Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৬০

    ৬০

    আকাশে মেঘ করে আছে। গরম বাড়ছে। সাদিকের বাড়ি থেকে বেরিয়ে রাণা মাঝে মাঝেই পিছন ফিরে দেখছিল। তার বার বার মনে হচ্ছিল, কেউ তাদের ফলো করছে। অস্বস্তি হচ্ছে কেমন। অমল বলল, ‘ভয় পাচ্ছ?’

    রাণা বলল, ‘সাকিনাকে কোথায় রেখেছে বলল না তো! পাচার করে দিয়েছে?’

    অমল বলল, ‘সাদিককে বলেনি। জরিনার জন্য সাদিক চিন্তিত হয়ে পড়ছে কারণ জরিনা সাদিকেরই মেয়ে। ওরই কোনও নারীসঙ্গের ফলশ্রুতি ওই মেয়েটা। যতই যাই হোক, মেয়েটা ওর রক্ত। তাকে গিয়াস তুলে নিয়ে যেতে চাইছে বুঝতে পেরেই সাদিক খানিকটা বিদ্রোহী হয়ে উঠেছে। আমাদের এই ছোট ফাঁক দিয়ে ঢুকতে হবে। ঢুকতে পারলে ভালো। না পারলে আমাদের কপাল খারাপ। আর কী বলব? চলো, গাড়িতে ফেরা যাক। সাদিকের লোক কাছে পিঠে নেই। থাকলে জামাল এতক্ষণে জানিয়ে দিত।’

    রাণা আর কিছু বলল না।

    গাড়িতে ফিরে অমল বলল, ‘সুখবর হল সাকিনাকে ওরা ভাঙতে পারেনি। আমাদের কভার এক্সপোজ হয়নি।’

    খান বললেন, ‘স্ট্রং গার্ল। ভেরি কমেন্ডেবল। আর্মি ট্রেনিং নিয়েছে?’

    অমল হাসল, ‘শুনেছি হাজব্যান্ড ট্রেনিং। ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সেই মেয়েটা স্ট্রং হয়ে গেছে।’

    খান বিস্মিত হয়ে অমলের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে বললেন, ‘বোঝো। আর দুঃসংবাদ?’

    অমল বলল, ‘সাকিনা কোথায়, সাদিক লুকিয়ে যাচ্ছে।’

    মাথুর বললেন, ‘তাহলে সাদিককে তুলতে হবে। আর কোনও উপায় নেই।’

    রাণা অবাক হল। এই দুর্গ থেকে সাদিককে তোলা হবে কী করে?

    অমল অবাক হল না। বলল, ‘ওরা যদি বুঝে যায় আমরা সাদিককে তুলেছি তাহলে বিপদ হতে পারে।’

    মাথুর বললেন, ‘রিস্ক নিতে হবে। কিছু করার নেই।’

    রাণা আর থাকতে পারল না। বলল, ‘সাদিককে তুলব কী করে? এখানে এত লোক নিয়ে আছে। সেটা সম্ভব নাকি?’

    অমল হাসল, ‘দেখছি। জামাল! আমাদের আর কোনও অপশন নেই। কী করে ব্যাপারটা কমপ্লিট করা যায়?’

    জামাল বলল, ‘আটটা ছেলে আছে এখন সাদিকের কাছে। এতগুলোকে মেরে বের করে আনা যায়। ব্যাপারটায় রক্ত পড়বে। অন্যান্য ঝামেলাও আছে।’

    খান বললেন, ‘বেরোয় কতজনে?’

    অমল বলল, ‘কখনো কখনো শুধু ড্রাইভার নিয়েও বেরোয়।’

    জামাল বলল, ‘অপেক্ষা করতে হবে সেক্ষেত্রে।’

    খান অমলের দিকে তাকালেন, ‘ফোন করো। কিছু একটা করে ওকে বের করো।’

    অমল বলল, ‘ঠিক আছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা যাক। তারপর ফোন করছি।’

    মাথুর ঘড়ি দেখলেন, ‘ঠিক আছে। তাই হোক। সাদিককে চাই।’

    অমল বলল, ‘জামাল আরিচা হাইওয়ের দিকে এগিয়ে চলো।’

    জামাল গাড়ি স্টার্ট দিল।

    রাণা বলল, ‘সাদিক যদি লোকগুলোকে নিয়ে আসে।’

    অমল ঠান্ডা গলায় বলল, ‘তুমি আছ তো। জামালের অটোমেটিক মেশিনগান আছে। একটাকেও বাঁচিয়ে রাখার দরকার নেই।’

    মাথুর খুশি হয়ে খানের দিকে তাকালেন, ‘এই তো, খাঁটি কথা বলে দিয়েছে। এবার ঠিক আছে।’

    খান বললেন, ‘ঠিক। এবার অল আউটেই যেতে হবে। আর সময় নেই।’

    রাণা ঘাড় নাড়ল, ‘আমি তৈরি।’

    জামাল অ্যাক্সিলারেটরে চাপ দিল। মাথুর বললেন, ‘আমরা এখানে জড়াচ্ছি, তুষার স্যারকে একবার বলার দরকার আছে?’

    খান বললেন, ‘না। এই মুহূর্তে কিছু বললে বারণ করে দেবেন। সাদিক ছাড়া আর কোনও অপশন নেই। তাই থাক আপাতত।’

    মাথুর ঘড়ি দেখলেন, ‘অমল, ফোন করো।’

    অমল বলল, ‘শহর ছেড়ে একটা ফাঁকা জায়গায় পৌঁছই। আমি কী বলব সেটাও ভাবতে হবে।’

    খান বললেন, ‘বলে দাও তুমি জানতে পেরেছ কে ওর ভাইকে মেরেছিল। সাদিক চলে আসবে।’

    অমল বলল, ‘খারাপ আইডিয়া না। এটাই ঠিক লাগছে। সাদিক তারেককে খুব ভালোবাসত। ও কিছুতেই তারেকের চলে যাওয়াটা মেনে নিতে পারছে না। যাই হোক, এতক্ষণে একটু শ্বাস নেওয়ার সময় পেলাম। আপনাদের আরেকটা খবর জানিয়ে রাখি।’

    খান আর মাথুর দুজনেই উৎসুক চোখে অমলের দিকে তাকালেন।

    অমল বলল, ‘এই যে এত বাইরে বাইরে পাঠানো হচ্ছিল আমাকে বা রাণাকে একবার পাঠানো হয়েছিল। সে কোডগুলো সব ফেলে ডিকোডের চেষ্টা করেছিলাম। উত্তর দাঁড়াচ্ছে, ওরা খুব বড় কিছু প্ল্যান করছে। মিডল ইস্ট স্টাইলে ড্রোন অ্যাটাক। বায়োলজিক্যাল ওয়্যারের চেষ্টা হয়েছিল। পাকিস্তান ওতে আগ্রহী নয়। ওরা ডিরেক্ট অ্যাকশনে বিশ্বাসী। ড্রোন পার্টস বিশ্বের বিভিন্ন জায়গা থেকে আলাদা আলাদা করে সাদিকের কারখানার স্টোরে আসছে। ওরা প্রচুর ফান্ডিং পাচ্ছে। এর অর্থ হল অদূর ভবিষ্যতে ওরা ড্রোন অ্যাটাকের প্ল্যান করছে।’

    খান আর মাথুর দুজনে একসঙ্গে বলে উঠলেন, ‘মাই গড। লোকেশন?’

    অমল বলল, ‘বাংলাদেশের পাঁচটা জায়গার কো-অরডিনেটস আর ভারতের সাতটা শহরের কো-অরডিনেটস আছে। নর্থ ইস্টের টানাপোড়েনে আই এস আই-এর ইন্ধনও আছে। সাদিকের সমস্ত ব্যবসার আসল জায়গা ওর স্টোরগুলো।’

    খান বললেন, ‘একইসঙ্গে এখানে আইএসআই সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সক্রিয়। তাই তো?’

    অমল বলল, ‘হ্যাঁ। যার সঙ্গে সাকিনার মাধ্যমে আমরা যোগাযোগ করতাম, তার কভার এক্সপোজ হয়ে গেছিল। তাকে মরতে হয়েছে। ওর কভার এক্সপোজ হওয়া সম্ভব ছিল না। এর অর্থ হয় আমাদের মধ্যেই কেউ ওদের খবর দিয়েছিল।’

    খান বললেন, ‘কে কে জানে ওই এজেন্টের কথা?’

    অমল বলল, ‘আমি আর উস্তাদ ছাড়া কেউ জানত না।’

    খান বললেন, ‘আই এস আই এত এফিশিয়েন্ট হয়ে গেছে যে আমাদের ভেতরের কারো ইনপুট ছাড়া এত বড় অপারেশন করে নেবে, আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। যাই হোক, এগুলো নিয়ে পরে ভাবা যাবে। তুমি সাদিককে ফোন করবে এখন? এখানে তো চারদিকে আর কাউকে দেখছি না। এ জায়গাটাও শুনশান।

    অমল ঘাড় নেড়ে পকেট থেকে ফোন বের করল, ‘রাইট। লেটস স্টার্ট দ্য অপারেশন।’

    .

    ৬১

    সোবাহান অবিশ্বাসী চোখে আলমগিরের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘তোমার এত বড় সাহস? তুমি জানো আমি তোমার কী করতে পারি?’

    আলমগির বললেন, ‘কিচ্ছু করতে পারেন না। আরিফ সাহেব নিজে দেখেছেন আপনি নির্মলকে ফ্রেম করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন ক্রমাগত। আপনি কী চান, সেটা আমরা বুঝতে পেরেছি। জাহির সাহেবের সঙ্গে মিলে আপনি যেটা করতে চাইছেন, সেটা আমরা করতে দেব না। বুঝেছেন? আপনার ফোন দিন।’

    সোবাহান কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, আলমগির সোবাহানের মাথায় রিভলভার ঠেকিয়ে বললেন, ‘একদম সময় নেই আপনার হাতে। আমি এখানেই যা করার করে দেব। যা বলছি করুন। ফোন দিন।’

    সোবাহান কাঁপা কাঁপা হাতে তার পকেট থেকে দুটো ফোন বের করে আলমগিরের হাতে দিলেন। আলমগির সোবাহানের ফোন দুটো নিয়ে পকেটে রেখে বললেন, ‘আপনাকে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে অর্ডার এসে গেছে। আপনি এখানেই বসবেন।’

    সোবাহান অবিশ্বাসী চোখে আলমগিরের দিকে তাকালেন। আলমগির বললেন, ‘কী ভাবেন? তলে তলে কাজ করে যাবেন, কেউ কিছু বুঝতে পারবে না? আমরা এখানে ঘাস খাবার জন্য আছি? আনোয়ার সাহেবের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং তাকে হত্যার দায়ে আপনাকে রিমান্ডে নেওয়া হল। আপনি আপনার উত্তর তৈরি করুন। এস নির্মল, আসুন আরিফ সাহেব।’

    সোবাহান দরদর করে ঘামছিলেন।

    আলমগির আরিফ এবং নির্মলকে নিয়ে ইন্টারোগেশন চেম্বার থেকে বেরিয়ে দরজা বাইরে থেকে বন্ধ করে দিলেন। আরিফ নির্মলের হাত ধরে বললেন, ‘বিশ্বাস করো, আমি জানতাম না এত জঘন্যভাবে তোমাকে ফ্রেম করার প্ল্যান চলছিল। পরে বুঝেছি।’

    নির্মল বলল, ‘ঠিক আছে সাহেব। আপনি যে সোবাহান সাহেবের কথায় প্রভাবিত হননি, তার জন্যই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

    আলমগির বললেন, ‘আমি তো বুঝতে পারছিলাম আরিফ সাহেবের মনে দ্বিধা কাজ করছে। অনলাইনে খবর পাঠানোর কাজটা অবশ্য আমিই করেছি। আমার মনে হয়েছিল খবরটা বেরোনো দরকার। পি এম আমাকে এখানে সিক্রেট মিশনে রেখেছিলেন। সোবাহানের ব্যাপারটা তিনি জানতেন। সাদিকের ব্যাপারটা নির্মল না থাকলে জানা সম্ভব ছিল না। পি এম স্পেশাল অর্ডার পাঠিয়েছেন সাদিকের ব্যাপারটা যেন নির্মল নিজে দেখে। এই মুহূর্তে কী করা উচিত বলে তোমার মনে হয় নির্মল?’

    নির্মল অবিশ্বাসী চোখে আলমগিরের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনি সত্যি বলছেন? পি এম অর্ডার করেছেন?’

    আলমগির বললেন, ‘হ্যাঁ। জাহিরের ব্যাপারে উনি সন্দেহ করেছিলেন। সোবাহান যে এত বেড়ে গেছে, তিনি ধারণা করতে পারেননি। তাছাড়া বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কী হয়েছিল তুমি কি ভুলে গেলে? কাছের লোকেরাই তো সব থেকে বড় শত্রু হয়। সবখানেই নজর রাখা প্রয়োজন। যাক গে, যা হয়, ভালোর জন্যই হয়। তুমি গেম প্ল্যান বল।’

    নির্মল বলল, ‘এই মুহূর্তে সাদিককে রিমান্ডে নিতে হবে। আমি ওকে জেরা করতে চাই। প্রয়োজনে সোবাহান সাহেবের পাশে বসিয়ে দুজনকে একসঙ্গে জেরা করতে হবে।’

    আলমগির বললেন, ‘ডান। তুমি যাবে সাদিককে তুলতে?’

    নির্মল বলল, ‘হ্যাঁ। আমাকে বাহিনি দিন।’

    আলমগির বলল, ‘দু’কোম্পানি বাহিনি নিয়ে যাও। প্রয়োজনে বাড়ি ঘিরে রেখে কলার ধরে ওকে তুলে নিয়ে আসবে। মিডিয়ায় খবর চলে গেছে। সাদিক আজকের মধ্যেই এক্সপোজ হয়ে যাবে।’

    নির্মল বলল, ‘থ্যাঙ্ক ইউ স্যার।’

    আলমগির বললেন, ‘থ্যাঙ্ক ইউ আমাকে না, তোমাকে আমার দেওয়া উচিত। তুমি ক্রমাগত সাদিকের পেছনে না লেগে থাকলে, জাহিরের কাছে না গেলে এদের নেক্সাসটা কিছুতেই ধরা পড়ত না। সোবাহান আর জাহির বড় কিছু প্ল্যান করছিল, সেটা আমরা বুঝতে পারছিলাম। কে জানে, সাদিকের কাজেও হয়তো এ দেশের বিরুদ্ধেই বড় কিছু প্ল্যান আছে।’

    নির্মল বলল, ‘আছে স্যার। এত টাকার ট্রানজাকশান অকারণে হতে পারে না। এ ছাড়া আমি মাদ্রাসার প্রধানকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই স্যার। আমার মনে হচ্ছে এই কুড়ি জন ছাত্রকে ইচ্ছে করে অদৃশ্য করা হয়েছে। এই বাচ্চারা তো কিছুই জানে না, এদের যদি তুলে নিয়ে গিয়ে মগজধোলাই করে কোনও অর্গানাইজেশনে জুড়ে দেওয়া হয়, সেটা আমাদের দেশের জন্য একবারেই ঠিক হবে না।’

    আলমগির মাথা নাড়লেন, ‘রাইট। ওকেও তোলার ব্যবস্থা করা হোক।’ নির্মলের সঙ্গে যাওয়ার জন্য বাহিনি এসে উপস্থিত হল। নির্মল তার অফিস থেকে মাথা উঁচু করে বেরোল। এবার সাদিককে ধরার পালা।

    .

    ৬২

    বড় রাস্তা দিয়ে গাড়ি চলে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে।

    কেউ গাড়ি থেকে নামেনি। সবাই গাড়ির ভেতর চুপ করে বসে আছে।

    জামালের ওয়াকিটকিতে সংকেতের মাধ্যমে কেউ কিছু বলল। জামাল সেটা শুনে বলল, ‘সাদিক বেরিয়েছে। গাড়িতে ড্রাইভার বাদে তিন জন আছে।’

    রাণা বলল, ‘ঠিক আছে।’

    অমলের ফোন বেজে উঠল। অমল ফোন কানে দিল। ও-প্রান্ত থেকে কেউ একজন কিছু বলল। অমল সঙ্গে সঙ্গে ফোন রেখে মোবাইলের ব্রাউজার খুলে বিরক্ত গলায় বলল, ‘উফ্‌! এবার কী হবে?’

    মাথুর বাদাম খাচ্ছিলেন। অমলের বিরক্তি দেখে বললেন, ‘কী হল?’

    অমল বলল, ‘সাদিক এক্সপোজড। নিউজ এজেন্সিগুলোতে সব বেনামে সাদিকের ফরেন ট্রানজাকশানের ডকুমেন্টস পাঠিয়ে দিয়েছে।’

    খান বললেন, ‘সে তো ভালো কথা।’

    অমল বলল, ‘সাকিনাকে পাওয়ার জন্য ভালো কথা না স্যার। বুঝতে পারছেন না, সাকিনাকে পেতে গেলে আমাকে সাদিককে লাগবে। ওর কোনওরকম সমস্যা, আমাদের সমস্যা বাড়িয়ে দেবে।’

    খান ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘তাহলে?’

    অমল বলল, ‘আমি সাদিককে ফোন করে অবস্থা বোঝার চেষ্টা করি? যদি এখানে না এসে চলে যায়? এখানেই ফার্স্ট আসুক, আমি বরং সেটা কনভিন্স করাই?’

    খান ভেবে নিয়ে বললেন, ‘করো।’

    অমল সাদিককে ফোন করল। সাদিক ফোন ধরে নার্ভাস গলায় বলল, ‘রুমানভাই, খবর পেয়েছেন?’

    অমল বলল, ‘মাথা ঠান্ডা রাখুন। আমার কাছে চলে আসুন। আমি দেখছি কী করা যায়।’

    সাদিক বলল, ‘আপনি কী করবেন জনাব? আমার তো আর বাসায় ফেরা হবে না বুঝতে পারতাছি। দু’কোম্পানি ব়্যাবও নাকি আসতাছে। আপনার ভাবিরে আমি কী বুঝামু?’

    অমল বলল, ‘ব়্যাবে আপনার আত্মীয় আছে না?’

    সাদিক বিরক্ত গলায় বলল, ‘আর বইলেন না, তার আমি ফোনই পাই না। কিছুতেই ফোন ধরে না, এত বড় অফিসার।’

    অমল বলল, ‘আপনি ফোন অফ করে চলে আসুন। দেখছি।’

    সাদিক বলল, ‘আইতাছি জনাব। আমি ফোন অফ কইরা দিলাম। চইলাই আইতাছি।’

    অমল বলল, ‘আসুন। গাড়ির নাম্বার বলছি, ঢাকা ভ ৩৪৫৩। রাস্তার বাঁ-দিকে দাঁড়িয়ে আছি। তাড়াতাড়ি আসুন।…’

    অমল বলল, ‘এসে গেছে প্রায়। আপনারা দুজন কি গাড়িতে থাকবেন?’

    খান আর মাথুর পরস্পরের দিকে তাকালেন।

    মাথুর খানকে বললেন, ‘এবার তুষার স্যারকে জিগ্যেস করি?’

    খান গম্ভীর মুখে মাথা নাড়লেন, ‘করো।’

    মাথুর তুষারকে ফোন করলেন। একবার রিং হতেই তুষার ফোন তুললেন, ‘বলো মাথুর।’

    মাথুর বললেন, ‘স্যার, সাদিককে হাইওয়েতে ডাকা হয়েছে। এখানেই পাকড়াও করে থার্ড ডিগ্রি দেওয়ার প্ল্যান করছি।’

    তুষার বললেন, ‘সর্বনাশ! অমল কোথায়?’

    মাথুর বললেন, ‘আমার কাছেই আছে।’

    তুষার বললেন, ‘অমল এই বুদ্ধি অ্যাপ্রুভ করছে?’

    অমল বলল, ‘কিছু করার নেই স্যার, সাদিককে ইন্টারোগেট না করলে সাকিনাকে আর পাওয়া যাবে না। এছাড়াও একটু আগে সাদিক এক্সপোজড হয়ে গেছে। গিয়াস সাদিকের সঙ্গে সবরকম সম্পর্ক বন্ধ করে দেবে। আমাদের হাতে এক ঘণ্টারও কম সময় আছে আমি যা বুঝতে পারছি।’

    তুষার কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললেন, ‘গো অ্যাহেড। আমি দেখছি কী করা যায়। কেউ মরে যেও না, তাহলেই হবে। অ্যাম আই ক্লিয়ার?’

    খান হাসলেন, ‘টু হান্ড্রেড পারসেন্ট।’

    সাদিকের গাড়ি দেখা যাচ্ছে। অমল গাড়ি থেকে নেমে গিয়ে দাঁড়াল। জামাল খান, মাথুর এবং রাণা, তিনজনের হাতেই প্রয়োজনীয় অস্ত্র দিয়ে দিয়েছিল।

    সাদিকের গাড়ি দাঁড়ান মাত্র কাচ নামিয়ে সাদিকের গাড়ির সামনে বসে থাকা আসলাম অমলকে বলল, ‘গাড়িতে আসেন।’

    রাণা সময় দিল না মুহূর্তের মধ্যে গাড়ি থেকে নেমে আসলামের দু’চোখের মাঝখানে গুলি চালাল, আসলাম আর নড়ার সময়ও পেল না। ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট দিতে গেছিল, রাণা তাকেও গুলি করল। শব্দহীন গুলি। আশে পাশে কেউ কোনও শব্দও পেল না। সাদিকের সঙ্গে আরেকজন ছিল। গাড়ি থেকে নামার আগেই তাকেও রাণা মেরে দরজা খুলে সাদিককে বলল, ‘নামুন।’

    সাদিক ফ্যাকাসে মুখে অমলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘গৌতমভাই, রুমানভাই, এসব কী?’

    অমল বলল, ‘আমাদের গাড়িতে আসুন। আপনার কোনও ক্ষতি হবে না। আসুন। ব়্যাব আসছে আপনাকে তুলতে। তার আগে চলুন।’

    সাদিক বিনা বাক্যব্যয়ে তাদের গাড়িতে উঠল। মাথুর তখনও বাদাম খেয়ে যাচ্ছিলেন। সাদিক গাড়িতে উঠতেই মাথুর বললেন, ‘বাদাম খাবেন?’

    সাদিকের বিস্ময়ভাব কাটেনি তখনও। অমলের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ভাই এগুলো কী হচ্ছে?’

    গাড়ি চলতে শুরু করে দিয়েছে। অমল বলল, ‘কিছু হয়নি। আমি আপনারই লোক সাদিকভাই। আমাকে বলুন গিয়াস এখানে এসে কোথায় উঠেছে।’

    সাদিক হতভম্ব গলায় বলল, ‘আপনি আসলামকে মেরে দিলেন? ড্রাইভারকে মারলেন? হারুনকে মারলেন কেন?’

    রাণা সাদিকের কপালে রিভলভার ঠেকিয়ে বলল, ‘আসগরকেও মেরেছি। এবার গিয়াস কোথায় আছে বল, নইলে তোর কী হতে পারে তুই নিজেও জানিস না।’

    সাদিক সিঁটিয়ে গেল।

    অমল বলল, ‘আহ রাণা। তুমি সাদিকসাহেবকে ভয় দেখাছ কেন? সাহেব কি বলেছে বলবে না? বলেন সাহেব, দেরি করবেন না।’

    সাদিক বলল, ‘আপনাকে তো আমি বলেছি রুমানভাই, সাকিনাকে গিয়াস কোথায় রেখেছে আমি বুঝতে পারছি না। আমি জানি গিয়াস কোথায় ছিল। এখন কোথায় আছে তা জানি না।’

    অমল বলল, ‘যেখানে ছিল সেখানেই চলুন আগে। তারপর দেখা যাবে।’

    সাদিক বলল, ‘গুলশানে আমার হোটেলে ছিল।’

    রাণা সাদিকের মাথায় রিভলভারটা আবার ঠেকিয়ে বলল, ‘কোনওরকম নাটক করবি না।’

    সাদিক বলল, ‘এমন করেন কেন গৌতমভাই, আপনারে কোনওদিন পর ভাবসি?’

    রাণা বলল, ‘তোকে এত প্রশ্নের উত্তর দেব না। তুই যদি মিথ্যে বলিস, তাহলে তোর কী হবে, তুই নিজেও জানিস না।’

    সাদিক বলল, ‘গুলশানে চলেন। দেরি কইরেন না। আমি তো এমনিই শেষ ভাই। আমার নামে নিউজ বাইরায় গেছে।’

    অমল বলল, ‘দেখব আমি। দরকার হলে আপনাকে ইন্ডিয়া নিয়ে যাব। ও নিয়ে চিন্তা নাই।’

    সাদিক চমকে গিয়ে বলল, ‘ইন্ডিয়া?’

    খান খুক খুক করে কেশে বললেন, ‘আমরা ছাড়া আর আছেই বা কে?’

    .

    ৬৩

    জিপে উঠেই মোখলেসকে ফোন করল নির্মল। মোখলেসের ফোন পুরোটা রিং হয়ে কেটে গেল। বিরক্ত হল সে। এখন প্রতিটা মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেরি হওয়া মানেই অন্য কোথাও সমস্যা তৈরি হওয়া। গাড়িটা কিছুটা পথ যাবার পর সে দেখল দীপা ফোন করছে। নির্মল লজ্জা পেল। ছাড়া পাবার পর তার দীপাকে ফোন করার কথা মনে হয়নি! ছি-ছি।

    সে সঙ্গে সঙ্গে ধরল, ‘বলো।’

    দীপা কান্নায় ভেঙে পড়ল, ‘কোথায় তুমি? আমি ঢাকায় রওনা দিয়েছি।’

    নির্মল বলল, ‘না না। রওনা দেওয়ার দরকার নেই। তখন একটা সিচুয়েশন হয়েছিল। ঠিক হয়ে গেছে। চিন্তা কোরো না।’

    দীপা বলল, ‘তুমি ঠিক বলছ তো?’

    নির্মল দেখল, মোখলেস ফোন করছে। সে বলল, ‘হ্যাঁ। নিশ্চিন্তে ঘোর। আমি একটা রেইডে যাচ্ছি। রাখছি, পরে কথা বলছি।’

    দীপাকে কিছু বলতে না দিয়েই ফোন কেটে দিল নির্মল। মোখলেসের ফোন ওয়েটিঙে ছিল। ধরে বলল, ‘বল বল। পাখি ঘরে আছে?’

    মোখলেস বলল, ‘আমি বেরোয়ছিলাম তো স্যার। এখনও বাইরে আছি।’

    নির্মল বিরক্ত হয়ে বলল, ‘কোথায় বেরিয়েছিলে?’

    মোখলেস বলল, ‘আমি ভাবলাম কেস ক্লোস হয়ে গেছে। আমি আগের ডেরায় ফিরে গেছিলাম।’

    নির্মল বলল, ‘এখনই এস। আমি যাচ্ছি।’

    মোখলেস বলল, ‘জি স্যার।’

    নির্মল ফোন কেটে ড্রাইভারকে বলল, ‘তাড়াতাড়ি চল।’

    ড্রাইভার চেষ্টা করছে, কিন্তু বিশেষ লাভ হল না। কিছুক্ষণ পরেই গাড়ি জ্যামে পড়ে গেল। নির্মল হতাশ হয়ে ড্যাশবোর্ডে ঘুষি মারল।

    ড্রাইভার বলল, ‘হাইওয়ের দিকে রাস্তা ফাঁকা আছে স্যার। এদিকেই জ্যাম আজ।’

    নির্মল বলল, ‘আমি হাইওয়ের দিকে গিয়ে কী করব? আমার ওদিকে কোনও কাজ নেই।’

    বাহিনীর কয়েকজন গাড়ি থেকে নেমে রাস্তা করে নিল। সাদিকের বাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড়াতেই নির্মল জিপ থেকে নেমে গেটে বলল, ‘দরজা খোল। ব়্যাব।’

    গেট খুলল। নির্মল সাদিকের বাড়ির কলিং বেল টিপল। সাদিকের এক শাগরেদ বেরিয়ে এল। নির্মল বলল, ‘সাদিক শেখ কোথায়?’

    শাগরেদ ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘সাহেব বেরিয়ে গেলেন। আধঘণ্টা হয়েও গেছে গিয়া।’

    নির্মল ভ্রু কুঁচকে ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘মিথ্যে বলছিস?’

    ছেলেটা জোরে জোরে মাথা নাড়ল, ‘না স্যার। আপনি ক্যামেরা দেখেন। স্যার সত্যিই বাইরইয়া গেসে।’

    নির্মল বুঝল ছেলেটা মিথ্যে বলছে না। তবু বাহিনীর ছেলেদের ঘর তল্লাশি করতে বলে দিল। মিনিট দশেকের মধ্যে সবাই জানিয়ে দিল সত্যিই বাড়িতে সাদিক নেই। নির্মল বিরক্ত মুখে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে এল। সাদিকের না থাকার লক্ষণ একবারেই ভালো না। এ ধরনের প্রভাবশালী অপরাধীদের ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, ধরামাত্র এদের সবরকম যোগাযোগের উপায় বন্ধ করে দিতে হয়। ফোন একটা মারাত্মক যন্ত্র। এটার সাহায্যে এরা যেকোনও জায়গা থেকে সাহায্য পেয়ে যেতে পারে। পোর্টালে খবর বেরনোর পর থেকে কি সাদিক পালিয়ে গেল? সেক্ষেত্রে সাদিককে কী করে পাওয়া যাবে?

    নির্মল ফোন বের করল। ট্যাক্সের নথি থেকে সাদিকের সম্পত্তিগুলোর তালিকা পাওয়া গেছে। সেগুলোতে হানা দেওয়া যেতে পারে। সাদিকের বাড়িতে থাকা শাগরেদগুলোকে আটক করে ভ্যানে তোলার নির্দেশ দিয়ে জিপে উঠে ড্রাইভারকে বলল, ‘আলোছায়া টেক্সটাইল মিল চল।’

    ড্রাইভার অবাক হয়ে বলল, ‘ওখানে গিয়ে কী করবেন স্যার? ওখানে তো কাপড় তৈরি করে।’

    নির্মল বলল, ‘চল। যা বলছি কর।’ ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট দিল।

    মোখলেস ফোন করছে। নির্মল ফোন ধরে বলল, ‘কী হল? কোথায় আছ?’

    মোখলেস বলল, ‘আমি এসে গেছি স্যার। এই দাঁড়ায় আছি। আপনার গাড়ি বেরোয় গেল, দেখলাম তো।’

    নির্মল বলল, ‘সাদিকের ব্যাপারে কী জানা গেল?’

    মোখলেস বলল, ‘এখানের দোকানি বলল কিছুক্ষণ আগে গাড়ি বাইর হইছে। সাদিক ওতে করেই গেছে।’

    নির্মল বলল, ‘এই জন্য তোমার এখানে থাকার কথা ছিল। তুমি থাকলে ও কোথায় গেছে সেটা জানা যেত।’

    মোখলেস বলল, ‘হোটেল যায় তো দু’দিন ধরে। মাঝে মাঝেই হোটেল যায়।’

    নির্মল বলল, ‘কোন হোটেল?’

    মোখলেস বলল, ‘গুলশানের হোটেল।’

    নির্মল বলল, ‘ওখানে যেতে পারে?’

    মোখলেস বলল, ‘যাইতেই পারে। আমি জানি না স্যার।’

    নির্মল শ্বাস ছাড়ল, ‘তুমি কিছুই জানো না। রাখো।’

    ফোন কেটে ড্রাইভারকে বলল, ‘গুলশান চলো তো।’

    .

    ৬৪

    ট্রাক চলছে বন্দরের দিকে।

    ট্রাকের ভিতরে বাচ্চাগুলো গাদাগাদি করে বসে আছে। কেউ ভীত চোখে তাকিয়ে আছে। দু’চারজন কান্নাকাটি করছে।

    লতিফ চৌধুরী বসে বসে ঢুলছিল। বলল, ‘কান্নাকাটি করার কী আছে? তোমরা আমাগো ভবিষ্যৎ।’

    একটা বাচ্চা বলল, ‘বাসায় যাব।’

    লতিফ চৌধুরী বলল, ‘বাসায় যাবা? কেন? বাসায় কী আছে?’

    বাচ্চাটা বলল, ‘আব্বা আম্মা আছে।’

    লতিফ বলল, ‘কিছুই শেখ নাই। তোমরা জানো না, আমাগো আব্বাহুজুর একজনই? জানো? তোমাগো যাতে কষ্ট না হয়, তার জন্য আমি নিজে যাইতাসি তোমাগো লগে। তোমরা আমার কষ্ট দেখতে পাও না?’

    বাচ্চাটা চুপ করে গেল। লতিফ বলল, ‘কও তো পোলারা, তোমরা কোন দেশের নাগরিক?’

    সবাই একযোগে বলল, ‘বাংলাদেশ।’

    লতিফ দাড়ি নেড়ে মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, ‘না-না, হয় নাই। আমাগো দেশের নাম পাকিস্তান। কও জোরে। কী আমাগো দেশের নাম?’

    কেউ কেউ পাকিস্তান বলল। বেশিরভাগ বাচ্চা চুপ করে রইল।

    লতিফ রেগে গেল, ‘কিছু শেখায় না এরা। শুধু টাকা লইয়া যায়। কামের কাম কিছু হয় না। আমাগো দ্যাশের নাম পাকিস্তান। ঠিক কইছি?’

    এখনও অনেকে চুপ করে রইল। লতিফ এবার চিৎকার করল, ‘ঠিক কইছি কি না? যার মনে হবে ভুল কইছি, সে জাহান্নামে যাবে। বুঝছ?’

    একটা বাচ্চা ভয়ে ভয়ে জিগ্যেস করল, ‘আমরা এখন কোই যাইতাছি হুজুর?’

    লতিফ বলল, ‘কাম শিখতে যাইতাছি। আমরা কেউ তো কাম শিখি নাই। শিখছি? শুধু তর্ক করতে শিখছি। কেউ কিছু জানি না। শিখুম না? শিক্ষামূলক ভ্রমণ মানে কি বোঝো তোমরা?’

    বাচ্চাগুলো কেউ কিছু বলল না।

    ট্রাক দাঁড়াল। লতিফ ঘাবড়ে গিয়ে ফোন করল ড্রাইভারকে। ‘কী হইল? থাইমা গেলা কেন?’

    ড্রাইভার বলল, ‘জ্যাম লাগছে হুজুর।’

    লতিফ বিরক্ত হয়ে বলল, ‘এই জন্য এখানে এত সমেস্যা। রাস্তায় নামলেই শুধু জাম হয়। পাকিস্তান হইয়া গেলে এসব হইবো না। আমাগো লক্ষ্য পাকিস্তান। দেখি সবাই কও দেখি, পাকিস্তান জিন্দাবাদ। কও কও। পাকিস্তান…’ বাচ্চাগুলো কেউ কেউ বলল, ‘জিন্দাবাদ।’ একসঙ্গে বলল না।

    লতিফ রেগে গিয়ে বলল, ‘শিখাতে হবে। সব কয়টারে শিখাইতে হবে। অনেক কাম।’

    ট্রাক আবার চলতে শুরু করল। লতিফ একসময় বসে বসে ঘুমিয়ে পড়ল। ঢুলে ঢুলে ঘুমাতে শুরু করল।

    ফোন বেজে উঠল আবার তার। সে ধড়মড় করে উঠে বসে ফোন ধরল, ‘জি হুজুর।’

    ‘আপনারা প্রায় পৌঁছে গেছেন?’

    ‘জি হুজুর।’

    ‘আপনাদের আনলোড করে দেওয়া হবে। বাকিটা আমরা রিসিভ করে নেব। চিন্তার কোনও ব্যাপার নেই।’

    ‘জানি তো হুজুর। চিন্তা আমি করি না। আমি এই ছেলেগুলারে আপনাদের হাতে দিতে পারলেই নিশ্চিন্ত হব।’

    ‘গুড জব চৌধুরী। তুমি পুরস্কৃত হবে। তোমার জন্য আমরা গর্বিত।’

    ‘কী যে বলেন জনাব! যতক্ষণ না আর একবার এ দেশ পাকিস্তান হবে, ততক্ষণ আমার জীবনে বেঁচে থাকার কোনও মানে আমি খুঁজে পাব না।’

    ‘ইনশাল্লাহ।’

    ‘ইনশাল্লাহ জনাব।’

    ফোন কেটে লতিফ বাচ্চাদের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, ‘তোমরা কত সৌভাগ্যবান জানো? তোমাগো নির্বাচন করা হইছে তার কাজে। স্বয়ং উপরওয়ালা তোমাগো নির্বাচন করসে। তোমরা এবার লড়াই করা শিখবা।’

    কয়েকজন আবার কেঁদে উঠল, ‘বাসায় যামু।’

    লতিফ বিরক্ত হয়ে হাতের কাছে যে ক’টা বাচ্চাকে পেল, তাদের চড় মারতে শুরু করল।

    বাচ্চাগুলো ভয় পেয়ে কাঁদতে শুরু করল।

    লতিফ ঠোঁটে আঙুল দিয়ে বলল, ‘চুপ। সবাই চুপ। আমরা এসে গেছি। আর চিন্তা নেই। বসে থাকো।’

    কেউ কেউ চুপ করল। বেশিরভাগই আতঙ্কে কান্নাকাটি করে যাচ্ছিল। একটা ছেলে হঠাৎ করে লতিফের হাতে কামড়ে দিল। লতিফ চিৎকার করে উঠল, ‘ও মাগো, কত সাহস? এই শিখছ তোমরা মাদ্রাসায়?’

    লতিফ ঘাবড়ে গেছে দেখে ছেলেটার দেখা দেখি বাকি বাচ্চারাও লতিফকে আক্রমণ করল। কেউ কামড়াল, কেউ লতিফের দাড়ি ধরে টান মারল। একটা ছেলে লতিফের ফোন নিয়ে ট্রাকের দেওয়ালে সজোরে ছুঁড়ে মারল।

    কুড়িটা ছেলে একসঙ্গে লতিফকে আক্রমণ করল। লতিফ হাত-পা ছুঁড়েও সামলাতে পারল না। কয়েক মুহূর্তের আচমকা হানায় ছেলেগুলো তার জামাকাপড় ছিঁড়ে বিধ্বস্ত করে দিল।

    ট্রাক গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই লতিফ অজ্ঞান হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }