Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূতুড়ে বিজ্ঞাপন – কল্যাণ মৈত্র

    কলকাতার খুব বড়ো একটি বাংলা কাগজের সাতের পাতায় নীচের দিকে বেরিয়েছিল বিজ্ঞাপনটা। বয়ানটাও ছিল চমৎকার। তবে সাতের পাতায় হারানো প্রাপ্তি নিরুদ্দেশের টুকরো টুকরো বিজ্ঞাপনের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিল।

    ভূত গবেষণা কেন্দ্র

    গবেষক, লেখক, আর্টিস্ট, ভ্যাগাবন্ড, বেকার (পুরুষ ও মহিলা) চাই। ফ্রিলান্স ক্যামেরাম্যান, লাইটম্যান, মেকাপম্যান যোগাযোগ করুন। ৯৮৩০০১০০০

    পচাদা খেয়াল করেছিল প্রথম। হারানের সেলুনে কাগজ পড়তে গিয়ে। তারপর একপ্রকার ছুটতে ছুটতে ঘর্মাক্ত অবস্থায় হাজির হল ক্লাবে।

    রবিবার। সাতসকালে চাঁদের হাট বসেছে। পচাদাকে ছুটে আসতে দেখে ভজা ক্যারামবোর্ডে স্ট্রাইকারটা কোনোরকমে হিট করেই উঠে দাঁড়ায়, আরে পচাদা যে, কি ব্যাপার? বিপদ নাকি?

    হোয়্যার ইজ ব্রজ, কল হিম। আই ওয়ান্ট হিম ইমিডিয়েটলি—পচাদা উত্তেজিত। ব্রজ এই মুহূর্তে নেই। তিনু, পিন্টু ছুট দিল।

    ভজা বলল, পচাদা, সকাল সকাল পণ্ডিতকে কি দরকার? কোনো খাস খবর, টিউশনি আছে? ভজার কৌতূহলের সীমা নেই। একের পর এক প্রশ্ন করে চলেছে।

    পচাদা বরং স্বভাববিরুদ্ধভাবে আজ বেশি গম্ভীর। বলে, একটা রেড ডটপেন দে।

    টেবিলের উপর পচাদা কাগজটা মেলে ধরে। তারপর লালকালিতে মার্ক করল বিজ্ঞাপনটা। ভজাও মার্ক করছে পচাদাকে।

    ইতিমধ্যে দেখা গেল তিনু, পিন্টু হন্তদন্ত হয়ে ব্রজকে নিয়ে আসছে। ঠিক যেন পুলিশে চোর ধরেছে।

    বিজ্ঞাপনটা পড়।

    ভজা পড়ে বলল, তা না হয় হল। কিন্তু ঠিকানা কই?

    তুই একটা গাধা। ঠিকানাটা ওতেই আছে। তোকে কি ক্যাওড়াতলা বা নিমতলায় ইন্টারভিউ নিতে ডাকবে?

    নীচের সংখ্যাগুলো আসলে মোবাইল নাম্বার—ব্রজ কথাটা শেষ করতে পারলে না।

    দ্যাটস রাইট। দশটা সংখ্যা। ওখানে যোগাযোগ করতে হবে।

    ব্রজ বুঝতে পারছে না ওই বিজ্ঞাপনের সঙ্গে তার কি সম্পর্ক। ভূত গবেষণা কেন্দ্রের কি উপকারে সে লাগতে পারে, বিজ্ঞাপনে যা যা চাওয়া হয়েছে তার কোনোটাই সে নয়। লেখা—টেখার একটু অভ্যাস আছে যা এই মাত্র।

    ভজা বলল, ইনটারেস্টিং কেস। ভূত নিয়ে গবেষণা। আগে তেমন শুনিনি। ঘোস্ট রিসার্চ সেন্টার। অভিনব।

    পচাদা হঠাৎ হঠাৎ চটে যায়। চেঁচিয়ে বলল, শাট আপ। কাজের সময় আজেবাজে কথা পছন্দ করি না। দেখছিস একটা সিরিয়াস ব্যাপার নিয়ে ডিল করছি। পেটে এখনও দানাপানি পড়েনি।

    এবার ভজা বলল, তিনু, মেজদার দোকানে আটটা হাফ বলে আয়। সঙ্গে নোনতা। না, পচাদার জন্য ফুল। আমাদের হাফ, লিকার। আমার অ্যাকাউন্টে।

    পচাদা একটা সংশোধনী দিল, আমার জন্য তার আগে চারটে লাল—লাল জিলিপি—বড্ড খিদে পেয়েছে রে—

    সকলে আবার বিজ্ঞাপনটা নিয়ে পড়ল।

    ব্রজ তুই যাবি। তুই লেখকও বটে, আবার ভূত—টুত নিয়ে তোর পড়াশোনাও আছে। আমার মনে হয় তোর থেকে ভালো ক্যানডিডেট আর হয় না। যোগাযোগ কর। চাকরিটা হয়ে যাবে, বসে থাকার চেয়ে একটা অভিজ্ঞতা হয়ে থাকা ভালো। ভালো না লাগলে ছেড়ে দিতে কতক্ষণ।

    ব্রজ কিংকর্তব্যবিমূঢ়। বাড়িতে লুচি—পায়েস হচ্ছিল, তা ছেড়ে এখানে—পচাদার পাল্লায়! আজ কার মুখ দেখে যে উঠেছিল।

    ভজা অনেকক্ষণ চুপচাপ ছিল। এবার সে বলল, পচাদা, ‘ভ্যাগাবন্ড চাই’—তা না হয় হল—ওরা ক্যামেরাম্যান, লাইটম্যান নিতে চাইছে কেন?

    ছবি—টবি করবে বোধহয়।

    ইতিমধ্যে আরও দশ—বারোজন জুটে গেছে। ভিড় জমছে। তিনু জিলিপির ঠোঙা থেকে রস চাটতে চাটতে বলল, সেই সত্যজিৎ রায় ছবি করেছিলেন—গুপী গাইন বাঘা বাইন—তারপর ভূতের আর ভালো ছবি হল কই।

    তিনু বলল, এটা মনে হচ্ছে লাইভ হবে। মানে টাটকা ভূতের ছবি।

    ভজা বলল, আমার ঠাকুরদা দু—চারটে ছবিতে কাজ করেছিলেন। বাড়িতে একটা ছবির পরিবেশ ছিল, আমি আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা না হোক, বংশপরম্পরা থেকে বলতে পারি—কী হতে চলছে।

    কী যেন ভাবছে পচাদা। ব্রজ চুপচাপ। ভজা বলে চলেছে, তিনুর কাঁধে তার হাত, যেমন ধর একটা পুরোনো রাজবাড়ি দুশো বছরের বেশি—বাঁশঝাড়, ভাঙা ঘাট। পুরোনো আসবাবপত্র, মাকড়সার জাল, ঝুল—স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ—ভূত—ভূত গন্ধ, শ্যাওড়া গাছ—এই ধরনের একটা সেট—নকল বা বানানো নয়, আসল। ক্যামেরাম্যান গোপন জায়গা থেকে শট নিচ্ছে—ভূতের কাহিনি—জ্যান্ত ভূত নড়ছে—চড়ছে। তারপর সেটা সিনেমা হলে, দূরদর্শনের মাধ্যমে ঘরে ঘরে দেখানো হচ্ছে। একটা সিরিয়াল হলে সোনায় সোহাগা। ভাবতে পারছিস কি থ্রিলিং হবে ব্যাপারটা। যে বা যারা বিজ্ঞাপন দিয়েছে তারা সত্যিই বুদ্ধিমান। ব্যাপারটা নামাতে পারলে যা মুনাফা হবে, যা পপুলারিটি পাবে তা ভাবতে পারছি না। ইংরিজিতে সাব—টাইটেল দিয়ে ‘কান’ চলচ্চিত্র উৎসবে আসল ভূতের ছবি দেখানো। ইন্টারন্যাশনাল পুরস্কার—একে একে সব হয়ে যাবে। স্বপ্নে বিভোর হয়ে ওঠে ভজার চোখ। যেন সে—ই ছবির প্রযোজক—পরিচালক।

    পচাদা বলল, ব্রজ, তুই তোর ভূতের গল্পগুলোও নিয়ে যাস। রিসার্চের কাজে লাগবে। তৈরি ইন্টারভিউয়ের জন্য। আমি দেখি মোবাইলে যোগাযোগ করতে পারি। লেট আস গেট ক্র্যাকিং—যে যার বাড়ি চলে যাও। ‘সন্ধে সাত ঘটিকায় পুনরায় হাজিরা।’

    মুড ভালো থাকলে পচাদা ইংরেজি এবং সাধু বাংলায় কথা বলে।

    পচাদা চলে গেল।

    ভজার হাতে এবার লিডারশিপ। কেউই আর বাড়ি যাবার নাম করে না।

    ব্রজর দিকে তাকিয়ে ভজা বলল, তোর ইন্টারভিউ হবে এখনই—মহড়া দে। একটু ঝালিয়ে নে। এই যেমন ধর গিয়ে—গুপি ও বাঘার আসল নাম কী ছিল?

    তিনু বলল, গুপী গাইন, বাঘা বাইন।

    রাসকেল। কিছু জানো না। কানু কাইনের ছেলে গুপী কাইন, পরে গুপী গায়েন—সে গান গাইতে পারত। আর পাঁচু পাইনের ছেলে বাঘা। সে ঢোলক বাজাত, তার নাম হল বাঘা বায়েন। গল্পটা উপেন্দ্রকিশোরের।

    এইভাবে চলতে লাগল ব্রজর ওপর দ্বিপ্রাহরিক প্রহার। সকলেই নিজ নিজ বিদ্যে ফলাতে ব্যস্ত।

    তিনু বলল, ভূতের ছায়াছবি করার মতলবটা কার উর্বর মস্তিষ্ক থেকে বের হল সেটাও জানার বিষয়। যেই হোক, লোকটা গ্রেট। বাণিজ্য ভালো বোঝে। যা খাবে না বাজারে!

    ভজা তিনুকে সেখানেই থামাতে বলল, এই তুই, তুই বল দেখি রবীন্দ্রনাথের একটা ভূতের গল্পের নাম—

    তিনু বলল, মণিহার।

    ইডিয়েট। অনেকটা কাছাকাছি বলেছিল তাই তোকে ছেড়ে দিলাম। রেগেমেগে ভজা বলল।

    ব্রজ বলল, ওটা ‘মণিহারা’ হবে।

    ব্যাপারটা বেশ জমে উঠেছে। নানারকম গল্পের সঙ্গে চলেছে প্রশ্ন—উত্তর পর্বও। পচাদা ব্রজকে সিলেক্ট করেছে। বাংলা সাহিত্যের ছেলে ব্রজ। এই পরিস্থিতিতে সে কিছুটা বেমানান। কিন্তু উপায় নেই।

    পিন্টু এতক্ষণ তেমন কোনো কথা বলেনি। সে ফুট কাটল, ভূতের দফা গয়া। এসবই ভূতের ভবিষ্যৎ বাঁচানোর চেষ্টা। বিদেশ থেকে এবার ভূত—প্রেত রপ্তানিও করা হবে দেখে নিয়ো। বিজ্ঞাপনটা দেখে মনে হচ্ছে পেছনে একটা গভীর ষড়যন্ত্র আছে। ভূত—টুত বলে আমাদের খেপিয়ে তোলার চেষ্টা। এমনিতেই বাঙালি এইসব ভূত—প্রেত ভালোবাসে। ভয়ও পায় আবার বিশ্বাসও করে না। বাংলাদেশে ভূতের আকাল পড়েছে। কোথায় ভূত। রাতের অন্ধকার নেই। গলির মোড়ে মোড়ে আলো। বনবাদাড়ে বাঁশঝাড় নেই। খোলা মাঠ নেই। জলাভূমি শেষ হয়ে যাচ্ছে। পুরোনো বাড়ি প্রোমোটাররা খেয়ে ফেলছে। ভূতগুলো আর যায় কোথায়, তবে যদি ছবি—টবিতে সুযোগ পায়। ওদের দর বাড়ে। বড় কষ্টে আছে বেচারিরা।

    পচাদা সন্ধের আসরে আসতে পারেনি। খবর পাঠিয়েছে, সামনের শনিবার পাথুরেঘাটায় ব্রজকে যেতে হবে। দুটোর সময়। সে যেন তৈরি থাকে।

    শনিবার বারবেলায়! ব্রজ কিঞ্চিৎ ভয় পেল। ভজা বলল, ভালো তো ইন্টারভিউটা জমবে।

    কয়েকশো লোকের কালো মাথার ভিড়ে ব্রজেন রায় ওরফে চড়কডাঙার ব্রজ আজ আর হারিয়ে যায়নি। এই মুহূর্তে তার কোনো টেনশন নেই। অনেক কষ্টে বাড়িটা খুঁজে পেয়েছে সে। গলির এক কোণে পুরোনো সেকেলে বাড়ি। জীর্ণ, পরিত্যক্ত। ভেতরটা কেমন ভ্যাপসা, গুমোট।

    দরজার বাইরে লাল আলো জ্বলছে। ইন্টারভিউ চলছে বোধহয়। সে ভাবল। একটি লোক অনেকক্ষণ বাদে বেরিয়ে এসে বলল, এখানে অপেক্ষা করুন। সময় হলেই ডাকা হবে।

    কাল রাতেও ব্রজেন ভেবেছিল আসবে না। কিন্তু গোলমাল পাকালো ওই পিন্টু। চড়কডাঙার মোড়ে হারুদের বাড়ির লেট নাইট আড্ডায় বসার পর থেকে তার সব কিছু গোলমাল পাকিয়ে গেল। শুভানুধ্যয়ীর ভঙ্গিতে বলল, শোন ব্রজ, তুই একটা অভিজ্ঞ লোক। কালকের ইন্টারভিউটা তুই দিয়ে আয়। আর কিছু না হোক তোর রেকর্ডটা হয়ে যাবে। এক হাজার বার ইন্টারভিউ দেওয়া মুখের কথা! অন্য দেশের সরকার হলে লজ্জায় তোকে চাকরি দিত। বলা কি যায় ‘গিনিস বুক’—এ তোর নামও উঠতে পারে।

    ব্রজেনের ডাক আর আসে না। উসখুস করছে সে। উঠে চলে যেতেও পারছে না। দিনকাল যা পড়েছে সামান্য চাকরির জন্য পিএইচ ডি ডিগ্রিধারীও এসে হাজির হয়। এবারটায় তেমন ভিড় নেই। পচাদার প্রতি সে মনে মনে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল।

    এবার আলো নিভল। একমাথা টাক, সাদা উর্দি পরা একজন দারোয়ান ব্রজেনকে ইশারায় ডাকল। সবই কেমন নিঃশব্দে হচ্ছে। থমথমে ভাব। নিস্তব্ধ চারপাশ। বাইরে জামগাছের ওপর কতকগুলো কাক ঝগড়া করছে। একটা কালো বেড়াল ব্রজেনকে দেখে যেন কী ভাবল, তারপর সেও চলে গেল তিনতলার সিঁড়ির দিকে। এই ভরদুপুরেও বাড়ির ভেতরটা কেমন মৃদু আলো আর অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। প্রথম দিকে ব্রজর এতটা খেয়াল হয়নি। দেওয়ালে বড়ো বড়ো টিকটিকি ছুটোছুটি করছে। বাড়িটা সত্যিই ঠিক ভূতের বাড়ির মতো।

    আসুন স্যার এই দিকে। দরজাটা ঠেলুন।

    দরজা ঠেলে ভেতরে মুখ বাড়িয়ে ব্রজেন একটু দেখে নিল। না, কেউ তাকে আসতে অনুরোধ করল না। ঢুকেই পড়ল সে। ঘরের কোণে একটা আলো জ্বলছে। স্যাঁতসেঁতে চারপাশ। চল্লিশ ইঞ্চির দেয়াল। ঘরের মাঝখানে একটা বড়ো টেবিল। তার ওপর একটা ফোন। কালো রঙের। ফোনের রিসিভারটা শূন্যে ঝুলছে।

    টেবিলের কাছেই একটা চেয়ার। ব্রজেন ঠায় দাঁড়িয়ে। ওপ্রান্তে একজন বসে। বেঢপ মোটা। ঘাড়ে গর্দানে। মনে হচ্ছে মাথাটা কেটে কেউ যেন বুকের ওপরে বসিয়ে দিয়েছে। তার গায়ের রং কয়লার মতো কালো। শ্বেতবস্ত্র দাঁতের ফাঁকে হাসির ঝিলিক। ব্রজেনের দিকে চাইলেন তিনি। কে যেন তার কানে কানে বলল, ইনি গবেষণা কেন্দ্রের ডিরেক্টার, ওমপ্রকাশ তামাকুওয়ালা। ব্রজেন জোড় হাতে বাঙালি কায়দায় নমস্কার জানাল। ওমপ্রকাশ বসতে বললেন।

    এবার তার চোখ পড়ল আরেক জনের ওপর—শিবেন বিশ্বাস। একসময় তার প্রাইভেট টিউটর ছিলেন। নামকরা ঔপন্যাসিক ছিলেন।

    শিবেনবাবু পান চিবুতে চিবুতে বললেন, আজও চাকরি পাসনি। তোকে তখনই বলেছিলাম কিস্যু হবে না। কী হল অত পড়াশোনা করে।

    ব্রজেনের মনে পড়ে গেল ‘রামেরা তিন ভাই’ ট্রানস্লেশন না পারার জন্য শিবেনবাবু একবার তাকে রামদাওয়াই দিয়েছিলেন।

    তামাকুওয়ালা বললেন, উনি আমাদের লেখক। নামজাদা স্ক্রিপটরাইটার। চেনেন নিশ্চয়ই। ভূতের কাহিনি নিয়ে আমরা যে ছবি আর সিরিয়াল করব উনি তার চিত্রনাট্য লিখবেন। আমাদের একজন কপিরাইটার মানে লেখকই ধরুন, আর তথ্য অনুসন্ধানের লোক চাই। আপনি রাজি থাকলে বলুন। কত মাইনে চান তাও বলুন। প্রথমে আমরা কুড়ি—পঁচিশ জনের একটা ইউনিট করে এ বাড়িতেই কাজ চালাব। শুটিং—টুটিং সব এখানেই হবে। নায়ক—নায়িকাদের খোঁজখবর চলছে, বুঝলেন না। মানুষ দিয়ে তো আর ভূতের অভিনয় করানো চলে না। আমরা সত্যি ভূতেদের নিয়ে কিছু করতে চাই। তাদের দিয়েই অভিনয় করাব। আমাদের কনসেপটা আলাদা। মানুষ দিয়ে ভূতের ছবি বোগাস। ভূতের ছবিতে ভূতেরাই অভিনয় করবে। আপনি টাইটানিক দেখেছেন? না দেখলে আমাদের স্টুডিয়োতে দেখে নেবেন। ওইরকম কায়দায় আমরাও একটা সেনসেটিভ ছবি করব। মানে প্ল্যানিংটা তাই—ই।

    …আপনি জানতে চাইছেন তাহলে আপনাকে দরকার কেন? তাইতো? আমরা আপনাকে দিয়ে গবেষণার কাজটা, তথ্য অনুসন্ধানের কাজটা করাতে চাই। আপনি পয়সা পাবেন। আপনার বায়োডাটা যা দেখলাম তাতে আপনি ওই কাজ পারবেন বলেই আমাদের বিশ্বাস। এবার ভেবে দেখুন কী করবেন। আমরা যে দু—চারজন জ্যান্ত মানুষ নেব তাদেরকে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানেই আমাদের সঙ্গে থাকতে হবে। আমাদের কাজটা শুরু হবে রাতের বেলা।

    …ছবি রিলিজ করলে টাকাপয়সা মিটিয়ে ছুটি করে দেব।

    …হ্যাঁ, আর একটা কথা। বাইরের কিছু কাজ আপনাকে করে দিতে হবে। সঙ্গে একজন অ্যাসিস্টেন্ট পাবেন। তিনি অবশ্য আমাদের লোক।

    ব্রজেনের মনে পড়ল, শিবেনবাবু বছর দশেক আগে দার্জিলিং—এ পাহাড়ের ধসে প্রাণ হারিয়েছিলেন। কাগজে সে খবর ছাপাও হয়েছিল। তিনি ভূত হয়েও তাঁর সেই নেশা ছাড়তে পারেননি। আশ্চর্য! ব্রজেনের হাত—পা ক্রমশ ঠান্ডা হতে থাকে। সে ঘামতে শুরু করেছে। ভয়ে সে কাঠ হয়ে গেছে।

    এরপর শিবেনবাবু বললেন, ওর আর কি। বেকার। কাজ নেই। থাকুক আমার সঙ্গে। ভালো টাকা পাবে। ওর লেখা—টেখার রোগ আছে। অভিজ্ঞতা হলে পরে কাজে দেবে।

    রাতে কাজ যথারীতি শুরু হল। প্রথম পর্ব—ভূতের জন্ম। পুরাকালের ভূত। পর্বের নামকরণ তখনও হয়নি। ওমপ্রকাশ বললেন, এটা হচ্ছে মহড়া। আসল শুটিং আর কিছুদিন পরে হবে। আজ রাতটা আপনি দেখুন। আরও অনেকে এসে পড়ল বলে। আমরা যতদিন না ক্যামেরাম্যান পাচ্ছি ততদিন এদিকের কাজটা চলুক।

    এবার খেয়াল হল ব্রজেনের। তার চোখ দুটো বন্ধ। চোখে হাত দিয়ে সে দেখল—হ্যাঁ তাই। তাহলে সে দেখছে কি করে?

    চড়কডাঙার মোড়ে পুলিশের গাড়ি। ব্রজেনের বাবা—মা—দিদি কাঁদছে।

    পাথুরেঘাটার একটি বাড়িতে তাকে অচৈতন্য অবস্থায় পাওয়া গেছে।

    হঠাৎ বাইরে পচাদার গলা। মাসিমা, ও মাসিমা! জানলার বাইরে থেকে ডাকছে সে। —ব্রজ ফিরেছে? ওর না আজ কলকাতায় যাবার কথা ছিল। ইন্টারভিউ….

    ও তো বাড়িতেই। সেই দুপুর থেকে ঘুমোচ্ছে। দেখ না সন্ধে হয়ে এল। এ ছেলের যে কি হবে!! বড্ড ঘুমকাতুরে।

    আধো ঘুমের ভেতর ব্রজ পচাদার গলা শুনতে পেল। এতক্ষণ তা হলে সে কী দেখল? উঃ কি ভয়ই সে পেয়েছিল!

    ব্রজ ওপাশ ফিরে ফের ঘুমোতে চেষ্টা করল। আজ সে পচাদার মুখোমুখি কিছুতেই হবে না।

    একটু কাঁচা মাছ পেলেই সব ঠিক হয়ে যেত। এই এক মুশকিল এদের নিয়ে। যত খিদে পাবে তত তাদের ওজন বাড়বে

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }