Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভয়ের দুপুর – আলোক সরকার

    গল্পের বই পড়তে খুব ভালো লাগে মেঘলার। একটা না—পড়া বই হাতে পেলেই তার বুকের ভিতরটা শিরশির করে ওঠে। ইচ্ছে করে তখনি বসে পড়ে বইটা হাতে নিয়ে। শুরু করে দেয় পড়া। তেমন সুযোগ অবশ্য সবসময় ঘটে না, যতক্ষণ না ঘটে মনটা ছটফট করতে থাকে মেঘলার। বই পড়তে শুরু করে গল্পের সঙ্গে সঙ্গে তরতর করে পাতা উলটোতে উলটোতে এগিয়ে যায় মেঘলা, একদমে, মেঘলার কাছে মুহূর্তের মধ্যে শেষ হয়ে যায় বই। তারপর খুঁজে খুঁজে ভালোলাগার জায়গাগুলো আবার পড়া, বারবার পড়া। তরপর গল্পের নায়ক কেন ও—কাজ করল, না করলেই তো ভালো হত, কেন অমন ঝড়—বৃষ্টি হল সেই রাতে, না হতেও তো পারত, না হলে কী হত, এই সব ভাবতে ভাবতে কখন নিজেই গল্পের নায়ক হয়ে দুর্গম পথের পথিক হয়ে যাওয়া, তা টেরও পায় না মেঘলা।

    তবু একটা বই শেষ হবার পর আরেকটা বই চাই তো। আবার নতুন ঘটনা, নতুন দেশ, তার ছায়া—ছায়া নতুন কুয়াশা—মাখা গন্ধ। অত বই পাবে কোথায় মেঘলা। তাদের পাড়ায় লাইব্রেরি আছে কিন্তু তারা ছোটোদের জন্য লেখা বই খুব বেশি রাখে না। ইস্কুলেও একটা লাইব্রেরি আছে, সেখান থেকে সপ্তাহে মাত্র একটা বই পাওয়া যায়। বই কিনে আর কত পড়া যায়, যা দাম হয়েছে বইয়ের! তার ছোটো কাকা বলে তাদের সময়ে একটা টাকা দিলে কাঞ্চনজঙ্ঘা সিরিজের দুটো বই পাওয়া যেত, ‘ভোম্বল সর্দারে’র দাম ছিল ছ—আনা মানে আজকের দিনের চল্লিশ পয়সার মতো। এখন হাতে বেশ কিছু টাকা, অন্তত কুড়িটা টাকা না নিয়ে বইয়ের দোকানে ঢোকার কথা ভাবাই যায় না।

    সারা মাসে কুড়ি—পঁচিশ টাকার বেশি সংগ্রহ করেও উঠতে পারে না মেঘলা। মানে, প্রতিমাসে মাত্র একটা বই কেনা। আর মাঝে—মাঝে জন্মদিনে কিংবা পুজোর আগে কিছু বই উপহার পাওয়া।

    বাধ্যত মেঘলাকে নানান উপায় ভাবতে হয়। সে সহজে অন্যের কাছ থেকে কিছু চাইবার পাত্র নয়, কিন্তু বইয়ের ব্যাপারে অন্য কথা। তার এক বন্ধু আছে, খুব কাছের বন্ধু, বলা যেতে পারে Intimate friend, তার সঙ্গে একটা চুক্তি হয়েছে। পান্থ, পান্থপ্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, আর সে ঠিক করেছে ইস্কুল থেকে পাওয়া প্রতি সপ্তাহের বইটা সপ্তাহের মাঝামাঝি তারা বদল করে নেবে। তাহলে সপ্তাহে দুটো বই পড়া হবে। পান্থও প্রতি মাসে অন্তত একটা বই কেনে। কেনা বইটাও মেঘলার প্রত্যেক মাসে কেনা বইটার সঙ্গে মাসের মাঝামাঝি পান্থর বইটা আদানপ্রদান করা যেতে পারে, যেমন উপহার পাওয়া বইগুলোও।

    মেঘলার আর একটা নেশা গল্পের বই জমানো। সে নেশাও কম নয়। বরং বলা যেতে পারে অনেক অনেক বেশি। নিজের কেনা আর উপহার—পাওয়া বইগুলো পড়া হয়ে গেলে মেঘলা তার বুকশেলফ সাজিয়ে রেখে দেয়। লাইব্রেরিতে যেমন থাকে, তেমনি, প্রত্যেক বইয়ের একটা নম্বরও দিয়ে দেয় সে। বইয়ের বিষয়ও চিহ্নিত থাকে সেই নম্বরে। যেমন বইটা যদি ছোটোগল্পের হয় তাহলে নম্বর হবে ছো ৩০, উপন্যাস হলে উ ১৬— এইরকম। রবিবার দিন স্নান করতে যাওয়ার আগে বইয়ের, বুকশেলফের ধুলো পরিষ্কার করতে কোনো ভুল হয় না মেঘলার।

    পান্থর বুকশেলফের সব বই সুন্দর কাগজের মলাট দিয়ে ঢাকা থাকে। মলাটের ওপর পান্থর নিজের হাতে আঁকা ছবি— সেই ছবি ভিতরের ছবিরই হুবহু অনুকরণ। পাছে আসল ছবি একটুও ময়লা হয়ে যায় সেই ভয়ে পান্থ এইভাবে বই রাখে। পান্থ প্রতিটি বইয়ের পাতার ফাঁকে নিমপাতা রাখে, এতে নাকি বইয়ে পোকা ধরে না। সাতদিন অন্তর নিমপাতা পালটে দেয় পান্থ। এ ছাড়া ন্যাপথলিন তো আছেই। পান্থের বইয়ের নম্বর আরও বিশদ। যেমন, হেমেন্দ্রকুমার রায়—এর ‘যখের ধন’—এর নম্বর হবে হে। য। ১২, বিভূতিভূষণের ‘চাঁদের পাহাড়’—এর বি। চাঁ। ২০।

    —তোর কত বই হল রে মেঘলা?

    —এইট্টি ফাইভ। তোর?

    পান্থ ম্লান হেসে বলল— বাহাত্তর।

    একশো বই জমানোর কাজ কে আগে শেষ করতে পারবে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে এক সূক্ষ্ম প্রতিদ্বন্দ্বিতা আছে।

    কেবল বই সংগ্রহ নয়, মেঘলা আর পান্থ সেই বইগুলোই জমাতে চায় যেগুলো তাদের কাছে অসাধারণ। কত বই পড়া হয়, সব বই তো জমাবার মতো নয়। বই জমাবার ব্যাপারে তারা নতুন দিনের লেখক পুরোনো দিনের লেখকের মধ্যে কোনো বাছবিচার করে না। সুকুমার দে সরকারের ‘ময়ূরকণ্ঠী বন’ নামের বইটা মেঘলার বুকশেলফে আছে, এই নিয়ে তার কম গর্ব! পান্থর আনন্দ সুনীলচন্দ্র সরকারের ‘কালোর বই’ নামের বইটা সে হঠাৎ বইমেলায় পেয়ে গিয়েছিল বলে।

    সত্যি বলতে তেমন ভালো বই আর ক—টায় বা পাওয়া যায়। তেমন ভালো বই যা নিয়ে বিকেলবেলায় মাঠে পাশে বসে দুজনে অনেকক্ষণ আলোচনা করা যায়। গল্প করা যায়। গল্প করতে করতে সন্ধে হয়ে যাবে, কেউ টেরই পাবে না। খুব একলা একটা একটা পথের মতো বই। সেই বই বুকশেলফে থাকবে আর তার দিকে চোখ পড়লেই মনে হবে সন্ধে হয়ে গেছে, খুব অন্ধকার সন্ধে, আর আস্তে আস্তে, কেউ শুনতেই পাচ্ছে না এমন আস্তে একটা থামা—থামা অনেক দূর নেমে আসছে।

    মেঘলার এক মাসতুতো দিদি, অনসূয়া, তারও ছিল বই পড়বার আর বই জমানোর নেশা। বিয়ে হবার পর পুনেয় চলে যাবার পর সে আর অবশ্য বইটইয়ের কথা বিশেষভাবে না। কলকাতাতেই আসে বছরে একবার, তাও ওই দু—চারদিনের জন্যে। মাসিমা ওর কলকাতার বাড়িতে রেখে—যাওয়া শখের জিনিসপত্রের সঙ্গে ওর বইয়ের আলমারি, আলমারিতে রাখা বইগুলোরও খুব যত্ন করে ঝাড়ামোছা করেন নিয়মিত। কত লোভনীয় বই যে আছে অনুদির বইয়ের আলমারিতে দেখলে চোখ জ্বলজ্বল করে ওঠে। কিন্তু মাসিমা একটা বইও কাউকে দেবেন না। সে কতবার চেয়েছে, মাসিমা কথার উত্তর না দিয়ে অন্য কথা বলতে শুরু করেছেন। এ জন্য কম কষ্ট তার মনে! মাসিমার কাছে আজকাল আর কোনো বই চায় না সে। মাসিমার বাড়ি যেতেই ইচ্ছে করে না তার। তবু মাঝে—মাঝে তো যেতেই হয়। যখনই যায় সে সোজা অনুদির বইয়ের ঘরে চলে যায়, দাঁড়ায় বইয়ের আলমারির সামনে। একদিন এমনি অনুদির বইয়ের আলমারির সামনে দাঁড়িয়ে আছে, একেবারে তন্ময় হয় মনে—মনে পড়ে যাচ্ছে একটার পর একটা বইয়ের নাম, যার কিছু পড়া হলেও, কিছু তার নিজের থাকলেও, অনেক বই—ই তার না—পড়া। একটা বইয়ের নাম ‘২৪শে এপ্রিল, চুপ’, আর একটা বইয়ের নাম ‘রূপনারায়ণের মাঝি’। না—পড়া বইগুলোর নাম পড়ছে আর বুকের মধ্যে ঝিমঝিম একটা কাঁপুনি হচ্ছে তার। এমন সময় মাসিমা ঘরে ঢুকতেই তার মুখ থেকে নিজের অজান্তেই বেরিয়ে গেল, ‘একটা বই পড়তে দিন না মাসিমা, আমি কালই ফেরত দেব।’

    মাসিমা খুব গম্ভীর বিরক্তি—মেশানো গলায় বললেন, ‘না না, বারবার বই চেয়ে আমায় বিরক্ত কোরো না মেঘলা। ও অনুর বই, ও আমি কারোকে দেব না। অনু কত যত্ন করে জমিয়েছে বইগুলো।’

    মাসিমার কথা শুনে মাথা নীচু করে ঘর থেকে বেরিয়ে এল মেঘলা। অভিমানে লজ্জায় চোখে জল এসে গেল তার। মেঘলাকে এইরকম শক্ত উত্তর দিয়ে মাসিমাও মনে মনে খুব কষ্ট পেয়েছিলেন নিশ্চয়। মাসিমার বাড়ি থেকে চলে আসবে বলে সবে সিঁড়িতে পা রেখেছে এমন সময় শুনতে পেল মাসিমার গলা, ‘কী খুব রাগ হয়েছে!’ মাসিমা তার পিঠে হাত রেখে বললেন, ‘চল তোকে এখনি বই দিচ্ছি।’

    প্রায় জোর করে মাসিমা তাকে বইয়ের ঘরে নিয়ে এলেন। আলমারি খুলে একটা বই বার করে তার হাতে দিয়ে বললেন, ‘নিয়ে যা, তোকে আর ফেরত দিতে হবে না।’ একটু থেমে বললেন, ‘অনুর বই আমি কী করে দিই বল! অনু কতদূরে চলে গেছে।’

    বইটা হাতে নিয়ে মলাটের ওপর চোখ পড়ল মেঘলার। ঘন কালো হরফে লেখা ‘ভয়ের দুপুর’। সারা মলাট জুড়ে ফিকে হলুদ রঙে আঁকা একটা দুপুরের ছবি, যে দুপুরে একটি মাত্র মানুষ হুহু ধুলোর মধ্যে বসে অনেক অনেক দূরের দিকে চেয়ে আছে।

    বাড়ি এসে বইটা পড়ে ফেলল মেঘলা। আশ্চর্য বই। একেবারে নতুন পৃথিবীর বই। বৈশাখ মাসে নির্জন দুপুরের পথে কত ধরনের ভয়, কত ধরনের আলো, আলো ঘুমিয়ে পড়ছে, জেগে উঠছে আলো, হাওয়া একেবারে বোবা, ওই হাওয়ায় ছুটে পালিয়ে যাচ্ছে অন্ধকার অজানায়। বই শেষ হবার পর, একবার দুবার তিনবার শেষ হবার পর বারান্দায় গিয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল মেঘলা। তার চোখে হাজার ছবি, একটা ছবির ওপরে আর একটা ছবি, ছবির পাশে আর একটা ছবি— সব ছবি যত চেনা ঠিক ততটাই অচেনা।

    এমন আশ্চর্য বই পান্থকে না—পড়লেই নয়। মেঘলা তার ইস্কুল ব্যাগের মধ্যে বইটা রেখে দিল।

    পরের দিনই বইটা সে পান্থকে দিল। আর তার পরের দিনই ইস্কুলে দেখা হতেই পান্থ তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বলল, ‘তুই আমাকে কী বই পড়ালি মেঘলা!’

    পড়াশুনো শেষ করে রাতের খাবার খাওয়ার পর ‘ভয়ের দুপুর’ পড়তে শুরু করে পান্থ। এক ঘণ্টার মধ্যে বই পড়া শেষ। আর তারপর থেকে একটা ঘোরের মধ্যে আছে পান্থ। গল্পের ছবিগুলো তার সারা মন জুড়ে বাজছে, সে গল্পের দুঃখ বিস্ময় রহস্যের মধ্যেই আছে। যেন একটা ঘন গাছের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া, মস্ত বড়ো বাড়ির শেষের ঘরে দাঁড়িয়ে, কখনো একটা দিঘির পাশে যার রাত্রি—রং জলের ওপরের প্রতিটি ঢেউ অবিরাম হাতছানি দিয়ে এমন একজনকে ডাকছে যে কোথাও নেই। যে কোথাও কোনো দিন থাকবে না। ছবির শেষ নেই ‘ভয়ের দুপুরে’, শেষ নেই ভয়ের, যে ভয় মানুষকে চেঁচিয়ে উঠতে বলে না, বরং বলে তোমরা চুপ কর, আরও অনেক বেশি চুপ কর তোমরা।

    সেদিন বিকেলে খেলার মাঠের পাশে বসে সন্ধে হওয়া পর্যন্ত ‘ভয়ের দুপুর’ নিয়ে দুজনের গল্প আর থামতেই চাইল না। বাড়ি ফেরবার পথে মেঘলা পান্থকে বলল— কাল বইটা মনে করে আনিস আর একবার পড়ব।

    পরের দিন বইটা ফেরত দিয়ে পান্থ বলল— আমি আবার তোর কাছ থেকে বইটা নেব মেঘলা।

    মেঘলা বইটা পান্থকে দিয়েছিল কিন্তু সাতদিন পার হবার পরও পান্থর কাছ থেকে ‘ভয়ের দুপুর’ ফেরত পেল না মেঘলা। রোজ পান্থকে বইটা পরের দিনটা আনতে বলে, রোজই বইটা আনতে ভুলে যায় পান্থ। শেষে একটু কঠিন হতেই হল মেঘলাকে: কাল তুই ঠিক বইটা আনবি পান্থ। আমি বইয়ের শেলফে নম্বর দিয়ে রাখতে পারছি না।

    —তুই বইটা আমাকে একেবারে দিয়ে দিবি মেঘলা? ও বই হাতছাড়া করতে কী যে কষ্ট হবে।

    —না না! তা কী করে হবে। তুই আমার বই কালই ফেরত দিবি। না হলে খারাপ হবে।

    পান্থর মুখটা খুব কালো হয়ে গেছে, লক্ষ করল মেঘলা। কিন্তু সে কী করবে? এইরকম আবদার করাটাই অন্যায় হয়েছে পান্থর।

    পান্থ আস্তে আস্তে মেঘলার সামনে থেকে সরে গেল।

    তার কিছুদিন পর থেকে ইস্কুলে আর আসেই না পান্থ। কী হল পান্থর। অসুখ হয়েছে? মেঘলার ওপর খুব রেগে গেছে পান্থ? মেঘলার ওপর রেগে গেলে না হয় সে আর কথাই বলবে না মেঘলার সঙ্গে, তা বলে একেবারে ইস্কুলে আসা বন্ধ করে দেওয়া! পান্থর জন্য মনটা খুব খারাপ থাকে মেঘলার, খুব কষ্ট হয়। সে কখনো পান্থর বাড়ি যায়নি, পান্থর বাড়ি চেনা থাকলে যে এখনি যেত।

    শেষপর্যন্ত পান্থর বাড়ির খোঁজ পাওয়া গেল। তাদের ক্লাসের অর্ঘ্যদীপ চেনে পান্থর বাড়ি। পান্থ তাদের পাড়াতেই থাকে।

    পান্থর ইস্কুলে না—আসা তখন প্রায় তিনমাস হয়ে গেছে। অর্ঘ্য পান্থর বাড়ি চেনে শোনার সঙ্গে সঙ্গে সে ঠিক করল কালই সে অর্ঘ্যর সঙ্গে পান্থর বাড়ি যাবে। বাড়িতে বলে রাখবে ইস্কুল থেকে ফিরতে একটু দেরি হবে তার।

    পরের দিন ইস্কুলের ছুটির পর মেঘলা পৌঁছল পান্থর বাড়ি। অর্ঘ্য সঙ্গে আছে। দরজার বেল বাজাতে দরজা খুলে দিলেন এক মহিলা।

    মেঘলা বলল, আমার নাম মেঘলা, আমি পান্থর বন্ধু। পান্থ কেন আর ইস্কুলে আসে না মাসিমা?

    —তুমি মেঘলা! ভদ্রমহিলা একদৃষ্টে কিছুক্ষণ চেয়ে রইলেন মেঘলার মুখের দিকে। আস্তে নীচু গলায় বললেন— পান্থ তোমাকে কী যে ভালোবাসত!

    তারপর মুখে হাত চাপা দিয়ে কেঁদে উঠে বললেন— পান্থ নেই, পান্থ চলে গেছে মেঘলা।

    সারা শরীর কাঁপতে থাকল মেঘলার। মাসিমার কথার ঠিক কী মানে তাও যেন বুঝতে পারল না সে। তার চোখের সামনে কেমন একটা অন্য রং—এর আলো।

    কিছুক্ষণ পরে একটু শান্ত হয়ে মাসিমা তাদের বাড়ির ভিতরে নিয়ে গেলেন, অনেকক্ষণ গল্প করলেন তাদের সঙ্গে, সবই পান্থকে নিয়ে। পান্থ কত অভিমানী ছিল, পান্থর মন কত স্বপ্ন—ভরা ছিল এ সব বলতে বলতে বললেন— চল তোমাদের পান্থর নিজের ঘরে নিয়ে যাই।

    পান্থর ঘরে এসেই মেঘলার চোখে পড়ল পান্থর বইয়ের র‌্যাাক। একেবারে সামনেই একটা বই, নাম, ভয়ের দুপুর।

    বইটা হাতে তুলে নিয়ে মাসিমা বললেন— তোমার কাছ থেকে এই নামের একটা বই এনেছিল। তোমাকে তাড়াতাড়ি ফেরত দিতে হবে তাই কাগজ কিনে ঠিক ‘ভয়ের দুপুর’—এর মাপের একটা খাতা তৈরি করেছিল পান্থ। ওপরে শক্ত মলাট দিয়েছিল ‘ভয়ের দুপুর’—এর মতো, ‘ভয়ের দুপুর’—এর মলাটের ছবিটাও এঁকেছিল তার ওপর ঠিক ‘ভয়ের দুপুর’—ওই যেমন আছে সেই রকম রং দিয়ে। ইচ্ছে ছিল সারা বইটায় কপি করবে বাঁধানো খাতায়। তোমার নাকি তাড়াতাড়ি দরকার বইটা, দুদিন ইস্কুলেও যায়নি কপি করার কাজ শেষ করবে বলে।— কপি শেষ হয়নি। দুদিনে আর কতটুকু কপি করা যায়!

    পান্থর ‘ভয়ের দুপুর’ মাসিমা মেঘলার হাতে দিলেন।

    মেঘলার কানের কাছে ঘুরে ঘুরে বাজছে— তুই বইটা আমাকে একেবারে দিয়ে দিবি, মেঘলা। তুই বইটা আমাকে একেবারে দিয়ে দিবি, মেঘলা।

    পান্থর ‘ভয়ের দুপুর’ মেঘলার হাতের ওপর যেন নিজের থেকেই একপাতা দু—পাতা খুলে যাচ্ছে। মেঘলা লক্ষ করল মাত্র সতেরো পাতা পর্যন্ত কপি করতে পেরেছে পান্থ।

    মাসিমা বলেই চলেছেন ‘ভয়ের দুপুর’ বইটাই কী—যে ছিল! ওর বড়ো ভালো লেগেছিল বইটা।

    এসব মেঘলার ছোটোবেলার গল্প। এখন অনেক বড়ো হলেও বই পড়ার, বই জমানোর নেশা একটুও কমেনি তার। আজও বইয়ের দোকানে, বইমেলায়, পুরোনো বইয়ের দোকানে, নানান লাইব্রেরিতে বই খুঁজতে খুঁজতে কখনো কখনো তার বুকে খুব ঠান্ডা একটা ভয় বেজে ওঠে। বই খুঁজতে খুঁজতে ‘ভয়ের দুপুর’ নামের কোনো বই হঠাৎ চোখে পড়বে না তো তার! তার বই খোঁজার হাত তখন হঠাৎ শীতল হয়ে আসে। বই খোঁজা বন্ধ করে সে তাড়াতাড়ি রাস্তায় নেমে আসে। আলো—জ্বলা, ভিড়ে—ভরা রাস্তার রং খুব ঝিমানো ঠান্ডা আর চুপচাপ হয়ে নেমে আসে তার চারিদিকে।

    তার কানের পাশে খুব দূর থেকে অস্পষ্ট বেজে ওঠে— তুই বইটা আমাকে একেবারে দিয়ে দিবি, মেঘলা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }