যিই তো, ভুবনলোকের বাসিন্দাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল তর্পণে। হায়, হায়, তাদের তৃপ্তির জল দিতে ভুলে গেছে সে। বলা হয়নি মন্ত্রে শেষ পঙক্তি শ্লোক। অলকানন্দা ভাবতে ভাবতে উদ্ধার করে—তৃপ্যন্তু পিতরঃ সর্বে মাতৃমাতা মহোদয়ঃ। …তোমরা আমার হৃদয়ের নৈবেদ্যে পরিতৃপ্ত হও। আবার অলকানন্দার মনে হল কারা যেন সমস্বরে বলল—সাধু। সাধু। সামনের চেয়ার—সোফা যেমন ছিল তেমনি ফাঁকা। মিলিয়ে গেল সব আত্মা—মানুষ। কিন্তু কোনার দিকে আঁধার—আলোয় কারা বসে এখনও। অচেনা হলেও বুঝতে অসুবিধা হল না, বাবা—মেয়ে। রোমান চেহারা। মূর্তি মেয়ের রূপে তাক লেগে গেল অলকানন্দার। বাইশ—তেইশ বছরের যুবতীস্বরে ছায়াসুন্দরী বলল—ইয়োর হাইনেস। আই অ্যাম ক্লারা ব্রাউন। বাবা মি. ব্রাউন নতমুখে বসে রইল সোফায়। মুখে বেদনার গভীর ক্ষত। মসলিনে ভেসে ভেসে অলকানন্দা ভাবল—আহা, কেন হয় না অমন রূপ। ভাবতে ভাবতে অলকানন্দা মিশে গেল ক্লারা ব্রাউনের শরীরে। নাক হল টিকালো। চোখ হল চোখা। অলকার পা নেচে উঠল—তা তা, থৈ থৈ তা…। হাতে মুদ্রা। সারা শরীরে নেচে উঠল মন্দিরে মন্দিরে দেবীদের মতো। ক্লারা ব্রাউনের নাচ আর স্বর মিলে শরীরে ফুটে উঠল কবিতা—আই হ্যাড বিন টু দিস বাংলো লং এগো। আমরা এই বাংলোতে অনেক আগে থাকতাম। গঙ্গাকে ভালোবাসতাম। নাচের সঙ্গে আমার প্রেম হয়েছিল। নাচের গুরু, নাচ আর আমি ছিলাম একটিমাত্র সত্তা। নাচের তালে তালে আমার খোঁপার জুঁই ফুল খসে পড়ত লাল মেঝেয়, সিঁড়িতে। আমি ভালো নাচলে আমার নাচের গুরুর গৌরসুন্দর শরীরে ভেসে উঠত মুগ্ধ বসন্ত। কুড়িয়ে নিত খসে পড়া খোঁপার জুঁই ফুল। বাট মাই ফাদার অবজেকটিভ এগেনস্ট দি ইন্ডিয়ান ডান্স। বাবার আভিজাত্যে বেধেছিল। ফর দি সেক অফ ইন্ডিয়ান ক্লাসিকাল ডান্স আমি জীবনকে বাজি রেখেছিলাম। বাবা নেটিভ গোমস্তাদের সাহায্যে আমায় গুম করে দিল।

    অলকানন্দা উৎসমুখে উচ্ছল ঝরনার মতো নেচে যাচ্ছে। তার গলার ক্লারা ব্রাউনের স্বর আবার বলে উঠল—ইয়োর হাইনেস। আপনি হয়তো ভাবছেন তর্পণ জলে সবাই তৃপ্ত হল কিন্তু আমি কেন ফিরলাম না। আসলে আমার তৃপ্তি নাচে। এতগুলো বছর নাচতে চেয়েছি এই বাড়ির কাঠ—পাথরের কণায় কণায়, পারিনি। শুধুই জড়তায় আটকে যেত আমার পা। আজ যখন আপনাকে আধার করলাম, আমার সমস্ত সত্তা নেচে উঠল। মাই সোল ফিলস নাউ স্যাটিসফায়েড। আমি তৃপ্ত। নাচতে নাচতে লাল মেঝে ছেড়ে শূন্যে উঠে যাচ্ছে অলকানন্দ। ঝড়ো বাতাসে খসে যাচ্ছে শরীর থেকে এক—একটি মসলিন ওড়না। পালক ছাড়া পাখির মতো তার ভারী শরীর নেমে আসছে পৃথিবীর কাছাকাছি।

    চড়া রোদের আভায় চোখ খুলে দেখল—ইজিচেয়ারে বসে আছে সে। একটু আগেও রাতে ডুবে ছিল সামনের নদীটা। এখন জোয়ার জলে ভেসে যাচ্ছে দু—কূল আর অলকার ভাবনার বিস্তার। তবু অলকানন্দা ভাবল—নাই বা হলে সত্যি। তবু সখী, প্রতিরাতে এসো তোমার ঘরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }