Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ওপাশে – অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়

    শেষ বিকেলের আকাশে জমে ওঠা স্লেট রঙের খণ্ড খণ্ড মেঘ চিরে বিদ্যুতের সরু রেখা আড়াআড়ি ঝলসে গেল। হঠাৎই এক অতীন্দ্রিয় ইশারায় শরীর—মনে রোমাঞ্চ খেলে গেল।

    এই মেঘ, এই বিদ্যুৎ ছিল আমার ছেলেবেলায়। জ্ঞান হবার পরের কোনো বিকেলে আমি দেখেছিলাম ওই বিদ্যুৎশিখা। আর সেই বিকেলেই আমার ভিতর গর্ভ নিল এক রহস্যময় কৌতূহল।

    অলৌকিকতার প্রতি তীব্র অনুসন্ধিৎসা জড়িয়ে আছে আমার ছেলেবেলার দিনগুলোয়। সেদিনের ছেঁড়া ছেঁড়া কুয়াশার মতো গাঢ় মেঘ, সেই আঁকাবাঁকা রেখায় ঠিকরে ওঠা নীল বিদ্যুৎ, আমার সমগ্র জীবনকে অমোঘ নিয়তির মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিল।

    সেদিনের অলৌকিক শিহরন বালক বয়সে মাঝে মাঝেই টের পেতাম। আচমকা গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠত। আর অন্যরকম হাতছানি।

    সেই বয়সে আমি ছিলাম নির্জন, লাজুক, আনমনা একটি ছেলে। আমার কোনো বন্ধু ছিল না। কেউ আমার সঙ্গে মিশতেও চাইত না। এক ঘোলাটে অন্যমনস্ক ঘোরের মধ্যেই আমি স্কুলে যেতাম, পড়তে বসতাম অথবা জীবনের স্বাভাবিক কাজগুলো করার চেষ্টা করতাম।

    মনে পড়ে, হা হা দুপুরে স্কুলবাড়ির সেই অন্ধ ঘর, চোখের সামনে হিজিবিজি আঁকা ঝাপসা ব্ল্যাকবোর্ড; ক্লাসরুমের জানলা দিয়ে বেলা—বয়ে—যাওয়া গুঁড়ো গুঁড়ো রোদ্দুর মেঝেয় ছিটিয়ে রয়েছে।

    অনিলবাবু ভরাট গম্ভীর স্বরে পড়াচ্ছেন, সমস্ত ঘরে আলো—আঁধারি, আর আমি খোলা জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে কখন যেন জানলার বাইরে হারিয়ে গেছি। কোনো অচেনা আকর্ষণে পাগলের মতো উড়ে চলেছি।

    সে বয়সে আমি বাবা—মা ও অন্যান্য চেনা—পরিজনের কাছে সবসময় গল্প শুনতে চাইতাম। নানারকম অলৌকিক ঘটনা ও অভিজ্ঞতার গল্প।

    আর শুনতে শুনতে নিজেকে সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে ফেলে দিতাম। ভাবতাম এই অভিজ্ঞতাগুলো যদি আমার জীবনে হয়! তারপর মনে মনে হিসেব কষতাম, তখন আমি কী করব! এবং শুরু হত অসহায় প্রতীক্ষা! অজানা কিছু হবার!

    এভাবেই এক রহস্যময় তাড়না ভিতরে লালন করে একসময় আমি কৈশোরে পৌঁছলাম। কৈশোরের দিনগুলো ছিল আরও বেদনাময়। কখনো কখনো উন্মাদের মতো রাস্তায় ঘুরে বেড়িয়েছি। কিসের এক অদ্ভুত যন্ত্রণা হত।

    বিকেলের নরম আলো গায়ে মেখে খেয়াঘাটে গিয়ে বসে থাকতাম। নৌকোগুলো একে একে ছেড়ে যেত। ঘাট থেকে ছেড়ে গিয়ে আস্তে আস্তে ছোটো হতে হতে একসময় গঙ্গার বুকে মিলিয়ে যেত। যতক্ষণ দৃশ্যমান থাকত ঝাপসা অন্ধকার জলে দুলত তার বাঁকাচোরা অদ্ভুত ছায়া।

    কোনো একটা নৌকো চলে যাবার পরে আমি নিঃশব্দে অপেক্ষা করতাম ওপার থেকে আবার ফিরে আসার। মনের মধ্যে অচেনা বিস্ময় জাগত। মনে হত সবটাই পারাপারের খেলা।

    সেই নিঃসঙ্গ কৈশোরে নানারকম শিরশিরে অনুভূতি হত।

    সন্ধের পর একা ঘরে বসে পড়াশুনো করতাম।

    ঘরের ভিতর টিউবের ফ্যাকাশে আলো, দরজার বাইরে প্যাসেজটা গাঢ় অন্ধকার, দরজার পর্দাটা অল্প অল্প দুলছে। হঠাৎ আমার কেমন গা—ছমছম করে উঠত। মনে হত, দরজার বাইরে ওই অন্ধকার অংশে কেউ দাঁড়িয়ে রয়েছে। এগিয়ে গিয়ে কাঁপা হাতে পর্দা সরালেই, একটা দ্রুত অপস্রিয়মাণ ছায়া দেখতে পাব।

    কখনো রাতে শুয়ে রয়েছি, হঠাৎই শরীরের সমস্ত চেতনা জড়ো হয়ে লাফিয়ে শিয়রের দিকে চলে গেল। আমি প্রবল ইন্দ্রিয়ময় হয়ে উঠলাম। মনে হতে লাগল, নির্ঘাত আমার মাথার পিছনে মশারির আড়ালে কেউ দাঁড়িয়ে আছে। আমি ঘাড় ঘোরালেই তাকে দেখতে পাব। বুক ধকধক করত। আমি নিশ্চিত হয়ে যেতাম, কেউ রয়েছে।

    কিন্তু না! স্বাভাবিকভাবেই কিছু দেখতে পেতাম না।

    শুধুই পর্দার আড়ালের শূন্য মায়া আর অন্ধকার মশারির ফাঁকা অবস্থিতি। আমি হতাশ হয়ে পড়তাম। শুধু ক্ষণে ক্ষণে গা ছমছম করত। কৌতূহলের পারদ চড়চড় করে বেড়ে উঠত।

    আগ্রাসী কৌতূহল এবং হতাশা একসঙ্গে মিশে মনের ভিতরে প্রবল যন্ত্রণা হত। ধীরে ধীরে আমার বেঁচে থাকার অর্থ পালটে যাচ্ছিল। অসহনীয় এক যন্ত্রণা আমার অজ্ঞাতসারেই আমাকে আমূল বদলে দিতে লাগল। এইভাবেই আমি পা দিয়েছিলাম প্রথম যৌবনে। আর তখনই নিয়তি নির্দিষ্ট এক ঘটনা আমাকে যেন আয়ুর অন্তিমে এনে দাঁড় করাল।

    আমার পাশের বাড়িতে একটি মেয়ে থাকত। বছর চব্বিশ—পঁচিশের। কালো হলেও, বেশ সুশ্রী চেহারা। একদিন সেই মেয়েটি আমার বাড়ির পেছনদিকের জংলা বাগানে বুড়ো অশ্বত্থগাছের সঙ্গে দড়ি বেঁধে আত্মহত্যা করল।

    কী করে সে অত উঁচু ডালে ফাঁস বেঁধেছিল, তার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া গেল না।

    এই অশুভ ঘটনাটা আমার মনে বিচিত্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করল। আমি মাঝে মাজেই আমাদের বিশাল পুরোনো দোতলা বাড়িটার পেছনের জানলায় এসে দাঁড়াতাম। ওখান থেকে অশুভ ইঙ্গিতবাহী গাছটাকে দেখা যেত।

    একদিন সন্ধের ঠিক আগে আমি জানলার সামনে দাঁড়ালাম। জানলার বাইরে ক্রমশ মুছে যাওয়া বিকেলের রং। বাগানের সীমান্তে ঝোপ—আগাছার ভিতর ঝাঁকড়া মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে প্রৌঢ় গাছটা। ভীষণ জীবন্ত অথচ স্থবির! তার ঝুপসি ডালপালায় সদ্য জমে ওঠা থিকথিকে অন্ধকার।

    অন্ধকারের সেই ঘন মেঘের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ ভিতর থেকে এক অলীক বোধ উঠে এল।

    আমার মনে হতে লাগল, আমার আশেপাশেই একটা অন্য পৃথিবী রয়েছে। এই আলো—রোদ—হাওয়ার আড়ালেই স্থির রয়েছে সেই অন্য জগৎ। আমাদের নিশ্বাস নেওয়া এই বাতাসের সঙ্গেই হয়তো মিশে আছে।

    জায়গাটা হয়তো নিরালম্ব, স্যাঁতসেঁতে আর ছায়াময়।

    আমার মনে হল, আমাদের এই রোদ—বৃষ্টি—বাতাসের পৃথিবীর ভিতরে কোথাও একটা নিরাকার শূন্য দরজা আছে। সেই গোপন দরজা দিয়ে অন্য কোনো জগতে প্রবেশ করা যায়।

    আমার বিশ্বাস হল, দরজাটা আমার আশেপাশেই কোথাও আছে। অথচ আমি চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছি না।

    বুকের মধ্যে এই বোধ জন্মাবার সঙ্গে সঙ্গেই আমি প্রায় পাগলের মতো হয়ে উঠলাম। অপার্থিব চিন্তাগুলো ভারী পাথরের মতো চেপে মস্তিষ্ককে আচ্ছন্ন ও নিষ্ক্রিয় করে দিল। আমি কিছুতেই স্বাভাবিক থাকতে পারছিলাম না।

    এই বিচিত্র অনুভূতির পর আমি তিন—চার দিন ঘুমোতে পারিনি। এক অজানা কষ্ট হৃৎপিণ্ড পিষে দিচ্ছিল।

    শেষপর্যন্ত আর থাকতে পারলাম না। আগেই বলেছি, আমার কোনো বন্ধু ছিল না। এই যুবক বয়সে আমার দূরের বা কাছের একমাত্র বন্ধু ছিল শোভন।

    শেষ শীতের এক নিঝুম সন্ধেয় আমি দ্বিধাগ্রস্তভাবে শোভনকে বলে ফেললাম আমার অদ্ভুত ভাবনার কথা। ভেবেছিলাম, ও প্রলাপ মনে করে ব্যঙ্গ করবে।

    কিন্তু না! ও শুনে একটু থমকে গেল। খানিকক্ষণ কিছু চিন্তা করল। তারপর থেমে থেমে নির্লিপ্ত অথচ গভীরভাবে বলতে লাগল, ‘তুই বোধ হয় ঠিকই ভেবেছিস। বহুদিন আগে প্যারাসাইকোলজির ওপর লেখা একটা বই পড়েছিলাম। সেখানে মানুষের মনের অস্বাভাবিক ক্ষমতার কথা বলা ছিল। মেডিটেশন অর্থাৎ ধ্যানের সাহায্যে মনকে অস্বাভাবিক সূক্ষ্ম ও গতিশীল করে তোলা যায়। মনের প্রসারতা অসম্ভব বেড়ে যায়। স্মৃতিবাহী চেতনার উন্মেষ ঘটে। তখন সেই মনের মাধ্যমে মানুষ যা খুশি তাই করতে পারে। পূর্বজন্মের স্মৃতি ফিরে পেতে পারে। এমনকী সেই মনের মাধ্যমে অতিপ্রাকৃতিক লোকেও যাতায়াত করা সম্ভব।’

    ও চুপ করে গেল। একটু দম নিল। সম্ভবত দীর্ঘশ্বাসও ফেলল। তারপর কয়েক সেকেন্ড পরে আবার বলল, ‘তা তোর যখন অ্যাতো কৌতূহল, তুই একবার চেষ্টা করে দ্যাখ না’…

    শোভন চলে গেল। কিন্তু যাবার আগে সেই ভৌতিক চিন্তার পাথরটা মাথায় শক্ত করে গেঁথে দিয়ে গেল।

    আমি আর কিছু ভাবতে পারলাম না। সেই রাত্রেই খাওয়া—দাওয়ার পর ধ্যানে বসে গেলাম। মাঝে মাঝেই নিজের ওপরে ক্ষোভ এবং হাসি আসছিল। একে অপরের মুখে শোনা কথা, তারপর এসবের কোনো স্পষ্ট প্রক্রিয়া জানি না। আমি কি অন্ধকারে বাঘ শিকার করতে চলেছি! এসব বিষয় কি আন্দাজে হাতড়ানো যায়। নিজের ছেলেমানুষিতে আমি নিজেই লজ্জা পেতে লাগলাম।

    তবু আমি বসে ছিলাম। ঘরের দরজা—জানলা আঁট করে বন্ধ করে, টিউব—বাতি নিভিয়ে, জিরো পাওয়ারের একটা চাপা নীল আলো জ্বেলে দিলাম।

    সমস্ত ঘরে এখন অদ্ভুত ফ্যাকাশে নীলাভ অন্ধকার। আমি বিছানার ওপর শিরদাঁড়া সোজা করে ধ্যানের আসনে বসলাম। দুই চোখ বন্ধ করে মনকে একটা কাল্পনিক আলোকবিন্দুতে স্থির করার চেষ্টা করতে লাগলাম।

    প্রথম দিন বিক্ষিপ্ত—অশান্তভাবে বোধহয় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা করেছিলাম। আমি কিন্তু চেষ্টা ছাড়লাম না। প্রতিদিন রাত্রে ধ্যানে বসতাম। সমস্ত মানসিক শক্তি একত্র করে চেষ্টা করতাম বিন্দুর মধ্যে স্থির হয়ে যেতে।

    এইভাবে কয়েকদিন চেষ্টা করার পর মন ক্রমে শান্ত হয়ে এল। একসময় আমি লক্ষ করলাম, মনটাকে বাধ্য ঘুড়ির মতো যে—কোনো চিন্তায় ছুড়ে দিয়েই আবার টেনে আনতে পারছি।

    বুঝতে পারলাম, আর কিছু না হোক, আমি ধ্যানের মাধ্যমে নিজের মনকে কন্ট্রোল করতে পারছি। এবার আমি ধ্যানে বসে বিন্দুতে স্থিত হবার পরে মনকে শূন্যে যতদূর পারি এলোমেলো ছুড়ে দিতে লাগলাম। ডুবন্ত মানুষ যেমন অসহায়ভাবে খড়কুটো আঁকড়ে ধরতে চায়, অনেকটা তেমনভাবে মনকে হাওয়ায় ভাসিয়ে আমি যেখানে—সেখানে নিয়ে যেতে লাগলাম। দিকচিহ্নহীন হয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরের শূন্যতাকে ছুঁতে চাইতাম। মনকে পাক দিয়ে দিয়ে নানানভাবে শূন্যে ছেড়ে দিতাম। মনের সঙ্গে তখন এ এক অদ্ভুত খেলা।

    এই পদ্ধতিতে বেশ কিছুদিন অন্ধ প্রয়াসের পরে, একদিন সকালে অনুভব করলাম আমার মন আশ্চর্যরকম শান্ত কিন্তু অসম্ভব গতিশীল হয়ে গেছে। মন যেন সর্বদা চলন্ত ট্রেনের কামরার মতো স্থির থেকেও মৃদু মৃদু দুলছে।

    আর সেইদিন রাতেই এক দুঃসহ অভিজ্ঞতা হল। রোজকার মতো ধ্যানে বসে মনকে শূন্যে ভাসিয়ে আঁকুপাঁকু হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছিলাম। ধ্যানে সময়জ্ঞান থাকে না। চোখের পাতাও বন্ধ থাকে।

    তাও আন্দাজ বিশ—পঁচিশ মিনিট পরে, মনের ভিতর খানিকটা দূরে একটা কালো ফুটকির মতো চোখে পড়ল। এ আমার সেই কল্পিত আলোকবিন্দু নয়। এই বিন্দুর স্পষ্ট উপস্থিতি রয়েছে। মনের ভিতরের অন্ধকারের চেয়েও আরও অন্ধকার এই বিন্দুটা। অল্প অল্প নড়ছে বলেও মনে হল।

    ভালো করে কিছু বুঝে ওঠার আগেই, বিন্দুটা সাঁ—সাঁ করে পতঙ্গের মতো আমার দিকে ধেয়ে আসতে লাগল। খুব দ্রুত আমার কপালের কাছে এগিয়ে আসতেই বুঝতে পারলাম সেটা বিন্দু নয়, একটা বড়োসড়ো কালো গোলক, বা, বলা ভালো, কালচে অন্ধকার বৃত্ত।

    আমি বিচলিত হয়ে উঠে চোখ খোলার আগেই সেটা আমার কপালের ভিতর দিয়ে ঢুকে শরীরের নীচের দিকে নেমে গেল।

    আর সঙ্গে সঙ্গে আমি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট মানুষের মতো থরথর করে কাঁপতে লাগলাম। মাথার ভিতরকার স্নায়ুতন্ত্রে অসহনীয় বিক্ষেপ। মনে হতে লাগল, আমার সমস্ত স্নায়ুকে কেউ যেন আঙুলে পাকিয়ে চুল ছেঁড়ার মতো ছিঁড়ছে। সারা শরীরে অশান্ত সমুদ্রের উথালপাথাল। ওই আধো—অচেতন অবস্থাতেই মনে হল, আমার হাত—পাগুলো যেন কোনো অর্কিডের শাখাপ্রশাখা হয়ে গেছে। সমস্ত গায়ে কাঁটা—বেঁধা জ্বালা।

    ভোরের দিকে জ্ঞান ফিরতে মৃগী রোগীর মতো বিছানায় উঠে বসলাম। সারা মাথায় আগুনের জ্বলন, বুকের গভীরে ছলছলিয়ে উঠছে, ভয়, আর চেতনায় গতরাত্রের বিভীষিকা।

    সেদিনই দুপুরের পরে কিন্তু শারীরিক—স্নায়বিক কষ্টগুলো আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল। তবু এক দুঃসহ আতঙ্কে আমি আর ধ্যানে বসতাম না। মনকে এসব ভূতুড়ে চিন্তার আঠা ছাড়িয়ে অন্য দিকে দেওয়ার চেষ্টা করতে লাগলাম।

    কিছুদিন পরে ধীরে ধীরে সেই কালরাত্রির ক্ষত মন থেকে প্রায় মুছে গেলেও, সবকিছু পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে পারল না। কোথাও একটা অজানা অসংগতি থেকে গেল।

    তখনও জানি না, হাইওয়ে ধরে হাওয়ার সঙ্গে ছুটতে ছুটতে সহসা একটা বাঁকের সামনে এসে পড়লে লরি যেমন থমকে যায়…আমার জীবনটাও তেমনি এক অদেখা বাঁকের মুখে এসে থেমে গেছে।

    ওই যে বললাম, কোথাও কিছু একটা রয়ে গেল! আমি হঠাৎ হঠাৎ ভয় পেতে শুরু করলাম। শিউরে শিউরে উঠতাম। গায়ে রোঁয়া দিয়ে উঠত। এ সেই ছেলেবেলার গা—ছমছমে অনুভূতি নয়, তার চেয়েও অনেক অ—নে—ক তীব্র। মনে হত সমগ্র অস্তিত্বই যেন ভয়ের তাড়সে ঘুলিয়ে উঠছে। আচমকা ইন্দ্রিয়গুলো তীক্ষ্ন ও সতর্ক হয়ে যেত। যেন এখনই কিছু ঘটবে। আমি অসম্ভব স্পর্শকাতর হয়ে উঠছিলাম।

    একেকদিন রাতে শোয়ার পর মনে হত, আমার প্রকাণ্ড বাড়ির সমস্ত অংশ, আনাচকানাচ থেকে অগুন্তি ছায়া—ছায়া অন্ধকার মানুষ বিছানার চারপাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

    তারা যেন আকুল চেষ্টায় আমাকে ছুঁতে চাইছে। জাগিয়ে দিতে চাইছে। অথচ পারছে না।

    আমি কিছুক্ষণ চুপ করে সন্ত্রস্তভাবে শুয়ে থাকতাম। তারপর এক লাফে উঠে গিয়ে ঘরের আলো জ্বালিয়ে দিতাম। বাকি রাতটুকু আর ঘুম হত না।

    এইরকম অস্বস্তিকর যাপনের মধ্যেই একদিন একটা তুচ্ছ ব্যাপার ঘটে গেল।

    আমাদের ওয়াশ বেসিনটা লাগানো আছে বাথরুমের ঠিক ডানপাশের দেওয়ালে। সেদিন সন্ধে নাগাদ বাথরুমের দরজার কাছে এসে দেখি, বেসিনের কলটা খোলা রয়েছে। একটানা জল বেরিয়ে বেসিনের গর্তে পড়ছে।

    আমি কলের মাথাটা ঘুরিয়ে বন্ধ করে দিলাম। তারপর বাথরুম সেরে ভিতরের ঘরে চলে গিয়েছি।

    রাতের খাওয়া সেরে হাত—মুখ ধোবার জন্য বেসিনের সামনে ফের আসতেই দেখি, কলটা আবার খোলা রয়েছে। আমি প্রথমেই কলটা বন্ধ করে দিলাম।

    এসব তুচ্ছ ব্যাপারগুলো মানুষ মনের ভুল মনে করে ভুলে যায়। আমি কিন্তু উড়িয়ে না দিয়ে বিষয়টা নিয়ে গভীরভাবে কিছুক্ষণ চিন্তা করলাম। এবং দৃঢ় সিদ্ধান্তে এলাম, যে এক্ষেত্রে আমার মন কখনোই ভুল করেনি। আমি নিশ্চিত কলটা আগে বন্ধ করে গেছি। তৎসত্ত্বেও সেটা খুলে গেছে!

    এমনকী পরের দিন সকালে বাথরুমে যাবার সময়ও দেখি এক ব্যাপার। বেসিনের কল সেই খোলা রয়েছে। তার মুখ বেয়ে লম্বা মোটা ধারায় নির্বোধের মতো গড়িয়ে পড়ছে জল।

    খুবই নগণ্য ঘটনা। কিন্তু আমার মনের দেওয়ালে তা গূঢ় ছোপের মতো লেগে রইল।

    এরপর আরও কয়েকটা দিন পেরিয়ে গেল একইরকম নীরব অস্বস্তির মধ্যে। মনের গভীরে সেই সামান্য রেশ রয়ে গেছে, তখনই এক দুপুরবেলা….।

    ডাইনিং—টেবিলে খাবারের প্লেট, জলের গেলাস সব সাজানো। অন্যমনস্কভাবে দুপুরের খাওয়া সারছিলাম। খাওয়া তখন শেষের দিকে। চেয়ারে বসে জলের গ্লাসটা নেওয়ার জন্য হাত বাড়াতেই মুহূর্তের মধ্যে, আমার চোখে সামনে, গ্লাসটা আমার হাতের নাগাল থেকে সরসর করে সরে কিছুটা দূরে টেবিলের প্রায় শেষপ্রান্তে গিয়ে থামল।

    আমি স্তব্ধ হয়ে গেলাম। সমস্ত শিরা—স্নায়ু ফেটে শরীরের ভেতর জড়িয়ে যাচ্ছিল। বরফ জমা ত্রাস। আমার চেতনায় চেনা—চেনা অথচ অস্পষ্ট একটা আশঙ্কা বেজে উঠল। অকস্মাৎ কুয়াশার মতো ফেনিয়ে উঠল বিশ্বাস।

    আমার মনে হল, ওপাশে যাবার সেই অদৃশ্য গোপন দরজা কখন যেন খুলে গেছে। আমি জানতে পারিনি। আর খোলা দরজার ভিতর দিয়ে দুই পৃথিবী একাকার হয়ে গেছে। আমি নিজের অজান্তেই লৌকিক জগতের আড়ালের অলৌকিকতায় প্রবেশ করেছি।

    এই বোধ জেগে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই প্রবল ভয়ের মধ্যেও এক নিষ্ঠুর আনন্দ অনুভব করলাম।

    এরপরে ঠিক কতগুলো দিন কেটে গেল, তা আর সঠিক মনে নেই। তবে আমার সমস্ত পাজলটাই পিকচার পাজলের ঘুঁটির মতো এলোমেলো হয়ে গেল।

    আমার মনের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াগুলোই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছিল। আমি দিন দিন বোধশূন্য ও জড় হয়ে উঠতে লাগলাম। তেমন করে ভয়ও আর পেতাম না।

    এরপর একদিন যা হল, তাকে বলা যায়, আমার দৈনন্দিন অভিজ্ঞতালব্ধ নাটকীয় ঘটনাচিত্রের ওপর চূড়ান্ত তুলির টান।

    সেদিনটা বৈশাখের মাঝামাঝি। সন্ধের আকাশে মেঘ জমলেও শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি হয়নি। তাই বুকচাপা গুমোট।

    রাত্রির মাঝ বরাবর মাথায় আলতো যন্ত্রণার মধ্যে আচমকা ঘুম ভেঙে যেতেই, শুনতে পেলাম পাশের ঘরে খটখট…খটখট…খটখট …একটানা অদ্ভুত একটা শব্দ। চাপা অথচ স্পষ্ট।

    সামান্য পরেই বুঝতে পারলাম, শব্দটা স্থির নয়। সেটা ঘরের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে সরে সরে যাচ্ছে এবং ক্রমশ জায়গা বদল করছে।

    তীব্র রহস্যময় কৌতূহলে আচ্ছন্নভাবে আমি নিঃশব্দে পাশের ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম। দরজায় উঁকি দিয়েই চিনতে পারলাম বিচিত্র শব্দের উৎসটিকে।

    পুরোনো কাঠের দেওয়াল আলমারিটা জীবন্ত প্রাণীর মতো সমস্ত ঘরে হেঁটে বেড়াচ্ছে। তার কাঠের চারটে পা অসমানভাবে মেঝের সঙ্গে ঠুকে শব্দ উঠছে খটখট…খটখট…।

    না, ভয় পাইনি। শুধু নেশাগ্রস্তের মতো শরীরটাকে কোনোমতে টানতে টানতে নিজের ঘরে বিছানায় এনে ছুড়ে দিয়েছি।

    গড়িয়ে গিয়েছি চেতনাহীনতার অতল অনন্ত খাদের গহনে…।

    এখন আমি এক অন্য পৃথিবীতে দিন কাটাচ্ছি। না, দিন না, সময়। কিংবা হয়তো সময়ও না। কেননা, এখানে সময়ের কোনো বোধই নেই। কখনো শুধুই দিন। নিরন্তর রোদ, আলো। কখনো একঘেয়ে নির্দয় রাত্রি। মৃত্যুকূপের ঠাসবুনোট অন্ধকার।

    আমি যেখানে রয়েছি, সেখানের কোনো কিছুই ঠিক আমাদের পৃথিবীর নিয়মে বাঁধা নয়। অথচ জায়গাটা পুরোপুরি লৌকিক পৃথিবীর সঙ্গে সম্পৃক্ত।

    এখানের কিছুই পার্থিব রীতি অনুযায়ী হয় না। আমি শুধু শুয়ে থাকি। ঘুরন্ত সিলিং ফ্যানটা একটু একটু করে নীচে নামতে নামতে মাথার খুব কাছে চলে আসে। কখনো ঘরের দেওয়ালগুলো ভরে যায় অদ্ভুত সব কালো কালো মাকড়সায়। আবার মিলিয়ে যায়…..। আসবাবপত্রগুলো ইচ্ছেমতো এদিক—ওদিক নেচে বেড়ায়…।

    এখানে ব্রণ—ওঠা দেওয়ালের বিবর্ণ আত্মায় পাপের মতো থোকা থোকা ঝুল জমে। সমস্ত ঘরের দেহে অসম্ভব পুরু ধুলোর পোঁচ। বাতাসের স্তরে স্তরে ভেসে বেড়ায় গাঢ় ধুলোর বিষ।

    খিদে তেষ্টা ঘুম কিছুই আসে না।

    আজকাল আমার ভিতর থেকে সরু হিলহিলে এক ‘আমি’ উঠে বসে; কিচেনে গিয়ে গ্যাসের নব ঘোরায়, চা তৈরি করে। বন্ধ বাথরুমে স্নান করতে করতে হেঁড়ে গলায় গান ধরে। কখনো ভরপেট খাওয়ার শেষে শব্দ করে ঢেঁকুর তোলে….

    আমি একটা ঠান্ডা, সাদা মর্গের মতো বিছানায় শুয়ে থাকি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }