Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৩৫

    ৩৫

    ধানখেতের পাশে কারো বাড়ি হলে জানলা খোলা থাকলে ভোরবেলা যে হাওয়াটা আসে, সেটার তুল্য বোধহয় আর কিছু হতে পারে না। অমল জানলা খোলা রেখে ঘুমোতে বলেছিল। ভোরবেলা জানলার বাইরে তাকিয়ে রাণার মনে হল এই দৃশ্যটা দেখার জন্যই হয়তো সে এখনও বেঁচে আছে। সবুজ ধানের ওপরে ভোরের আলো পড়ছে। পাখির ডাক ভেসে আসছে। রাণা বেশ কিছুক্ষণ মন্ত্রমুগ্ধের মতো বসে রইল।

    অমল ঘুমোচ্ছে। ক্লান্তির ঘোরেই ঘুমোচ্ছে। রাণা উঠে বাইরে এল। ইমতিয়াজ দাঁতন ঘষছে দাওয়ায় বসে। তাকে দেখে বলল, ‘ঘুম হল?’

    রাণা বলল, ‘হ্যাঁ।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘দিনের বেলায় বেরোবে না। ঠিক আছে?’

    রাণা বলল, ‘হ্যাঁ।’

    ইমতিয়াজ তার দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে বলল, ‘কতদিন কাজ করছ?’

    রাণা বলল, ‘বেশিদিন না। এখানেই প্রথম।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘ট্রেনিং?’

    রাণা বলল, ‘কোনও ট্রেনিং হয়নি।’

    ইমতিয়াজ বিস্মিত হয়ে বলল, ‘এরকম হয় নাকি?’

    রাণা বলল, ‘হ্যাঁ, এরকমই হয়েছে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘কে পাঠিয়েছে তোমায়?’

    রাণা বলল, ‘জানেন না?’

    ইমতিয়াজ মাথা নাড়ল।

    রাণা বলল, ‘তাহলে আর জেনে কী করবেন? আপনি এখানে ক’দিন আছেন?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘বছর দশেক। তার আগে ঢাকায় ছিলাম। এখন তো রিটায়ারমেন্ট হয়ে গেছে।’

    রাণা অবাক হল, ‘মানে? আপনি ইন্ডিয়ার লোক নন?’

    ইমতিয়াজ বিরক্ত হল, ‘গলা নামিয়ে কথা বলো। না আমি ইন্ডিয়ার লোক নই।’

    রাণা বলল, ‘তবে?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘সময়ে ঠিক জানবে। অত জেনে কী করবে তুমি?’

    রাণা চুপ করে গেল। ইমতিয়াজ বলল, ‘ওখানে নিম ডাল আছে। দাঁতন করে নাও। অ্যাডের টুথপেস্টের থেকে অনেক ভালো।’

    রাণা তাই করল। গ্রামে থাকতে এ অভ্যাস তার ছিল। দাঁতন করতে করতে বলল, ‘অমলদাকে কত দিন ধরে চেনেন?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘অমলকে বর্ডার পার করে আমিই এনেছিলাম। এদিকে কে আসত তখন? সব তো যাচ্ছে। আউট গোয়িং। বাংলাদেশের ইম্পরট্যান্সটা দিল্লি ঠিকই বুঝত, তাও খুব বেশি বাজেট ছিল না। ধীরে ধীরে আই এস আই যত বেড়েছে, ওদিকেও টনক নড়েছে।’

    রাণা বলল, ‘প্রথম দিকের তাহলে?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘বললাম তো, সব একবারে বলব না। এত কথা হওয়াও ঠিক হল না। ভোরের দিকে মুড ভালো থাকে। তোমার কি মনে হয়, এই জায়গায় আমার থাকতে ভালো লাগে? না আছে কোনও উত্তেজনা, না আছে কিছু। এর থেকে পাকিস্তানে থাকা ভালো। কত রকম রিস্ক থাকে। এই আছি, এই নেই। মনে হয় ম্যাজিক চলছে।’

    ইমতিয়াজ টেনে টেনে হাসল। কল থেকে জল নিয়ে মুখ ধুয়ে তার সামনে এসে বসল, ‘একটা রুল সব সময় আছে মনে রাখবে। আই এস আইকে কোনদিন হালকাভাবে নিতে নেই। ওদের দেশের লোক না খেয়ে মরলেও ওরা ওদের মতো করে স্ট্র্যাটেজি বানিয়েই যাবে।’

    রাণা বলল, ‘আমি অত কিছু বুঝি না। বোঝার দরকার নেই।’

    ইমতিয়াজ অবাক হয়ে বলল, ‘তাহলে তুমি এখানে কী করছ?’

    রাণা স্থির চোখে কয়েক সেকেন্ড ইমতিয়াজের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বাংলাদেশ ঘুরতে এসেছি। ঘুরে চলে যাব।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘মজা করো? আমার সঙ্গে মজা করো? আমি কত সিনিয়ার জানো? তোমার ইয়ারবন্ধু ভেবেছ নাকি?’

    রাণা কলের জলে মুখ ধুতে শুরু করল। ইমতিয়াজ বলল, ‘কমবয়সি ছেলেদের এই হল সমস্যা। সিনিয়রদের সম্মান করতে জানে না।’

    রাণা মুখ ধুয়ে বলল, ‘আমি আপনাকে রাগানোর জন্য কিছু বলিনি। আমার ব্যাপারটা এরকমই। অত ভেবে কিছু করি না। যেটা মনে হয় করি। আমার মনে হয় না পাকিস্তানকে নিয়ে এত চিন্তা করার কিছু আছে বলে। কী করবে আই এস আই? কোনও ক্ষমতা নেই। অকারণ হাওয়া দিয়ে ফোলানো হচ্ছে এই ব্যাপারগুলোকে।’

    ইমতিয়াজ ফিক ফিক করে হাসতে শুরু করল, ‘ভালো লোক পাঠিয়েছে তো! কোত্থেকে তুলল তোমাকে?’

    রাণাও হেসে ফেলল ইমতিয়াজের কথা শুনে, ‘ওই, তুলে পাঠিয়ে দিয়েছে আর কী!’

    ইমতিয়াজ হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গেল, ‘ঠিক আছে। তুমি ঘরে চলে যাও। বেরিও না আর। এলাকার লোক যেন তোমাদের বাইরে না দেখে।’

    .

    ৩৬

    রাত দশটা।

    সোবাহান সাহেব এসেছেন। নির্মলের বেঁধে দেওয়া হাত খুলে দিচ্ছে নুরুল।

    মেয়েগুলো কেমন কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে আছে।

    একটু দূরে জরিনা দাঁড়িয়ে নির্মলকে দেখছে।

    বাড়িটা থেকে বেরিয়ে গলিতে এসে সোবাহান চারদিকে তাকিয়ে বললেন, ‘নির্মল।’

    নির্মল বলল, ‘জি স্যার।’

    সোবাহান বললেন, ‘তুমি এখানে কী করছিলে?’

    ঠোঁটের পাশটা নোনতা লাগছে। রক্তটা দেখা যাচ্ছে কি? নির্মলের অস্বস্তি হচ্ছিল। এর থেকে লজ্জার আর কী হতে পারে? সাদিক সোবাহানকে ডেকে তাকে নিয়ে যেতে বলেছে। তাও সশরীরে আসেনি, ফোন করেছে। সোবাহান তাতে এরকম কুকুরের মতো চলে এসেছে। সোবাহানের প্রশ্নের উত্তরে নির্মল বলল, ‘একটা ঠিকানা খুঁজতে এসেছিলাম।’

    সোবাহান বললেন, ‘ঠিকানা? কীসের ঠিকানা?’

    নির্মল বলল, ‘আমার এক বন্ধু থাকে এদিকেই। সাদিক আলম নাম।’

    সোবাহান বাকিদের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘এগিয়ে যাও সবাই।’

    সোবাহানের সঙ্গে যারা এসেছিল তারা গলির মুখের দিকে হাঁটতে শুরু করল। সাদিকের ঘরটার বাইরে যে ছেলেগুলো দাঁড়িয়ে ছিল, তাদের দিকে তাকিয়ে গলা নামিয়ে সোবাহান বললেন, ‘আমাকে তোমার কী মনে হয় নির্মল?’

    নির্মল বলল, ‘কিছু না স্যার। আমি পার্সোনাল কাজে এসেছিলাম, বললাম তো।’

    সোবাহান বললেন, ‘পেছনে লাথ মেরে ইন্ডিয়ায় পাঠিয়ে দেব তোকে। ইন্ডিয়ার দালাল। তোর লজ্জা লাগে না? এদেশের খাস আর ইন্ডিয়ার হয়ে কাজ করিস?’

    নির্মলের কান মাথা ঝাঁ-ঝাঁ করছিল। সোবাহান যে এই কথাটা বলবে, সে ভাবতে পারেনি। সে বলল, ‘এগুলো কী বলছেন আপনি?’

    সোবাহান বললেন, ‘ঠিক বলছি। তুই র-এর হয়ে কাজ করিস, তাই না? আনোয়ার তাই করত, তুই তো ওর সঙ্গেই ছিলিস। ওর চামচা। ও যেভাবে বলত, তুই সেভাবে কাজ করতিস। এখন দেখছিস আমি এসেছি, তোর পাখনাগুলো কাটতে শুরু করেছি, তাতে তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে, তাই না?’

    নির্মল কাতর গলায় বলল, ‘একবারে বাজে কথা স্যার। আমি আনোয়ার স্যারকে চিনতাম। উনি দেশের বাইরে কোনদিন কিছু ভাবেননি। আমিও ভাবিনি। ইন্ডিয়ার হয়ে কাজ করতে যাবই বা কেন? এদেশে আমার সাতপুরুষ থাকে, আমি জন্মেছি এদেশে, আমাকে অন্য কোনও দেশের হয়ে কাজ করতে হবেই বা কেন? আমি ইনভেস্টিগেশনে এসেছিলাম স্যার, সাদিকের এখানে কতগুলো মেয়ে থাকে, সেগুলো দেখতে এসেছিলাম।’

    সোবাহান আঙুল দিয়ে নিজের ঠোঁটে দিলেন, ‘একদম চুপ থাক। একদম চুপ। তোর ভাগ্য ভালো যে তোকে জেলে না নিয়ে গিয়ে বাইরে নিয়ে বোঝাচ্ছি। যা বলছি, মন দিয়ে শুনে রাখ। বাসায় যাবি, খাবি দাবি, ঘুমাইয়া পড়বি। কাল থেকে তুই একটা অন্য মানুষ। তোকে যেন কেউ সাদিক বা ওর লোকজনের ধারে কাছে দেখতে না পায়। সাদিক এ দেশের সম্পদ। ও কী করবে, না করবে, সব আমি বুঝব। আমি দেখব। তোকে দেখতে হবে না, ক্লিয়ার?’

    নির্মল কয়েক সেকেন্ড চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। সোবাহান এবার গলা তুলল, ‘ক্লিয়ার কি না?’

    নির্মল বলল, ‘ক্লিয়ার স্যার।’

    সোবাহান বললেন, ‘ওয়েল অ্যান্ড গুড। চল এবার।’

    সোবাহান হাঁটতে শুরু করলেন। নির্মল একবার ঘাড় ঘুরিয়ে বাড়িটার দিকে তাকাল। জানলা দিয়ে জরিনার মুখটা দেখা যাচ্ছে। পর্দা তুলে দেখছে তাদের। কয়েক সেকেন্ড থেমে রাস্তার দিকে হাঁটতে শুরু করল সে। গাড়িতে উঠে সোবাহান তাকে তার পাশে বসালেন। ড্রাইভারকে বললেন, ‘নির্মল স্যারকে ওর বাসায় নামিয়ে দাও আগে।’

    ড্রাইভার গাড়ি স্টার্ট করল। নির্মল চোখ বন্ধ করল। জরিনা ফিসফিস করে তাকে তখন বলল, ‘সাকিনা আপুরে কে জানি তুইলা নিয়া গেছে। আপনি জানেন সে কোথায় আছে?’ মোখলেস যে মেয়েটার কথা বলছিল, মেয়েটার নাম তবে সাকিনা?

    বাইরে থেকে ছেলেগুলো ছুটে এল তখন। চিৎকার করে জরিনার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘যা, ঘরের ভিতর যা। বাইরে যেন না দেখি।’

    জরিনা ভীত চোখে তার দিকে তাকিয়ে চলে গেল। নির্মলকে একটা ছেলে এসে চড় মেরেছিল। নির্মল ছেলেটার মুখ মনে করার চেষ্টা করতে লাগল। মনের ভিতর রিক্যাপ দরকার। খুব জরুরি রিক্যাপগুলো। মাথার ভেতর সোবাহানের ‘ইন্ডিয়ার দালাল’ শব্দগুলো ভাসছে। সেটা যেন মনে প্রভাব না ফেলে। মনের রিক্যাপটা ওর মতো করে হোক। দাঁতে দাঁত চিপল সে। সোবাহানের অপমানটা সে কোনদিন ভুলবে না।

    .

    ৩৭

    মাটিতে পড়ে আছে রুমা। মাথার ভেতরে কেমন একটা আচ্ছন্ন ভাব। গায়ে হাতে পায়ে অসহ্য ব্যথা করছে।

    দরজা খুলে গেল।

    ‘একী? এরকম অবস্থা করসে তোমার?’

    সাদিকের গলা। কোনওমতে চোখ খুলল রুমা। চোখ ভারি হয়ে ফুলে গেছে। গিয়াস চোখে ঘুষি মেরেছিল।

    সাদিক তার কাছে এসে বসল। গায়ে হাত বুলিয়ে দিতে শুরু করল।

    রুমা কথা বলতে পারছে না।

    এই লোকটা তার সঙ্গে কত রাত কাটিয়েছে। কত আদর করেছে। তাকে কি উদ্ধার করবে?

    কথাটা ভাবতে ভাবতেই মাথায় তীব্র যন্ত্রণা অনুভব করল সে। সাদিক তার চুলের মুঠি শক্ত করে ধরেছে, সাপের মতো গলায় হিসহিস করে বলল, ‘কে তুই? তুই তো সাকিনা না। তোর দেওয়া ঠিকানায় তোর ছবি দেখে কেউ চিনতে পারেনি। সত্যি করে বল তুই কে।’

    এইভাবে দুঃস্বপ্ন সত্যি হয়ে যাবে সে ভেবেছিল, এত তাড়াতাড়ি সত্যি হবে ভাবেনি। বলল, ‘কোনও ভুল হইতাসে আপনাগো, আমি সাকিনা। আমার গ্রামের লোক চিনবে না ক্যান আমারে?’

    গিয়াসের গলা পাওয়া গেল, ‘চিনবে না, কারণ তুই ইন্ডিয়ান, আমি শুরুতেই বুঝেছিলাম। এবার তুই বলবি তোকে কে পাঠিয়েছে। নইলে তোর কী হতে পারে তুই জানিস না। তুই চাইবি তোর মৃত্যু হোক, কিন্তু হবে না। বুঝতে পারছিস?’

    রুমা বিহ্বল গলায় কেঁদে উঠল, ‘আমারে এরকম কইরেন না, আমি একটা দুঃখী মেয়ে, এরকম কইরেন না। ও সাদিক সাহেব, আপনি আমারে এরকম করতাসেন?’

    সাদিক হাতের মুঠি আলগা করল, রুমার চুল ছেড়ে দিয়ে বলল, ‘ধরে নিলাম তুই ইন্ডিয়ান না, তাহলে মিজানরে ফিট করসিলি কী কইরা?’

    রুমা বলল, ‘মিজানভাইরে জিগান।’

    সাদিক বলল, ‘তুই জানিস না মিজান মার্ডার হইসে?’

    রুমা আকাশ থেকে পড়ার ভান করল, ‘আল্লাহর কসম খাই, জানি না। আমি তো ঘর ছাইড়া কোথাও যাই নাই। মিজান ভাইয়ের খবর আমি কেমনে পামু?’

    সাদিক বলল, ‘সন্দেহটা ওই জন্যই তো হচ্ছে। মিজান একা মরেনি, যাদের যাদের তোর সঙ্গে যোগ থাকার কথা, সবাই মরসে। তোর গ্রামের লোক তোর ছবি দেখে চিনতে পারে নাই। আমারে কী ভাবোস, গাধা?’

    রুমা কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘হায় আল্লাগো, আপনাগো কেমনে বিশ্বাস করাই, গেরামে আমি বোরখা পইরা থাকতাম, আমারে কে কী কইরা চিনবে? আমি কঠিন পর্দা করতাম, আমারে ওরা দেখবে কেমনে?’

    গিয়াস বলল, ‘শি ইজ লাইং সাদিক। সি ইজ ভেরি স্টেডি। আমার কথা শোন, ওকে আমি দেশে নিয়ে যাই। তারপর দেখছি ওকে কী করা যায়।’

    সাদিক দ্বিধাগ্রস্থ গলায় বলল, ‘আমাকে একটু দেখতে দেন। তারপর নিয়া যাইবেন।’

    গিয়াস রাগী গলায় বলল, ‘কী দেখবে?’

    সাদিক বলল, ‘ওর কথা মিথ্যা নাও হইতে পারে। আমাদের গ্রামগুলোতে অনেক মাইয়াই কঠিন পর্দা করে। তাগো চিনতে পারে না অনেকেই।’

    গিয়াস বলল, ‘হতে পারে না। এত ধার্মিক তোমরা নও।’

    সাদিক গলা নরম করে বলল, ‘জনাব। এই মাগীরে আমারে দিয়া দেন। যদি দেখা যায় মাগী মিথ্যা কয়, আমি নিজের হাতে ওরে শেষ করুম। কিন্তু জনাব, যদি মাগী দোষী না হয়, তাহলে অকারণ ওরে শাস্তি দেওন হইবে না?’

    গিয়াস বলল, ‘তোমার মেয়ের অভাব? কোথাকার মেয়ে লাগবে তোমার? তুমি আমার সঙ্গে পাকিস্তানে চলো, কত মেয়ে লাগবে তোমার আমি দেখব।’

    সাদিক বলল, ‘জনাব, আমি তো কইতাসি আপনেরে, আমার হাতে ছেড়ে দেন, আমি বুইঝা নিমু। আপনি চিন্তা কইরেন না।’

    গিয়াস বলল, ‘আমি চিন্তা করব নাকি সেটা আমার ব্যাপার। আমার কাজ আমাকে করতে দাও। তুমি চলে যাও। আমি দেখছি ওকে।’

    সাদিক অনুনয় বিনয় করতে লাগল, ‘জনাব। ছাইড়া দেন জনাব। আমার মনে হয় না সাকিনা মিথ্যা কইতাসে।’

    গিয়াস গম্ভীর গলায় বলল, ‘তোমার সঙ্গে এই বিষয়ে আমি আর কোনও কথা বলব না। জাস্ট গেট লস্ট ইউ ফুল।’

    সাদিক শ্বাস ছেড়ে উঠে দাঁড়াল। রুমার দিকে একবার তাকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল…।

    .

    ৩৮

    নতুন দিল্লি। রাত দুটো। তুষার ঘুমোচ্ছিলেন।

    ফোনটা বেজে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে জেগে উঠে ফোন রিসিভ করলেন। ওপাশ থেকে ভেসে আসল, ‘বেকারার করকে হামে…রিমেকের বাজার হিট হয়ে গেছে নাকি?’

    তুষার হাসলেন, ‘রিমেকেরই তো বাজার। সব পুরোনো জিনিস নতুন মোড়কে চলে এসেছে।’

    ‘বলছি কী, বলিউডের চাহিদা তো সব দিকেই আছে, তবে শুনছিলাম, ইস্টার্ন সাইডে নাকি বলিউডের কোনও সিঙ্গার প্রোগ্রাম করতে গিয়ে চোক করে গেছেন।’

    তুষার সঙ্গে সঙ্গে সোজা হয়ে বসলেন, ‘ইস্ট?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘ওটা আমাদের স্টুডিওর জুরিসডিকশনে নেই এখন।’

    ‘শুনেছি। স্টুডিও ভেঙে গেছে। হিট গান এখন আর স্টুডিওতে রেকর্ড হচ্ছে না। সমস্যা হল, এর ফলে প্রতিযোগী স্টুডিওর গান হিট হয়ে যাবে। সিঙ্গার এখন তাদের কাছে আছে।’

    ‘স্টুডিওর ঠিকানা?’

    ‘আপাতত ইস্টার্ন রিজিয়নেই। কিন্তু ওয়েস্টার্ন সাইডে গেলে সিঙ্গার উইল বি ইন বিগ ট্রাবল। প্রোডিউসারদের খুব তাড়াতাড়ি যা করার করতে হবে। গুড নাইট।’

    ফোন কেটে গেল। তুষার তৎক্ষণাৎ খানের নম্বরে ফোন করলেন। তিনবার রিং হবার পর আশরফ খান ফোন ধরলেন, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘বড়াল কল্ড। বাংলাদেশে আমাদের কেউ আই এস আইয়ের হাতে আছে। এখনও বাংলাদেশেই আছে, তাকে পাকিস্তান নিয়ে যেতে পারলে সমস্যা ভয়াবহ হয়ে যাবে।’

    খান বললেন, ‘কিন্তু স্যার, আমরা কী করব এখানে? বাংলাদেশের কোনও আপডেটও তো নেই।’

    তুষার বললেন, ‘সব জানি। কিন্তু এসব জানার পরে হাতে হাত রেখে বসতে পারছি না। আমাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্যবস্থা নিতে হবে। আমি মিনিস্ট্রিতে কন্ট্যাক্ট করছি। তুমি তৈরি হও।’

    খান হাসলেন, ‘আগে আপনি কথা বলুন স্যার। কলকাতার মতো লজ্জার ব্যাপার হলে ভালো লাগবে না। বাংলদেশে কোড সেভেন অ্যাক্টিভেট করা আছে। আমরা কাজ করতে গেলেই ঝামেলা হবে।’

    তুষার বললেন, ‘আমি বুঝে নেব, বললাম তো। শেখাওয়াত লাস্ট কবে কন্ট্যাক্ট করেছিল?’

    খান বললেন, ‘দু’মাস হয়ে গেল। পুওর কমিউনিকেশনটা একটা প্রবলেম তো বটেই। ওর মতো হুইমজিকাল একটা লোক কী করে ইস্টার্ন রিজিওন সামলাচ্ছে আমি সত্যি জানি না স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘হিস্ট্রি ঘেঁটে লাভ নেই। তুমি কি মাথুরকে নেবে?’

    খান বললেন, ‘আপনি যা বলবেন। মাথুর অরুণাচল থেকে আজকেই ফিরেছে। ওর যাওয়াটা কি ঠিক হবে?’

    তুষার বললেন, ‘কথা বলো। যেতে চাইলে নিয়ে যাও। অবশ্য যেতে চাইবে না, তা নয়। শেখাওয়াত কাকে ঢাকা পাঠিয়েছিল, তাও জানি না। সায়ক জেনে গেল, অথচ আমরা জানতে পারলাম না।’

    খান বললেন, ‘আপনি কী করবেন স্যার, আপনি এই ব্যাপারটা হ্যান্ডেল করলে নিশ্চয়ই জানতেন। আপনি কথা বলে নিন। তারপর মাথুরকে ফোন করে নেব।’

    তুষার ফোন কাটলেন। কয়েক সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে জানলার বাইরে তাকালেন। সবাই ঘুমোচ্ছে। কেউ জানেও না দেশের এক সন্তান এই মুহূর্তে আই এস আইয়ের হাতে বন্দী। তুষার চোখ বন্ধ করলেন। যারা জানে না, তারা ভাবতেও পারবে না আই এস আই কী ভয়ানক অত্যাচার করে। ছেলে হলে একরকম, মেয়ে হলে আরেকরকম। কিছুদিন আগে মুজফফরাবাদে এক এজেন্টের শরীর থেকে একটু একটু করে চামড়া আলাদা করে দিয়েছিল। সারা শরীর ক্ষত আর ঘায়ে ভর্তি হয়ে উঠেছিল সে এজেন্টের, সে শরীরের উপর দিয়ে নুন লঙ্কার মিশ্রণ প্রয়োগ করে অত্যন্ত শীতে বরফের উপরে তাকে ফেলে দিয়ে গেছিল। ভারতীয় সেনা যখন সে শরীর উদ্ধার করে, মানসিকভাবে অত শক্তিশালী সেনারাও ও দৃশ্য নিতে পারেনি।

    বাংলাদেশে ঠিক কী অবস্থা তৈরি হয়ে আছে এখন? তুষার শেখাওয়াতকে ফোন করার চেষ্টা করলেন। লাভ হল না। শেখাওয়াত ফোন ধরলেন না। তুষার সরাসরি প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে হটলাইনে ফোন করলেন। মন্ত্রীকে ফোনে পেতে মিনিট পাঁচেক লাগল। ঘুমঘোরে বললেন, ‘বলুন।’

    তুষার বললেন, ‘স্যার, আই এস আইয়ের হাতে আমাদের এক এজেন্ট বন্দী হয়েছে বাংলাদেশে। এই মুহূর্তে আমরা অন্য কোনও অর্গানাইজেশনের হাতে বাংলাদেশ ছাড়তে পারব না। আমি বাংলাদেশের পরিস্থিতির কন্ট্রোল হাতে নিয়ে নিতে চাই। শেখাওয়াতকে কন্ট্যাক্ট করতে পারিনি। আমার কাছে আর কোনও অপশন নেই। কোড সেভেন ব্রেক করার অর্ডার দিন স্যার।’

    মন্ত্রী কয়েক সেকেন্ড চুপ করে থেকে বললেন, ‘আর ইউ সিওর?’

    তুষার বললেন, ‘আপনার কাছে এখনও অবধি বাংলাদেশ রিলেটেড এরকম কোনও ইন্টেল এসেছে? আপনি জানেন ওখানে আমাদের এজেন্ট ধরা পড়েছে?’

    মন্ত্রী বললেন, ‘না।’

    তুষার বললেন, ‘আমি ঝুঁকি নিতে চাইছি না। আমার কন্ট্রোল চাই।’

    মন্ত্রী বললেন, ‘গিভ মি ফাইভ মিনিটস।’

    তুষার বললেন, ‘ওকে স্যার।’

    ফোন কেটে গেল। মিনিট পাঁচেক পরে মন্ত্রীই ফোন করলেন, ‘শেখাওয়াত ফোন ধরছে না তুষার। আমাকে কোন খবরও দেয়নি।’

    তুষার বললেন, ‘স্যার প্লিজ, আপনি আমাদের এগোতে বলুন। আর দেরি করা যাবে না।’

    মন্ত্রী বললেন, ‘ওকে। গো অ্যাহেড।’

    তুষার বললেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার। আর প্লিজ, এর পর শেখাওয়াত যে ঝামেলা করুক…।’

    মন্ত্রী বললেন, ‘আমি বুঝে নেব। ইউ গো অ্যাহেড।’

    তুষার খুশি হলেন, ‘ওকে স্যার।’

    .

    ৩৯

    সকাল ন’টা বাজে।

    পরোটা আর আলুভাজা করে দিয়েছে ইমতিয়াজ।

    অমল ওঠেনি। রাণা টিভি দেখছিল। ইমতিয়াজ রাণার সামনে বসে বলল, ‘আমি কিছুতেই সাকিনাকে ফোনে পাচ্ছি না। কী হতে পারে?’

    রাণা বলল, ‘ওর সাথে আমার তেমন যোগাযোগ হয়নি। অমল বলতে পারবে হয়তো।’

    ইমতিয়াজ চিন্তিত গলায় বলল, ‘সমস্যার ব্যাপার হল। অমল উঠবে না? ওকে তুলি?’

    রাণা বলল, ‘না তোলাই ভালো মনে হচ্ছে। পরিশ্রম হয়েছে।’

    ইমতিয়াজ কাঁধ ঝাঁকাল, ‘ঠিক আছে। যা ভালো বোঝো। তুমি খেয়ে নাও।’

    রাণা বলল, ‘ঠিক আছে।’

    একটা ফোন বাজার শব্দ হল। ইমতিয়াজ সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াল, ‘ওরে বাবা, এই ফোনটা বাজে কেন আবার?’

    ব্যস্ত হয়ে ইমতিয়াজ ঘরের ভেতর চলে গেল। রাণা দেখল ইমতিয়াজ বেশ নিচু স্বরে কথা বলছে। এমনিতে ইমতিয়াজের গলার স্বর অনেকটা চড়া। সে লোক গলা নামিয়ে কথা বলছে মানে চিন্তার ব্যাপার।

    মিনিট পাঁচেক পরে ইমতিয়াজ ফোন রেখে এসে অমলকে ঠেলে তুলে দিল, ‘ওঠো ওঠো।’

    অমল ঘুমচোখে উঠে বসে বলল, ‘কী হয়েছে?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘হাই অ্যালার্ট ফোন এসেছে দিল্লি থেকে। আমাদের কোনও এজেন্ট নাকি আই এস আইয়ের হাতে আটকে পড়েছে। এদিকে আমি সাকিনাকেও ফোনে পাচ্ছি না। দিল্লি থেকে একটা টিম এসে যাবে আজ। কী করব?’

    অমল বলল, ‘সাকিনাকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না?’

    ইমতিয়াজ ঘাড় নাড়ল, ‘না।’

    অমল রাণার দিকে চাইল, ‘আমাদের ঢাকা যেতেই হবে। সাকিনাকে তুলে নিয়ে গেলে সমস্যা আছে।’

    ইমতিয়াজ রেগে গেল, ‘মাথা খারাপ হয়েছে? এখন ঢাকা যাবে?’

    অমল বলল, ‘এছাড়া কী করব? আচ্ছা, আমি সাকিনার কাছে লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। গিয়ে দেখে আসুক। তারপর দেখছি কী করা যায়।’

    অমল পকেট থেকে ফোন বের করে নাম্বার ডায়াল করল। মিনিটখানেক কথা বলে ফোন রেখে বলল, ‘সাকিনাকেই তুলেছে যা মনে হচ্ছে। বাজারের ওখানে সাকিনার সঙ্গে কন্ট্যাক্ট করার জন্য আমাদের একজনকে বসানো ছিল। তার বডি পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে সাকিনাও মিসিং। দুইয়ে দুইয়ে চার হতেই হবে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘কার কার নাম জানে সাকিনা?’

    অমল ইমতিয়াজের দিকে তাকিয়ে দেখল, ‘অলমোস্ট অল। ঢাকার গোটা অপারেশন ওর উপর টিকে আছে।’

    ইমতিয়াজ ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘আমার নাম?’

    অমল ঘাড় নাড়ল, ‘জানে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘বলে দেবে কি?’

    অমল বলল, ‘না বলার চান্স আছে। কিন্তু আমি তো ওই চান্সের দিকে যেতে চাইছি না। ওর লাইফ রিস্ক হয়ে গেছে। আই এস আইয়ের গিয়াসের আসার কথা আছে। গিয়াসের সামনে সাকিনা পড়লে চাপ আছে।’

    ইমতিয়াজ ভীত গলায় বলল, ‘করাচীর গিয়াস? হাতে মাথা কাটে যে? কোয়েটাতে বালোচ লিবারেশনের চারজনকে নিজের হাতে মেরেছিল ছেলেটা। ওর হাতে সাকিনা পড়া মানে…’

    অমল বলল, ‘হ্যাঁ। ধরে নিলাম সাকিনা গিয়াসের হাতে পড়েই গেছে। গিয়াসের কাছে থাকা মানে সমস্যা তৈরি হয়ে গেছে এর মধ্যেই। ওকে বের করতেই হবে। দিল্লি থেকে কে আসছে? উস্তাদ আসবে?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘উস্তাদের সাথে কন্ট্যাক্ট করতে পারছি না। কথা শুনে বুঝলাম খান আর মাথুর আসবেন। ওরা এখানকার সব রিপোর্ট নিতে চাইছেন।’

    অমল বলল, ‘কে রিপোর্ট দেবে? আমি? আমি এখান থেকে কী রিপোর্ট দেব? আমার ঢাকায় যাবার ব্যবস্থা করতে হবে।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘সাকিনাকে নিয়ে যাবার প্ল্যান করছে। সেটার কথাও ভাবতে হবে।’

    অমল বলল, ‘নেপাল হয়ে নিয়ে যাবার প্ল্যান করবে। সব দিকে রেড অ্যালার্ট জারি করে দিতে হবে। দিল্লি সে কাজ করবে জানি, তাও তুমি একবার দিল্লিকে জানিয়ে দাও সে কথা। সমস্যা হল উস্তাদ ছাড়া সাকিনার এই অপারেশনের কথা দিল্লির কেউ জানে না। সাকিনা পুরোপুরি উস্তাদের আবিষ্কার। সাকিনার ব্রিফ দিতে হবে যে টিম আসবে তাকে। আমি এখান থেকে সেটা কী করে দেব?’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘আমি গাড়ির ব্যবস্থা করছি। দুপুরের মধ্যে ঢাকা রওনা দেব।’

    অমল ঘাড় নাড়ল, ‘বেটার। আমি ফ্রেশ হয়ে আসছি।’

    অমল উঠে বাথরুমের দিকে রওনা দিল। ইমতিয়াজ রাণার দিকে চিন্তিত মুখে তাকিয়ে বলল, ‘আমার বরাবরের আতঙ্ক এটাই। কভার উড়ে যাওয়া। সাকিনা এখন আমাদের থ্রেট’!

    রাণা উত্তর দিল না। কে যে কার থ্রেট! এসব কাজে মানুষের উপর থেকে বিশ্বাসই উঠে যেতে বসেছে…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }