Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দাদামশায়ের বন্ধু – হিমানীশ গোস্বামী

    মামাবাড়ি থেকে চিঠি এল—মেজোমামা আসছেন, আমরা যেন অন্তত সাতদিনের জন্য কালকেপুর যাই। আসল নাম কালিকাপুর কিন্তু সকলেই বলত কালকেপুর! কালকেপুর—অর্থাৎ কিনা আমাদের মামাবাড়ির গ্রাম। ছোটো নদী চন্দনা, তার ধারে চমৎকার ছোটো গ্রামটি। আমাদের রতনদিয়া গ্রাম থেকে কালকেপুর গ্রাম কিন্তু খুবই কাছে। হাঁটা পথে সাড়ে তিন মাইল। আমরা হেঁটেই যেতাম—নইলে ট্রেনও ছিল, আবার ওই চন্দনা নদী দিয়ে নৌকায় চড়েও যাওয়া যেত। মেজোমামা থাকেন কটকে, বছরে শীতকালে একবার আসেন—সঙ্গে নিয়ে আসেন অজস্র গল্প, তাঁর বন্দুক এবং প্রচুর গুলি। আরও আনেন কলকাতার সেরা সেরা সব বড়োদিনের খাবার—কেক, পেসট্রি—এইসব। তা ছাড়া বাড়িতেই কতরকম মাছ পাওয়া যেত, নদী থেকে ধরা টাটকা মাছের রাশি। অনেক সময় অত মাছ খেতে খেতে অরুচি ধরে যেত। এরপরও রোজ নতুন পিঠে তৈরি হত—সরা পিঠে, বকুল পিঠে, চন্দ্রকাঠ—তার ওপর মেজোমামার শিকার করে আনা পাখির মাংস। জলে—চরা পাখি ছোটো স্নাইপ থেকে শুরু করে বড়ো পাখি গগনভেরী। চল্লিশ বছর আগে দেশে এখনকার মতো জঙ্গল কমে যায়নি—পাখি তো ছিলই প্রচুর, তা ছাড়া আমাদের গ্রামের আশেপাশে বাঘও এসে পড়ত শীতকালে কখনোসখনো।

    কিন্তু মামাবাড়ির চিঠি পড়ে আমরা সেবার যতখানি উৎসাহিত হয়ে উঠেছিলাম ততখানি না হলেও চলত। সেবার সবই কেমন যেন উলটোপালটা ঘটে গেল, অবিশ্বাস্য সব ঘটনা। এখনও সবটা যেন ঠিকমতো বিশ্বাস হয় না। এটাও ঠিক—সব কথা গুছিয়ে বলতেও পারি না। অনেকদিন আগে যা ঘটেছে তার সবটা মনে নেই—আবার যে সব ঘটনা ঘটেনি—কেউ কেউ সে কথা বলায় সেগুলো যেন ঘটেছিল বলেই মনে হয়। যাই হোক, আমরা একটা কথা আগেই জানতাম, সেটা হল দাদামশাই সেই যে পুজোর পর দেশ ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন তারপর থেকে দু—মাসের উপর হয়ে গেল তিনি ফেরেননি। প্রথম সপ্তাহে তাঁর দুটো চিঠি এসেছিল। একটা এসেছিল বেনারস থেকে। তিনি লিখেছিলেন—জায়গা যত ভালো বলে লোকে বলে তত ভালো নয়, তবে এত ভালো বেগুন তিনি কখনো দেখেননি। তারপর এক পাতা ধরে ওই বেগুনের বর্ণনা ছিল। এর পরের চিঠি এসেছিল কাশ্মীর থেকে। তিনি লিখেছিলেন—চমৎকার জায়গা, তবে বেগুনের অভাব খুব বোধ করছেন। তারপর বেগুন না থাকায় তাঁর কীরকম কষ্ট হচ্ছে, সেটা জানিয়েছিলেন দু—পাতা ধরে। ওই চিঠির শেষে লিখেছিলেন, এবার যাওয়ার সময় বেনারস থেকে দু—ঝুড়ি বেগুন আর এক প্যাকেট বীচি নিয়ে যাব।

    ব্যস, তারপর দু—মাস আর খবর নেই। তারপরও বেশ কয়েকদিন কেটে গেল। বাড়ির লোকেরা সাধারণত দাদামশায়ের জন্য চিন্তা তেমন করে না। খেয়ালি মানুষ—কোথাও হয়তো কিছু শিখছেন। হয়তো রাজস্থানে বসে হাতির দাঁতের কাজ শিখছেন, কিংবা মোরাদাবাদে পেতলের কাজ। একবার তো মাদ্রাজে গিয়ে ছবি আঁকা শিখে এসেছিলেন তিনি। তা ছাড়া, শান্তিনিকেতনে গিয়ে কবিতা লেখা শেখা যায় কিনা তা জানতে চেয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন তিনি স্বয়ং রবীন্দ্রনাথকে। সে চিঠির উত্তর এসেছিল কিনা—তা আমরা জানি না। বোধহয় আসেনি, এলে নিশ্চয় আমরা জানতে পারতাম। যাই হোক বাড়ির লোকেরা যখন দুশ্চিন্তা শুরু করেছে এমন সময় একটা চিঠি এল তাঁর কাছ থেকে, তাতে তিনি জানিয়েছেন তাঁর আসার তারিখ। বেনারস থেকে তিনি লিখেছেন—এখানে বেগুনের জন্য এসেছিলাম, কিন্তু বেগুন কেনা সম্ভব হয়নি। হরিদাস বেগুন খায় না। বেগুনের নাম শুনলে তেলে—বেগুনে জ্বলে ওঠে। তা ছাড়া, কেবল খায় না তা নয়, বেগুনের গন্ধ পর্যন্ত সহ্য করতে পারে না। তারপর যেন নেহাত না লিখলেই নয় এমনভাবে লিখেছেন, হরিদাস আমার বন্ধু। হরিদাস সাধু। ওর সঙ্গে আমার প্রথম পরিচয় হয়েছিল আসামে—বছর পনেরো আগে। সে আমার সঙ্গে যাবে—এখন থেকে সে কালকেপুরেই থাকবে। ওর জন্য রোজ এক সের করে মাছ লাগবে—যেকোনো ধরনের মাছ হলেই চলবে। ছোটো কাঁচা মাছই ওর পছন্দ।

    তারপর লিখেছেন, স্টেশনে যেন জনা দশেক লোক থাকে—আমার সঙ্গে একটা কাঠের বড়ো বাক্স থাকবে।

    ঠিক সেই তারিখের আগের দিনই আমরা কালকেপুর পৌঁছলাম। দেখলাম মেজোমামা এসেছেন, খাবারদাবারও প্রচুর—কিন্তু বাড়িতে তেমন আনন্দের আবহাওয়াটাই নেই। মেজোমামা বাইরের ঘরে বসে চমৎকার গন্ধওয়ালা তেল দিয়ে বন্দুক পরিষ্কার করছেন দেখলাম। আমাদের দেখে বললেন,—আয় আয়, বোস। তারপর দু—মিনিট চুপচাপ থাকার পর বললেন, —যা ভেতরে যা। ভেতরে গিয়েও দেখি, বাড়ির মধ্যে কেমন যেন একটা অশান্ত ভাব। ছোটোমামাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম, বাড়ির সবাই এমন গম্ভীর হয়ে রয়েছে কেন রে? ছোটোমামা বলল, মন্দিরের ওখানে গিয়ে বলব, এখানে নয়। ছোটোমামা মন্দিরের সিঁড়িতে বসে সব কথা বলল। সেই চিঠির কথা পর্যন্ত বলে চুপ করল। আমি বললাম,—তাতে আর কী হয়েছে, জন দশেক লোক নিয়ে স্টেশনে গেলেই চুকে যায়। তখন ছোটোমামা যা বলল তাতে আমার একেবারে মাথা ঘুরে উঠল। ছোটোমামা বলল, চিঠিটায় একটা খটকা আছে বুঝতে পেরেছিস?

    —খটকা?—আমি প্রশ্ন করলাম।

    ছোটোমামা বলল,—চিঠিটা পড়ে তোর কোনোরকম অস্বাভাবিক ব্যাপার মনে হয়নি?

    আমি বললাম, কই না তো? দাদু বন্ধু নিয়ে আসছেন। এটার মধ্যে খটকা কিছু তো লাগছে না। তবে একটা বড়ো বাক্স আনছেন দাদু, সেটাতে একটু খটকা লাগছে!

    —ঠিক ধরেছিস। আর কিছু?

    —আরও খটকা লাগার কিছু আছে নাকি ওতে?

    —তুই একটা বোকা। —ছোটোমামা বলল।

    —না আমি বোকা নই। —আমি দৃঢ়ভাবে বললাম,—আমি বোকা হব কেন? এবারে অঙ্কে একশো—র মধ্যে তো আশির ওপরে পেয়েছি, বাংলায় পেয়েছি সত্তরের কাছাকাছি—সেও একশো—র মধ্যে।

    ছোটোমামা বলল,—আরে সে কথা নয়। ওই চিঠির মধ্যে আরও একটা মুশকিলের ব্যাপার আছে—তোর মাথায় ঢুকছে না তো? আচ্ছা, তাহলে বলেই দিই। ওই যে চিঠিতে আছে না, বাবার বন্ধু মাছ খাবেন রোজ এক সের করে?

    আমি বললাম,—তা মাছ কি এমন খারাপ বস্তু কিছু? আর এক সের মাছ আমিও খেতে পারি।

    ছোটোমামা বলল,—কাঁচা?

    আমার তখন ব্যাপারটা মাথায় ঢুকল। তাই তো—দাদুর বন্ধুর জন্য কাঁচা মাছ লাগবে, রোজ এক সের করে! হ্যাঁ, তাই কথাটা দুশ্চিন্তারই বটে। দাদুর বন্ধু হরিদাস সাধু। তিনি খাবেন কাঁচা মাছ। ভাবনারই বটে!

    কিন্তু তারপর ছোটোমামা যা বলল, তাতে আমার চুল খাড়া হয়ে উঠল, হাত—পা জমে গেল ভয়ে।

    ছোটোমামা বলল,—বাবার বন্ধু হরিদাস কাকা গত মাসে মারা গেছেন বেনারসে জলে ডুবে।

    —অ্যাঁ!—আমার আর কথা সরে না। ওই অ্যাঁ বলেই চুপ মেরে যাই। তারপর অনেকক্ষণ—অনেকক্ষণ পর আমার মুখ দিয়ে মাত্র একটা বাক্য বেরোয়,—সর্বনাশ!

    —ঠিক তাই।—ছোটোমামা বলল,—দারুণ সর্বনাশ। বাবার বন্ধুর মৃত্যুসংবাদ খবরের কাগজে বেরিয়েছিল। তাঁর ছবিও ছাপা হয়েছিল। বড়ো সরকারি চাকরি করতেন তিনি আবগারি বিভাগে। বদলির চাকরি—কখনো থাকতেন হুগলি, কখনো বা বিহারের পূর্ণিয়ায়, কখনো বা নাসিকে। বিরাট চেহারা ছিল তাঁর। ছ—ফুটের ওপর লম্বা ছিলেন, আর বেশ মোটাও। ভীমের মতো গোঁফও ছিল।

    আমার ভয় করছে রে ছোটোমামা!—আমি কাঁপতে কাঁপতে বললাম।

    —তোর দোষ কি! বড়দা পর্যন্ত ভাবছে, সকলে মিলে বাড়ি ছেড়ে কোথাও চলে গেলে কেমন হয়। তবে মেজদা বলছে—অনেক বাঘ ভালুক শিকার করেছি, এবারে একটা ভূতকে অন্তত দুটো বুলেট মেরে দেখব ফলাফল কেমন দাঁড়ায়। বাড়ির আর সবাই সর্বদাই ঠকঠক করে কাঁপছে।

    আমি বললাম,—তা শীত পড়েছে বটে খুব। কাঁপতে আমারও ইচ্ছে হচ্ছে রে ছোটোমামা!

    ছোটোমামা বলল,—শীতে, না ভয়ে?

    আমি বললাম,—কী?

    ছোটোমামা বলল,—সহজ প্রশ্ন! ভয়ে কাঁপতে ইচ্ছে করছে, না শীতে?

    আমি বললাম—শীতে। শীতেই কাঁপতে ইচ্ছে করছে।—তারপর একটু থেমে বললাম, —না, ভয়েই কাঁপতে ইচ্ছে করছে। তবে, বলতে ইচ্ছে করছে শীতে কাঁপতে ইচ্ছে করছে।

    ছোটোমামা বলল,—ব্যাপার খুব সাংঘাতিক। মেজদার দৃঢ় বিশ্বাস, হরিদাস কাকার জলে ডুবে একেবারে সরাসরি গঙ্গাপ্রাপ্তি হলেও তাঁর আত্মা অতৃপ্ত থেকে গেছে, সদগতি হয়নি। অর্থাৎ কিনা তাঁর বাড়ির কেউ বোধহয় ঠিকমতো শ্রাদ্ধশান্তি করেনি—বা গয়ায় পিণ্ডি দেয়নি।

    আমি বললাম,—হ্যাঁ রে ছোটোমামা, গয়ায় পিণ্ডি দিলে কী হয়? ছোটোমামা উদাসভাবে বলল,—কিছু পৈতেধারী অসংস্কৃত—মনস্ক ব্যক্তির মুনাফা হয়। আর কী হবে?

    আমি বললাম,—কথাটার মানে বুঝিয়ে বলবি একটু?

    ছোটোমামা বলল,—লোক মারা গেলে তার আত্মা অশান্ত হয়। পৃথিবীর মায়া কাটাতে না পেরে পৃথিবীর হাওয়ায় থেকে যায়, আর তার পুরোনো পরিবেশে ফিরে ফিরে আসে।

    মানে ভয় দেখায়?

    ছোটোমামা বলল,—কে বলল ভয় দেখায়? অশান্ত আত্মা অশান্তিতে ভোগে, ছটফট করে, হয়তো দু—একটা কাচের গেলাস ভাঙে, বা বই ছোড়ে। কিন্তু কাউকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্য নিয়ে করে বলে কেউ কোনো প্রমাণ এ যাবৎ দেখাতে পারেনি।

    আমি বললাম,—এত সব কথা তুই জানলি কেমন করে?

    ছোটোমামা বলল,—আমি রাঙাদার কাছে শুনেছি। রাঙাদা তো কলকাতার কলেজে পড়ে, সে অনেক কিছু জানে।

    আমি বললাম, শোন ছোটোমামা, আজ বিকেল বেলায় আমরা দুজনে সোজা চলে যাই রতনদিয়া। সাড়ে তিন মাইল পথ, ঘণ্টা দেড়েক হাঁটলেই পৌঁছে যাব।

    —কেন?

    আমি বললাম,—কী হবে ঝামেলার মধ্যে থেকে। ভূতুড়ে কাণ্ড আমার একেবারেই বরদাস্ত হয় না।

    ছোটোমামা এ কথায় বলল, তুই একটা কাপুরুষ।

    আমি বললাম,—ঠিক বলেছিস। আমি কাপুরুষ। তুই না যাস, আমি একাই যাব।

    ছোটোমামা বলল,—এতবড়ো একটা অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ ছেড়ে দিবি?

    আমি ম্লান হাসলাম।

    ছোটোমামা বলল,—তুই সেবার বললি না, আফ্রিকায় গিয়ে হাতি গন্ডার শিকার করবি?

    আমি বললাম, নিশ্চয়—আফ্রিকায় গিয়ে আমি হাতি গন্ডার শিকার তো করবই। কিন্তু ভূত? না বাবা, ওতে আমাকে পাবে না।

    ছোটোমামা বলল,—ঠিক আছে, তুই চলে যা। তারপর আমরা যখন হরিদাস কাকার সঙ্গে কথা বলব, পরকালের কথা জেনে নেব, তখন বলিস না—ইস, ইস তোরা লাকি! জানিস তো, হরিদাস কাকা গল্প বলেন চমৎকার!

    —কিন্তু ভূত তো উনি। যখন বেঁচে ছিলেন তখন হয়তো চমৎকার গল্প বলতেন, কিন্তু এখন ভূত হয়ে কীরকম গল্প বলবেন কে জানে?

    ছোটোমামা বলল,—আমার মনে হয় তিনি বলবেন অদ্ভুত গল্প! বলে ছোটোমামা হি হি করে হাসতে লাগল। আর আমার গায়ে কীরকম শিহরণ খেলে গেল। এরপর হয়তো কাঁপতে শুরু করতাম প্রবল বেগে, কিন্তু ঠিক সেই সময় বড়োমামার ডাক শুনতে পেলাম— ওরে তোরা খাবি আয়, কোথায় গেলি?

    চানও করা হয়নি। অন্য কোনোদিন হলে চান না করলে মামাবাড়িতে খাওয়া শক্ত ছিল। কিন্তু সেদিন কেউ খেয়ালই করল না।

    খাওয়াটাও একেবারে নমো নমো করে সারা হল। বড়ো বড়ো গলদা চিংড়ির মালাই, সরু চালের ঘি—ভাত আর পুকুর থেকে ধরা বড়ো বড়ো কই মাছের সরষের বাটা দেওয়া ঝোল থাকলেও, মনটা কীরকম উদাস হয়েই রইল। খাওয়ার দিকে নজরই দিতে পারলাম না।

    তারপর রাত্রেও ঘুম এল না। আমি আর ছোটোমামা এক খাটে শুয়েছিলাম লেপ গায়ে দিয়ে। সে রাত্তিরটা ছিল খুবই ঠান্ডা। অথচ কয়েক মিনিট পরেই মনে হল খুব যেন গরম লাগছে, আর গা—টাও ঘেমে যাচ্ছে। মনটাকে কিছুতেই স্থির রাখতে পারছি না। বিকেলবেলা বাড়িতে চলে গেলেই আজ ভালো হত—কিন্তু একা ফিরবার কথা ভাবতেই কীরকম ভয় করছিল আমার। আর ছোটোমামাও এমন দুষ্টু যে, সে আমার সঙ্গে যেতেই রাজি হল না। সে বলল,—ভীরু, তুই একাই যা—না। —বলে কীরকম ইয়ারকির ভঙ্গিতে হেসেছিল। অথচ এটাও তো ঠিক যে ছোটোমামাও দারুণ ভয় পেয়ে গিয়েছিল! কিন্তু সে দুষ্টুমি করে, বোধহয় আমার ভয় পাওয়া দেখে মজা পাওয়ার জন্যই, আমার সঙ্গে গেল না।

    পরদিন ট্রেন রাত দশটায়। আমরা একদল গিয়েছি পাংশা স্টেশনে। যদিও আমাদের স্টেশনে যাওয়ার ব্যাপারে পই পই করে বারণ করা হয়েছিল। আর ভয় পেলেও, আমিও কৌতূহলের জন্যই গিয়ে উপস্থিত হয়েছিলাম।

    স্টেশনে ট্রেন ঠিক সময়ে থামতেই দাদামশাই নেমে পড়লেন ট্রেন থেকে। তারপর ছুটতে লাগলেন ট্রেনের শেষ দিকে। সেখানে একটা মালগাড়ি থেকে নামানো হল বিরাট একটা কাঠের বাক্স। সঙ্গে আর কাউকে দেখতে পেলাম না। দাদামশাই বললেন,—এই বাক্সটা যেন যত্ন করে নিয়ে যাওয়া হয়।

    অবশ্য নিয়ে যাওয়ার কোনো ভাবনা ছিল না, কেননা বড়োমামা এবং মেজোমামা দশজন লোক এ জন্য সংগ্রহ করেই রেখেছিলেন। তারা বড়ো কয়েকটা বাঁশ এনেছিল সঙ্গে। সেই বাঁশগুলি পাশাপাশি আর কয়েকটা ছোটো বাঁশ আড়াআড়ি রেখে, দড়ি দিয়ে ভালো করে বাঁধতেই সেটা বেশ শক্ত মাচার মতো হল, তার ওপর সকলে মিলে ধরাধরি করে বাক্সটিকে বসানো হল। ওই বাক্সটিকে আনার জন্য যাদের নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তারা তো আর জানে না ওই বাক্সে কী আছে, তারা জানলে আর তাদের দিয়ে ওই বাক্স টানানো যেত না। যাই হোক, বাক্স নিয়ে আমরা নির্বিঘ্নেই রওনা দিলাম। কেবল দেখলাম, মেজোমামা বন্দুকে গুলি ভরা আছে কিনা দেখে নিল। আর বড়ো মামা দাদামশাই—এর সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কী বলল, সেটা ভালো করে বোঝা গেল না অবশ্য। তারপর আমরা প্রায় জনা কুড়ি লোক বাড়ির দিকে রওনা হলাম। দুজন দুটো লণ্ঠন নিয়ে সামনে সামনে চলল পথ দেখিয়ে। তারপর বাক্সটিকে বাঁশের মাচার ওপর রাখা—সেই অবস্থায় জনা দশেক বয়ে নিয়ে চলেছে, যেন বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাক্সের কাছেই দাদামশাই রয়েছেন। তার পেছনে আবার দুজনের হাতে লণ্ঠন। মেজোমামা বন্দুক হাতে চলেছে লণ্ঠনধারীদের ঠিক পেছন পেছন, আর বাকিরা সব পেছন পেছন চলেছি। কেবল আমার হাতে রয়েছে একটা বড়ো টর্চ, সেটা আমাকে দেওয়া হয়েছে কিন্তু জ্বালাবার জন্য নয়, কেবল বইবার জন্যে।

    রাত্তিরটা বেশ অন্ধকার। অমাবস্যাই মনে হয়। তবে পরিষ্কার আকাশ। তা থেকে কোটি কোটি নক্ষত্রের ক্ষীণ আলো এসে পড়েছে। তাতে সবটা একেবারে অন্ধকার ঢেকে যায়নি। শীত। মনে উত্তেজনা। আমরা ব্যাপারটা জানি বলে ভয় ভয় করছে। ঠান্ডায় আর ভয়ে কাঁপছি। মিনিট কয়েক এইভাবে চলেছি। হঠাৎ সামনে দাদামশাই—এর আওয়াজ পেলাম,—কই, সঙ্গে মাছ—টাছ আনিসনি কিছু?

    —মাছ?—বড়োমামা বললেন,—মাছ আনব কেন?

    দাদামশায় বললেন,—হরিদাসের খিদে পেয়েছে। এখুনি মাছ দরকার!

    যারা কাঠের বাক্সটা বইছিল তারা এ কথায় কেমন হকচকিয়ে গেল। তা ছাড়া হরিদাসকাকার কথাও হয়তো তাদের কানে গিয়েছিল। তারা বাক্সটিকে মাটিতে নামিয়ে বলল,—এর মধ্যে কী আছে? আর আপনি কার সঙ্গে কথা কইছেন? বাক্সটা এত ভারী বা কেন? ভেতরে কে আছে?

    বুঝলাম, বেয়ারাদের মনেও সন্দেহ এবং ভয় দুই—ই ঢুকেছে।

    দাদামশাই বললেন,—ও কিছু না। তোরা চল, তাড়াতাড়ি বাড়ির দিকে পা চালা।

    লোকেরা বেশ ভয়ে ভয়েই আবার চলতে শুরু করল। কিন্তু এক মিনিট যেতে না যেতেই তারা আবার বাক্স নামিয়ে বলল,—উঃ কী ভারী! ক্রমশই যেন বাক্সটা বেশি ভারী হয়ে উঠেছে!

    মেজোমামা বলল, ওটা কেবল তোদের মনের ভুল। ক্লান্ত হয়ে পড়ছিস কিনা, তাই আরও ভারী ঠেকছে। নে তোল, তাড়াতাড়ি পা চালা।

    আবার তারা বাক্সটিকে নিয়ে চলতে শুরু করল। কিন্তু এবারে কয়েক সেকেন্ড চলতেই তারা বাক্সটিকে আবার নামিয়ে ফেলল।

    দাদামশাই চুপি চুপি মেজোমামাকে বললেন,—মাছ। একটু কাঁচা পেলেই ঠিক হয়ে যেত। এই এক মুশকিল এদের নিয়ে, যত খিদে পাবে তত তাদের ওজন বাড়বে। কিছু মাছ আমার সঙ্গে আনা উচিত ছিল। ট্রেন লেট করল, নইলে এতক্ষণ বাড়িতেই পৌঁছে যেতাম।

    এরপর আর বেয়ারারা বাক্সটিকে অনেক চেষ্টা করেও তুলতে পারল না। দাদামশাই বললেন,—একটু মাছ কেউ জোগাড় করতে পার না তোমরা? কাঁচা মাছ?

    বেয়ারারা কিন্তু ইতিমধ্যে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছে। তারা বুঝতে পেরেছে, একটা কিছু অস্বাভাবিক ব্যাপার চলছে যা তাদের মাথায় ঢুকছে না ঠিকমতো। আবার এই অস্বাভাবিক অবস্থা, কাঁচা মাছের খোঁজ—দাদামশায়ের বাক্সের সঙ্গে কথাবার্তা বলায়, ওরা যেন কিছু আঁচও করছে।

    তারা বুঝতে পারছে, তারা যে মাল বহন করে নিয়ে চলেছে তাতে নির্জীব কেউ নেই, আবার এটাও বুঝতে পারছে, তার মধ্যে সজীবও কারুর থাকার কথা নয়। বাক্স কখনো এত ভারী হয়? বিশেষ করে যে বাক্স তারা কয়েক মিনিট আগেই অনায়াসে বয়ে আনতে পারছিল, সে বাক্স হঠাৎ এমন আচমকা ভারী হয় কেমন করে?

    বেয়ারাদের যে প্রধান, সে বলল,—বাবু আমাদের রেহাই দিন। এ মাল বইবার সাধ্যি আমাদের নেই।

    দাদামশাই হুংকার দিয়ে বললেন—তোদের গায়ে জোর নেই,—অ্যাঁ, একদম জোর নেই? দাঁড়া, আমি তোদের সঙ্গে কাঁধ দিচ্ছি, আয় ধর সব।

    সকলে মিলে চেষ্টা করল আবার। মাটি থেকে কয়েক ইঞ্চি মাত্র উঠল বাক্সটা—কিন্তু তারপরই ফেলে দিতে হল। একজন বেয়ারা বলল,—উই বাপ! এর মধ্যে লুহার হাতি ঢুকছে!—লুহার হাতি ঢুকছে! অর্থাৎ কিনা লোহার হাতি ঢুকেছে। কথাটা শুনে ভয়ের মধ্যেও আমাদের কীরকম হাসি পেয়ে গেল।

    মেজোমামা বলল, এবারে সকলে মিলে চেষ্টা করা যাক। তখন বেয়ারা দশ জন ছাড়াও, বাকি সবাই চেষ্টা করলাম ওঠাতে। এবারে অবশ্য ওঠানো গেল এবং আমরা এবারে খুব তাড়াতাড়ি চলতে লাগলাম। এবার যেন আমরা উড়ে চলেছি, মুহূর্তে পার হয়ে যাচ্ছি অনেকটা পথ। এইভাবে বোধহয় দু—মিনিট কিংবা তিন মিনিট গেল—এবারে এসে পড়লাম চন্দনা নদীর কাছে। আর বেশিদূর নয়। চন্দনা নদী পার হলেই আমাদের গন্তব্য স্থান।

    নদীর ধারে আমরা বাক্সটিকে নামালাম। রেল—ব্রিজের ওপর দিয়ে নদী পার হব—এ নিয়ে যখন কথা হচ্ছে, তখন একটা আশ্চর্য ব্যাপার ঘটল। হঠাৎ মাচার ওপরকার বাক্সটা গড়াতে লাগল নিজে নিজেই! আর সেটা প্রচণ্ড আওয়াজ করে গিয়ে পড়ল চন্দনা নদীর জলে। আবছা অন্ধকারেও জলোচ্ছ্বাস দেখা আর একটু পরেই অদৃশ্য হয়ে গেল বাক্সটা। আমি টর্চটা জ্বেলে দেখলাম, বাক্সটির চিহ্ন মাত্রও দেখা যাচ্ছে না। একেবারেই জলে তলিয়ে গেল?

    কিন্তু আমরা দেখলাম, যে মাচার ওপর বাক্সটা রাখা ছিল সে মাচাটা বেশ শক্ত সমতল জমির ওপর রয়েছে। আরও একটা জিনিস দেখে আমরা অবাক হলাম, সেটা হল মাচার সঙ্গে যে দড়ি দিয়ে বাক্সটা বাঁধা ছিল, সে দড়িটা ছিন্ন ভিন্ন হয়ে রয়েছে—যেন একটা প্রকাণ্ড শক্তিশালী রাক্ষস তার ধারালো দাঁত দিয়ে দড়ি কেটে রেখেছে।

    দাদামশাই দেখে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়লেন। তারপর অনেকক্ষণ পর বললেন,—হরিদাসটা বড়োই অধৈর্য! বোধহয় নদীতে মাছ দেখে তার আর তর সয়নি! যাক, কী আর করা যাবে? সব বাড়ি চল, কাল এসে খুঁজেটুজে দেখা যাবে বাক্সটা।

    সে রাত্তিরে আমরা বাড়িতে ফিরলাম বটে, কিন্তু সমস্ত রাত একেবারেই ঘুম এল না। পরদিন ভোর হতে না হতেই আমরা সব নদীর ধারে গেলাম। দাদামশাই দু—চারজন পাকা সাঁতারুকে জলে নামালেন ওই ঠান্ডার মধ্যেই, কিন্তু তারা অনেক খুঁজেও বাক্সটাকে পেল না।

    বড়োমামা বলল,—বাঁচা গেল।

    মেজোমামা বলল, —বাঁচা গেল।

    আর আমরা? আমরাও সকলে তাই বললাম।

    কিন্তু দাদামশাই বললেন,—মাছের লোভে হরিদাস জলে ডুবে ম’লো।

    কিন্তু তা কি সম্ভব? হরিদাস তো আগেই মারা গেছে। কেউ কেউ কি দ্বিতীয়বার মরে? আর যদি বাক্সে হরিদাসের ভূতই ছিল, তাহলে ভূতের আবার মৃত্যু কি সম্ভব?

    কে জানে! তবে আমরা এরপর আর চন্দনা নদীতে চান করতে যাইনি। যদি,—মানে, ধর হরিদাসকাকা যদি—যাক সব কথা স্পষ্ট করে বলা যায় না, আশা করি তোমরা বুঝতে পেরেছ কী বলতে চাই? এ গল্প এতদিন বলিনি কেন, সেটা আমাকে কেউ কেউ জিজ্ঞেস করেছে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে কী, এতদিন কথাটা মনে করতেই ভয় হত। তবে সেদিন ছোটোমামার সঙ্গে দেখা—এখন ছোটোমামারও আমার মতোই অনেক বয়েস। ছোটোমামাকে বললাম,—এখনও ওই কথা মনে পড়লে ভয় হয়।

    ছোটোমামা বলল,—আর ভয় নেই রে! কতদিন হয়ে গেল না? তারপর জায়গাটা তো আর ভারতবর্ষে নেই, কবে পাকিস্তান হয়ে গিয়েছে, তারপর হল বাংলাদেশ। হরিদাসকাকাকে আসতে হলে চেক—পোস্ট পার হয়ে আসতে হবে না? সে বড়ো হাঙ্গামা। তা ছাড়া, উনি ঠিকানাও জানেন না তো!

    ছোটোমামার ওই ভরসা পেয়েই আমি আজ লিখতে পারলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }