Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৩০

    ৩০

    রাত সাড়ে এগারোটা বাজে। অন্য ঘরগুলো ভর্তি হয়ে গেছে। গানের শব্দ ভেসে আসছে। রুমা দরজা বন্ধ করে বসে আছে।

    অস্বস্তি হচ্ছে একটা। ছায়ামূর্তিটাকে ভোলা যাচ্ছে না। তার পিছু নিয়েছিল কেন? খবরটা জানাতে হবে। না জানালে অন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। বেরোলে এখনই বেরোতে হবে। সকালে বেরোনোর অনেকরকম সমস্যা আছে। তাকে যে দুবাইতে নিয়ে যেতে চাইছে সাদিক, সেটা তো জানানোই গেল না তখন।

    জরিনা শুয়ে আছে মেঝেতে। রুমা উঠে দাঁড়াল। বোরখা পরে নিয়ে দরজা খুলল। ছেলেগুলো ঘরে আছে। বারান্দায় কেউ নেই।

    সে বাইরের দরজা ঠেলে রাস্তায় এল। সন্তর্পণে চারদিকে তাকাল। না। কোথাও কেউ নেই। ধীরপায়ে হেঁটে বড় রাস্তায় পৌঁছল। দোকানগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। ফুটপাথের লোকজন শুয়ে পড়েছে।

    রুমা মাথা নিচু করে অন্ধ ভিখারির উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করল। সোনার দোকান, তার সামনে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকে লোকটা। তার কাছেই রিপোর্টিং-এর অর্ডার ছিল।

    হাঁটতে হাঁটতে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকা লোকটার কাছে এসে দাঁড়াল সে। একটা পুঁচকে তার মাকে জড়িয়ে শুয়ে আছে খানিকটা দূরে।

    চাদর জড়ানো লোকটার পায়ে পা দিয়ে আলতো করে ঠেলা দিল সে। সাড়া পেল না। গলা খাকরে রুমা বলল, ‘পাখি পালানোর তালে আছে।’

    তাকে চমকে দিয়ে চাদর সরে গেল। রুমা চমকে উঠে দেখল তার দিকে একটা রিভলভার তাক করে রাখা। লোকটা উঠে দাঁড়িয়ে রুমার চুলের মুঠি ধরে বলল, ‘চল।’

    রুমা বিস্মিত হয়ে লোকটার দিকে তাকিয়ে রইল। সে এতটাই বিস্মিত হয়ে গেছিল, ন্যূনতম প্রতিরোধটুকুও করতে পারল না।

    খেয়াল হল রাস্তায় একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।

    অসম্ভব তৎপরতায় তাকে গাড়িটায় টেনে তুলল লোকটা। রুমার চুলে ব্যথা লাগছিল। বমি পাচ্ছে। গাড়ি চলতে শুরু করেছে। রুমা বলল, ‘কে আপনি?’

    লোকটা বলল, ‘তুই কে?’

    রুমা বলল, ‘আমি সাকিনা। সাদিক শেখের বাসায় থাকি। আপনারা জানেন না সাদিক শেখ কে।’

    লোকটা সিগারেট ধরাল, ‘খুব ভালো করে জানিস এসব ঢপের কথা বলে পার পাওয়া যাবে না। যত তাড়াতাড়ি তুই বলে দিবি এখানে তুই কী করতে এসেছিস, তত তাড়াতাড়ি ছাড় পাবি। নইলে তোর কপালে যে কী আছে, তুই নিজেও ঠিক করে জানিস না।’

    রুমা জোরে শ্বাস নিল। লোকটা যে বাজে কথা বলছে না স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।

    সে চুপ করে বসে রইল। গাড়ির মধ্যে সিগারেটের গন্ধ মাথা ধরিয়ে দিচ্ছে।

    জানলার বাইরে দেখার চেষ্টা করল রুমা। কিছু বোঝা যাচ্ছে না। রাতের শহরে গাড়ির গতিবেগ অনেকটাই বেশি।

    বেশ খানিকটা পথ যাবার পর অলসভাবেই লোকটা পকেট থেকে একটা স্প্রে বের করে রুমার নাকি ছিটিয়ে দিল।

    রুমা জ্ঞান হারাল।

    .

    জ্ঞান যখন ফিরল, রুমা দেখল একটা ঘরে ধবধবে সাদা খাটে তাকে শুইয়ে রাখা হয়েছে। উঠে বসল সে।

    তার সামনে প্রফেসরের মতো একটা লোক সোফায় বসে আছে। এত সুন্দর মানুষ হতে পারে, তার ধারণা ছিল না। রিমলেস চশমা পরে কেমন কবির মতো মুখ করে তার দিকেই তাকিয়ে বসে ছিল। তার জ্ঞান ফিরেছে দেখে লোকটা উঠে দাঁড়াল।

    শান্ত মুখে একটা ছোট ব্লেড নিয়ে এসে রুমার হাতে চালিয়ে দিল। রুমা বিস্মিত হবার সময়টুকু পেল না। রক্ত পড়তে শুরু করেছে হাত থেকে।

    লোকটা পকেট থেকে একটা ছোট কাগজ বের করে ক্ষতস্থানে চেপে ধরল। কী অসহ্য যন্ত্রণা! রুমা আর্তনাদ করে উঠল। সেই দিনগুলোর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেই দিনগুলো যখন দিব্যেন্দু ঠিক এই ধরনের কাজগুলোই দিনের পর দিন করে যেত তার সঙ্গে। সে চিৎকার করে উঠল, ‘কে? কে আপনি?’

    লোকটা ফিস ফিস করে বলল, ‘আমি? আই এস আই। গিয়াস। আই এস আই কা নাম তো সুনাহি হোগা, নেহি?’

    রুমা শিউরে উঠল।

    .

    ৩১

    একটা ডায়েরি খুলে বসে আছে অমল। কথা বলতে বারণ করেছে। রাণা চোখ বন্ধ করে শুয়েছে ঘুপচি ঘরটাতে। কোনমতে দিন কেটেছে। সন্ধে হয়েছে। দুপুরের দিকে রাণার ঘুম পেয়েছিল। উঠে দেখল অমল তখনও ডায়েরিতে লিখে যাচ্ছে। সে জিগ্যেস করল, ‘বাথরুম যেতে হবে।’

    অমল বলল, ‘বাইরে বেরিয়ে করিডোরের শেষে।’

    রাণা বাথরুম থেকে ঘুরে এল। বাথরুম অপরিষ্কার। অভ্যাস আছে তার। ফিরে এসে বলল, ‘আমরা কি ঢাকায় থাকব?’

    অমল বলল, ‘না। বেরোতে হবে। থাকা যাবে না হয়তো।’

    রাণা বলল, ‘ডায়েরিতে কী আছে?’

    অমল বলল, ‘বেশ কিছু কন্ট্যাক্ট। সবক’টা ঝালিয়ে নেওয়ার সময় এসেছে। আপাতত চলো বেরোই।’

    তৈরি হতে বেশিক্ষণ লাগল না। অমল দুজনেরই ভোল পাল্টে ফেলেছিল।

    স্টেশন পৌঁছে রাজশাহীর ট্রেনে উঠে বসল। অমলের নির্দেশমতো রাণা খানিকটা দূরত্ব রেখে বসল।

    ট্রেনে রাণার পাশে বসে থাকা ভদ্রলোক বেশ কয়েকবার ভাব জমাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে শেষমেশ রাণার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন।

    রাণা বারণ করল না। বিরক্ত লাগছে। নিজেকে অসহায় লাগছে। এখানে কিছু করার নেই তার। অমলের নির্দেশে চলা ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। অমল এতটাই গম্ভীর হয়ে আছে, ওর সঙ্গে কথা বলার কথাও ভাবতে পারছে না সে।

    জানলার বাইরে দেখল রাণা। ট্রেন নিজের গতিতে চলছে। কয়েকটা স্টেশন একবারে ফাঁকা। ট্রেনে কেউই উঠল না এত রাতে।

    রাত দেড়টা নাগাদ উল্লাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছল। অমল হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে ইশারা করল নেমে যেতে।

    রাণা উঠল। ট্রেন থেকে বেশ কয়েকজন নামল।

    অমল হন হন করে এগিয়ে যাচ্ছে। রাণা খানিকটা দূরত্ব রেখে অমলকে ফলো করল। স্টেশনের বাইরে কয়েকটা অটো দাঁড়িয়ে আছে। সি এন জি গ্যাসে চলে বলে এখানে সে নামেই ডাকা হয়। অমল সি এন জি চালককে তুলল। চালক ঘুম চোখে উঠে বলল, ‘কোথায়?’

    অমল বলল, ‘চৌধুরী পাড়া।’ অটো স্টার্ট হবার সঙ্গে সঙ্গে রাণা অটোতে উঠে বসল। সি এন জি চালক অটো দাঁড় করিয়ে দিল। অমল চাপা গলায় বলল, ‘চলেন, উনি আমার লগেই আছে।’

    .

    নিস্তব্ধ পাড়া। মোড়ের কাছে তাদের নামিয়ে অটো চলে গেল। পাড়ার কুকুরগুলো ছুটে এল। অমল অদ্ভুত একটা শিস দেওয়া শুরু করল। কুকুরগুলো মন্ত্রমুগ্ধের মতো চুপ করে গেল। রাণা বিস্মিত হল। এ ক্ষমতা সবার থাকে না। অমলের মধ্যে একজন ম্যাজিশিয়ানও লুকিয়ে আছে তবে? অদ্ভুত তো!

    অমল ধীর পায়ে হাঁটতে হাঁটতে বলল, ‘বেশিদূর হাঁটতে হবে না। এই তো।’

    একটা দরজার সামনে হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ে অমল কলিং বেল টিপল। রাণার মনে হল সত্যিই অমল কাউকে চেনে তো? নাকি হুট করে বেল টিপে দিল?

    তার আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে একজন মাঝবয়েসি লুঙ্গি পরা লোক খালি গায়ে বেরিয়ে এল। অমল সঙ্গে সঙ্গে হাসল, ‘কী চাচা? কেমন আছ?’

    লোকটা সভয়ে চারদিক দেখে নিয়ে বলল, ‘এসো এসো ভেতরে এসো।’

    অমল রাণার দিকে তাকাল, ‘ইমতিয়াজ চাচা। চিন্তা নেই। এসো।’

    রাণাকে নিয়ে অমল ঘরের ভেতর ঢুকতেই ইমতিয়াজ তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল, ‘এখানে কী করতে এলে তোমরা?’

    অমল বলল, ‘জল খাওয়াও। কী আছে খাওয়াও, খিদে পেয়েছে।’

    ইমিতিয়াজ ফ্রিজ থেকে মিষ্টি নিয়ে এল। ঠান্ডা জলের বোতল দিল। দুজনে সেসব খেয়ে নিল তাড়াতাড়ি।

    অমল বলল, ‘ঢাকায় মনে হচ্ছে হুলিয়া বেরিয়ে গেছে। ধরা পড়ে যাব। আপাতত এখানেই আন্ডারগ্রাউন্ড থাকতে হবে।’

    ইমতিয়াজ ঘাবড়ে গেল, ‘কী করেছ?’

    অমল হাই তুলে বলল, ‘জানো না? আসগরকে উড়িয়ে দিয়েছি। ধরে নাও ব়্যাব এবার সাদিকের গুষ্টি খুঁজে ফেলবে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘জানি না তো!’

    অমল বিরক্তগলায় বলল, ‘খবর দেখো না?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘অনেকদিন দেখা হয় না।’

    অমল বলল, ‘কেউ খবরও দেয়নি?’

    ইমতিয়াজ মাথা নাড়ল, ‘নাহ্‌। এবার কী হবে?’

    অমল বলল, ‘দুটো উপায় আছে। হয় তোমার বাড়িতেই এক বছর থাকব। নয় রাতের মধ্যে ইন্ডিয়া পালিয়ে যেতে হবে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘পালিয়ে যাও। আমি তোমাদের একবছর ধরে টানতে পারব না। এগুলো ছোট জায়গা। লোকজন খোঁজ খবর নেয়। পারলে ঘরের ভেতর চলে আসে। এখানকার কালচারটাই ওরকম। মাঝখান দিয়ে আমিও ধরা পড়ে যাব।’

    অমল রাণার দিকে তাকাল, ‘তাহলে? তোমার আর চিন্তা নেই। দেশে ফিরে যাবে।’

    রাণা বলল, ‘তাহলে ঢাকায় ফিরে গিয়ে সাদিককে উড়িয়ে দিয়ে দেশে ফিরলেই তো হত।’

    ইমতিয়াজ অবাক হয়ে রাণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এত রাগ কেন আপনার?’

    অমল বলল, ‘ওকে ঠান্ডা বিরিয়ানি খাইয়েছে, ওটাই ওর রাগের কারণ।’

    রাণা বলল, ‘না। ওটা রাগের কারণ না। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা অন্য মানুষের সঙ্গে চাকরের মতো ব্যবহার করে। এ ধরনের মানুষ দেখলে আমি নিজেকে ঠিক রাখতে পারি না। সাদিক হল এই ধরনের মানুষ।’

    অমল ইমতিয়াজকে বলল, ‘সাকিনা ছাড়া এই মুহূর্তে আর কেউ সাদিকের খবর দিতে পারবে না। সাকিনাকে কন্ট্যাক্ট করতে হবে।’

    ইমতিয়াজ গম্ভীর মুখে বলল, ‘তোমরা বোস। আমি আসছি একটু।’

    ইমতিয়াজ ভেতরে চলে গেল। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে বলল, ‘সাকিনাকে কন্ট্যাক্ট করা যাচ্ছে না। রাত বলে হয়তো।’

    অমল হাই তুলে বলল, ‘ঠিক আছে। আপাতত ঘুম দরকার। বালিশ বিছানা লাগবে।’

    ইমতিয়াজ কটমট করে অমলের দিকে তাকাল।

    .

    ৩২

    ‘ঠিক কোন জায়গা থেকে তুলেছে তোকে? পশ্চিম বাঙ্গাল?’

    উর্দুতে প্রশ্ন করল গিয়াস। একটা চেয়ারে হাত বেঁধে ফেলে রাখা হয়েছে রুমাকে। কেটে যাওয়া জায়গাটায় অসহ্য ব্যথা করছে। রুমা বাঙাল ভাষাতে বলল, ‘আমাকে ছাইড়া দেন। আমি কিছু করি নাই।’

    গিয়াস চোখ ছোট ছোট করে বলল, ‘তাহলে ওই খবরিটার কাছে অত রাতে কী করছিলিস?’

    রুমা বুঝল গিয়াস বাংলা ভালো বোঝে। সে কাঁদার অভিনয় করল, ‘উনি তো ঔষধ দেন আমায়। উনি দিনে ভিক্ষা করেন, রাইতে ঔষধ দেন। আমি তাই আনতে গেছিলাম।’

    গিয়াস বলল, ‘ওষুধ দেয়? কীসের ওষুধ দেয় আজহার তোকে?’

    রুমা বলল, ‘আমি ওর নাম জানি না। আমি শুধু জানি, আমার যখন খুব শরীল খারাপ লাগে, বাবার এঁটো খাবার খেলে সে অসুখ সেরে যায়। সবার এঁটো খাবার পর বাবা কিছু খাবার রেখে দেয়, আমি সেটা আনতে যাই।’

    গিয়াস তীক্ষ্ণ চোখে রুমার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে বলল, ‘কক্সবাজারে যে মেয়েটাকে মারা হয়েছিল, তোকে এখানে আনার জন্যই তো?’

    রুমা সজোরে মাথা নাড়ল, ‘না ছার। আপনি খোঁজ নেন। আমি খুব গরিব একজন মাইয়া। আমার কুনো দোষ নাই।’

    গিয়াস চেয়ার এগিয়ে নিয়ে এসে রুমার কাছে বসে বলল, ‘হয় তুই সত্যি বলছিস, নয় তুই ভীষণ ওয়েল ট্রেইন্ড। কে ট্রেনিং দিয়েছে তোকে? তুষার রঙ্গনাথন? আশরফ খান? নাকি সায়ক বড়াল? বল।’

    রুমা আকাশ থেকে পড়ার ভান করল, ‘কীসব বলতাসেন আপনি! এরা কারা?’

    গিয়াস চোখ নামিয়ে রুমার বাঁ-পায়ের বুড়ো আঙুল দেখল। বলল, ‘তোর পায়ে কী হয়েছে?’

    রুমা গিয়াসের চোখে চোখ রেখে বলল, ‘উনি খুব অত্যাচার করতেন।’

    গিয়াস উঠে রুমার হাত খুলে দিল। হাতে সিগারেটের ছ্যাকা দেখে বলল, ‘এটা?’

    রুমা বলল, ‘উনি করতেন।’

    গিয়াস রুমার চুলের মুঠি ধরে বলল, ‘কেন করত? কী করতিস তুই?’

    রুমা বলল, ‘আমি কিছু করতাম না। এমনি মারতেন।’

    গিয়াস হিস হিস করে বলল, ‘তুই শালী সাদিকের বেশ্যা, আমাকে বোঝাচ্ছিস তুই কিছু করতিস না? বেশ্যাগিরি করতিস তাই তো? বেতমিজ আওরাত, তোর বর কী করে মারা গেছিল?’

    রুমা কাঁদতে শুরু করল। সজোরে কাঁদতে লাগল। গিয়াস রুমার গালে চড় কষিয়ে বলল, ‘বল কী করে মারা গেছিল?’

    রুমা বলল, ‘খুন হয়েছিল। কে নাকি ওর মাথায় হাতুড়ি মেরে খুন করে ছিল ওকে।’

    গিয়াস বলল, ‘কে মেরেছিল? আমি নামটা জানতে চাই।’

    রুমা বলল, ‘আমি জানি না। বিশ্বাস করুন।’

    গিয়াস বলল, ‘কী করতে পাঠিয়েছে তোকে র?’

    রুমা বলল, ‘সেটা কী?’

    গিয়াস কিছুক্ষণ একা একা দাপাল। রুমাকে আরও কয়েকটা চড় কষাল। কোনও লাভ হল না। রুমার পেট থেকে একটা কথাও বের করতে পারল না। তার ফোন বাজছিল। পকেট থেকে ফোন বের করে দেখল সাদিক ফোন করছে। সে ফোন তুলল, ‘বলো।’

    সাদিক নরম গলায় বলল, ‘জনাব, আমার খুব কাছের একজন আওরাতকে পাওয়া যাচ্ছে না। শুনলাম আপনি নাকি তাকে তুলে নিয়ে গেছেন। আমি কিন্তু খুব ভালো করে জানি সে নির্দোষ।’

    গিয়াস গালাগাল দিতে শুরু করল, ‘তোদের লজ্জা লাগে না? আমাদের কাছ থেকে এত ডলার নিচ্ছিস, আর এ দেশে বসে মেয়েবাজি করে যাচ্ছিস? এভাবে জিহাদ আসবে?’

    সাদিক বলল, ‘জনাব, ও মেয়ে খুবই ভালো মেয়ে। দুঃখী মেয়ে। আপনি ওকে কষ্ট দিয়েন না। আপনাকে আনন্দ দিবে। সাত দিন রেখে দেন। তারপরে না হয় ছেড়ে দেন। কিন্তু ওরে অত্যাচার করেন না। এদেশে ভালো মাইয়া পাওয়া যায় না, কোথায় সাকিনার মতো ভালো মাইয়া আছে?’

    গিয়াস বলল, ‘বুঝলাম। তার আগে বল আগের মেয়েটা কক্সবাজারে হারিয়ে গেছিল কী করে?’

    সাদিক বলল, ‘জনাব, আমার কথা শুনেন। ও মেয়েকে আটকায়া রাখা যাইত না। সব দিয়েছিলাম, তারপরেও অন্য দিকে যাওয়ার আসক্তি ছিল। পূর্ব পরিচিত এক ছেলের সঙ্গে এক ঘরে ছিল জনাব। আমি মাথা ঠিক রাখতে পারিনি, উড়ায় দিছিলাম। কিন্তু এ মেয়ে একবারে পবিত্র।’

    গিয়াস বলল, ‘পবিত্র?’

    সাদিক বলল, ‘জি জনাব।’

    গিয়াস বলল, ‘এক দিনের মধ্যে এ মেয়ের যেখানে বাড়ি, সেখানকার লোকেদের দিয়ে একে চিনিয়ে আনার ব্যবস্থা কর। লোকাল লোক যদি এই মেয়েটাকে চেনে, আমি ছেড়ে দেব। নইলে বাকিটা আমি বুঝব।’

    সাদিক বলল, ‘এটা একটা কথা জনাব? আমি এখনই দেখছি। কিন্তু আপনি সাকিনারে কষ্ট দিয়েন না।’

    গিয়াস ফোন কেটে দিল।

    রুমার গোটা শরীর যন্ত্রণায় জ্বলছে। সে শুধু একটা কথাই মনে করে চলেছে। গিয়াস দিব্যেন্দুর তুলনায় কিচ্ছু না।

    .

    ৩৩

    ট্রেনিং সেন্টারে জয়েন করে নির্মল হতাশ হয়ে বসে রইল। কোনও কাজ নেই। এখন নিউ ট্রেনিও নেই। একটা ঘরে সারাদিন একা একা বসে বাড়ি চলে যেতে হবে। মানুষ তো হতাশাতেই মরে যাবে এই ডিপার্টমেন্টে এসে! বোঝাই যাচ্ছে পানিশমেন্ট পোস্টিং এটা।

    কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থেকে নির্মল মোখলেসকে ফোন করল। মোখলেস বলল, ‘আপনারে সরায় দিসে শুনলাম। আনোয়ার স্যারের খবরের পর থেকে মাথা কাজ করতাসে না স্যার। পুরা আউলাইয়া গেছি। আমি কি করুম সার?’

    নির্মল বলল, ‘কী খবর ওদিকে?’

    মোখলেস বলল, ‘আজ তো মাল হেবি ব্যস্ত। তিনবার বাইরাইসে।’

    নির্মল বলল, ‘আর? কেউ এল?’

    মোখলেস বলল, ‘না। কেউ আসে নাই।’

    নির্মল বলল, ‘ঠিক আছে। নজর রাখো। ধরা পড়ে যেও না যেন।’

    মোখলেস হাসল, ‘নিশ্চিন্তে থাকেন স্যার।’

    ফোন রেখে নির্মল পায়চারি শুরু করল। সাদিকের উপর নজরদারি রাখা দরকার ছিল। কিছুই হল না। ট্রেনিং-এর বস রাসেল সাহেব পাশের চেম্বারে আছেন। জয়েনিং-এর সময় বলে দিয়েছেন সে কোথাও গেলে যেন তাকে বলে যায়। নির্মল দরজার ফাঁক থেকে দেখল রাসেল সাহেব ঘুমোচ্ছেন। এখানে হয়তো এটাই কাজ।

    সে কিছুক্ষণ এদিক সেদিক করে রাসেল সাহেবকে না বলে সেন্টার থেকে বেরিয়ে গেল। সি এন জি নিয়ে সরাসরি আয়কর দফতরে চলে গেল।

    আলম টেবিলেই ছিল। নির্মল ইশারা করে তাকে রাস্তায় ডেকে নিল। আলম বেরিয়ে আসতে অফিসের রাস্তার পাশের ছোট গলিতে ঢুকে এল।

    আলম এসে বলল, ‘কী হল দোস্ত? এত লুকিয়ে চুরিয়ে ডাকো কেন? এরকম লুকায় লুকায় দেখা করার কী হল?’

    নির্মল বলল, ‘অনেক কারণ আছে। আনোয়ার স্যারকে খুন করা হয়েছে শুনেছ তো?’

    আলম বলল, ‘হ্যাঁ।’

    নির্মল বলল, ‘আমার মনে হয় সাদিক শেখের কেসটার জন্য। আমার গাড়িতেও ইট মেরে আমাকে হুশিয়ারি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। আমার মনে হচ্ছে ভালো কোনও সমস্যা আছে। তুমি সাদিকের স্টেটমেন্ট বের করেছিলে। সেটা আছে?’

    আলম অবাক হয়ে বলল, ‘আরে কী হয়েছে শোন। আজকেই আমাকে অর্ডার দেওয়া হল সাদিকের ফাইল ঘাঁটার দরকার নেই। কুমিল্লায় কোনও এক ব্যবসায়ী আছে, তার প্রোফাইল পাঠিয়ে দিয়েছে। আমি তো এতক্ষণ ধরে এটাই ভাবছিলাম যে এ আবার কী হল?’

    নির্মল বলল, ‘মানে? তোমার কাছে এখন সাদিকের ফাইলের অ্যাক্সেস নেই?’

    আলম বলল, ‘তা থাকবে না কেন? এ কি আমেরিকা পাইসো ভাই? সব পাইয়া যাইব। কী লাগবো কী?’

    নির্মল বলল, ‘সব লাগবে। যা পাবে তাই। বিশেষ করে ফরেন ট্রানজাকশান। ওর ফাইল সব হোয়াইট। ওর কোথাও কোনও সমস্যা নেই। এর থেকে সন্দেহজনক আর কী হতে পারে?’

    আলম বলল, ‘ঠিক আছে। আমি ব্যবস্থা করে দেব। তুমি ভেবো না।’

    নির্মল বলল, ‘ভাবাভাবি বাদ দাও ভাই, তুমি যে এটা করছ, কাউকে ঘুণাক্ষরেও বোল না। এখানে সব জায়গায় ওদের লোক সাজানো আছে। ভীষণ কনফিডেন্সিয়ালি এগোতে হবে আমাদের।’

    আলম বলল, ‘ঠিক আছে। তুমি ভেবো না।’

    নির্মল বলল, ‘আমি যাই। তুমি মাথায় রেখো।’

    আলম বলল, ‘ঠিক আছে। যাও।’

    অফিসে ফিরে এসে নির্মল দেখল রাসেল সাহেব থমথমে মুখে দাঁড়িয়ে আছেন। তাকে দেখে বললেন, ‘কোথায় গেছিলে?’

    নির্মল বলল, ‘বাসায় গেছিলাম স্যার। ভাবলাম গ্যাস বন্ধ করতে ভুলে গিয়েছে । তাই চেক করতে গেছিলাম।’

    রাসেল বললেন, ‘আমি কিন্তু তোমাকে বলেছিলাম কোথাও গেলে আমাকে বলে যেতে। বলেছিলাম না?’

    নির্মল বলল, ‘জি স্যার। আর হবে না।’

    রাসেল বললেন, ‘তোমার বাসায় তোমার স্ত্রী ছিল না? তাকে ফোন করে জিগ্যেস করে নিলেই তো হতো।’

    নির্মল বলল, ‘না স্যার, ওর আত্মীয়রা এসেছে, ও এখন নেই।’

    রাসেল বললেন, ‘তুমি চাকরি করতে এসেছ। যথেষ্ট সিনিয়র অফিসার। তোমাকে এখন অফিস ডেকরাম শেখানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। আশা করব, ভবিষ্যতে তুমি আমাকে জানিয়ে যাবে।’

    নির্মল মাথা নাড়ল, ‘জি স্যার।’

    রাসেলের থেকে ছাড়া পেয়ে চেম্বারে এসে বসল সে। মোবাইলে মোখলেস ছবি পাঠিয়েছে। সাদিকের বাড়ি থেকে গাড়িটা বেরিয়েছে।

    নির্মল গাড়ির নাম্বার দিয়ে সার্চ করল। সাদিকের নামেই এ গাড়িটার রেজিস্ট্রেশন করা আছে। সাদিক এটা নিয়ে কী করছে? এ গাড়িটা নিয়ে তো কোনও দিন বাইরে যায়নি!

    নির্মল চিন্তিত মুখে বসে রইল। মোখলেস আবার ফোন করছে। ধরল সে, ‘হ্যাঁ বল।’

    ‘সার, আমাদের মিয়াঁর পুরান ঢাকায় একটা বাড়ি আছে। ওখানে মেয়ে পোষে।’

    ‘জানি এটা। নতুন কিছু বল।’

    ‘একটা ডেরাইভার এখানে চা খায়। কথা শুনে বুঝলাম মাইয়াটারে কোথায় নাকি লইয়া গেছে।’

    ‘গুড। কোথায় নিয়ে গেছে?’

    ‘জানি না সার। এদের চলা ফেরা দেখলে কিছু বোঝন যায় না।’

    ‘কিছুই বোঝা যায় না?’

    ‘না সার। খুব ব্যস্ত আর সিরিয়াস। সবাই খুব দৌড়াইতাসে।’

    ‘ঠিক আছে। গুড জব।’

    ফোন রেখে নির্মল সাদিকের পুরান ঢাকার ঠিকানাটা বের করল। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলতে হল। ছুটির এখনও কত সময় বাকি!

    .

    ৩৪

    রাত আটটা। বাইকটা বড় রাস্তায় রেখে মোখলেসের দেওয়া ঠিকানা খুঁজতে খুঁজতে বাড়িটার সামনে এসে দাঁড়িয়ে চারপাশ দেখছিল। এর মধ্যে ফোন বেজে উঠল তার। সোবাহান ফোন করছেন। ভ্রু কুঁচকে সেটার দিকে তাকিয়ে ধরল সে, ‘জি জনাব।’

    সোবাহান বললেন, ‘আরে, আমি তোমার খবর নেওয়ার জন্য ফোন করছিলাম। সারাদিন ধরেই ভাবছিলাম তোমার খোঁজ নেই, কিন্তু সময় পাইনি, এত কাজের চাপ। তারপর বলো, নতুন ডিপার্টমেন্ট কেমন লাগছে?’

    নির্মল বলল, ‘ভালো স্যার।’

    সোবাহান বললেন, ‘কোনও সমস্যা নেই, তাই না?’

    নির্মল বলল, ‘না, স্যার, ঠিক আছে।’

    সোবাহান বললেন, ‘নির্মল, আমায় একটা কথা বলো, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে যদি কোনও অফিসার কাজ করে, তাহলে কি আমার চুপ করে থাকা উচিত?’

    নির্মল বুঝল সোবাহান কেন ফোন করছেন। সে বলল, ‘বুঝলাম না স্যার।’

    সোবাহান বললেন, ‘না মানে এক অফিসার আছে, আমি দেখছি সে বড় বাড়াবাড়ি শুরু করেছে, অতিসক্রিয়তা দেখাচ্ছে। আমার না এই অতিসক্রিয় মানুষদের একদম পছন্দ না বুঝলে না? কে জানে কখন রিমান্ডে নিয়ে নিতে হয়। ভালো লাগে না রে ভাই, সব সময় এত জটিলতা ভালো লাগে না। যাই হোক, তুমি ঠিক করে কাজ করো, ডিপার্টমেন্টের নাম উজ্জ্বল করো। রাখি বুঝলে?’

    নির্মলের কান মাথা জ্বলছিল। সে বলল, ‘জি স্যার।’

    সোবাহান ফোন কেটে দিলেন। নির্মল আলমকে ফোন করল, আলম একবারেই ধরল, ‘বল দোস্তো। কেন ফোন দিলা?’

    নির্মল বলল, ‘কেন আর দেব? খোঁজ পেলে কিছু?’

    আলম বলল, ‘এত তাড়াতাড়ি হবে না। অফিসে এখনও অনেকে আছে। আরেকটু রাতের দিকে দেখছি। তুমি যে কাবাবের খোঁজ করতাস, ওইটা খাইতে অনেক দূর যাইতে হইব।’

    নির্মল বলল, ‘ঠিক আছে। জানিও।’

    ফোন রাখার পর নির্মল কয়েকমুহূর্ত ভাবল। আলম কি সন্দেহ করছে তাদের ফোন ট্যাপ হচ্ছে? ট্যাপ না হবার তো কিছু নেই। বরং তারই সতর্ক হওয়া উচিত ছিল সোবাহানের সঙ্গে কথা বলার পরে।

    মোখলেসের দেওয়া ঠিকানার বাড়ির সামনে আবার কিছুক্ষণ ঘুরে, চারপাশ দেখে নিয়ে দরজায় নক করল নির্মল।

    জরিনা দরজা খুলল, ‘জি, বলেন।’

    নির্মল বলল, ‘সাদিক সাহেব আছেন?’

    জরিনা নির্মলের দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে বলল, ‘জি উনি তো এখানে থাকেন না’!

    নির্মল মুখে বিস্মিতভাব ফুটিয়ে বলল, ‘সে কী? উনি তো আমাকে এখানে আসতে বলেছিলেন।’

    জরিনা বলল, ‘ঠিক আছে, আপনি বসেন, আমি দেখছি।’

    নির্মলকে সামনের ঘরে বসিয়ে জরিনা ভেতরের ঘরে গেল।

    রঙচটা একটা বিছানার চাদর খাটে পাতা। একটা প্লাস্টিকের চেয়ার। টিভি চলছে। চটুল বলিউডি গান চলছে টিভিতে। ভেতরের ঘরে যাবার দরজাটা ভেজানো। নির্মল দরজা ঠেলতেই খুলে গেল। বাড়ির মাঝে বড় একটা বারান্দা ঘিরে চারটে দরজা। কোথাও কেউ নেই। জরিনা কোথায় গেল?

    ‘কী চাই?’

    একটা লম্বামতো লোক কখন পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে দেখতে পায়নি নির্মল। ঘুরে দাঁড়াতেই লোকটার সামনে পড়ে গেল সে। অপ্রস্তুত না হয়ে বলল, ‘সাদিক এখানে আসতে বলেছিলেন।’

    লোকটা সন্দিগ্ধ মুখে তাকে দেখে বলল, ‘না। এখানে কারো আসার কথা নাই।’

    নির্মল বলল, ‘ফোন করেন। দেখেন।’

    ফোন বের করতে যেতেই নির্মল লোকটাকে জোরে ঠেলে ফেলে দিল। লোকটা খাটের উপর পড়ল। নির্মল পালাতে গেলেই লোকটা ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে ধরল। নির্মল লোকটাকে সামলাতে যাবার আগে আরেকজন দরজা খুলে ভেতরে ঢুকল। নির্মল কিছুক্ষণ দুজনের সঙ্গে লড়লেও অসম লড়াইয়ে তাকে অচিরেই পরাস্ত হতে হল। নির্মলকে মাঝের বারান্দায় বাঁধা হল।

    দ্বিতীয় পুরুষটি চিৎকার করল, ‘জরিনা? এই জরিনা।’

    জরিনা ছুটে এল, ‘হ ভাইজান।’

    ‘কোথায় থাকস? বাইরে থিক্যা লোক ঢুইকা যায় ভিতর? কী করস তোরা?’

    জরিনা বলল, ‘আমি কী করুম? কইসিল সাদিক সাহেবরে চেনে।’

    লোকটা ছুটে গিয়ে জরিনাকে জোরে একটা চড় কষাল। মেয়েগুলোর মধ্যে একজন বলল, ‘একী জব্বার ভাই, ওরে মারো ক্যান?’

    জব্বার বলল, ‘মারুম না? আমি কী বলসিলাম? কাউরে ঢুকতে দিবি না? বলসিলাম?’

    নির্মলের পিঠে ব্যথা করছিল। তার হাত-পা বাঁধা হয়েছে। গা হাত পা ব্যথা করছে। হাত-পা বাঁধা না-হলে সে লড়াই করার জায়গায় থাকত।

    খায়রুল বাইরে থেকে এসে নির্মলের দিকে ঝুঁকে বলল, ‘সত্যি করে বল। তুই কে? নইলে আজ এইখান দিয়ে তুই বাইচা ফিরতে পারবি না।’

    নির্মল দুজনের দিকে তাকিয়ে হাসল, ‘আটকে রাখিস না। সমস্যায় পড়বি। খোল।’

    নির্মলকে নির্লিপ্ত থাকতে দেখে দুজনে অবাক হল এবার। দুজন পরস্পরের দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ইশারা করে বাইরে বেরিয়ে গেল।

    জরিনা তাড়াতাড়ি নির্মলের কানের কাছে এসে বলল, ‘সাকিনা আপুর কোনও খবর আছে? আপনারে কি উনি পাঠাইসে?’

    নির্মল অবাক হয়ে জরিনার দিকে তাকাল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }