Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতগুলো সব ভয় দেখায় – সম্পাদনা : শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায় এক পাতা গল্প976 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মারাত্মক ঘড়ি – প্রমথনাথ বিশী

    পিন্টুদের বাড়িতে মস্ত একটা গোল দেওয়াল ঘড়ি ছিল। বাইরের ঘরে দেওয়ালের অনেকটা জুড়ে ঘড়িটা কায়েমি অধিকার করে বিরাজ করে। ঘড়িটা যে কতদিনের পুরোনো সে ইতিহাস গবেষণার বিষয়। এ বাড়িতে তার প্রথম আবির্ভাব এখন কিংবদন্তি, সে কিংবদন্তিও আবার নানা রকম। পিন্টু বন্ধুদের কাছে বলে বাবার ঠাকুরদা সাহেববাড়ির নিলামে ঘড়িটা কিনেছিলেন। পিন্টুর কাকারা বার লাইব্রেরিতে গল্প করেন যে বাবার প্রপিতামহ একটা ডুবোজাহাজের মাল নিলাম হতে দেখে নামমাত্র মূল্যে ঘড়িটা কিনে এনেছিলেন। এ থেকেই বুঝতে পারা যাবে যে ঘড়িটার খ্যাতি অনেক দূর ছড়িয়েছে। পিন্টুর বন্ধুমহল জানে, পিন্টুর দুই কাকাই ব্যারিস্টার, কাজেই বার লাইব্রেরির সভ্যগণও জানেন আর আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধব তো অবশ্যই জানে। যাই হোক ঘড়িটার বয়স যে অন্তত দেড়শো বছর এ বিষয়ে সকলে একমত। কিন্তু মজা হচ্ছে এই যে ঘড়ির মধ্যে যে কোম্পানির নাম লিখিত ছিল তা অনেকদিন মুছে গেলেও ঘড়িটা কখনো অচল হয়নি। সপ্তাহে একবার করে দম দিতে হত, যেমন সব দেওয়াল ঘড়িতে দিতে হয়। ওই দমটুকুর ওপর নির্ভর করে বশংবদ ঘড়িটা আজ তিন—চার পুরুষ সময় জ্ঞাপন করে আসছে পিন্টুদের বাড়িতে।

    চন্দ্র সূর্য যেমন আকাশের নিত্য বস্তু, ঘড়িটাও তাই। চন্দ্র সূর্য বলা বোধ করি ঠিক হল না, কারণ তারা আকাশে নড়েচড়ে বেড়ায়; গ্রহ উপগ্রহ বলাও ঠিক হবে না, ঘড়িটার অচল অটল অবস্থা দেখে নক্ষত্র বলাই উচিত। তবে ঘড়ি না নড়লেও তার কাঁটা দুটোর কখনো নড়তে ভুল হয় না। দামি দামি হালফ্যাশনের হাতঘড়িগুলোতেও কখনো কখনো দু—এক মিনিটের তারতম্য ঘটলেও ওই পুরোনো বুড়ো ঘড়িটা সময় নির্দেশে কখনো ভুল করে না। আরও মজা হচ্ছে এই যে ঘড়িটা কখনো মেরামত হয়েছে এমন কেউ জানে না। পিন্টুর কাকার বন্ধুরা ঠাট্টা করে বলতেন ঘড়িটা বামুনের গোরু, খায় কম—দুধ দেয় বেশি। তবে এহেন ঘড়িটা পিন্টুদের বাড়ির একটি দর্শনীয় ঐশ্বর্য। পিন্টুর কাকাদের বন্ধুরা ওটা কোন কোম্পানির তৈরি আবিষ্কার করতে চেষ্টা করেছেন। তাঁরা বলেন, জানতে পারলে সেই কোম্পানি থেকে ঘড়ি কিনি। কিন্তু জানবার উপায় কী? ভিতরে এক সময়ে নিশ্চয় কোম্পানির নাম লেখা ছিল, বর্তমানে তা সম্পূর্ণ লুপ্ত। আতস কাচ দিয়ে এমন কী মাইক্রোস্কোপ লাগিয়ে পাঠোদ্ধার করবার চেষ্টা করেও তাঁরা সফল হননি। তাঁরা বলাবলি করতেন, ও ঘড়িটা স্বয়ম্ভু। হয় আকাশ থেকে পড়েছে নয় সমুদ্র থেকে উঠেছে।

    এখন এই ঘড়িটা সম্বন্ধে আর একটা কিংবদন্তি প্রচলিত ছিল, যা নাকি ভারি রহস্যময়। আর যা কিছু রহস্যময়, আধুনিক বৈজ্ঞানিক মন তাকে সংক্ষেপে ‘গাঁজা’ বলে উড়িয়ে দিতে অভ্যস্ত। কিংবদন্তিটা রহস্যময় আর বড়ো মারাত্মক। বাড়িতে কারও মৃত্যু হবার ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা আগে ঘড়িটা নাকি আপনিই থেমে যায়। অবশ্য পিন্টুর বাবা, কাকা প্রভৃতি এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করেননি, তবে শোনা যায় যে পিন্টুর ঠাকুরমার মৃত্যুর আগে ওইভাবে ঘড়িটা থেমে গিয়েছিল। কিন্তু তার দুই ব্যারিস্টার কাকা স্বাভাবিক ব্যাখ্যা দিয়ে ব্যাপারটাকে উড়িয়ে দেন, বলেন যে মা—র মৃত্যু ঘটেছিল বিরানব্বই বছর বয়সে, তাঁর অসুখের চিকিৎসা ও সেবা নিয়ে সকলে ব্যস্ত ছিল, কাজেই সময়মতো ঘড়িটাতে দম না দেওয়াতে থেমে গিয়েছিল। এর মধ্যে আর রহস্যের কি থাকতে পারে? কিন্তু হঠাৎ একদিন এমন একটা দলিল আবিষ্কৃত হল যাকে অত সহজে ব্যাখ্যা করে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

    পিন্টুর বাবা একদিন পুরোনো কাগজপত্র ঘাঁটছিলেন। এমন সময়ে একখানা জীর্ণ কাগজ তাঁর চোখে পড়ল। বাজে কাগজ বলে সেটা যখন ফেলে দিতে যাবেন, হঠাৎ নীচে স্বাক্ষর দেখলেন রামজয় শর্মা। রামজয় শর্মা তাঁর পিতামহ, কাজেই পিন্টুর প্রপিতামহ। কৌতূহলী হয়ে কাগজখানা তুলে নিয়ে পড়লেন যে তাতে লেখা আছে ‘দেওয়াল ঘড়িটা দেখছি বড়োই অদ্ভুত। কোনোদিন থামে না, পরশু সকালে উঠে দেখি তার কাঁটা দুটো অচল হয়ে রয়েছে। ভাবলাম সময়মতো দম দেওয়া হয়নি, তাই এই অবস্থা। তখন তাড়াতাড়ি দম দিলাম, ঘড়ি চলতে আরম্ভ করল। তারপরে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই বাবা হঠাৎ সন্ন্যাস রোগে মারা গেলেন। তখনও মনে কোনো সন্দেহ হয়নি। কিন্তু আবার পাঁচ ছয় বছর পরে হঠাৎ একদিন দেখি ঘড়িটা সন্ধ্যাবেলা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বাবার মৃত্যুর আগে যে বন্ধ হয়েছিল সে কথা তখন মনে হয়নি। কিন্তু তারপরে যখন চব্বিশ ঘণ্টা না যেতেই দাদা তেতলার ছাদ থেকে পা ফসকে পড়ে মারা গেলেন তখন চমকে উঠলাম। একই বাড়িতে কয়েক বছরের মধ্যে দু—জনের মৃত্যু হল আর ঠিক তার চব্বিশ ঘণ্টা আগে দু—দু—বার ঘড়ি বন্ধ হয়ে গেল এ কী কাকতালীয় না আর কিছু? ভাবছি ঘড়িটা বেচে দেব।’ নীচে নাম স্বাক্ষর রামজয় শর্মা। শোনা যায় যে ঘড়িটা বেচবার তিনি চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু অত্যন্ত পুরোনো বলে কেউ কেনেনি। অগত্যা যেখানকার ঘড়ি সেখানেই রয়ে গেল।

    পিন্টুর বাবা এই কাগজপত্র নিয়ে তাঁর ভাইদের দেখালেন। তাঁরা ব্যারিস্টার, দলিল দস্তাবেজ পড়া আর তার ভুল বের করা তাঁদের ব্যবসা। কাজেই ওই কাগজখণ্ডের লেখাগুলোকে আইনের ফাঁকে উড়িয়ে দিলেন। সর্বোপরি বললেন যে ঠাকুরদা মশাইয়ের আফিং খাওয়া অভ্যেস ছিল, তাছাড়া ঠিক সেই সময়ে বঙ্কিমের বঙ্গদর্শনে কমলাকান্তের দপ্তর বেরোচ্ছে। তিনি এক নূতন কমলাকান্ত লিখে গিয়েছেন। স্রেফ গাঁজা। কিন্তু পিন্টুর বাবা আইনজীবী নন। পেশাতে ইস্কুল মাস্টার। তাঁর মন থেকে খটকা দূর হল না। দুই ভাই তাঁকে বোঝালেন—দাদা তোমার মন কুসংস্কারে পূর্ণ, তাই ওইরকম ভাবছ। আচ্ছা এবার আমরা লক্ষ্য রাখলাম, দেখি ঘড়ি ব্যাটা কেমন করে থামে। আর যদি না থামে, তখনই তাকে মেরামত করতে দিয়ে আসব। ব্যাপারটা ওইখানেই মিটে গেল।

    হঠাৎ বছরখানেক পরে একদিন দুপুরবেলা দেখা গেল ঘরটা কেমন যেন অস্বাভাবিক নিস্তব্ধ। তখন পিন্টুর বড়োকাকা বসে সংবাদপত্র পড়ছিলেন, তিনি চমকে তাকিয়ে দেখলেন ঘড়িটা থেমে গিয়েছে। অজ্ঞাতসারে তাঁর গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। ভাবলেন—এ ব্যাটা থামল কেন? সবে কালকে আমি নিজের হাতে দম দিয়েছি। এখানে বলে রাখা আবশ্যক যে দাদার কুসংস্কারের প্রতিকারার্থে দম দেবার ভার দুই ব্যারিস্টার ভাই স্বহস্তে গ্রহণ করেছিল। তিনি তখনই ঘড়িটা খুলে নিয়ে মোটরে করে ঘড়ি মেরামতি দোকানে গিয়ে দিয়ে এলেন। দাদা সমস্ত শুনে বললেন, ঘড়ি না হয় সরালে, বাড়ির প্রাণীগুলো তো বাড়িতেই থাকল। ছোটো ভাই বলল, দাদা তোমার ওই ইস্কুল মাস্টারি মনোভাব ছাড়ো তো। পরদিন খুব ভোরবেলা গিয়ে ঘড়িটা নিয়ে এলেন। দোকানির সঙ্গে সেইরকম কথাই ছিল। দোকানি মেরামতি বলে কিছু নিল না, বলল বাবু আপনার ঘড়ি ঠিকই ছিল, একটু হাত দিতেই চলতে শুরু করল। ওর জন্য আর কী নেব? তিনি ঘড়ি নিয়ে সগৌরবে বাড়ি ফিরে এসে দেখলেন যে একটা শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বাড়ির দু—পুরুষের পোষা বুড়ো কাকাতুয়াটি মারা গিয়েছে। পিন্টুর বাবা বলে উঠলেন, দেখলে তো রসিক, ঘড়ির সতর্কবাণী ঠিক হল কিনা। রসিক অর্থাৎ পিন্টুর বড়োকাকা বললেন, কাকাতুয়াটা কি বাড়ির অধিবাসীদের একজন? আর তাছাড়া ওর যা বয়স হয়েছিল আমাদের প্রতি দয়ামায়া থাকলে ওর আগেই মরা উচিত ছিল। বসে বসে কেবল ছোলা ছাতু ধ্বংস করা। পিন্টুর বাবা বললেন, বল কি রসিক? ও অবশ্যই বাড়ির অধিবাসীদের একজন। আজ দু—পুরুষ এ বাড়িতে আছে, অধিবাসী ছাড়া আর কি? ও বাড়ির মস্ত পাহারা ছিল। অন্য বাড়ির কুকুর, বেড়াল, দুরন্ত ছেলেগুলো এসে উপদ্রব করতে সাহস করত না। যাক, কী আর হবে, বলে তিনি কাকাতুয়াটির সৎকারের ব্যবস্থা করলেন। ঘড়িটা যথাস্থানে সন্নিবেশিত হয়ে আবার টিকটিক করতে লাগল।

    ঘড়িটা টিকটিক করতে করতে চলেছে, আর দিন মাস বছরগুলো চলেছে সেই সঙ্গে নিঃশব্দে। এমন বছর কয়েক গেল। পিন্টুর বয়স তখন বছর পনেরো হবে। ঘড়ি সম্বন্ধে সমস্ত কিংবদন্তি সে তখন জানে। মাঠে খেলতে গেলে বন্ধুরা শুধায়, কিরে তোদের ঘড়ি চলছে, না আর কেউ টাসবে তোদের বাড়িতে? সে বলে, ব্যাটার আর থামবার উপায় নেই। বড়োকাকা এমনি দম দিয়েছেন যে চলতেই হবে। বন্ধুরা চাপা গলায় বলে, কিসের দম? গাঁজার না আলুর? শুনতে পেলে পিন্টু বেজায় রাগ করত, হয়তো সেদিন না খেলেই ফিরে আসত।

    সেদিনটার কথা তার বেশ মনে পড়ে। পরীক্ষা শেষ হয়ে গিয়েছে, মাথায় নানারকম প্ল্যান, সর্বপ্রথম সিনেমায় যাবে। পরীক্ষার অজুহাতে অনেকদিন সিনেমা দেখা বন্ধ। সকালবেলাতেই টিকিট কিনে এনেছিল। সাড়ে ছ—টায় শো আরম্ভ। দাদা বলে দিয়েছে ঠিক ছ—টায় সময় বেরুবে, এক মিনিট আগে নয়। সে ভিতরে গিয়ে কোনোরকমে তাড়াতাড়ি খেয়ে নিল। দাদার হাতঘড়িটা টেবিলের ওপরে ছিল, চেয়ে দেখল তাতে ছ—টা বেজেছে। কোনোরকমে জুতো পায়ে দিয়ে রওয়ানা হবার উদ্দেশ্যে বাইরের ঘরে আসতেই নজর পড়ল দেওয়াল ঘড়িটার দিকে। এ কী! এ যে ছ—টার কাছে এসে কাঁটা থেমে গিয়েছে! কান পেতে শুনল সত্যি থেমে গিয়েছে। না হচ্ছে শব্দ, না নড়ছে কাঁটা। কেমন অজানা ভয়ে তার সমস্ত শরীর শিউরে উঠল। সে একখানা চেয়ারে বসে পড়ে মূঢ়ের মতো তাকিয়ে রইল ঘড়িটার দিকে। এমন সময়ে তার কাকারা কোর্ট থেকে বাড়ি ফিরে এসে ঘরে ঢুকলেন। পিন্টুকে চুপ করে বসে থাকতে দেখে, শুধালেন— কী রে, তোর না সিনেমায় যাওয়ার কথা ছিল? এখনও বসে আছিস। দাদা বাড়িতে না থাকলেই তোকে আর পেরে উঠবার উপায় থাকে না। আসুন দাদা কাশী থেকে ফিরে। তখন একটা রীতিমতো ব্যবস্থা করতে হবে। নে ওঠ এখন, যাবি তো যা।

    পিন্টু কিছু না বলে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল ঘড়িটা।

    ঘড়িটা কাঁটা ছ—টার কাছে অচল দেখে দু—জনে সমস্বরে বলে উঠলেন, তাই তো, ঘড়িটা থেমে গেছে দেখছি। এই বলে তাঁরাও অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন ঘড়িটার দিকে।

    ভোর রাতে টেলিগ্রাম এল পিন্টুর মা সন্ধ্যাবেলায় হঠাৎ মারা গিয়েছেন কাশীধামে।

    বুদ্ধিতে ব্যাখ্যা না মিললেও সংস্কার তার দাবি ছাড়ে না, কাজেই বাড়িতে একটা ভয়ের আবহাওয়া কায়েম হয়ে বসল। সবাই যেন ফিসফিস করে কথা বলে, পায়ের শব্দও কম। কিংবা এমনও হতে পারে সবাই আগের মতো কথাবার্তা বলছে এবং চলাফেরা করছে, কেবল মনে হচ্ছে আগের মতো নয়। পিন্টুর বড়ো কাকা রসিক দাদা কাশী থেকে ফিরে এলে তাকে বলল, দাদা এই অলক্ষুণে ঘড়িটা বিদেয় করে দিই। তিনি সংক্ষেপে বললেন, মন্দ নয়।

    রসিক পরদিন গিয়ে ঘড়িটা এক পুরোনো ঘড়ির দোকানে দিয়ে এল। বলল, যা হয় কিছু দাম দিয়ে এটা নিয়ে নিন।

    দোকানি বলল, এসব পুরোনো ঘড়ি আজকাল কেউ কিনতে চায় না, তবে রেখে দিচ্ছি যদি কেউ নেয় আমাদের কমিশন কেটে নিয়ে দাম আপনাকে দিয়ে আসব।

    ঘড়িটা বাড়ি থেকে বিদেয় হতে সকলেরই মন বেশ হালকা হল। ক্রমে আবার সহজ ভাব ফিরে এল বাড়িতে। রসিকের ছোটো ভাই হরিশ আমুদে লোক। সে তো রীতিমতো একটা ঘড়ি বিদায় উৎসবের আয়োজন করল, খাওয়াদাওয়া গান—বাজনার কিছুরই অভাব হল না। মনের ওপর থেকে ওই ঘড়ির ভারটা নেমে গিয়ে সকলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলল। মাঝে মাঝে রসিক গিয়ে খোঁজ করে আসত ঘড়িটা কেউ নিল কিনা। দোকানি প্রত্যেকবার ওই একই কথা বলত, পুরোনো ঘড়ি কেউ নিতে চায় না। তবে বিক্রি হওয়া মাত্র কমিশন বাদে দাম পাবেন। রসিক একবার প্রস্তাব করেছিল তুমিই না হয় কিছু দাম ধরে দিয়ে ঘড়িটা নিয়ে নাও। সে বলল, বাবু, আমরা তো কিনি না, বিক্রি করি। আপনি ব্যস্ত হবেন না, বাড়ি যান।

    ঘড়িটা যে এখনও সশরীরে বহাল আছে সেটা ভালো লাগত না পিন্টুদের বাড়ির কারোরই। পিন্টু একদিন সাহস করে বলল, কাকা ওটাকে গঙ্গায় ভাসিয়ে দাও না, আর তা যদি না পারো আমাকে দাও হাতুড়ি মেরে গুঁড়ো করে দিই, বালাই যাক। বলা বাহুল্য তার কোনো প্রস্তাব কেউ কানে তুলল না।

    বছর দুই পরে একদিন সেই ঘড়ির দোকানি রিকশা করে এসে উপস্থিত, কোলের ওপর ঘড়িটা। ঘড়িটা দেখে পিন্টুর বাবা কাকা প্রভৃতি বাড়ির সকলে চমকে উঠল।

    রসিক শুধাল, কী হল হে!

    দোকানি বলল, ঘড়িটা ফিরিয়ে দিতে এলাম। আজ তিন বছর হয়ে গেল কেউ নিল না, খামাকা জায়গা জুড়ে আছে। তাছাড়া ঘড়িটা বড়োই বেয়াড়া। আজ আনব বলে খুলতে গিয়ে দেখি দশটা বেজে বন্ধ হয়ে আছে। ভাবলাম চালিয়ে নিয়ে যাই। পুরো দম দিলাম, কিন্তু যেখানকার কাঁটা সেখানেই রয়ে গেল। এ ঘড়ি কোন খদ্দেরে নেবে বাবু? আপনাদের জিনিস আপনারাই রাখুন—এই বলে সে ঘড়িটা ফরাশের ওপরে নামিয়ে দিল।

    তখন ঘরের মধ্যে পিন্টুর বাবা আর দুই কাকা ছিল। তারা সব ব্যাপার দেখে পাথর হয়ে গিয়েছিল। দোকানিকে রিকশা ভাড়া দেওয়া বা সময়োচিত দুটো কথা বলা হয়ে উঠল না। দোকানিও ভাড়ার প্রত্যাশা না করে ফিরে রওনা হল। এমন সময়ে হঠাৎ রসিকের সংবিৎ হল। সে শুধাল, ওহে ঘড়িটা যে দশটায় বন্ধ হয়েছে, সেটা দিন দশটা কি রাত দশটা বলতে পার?

    লোকটা বলল, সে তো খেয়াল করিনি বাবু। দেওয়ালে কত ঘড়ি ঝুলছে, কোনটার দিকে তাকাব। তবে এটাকে ফিরিয়ে দেব বলে দম দিতে গিয়ে দেখি দশটায় বন্ধ হয়ে আছে। রাত কি দিন কেমন করে জানব। এই বলে সে উত্তরের প্রত্যাশা না করে চলে গেল। তিনজনই সমস্বরে বলে উঠল, রাত দশটা না দিন দশটা।

    মুখে না বললেও তিনজনের ভাবনাই এক সূত্রে চলছিল। রাত দশটা হলে আর ঘণ্টা দশেক সময় আছে, দিন দশটা হলে কিছু বেশি। সেদিন রবিবার ছিল, আপিস আদালত না থাকায় তিনজনে বসে গল্প করছিল, বেলা তখন বারোটা। তিনজনেরই মনে ওই একই চিন্তা। ঘড়ি থেমে গেলে চব্বিশ ঘণ্টা মাত্র সময় পাওয়া যায়। ঘড়িটা রাতে থেমেছে না দিনে থেমেছে স্থির করতে না পারায় সময়ের মেয়াদও সেই পরিমাণে কমে এসেছে। তিনজনেই মনে মনে ভাবছিল এবারে না জানি কার পালা। ঘড়ির মস্ত কাচে ঢাকা গোলকখানা অন্তর্যামীর তৃতীয় নেত্রের মতো রহস্যময় দৃষ্টিতে তাদের দিকে নির্নিমেষে তাকিয়ে রইল। নিস্তব্ধ ঘরে তিনজনের নিশ্বাসের শব্দ স্পষ্ট শোনা যেতে লাগল।

    কতক্ষণের মেয়াদ? কার পালা?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিয়ের রাত – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
    Next Article ২৫টি শ্রেষ্ঠ কিশোর গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    Related Articles

    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    অসুখের পরে – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    সাঁতারু ও জলকন্যা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ৫০টি প্রেমের গল্প – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    শীর্ষেন্দুর সেরা ১০১ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 26, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    ঘুণপোকা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়

    বাসস্টপে কেউ নেই – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    November 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }