Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৫৫

    ৫৫

    দুপুর তিনটে। একটা এস ইউ ভি গাড়ি এসে দাঁড়িয়েছে হাইওয়ের উপরে। গাড়ি থেকে কেউ নামেনি। যেন অপেক্ষা করছে গাড়িটা। অপেক্ষাটা সফলও হল। একটা সেডান এসে দাঁড়াল এস ইউ ভির পেছনে।

    সেডান থেকে সাদিক নেমে এস ইউ ভির দরজার কাছে দাঁড়াতেই দরজা খুলে গেল। সাদিক গাড়িতে উঠে বসে দরজা বন্ধ করল। গিয়াস বসে আছে গাড়িতে। সাদিককে দেখে ঘড়ি দেখল, ‘পনেরো মিনিট লেট। সময়ের দাম দেওয়া উচিত।’

    সাদিক বলল, ‘জ্যাম। ঢাকার জ্যাম। বোঝেন তো কী সমস্যা?’

    গিয়াস ভর্ৎসনার চোখে সাদিকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘যাই হোক, মেয়েটা কিছুই বলছে না। ওকে হেডকোয়ার্টারে পাঠানোর অর্ডার এসেছে।’

    সাদিকের মুখ ছাইবর্ণ হয়ে গেল, ‘সে কী? আমি তো কিছু জানি না।’

    গিয়াস বলল, ‘সব কথা তোমাকে জানানোর কথা তো নয়। এটা নিয়ে এত ভাবনারই বা কী আছে?’

    সাদিক মাথা নিচু করে বলল, ‘জনাব, আমি জানি মেয়েটা কিছু করেনি। এ মেয়ের অত ক্ষমতা নেই।’

    গিয়াস বলল, ‘সেটা আমরা বুঝব। আমাদের বুঝতে দাও।’

    সাদিক বলল, ‘আপনারা যা ভালো বোঝেন। আমাকে কী করতে হবে?’

    গিয়াস বলল, ‘তোমার কাছে আরেকটা মেয়ে আছে। জরিনা বলে। ওকেও আমি নিয়ে যেতে চাই।’

    সাদিক চমকে উঠল, ‘কেন জনাব? জরিনা কী করল?’

    গিয়াস বলল, ‘ওর কোনও ব্যাকগ্রাউন্ড নেই। ঘুমের ঘোরে সাকিনা অনেকবার ওর নাম নিয়েছে।’

    সাদিক বলল, ‘যন্ত্রণা থেকে নিয়েছে জনাব। জরিনাকে আমি জন্ম থেকে চিনি। ওর কোনওভাবেই কোনও কিছুতে থাকার কথা না। ঘর থেকে ও মেয়ে বেরোয় না।’

    গিয়াস বলল, ‘কী রকম চেনো তুমি ওকে?’

    সাদিক বলল, ‘জরিনার মা আমার ওখানেই ছিল। ওখানেই ওর জন্ম। ও কিছুতেই কোনও ব্যাপারে জড়িত না। সাকিনাও না। আপনি ওকেও অকারণে নিয়ে যাচ্ছেন।’

    গিয়াস বলল, ‘সেটা আমি ঠিক করব। হেডকোয়ার্টার ঠিক করবে। তুমি না। জরিনাকে রাত আটটার মধ্যে এখানে নিয়ে আসার ব্যবস্থা কর। ওকেও ইন্টারোগেট করার দরকার আছে। হতে পারে এই সাকিনা জরিনার মাধ্যমেই র-এর এজেন্টের সঙ্গে কন্ট্যাক্ট করত।’

    সাদিক কয়েক সেকেন্ড গিয়াসের দিকে চেয়ে থেকে বলল, ‘দেখছি কী করা যায়।’

    গিয়াস রেগে গেল, ‘দেখছ মানে? এখানে দেখার কী আছে? আমি বলছি, তোমাকে সেটাই শুনতে হবে। আমার কথার অমান্য করার অধিকার তোমায় দেওয়া হয়নি।’

    সাদিক বলল, ‘মেয়েটাকে আপনার কাছে রেখে দিলেন। অকথ্য অত্যাচার করলেন। ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করালেন। কিছুই পেলেন না। অকারণে টেনে টেনে নিয়ে যাবেন। তারপর জরিনাকেও নিয়ে যেতে চাইছেন। এভাবে কি কিছু করা যায়? আপনি আপনার ব্যর্থতা ঢাকতে এই মেয়েগুলোকে নিয়ে গিয়ে কষ্ট দিতে চাইছেন কেন?’

    গিয়াস বিস্মিত হয়ে সাদিকের দিকে তাকাল, ‘আরে? তুমি আমার সঙ্গে তর্ক করছ? তোমার এত সাহস? তুমি জানো আমি কে?’

    সাদিক বলল, ‘আপনি যখন এখানে আছেন, তখন আপনারও জানা উচিত আমি কে? জানেন আশা করি?’

    গিয়াস থতমত খেয়ে গেল, ‘তুমি কিন্তু প্রসিডিওর মানছ না। এটা কথা ছিল না। কথা ছিল আমি যা যা বলব, যা যা চাইব, তা তোমাকেই সাপ্লাই করতে হবে। তুমি এখন বেঁকে বসছ, সমস্যাটা কী? জরিনাকে দিতে তোমার কী সমস্যা?’

    সাদিক বলল, ‘শুধু জরিনা কেন, সাকিনাকে দিতেও আমার সমস্যা আছে। আপনি ওকে আমার কাছে হ্যান্ড ওভার করে দিন।’

    গিয়াস বড় বড় চোখ করে সাদিকের দিকে তাকাল।

    গিয়াস বলল, ‘কী হয়েছে তোমার?’

    সাদিক বলল, ‘কিছু হয়নি। তবে কুড়িটা ছেলেকে বর্ডার পার করতে হলে আপনার আমাকে প্রয়োজন। সেটা ভুলে যাবেন না। অকারণে এসব মেয়েদের ট্যানাহ্যাচড়া করলে ফল ভালো হবে না। আমি দরকার হলে ইসলামাবাদেও কথা বলব।’

    গিয়াস বলল, ‘ওকে। জরিনাকে লাগবে না। কিন্তু ডোন্ট টক অ্যাবাউট সাকিনা। আমার গাট ফিলিং বলছে ও অনেক গভীর জলের মাছ।’

    সাদিক বলল, ‘আমার সাকিনাকে লাগবে। ওকে আমি নিয়ে যেতে দেব না।’

    গিয়াস ফোন ঘাঁটতে শুরু করল, ‘তুমি এখন যাও। আমরা বরং পরে কথা বলব, কেমন?’

    সাদিক বলল, ‘আপনি ঢাকা ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। আমি জানি, সাকিনা আপনার সঙ্গে আছে। কোথায় আছে?’

    গিয়াস বলল, ‘নেই তো।’

    সাদিক পকেট থেকে রিভলভার বের করে গিয়াসের মাথায় তাক করল, ‘ডিকি খোল।’

    গিয়াস রাগল না। ড্রাইভারকে বলল, ‘ওকে ডিকি খুলে দেখাও।’

    ড্রাইভার গাড়ি থেকে নেমে ডিকি খুলল। সাদিকও নামল। ডিকি ফাঁকা। সাদিক গাড়ির দরজা খুলে রাগী গলায় বলল, ‘কোথায় সাকিনা?’

    গিয়াস হাসি হাসি মুখে বলল, ‘বাই। পরে কথা হবে।’

    সাদিক বলল, ‘বাইরে আয়। গাড়ির বাইরে আয়।’

    গিয়াস মুখে চুক চুক শব্দ করে বলল, ‘একজন বেশ্যার জন্য এত প্রেম তোমায় মানায় না সাদিক। তোমার জন্য ভালো মেয়ে পাঠিয়ে দেব। দরজা বন্ধ কর। দেরি হলে মৌলানাকে আমি উত্তর দেব না। তুমি দেবে।’

    মৌলানা শব্দটায় যেন সাদিকের মুখে নুন পড়ল। সে গাড়ির দরজা বন্ধ করে দিল। গিয়াসের গাড়িটা বেরিয়ে গেল।

    সাদিক পকেট থেকে ফোন বের করল। কয়েকটা রিং হতে জরিনা ধরল, ‘জি সাহেব। কিছু বলবেন?’

    সাদিক বলল, ‘না। কিছু বলার নাই।’

    জরিনা বলল, ‘তাহলে ফোন দিলেন কেন?’

    সাদিক বলল, ‘কোনও কারণ নাই। তুই ফোন রাখ।’

    জরিনা বলল, ‘জি।’

    ফোন কেটে গেল। সাদিক অসহায়ের মতো কয়েক সেকেন্ড রাস্তায় দাঁড়িয়ে থেকে আবার ফোন করল, ফোন বাজতে শুরু করল। ও-প্রান্ত দুটো রিং হবার পর ফোন তুলল, ‘জি ভাই।’

    সাদিক বলল, ‘রুমানভাই, আপনি আমার লগে এখন দেখা করতে পারবেন?’

    .

    ৫৬

    ‘সাদিক ডাকছে।’

    অমল ফোন রেখে বলল।

    খান বললেন, ‘ঠিক কী রকম পরিস্থিতি হল যে তোমাকে ডাকতে হচ্ছে?’

    অমল বলল, ‘বুঝতে পারছি না। সাদিক গিয়াসকে পারসোনালি ডিল করে। সেখানে আমাদের সবার প্রবেশ নিষেধ। আমি জানতেও পারি না গিয়াস ঠিক কী করছে বাংলাদেশে এসে। আন্দাজ করার চেষ্টা করি শুধু। এই ফোনটা গিয়াসের ব্যাপারে নাকি তাও জানি না।’

    খান মাথুরের দিকে তাকালেন। মাথুর বললেন, ‘ডাকছে যখন, তখন যাওয়াই ভালো। কী বলো?’

    অমল বলল, ‘জানি না। কভার এক্সপোজ হয়ে গেলে অনেক সময় সিচুয়েশন ক্রিয়েট করে মেরেও দিতে পারে। অবশ্য আমি ঠিক করেই এসেছিলাম সাদিকের কাছে যাব। আমাদের এজেন্টের জীবনের ঝুঁকি নেওয়া যাবে না। সাদিক ছাড়া ওর কাছে যাওয়াও যাবে না।’

    খান বললেন, ‘তাহলে যাও। রাণাও যাও অমলের সঙ্গে।’

    অমল মাথা নাড়ল, ‘না, থাক। একসঙ্গে দুটো উইকেট পড়লে কী করে হবে? রাণাকে দরকার হলে বরং তখন ডেকে নেওয়া যাবে।’

    খান বললেন, ‘আমরা ঠিক কী ভাবে তোমাকে হেল্প করতে পারব?’

    অমল বলল, ‘এই মুহূর্তে আমাকে কেউ হেল্প করতে পারবে না।’

    খান বললেন, ‘তোমাকে পাঠিয়ে আমরা এখানে বসে বসে কি সিনেমা দেখব? সেটা তো সম্ভব না। আমরা একটা গাড়ি নিয়ে যাই, দূরে অপেক্ষা করি। তুমি সাদিকের সঙ্গে ডিল করো। কী হবে, পরে দেখা যাবে।’

    অমল বলল, ‘ঠিক আছে। কী বলে দেখা যাক।’

    মাথুর বলল, ‘গাড়ির ব্যবস্থা?’

    অমল বলল, ‘করছি।’

    একটা নম্বরে ফোন করল অমল। ফোন রেখে বলল, ‘চলুন, বেরোন যাক। গাড়ি আসছে পার্কের সামনে। তার আগে চারজন প্রত্যেকের সঙ্গে একটা দূরত্ব রেখে এখান থেকে বেরোব। আমি বেরিয়ে ফুটপাথের উল্টো দিকে যাচ্ছি। ঠিক দু’মিনিট গ্যাপে একজন করে বেরোবেন।’

    খান বললেন, ‘ফাইন।’

    অমলের প্ল্যান অনুযায়ী সবাই এক একজন করে বেরিয়ে রাস্তার অপর প্রান্তে গিয়ে অমলের পেছন পেছন হাঁটতে শুরু করল।

    একটা গাড়ি এসে দাঁড়াল পার্কের গেটের সামনে। অমল গাড়ির সামনের সিটে গিয়ে বসল। একজন একজন করে তিনজনে গাড়ির পেছনের সিটে বসল। গাড়ির ড্রাইভারকে রাণা চিনতে পারল। মাঝরাতে উঠে অমল এর সঙ্গেই দেখা করেছিল।

    রাণার মধ্যে দ্বিধা তৈরি হতে শুরু করল। এই লোকটা কে? গিয়াসের লোক নয়তো? অমলকে কেন উস্তাদ মারতে বলেছিল? গিয়াসের লোক যদি এই দুজন লোককে ধরে ফেলে তাহলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। অমলকে অবিশ্বাস করার মতো এখনও কিছু হয়নি কিন্তু হঠাৎ এই ড্রাইভারকে দেখার পর থেকে তার অস্বস্তি হচ্ছে।

    গাড়ি চলতে শুরু করেছে। অমল মাথা ঘুরিয়ে বলল, ‘ও জামাল। সাদিকের সঙ্গে প্রথম দেখা করতে ওই আমাকে সাহায্য করেছিল। সাদিকের বাড়ির উপর নজর রাখার জন্য ওই লোক রেখেছে।’

    খান আর মাথুর একসঙ্গে জামালকে সালাম জানালেন। জামাল প্রত্যুত্তরে সালাম জানিয়ে বলল, ‘সাদিক খানিকটা দিশেহারা হয়ে গেছে যা বুঝতে পারছি। সকাল থেকে অনেকবার বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। শেষবার বেরোনর পর ফেরেনি। আপনাকে বাড়িতে ডেকেছে মানে বাড়িতে ফিরছে।’

    অমল বলল, ‘হ্যাঁ। তাই হবে। ও বাইরে বেরিয়ে আমাকে ফোন করেছে, তার মানে দাঁড়ায় ও গিয়াসের সঙ্গে মিট করেছে। সাকিনা যদি আমার কভার এক্সপোজ করে দেয়, আর গিয়াস যদি সেটা সাদিককে বলে থাকে, তাহলে আমার আজ শেষ দিন হওয়া উচিত।’

    কথাটা বলে অমল হেসে ফেলল।

    রাণা অবাক হল। অমলের ভয় একবারেই নেই। কেমন স্বাভাবিকভাবে কথাটা বলছে।

    খান বললেন, ‘এরকম সিচুয়েশনে আমরা এরকম মিট আপ অ্যাভয়েড করতে বলি…’

    খানের কথা শেষ করতে দিল না অমল, ‘একবারেই না। এই চান্স আমরা কিছুতেই নিতে পারি না।’

    মাথুর বিষণ্ণ গলায় বললেন, ‘হোয়াট আ সিচুয়েশন।’

    ওয়াকিটকি বেজে উঠল জামালের। ও-প্রান্ত থেকে জড়ানো গলায় কী বলল তার কিছুই শোনা গেল না, তবে জামাল বলল, ‘সাদিক বাড়িতে ঢুকেছে।’

    রাণা অমলের দিকে তাকাল। অমল কেমন ভাবলেশহীন হয়ে বসে আছে।

    ওর মাথায় অন্য কিছু ঘুরছে না তো? সে সন্দেহ করতে না চাইলেও মনে সন্দেহ আসছে।

    .

    ৫৭

    কলকাতা অফিস। সন্ধে সাড়ে ছ’টা।

    বৃষ্টি হচ্ছে। জানলার বাইরে কিছুক্ষণ বৃষ্টি দেখে তুষার তার ডায়েরিটা টেনে নিলেন।

    পেন দিয়ে লিখলেন,

    ‘শেখাওয়াত।’ ‘স্লিপার সেল বাংলাদেশ…কেন?’ ‘কন্ট্রাক্ট কিলার ইন এজেন্সি- কেন?’

    ভ্রু কুঁচকে কয়েক সেকেন্ড লেখাগুলোর দিকে তাকিয়ে থেকে ফোন বের করে পীযূষকে ফোন করলেন। পীযূষ ফোন ধরতেই বললেন, ‘তেরো-চোদ্দ বছর আগে এজেন্ট ট্রেনিং চিফ কে ছিল একবার চেক করে বল তো। আমি জানি কে ছিল, আরেকবার ক্রস চেক করতে হবে।’

    পীযূষ বললেন, ‘দু’মিনিট স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘হ্যাঁ। ধরে আছি।’

    পীযূষ দু’মিনিট নিলেন না। এক মিনিটের মাথায় বললেন, ‘শেখাওয়াত ছিলেন স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘ওই সময় ওর আণ্ডারে অমল ছিল?’

    পীযূষ ত্রিশ সেকেন্ড সময় নিলেন এবার, দেখে বললেন, ‘হ্যাঁ স্যার ছিল।’

    তুষার বললেন, ‘ওকে। রাখো এখন।’

    ফোন কেটে তুষার কয়েক সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে আরেকটা নাম্বার ডায়াল করলেন। রিং হতেই ও-প্রান্ত থেকে একজন বয়স্ক মানুষের কণ্ঠস্বর ভেসে এল, ‘তুষার। আমি কি ঠিক দেখছি? এত দিন পরে বুড়ো মানুষটার সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছে হল তোমার?’

    তুষার হাসলেন, ‘কেমন আছেন স্যার? অবসর জীবন কেমন কাটছে? আই এস আই এখন আর জ্বালাতন করছে না তো?’

    সিং বললেন, ‘নাহ্‌। ওরা এখন তোমার মাথার চুল শেষ করবে। আমার না। আমার তো ওদের চুপ করে থাকাটাই ভয় লাগে বরাবর। যখনই দেখি কিছু হচ্ছে না, ভয় লাগতে থাকে যে আবার কোনও প্ল্যান করছে নাকি। কমপ্লিট ডিসগ্রেস টু হিউম্যানিটি যদি কিছু হয়ে থাকে, তা হল এই দেশটা। বাদ দাও। এসব কথা বললেই আমার প্রেশার বেড়ে যায়। নিজের প্রেশার অকারণ বাড়িয়ে লাভ নেই। কেন ফোন করেছিলে বলো।’

    তুষার বললেন, ‘স্যার তেরো-চোদ্দ বছর আগের একটা ব্যাপারের জন্য ফোন করেছি। আমি তখন ইরানে ছিলাম বলে এখনও আমার ঘটনাটা অত স্পষ্ট করে মনে নেই। আপনার শেখাওয়াতকে মনে আছে?’

    সিং বললেন, ‘অনিল শেখাওয়াত?’

    তুষার বললেন, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    সিং বললেন, ‘কেন মনে থাকবে না? এক্সট্রিমিস্ট তো বরাবরই। ওর ধারণা গোটা পৃথিবীটা ওকে ঘিরেই ঘুরছে। আজব টাইপের ছেলে। আমাকে বলত স্যার আমরা কতগুলো শিক্ষিত মেয়েকে সেক্স ওয়ার্কার বানিয়ে পাকিস্তানে ছেড়ে দিতে পারি। বেস্ট রেজাল্ট আসবে। আমি ওকে অনেকবার বুঝিয়েছিলাম, এসব আমাদের ওয়ার্ক এথিকসের বিরুদ্ধে। কিন্তু মনে হয়নি সে কথাগুলো ও কোনভাবে কানে নিয়েছিল বলে।’

    তুষার বললেন, ‘নেয়নি। এবং শেখাওয়াত একটা উইঙ এর চার্জেও আছে এখন।’

    সিং বিস্মিত গলায় বললেন, ‘সে কী? আজে বাজে কিছু করে বসে আছে নাকি?’

    তুষার বললেন, ‘সেসবই বুঝতে চেষ্টা করে যাচ্ছি স্যার। আপাতত আমি যেটা জানতে চাইছি, সেটা হল শেখাওয়াত থাকাকালীন আমরা অমল বলে একজন বাঙালি ছেলেকে পাকিস্তানে ইনফিল্ট্রেট করেছিলাম। সে ছেলেটাকে এক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে নির্বাসন দেওয়া হয়েছিল। আমাদের বলা হয়েছিল অমলকে ইউজ করা যাবে না। অমলের ফাইলের অ্যাক্সেস অবধি আমাদের দেওয়া হতো না একটা সময়ে। অমলকে পাকিস্তান থেকে যে সরানো হয়েছিল, তার কারণটা কী ছিল?’

    সিং বললেন, ‘অমল? নামটা চেনা লাগছে। এক বছর পাকিস্তানে ছিল?’

    তুষার বললেন, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    সিং ইতস্তত করে বললেন, ‘খুব ইম্পরট্যান্ট ম্যাটার কী? বলাটা স্কিপ করা যাবে না?’

    তুষার বললেন, ‘বললে ভালো হয় স্যার। সিচুয়েশন ডিমান্ডটাই এমন এখন।’

    সিং বললেন, ‘ওকে। তাহলে বলছি। করাচীতে শেখাওয়াত অমলের হ্যান্ডলার ছিল। কিছু হয়ে থাকবে ওদের দুজনের মধ্যে। শেখাওয়াত রিপোর্ট করেছিল, অমল কথা শুনছে না, নিজের মতো করে চলাফেরা করছে। আমি ওর রেকমেন্ডেশনেই অমলকে বাংলাদেশে স্লিপার সেল থাকার নাম করে ট্রান্সফার করে দিই। ঠিক কী কী কারণ দেখিয়েছিল সেটা জানতে চেও না, সেটা বলব না।’

    তুষার বললেন, ‘ঠিক আছে স্যার, এটুকু জানলেই হবে। থ্যাঙ্ক ইউ স্যার। গুড নাইট।’

    ফোন কেটে তুষার ভ্রু কুঁচকে বসে রইলেন। হিসেবগুলো এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে…।

    .

    ৫৮

    ‘সাকিনাকে যেভাবে এখানে কাজে লাগানো হল, তুমি সাপোর্ট করেছিলে?’ খান অমলকে জিগ্যেস করলেন। খান অমলকে শুরুর দিকে আপনি বললেও পরে তুমি করে বলছেন।

    খানের আচমকা প্রশ্ন শুনে অমল ঘাবড়াল না। বরং সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল, ‘আমি কোডের চাকর। আমি তো এখানে একরকম রেস্ট করছিলাম। কোনও কিছুতেই জড়িত ছিলাম না। হঠাৎ করে আমাকে উস্তাদ যোগাযোগ করলেন। সাকিনার ব্যাপারে জানালেন। ওর সলিড কভার বানাতে হল। আমি প্রশ্ন করিনি। তবে এখন সময় পাল্টাচ্ছে। এক একটা এজেন্সি এক একরকম ভাবে তার অ্যাসেটদের কাজে লাগাচ্ছে। অবাক হলেও একবারে যে আকাশ থেকে পড়েছি, তা নয়। আই এস আই বেশ কয়েকটা হানি ট্র্যাপ ইউজ করেছে আমাদের লোকেদের উপর। সেটাও মাথায় ছিল।’

    খান ঘাড় নাড়লেন, ‘ঠিকই। আমাদের উপায় থাকে না।’

    জামালের গাড়ি এসে দাঁড়াল সাদিকের বাড়ির সামনে। অমল জোরে শ্বাস ছেড়ে বলল, ‘ঠিক আছে। জামাল, তুমি ওদের নিরাপদে রাখবে। আমি যাচ্ছি।’

    রাণা মরিয়া হয়ে বলে উঠল, ‘আমি যাব। আমি গাড়িতে বসে থাকব না।’

    অমল বিরক্ত হল, ‘জেদ করছ কেন? তুমি তো বুঝতে পারছ কতটা ঝুঁকি আছে?’

    মাথুর অবাক হয়ে বললেন, ‘সেটাই তো। রাণার কী হল আবার?’

    রাণা বলল, ‘আমার অস্বস্তি হচ্ছে। আমি এভাবে বসে থাকতে পারব না।’

    অমল বলল, ‘থাকতে হবে। জেদ কোরো না।’

    রাণা অমলের দিকে তাকাল। সে একবার ভাবছে খান আর মাথুরকে বলে দেবে সবটা। পরক্ষণে তার মনে হচ্ছে হতে পারে অমল সত্যিই কিছু জানে না। কিন্তু দুরকম ভাবনার একটাই ফলাফল আসছে। সে গাড়িতে বসে থাকতে পারবে না।

    রাণা বলল, ‘নিয়ে চলুন। আপনাকে কিছু করতে গেলে একটা বাধা তো দেওয়া যাবে। এমনি এমনি উড়িয়ে দেবে নাকি?’

    অমল বলল, ‘ওদের সবার হাতে অটোমেটিক গান থাকে। তুমি গিয়ে কী বাধা দেবে বলো তো?’

    রাণা বলল ‘না, আমি যাব। আপনাকে একা ছাড়ব না।’

    অমল শ্বাস ছেড়ে বলল, ‘কী বাচ্চা ছেলের মতো শুরু করলে তুমি রাণা? ঠিক আছে। কী আর বলি? চল।’

    অমল রাণাকে নিয়েই গাড়ি থেকে নামল। দুজনে হাঁটতে হাঁটতে সাদিকের বাড়ির দিকে রওনা হল। তাদের ছদ্মবেশ আগেই মুছে দিয়েছিল অমল। নিরাপত্তারক্ষীরা দুজনের কাউকেই আটকাল না।

    সরাসরি ড্রইং রুমে প্রবেশ করল দুজনে। অমলকে দেখে সাদিক শ্বাস ছাড়ল, ‘রুমানভাই, আপনি ছিলেন না, আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছিল।’

    অমল বলল, ‘কেন? কী হয়েছে?’

    সাদিক বলল, ‘সর্বনাশ হয়েছে। আর কী বলি বলুন? আমার মাথা কাজ করছে না। সাকিনাকে তুলে নিয়ে গেছে, তারপর থেকে যা চলতাছে, আমি আপনাকে যে কী বলি।’

    অমল অবাক হবার ভান করল, ‘সাকিনাকেও তুলে নিয়ে গেছে? কে তুলেছে? পুলিশ? ওকে আসগরের ব্যাপারে সন্দেহ করছে নাকি?’

    সাদিক জোরে জোরে মাথা নাড়ল, ‘না না। কী যে কন! তাহলে তো এত ঝামেলাই থাকত না। পুলিশ না। অন্য ব্যাপার।’

    অমল বলল, ‘কী ব্যাপার?’

    সাদিক স্তিমিতচোখে অমলের দিকে তাকিয়ে মাথা নিচু করল, ‘কীভাবে বলি আপনাকে। বলা ঠিক হবে কিনা বুঝতে পারছি না।’

    অমল বলল, ‘বলুন না।’

    সাদিক বলল, ‘আপনার তো বর্ডারে চেনা জানা আছে। জরিনারে কোনভাবে ইন্ডিয়া পাঠানো যায়?’

    অমল চোখ ছোট করল, ‘জরিনাকে? জরিনার কী হয়েছে?’

    সাদিক অস্বস্তিতে কাশতে শুরু করল, ‘কিছু লোকের ওর উপরে নজর পড়েছে।’

    অমল বলল, ‘এটা তো আপনিই মিটিয়ে নিতে পারেন। আপনি আছেন, ওকে কেন ইন্ডিয়ায় পাঠাতে হবে? যাদের নজর পড়েছে তাদের চোখ গেলে দিন!’

    সাদিক মাথা নাড়ল, ‘কী যে বলেন ভাই, যাদের নজর পড়েছে, তাদের চোখ কেন, তাদের দিকে তাকানোর ক্ষমতাও আমার নেই। আমাকে আর জিগাবেন না, আমি বলতে পারুম না। গৌতমভাই, আপনি জরিনাকে পার করাইতে পারবেন?’

    সাদিক রাণার দিকে তাকাল। রাণা বলল, ‘আমাকে ওপারে খুঁজছে। আমি কী করে…?’

    সাদিক বলল, ‘তাও ঠিক। রুমানভাই, আপনি দেখেন তবে।’

    অমল বলল, ‘দেখছি। আর সাকিনার কী হবে?’

    সাদিক অসহায়ভাবে মাথা নাড়ল, ‘আমি কোনও আশাই দেখতাছি না।’

    অমল বলল, ‘এখানে কি তারা জড়িত যাদের দিকে তাকানো যাবে না?’

    সাদিক বলল, ‘জি ভাই।’

    অমল বলল, ‘কোথায় আছে এখন?’

    সাদিক বলল, ‘বুঝতে পারছি না ভাই। বেশি কিছু বলা যাবে না।’

    অমল সাদিকের দিকে চুপ করে তাকিয়ে রইল। সাদিক মিথ্যে বলছে বলে মনে হচ্ছে না তার।

    .

    ৫৯

    আরিফ রহমান কিছুক্ষণ পর এসে ইন্টারোগেশন চেম্বারে প্রবেশ করলেন আবার। নির্মল আলমগিরের দিকে দৃষ্টি ফেরাল। আলমগির থমথমে মুখে নির্মলের দিকে তাকিয়ে চোখ ঘুরিয়ে নিলেন।

    আরিফ বসে বললেন, ‘বলো। তোমার ইন্ডিয়ান ট্রানজাকশানের ব্যাপারগুলো বলো। আমি শুনি।’

    নির্মল বলল, ‘আমার কোনও ইন্ডিয়ান ট্রানজাকশান নেই।’

    আরিফ বললেন, ‘তুমি শিওর?’

    নির্মল বলল, ‘হ্যাঁ, শিওর।’

    আরিফ পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে নির্মলের দিকে এগিয়ে দিলেন, ‘এখানে তোমার ফরেন ট্রানজাকশান দেখা গেছে। ইন্ডিয়ান রুপি কনভার্ট করেছ।’

    নির্মল বলল, ‘হ্যাঁ। কত রুপি বলুন।’

    আরিফ বললেন, ‘দশ হাজার রুপি।’

    নির্মল হেসে ফেলল, ‘দশ হাজার রুপি মানে বাংলাদেশী টাকায় কত? ও দেশে গেছিলাম, এ টাকাটা বেঁচে গেছিল, নিয়ে এসে কনভার্ট করেছি আবার। এ টাকার জন্য আমার কী হতে পারে?’

    আরিফ বললেন, ‘তোমার ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে?’

    নির্মল বিরক্ত গলায় বলল, ‘এটা বাজে প্রশ্ন হচ্ছে আরিফ সাহেব। আপনার পারসোনালিটির সঙ্গে যাচ্ছে না একবারেই। নিজেও বুঝতে পারছেন।’

    আরিফ থতমত খেলেন খানিকটা। নির্মল বলল, ‘সাদিক শেখের অ্যাকাউন্টে লাস্ট মান্থে দেড় লাখ দিনার ঢুকেছে। চেনেন আপনি সাদিক শেখকে? তাকে কোনদিন আমার জায়গায় বসানোর সাহস হবে আপনাদের?’

    আরিফ আরও একটু হকচকিয়ে গেলেন। তার মুখ দেখে বোঝা যাচ্ছে তিনি দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে গেছেন।

    সোবাহান চেম্বারে প্রবেশ করলেন। হাসি মুখে নির্মলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘অসভ্যতা করছ তুমি। কোরো না। ফল ভালো হবে না।’

    নির্মল বলল, ‘আমাকে আটকে রাখা হয়েছে কেন স্যার? আমার দোষ কী?’

    সোবাহান চেয়ার নিয়ে বসলেন, ‘ওই যে, ইন্ডিয়া যোগ। তোমার সঙ্গে ইন্ডিয়ার লিংক আছে। তুমি র-এর কথা শুনে কাজ করছ।’

    নির্মল হেসে ফেলল, ‘কী অদ্ভুত ব্যাপার বলুন তো স্যার। আমি নিজেই জানি না আমি র-এর হয়ে কাজ করি, অথচ আপনি জানেন।’

    সোবাহান কয়েক সেকেন্ড চুপ করে নির্মলের দিকে তাকিয়ে থেকে বললেন, ‘তোমাকে আমি সুযোগ দিয়েছিলাম নির্মল। তুমি সেটা নিতে পারলে না। তোমার একগুঁয়ে স্বভাব তোমার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াবে। আই অ্যাম সরি। ভেরি সরি।’

    নির্মল ম্লান হাসল, ‘আমি তো অঙ্কের উত্তরটা জানতাম। ঘাবড়াইনি, যেটা করতে চান, করতে পারেন।’

    সোবাহান বললেন, ‘ট্যাক্স থেকে সাদিকের ফাইল কে দিয়েছে তোমায়?’

    নির্মল বলল, ‘কেউ দেয়নি।’

    সোবাহান বললেন, ‘তোমার ফ্যামিলি এই মুহূর্তে বাইরে আছে নির্মল। আশা করব এমন কিছু কাজ করবে না যাতে তোমার সঙ্গে তোমার ফ্যামিলিরও ক্ষতি হয়।’

    নির্মল সোবাহানের চোখে চোখ রেখে বলল, ‘আমি আপনাকে বললাম তো, সাদিকের যাবতীয় তথ্য আমি নিজেই বের করেছি।’

    সোবাহান আরিফের দিকে তাকিয়ে হাসলেন, ‘দেখলেন আরিফ সাহেব, ছেলেটা কেমন তৈরি হয়ে গেছে। আমাদের দেশের ছেলেদের এত সাহস থাকত? র-এর থেকে ট্রেনিংটা পেয়েছিল বলেই না এদের এত সাহস হয়ে গেছে?’

    আরিফ সোবাহানকে বললেন, ‘সাদিক শেখটা কে?’

    সোবাহান বললেন, ‘একজন তরুণ তুর্কী। খুব ভালো ব্যবসা করছে। দেশের উন্নতি করার চেষ্টা করছে। সে তো এই সব ভারতের দালালদের সহ্য হবে না। তার ফলে যা হবার তা হচ্ছে। দে হ্যাভ টু ফেস দ্য মিউজিক, তাই না?’

    আরিফ বললেন, ‘নির্মল বার বার বলছে ও একটা ইনভেস্টিগেশন করছিল, আপনি সেটা আটকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সেটা কি এই সাদিক শেখকে নিয়েই?’

    সোবাহান আরিফের দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করলেন, ‘আহ্‌ সাহেব, আপনি বুঝতে পারছেন না, সব র-এর শেখানো বুলি তো। এ দেশটাকে তো র কিনে নিয়েছে।’

    আলমগির দরজা ঠেলে চেম্বারে প্রবেশ করলেন, ‘স্যার, একটা ব্রেকিং নিউজ আসছে।’

    সোবাহান বিরক্ত মুখে বললেন, ‘কী নিউজ?’

    আলমগির ফোন এগিয়ে দিলেন, ‘এক অনলাইন চ্যানেলে খবর বেরিয়েছে বাংলাদেশের এক ব্যবসায়ীর অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার বিদেশি ট্রানজাকশান হয়েছে, এই ফরেন ফান্ডের অনেকটাই এমন একটা সন্দেহজনক ফান্ড থেকে আসে যা সন্দেহ করা হচ্ছে বাংলাদেশে টেরর ফান্ডের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। বেনামি সূত্রে এই ট্রানজাকশানের রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে তাদের দফতরে।’

    সোবাহান খবরটা দেখে থমথমে মুখে নির্মলের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এটা করে তুমি ভালো করলে কি?’

    নির্মল হাসল, ‘আমি করিনি। কিন্তু যে করেছে, ঠিক করেছে।’

    সোবাহান বললেন, ‘কে করেছে? আশা করি তোমার উপর আমায় থার্ড ডিগ্রি অ্যাপ্লাই করতে হবে না।’

    আরিফ উশখুশ করছিলেন। হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘আমি ভুলে গেছিলাম। আমার একটা ফ্যামিলি মিট আছে। আমাকে বেরোতে হবে।’

    সোবাহান রাগে লাফিয়ে উঠলেন, ‘বসুন আপনি। এখানে বসবেন। একদম কোথাও যাবেন না।’

    আরিফ সোবাহানের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘মানে? আপনি আমাকে বাধা দিচ্ছেন নাকি?’

    সোবাহান বললেন, ‘হ্যাঁ দিচ্ছি। আমার সে ক্ষমতা আছে। জানেন তো আমার কী ক্ষমতা আছে?’

    আরিফ আঙুল তুলে বললেন, ‘সোবাহান সাহেব, আমি অনেক দিন ধরে এই কাজ করি। আমার প্রথম থেকেই সন্দেহ হচ্ছিল এই কাজটা আপনি নির্মলকে ফ্রেম করার জন্য করছেন। আপনার এই ঘৃণ্য প্ল্যানে আমি থাকব না। আমি বেরোলাম।’

    সোবাহান চিৎকার করলেন, ‘আলমগির, আরিফ সাহেবকে আটকাও।’

    আলমগির চেম্বারে প্রবেশ করে সোবাহানের কপালে রিভলভার তাক করে বললেন, ‘বসুন। অনেকক্ষণ ধরে আপনার বাড়াবাড়ি সহ্য করছি। বসুন।’

    সোবাহান চমকে আলমগিরের দিকে তাকালেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }