Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ২০

    ২০

    পূর্বের কথা

    ‘হরি, ও হরি!’

    মিনু চিৎকার করে ডাকল। হরি ছুটছিল বাড়ির সামনে। মা’র ডাক শুনে দৌড়ে এল। মিনু ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করতে যাচ্ছিল। হরি তাড়াতাড়ি ঘরে সেঁধিয়ে গেল।

    গজগজ করতে লাগল মিনু, ‘কাম নাই কাজ নাই, সারাদিন খালি খেইলা যাইতাসে। তর বাপ আসুক। তরে দেখাব কেমন লাগে।’

    হরি কাঁদো কাঁদো মুখে বলল, ‘মা, কারা আইতাসে। কত লোক।’

    মিনু বলল, ‘কারা আসে?’

    হরি বলল, ‘মনে হয় পাকিস্তানি সেনা। অনেক লোক নিয়া আইতাসে।’

    মিনুর মুখ শুকিয়ে গেল। সে বলল, ‘গ্রামে ঢুকসে?’

    হরি ঘাড় নাড়ল, ‘হ্যাঁ, ঢুকসে। আমি দেখলাম সব মসজিদে ভিড় করসে।’

    মিনু তড়িঘড়ি ঘরের বাইরে বেরিয়ে গিয়ে কাপড় চোপড় তুলে ঘরের মধ্যে নিয়ে এসে বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে ঢুকে জানলা দরজা সব বন্ধ করে দিল।

    হরি কেঁদে ফেলল, ‘ওরা কি মাইরা ফেলব মা?’

    মিনুর বুক ধড়ফড় করছিল। বলল, ‘চুপ থাক। শব্দ করবি না। ওরা যেন ভাইবা লয়, আমরা এখানে নাই।’

    হরি বলল, ‘ঠিক আছে।’

    মিনিট দুয়েক পরে হরি হঠাৎ খিলখিল করে হেসে উঠল।

    মিনু ভয় পেল, ভাবল আতঙ্কে ছেলে পাগল হয়ে গেল কি না। বলল, ‘কী হইল?’

    হরি বলল, ‘মজা করসি। কেউ আসে নাই।’

    মিনু হরির পিঠে দুম দুম করে কিল মারল। ‘মজা করার বিষয় এইডা?’

    হরি তাও হেসে যাচ্ছে খিল খিল করে। মিনু বিরক্ত হয়ে উঠল। আবার দরজা খুলে দিল। কাপড় মেলতে মেলতে বলল, ‘তর বাপ আসুক। মজা দেখাব নে, বুঝবি কারে মজা কয়।’

    হরি ফিক ফিক করে হাসতে শুরু করল।

    রাস্তায় একটা কুকুর ডেকে উঠল। মিনু চমকে তাকাল। প্রায় পঞ্চাশজনের একটা ছোটখাটো বাহিনি তাদের বাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে। মিনু ভীতচোখে হরির দিকে তাকাল।

    হরি চমকে উঠেছে। দুজনের কেউই ভাবেনি মজাটা এভাবে সত্যি হয়ে গেছে। সেনারা তাদের বাড়ি ঘিরে দাঁড়াল।

    রাজাকার লতিফ চৌধুরী তার মেহেন্দি করা দাড়িতে হাত বুলিয়ে মেজরকে বলল, ‘মালাউন ঘর।’

    মেজর খানের ফরসা চেহারা। হাসিমুখে মিনুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ক্যায়সে হো? সব ঠিক?’

    মিনু কাঁদো কাঁদো মুখে খানের দিকে তাকাল।

    মেজর এগিয়ে এসে মিনুর হাত ধরে বলল, ‘চলো।’

    মিনু পালাতে গেল। মেজর মিনুর পিঠে সজোরে ঘুষি চালাল।

    মিনু মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। পাক সেনা আর রাজাকারের দল হেসে উঠল। হরি মেজরকে মারতে এল। মেজর রিভলভর বের করে হরির মাথায় গুলি করল।

    গুলি খেয়ে দশ বছরের বাচ্চাটা মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল। মিনু হাহাকার করে উঠল। মেজর মিনুর মাথার চুল ধরে টানতে টানতে মিনুকে ঘরের ভেতর নিয়ে গেল।

    লতিফ চৌধুরী একটা বিড়ি ধরাল। মিনুর আর্তস্বর বাইরেও শোনা যাচ্ছে। লতিফ তার দাড়িতে হাত বুলিয়ে এক সেনাকে বলল, ‘বিড়ি লেঙ্গে? আচ্ছা লাগতা সাব।’

    সেনা লতিফের হাত থেকে বিড়ি নিল। লতিফ আগ্রহ ভরে সে বিড়ি ধরিয়ে দিল। কয়েক মিনিট পর বেল্ট ঠিক করতে করতে মেজর বেরিয়ে এসে চিৎকার করল, ‘মুদাসসর।’

    মুদাসসর নামের জওয়ান বলল, ‘জি জনাব।’

    মেজর বলল, ‘যা।’

    মুদাসসর আগ্রহসহকারে ভেতরে চলে গেল। মেজর লতিফের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ক্যা হাল হে আপকা? খোয়াইশ হে?’

    লতিফ লজ্জিত মুখে বিড়ি ফেলে দিয়ে আধো উর্দুতে যা বোঝাল, তার মানে দাঁড়ায় হুজুরের যদি দয়া হয়, তাহলে সেও মালাউন মেয়েকে চেখে দেখতে চায়।

    মেজর জানাল মুদাসসরের হয়ে গেলে সে যেতে পারে। লতিফ খুশি হয়ে অনেক শুক্রিয়া দিল।

    .

    বর্তমান সময়

    .

    ‘বুঝলা রুমানভাই, কী সময় কাটাইছিলাম?’

    বৃদ্ধ লতিফ চৌধুরী হাসি হাসি মুখে গল্পটা শোনাচ্ছিল অমলকে।

    অমল চুপ করে লতিফের দিকে তাকিয়ে রইল। তার ভিতরটা জ্বলে যাচ্ছে। অথচ এখন তার অভিনয় করার কথা!

    .

    ২১

    রাণা গাড়িতে অপেক্ষা করছিল। অমল লতিফের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠে বলল, ‘বাস্টারড।’

    রাণা অবাক হল, ‘কী হয়েছে?’

    অমল রাগী গলায় বলল, ‘৭১-এর গল্প বলছিল জানোয়ারটা। বিরাট কিছু কাজ করে ফেলেছে। এ শুয়োরগুলোর ধারণা এরা খুব ভালো কাজ করেছিল। কাফেরদের মেরে পুণ্য করেছে ভাবে। জাস্ট নেওয়া যায় না।’

    রাণা বলল, ‘তাহলে এদের উড়িয়ে দেওয়া হয় না কেন?’

    অমল বলল, ‘কতজনকে ওড়াবে? প্রচুর মানুষ এটাই ভাবে। এদেশে কতজন রাজাকারদের সমর্থন করে, তোমার কোনও ধারণা আছে? ধর্ম মানুষকে মানুষ রাখে না আর। তাছাড়া এ লোকটাকে এখনই মারলে হবে না। বড় মাছেরা ওদেশ থেকে আসবে। এ লোকের ডাক পড়বে। একে হাতে রাখলে ভেতরের অনেক খবর পাওয়া যাবে।’

    রাণা বলল, ‘কাজ হয়ে গেলে? তখন?’

    অমল গাড়ি স্টার্ট দিল, ‘তখন তোমাকে হ্যান্ডওভার করে দেব। যা করার করে নিও।’

    রাণা ঠান্ডা চোখে জানলার বাইরে তাকাল। কাজ হয়ে গেলে অমলকেও ওড়ানোর আদেশ আছে। অমল সেটা জানে? জানলে তার সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারত? যা বোঝা যাচ্ছে, ঢাকায় আই এস আই এখন প্রবলভাবে সক্রিয় হবার চেষ্টা করছে। অমল সেসব খবরই বের করছে। আরও কতখানি খবর পেলে অমলকে সরানো যাবে, সেটা তাকে ঠিক করতে হবে। তাকে এখানে থাকতে হবে। সে পারবে? তারপর একদিন তাকেও ওড়াতে এভাবেই কাউকে পাঠাবে উস্তাদ? অস্বস্তি হচ্ছিল।

    অমল বলল, ‘সাদিক কিন্তু খুঁজে বেড়াচ্ছে। যেভাবে হোক ও ট্র্যাক করতে চাইছে আসগরকে কে উড়িয়েছে। আমাদের এখন সাদিকের কাছে থাকতে হবে। কিপ ইয়োর এনিমিস ক্লোজ এই মন্ত্র মেনে চলতে হবে।’

    রাণা বলল, ‘কত ক্লোজে যাব? আমার লোকটাকে দেখলেই মাথা গরম হয়ে যায়।’

    অমল হাসল, ‘এরকম মাথা গরম হয়ে যায় দেখলে টাইপ লোকেদের নিয়েই আমাদের কাজ করতে হবে। কিছু করার নেই। সাদিকের অনেক ব্যবসা আছে। তার মধ্যে একটা ব্যবসা হল, ও এদেশের আট-নয় বছরের ছেলেমেয়েদের তুলে নিয়ে আরবে পাচার করে। সে বাচ্চাদের একটা অংশ আইসিসে যায়। ওরা ওই বাচ্চাদেরকেই নিয়ে শোয়। জাস্ট ইমাজিন।’

    রাণা বলল, ‘এসব আমাকে বলছেন কেন? আমি রেগে যাচ্ছি। রেগে গেলে আমার মাথা ঠিক থাকে না।’

    অমল বলল, ‘তোমায় মাথা ঠান্ডা রাখাটাও শিখতে হবে রাণা। তুমি এফিসিয়েন্ট। তুমি ভালো। কিন্তু আরও ভালো হতে হবে। আসল তো মাথা। এ কাজে আসল হল রিপু। আমাদের নিজেদের কন্ট্রোল করা জানতে হবে। নইলে সমূহ বিপদ। আসগরের কেসটা আমাদের কি ফ্রন্টফুটে রেখেছে? রাখেনি। বরং অনেকটা ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। এটা তোমার মাথা গরম করার ফলাফল। দয়া করে এ কাজে সেটা কোরো না।’

    রাণা বলল, ‘বাচ্চাদের নিয়ে এসব করবে, আর কিছু বলব না?’

    অমল বলল, ‘বলব। অ্যাক্ট করব। তার সময় আছে। বাঘের টোপ ফেলার মতো অপেক্ষা করাটাই আমাদের কাজ। তার আগে টোপ সাজাও। টোপ চিৎকার করুক, গন্ধ ছড়াক। মজা তো তখনই। একটা জিনিস ভালো হল না খারাপ হল, বুঝতে পারছি না। আসগর নেই বলে সাদিক তোমাকে কলম্বো পাঠাবে না। তুমি বেঁচে গেলে। কিন্তু কলম্বোর কোডটাও তো দরকার ছিল। সেটা কী করে পাব?’

    রাণা বলল, ‘দু-দিন পরে আবার শুরু হবে নিশ্চয়ই।’

    অমল চিন্তিত গলায় বলল, ‘দেখা যাক। যাহ্‌, ঢাকার বিখ্যাত জ্যাম শুরু হয়ে গেল। এবার কী হবে?’

    রাস্তায় একটার পর একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। তার সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে তাল মিলিয়ে রিক্সা। সুদৃশ্য কত রকমের রিক্সা। রাণা বলল, ‘আমরা এখন কোথায় যাচ্ছিলাম?’

    অমল বলল, ‘সাদিকের বাড়িতে। যেতে তো হবেই ভাই। বসে থাকলে হবে না।’

    রাণা বলল, ‘আবার? কী করে যাব?’

    অমল হতাশ গলায় বলল, ‘জানি না।’

    .

    ২২

    নির্মল হন্তদন্ত হয়ে আনোয়ার সাহেবের চেম্বারে ঢুকে বলল, ‘স্যার, আসগর আলির নাম শুনেছেন?’

    আনোয়ার সাহেব চিন্তিতমুখে বললেন, ‘শোনা শোনা লাগছে। কেন বল তো?’

    নির্মল বলল, ‘সকালে ওকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। অদ্ভুতভাবে এ বুলেটটাও বিদেশী।’

    আনোয়ার সাহেব হাতের ইশারায় নির্মলকে বসতে বলে বললেন, ‘আসগরের হিস্ট্রি কী?’

    নির্মল বলল, ‘সাদিকের কাছে কাজ করত। সাদিক হোসেন। টেক্সটাইল কিং উইথ নো ক্রিমিনাল হিস্ট্রি।’

    আনোয়ার সাহেব বিস্মিতগলায় বললেন, ‘বলো কী? এত বড় কিং লোক, তার ক্রিমিনাল হিস্ট্রি নেই?’

    নির্মল মাথা নাড়ল, ‘নেই স্যার।’

    আনোয়ার বললেন, ‘আসগরকে কী করে…?’

    নির্মল বলল, ‘ফ্ল্যাটে ঢুকে, ভোরবেলায়। সিকিউরিটিকেও হালকা জখম করেছে। আমাদের কাছে সেরকম কোনও সিসিটিভি ফুটেজ নেই।’

    আনোয়ার বললেন, ‘রাস্তার ফুটেজ? ভোরবেলায় কত গাড়ি চলে?’

    নির্মল হতাশ গলায় বলল, ‘অনেক স্যার। সেভাবে কিছু বোঝা সম্ভব না।’

    আনোয়ার বললেন, ‘নজর রাখো। আর এই সাদিক সাহেবের ব্যাপার কী জানা আছে?’

    নির্মল বলল, ‘কিছু না। আমার শুধু একটাই অবাক লাগছে, এত বড় এম্পায়ার সামলাচ্ছে, অথচ একটা ছাড়া আর কোনও কালো দাগ নেই।’

    আনোয়ার বললেন, ‘কী সেই কালো দাগ?’

    নির্মল বলল, ‘পুরান ঢাকায় ওর একটা ব্রথেল আছে। মেয়ে পোষে। নিজস্ব মেয়েছেলে।’

    আনোয়ার হাত দিয়ে কথাটা উড়িয়ে দেওয়ার ভঙ্গি করে বললেন, ‘ওটা কালো দাগ হিসেবে আইডেন্টিফাই করা যাবে না। আরও খোঁজো। খোচর লাগিয়ে দাও। সাদিক কি তারেক হোসেনের ভাই?’

    নির্মল বলল, ‘জি স্যার।’

    আনোয়ার বললেন, ‘তারেক হোসেন ইন্ডিয়ায় খুন হয়েছিল। ওই লোকের খবর আসার পর অনেকে নড়েচড়ে বসেছিল। তারপর সব ঠান্ডা হয়ে গেল। বলা হল তারেকের কাছে ওদেশের কোনও তোলাবাজ টাকা চেয়ে না পাওয়ায় কাণ্ডটা ঘটায়। অদ্ভুতভাবে সেটা নিয়ে কেউ কোনও কথাও বলল না। সাদিক তারেকের ভাই, তার সাগরেদকে কেউ ফজরের সময়ে…ইন্টারেস্টিং নির্মল! সাউন্ডস ভেরি ইন্টারেস্টিং! ছাই পেয়েছ, ওড়াতে শুরু করো। দেরি কোরো না।’

    নির্মল বলল, ‘স্যার, সাদিকের ফোন ট্র্যাক করার পারমিশন পাওয়া যাবে?’

    আনোয়ার বললেন, ‘আহ্‌, আবার জিগ্যেস করছ কেন? যা খুশি করো। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব করো। সাদিক ইজ এ বিগ ফিস। হতে পারে নিজের লোককে নিজেই…কোনও কথা শোনেনি বলে…’

    নির্মল বলল, ‘স্যার, আমার মনে হয় না এখানে সাদিক ইনভলভড আছে। নিজের লোক হলে লোকটা গুম করে দিতে পারতো। এভাবে কাজ করত না।’

    আনোয়ার ভ্রু কুঁচকে নির্মলের দিকে কয়েক সেকেন্ড চেয়ে থেকে বললেন, ‘তাও ঠিক। সাদিকের অ্যান্টি কে আছে?’

    নির্মল মাথা নাড়ল, ‘নো আইডিয়া স্যার। রেকর্ড বলছে সাদিকের শত্রু নেই। অজাতশত্রু। নিজের কাজটা মন দিয়ে করে। অন্য কোনও বিষয়ে মাথা ঘামায় না।’

    আনোয়ার হাসলেন, ‘হতে পারে না। বাঙালি অজাতশত্রু হতে পারে না, আনলেস হি ইজ এ মহাপুরুষ। টেক্সটাইল এম্পায়ারের মালিক অজাতশত্রু হওয়া সম্ভব না। তার অ্যান্টি গ্যাংগুলোর ব্যাপারে জানতে হবে।’

    নির্মল ঘাড় নাড়ল, ‘রাইট স্যার। আপনি যা বলবেন।’

    আনোয়ার বললেন, ‘দেখো দেখো। দেরি কোরো না।’

    নির্মল আনোয়ার সাহেবের চেম্বার থেকে বেরিয়ে নিজের ডেস্কে এসে বসল। সাদিকের ফাইলটা বের করে আবার পড়তে শুরু করতেই তার ফোন বেজে উঠল। নির্মল দেখল দীপা ফোন করছে। দীপা এখন রাগ করে আছে। সে তড়িঘড়ি ধরল, ‘বলো।’

    দীপা বলল, ‘তুমি কি বাসায় আসতে পারবে?’

    নির্মল অবাক হয়ে ঘড়ি দেখল, ‘এখন?’

    দীপা রাগী গলায় বলল, ‘তোমায় বলেছিলাম না ইন্ডিয়া থেকে আমার মামারা আসবে? বলেছিলাম তো?’

    নির্মল বলল, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ। এসে গেছেন?’

    দীপা বলল, ‘বাস স্ট্যান্ডে এসে দাঁড়িয়ে আছে। দয়া করে ওদের রিসিভ করে আনা যাবে কি?’

    নির্মল আমতা আমতা করে বলল, ‘শোন না, খুব বড় কাজে ফেঁসে আছি। যাও না প্লিজ।’

    দীপা ফোন কেটে দিল।

    .

    ২৩

    ‘স্যার আসব?’ আনোয়ার আলির চেম্বারে নক করল নির্মল।

    আনোয়ার বললেন, ‘এসো, বোস বোস।’

    নির্মল চেম্বারে ঢুকে বসে বলল, ‘স্যার সাদিককে ইন্টারোগেট করা দরকার। আমার মনে হচ্ছে দেরি করা ঠিক হবে না।’

    আনোয়ার বললেন, ‘বেশ তো। সাদিকের বাসায় চলে যাও। গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করো।’

    নির্মল অবাক হয়ে বলল, ‘এত সোজা? সমস্যা হবে না?’

    আনোয়ার বললেন, ‘তুমি যাও। আমি বুঝব।’

    নির্মল ঘাড় নাড়ল। এইজন্য আনোয়ার স্যারকে এত ভালো লাগে। কোনরকম সিদ্ধান্ত নিতে একটু দেরি করেন না।

    আনোয়ারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে নির্মল চার জনকে নিয়ে সাদিকের বাড়ির দিকে রওনা দিল। আকাশ মেঘলা করে আছে। যেকোনও সময় বৃষ্টি নামতে পারে। দীপা এখনও কথা বলছে না। ভীষণ রাগ করে আছে। কাজের যন্ত্রণায় সংসার মাথায় উঠেছে। রোজ কিছু না কিছু সমস্যা লেগেই আছে। কোনদিন সময়ে বাড়ি ফিরতে পারে না। দীপা জানে তার কাজ এরকমই। বিয়ের আগেও জানত। তারপরেও এরকম করবে। ইন্ডিয়া থেকে দীপার মামারা এসেছে। এখন বায়না ধরেছে, ওদের নিয়ে দেশ ঘোরাতে হবে। নির্মল যতবার বলেছে ছুটি পাবে না, ততবার কথা বন্ধ করে দিচ্ছে।

    সাদিক শেখ বাড়িতেই ছিল। ডেকে নিয়ে আসতে হল। তাকে দেখে বলল, ‘থানা থেকে আসছিল তো। যা বলার বলে দিয়েছি।’

    নির্মল বলল, ‘আমি থানা থেকে আসি নাই। অন্য জায়গা থেকে এসেছি।’

    সাদিক বলল, ‘কোত্থেকে আসছেন স্যার? ব়্যাব?’

    নির্মল বলল, ‘ওরকমই।’

    সাদিক গম্ভীর হয়ে গিয়ে বলল, ‘আসগর আমার কর্মচারী ছিল। এর বেশি কোথায় কী করেছে, তা তো আমি বলতে পারি না স্যার।’

    নির্মল সাদিকের দিকে তাকিয়ে হাসল, ‘আমি তো একবারও বলিনি আসগরের ব্যাপারে এসেছি। আপনি আসগরের প্যাঁচাল পাড়তে শুরু করে দিলেন কেন?’

    সাদিক বলল, ‘আমি ছোট ব্যবসায়ী স্যার। এছাড়া আর কোন কারণেও আমার কাছে ব়্যাব আসবে ক্যান?’

    নির্মল বলল, ‘আপনার রেকর্ড কিন্তু তা বলছে না সাদিক।’

    সাদিক ভ্রু কুঁচকাল, ‘রেকর্ড কী বলছে?’

    নির্মল বলল, ‘রেকর্ড বলছে আপনার ব্যবসা বেশ ভালোই ছড়িয়েছে। মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ইন্ডিয়া, থাইল্যান্ড। এর মধ্যে অনেকবার আপনার যাতায়াত হয়েছে।’

    সাদিক বলল, ‘জি স্যার, এই কান্ট্রিগুলোতেই আমার ব্যবসা। বাংলাদেশের ব্যবসা এখন গ্লোবাল হতে যাচ্ছে। আমাদের গর্ব করা উচিত। তাই না মিয়াঁ?’

    নির্মল বলল, ‘আসগরকে নিয়ে কিছু বলুন।’

    সাদিক বলল, ‘খারাপ পথে ছিল। রাস্তা থেকে তুইলা নিয়া মানুষ করেছি জানেন? মগবাজারে ফ্ল্যাট কিনে দিলাম। আগের জীবন পিছু ছাড়ল না। অনেক খারাপ লাগে।’ সাদিক মন খারাপের মুখ করল।

    নির্মল বলল, ‘আলম নামে কাউকে চেনেন?’

    সাদিক চমকে সঙ্গে সঙ্গে সামলে নিল, ‘চিনি। কেন বলুন তো?’

    নির্মল বলল, ‘এমনি জিগ্যেস করলাম।’

    সাদিক অবাক হয়ে নির্মলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী করেছে আলম?’

    নির্মল বলল, ‘খুন হয়েছে, জানেন না?’

    সাদিক বলল, ‘আমি কী করে জানব ভাই? আমার উপর দিয়ে কী যাচ্ছে বলেন তো! সকালে পুলিশ আসে, বিকালে ব়্যাব আসে। আমার কাজ-কাম মাথায় উঠসে। আলমের লগে অনেকদিন কন্ট্যাক্ট নাই। আসগরই তো ওদের সব খোঁজ খবর রাখত।’

    বলতে বলতে হঠাৎ করে কাঁদতে শুরু করল, ‘আসগর, ভাইরে, আমাগো ছাইড়া তুই কোথায় চলে গেলি রে!’

    নির্মল তীক্ষ্ণচোখে সাদিকের দিকে চেয়ে রইল। অতি শোক চোরের লক্ষণ বলে মনে হচ্ছে।

    সে বলল, ‘আমাদের হেড অফিসে না জানিয়ে আপনি দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। আপনার পাসপোর্ট আমাদের কাছে জমা করে দেবেন।’

    সাদিক রেগে গেল, ‘এসব কী বলেন আপনি? আমার বেশিরভাগ কাজই তো বাইরে। দেশের বাইরে না যাইতে পারলে কী হবে?’

    নির্মল বলল, ‘এটা আমার ডিসিশন না। তদন্তের স্বার্থে আপনাকে এটুকু সহযোগিতা করতেই হবে।’

    সাদিক বিরক্ত মুখে বলল, ‘জি আচ্ছা। আসগরের খুনিরে ধরতে পারলে আমি ব্যক্তিগতভাবে আপনারে পুরস্কার দিমু, কইয়া দিলাম সার।’

    নির্মল উঠে দাঁড়াল, ‘ব্যক্তিগত পুরস্কারের লোভে আমি চাকরি করি না। তবে খোঁজ পেলে হয়তো আপনি জানতে পারবেন।’

    সাদিক গম্ভীর মুখে বসে।

    নির্মল সাদিকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরাল। এখন আবার দীপার মামাদের রিসিভ করতে ছুটতে হবে। জীবনে একটুও শান্তি নেই।

    .

    ২৪

    রাণা অমলের সঙ্গে বসে টিভি দেখছিল। কিছুক্ষণ আগে জ্যাম থেকে মুক্তি পেয়ে ফ্ল্যাটে ঢুকেছে তারা। সাদিকের ফ্ল্যাটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে।

    অমলের ফোনে মেসেজ টোন বাজল। অমল মেসেজ টোন দেখে বলল, ‘সর্বনাশ।’

    রাণা বলল, ‘কী হল?’

    অমল বলল, ‘সাদিক ব়্যাবের নজরে পড়ে গেছে।’

    রাণা বলল, ‘সেটা কী করে জানা গেল?’

    অমল বলল, ‘সাদিকের বাড়ির কাছে আমাদের লোক রাখা আছে। সেই খবর দিল। একজন ইনফরমার আরেকজন ইনফরমারকে খুব ভালো করে চেনে।’

    রাণা বলল, ‘তাহলে তো আপনার ইনফরমারও ধরা পড়ে যাবে।’

    অমল চিন্তিতগলায় বলল, ‘ঠিকই। ধরা পড়ে যাবার চান্স খুব বেশি। তাকে সরে যাবার ইন্সট্রাকশন দিয়ে দিই তবে।’

    অমল মেসেজ করে দিল।

    রাণা বলল, ‘তাহলে আমরা কী করব? সাদিকের বাড়ি যাব না?’

    অমল বলল, ‘আমাকে জিগ্যেস করছ কেন? তুমি আসগরকে ওড়ানোর ডিসিশন নিলে। সমস্ত সাজানো প্ল্যান ভেস্তে গেল। এবার তুমিই ঠিক করো কী করবে? দেখলে তো? এরকম ভুল ডিসিশনের জন্য হাতের কাছে চলে আসা জিনিসগুলো কেমন দূরে চলে যায়? এবার ব়্যাবের সঙ্গে সমঝোতা করতে হবে। আর যদি সেটা করতে হয়, তাহলে দিল্লিকে দিয়ে ঢাকায় কন্ট্যাক্ট করাতে হবে! উফ্‌, মহা ঝামেলা।’

    রাণা বলল, ‘তাহলে বোধহয় আমাদেরও এখন আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে গেলেই ভালো হয়।’

    অমল বলল, ‘তুমি পারবে? দু’দিন আন্ডারগ্রাউন্ড থাকার পর তিন দিনের দিনই তুমি বলবে আমার মাথা কাজ করছে না, কাউকে একটা ওড়াতে হবে।’

    রাণা বলল, ‘আমরা সাদিকের বাড়ি না গেলেই সাদিক সন্দেহ করবে। আপনি নিশ্চয়ই সাদিককে বলতে যাবেন না যে ওকে ব়্যাব টার্গেট করেছে?’

    অমল দু’হাতে মাথা চেপে বসে থেকে বলল, ‘সব গেল। আমার গোটা কাজটা নষ্ট হয়ে গেল। যে ক’টা কো-অরডিনেট সাদিকের কাছে আছে, ওরা সেগুলো আর ইউজ করবে না এর পরে।’

    থমথমে মুখে অমল ফোন করল। ও-প্রান্ত ফোন ধরতে অমল সবটা জানিয়ে বলল, ‘এবার কী করব?’

    ও-প্রান্ত থেকে উত্তর এল, ‘যেখানে আছ, সে জায়গা ছেড়ে দাও। ঢাকায় অন্য কোনও জায়গায় চলে যাও।’

    অমল বলল, ‘সেক্ষেত্রে সাদিক সতর্ক হয়ে যাবে।’

    ‘তোমাদের ধরা পড়ার রিস্ক দিল্লি নিতে পারবে না।’

    রাণা জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। একটা পুলিশের গাড়ি এসে দাঁড়াল রাস্তার উপর। চার-পাঁচজন গাড়ি থেকে নেমে অমলের গাড়িটা দেখতে শুরু করল। রাণা অমলকে ইশারা করল। অমল জানলার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। সঙ্গে সঙ্গে ফোন রেখে রাণাকে বলল, ‘হয়ে গেল, মামারা এসে গেছে। এখনই বেরোতে হবে। চলো।’

    তড়িঘড়ি তৈরি হল তারা। বেশ কিছু কাগজ ঘরের মধ্যেই আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে একটা ব্যাগে জিনিসপত্র নিয়ে নিল অমল। ফ্ল্যাটের সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে তারা দেখলো পুলিশ গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ফোন করছে। অমল বলল, ‘আমাকে ফলো করো।’

    ফ্ল্যাটের পেছনের গেট দিয়ে বেরিয়ে সি এন জি ধরে উঠে বসল। অমল বলল, ‘উত্তরা যাব।’

    সি এন জি চালক বলল, ‘উত্তরা যাব না।’

    অমল বলল, ‘ঠিক আছে। কমলাপুর যাবা? না তাও যাবা না?’

    সি এন জি চালক গম্ভীর মুখে বলল, ‘যাব। একশো টাকা বেশি লাগব।’

    অমল বলল, ‘দিমু নে। চলো।’

    সি এন জি চলতে শুরু করল। অমল পিছনের দিকে তাকিয়ে আশ্বস্ত হল। রাণা বলল, ‘কোথায় যাচ্ছি?’

    অমল রাণার দিকে তাকিয়ে ঠোঁটে আঙুল দিয়ে বলল, ‘এখন কোনও কথা নয়।’

    কমলাপুর পৌঁছতে কুড়ি মিনিট লাগল। সি এন জি থেকে নেমে অমল বলল, ‘রাজশাহী এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে আছে। চলো ওতে উঠে বসি।’

    অমল টিকেট কাটল। ট্রেনে উঠে বসার জায়গা পাওয়া গেল।

    অমল বিরক্তভাবে মাথা নাড়তে নাড়তে বলল, ‘ব্লান্ডার করে ফেললাম। তোমার কথাটা কেন যে শুনতে গেলাম!’

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }