Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ২৫

    ২৫

    মন্ত্রণালয়ের ওয়েটিং রুমে বসে আছে নির্মল। আনোয়ার সাহেব ফোনে ব্যস্ত।

    মামাবাড়ির লোকেদের নিয়ে চট্টগ্রাম গেছে দীপা। মেসেজ করে জানিয়েছে। এর পর কতদিন কথা বলবে না, কে জানে। বাড়ি গেলে বার বার তাকে জিগ্যেস করেছে যাবে নাকি। নির্মল ছুটি পায়নি বলায় খুব রাগারাগি করেছে। নির্মল হাল ছেড়ে দিয়েছে। কাঁহাতক আর বোঝানো যায়।

    ফোনে সাদিকের বাড়ির এন্ট্রির সিসিটিভির লাইভ ফুটেজ দেখছিল নির্মল। কেউ নেই আপাতত। কাসেম একবার বেরিয়েছিল। কিছুক্ষণ পরে ঢুকে গেছে। বাইরে থেকে অন্য কারো গাড়ি আসেনি সারাদিনে। এত ঘটনাহীনতাই অবাক করছে। সব কিছু কেমন অদ্ভুতভাবে শান্ত। এত শান্ত কেন হবে? ভ্রু কুঁচকে ভাবার চেষ্টা করছিল।

    মন্ত্রীর পি এ এসে বলল, ‘ভেতরে যান।’

    আনোয়ার ফোন রেখে নির্মলকে ব্যস্ত গলায় বললেন, ‘চলো, চলো।’

    ফিরোজ হাসান ফোন করছিলেন। তারা ঘরে ঢুকতে ইশারায় বসতে বললেন। বেশ কিছুক্ষণ ফোনে কথা বলার পর ফোন রাখলেন মন্ত্রী। আনোয়ার আলির দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘বলুন।’

    আনোয়ার বললেন, ‘সাদিক শেখের প্রচুর বিদেশী মুদ্রা বিনিময়ে যোগ পাওয়া গেছে। লেনদেনের নথির কোনও ঠিক নেই।’

    ফিরোজ বিরক্ত গলায় বললেন, ‘মানে? তিনি একজন গণ্যমান্য ব্যবসায়ী। দেশের সম্পদ। বিদেশি খুনিদের থেকে আপনার তার দিকেই চোখ পড়ল? আমি শুনেছি সব বাইরের বুলেট পাওয়া গেছে। সাদিক কী করবে এখানে?’

    নির্মল বলল, ‘সাদিককে ঠিক লাগছে না জনাব। ওর অনেক সমস্যা আছে।’

    ফিরোজ নির্মলের দিকে তাকালেন, ‘বাংলাদেশের ইয়ং ম্যানেদের এই হল সমস্যা। কী নাম আপনার?’

    নির্মল নাম বলল।

    ফিরোজ বললেন, ‘ও, সংখ্যালঘু? এই তো। আপনারা হলেন আমাদের দেশের পোস্টার বয়। ওসব দেখলে হবে না। প্রায় সব ব্যবসায়ীরই এসব আছে। তার সঙ্গে অপরাধজগতের কিছু নাই মিয়াঁ। ভাববেন না। এত সবকিছু নিয়ে ভাবার কোনও দরকার নেই।’

    নির্মল কুঁকড়ে গেল একটু। এই ধর্মের জায়গাটা এলে সে বরাবর কুঁকড়ে যায়। এবারেও সমস্যাটা হল। ‘ওকে জনাব।’

    ফিরোজ আনোয়ারকে বললেন, ‘আপনি সাদিককে জ্বালাতন করবেন না। জ্বালাতন করার মতো ছেলে সাদিক না। ওকে ওর কাজ করতে দিন।’

    আনোয়ার বললেন, ‘জি জনাব।’

    মন্ত্রীর চেম্বার থেকে বেরিয়ে আনোয়ার বললেন, ‘মন খারাপ কোরো না নির্মল। মন্ত্রীরা আজ আছে, কাল নেই। তুমি থাকবে, তোমার কাজ থাকবে। যারা ধর্ম দিয়ে মানুষকে ভাগ করে, তাদের আসলে চোখ বন্ধ থাকে। তুমি তোমার কাজটা করে যাও।’

    নির্মল বলল, ‘সাদিকের সারভেইলেইন্সটা করে যাব?’

    আনোয়ার বললেন, ‘হ্যাঁ।’

    গাড়ি অবধি যাওয়ার আগে মন্ত্রীর পি এ ছুটে এসে আনোয়ারকে বললেন, ‘স্যার আপনাকে ডাকছেন।’

    আনোয়ার বললেন, ‘আবার কী হল? চলো দেখি।’

    পি এ বলল, ‘শুধু আপনাকে স্যার।’

    নির্মল গাড়িতে বসল। আনোয়ার কিছুক্ষণ পর গম্ভীরমুখে বেরিয়ে ড্রাইভারকে বললেন, ‘চলো।’

    ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট করলেন। আনোয়ার গলা খাকড়িয়ে বললেন, ‘নির্মল, মন্ত্রী বলছেন তোমাকে এই কেসটায় এখন রাখা যাবে না। সেনসিটিভ ব্যাপার। আপাতত ছ মাস তুমি পুলিশ ট্রেনিং ইন্সটিটিউটটা দেখো। আমি সময়মতো আবার তোমাকে ডেকে নেব।’

    নির্মল বলল, ‘ওকে স্যার। আপনি যেমন বলবেন।’

    সে মোটেইই অবাক হয়নি। এ ধরনের কিছু না হলেই বরং সে বেশি অবাক হতো। ভালোই হল। এবার দীপার মামার ফ্যামিলির সঙ্গে নিশ্চিন্তে দেশ ঘোরা যাবে।

    .

    ফ্ল্যাটে ফিরে নির্মল জুতো খুলে সোফায় চুপ করে বসে রইল।

    এ যেন একপ্রকার গলা ধাক্কা দিয়ে দিল তাকে। দুহাতে মুখ ঢেকে বসে রইল সে।

    মোবাইলটা সামনে পড়ে আছে। এ ক’দিন সাদিকের বাড়ির সামনের সিসিটিভিগুলো দেখা অভ্যাস হয়ে গেছিল। সে অভ্যাসবশতই ফোনটা হাতে নিয়ে অ্যাপ খুলল।

    রাত বারোটা এখন। সাদিকের বাড়িতে একটা কালো সেডান ঢুকে গেল।

    নির্মল মোখলেশকে ফোন করল। সাদিকের বাড়ির সামনের ফুটপাথে মোখলেশ শোয়। মোখলেশের ফোন বেজে গেল। পরপর তিনবার চেষ্টার পর ফোন ধরল, ‘জি স্যার।’

    ‘কোথায় ছিলে?’

    ‘ঘুমায় পড়সিলাম সার। বলেন।’

    ‘একটা বড় গাড়ি ঢুকল। দেখেছ?’

    ‘না সার। দেখা হয় নাই।’

    বিরক্তিতে ফোন ছুঁড়ে মারল নির্মল।

    .

    ২৬

    ‘আমরা এখন কী করব?’ রাণা প্রশ্ন করল।

    অপরিসর অপরিচ্ছন্ন একটা ঘর। ঢাকার ভেতরেই। রাজশাহীর ট্রেনে খানিকটা গিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে এসেছে অমল। আপাতত সেখানে আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। অমল সিম বের করে রেখেছে ফোনের।

    রাণার প্রশ্নের উত্তরে অমল চিন্তিতগলায় বলল, ‘সাদিক আমার অনেকদিনের টার্গেট। তিলে তিলে রুমানের কভার তৈরি করেছি আমি। সাদিকের কাছে আমাকে যেতেই হবে।’

    রাণা বলল, ‘পুলিশ ফ্ল্যাটের হদিশ পেয়ে গেছে যে?’

    অমল বলল, ‘সেটা অন্য কারণেও হতে পারে। হতে পারে ওরা সাদিকের দলের সবার বাড়িতেই যাচ্ছে। আমরা তো চলে এসেছি। কেন গেছিল তা এখনও ক্লিয়ার না। সাদিককে ফোন করতে হবে।’

    রাণা বলল, ‘কখন করবেন?’

    অমল বলল, ‘দেখছি কখন করা যায়। অবশ্য ফোন ট্যাপ হবে। অন্য পথ লাগবে।’

    রাণা বলল, ‘অন্য পথ?’

    অমল চোখ বন্ধ করল, ‘একটু ভাবি। ভাবতে দাও।’

    রাণার বিরক্ত লাগছে। মনে হচ্ছে কী কুক্ষণে যে ওই লোকটার কথা শুনে সে ঢাকায় আসতে গেছিল? দিব্যি চলছিল সব কিছু।

    অন্য একটা অস্বস্তিও হচ্ছে তার। সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে অমলের সমস্যা বাড়িয়েছে সে, আসগরকে সরিয়ে দিয়ে। কিন্তু ঠিক কী করত সে? আসগরকে দেখলেই রাগ হচ্ছিল। অদ্ভুত নির্লিপ্ত টাইপের লোক, যে কুয়ালালামপুরে তাকে ওরকম একটা পরিস্থিতিতে ফেলে মজা দেখছিল। হয়তো সেটাও সাদিকের নির্দেশেই করেছিল, কিন্তু কিছুতেই আসগরের উপর থেকে রাগটা সরছিল না তার। কোনও কোনও মানুষের উপর কারণ ছাড়াই ভীষণ রাগ হয়। আসগর সেরকম একটা লোক। সমাজের ময়লা বললে কি ময়লারও অপমান হয়? ট্রাফিকিং-এর সঙ্গেও তো যুক্ত থাকে সাদিক, আসগরও নিশ্চয়ই যুক্ত ছিল। বেশ করেছে সে! যা করেছে, ঠিক করেছে।

    অমল চোখ খুলল, ‘চুপ করে বসে থাকলে হবে না রাণা। আমাদের কাজে নামতে হবে। তার আগে সাদিকের কাছে যেতে হবে। রাত হলে বেরোতে হবে। এখন ক’টা বাজে?’ অমল ঘড়ি দেখে বলল, ‘আর আধঘণ্টা। তারপর বেরোব। ওকে?’

    রাণা ঘাড় নাড়ল। বুঝতে পারছিল অমল ছটফট করছে। ওর মাথার মধ্যে এখন কী চলছে? রাণা কী করত অমলের জায়গায় থাকলে? দেশে পালাত? কী আশ্চর্য! শুরুতেই পালানোর কথা মনে হল কেন? অমলরা নিশ্চয়ই পালায় না? এসব সিচুয়েশনে কাজ করতে হয় ওদের।

    নিজের মনেই হাসল রাণা। উস্তাদ লোকটা তাকে কেন এ কাজে পাঠাল? লোকটা শুধু অমলকে মারতেই পাঠিয়েছে। এখানকার কোনও কাজ যে তাকে দিয়ে হবে না, উস্তাদ সেটা খুব ভালো করেই জানে। সে রগচটা, রাগী, এ কথা লোকটা জানে না, হতে পারে না।

    সম্ভবত অমলকে মারার পর অন্য খেলা শুরু হতে পারে। তাকে ধরিয়েও দিতে পারে উস্তাদ! উফ, কী বাজে একটা কাজে ফেঁসে গেল। প্রাণপণে মাথা ঠান্ডা করার চেষ্টা করতে শুরু করল রাণা। এই পরিস্থিতিতে কয়েকটা দিন আন্ডারগ্রাউন্ড হলে পুলিশ বা ব়্যাবের ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। অমল সাদিককে হাতছাড়া করতে চাইবে না। গা ঢাকা দেবে না। কী করবে তবে?

    শিকারের কাছে বেশি দিন থাকলে দুর্বল হবার মানসিকতা তার কোনকালেই ছিল না। তবু উস্তাদের আদেশ মেনে অমলকে ওড়ানোর চিন্তাটা তার মাথাতে কিছুতেই আসছে না। কোনও কোনও লোক থাকে, যাদের সঙ্গে থাকলে বা কথা বললে বোঝা যায় তারা আদতে ক্ষতি করার লোক নয়। তার ষষ্ঠেন্দ্রিয় তাকে বলছে অমল খারাপ কাজ করতে পারে না। যদি খারাপ কাজ করত, তাহলে কি কিছুই বোঝা যেত না? কিন্তু সেদিন রাতে অমল বেরিয়েছিল…কেন? জিগ্যেস করবে? থাক।

    আধঘণ্টা কেটে গেল। অমল উঠে দাঁড়াল, ‘চলো। বেরোন যাক।’

    রাণা বলল, ‘এখন?’

    অমল মাথা নাড়ল, ‘কিছু করার নেই। ঘরে বসে থাকলে চলবে না। কাজ বন্ধ থাকলে বিপদ বাড়বে। চলো।’

    .

    ২৭

    সন্ধে নেমেছে।

    বৃষ্টি পড়ছে। জানলায় চোখ রেখে চুপ করে বসেছিল রুমা। আজকাল অদ্ভুত একটা অস্বস্তি হয়। বুকটা হঠাৎ করেই কেমন করে ওঠে। ঘুমের ঘোরে আতঙ্ক আসে। অদ্ভুত সব দুঃস্বপ্ন আসতে শুরু করে।

    এই ভয়টা কোত্থেকে আসে সে জানে না। তবে এলে শরীর খারাপ লাগে।

    ‘সাহেব আইসে।’

    জরিনা নিচুগলায় বলে গেল। রুমা সামলে বসল। সাদিক চিন্তিত মুখে ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে খাটে বসল, ‘কেমন আছ তুমি?’

    রুমা বলল, ‘ভালো। আপনি?’

    সাদিক মাথা নাড়ল, ‘একবারেই ভালো নাই। আসগরের কথা শুনছ?’

    রুমা ঘাড় নাড়ল, ‘হ্যাঁ। শুনছি।’

    সাদিক বলল, ‘বুঝতে পারতাস কেমন ভয়ের কাজ করি? আজ আছি, কাল কখন আজরাইল চইলা আইব, কেউ জানি না।’

    রুমা সাদিকের দিকে ভালো করে দেখল। চোখের তলায় কালি পড়েছে। বোঝা যাচ্ছে, সাদিক বেশ টেনশনে আছে। সে বলল, ‘বুঝছি। আপনি একটু শান্ত হন।’

    সাদিকের ফোন বাজতে শুরু করল। সাদিক ফোন ধরল, ‘কী হইল?…হ…বুঝছি…ব়্যাব নজর দিছে? ঠিক আছে। দেখা যাব।’

    ফোন রেখে সাদিক ঘামতে শুরু করল। রুমা বলল, ‘কী হইল?’

    সাদিক বলল, ‘ব়্যাবের কয়েকটা লোক ঘুরতেছে। কী চায় বুঝছি না।’

    রুমা বলল, ‘কেউ নাই? আপনি তো অনেকরে চেনেন।’

    সাদিক বলল, ‘চিনলে হবে? তুমি বুঝবা না। কতজন যে কত ধান্দায় ঘুরতাছে, সবার আলাদা আলাদা ধান্দা। আমি বুঝতাছি না কী করুম।’

    রুমা বলল, ‘আপনার লগে একখান কাগজ ছিল। দিমু?’

    সাদিক খানিকটা চমকাল, ‘কে দিছে?’

    রুমা খাটের তোশকের তলা থেকে একটা কাগজ বের করে সাদিকের হাতে দিল। একটা চিরকুটে লেখা, ‘ফ্ল্যাটে পুলিশ এসেছিল। আমরা দুজন সাইডে থাকলাম। কাগজ ছিঁড়ে দেবেন। খোদা হাফেজ।’

    সাদিক রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘রুমান আইছিল?’

    রুমা বলল, ‘আনোয়াররে দিয়া পাঠাইছে।’

    সাদিক বলল, ‘ওর ফ্ল্যাটেও পুলিশ চলে গেছে?’

    রুমা বোঝার চেষ্টা করছিল, সাদিক অমলের ব্যাপারে কী ভাবছে। সে বলল, ‘আপনার কাছের লোক বলে পুলিশ গেছে?’

    সাদিক টাওয়েল নিয়ে মুখে জমে থাকা ঘাম মুছল, ‘পুলিশ তো না, তুমি বোঝো না, বললাম তো। পুলিশ না। ব়্যাব গেছে।’

    রুমা বলল, ‘আপনি টেনশন করেন ক্যান?’

    সাদিক বলল, ‘কারণ আছে। বুঝবা না।’

    রুমা রাগের ভান করল, ‘আপনি শুধু কন বুঝবা না, বুঝবা না, আপনি বোঝায়ে দেখেন না।’

    সাদিক মাথা নাড়ল, ‘তোমার বুইঝা কাম নাই। কামিজ খোল।’

    রুমা নগ্ন হল। সাদিক রুমাকে জড়িয়ে ধরে বসে রইল কিছুক্ষণ। রুমার বুকে মাথা গুঁজে বলল, ‘মাথায় হাত বুলায়ে দাও।’

    রুমা অবাক হল। তবে সাদিকের মাথায় হাত বোলাতে শুরু করল। সাদিক বলল, ‘খুব চিন্তা গো সাকিনা, খুব চিন্তা।’

    রুমা বলল, ‘কোথাও চইলা যাওন যায় না?’

    সাদিক সোজা হয়ে বসল, ‘এইটা তুমি ভাইবা বললা?’

    রুমা বলল, ‘না। এমনিই মনে হইল।’

    সাদিক বলল, ‘আমার মাথায় আসে নাই জানো। কথাটা খারাপ কও নাই। মাঝে মাঝে মাইয়া মাইনষের বুদ্ধিও নেওন লাগে। আমি দু-দিন দুবাই ঘুরতে যাইতেই পারি। কে কী কইব? তুমি যাবা আমার লগে?’

    রুমা বিস্মিত হল, ‘আমারে নেবেন আপনি?

    সাদিক বলল, ‘হ। আমার আর ভাল্লাগে না কিছু। একা একা কই যামু? তুমি আমার লগে যাবা। আমি ব্যবস্থা করতাসি।’

    রুমা বলল, ‘কবে যাবেন?’

    সাদিক বলল, ‘কালই যামু। সব ঠিক কইরা ফেলুম, তুমি ভাইব না।’

    রুমা বলল, ‘ভাবি যাবে না?’

    সাদিক জোরে জোরে মাথা নাড়ল, ‘না। ও থাকবে। ও গেলে ওগো সন্দ হইবে।’

    রুমা বলল, ‘কাগো সন্দ হইবে?’

    সাদিক বলল, ‘আছে। তুমি বুঝবা না। আমি যাই। ব্যবস্থা করি।’

    ঝড়ের মতো বেরিয়ে গেল সাদিক।

    রুমা কামিজ পরে নিল। বাইরে গিয়ে দেখল জরিনা টিভি দেখছে। সে বলল, ‘চল। বাজার যামু।’

    জরিনা অবাক হল, ‘এখন যাবা?’

    রুমা বলল, ‘হ। কাম আছে। চল।’

    জরিনা উঠল, ‘চলো।’

    দুজনে বেরোল। গলিটা অন্ধকার। রুমা খানিকটা যাওয়ার পর থমকে দাঁড়াল। পেছনে কেউ আসছে। সে ঘাড় ঘোরাল। কেউ নেই। জরিনাকে বলল, ‘কে রে?’

    জরিনা ভয় পেয়ে রুমার হাত চেপে ধরল। রুমা চিৎকার করল, ‘কে ওখানে?’

    অন্ধকার চিরে একটা ছায়ামূর্তি এগিয়ে আসতে শুরু করল। রুমা জোর পায়ে আলোর দিকে হাঁটতে শুরু করল।

    ভিড়ের মধ্যে পৌঁছে দেখল মূর্তিটা আর ফলো করছে না।

    জরিনা কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, ‘ভয় লাগে আপা।’

    অন্য সময় হলে রুমা ভয় পেত না। এখন হঠাৎ করেই একটা অস্বস্তি হল। তার পরিচয় যদি বেরিয়ে যায়, তাহলে কি ওরা তাকে বাঁচিয়ে রাখবে?

    .

    ২৮

    নির্মল বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিল। ফোনের শব্দে ঘুম ভাঙল, কোনমতে ফোন ধরল, ‘হ্যালো।’

    ‘তুই কোথায়?’ সোহানের উত্তেজিত গলা ভেসে এল।

    নির্মল বলল, ‘কেন?’

    ‘আনোয়ার স্যার খুন হয়েছেন।’

    ‘মানে?’

    ‘মর্নিং ওয়াক করতে বেরিয়েছিলেন। সেখানেই কেউ শ্যুট করেছে। ওখানেই স্পট।’

    ফোন কেটে দিল নির্মল। মাথা কাজ করছে না। আনোয়ার স্যার কি সাদিকের ব্যাপারে কাউকে কিছু বলেছিলেন? ওরা কি তার ব্যাপারেও কিছু জেনে গেছে?

    তাড়াতাড়ি তৈরি হয়ে নিল সে। আনোয়ার স্যার তার বাবার মতো। সব সময় আগলে রাখতেন। এমন লোক হঠাৎ করে নেই হয়ে যাওয়া একটা বিরাট ধাক্কা। বাইক না নিয়ে যাওয়াই ঠিক করল। গাড়ি বের করল। মাথা পুরো ফাঁকা হয়ে গেছে। ড্রাইভ করতে গিয়ে পা কাঁপছে। গাড়ি চালাতে চালাতে চারদিকে দেখে নিল। কেউ ফলো করছে নাকি বোঝা যাচ্ছে না। আনোয়ার আলিকে মেরে দিল? অবিশ্বাস্য এবং অভাবনীয়!

    স্যারের বাড়ির সামনে বেশ কয়েকটা গাড়ি দাঁড়িয়ে। খানিক দূরে গাড়ি পার্ক করে বাড়ির ভেতর ঢুকল সে। থমথমে হয়ে আছে গোটা বাড়ি। বডি শোয়ানো। ম্যাডাম পাথরের মতো বসে আছেন। দু’চোখে জলের ছিটেফোঁটাও নেই। সোহান বলল, ‘তুই ঘুমোচ্ছিলি?’

    নির্মল বলল, ‘হ্যাঁ। বডি পোস্ট মর্টেমে কখন যাবে?’

    ‘এখনই। এই রে, সোবাহান স্যার তোকে ডাকছে কেন?’

    নির্মল দেখল সত্যি সত্যিই সোবাহান স্যার হাত নেড়ে তাকে বাড়ির বাইরে যেতে ইশারা করছেন। সে বেরিয়ে গেল। সোবাহান এসে বললেন, ‘কী ভীষণ আনফরচুনেট না?’

    নির্মল মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    সোবাহান বললেন, ‘কাল রাতেও কথা হল। তোমার ব্যাপারে মিনিস্টার স্যারের অর্ডারটাও বললেন। বলছিলেন নির্মলের সঙ্গে ব্যাপারটা ঠিক হল না।’

    নির্মল বলল, ‘ইটস ওকে স্যার। যেমন অর্ডার আসবে, মানতে তো হবেই।’

    সোবাহান বললেন, ‘হ্যাঁ। সেটাই। তুমি আজকেই জয়েন করে যেও। আমাদের অফিসে তোমার অ্যাক্সেসটা বন্ধ করার অর্ডার আছে। আমার কিছু করার নেই বুঝলে তো? উপর মহলের অর্ডার, আমি কী করতে পারি বল? আনোয়ার স্যারও থাকলেন না, ওর দায়িত্বটা আমাকেই নিতে হবে। সমস্যা বেড়ে গেল।’ সোবাহান দুঃখি মুখ করার চেষ্টা করলেন। তিনি যে বিন্দুমাত্র দুঃখিত না, তা দিব্যি বোঝা গেল।

    নির্মল বলল, ‘ঠিক আছে স্যার। যেমন বলবেন, তেমনই হবে।’

    সোবাহান নির্মলের কাঁধে হাত দিয়ে বললেন, ‘অনেক দায়িত্ব বেড়ে গেল আমার। আমি চেষ্টা করছি তোমাকে অফিসে ফিরিয়ে আনার। ভেবো না তুমি। মন খারাপ কোরো না। যেভাবে কাজ করছিলে সেভাবেই করো। তোমার সার্ভিস রিভলভার অফিসে জমা দিয়ে দিও।’

    নির্মলের মুখটা তেতো হয়ে যাচ্ছিল। সোবাহানকে সে কোনকালেই পছন্দ করে না। মিষ্টি মুখের আড়ালে এভাবেই ছুরি চালায়। ইচ্ছে ছিল আরও কিছুক্ষণ আনোয়ার স্যারের মৃতদেহের কাছে থাকে, কিন্তু সোবাহানের মতো লোক থাকলে সেখানে থাকা সম্ভব না। সে ঠিক করল বাসায় ফিরে যাবে।

    হাঁটতে শুরু করল। অনেক লোক আসছে। পাড়ার কৌতূহলী লোকের ভিড়ও বাড়ছে।

    গাড়ির সামনে এসে নির্মল দাঁড়িয়ে পড়ল। গাড়ির পেছনের কাচে কেউ ইট মেরে গেছে। কাচের অনেকটা অংশ ভেঙে গেছে।

    ফোন বাজছে। দীপা ফোন করছে। ধরল সে, ‘বল।’

    ‘কী গো, কী হয়েছে? আনোয়ার স্যার নাকি খুন হয়েছেন?’

    ‘হুঁ। এখানেই আছি।’

    ‘তুমি ঠিক আছ তো? কোথায় ছিলে তুমি?’

    ‘ঘুমোচ্ছিলাম। বাসায় ছিলাম।’

    ‘আমি ফিরছি। আজকেই চলে আসছি।’

    ‘আসতে হবে না। ভেবো না। তোমরা ঘোর। চিন্তা করতে হবে না।’

    ‘চিন্তা করতে হবে না মানে? আমি চিন্তা করব না তো কে করবে? তোমার চিন্তা করার নতুন লোক হয়েছে নাকি?’

    ‘আমি স্যারের বাসায় আছি। পরে কথা বলছি। ফিরতে হবে না। অসুবিধা নেই।’

    ‘ঠিক তো?’

    ‘হ্যাঁ। ঠিক আছি। রাখলাম।’

    ফোন কেটে নির্মল গাড়ির কাচ দেখল। আশেপাশে কেউ নেই। শ্বাস ছাড়ল। কেউ কি লোক লাগাল তার পেছনে?

    .

    ২৯

    লতিফ চৌধুরী তার ঘরে পায়চারি করছে। মাঝে মাঝেই দাড়িতে হাত বুলোচ্ছে। লতিফের বয়স পঁচাত্তর পেরিয়েছে, তবু চেহারায় এখনও যথেষ্ট শক্তি আছে। ছেলে সফিক একটু দূরত্ব রেখে দাঁড়িয়ে আছে। আব্বা এখন যেমন গম্ভীর হয়ে আছে, কথা বলা যে যাবে না, বুঝতে পারছে।

    লতিফ অনেক দিন পর বাসার বাইরে বেরোবে। নতুন পাঞ্জাবি আনা হয়েছে। পান দেওয়া হয়েছে। নিজে নিজেই বক বক করে যাচ্ছে সে।

    ‘দাঁড়ায় আছ ক্যান? কিছু বলবা?’ হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে ছেলের দিকে তাকিয়ে বলল লতিফ।

    সফিক মাথা চুলকে বলল, ‘টেকা লাগব।’

    লতিফ পকেট থেকে গার্ডার দেওয়া এক তাড়া নোট বের করে সফিকের দিকে ছুঁড়ে মারল, ‘লও। উড়াও।’

    সফিক নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। নোটের তাড়া মেঝেয় পড়ে গেছিল। তড়িঘড়ি সেটা তুলে পকেটস্থ করে বলল, ‘আপনি কই যাবেন?’

    লতিফ বলল, ‘সেটা তোমার জানবার দরকার নাই। নিজের কাজ করো।’

    সফিক ঘাড় নাড়ল। হর্নের শব্দ পাওয়া গেল ঘরের বাইরে থেকে। লতিফ ব্যস্ত হয়ে বেরিয়ে গেল। সফিক অবাক হয়ে দেখল আব্বা হুজুর একটা বড় গাড়িতে গিয়ে উঠল।

    গাড়িতে ড্রাইভার ছাড়া কেউ নেই। লতিফকে দরজা খুলে গাড়িতে তুলে ড্রাইভার দরজা বন্ধ করে ড্রাইভিং সিটে বসে গাড়ি স্টার্ট করল। লতিফের ঘরে এসি নেই। গাড়ির এসি একেবারে হিমশীতল করে দিচ্ছিল। সে মৃদু গলায় বলল, ‘ড্রাইভার সাহেব, একটু গরম করা যাইব না?’

    ড্রাইভার গাড়ির তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিল। এবার লতিফের আরাম লাগল। আহ্লাদিত গলায় বলল, ‘এবার ঠিক আছে।’

    ড্রাইভার নিঃশব্দে গাড়ি চালিয়ে যেতে লাগল। লতিফের ভারি মজা লাগছিল। কী ভালো গাড়ি! দেশটা পাকিস্তান থাকলে এরকম গাড়ি তারও থাকত। জীবনে যা চাইত তাই পাওয়া যেত। এমন ভাগ্য, কিছুই হল না। বড় করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল সে।

    একটা ছোট অথচ ছিমছাম বাড়ির ভেতর গাড়ি প্রবেশ করল। ড্রাইভার গাড়ির দরজা খুলে দিল।

    লতিফ গাড়ি থেকে নামামাত্র একজন সুবেশ যুবক এসে বলল, ‘আইয়ে।’

    লতিফ খুশি হল। এরা অনেক সম্মান দিচ্ছে তো তাকে। দেওয়ার কথা ছিল না। দিচ্ছে এই অনেক।

    ঘরের ভিতর মাঝবয়সি এক ভদ্রলোক লতিফকে দেখামাত্র সোফা ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে উর্দুতে বলল, ‘আসুন জনাব। আসুন।’

    লতিফের চোখে জল চলে এল। তাকে সোফায় বসানো হল।

    মাঝবয়সি ভদ্রলোক হাসিমুখে বলল, ‘আমি সঈদ। আপনার দেশে এই প্রথম আসা আমার।’

    লতিফ তওবা করে বলল, ‘এসব কী বলছেন জনাব? এটা তো আপনাদেরই দেশ। আমাদের দেশ বলে শরমিন্দা করছেন আমায়!’

    সঈদ তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে হাত নাড়াল, ‘ওসব আমায় বলবেন না জনাব। এই দেশ এখন আর পাকিস্তানের নেই। থাকলে এভাবে লুকিয়ে আসতে হতো না। শুনলাম সাদিক শেখও দেখা করতে আসতে পারবে না?’

    লতিফ দুঃখিত ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, ‘হ্যাঁ। আমাকে একাই আসতে হল। সাদিকের উপর অনেকের নজর পড়েছে।’

    সঈদ বলল, ‘স্বাভাবিক। হিন্দুস্তানিরা পেছনে লেগে পড়েছে। আপনাদের দেশ তো ওরাই দখল করে নিল। কেউ কিছু বলবে না, সবাই শুধু ওদের খিদমত খাটার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ছে।’

    লতিফ বলল, ‘বেতমিজ জনাব। সবাই বেতমিজ। তবে সুখবর হল, দেশে আমাদের পন্থী মানুষও সংখ্যায় ওদের সমান সমান। কোথাও কোথাও বেশি। ইনশাল্লাহ, ভালোয় ভালোয় ভোটটা হয়ে গেলে আমাদের আর এ দেশের ভেতরে লুকিয়ে থাকতে হবে না।’

    সঈদ বলল, ‘ঠিক আছে। সেটা ভবিষ্যতের ব্যাপার। আর ভবিষ্যতকে নিরাপদ করাই আমাদের কাজ।’

    লতিফ ঘাড় নাড়ল, ‘সেটা আমরা পারব জনাব। ইন্ডিয়ার হাত থেকে পূর্ব পাকিস্তানকে আমরা বাঁচাবোই।’

    সঈদ একটা ট্যাব বের করে লতিফের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘চারটে মাদ্রাসা। চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বরিশাল আর রাজশাহী। এই চারটে মাদ্রাসায় আপনার ভালো কন্ট্রোল আছে শুনেছি।’

    লতিফ ঘাড় নেড়ে বলল, ‘জি জনাব। আমি যা বলবো, এরা তাই করবে।’

    সঈদ খুশি হয়ে বলল, ‘আপনার বলার সময় এসে গেছে জনাব।’

    লতিফ আনন্দে অনেকবার হাত কচলে ফেলল।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }