Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৫

    ৫

    গরম লাগছে। লতিফ চৌধুরী পান খাচ্ছে। কষ গড়িয়ে পানের রস পড়ছে। তার দাড়ি মেহেন্দি করা। কোত্থেকে একটা বলিউডি গান বাজছে।

    লতিফ চৌধুরী চিৎকার করল, ‘এইসব হারাম গান বন্ধ কর। বন্ধ কর। কতবার বলছি এসব গান চালানো এইখানে নিষেধ।’

    লতিফের ছেলে সফিক এসে বাবার কাছে বসল। ‘আব্বা।’

    লতিফ বলল, ‘কও। তোমার আর কাম কী? সারাদিন ঘরে শুইয়া থাকো।’

    সফিক বলল, ‘আব্বা, সাদিক ভাই আসবে বলছে। ফোন দিছিল।’

    লতিফ বলল, ‘কখন আইবে?’

    সফিক বলল, ‘সকাল দশটায়।’

    লতিফ ঘড়ির দিকে দেখল, রাগী গলায় বলল, ‘এখন দশটা বাজতে পাঁচ মিনিট আছে। তোমারে কখন ফোন দিছিল?’

    সফিক বলল, ‘কাল রাইতে।’

    লতিফ রাগী চোখে ছেলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বাইর হও। বাইর হও।’

    সফিক লজ্জিত মুখে বলল, ‘টেকা লাগবে আব্বা।’

    লতিফ বলল, ‘কী কামে লাগবে?’

    সফিক বলল, ‘আম্মা কইসে।’

    লতিফ পকেট থেকে টাকা বের করে ছুঁড়ে মারল।

    বাইরে গাড়ির হর্ন শোনা গেল। লতিফ উঠে দাঁড়াল, ‘তুই যা। আমি দেখতাসি। যা যা।’

    সফিক দ্রুত পায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    সাদিক ঘরে ঢুকে লতিফকে কদমবুসি করে সালাম করল।

    লতিফ খুশি হয়ে প্রত্যুত্তরে সালাম জানিয়ে বলল, ‘কী দরকার ছিল তোমার আসার? আমারে বললেই পারতা! আমি চইলা যাইতাম।’

    সাদিক বলল, ‘আসার দরকার ছিল। সরকার থেকে আবার একটা কমিটি বানাইছে রাজাকারদের তালিকা তৈরির জন্য। অন্য কেউ থাকলে সমস্যা ছিল না। শেখের বেটি আছে না? শেখের বেটির নিজস্ব রাগ আছে রাজাকারদের বিরুদ্ধে।’

    লতিফের মুখ শুকিয়ে গেল, ‘আবার? আগেরবার ফাঁকি দেওয়া গেছিল। এবার কী হবে? আমার বয়স হইসে। এই বয়সে টানাটানি করবে নাকি?’

    সাদিক বলল, ‘করবে না। আমার এক দোস্তোরে বলা আছে। ও সব দেখবে। ও আবার আপনার খুব বড় ভক্ত। দেখা করতে আইসে।’

    লতিফ বলল, ‘কই?’

    সাদিক ডাকল, ‘রুমান। আস।’

    ঘরে অমল প্রবেশ করল। লতিফের পা ছুঁয়ে কদমবুসি করল।

    সাদিক বলল, ‘খুব ভালো ছেলে, বুঝলেন? তালিকা তৈরির কাজ ওরেই দেওয়া হইসে। রুমান। আমার পরিচিত।’

    রুমান বলল, ‘আপনার কথা অনেক শুনছি। কত গ্রামে আপনি তখন পাকিস্তানি সেনা লইয়া গেছেন।’

    লতিফের মুখে আলাদা আভা চলে এল, ‘তা আর কী কই? আমি ছিলাম বইলা গ্রামের পর গ্রাম মালাউন পালাইসিল। তাও পারে নাই। কম করসি?’

    সাদিক বলল, ‘আমাদের লক্ষ্য একই আছে। আমরা আবার পাকিস্তান দেখতে চাই আমাদের দেশে। আমরা চাই তার লক্ষ্যে চাচা আপনি আমাদের নেতৃত্ব দেন। আমাদের শিক্ষা দ্যান। পথ দেখান। পাকিস্তান জিন্দাবাদ।’

    সাদিক আবেগে কেঁদে ফেলল লতিফের হাত ধরে।

    লতিফ বলল, ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ। কোনও খবর আইসে?’

    সাদিক অমলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বাইরে যাও।’

    অমল সঙ্গে সঙ্গে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    সাদিক বসে বলল, ‘খবর আছে। বড় মিয়াঁভাই আসবেন।’

    লতিফের মুখ খুশিতে ভরে উঠল, ‘মাশাল্লাহ। কবে আসবেন?’

    সাদিক বলল, ‘জানাবো। সব জানাবো। আমরা এবার আমাদের লক্ষ্যে সফল হবই। অনেক মালাউন আছে এখন সরকারের কান ভারী করছে। ইন্ডিয়া চেষ্টা কইরা যাইতাসে। আমরা এখনই আমাদের কাজ না করতে পারলে সমস্যা বাড়বে জনাব।’

    লতিফ বলল, ‘জানি তো। আমি সেই কবে দিয়া বলতাসি। মিয়াঁ ভাই আইলে কিন্তু আমারে ডাকবা। আমি কথা কমু। কতদিন উর্দু কই না। আহা, কী সুমিষ্ট ভাষা। প্রাণের ভাষা।’

    সাদিক বলল, ‘সেদিন নিকটে চইলা আইসে। বেশিদিন আমাগো অপেক্ষা করতে হবে না। সব ব্যবস্থা হইয়া যাইব। আপনি কিন্তু রুমানের লগে কন্ট্যাক্ট রাখবেন। মাঝে মাঝে ফোন দিবেন। এখন সময় ভালা না। কত লোকের লগে ঝামেলা লাগে। ও ভুইলা গেলেও আপনি ভুলবেন না। আমি যাই চাচা।’

    লতিফ ঘাবড়ে গিয়ে সাদিকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আবার ভুলবে ক্যান?’

    সাদিক বলল, ‘কথার কথা চাচা। আপনি কন্ট্যাক্ট রাইখেন।’

    লতিফ ব্যাজার গলায় বলল, ‘ঠিক আছে। রাখব।’

    .

    ৬

    সাদিকের গাড়িটা জাহাজের মতো বড়। আসগর দরজা খুলে দিয়ে তাকে বসাল। নিজে রাণার উল্টোদিকে বসল। গাড়ি চলতে শুরু করল।

    রাণার অস্বস্তি লাগতে শুরু করল। আসগর একটাও কথা বলছে না। চুপ করে বসে আছে।

    রাণা জানলার বাইরের ঢাকা শহরটাকে দেখতে লাগল। সাদিক যেন একপ্রকার জোর করে তাকে পাঠিয়ে দিল। এখন এই বিকেলবেলাতেই পাঠিয়ে দিল? অদ্ভুত!

    সোনাগাছিতে রাণার একটা বাঁধা মেয়েছেলে আছে। তারা। যাওয়ার আগে ফোন করে যায়। তারা আর কাউকে ঘরে ডাকে না। একবার তারাকে নিয়ে দীঘা গেছিল রাণা। তারা খুব খুশি হয়েছিল। সন্ধেবেলাতেও সমুদ্রে স্নান করার জন্য বায়না ধরেছিল।

    অদ্ভুত দিন কাটে তারার সঙ্গে। এখানে, ঢাকায় এসে আবার সেরকম একটা মেয়ের সঙ্গে তার দেখা হবে? জীবনটা ভারি অদ্ভুত। কখন কোন চমকের সামনে নিয়ে এসে দাঁড় করায়, কেউ জানে না।

    একটা গলির সামনে গাড়ি দাঁড় করিয়ে আসগর দরজা খুলে বলল, ‘চলেন।’

    রাণা গাড়ি থেকে নামল।

    আসগর হাঁটতে শুরু করল। রাণা তার পেছন পেছন হাঁটতে লাগল।

    একটা ছোট গলিতে ঢুকল আসগর। চারদিকে এত ভিড়, অথচ এই গলিটায় একটা লোকও নেই। খানিকটা হাঁটার পর বুঝল এটা আসলে একটা কানা গলি। গলিটা একটা জায়গায় গিয়ে শেষ হয়ে গেছে। আর যেখানে শেষ হয়েছে, সেখানেই একটা দরজা।

    আসগর এগিয়ে গিয়ে দরজায় দুবার নক করল। দরজা খুলে গেল। আসগর রাণার দিকে ফিরে তাকিয়ে বলল, ‘যান।’

    রাণা চারদিকে দেখল। কেউ কোথাও নেই। কেউ তাকে দেখছে না। সে ভিতরে প্রবেশ করল। আসগর বাইরে থেকে দরজাটা বন্ধ করে দিল।

    বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে সে। সামনে আরেকটা দরজা। রাণা এগিয়ে দিয়ে দরজায় নক করল।

    একটা কমবয়সি মেয়ে দরজা খুলে বলল, ‘আসেন।’

    রাণা বলল, ‘আপনি?’

    মেয়েটা খিলখিল করে হেসে বলল, ‘আমাকে আপনি বলার দরকার নাই।’

    রাণা অপ্রস্তুত হল। সে বলল, ‘জল খাওয়াবেন?’

    মেয়েটা আবার হেসে বলল, ‘পানি বলেন। জল বলেন ক্যান?’

    রাণা ঘাড় নাড়ল, ‘ও হ্যাঁ হ্যাঁ। আমাকে পানি দিন।’

    মেয়েটা বলল, ‘আসেন, ভিতরে আসেন।’

    একটা ছোট ঘরের ভিতর ঢুকল। মেয়েটা রিমোট দিয়ে এসি চালিয়ে দিল। বলল, ‘ভাইজানের গরম লাগে বুঝি?’

    রাণা বলল, ‘তোমার নাম কী?’

    মেয়েটা বলল, ‘আমি জরিনা। সাকিনা আমার আপা। আপনের কেমন মাইয়া পছন্দ? বুড়ি না ছুড়ি?’

    রাণা গলা খাকড়াল। কী বলবে বুঝতে পারছে না সে। দরজা খুলে আরেকজন মেয়ে ঢুকল। জরিনার দিকে তাকিয়ে কড়া গলায় বলল, ‘তুই যা। দরজা বন্ধ করে দিয়ে যা।’

    জরিনা থতমত খেয়ে, ‘জি আপা’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    মেয়েটা রাণার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে কয়েক সেকেন্ড চেয়ে থেকে বলল, ‘এসব করতে আপনাকে এখানে পাঠানো হয়েছে?’

    রাণা চমকে মেয়েটার দিকে তাকাল, ‘কে আপনি?’

    ‘সাকিনা। কেন, রুমান কিংবা অমল কি কিছুই বলেনি আমার সম্পর্কে?’

    রাণা মাথা নাড়ল, ‘না। বলেনি কিছু। তাছাড়া সাদিক আমাকে হঠাৎ করে এখানে পাঠিয়েছে। তার আগে আমাকে কোনও কথা বলার সুযোগও পায়নি।’

    সাকিনা সিগারেট বের করল। রাণাকে বলল, ‘ফুঁকবেন?’

    রাণা মাথা নাড়াল, ‘না।’

    একটা ফোন বাজতে শুরু করল। সাকিনা ফোনটা ধরেই অবিকল জরিনার মতো খিলখিল করে হাসতে হাসতে বলল, ‘বল জান, মেহেমান এসে গেছে তো, মেহেমানকে আমি দেখছি। তোমায় কিচ্ছু ভাবতে হবে না। ভাবার কিছু নাই। উম্মা।’

    ফোনে বড় একটা চুমু খেয়ে ফোন কেটে দিল সাকিনা। রাণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘প্রথম যখন এলাম, বলতো তুমি শুধু আমার, আর কাউকে তোমাকে দেব না। সময় পাল্টে গেল। এখন আমাকে শেয়ার করা যায়। শুয়োর! শুনুন, আপনাকে বলছি’, কড়া গলায় বলল সাকিনা, ‘আপনাকে এখানে ঘুরতে পাঠানো হয়নি।’

    রাণার মাথা গরম হল, ‘তাহলে কী করতে পাঠানো হয়েছে? আমার কী করার ছিল যদি আমাকে এখানে পাঠিয়ে দেয়?’

    সাকিনা বলল, ‘সেটাই তো খেলা। উস্তাদ আমাকে বলে দিয়েছে আপনাকে অমলের সঙ্গে থাকতে হবে। একা থাকতে দেবেন না ওকে। কিছুতেই যেন আপনাকে ঝেড়ে ফেলতে না পারে। আপনাকে এখানে পাঠিয়ে ও সাদিকের সঙ্গে কোথায় গেছে জানেন?’

    রাণা বলল, ‘আমি আজকে এসেছি। আমি কি ম্যাজিক জানি নাকি? সময় লাগবে তো!’

    সাকিনা চিন্তিত মুখে রাণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘হায়! আমাদের হাতে এই জিনিসটিই মোটে নেই!’

    রাণা বলল, ‘অমল কী করেছে?’

    সাকিনা কাঁধ ঝাঁকাল, ‘আমি কিচ্ছু জানি না। উস্তাদ আপনাকে এটা বলতে বলেছে, বলে দিলাম।’

    রাণা আরও দ্বিধাগ্রস্থ হয়ে পড়ল…।

    .

    ৭

    আধঘণ্টা পর রাণা ঘর থেকে বেরোল। জরিনা যেমন শুরুতে এসেছিল, তেমনই এসে খিলখিল করে হেসে বলল, ‘ভাইজান, সব ঠিক আসে তো?’

    রাণা উত্তর দিল না। ঘরের বাইরে বেরোতে জরিনা দরজা বন্ধ করে দিল। আসগর বাইরে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে।

    রাণা বেরোতে আসগর হাঁটতে শুরু করল। রাণা আসগরের পিছন পিছন হাঁটতে লাগল। ভিড় গলির মুখে গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। আসগর দরজা খুলে দিল।

    রাণা গাড়িতে উঠে অবাক হয়ে গেল। গাড়িতে সাদিক বসে আছে। সে অবাক হলেও মুখে বিস্মিতভাব দেখাল না।

    সাদিক হাসল, ‘কেমন ভাই? সাকিনা খুশি করতে পেরেছে তো?’

    আসগর গাড়িতে উঠল না। গাড়ি চলতে শুরু করল।

    রাণা মাথা নাড়ল, ‘হ্যাঁ। সাকিনা খুব ভালো।’

    সাদিক বলল, ‘একদম জোশ, তাই না?’

    রাণা বলল, ‘হ্যাঁ, একদম জোশ।’

    সাদিক অদ্ভুতভাবে হাসল, ‘আপনি রুমানভাইয়ের দোস্তো মানে আমারও দোস্তো। ইন্ডিয়ায় কী করসিলেন আপনি? পালায়ে আসতে হইল কেন?’

    সাদিক বেশ অদ্ভুতভাবে কথা বলে। কখনও পুরো বাঙাল ভাষায় কথা বলে, কখনও শান্তিপুরি বাংলায়। রাণা বলল, ‘ঝামেলা হয়ে গেল। মেয়েঘটিত।’

    সাদিক বলল, ‘ভাইয়া মনে হয় কথা বলতে ভালোবাসেন না। কম কথা বলেন, তাই না?’

    রাণা বলল, ‘রুমান কোথায়?’

    সাদিক বলল, ‘আমার বাসাতেই আছে। আমি ভাবলাম আপনার সাথে একবার দেখা করে আসি। মানে মেহমান তো আপনি। আমরা আবার মেহমানদের জন্য জানও দিতে পারি। কোক খান ভাই। অনেক পরিশ্রম হয়েছে।’

    গাড়ির ভেতর থেকে একটা কোকের বোতল রাণার দিকে এগিয়ে দিল সাদিক। রাণা ইতস্তত করে বোতলে এক চুমুক দিল।

    সাদিক বলল, ‘এই যে ঢাকা শহর দেখছেন না ভাই, আমি এই শহরে যখন এসেছিলাম আমার পকেটে কত টেকা ছিল জানেন? পঞ্চাশ টেকা। কী করি নাই? ভিক্ষা করসি, ট্রেনে পকেটমারি, দোকানে কাজ…কী করি নাই? সব করসি। সময় পাল্টায় ভাই। কিন্তু সময় কী দিতে পারে না জানেন? বলেন তো?’

    রাণা সাদিকের দিকে তাকিয়ে রইল। উত্তর দিল না। কী বলবে বুঝতে পারছিল না।

    সাদিক নিজেই বলে চলল, ‘সময় একজন বন্ধু দিতে পারে না ভাই। বন্ধু খুব কঠিন জিনিস। রুমানভাইয়ের সঙ্গে খুব বেশি দিন হয় নাই আলাপ হয়েছে, কিন্তু রুমানভাইরে আমি আমার দোস্তো বইলা ভাবি। রুমানভাইয়ের প্রবলেম, আমার প্রবলেম। নইলে আমার খাস জায়গায় শুরুতেই আমি আপনারে লইয়া আসি? আপনিই বলেন?’

    গাড়ি ফাঁকা রাস্তায় উঠেছে। সাদিক চেঁচিয়ে ড্রাইভারকে বলল, ‘ভালো গান চালা। ও রুস্তম। ভালো গান চালা।’

    রাণা সতর্ক হল। সাদিক কি অন্য কিছু প্ল্যান করছে? অহেতুক আজেবাজে কথা বলে যাচ্ছে। অমলের কথা শুনে তো মনে হয়নি তার সঙ্গে সাদিকের এত বন্ধুত্ব হয়ে গেছে?

    সাদিক গানের তালে মাথা নাড়াতে নাড়াতে বলল, ‘কাজের কথায় আসি গৌতম ভাই। ফাউ প্যাঁচাল পাইড়া যাইতাসি। কুনো মানে হয় না। আপনারে প্রথম দেইখাই আমার ভালো লাইগা গেছে। তাই বলছি। আমি একটা ছোট সিন্ডিকেট খুলসি। কিছু জিনিসপত্র, এদেশ থেকে আমরা বিভিন্ন দেশে পাঠামু, আবার ও সব দেশ থিকাও নিয়া আসতে হইব। তার মধ্যে ইন্ডিয়াও আছে ভাই। কিন্তু আপনি ওদেশে এখন যাইতে পারবেন না, আমি বুঝি। তাই আপনারে ইন্ডিয়ায় পাঠাবো না।’

    রাণা বলল, ‘স্মাগলিং-এর কাজ?’

    সাদিক বলল, ‘ওরকমভাবে বলবেন না ভাই। স্মাগলিং আবার কী কন? এখনকার দিনে সব পথই এক। যে পথে টেকা আসে, সেই পথই ঠিক। খারাপ ভালো ভাইবেন না ভাই। আমার আপনাকে পছন্দ হইসে। রুমান ভাইয়ের মতো আপনিও আমার সাথে কামে আসেন ভাই।’

    রাণা সাদিকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী কাজ করতে হবে?’

    সাদিক বলল, ‘ঘুরতে হইব। আজ সিঙ্গাপুর, কাল ব্যাংকক, পরশু দুবাই। ঘুরবেন মনের সুখে, এদিক সেদিক যাবেন। একটা কাগজ দিলে, সেটা নিয়া চইলা আইলেন। এই তো কাম। এর বেশি কিছুই করতে লাগব না।’

    রাণা বলল, ‘তার জন্য ধরা পড়লে কী হবে?’

    সাদিক খুব খুশি হল যেন। দুলে দুলে হাসল। হাসতেই হাসতেই বলল, ‘আপনারে তো আমি সোনা দিমু না। হিরাও দিমু না। এক খান কাগজ। কাগজের জন্য আপনারে কেউ ধরবে না। নিশ্চিন্ত থাকেন।’

    রাণা অবাক হল, ‘শুধু কাগজের জন্য ট্রাভেল করতে হবে? আর কিছু না?’

    সাদিক বলল, ‘না। আর কিছু না ভাইজান। শুধু কাগজ। রুমানভাই আপনেরে কি খাওয়াইসে? লাচ্ছি খাবেন?’

    রাণা মাথা নাড়ল, ‘নাহ্‌। ওসব খাব না এখন। আপনি কোক খাওয়ালেন তো। তাতেই হবে।’

    সাদিক বলল, ‘আপনি আমার এখানে জয়েন করেন ভাই। এই দেশে লোকের কমতি নাই। কিন্তু একটা মাইনসের মধ্যে দুইটা জিনিস এক লগে পাওয়া যায় না। বিশ্বস্ত মানুষ আছে। কিন্তু তার মধ্যে লুকস নাই ভাই। লুকস বোঝেন তো? এই আসগররে যদি আমি ব্যাংকক পাঠাই, ওরে তো পুলিশে ধইরা আগে পিটাইবে তার পর বাকি কথা শুনবে। তাই না?’

    রাণা তীক্ষ্ণচোখে সাদিকের দিকে তাকিয়ে রইল। সাদিকরা কী জিনিস দেওয়া নেওয়া করে?

    তাকে প্রথম দেখাতেই এত পছন্দ হয়ে গেল যে তাকে নিতে চলে এল? শুরুর দিকে হলে রাণা ভাবত, তার তখন মাথা পরিষ্কার ছিল। মানুষ মেরে মেরে এখন আর বেশি ভাবতে ইচ্ছে করে না। শুধু মনে হয়, ঘরে ফিরে কখন ঘুমোবে। এপাশ ওপাশ করে শোবে। টিভি দেখবে। এই মানসিকতা থেকেই লিস্টার হোটেলের ভুলটা হয়ে গেছে। বোঝে সে। হয়তো আরও অনেক ভুল হতো। ঢাকায় যদি কাজ করতে গিয়ে মরেও যায়, কোনও খেদ থাকবে না। বেঁচে থেকে খুব বেশি লাভ নেই। মরে গেলে যাবে। অত বুদ্ধি খাটাতে যাবে না।

    .

    ৮

    সাদিকের প্রাসাদে গাড়ি এসে দাঁড়াল। সাদিক বলল, ‘আসেন ভাই। রাতে না খাওয়াইয়া আপনাকে ছারুম না।’

    রাণা দেখল আসগর দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে চলে এসেছে? অদ্ভুত ব্যাপার তো!

    অমল ড্রইংরুমে ক্রিকেট ম্যাচ দেখছিল। তাকে ঢুকতে দেখে হাসল, ‘কী, সব ঠিক আছে তো?’

    রাণা মাথা নাড়ল। সাদিক বসল। সিগারেট ধরিয়ে বলল, ‘দোস্তোরে কইলাম রুমানভাই। আমি ইন্ডিয়ায় যাওয়ার জন্য জোর করুম না। আমার জন্য মাঝে মাঝে ব্যাংকক, দুবাই, কলম্বো যাইতে হইব। আপনি তো যান, ভাইরে বোঝাইয়া কন না।’

    রাণা বিরক্ত মুখে অমলের দিকে তাকাল। অমল বলল, ‘যাবে যাবে। গৌতমের দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। আপনি অত ভাবছেন কেন? এর পরে দোস্তো আমার কলকাতা ফিরতেই চাইবে না, দেখবেন।’

    সাদিক বলল, ‘তাই তো চাই। আমার কাছে থাকলে চিন্তার কিছু নাই ভাই।’

    অমল উঠে দাঁড়াল। টিভির পাশে সাদিকের সঙ্গে তারেকের ছবি। অমল বলল, ‘অনেকবার বলেছি, আবারো বলছি, আপনাদের দেখলে যমজ লাগে ভাই।’

    সাদিক বলল, ‘বড় ভাইজান থাকলে কি এখন এত হেডেক নিতে হইতো রে ভাই? সব একাই সামলাইয়া রাখত।’

    রাণার মনে পড়ে গেল। তারেক প্রচুর মদ খেয়ে ছিল সেদিন। কলিং বেল টিপতে চিৎকার করতে করতে দরজা খুলল। রাণা দেরি করেনি। পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুণে গুণে চারটে গুলি করে বেরিয়ে চলে এসেছিল। সাইলেন্সার থাকায় কেউ শব্দ পায়নি। লাশটা লুটিয়ে পড়েছিল মেঝেতে। লিস্টার ছোট হোটেল। স্টাফরা তখন ডিনার করছিল। কাজটা করে চুপচাপ হোটেল থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠে বসেছিল সে।

    তারেকের সঙ্গে সাদিকের চেহারার অনেক মিল আছে। সাদিক ধরাগলায় বলল, ‘আমার যাওয়ার কথা ছিল জানেন মিয়াঁ? ভাইজান বলল তোর যাওয়ার দরকার নেই। তুই ভুবনেশ্বর চিনবি না। আমি আর জোর করি নাই। আমারও ভয় ছিল। ভাইজান হয়তো বুঝতে পারসিলো। তাই আমারে না পাঠায়ে নিজে গেছিল।’

    অমল আড়চোখে রাণার দিকে তাকাল। সাদিক সিগারেট ফেলে সোফায় এসে বসল। অমলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ভাইরে বলেন মিয়াঁ। আমার বিশ্বস্ত লোক দরকার। টেকার বিষয়ে চিন্তা করতে বারণ করেন।’

    অমল বলল, ‘করবে তো! গৌতম করবে। কী রে গৌতম, সাদিকভাই এত আদর করে বলছে, তুই করবি না?’

    রাণা মাথা নেড়ে বলল, ‘করব।’

    সাদিক খুব খুশি হল। ছুটে এসে রাণার হাত ধরে বলল, ‘শুক্রিয়া ভাই। আপনারে অনেক শুক্রিয়া। ইলিশ খাবেন ভাই?’

    রাণা মাথা নাড়ল, ‘আপনি যা খাওয়াবেন সাদিকভাই।’

    সাদিক রাণাকে জড়িয়ে ধরল।

    .

    সাদিকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠেই রাণা বলল, ‘এটা কী হল? আপনি কি এখন এই কাজই করছেন? স্মাগলার হয়ে গেছেন?’

    অমল অ্যাকসিলারেটরে চাপ দিয়ে বলল, ‘ও ইনফরমেশন আদান প্রদান করে। কোনরকম অনলাইন সিস্টেমে সাদিক বিশ্বাস করে না। ওই কাজ না করলে আমি কী করে জানতাম ওরা ইন্ডিয়াতে কী প্ল্যান করছে?’

    রাণা বলল, ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক ছাড়া ও আমাকে নিচ্ছে কেন?’

    অমল বলল, ‘আমার জন্য নিয়েছে। আমার ট্র্যাক রেকর্ড বেশ ভালো। এগারোটার উপর দেশ ঘুরে এলাম সাদিকের কল্যাণে। ও আমার মুখের কথা বিশ্বাস করেছে। পরে চেক করবে হয়তো। তবে তার আগে আমাদের কাজ হয়ে যাবে।’

    রাণা বলল, ‘আমার সব অদ্ভুত লাগছে। আমি অনেক কিছুই বুঝতে পারছি না। মনে হচ্ছে মাঝখান থেকে কোনও সিনেমা দেখতে শুরু করেছি।’

    অমল বলল, ‘কেন? তোমার তো এতক্ষণে অনেকটাই সড়গড় হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। এরকম বললে কী করে হবে? আমাদের কাজ খুবই সিম্পল। সাদিক একটা চুনোপুটি। ও যার যার কথা শুনে কাজ করে, আমাদের সেগুলো খুঁজে বেড়াতে হবে। আর তাদের পেয়ে গেলে…’

    রাণা বলল, ‘কী করতে হবে? মেরে দেব?’

    অমল শিস দিয়ে উঠল, ‘মারতে পারলে আর কিছু চাই না।’

    .

    ৯

    বৃষ্টি নেমেছে। গাড়ির জানলার বাইরে তাকিয়ে রাণা বলল, ‘আপনি যে দেশগুলোতে গিয়ে সাদিককে হেল্প করছেন, এটা উস্তাদ জানে?’

    অমল বলল, ‘উস্তাদ সব জানে। না জানিয়ে আমি এ কাজ করব কেন?’

    রাণা কিছু একটা বলতে গিয়েও চুপ করে গেল।

    অমল বলল, ‘কী হল? কী বলতে যাচ্ছিলে?’

    রাণা বলল, ‘কিছু না।’

    অমল বলল, ‘এ দেখি মেয়েদের মতো করো। মেয়েরাও এরকম করে। কথা বলতে গিয়ে বলে কিছু না।’

    রাণা বলল, ‘আমার একটা রিভলভার লাগবে। কিছু বুলেট।’

    অমল বলল, ‘পেয়ে যাবে। সময়মতো সব পেয়ে যাবে। সাদিকের বাড়িতে ওসব নিয়ে গেলে ধরা পড়ে যাবার চান্স আছে। ওই চান্স নেওয়া যাবে না।’

    রাণা বলল, ‘সাদিকের এদিক সেদিক পাঠানোর স্বভাবটা ভালো লাগছে না। ও যদি রিস্কি কোথাও পাঠিয়ে দেয়?’

    অমল বলল, ‘পাঠাতেই পারে। এভ্রিথিং ইজ পসিবল। সে কাজে অস্তর লাগলে ও-ই তোমাকে দিয়ে দেবে। আমরা যে কাজে নেমেছি, সে কাজে নামার আগে ভাবতে হয়। নামার পরে ভেবে লাভ নেই। তুমি ঠান্ডা মাথার খুনি, তুমি খুন করার পরে কি ভেবেছ কাজটা ঠিক হয়নি? সেটা ভাবলে কি বেঁচে থাকতে পারতে?’

    রাণা চুপ করে গিয়ে জানলার বাইরে তাকাল। প্রথম খুন করার আগে কি সে কোনওদিন ভাবতে পেরেছিল এ জন্মে সে একজন মানুষকে মারতে পারবে? নিজের মতোই হাত চোখ কান ওয়ালা একটা লোক, তার হাতে মরে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে, রক্তে ভেসে যাচ্ছে, দৃশ্যগুলো কতদিন তাকে ঘুমোতে দেয়নি। জাগিয়ে রেখে দিয়েছে রাতের পর রাত। ধীরে ধীরে ইন্দ্রিয় নিয়ন্ত্রণে এসেছে। যেটা ইচ্ছে, সেটা করতে পেরেছে। একটার পর একটা পাপবোধ তাকে বিদ্ধ করে গেছে।

    শক্ত না থাকলে সবার আগে নিজেকে মরতে হবে। সেটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যাবে না। আদিম মানুষ একে অপরকে মেরেই বেঁচে থাকত। তাকেও বেঁচে থাকতে হবে। তাকে গুরুত্ব পেতে হবে। প্রতিটা মানুষ তাকে গুরুত্ব দেবে। মরতে যেমন ভয় পাবে না সে, একইভাবে যতদিন বেঁচে থাকবে, কারো উপর নির্ভরশীল হয়ে বেঁচে থাকবে না। কাউকে ভয় পেয়ে বেঁচে থাকবে না।

    অমলের গাড়ি ফ্ল্যাটের পার্কিং-এ দাঁড়াল। অমল গাড়ি লক করে বলল, ‘পেছনে একটা টয়োটা গাড়ি ফলো করছিল লক্ষ করেছ?’ রাণা দেখল সাদা রঙের গাড়িটা বেরিয়ে চলে গেল। সে বলল, ‘সাদিক পাঠিয়েছিল?’

    অমল বলল, ‘সাদিক তোমার ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই করে দেখবে। মুখে দোস্তো দোস্তো করবে, কিন্তু ঠিকই সব যাচাই করবে। চিন্তা নেই। তোমার কভার ঠিকঠাক সাজানো আছে। চলো।’

    অমলের ফ্ল্যাটে ঢুকল দুজনে। অমল দরজা বন্ধ করে আলো জ্বালাল। ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা জল বের করে গ্লাসে ঢেলে গ্লাস নিয়ে সোফায় বসল, ‘কঠিন খেলা চলছে। কে জিতবে কেউ জানে না।’

    রাণা বলল, ‘হারলে কী হবে?’

    অমল তার দিকে তাকাল, ‘কী হতে পারে বলে তোমার মনে হয়?’

    রাণা বলল, ‘বাইরের দেশগুলোতে যখন পাঠায়, সে কাগজ থেকে ব্লাস্টের লোকেশন সম্পর্কে কিছু লেখে না?’

    অমল ঘাড় নাড়ল, ‘লেখে। কোডে লেখে। যেমন এই মুহূর্তে কোচিতে ওদের একটা স্লিপার সেল জেগেছে। আসামেও। এই দুই সেলের জেগে ওঠার কোড ওই কাগজ থেকেই গেছে। কাগজগুলো রিমোটের কাজ করে। ব্যাংককের কোনও এক দেহপসারিণী একটা মিসড কল মেরে একটা স্লিপার সেলের ঘুম ভাঙিয়ে দিতে পারে। ইন্টারেস্টিং না?’

    রাণা বলল, ‘হুঁ। উস্তাদকে ফোন করেন কখন?’

    অমল বলল, ‘দরকার পড়ে না। রোজ রোজ ফোন করবই বা কেন? তাছাড়া যখন তুমি বাইরের কোনও দেশে থাকবে, তখন তোমার মালিক তুমি নিজেই। অন্য কারো নির্দেশের অপেক্ষায় থাকলে চলবে না। তোমার মাথায় একজন বন্দুক ধরে আছে, আর তুমি তখন দিল্লিতে ফোন করে জিগ্যেস করবে এখন তোমাকে কী করতে হবে? নাহ্‌, এসব ওভাবে চলে না। নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শেখো। নিজের রুটির ব্যবস্থাও নিজে করবে। বুঝলে?’

    রাণা বলল, ‘হুঁ।’

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }