Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ৬০

    ৬০

    অদ্ভুতভাবে পরদিন আর সাদিক এল না। রুমা অবাক হলেও কিছু বলল না। জরিনা এসে ঘুরঘুর করে। মেয়েটাকে দেখে বড় মায়া হয়। এইটুকু মেয়ে। সাদিক যদি ওর বাপও হয়, ওর মেয়েকে এখানে রেখে দিল? এরা কেমন ধরনের মানুষ? নাকি এরা দিব্যেন্দুর মতোই মানুষ? নাকি তার থেকেও খারাপ?

    দরজার কাছে এসে জরিনা দাঁড়িয়ে আছে। রুমা বলল, ‘কী বলবি? ঘরে আয়।’

    জরিনা ঘরে ঢুকে বলল, ‘কিছু খাবা?’

    রুমা বলল, ‘খেয়েছি তো। আর খাব না।’

    জরিনা বলল, ‘কিছু খাইলে বলো।’

    রুমা বলল, ‘বলব। সবাই কোথায় এখন?’

    জরিনা বলল, ‘বাজার গেছে।’

    রুমা অবাক হল, ‘মেয়েরাও?’

    জরিনা হাসল, ‘এখানে তুমি ছাড়া কেউ থাকে না তো। রাতে মেয়ে নিয়ে আসে। ধান্দা করে চলে যায়। এইখানে কয়টা ঘর আছে শুধু সাহেবের।’

    রুমা বলল, ‘এখানে শুধু সাহেব আসে?’

    জরিনা ঘাড় নাড়ল, ‘হ্যাঁ। আরও আসে। চেনা জানা লোক। তোমার আগে এখানে একজন ছিল। তাকে হঠাৎ করে পাওয়া যাচ্ছে না।’

    রুমা বলল, ‘কে ছিল?’

    জরিনা বলল, ‘আমিনা আপু। সাহেব এলে আমিনা আপুর কাছে থাকত।’

    রুমা বলল, ‘কী হয়েছিল তার?’

    জরিনা অদ্ভুতভাবে রুমার দিকে তাকিয়ে হাসল।

    রুমা অবাক হল, ‘কীরে? কী হয়েছিল বলবি না?’

    জরিনা বলল, ‘কক্সবাজারে নিয়া গেছিল। তারপর আর তারে খুঁজে পাওয়া যায় নাই। সাহেবের অনেক খেয়াল।’

    রুমা বলল, ‘কী খেয়াল?’

    জরিনা কথা বন্ধ করে টিভি চালিয়ে দিল। রুমা বলল, ‘কীরে? কী খেয়াল বলবি তো?’

    কলিং বেল বাজল। জরিনা অবাক হয়ে বলল, ‘সকালে সাহেব আসল নাকি? ও আল্লা! দেখি।’

    জরিনা বেরিয়ে গেল। মিনিট খানেক পর এসে বলল, ‘রুমান ভাই আসছেন। আমাকে বাজারে যেতে বলসেন। তুমি কথা বলবা? সাহেবের বন্ধু?’

    রুমা কিছু বলার আগেই রুমান ঘরে ঢুকে জরিনাকে ধমক দিল, ‘তুই যা। যা বলছি নিয়া আয়। দেরি করবি না।’

    জরিনা ভীত মুখে রুমার দিকে তাকিয়ে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেল। রুমান চেয়ারে বসল। রুমা তাকাল। শমিতা শিখিয়েছিল। বেশ্যাবাড়ি সাধারণ ঘরবাড়ির মতো না। এখানে কেউ বলে ঘরে ঢোকে না। এভাবেই হুট হাট করে ঢুকে যাবে।

    ‘আমাকে আপনার খোঁজ খবর নিতে পাঠানো হয়েছে।’

    রুমানের মুখে হঠাৎ কলকাতার বাংলা শুনে অবাক হয়ে গেল রুমা। রুমান বলল, ‘আপনার সঙ্গে দেখা করার ইন্সট্রাকশন আছে। আগের মেয়েটাকে আমরাই গুম করেছি। আপনার এন্ট্রান্সের জন্য।’

    রুমান উঠে পর্দা সরিয়ে বাইরেটা দেখে এসে বলল, ‘কোনও রেকর্ডিং ডিভাইস ইউজ করবেন না। ফোন রাখবেন না। সাদিক যা বলবে, সব মাথায় রাখবেন।’

    রুমানের দিকে চুপ করে চেয়ে থেকে রুমা বলল, ‘আমাকেও সাদিক ওরকম করে দেবে? গুম করে দেবে? মেরে দেবে?’

    রুমান বলল, ‘পারবে না।’

    রুমা বলল, ‘এত শিওর হচ্ছেন কী করে?’

    রুমান বলল, ‘হচ্ছি। শিওর হবার কারণ আছে বলেই বলছি।’

    রুমা বলল, ‘আর আমার ফেরার পথ?’

    রুমান বলল, ‘সেটা আপনি ঠিক করবেন। আমি বলব না। পারবেন?’

    রুমা চুপ করে বসে থেকে বলল, ‘আপনি করবেন? না আমাকেই করতে হবে?’

    রুমান বলল, ‘আমি ব্যবস্থা করব।’

    রুমা বলল, ‘নইলে মরতে হবে। তাইতো?’

    রুমান উঠে দাঁড়াল, ‘দেখা যাবে। বেঁচে থেকে কী করবেন? কোন লোক বেঁচে থেকে কিছু করতে পেরেছে? আমিই বা বেঁচে থেকে কী করতে পারলাম? এখন যাই। জরিনা এসে যাবে যেকোনও সময়। সাদিক যেন সন্দেহ না করে।’

    রুমা বলল, ‘আপনার কলকাতায় বাড়ি?’

    রুমান বেরোতে গিয়ে থমকে দাঁড়াল, ‘ভুলে গেছি কোথায় বাড়ি।’

    .

    ৬১

    দিল্লি

    বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। তুষার বই পড়ছিলেন। গল্পের বই।

    আশরফ খান দরজায় নক করলেন, ‘আসব স্যার?’

    তুষার বললেন, ‘এসো।’

    খান চেম্বারে প্রবেশ করে বললেন, ‘কী বই পড়ছেন?’

    তুষার হাসলেন, ‘নভেল। আরে তুমি বসো। খবর বলো।’

    খান বললেন, ‘মিজান আহমেদ সম্ভবত নেক্সট উইকে সাদিকের কাছে যাচ্ছে। আমাদের কাছে সেরকমই খবর আছে।’

    তুষার বললেন, ‘খবরটা কি ঢাকা থেকে এল?’

    খান বললেন, ‘না। দুবাই থেকে। আলি জানালো। ঢাকার ইন্টেল জাস্ট কোনও রিপোর্ট করছে না। কবে কী করবে কিচ্ছু বলছে না।’

    তুষার ভ্রু কুঁচকালেন, ‘কেন? ঢাকার কী হয়েছে?’

    খান বললেন, ‘কিছুক্ষণ আগেও রিপোর্ট করল, বলল সব ঠিকঠাক। তাহলে আলির খবর আলাদা হল কী করে? ঢাকা জানছে না, দুবাই জেনে যাচ্ছে…সামথিং ইজ ফিশি।’

    তুষার বললেন, ‘মিজান মুজফফরাবাদ থেকে বেরোবে। সায়ক এই খবরটা দিয়েছিল। কিন্তু ওর নেক্সট ডেসটিনেশন কী, সেটা ও জানতে পারেনি। এবার জিগস পাজলের একটা মিস্ট্রি সলভ হল।’

    খান চিন্তিত মুখে বললেন, ‘আই এস আই আবার অ্যাক্টিভ হয়ে গেছে স্যার। ঢাকা একটা বড় কনসার্ন হয়ে যাচ্ছে। এখানে যদি সরকার পাল্টায়, তাহলে…’

    তুষার বললেন, ‘অবভিয়াসলি। তবে ডেমোক্রেসিতে সরকার পাল্টাতেই পারে। তার জন্য আমাদের বসে থাকলে চলবে না। আমরা কীসের জন্য বসে থাকব? এগুলো তো আমাদের কন্ট্রোলে নেই। আরেকটা ব্যাপারও আছে। জনমত উপেক্ষা করে কোনও দেশে যদি অহেতুক জনস্বার্থ বিরোধী সরকার চলে, সে দেশের আইনশৃঙ্খলা আরও বেশি করে প্রশ্নের মুখে পড়ে যায়। আই এস আই তখন সেখানে নিশ্চিন্তে অপারেট করবে।’

    খান বললেন, ‘তাও ঠিক।’

    তুষার বললেন, ‘ঢাকার সেল অ্যাক্টিভ কর। মিজানের অ্যাক্টিভিটির পুরোটা চাই আমার। মিজান এখন কোথায়? দুবাইতেই আছে?’

    খান বললেন, ‘হ্যাঁ। খুব কেনাকাটা করছে। প্রচুর সোনা কিনেছে।’

    তুষার বললেন, ‘সোনা মানে? গয়না না বার?’

    খান বললেন, ‘দুটোই। বার বেশি। সেভেন্টি থার্টি রেশিও। মানে…’

    তুষার খানকে শেষ করতে দিলেন না, ‘এভাবে ফান্ড পাঠাবে নাকি? তা মনে হয় না। দুবাই থেকে ঢাকায় ফান্ডিং এর জন্য মিজান সোনার বার কিনে নিয়ে যাবে না। অন্য কিছু করবে।’

    খান বিস্মিত কণ্ঠে বললেন, ‘কী হবে?’

    তুষার গা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। বইটা টেবিলের উপরে রেখে ইন্টারকমে পীযূষকে ফোন করলেন, ‘একবার এসো তো।’

    পীযূষ এসে বললেন, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘লাস্ট সাত দিনের ক্রিপ্টো রেট কী আছে?’

    পীযূষ বললেন, ‘ডাউনের দিকে। ক্রিপ্টোর এক্সচেঞ্জ কম আছে।’

    তুষার বললেন, ‘ডার্ক ওয়েবে?’

    পীযূষ বললেন, ‘কেউ কেউ এখন গোল্ড প্রেফার করছে। ক্রিপ্টো অনেকেই নিচ্ছে না।’

    তুষার বললেন, ‘সলিড গোল্ড?’

    পীযূষ বললেন, ‘সাউথ এশিয়ান কান্ট্রিগুলোতে সলিড গোল্ডই বেশি প্রেফারেন্স পাচ্ছে।’

    তুষার বললেন, ‘হঠাৎ গোল্ডের দিকে ঝুঁকছে কেন সব?’

    পীযূষ বললেন, ‘ইন্ডিয়ান মার্কেটে ট্যাক্সের জন্য ক্রিপ্টোর এক্সচেঞ্জ কমেছে। এখনও ইন্ডিয়া-ই এখানকার ইকোনমি কন্ট্রোল করে। সেটা একটা কারণ অবশ্যই।’

    তুষার বললেন, ‘আরও কী কী কারণ হতে পারে একটা সার্ভে করে আমাকে জানাও। সামথিং ইজ ভেরি ফিশি।’

    খান পীযূষকে বললেন, ‘ঢাকার ডার্ক ওয়েব থেকে কিছু পাওয়া গেছে লাস্ট সাত দিনে?’

    পীযূষ বললেন, ‘ওদিকে আর্মস ডিলিং বেড়েছে। সেটা লাস্ট সাত আট মাসে এমনিতেও বেড়েই আছে। ইলেকশন আছে বলে বাড়তে পারে।’

    খান তুষারের দিকে তাকালেন, ‘স্যার, আমি কি ঢাকা যাব?’

    তুষার মাথা নেড়ে বললেন, ‘না। এখনই না। আমি আরও চার পাঁচ দিন দেখব। ঢাকার ইন্টেল থেকে কিছু খবর না পেলে তারপর বলছি। অবিনাশ কী বলছে বল তো? ঠিক করে রিপোর্ট করছে না কেন? আবার বিগড়েছে নাকি?’

    পীযূষ বললেন, ‘অবিনাশ এখন কলকাতায়। আজকেই লোকেশন আপডেট পেয়েছি।’

    তুষার বললেন, ‘সে কী? আমায় বলেনি কেন?’

    পীযূষ বললেন, ‘আমি তো ভেবেছি আপনাকে বলেছে।’

    তুষার বললেন, ‘না। আমি সেটাই জানতে চাই। কন্ট্যাক্ট করো। আমার সমস্ত আপডেট চাই।’

    পীযূষ বললেন, ‘ওকে স্যার।’

    পীযূষ চেম্বার থেকে বেরোতেই তুষার গম্ভীরমুখে বললেন, ‘খান, অবিনাশের কাজকর্ম মনিটরিং করার সময় এসেছে। আমার কাছে ওর ব্যাপারে বেশ কয়েকটা রিপোর্ট আছে। তার ইনভেস্টিগেশন শুরু হবে। আমার মনে হয় ইস্টার্ন ইন্ডিয়াতে তোমায় অনেক বেশি ভিজিল্যান্ট হতে হবে।’

    খান বললেন, ‘ঠিক আছে স্যার। আমি দেখে নিচ্ছি।’

    তুষার চিন্তিত মুখে বসে রইলেন।

    .

    ৬২

    সবসময় ভয় নিয়ে বেঁচে থাকতে কেমন লাগে? তা সে জানে। দিব্যেন্দু যখন অফিস থেকে ফিরত। যেদিন খুব ভয় পেত, দেখা যেত সেদিন কিছুই করল না। যেদিন শুরুটা হালকাভাবে হল, সেদিনই দেখা গেল হঠাৎ করে গায়ে হাত তুলতে শুরু করে দিত।

    জরিনার সঙ্গে গল্প করছিল সে। রাত দশটা বেজেছে। ভাবছিল আর হয়তো কেউ আসবে না, ভাবতে না ভাবতেই কলিং বেল বেজে উঠল। জরিনা বলল, ‘সাহেব আসছে মনে হয়।’

    রুমা বলল, ‘দেখ।’

    জরিনা উঠে দরজা খুলল। ঠিকই ধরেছে সে। সাদিক ঢুকল। রুমাকে দেখে বলল, ‘কেমন লাগে তোমার এখানে সাকিনা কুমারী?’

    রুমা বলল, ‘আসেন।’

    সাদিক দরজা বন্ধ করল।

    খাটের উপর উঠে বসে অভ্যস্ত হাতে তাকে জড়িয়ে ধরল। যেন কতদিনের চেনা। রুমার শরীরে হাত বোলাতে বোলাতে বলল, ‘তুমি বড়ই সুন্দর। বেশ্যা না হইলে তোমারে বাসায় নিয়া তুলতাম।’

    রুমা সাদিকের গলা জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আপনি আমার কাছে আসেন, এটাই আমার বাসা।’

    সাদিক বলল, ‘বাঃ, তুমি ভারি সুন্দর কথা কও। কে শিখাইসে তোমারে কথা কওন?’

    রুমা বলল, ‘শিখাইবার লাগে নাই। আমি এমনিই কই।’

    সাদিক আলো নিভিয়ে দিল। প্রথম দিন তাড়া ছিল। এদিন ধীরে ধীরে রুমাকে বিবস্ত্র করল। রুমাও সঙ্গত করল। তাকে সাদিককে খুশি রাখতে হবে। তার জন্য যা করার, সব করতে হবে।

    সাদিক দিব্যেন্দুর মতো নয়। সে শৌখিন মানুষ। রুমার ভালো লাগছিল। নিজেই মরমে মরে যাচ্ছিল সেই জন্য। এই ক্রিমিনালটাকে তার ভালো লাগছে শুধু শরীরের জন্য? তাহলে কি শরীরই সব?

    স্খলনের পর রুমাকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইল সাদিক। আবেগপূর্ণ গলায় বলল, ‘তুমি ভালো। খুবই ভালো সাকিনা কুমারী। তোমার জন্য আমি গয়না আনব।’

    রুমা আগ্রহী ভাব আনল গলায়, ‘কোন গয়না আনবেন?’

    সাদিক বলল, ‘তোমারে এখন কমু না। নিয়া আসুম।’

    রুমা বলল, ‘আনবেন।’

    সাদিক বলল, ‘আমার এক মেহমান আসব। আমি ভাবসিলাম তোমারে নিয়া যাব তার কাছে। কিন্তু আমার তোমারে ছাড়তে ইচ্ছা করে না। মেহমানের জন্য আমি মাইয়া ভাড়া কইরা আনুম। তুমি আমার রানি হবা।’

    রুমার হার্টবিট মিস হল। তবু সে স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করল, ‘মেহমান? কোন মেহমান?’

    সাদিক জোরে হাসল, ‘সবে তো আইলা। কত মেহমান আসব এখানে। দেইখা শেষ করতে পারবা না।’

    রুমা গলায় ন্যাকামি আনল, ‘এখন আমি নূতন আইসি, তাই আমারে নিয়া আফনের এত আনন্দ। আমি পুরানা হইলেই আফনি আমারে সবাইরে বিলায়ে দিবেন।’

    সাদিক রুমার গাল ধরে নাড়ল, ‘না না। তুমি দেখবা।’

    সাদিকের ফোন বেজে উঠল। সাদিক সঙ্গে সঙ্গে উঠে বসল। ফোন ধরে বলল, ‘বলো…জি, জি…আইতাসি, বাজারে আইসিলাম…আসি।’

    ফোন রেখে বলল, ‘বাসার ডাক আইসে।’

    রুমা বলল, ‘ভাবি?’

    সাদিক হেসে উঠল, ‘ভাবি কও কেন? আমি কি তোমার ভাই হই?’

    রুমা বলল, ‘তাহলে কী কমু?’

    সাদিক বলল, ‘ভাইবা কমু।’ আলো জ্বালল সে। ঘর থেকে বেরোতে গিয়ে রুমার হাতের দিকে চোখ পড়তে দাঁড়িয়ে গেল। কালশিটে দাগ আছে হাতে। সিগারেট খেতে গিয়ে দিব্যেন্দু ছ্যাকা দিয়েছিল।

    বলল, ‘কোন শুয়ারের বাচ্চার কাম এইডা?’

    রুমা সাদিকের দিকে তাকিয়ে হাসল, ‘মইরা গেছে সেইডা।’

    সাদিক বলল, ‘তোমারটা?’

    রুমা ঘাড় নাড়ল।

    সাদিক বলল, ‘তোমারে যে জ্বালাইবে, তুমি শুধু আমারে কইবা। তারপর আমি বুঝুম। বুঝলা?’

    রুমা খিলখিল করে হাসল। এই হাসিটা শমিতা শিখিয়ে বলেছিল, এটা নাকি খানকি হাসি। সে খানকি হয়েছে। এরকম হাসি হাসতে হয়। কী অদ্ভুত একটা কথা। কোনও মানে হয়? ভেবেছিল কোনদিনও এই হাসিটা হাসবে না। সাদিকের কথা শুনে সে হাসিটাই হাসল। তার জন্য নাকি একজন পুরুষ লড়বে। তার জন্য? কী অদ্ভুত!

    .

    ৬৩

    ‘মাথুর, ঘুমিও না। নামতে হবে।’

    অ্যানাউন্সমেন্ট হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর কলকাতায় প্লেন ল্যান্ড করবে। মাথুর ঘুম ভেঙে সোজা হয়ে বসলেন।

    খান বললেন, ‘কী স্বপ্ন দেখছিলে?’

    মাথুর ফিক ফিক করে হেসে বললেন, ‘অদ্ভুত একটা স্বপ্ন। বললে বিশ্বাস করবে না তুমি।’

    খান বললেন, ‘সেটা কী বলে ফেলো। তার জন্য সাসপেন্স ক্রিয়েট করার কিছু নেই।’

    মাথুর বললেন, ‘আরাবিয়ান নাইটস পড়েছ?’

    খান বললেন, ‘স্যার তো এখন ওটাই পড়ছেন। তুমি ওই বইটার স্বপ্ন দেখলে?’

    মাথুর বললেন, ‘ইয়েস। ওই বইটার স্বপ্ন দেখলাম। আরাবিয়ান নাইটসে রানিদের দুই বোনের নাম কী ছিল?’

    খান মনে করার চেষ্টা করলেন। করতে পারলেন না। বললেন, ‘ভুলে গেছি।’

    মাথুর বললেন, ‘শাহারজাদি, আর দিনারজাদি। শাহারজাদি রাজা শাহরিয়রকে বিয়ে করবেন। রাজা হিংস্র। দেশের সব মেয়েকে বিয়ে করে খুন করে ফেলছে। বাকি মেয়েদের বাঁচাতে শাহারজাদি রাজাকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।’

    খান বললেন, ‘রাইট। তা তুমি কী স্বপ্ন দেখলে? তুমিই কি সেই রাজা হয়ে গেছ নাকি? নাকি তুমি রানি হয়ে গেছো?’

    মাথুর বললেন, ‘আমি দেখলাম এরা সব দিল্লিতে ঘুরে বেড়াচ্ছে। রাজা হুমায়ুন টুম্বে বসে রানির কাছে গল্প শুনছে। জাস্ট ইমাজিন!’

    খান হাসতে হাসতে বললেন, ‘তুমি এটা স্বপ্ন দেখলে? মানে ভালো কোনও স্বপ্ন দেখতে পারলে না?’

    মাথুর বললেন, ‘ভালো স্বপ্ন মানে কলকাতার বিরিয়ানি? সেটা তো গিয়ে নিজের হাতেই চাখব। ওটা নিয়ে ভেবো না।’

    প্লেন অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খান সোজা হয়ে বসলেন, ‘ঠিক আছে খেও। অবিনাশকে আগে খুঁজি।’

    মাথুর বিরক্ত মুখে বললেন, ‘ওই এক পাবলিক। তোমাদের সব পেয়ারের লোক। ওকে আমার কোনওকালেই পোষায় না।’

    খান বললেন, ‘পেয়ারের লোক? আমার তো না। তাহলে তুমি স্যারের কথা বলছ।’

    মাথুর বললেন, ‘স্যার ওকে পছন্দ করেন বলে মনে হয় না। তবে…’

    মাথুর আর কিছু বললেন না।

    খান বললেন, ‘তবেটা কী?’

    মাথুর বললেন, ‘পরে বলছি। পৌঁছই।’

    খান বললেন, ‘ওকে।’

    ল্যান্ডিং, লাগেজ কালেকশন সব মিলিয়ে আধ ঘণ্টা লাগল। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে দুজনে ক্যাব নিলেন। ড্রাইভারকে হোটেলের ঠিকানা বলে জানলার বাইরে তাকালেন খান, ‘অ্যামেজিং সিটি। যতবার আসি, এত ভালো লাগে।’

    মাথুর বললেন, ‘অ্যামেজিং বিরিয়ানি, সেটা বলো। আমার দিল্লির বিরিয়ানি কিন্তু কলকাতার মতো লাগে না যাই বলো। এখানকার বিরিয়ানিতে যে আলুর ব্যাপারটা, সেটা অদ্ভুত।’

    খান বললেন, ‘তুমি কি ভ্লগার হওয়ার প্ল্যান করছ রিটায়ারমেন্টের পরে?’

    মাথুর বললেন, ‘সেরকমই।’

    খান ফোন বের করে অবিনাশের নাম্বারে ফোন করলেন। তারপর মাথা নাড়লেন, ‘নট রিচেবল। ওকে ফোনে পাওয়া যাবে না।’

    মাথুর শিস দিচ্ছিলেন। বললেন, ‘ঠিক আছে। ও কলকাতা চেনে তো আমরাও চিনি। চিন্তার কিছু নেই।’

    খান চোখ বন্ধ করলেন, বললেন, ‘হোটেলে গিয়ে স্নান করতে হবে। স্নান করা হয়নি।’

    মাথুর বললেন, ‘আগে খেয়ে নিলে হতো না?’

    খান মাথা নাড়লেন, ‘মোটেই না। দয়া করে এই রিকোয়েস্টটা কোরো না। আগে চেক ইন করি।’

    মাথুর ঘড়ি দেখলেন, ‘ঠিক আছে। খিদে যত বাড়বে, তত ভালো।’

    খান ফোনটা আবার হাতে নিয়ে অবিনাশকে মেসেজ করলেন, ‘অনলাইন হলে ফোন করবেন। আর্জেন্ট।’

    মাথুর সেটা দেখে আবার শিস দিলেন, ‘লাভ হবে না। সম্ভবত এই সিমটা পাল্টেছে। ভাই, গাড়ি দাঁড় করিয়ে দাও। এখানে নেমে যাব।’

    খান বললেন, ‘লাগেজ?’

    মাথুর ড্রাইভারকে বললেন, ‘হোটেলের ঠিকানা দিয়েছি। লাগেজ হোটেলে নিয়ে গিয়ে জমা করে দিন।’

    ড্রাইভার গাইগুই করছিল। মাথুর একটা কার্ড এগিয়ে দিলেন, ‘দিয়ে আসুন। কাজ আছে।’

    ড্রাইভার আর কিছু বলল না। গাড়ি চলে গেল। খান বিরক্ত গলায় বললেন, ‘তোমার জন্য আমি স্নান করতে পারলাম না। কী করবে এখন?’

    মাথুর নাম্বার ডায়াল করলেন। ও প্রান্ত ফোন ধরতে বললেন, ‘বিলাল? লোকেশন পাঠাচ্ছি। বাইকটা নিয়ে এসো। একটা ইঁদুর ধরতে যেতে হবে। দুজন দুটো বাইক নিয়ে আসবে। ফাইন।’

    ফোন কেটে দিলেন মাথুর। খান বললেন, ‘সিরিয়াসলি? বাইক লাগবে? বলিউডের হিরো তুমি?’

    মাথুর বললেন, ‘তুমিই তো বলো ইঁদুর যেখানে লুকোয় সেখানে চার চাকা যায় না। আবার আমাকে হিরোগিরির কথা বলছ?’

    খান কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলেন। ফোন বেজে উঠল। দেখলেন, অবিনাশ ফোন করছে…।

    .

    ৬৪

    মানুষের একটা জায়গায় থাকতে থাকতে অভ্যাস হয়ে যায়। তারও হয়েছে। এখন মনে হচ্ছে বাকি জীবনটা এখানে কাটলেও খারাপ হতো না। কী আর হবে? বাজে কোনও রোগে মরে যাবে? তাই হবে! এর বেশি তো আর কিছু হবে না। তার যা জীবন, তাতে বেঁচে থাকা আর মরে যাওয়ার মধ্যে খুব বেশি তফাত নেই। একটা সুতোর উপর দিয়ে হাঁটার মতো বেঁচে থাকাটা।

    শুয়ে ছিল রুমা। সকাল হয়েছে। জরিনা একগাদা পরোটা নিয়ে এল, ‘খাবা না?’

    রুমা বলল, ‘এতগুলো পরোটা কে খাবে?’

    জরিনা বলল, ‘খাও না। সাহেব টেকা দিয়া গেছে।’

    রুমা পরোটা ভেঙে খেল। বাইরে থেকে একটা কোকিলের ডাক শোনা গেল। জরিনা হেসে ফেলল, ‘দেখস? এই সময় কোকিল ডাকে নাকি। কুনো শয়তান পুলার কাণ্ড।’

    রুমাও হাসল। কয়েক সেকেন্ড পরোটাটা একটু একটু করে খেয়ে বলল, ‘আমি একটু বাজার যামু। কাজ আছে।’

    জরিনা বলল, ‘লোক আছে তো। তোমার যাওনের কী দরকার?’

    রুমা বলল, ‘ভালো লাগে বল, সারাদিন এক ঘরে! বোরখা পরে যাচ্ছি। তুই কাউকে বলিস না।’

    জরিনা করুণ চোখে তাকিয়ে বলল, ‘সাহেব জানলে আমারে মাইরা ফেলাইবানে।’

    রুমা জরিনার হাত ধরল, ‘তুই দরজায় খেয়াল রাখ। আমি তাড়াতাড়ি আসছি।’

    জরিনা বলল, ‘যাও। ঘুইরা আসো।’

    রুমা তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিল। ঘরের ছেলেগুলো ছিল না। জরিনা বাইরেটা দেখে এসে বলল, ‘যাও, ফাঁকা আছে। দেরি করবা না কিন্তু। আমি দেখতাসি।’

    রুমা ধীরেসুস্থে বেরোল। গলির বাইরে গিয়ে হাঁটতে হাঁটতে একটা ছোট কানাগলিতে পৌঁছল। বাজারের মুখে একজন অন্ধ ভিখারি দাঁড়িয়ে আছে। রীতিমতো চিৎকার করে ভিক্ষা করছে সে। রুমা তার পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ‘মেহমান এলে আমাকে নিয়ে যাবে না। ভাড়াটে নেবে বলছে।’

    ‘সে কী? কী হবে?’ চিৎকার করতে করতেই হঠাৎ চুপ করে ভিখারি ফিসফিস করে কথাগুলো বলল।

    রুমা বলল, ‘কী হবে জানি না। আমি খবরটা দেওয়ার, দিয়ে দিলাম। এভাবে বেরনো রিস্ক আছে। সাদিক জানতে পারলে মেরে দেবে।’

    ‘ঠিক আছে। যাও।’

    ভিখারি আবার চিৎকার করতে শুরু করল। রুমা চারদিকে তাকিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ফিরে গেল। জরিনা চিন্তিত মুখে দাঁড়িয়ে ছিল। রুমাকে ঢুকতে দেখে তার ধড়ে প্রাণ এল, ‘শিগগিরি ঢুইকা যাও।’

    রুমা ঘরে ঢুকে বোরখা খুলে বসল।

    জরিনা বলল, ‘ভালো লাগে না, কও?’

    রুমা বলল, ‘হ্যাঁ। ভালো লাগে।’

    জরিনা বলল, ‘আমি একদিন পালাইয়া যাব। আমারে যাইতেই হইব।’

    রুমা জরিনার দিকে তাকাল। ঠিকই তো। মেয়েটা এই নরকে পচে মরবে কেন? সে ঘাড় নাড়ল, ‘যাস। তোর যেদিন ইচ্ছে হবে পালিয়ে যাস।’

    জরিনা বলল, ‘সাহেবরে চেনো তুমি? খুইজা পাইলে কী করবে জানো?’

    রুমা বলল, ‘তোরে কিছু করবে না মনে হয়।’

    জরিনা ঠান্ডা গলায় বলল, ‘মদ খাইয়া আইসা মারে আমারে। তুমি কও কিছু করবে না। তুমি সাহেবরে চেনো নাই। তুমি নতুন না এখন? তাই কিছু কয় না। পুরান হইলে তোমারেও ছাড়বে না।’

    রুমা শিউরে উঠল। তাকে ছাড়বে না? সাদিকের ভেতরেও কি তবে দিব্যেন্দু জেগে উঠবে? প্রতিটা পুরুষের মধ্যেই কি দিব্যেন্দু আছে? সব কিছু হাতের বাইরে চলে গেলেই সেই পুরুষ জেগে ওঠে বুঝি? সে বলল, ‘ঠিক আছে। ভাবিস না। যখন হবে, তখন দেখা যাবে।’

    জরিনা বলল, ‘আমার খুব ঘোরার শখ জানো। আমার বন্ধু আছে সুপ্তা। ও ইন্ডিয়া গেছিল। কলকাতায়। খুব মজা করসিল। আমি কলকাতা যামু।’

    রুমা বলল, ‘যাবি। আমরা দুজনেই যামু।’

    জরিনা রুমাকে জড়িয়ে ধরল হঠাৎ করে, ‘তুমি খুব ভালো। আমার আম্মুর মতো।’

    রুমা কেঁদে ফেলল। এ কান্নাটা অনেকদিন ধরে জমে ছিল। জরিনার এই জড়িয়ে ধরাটুকুর জন্যই যেন অপেক্ষা করছিল…।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }