Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ৫৫

    ৫৫

    ঝাপসা একটা রাত কাটছে যেন। এমন একটা রাত, যার জন্য কোনওদিন সে প্রস্তুতি নেয়নি।

    প্রস্তুতি তো সে রাতটারও নেওয়া ছিল না। সবার সঙ্গে মিষ্টভাষী, ভদ্র সভ্য ছেলেটা যখন ফুলসজ্জার রাতে ঢুকেছিল।

    খুব ভালোভাবে বলেছিল, ‘তুমি খুব ক্লান্ত। ঘুমিয়ে পড়।’

    কোনও অসভ্যতা না, কোনও কিচ্ছু না।

    সে চমৎকৃত হয়েছিল। প্রত্যুষদা না থাক, কেউ একজন অন্তত এল, যে তার খেয়াল রাখবে। প্রথম রাতের কথা সে ভুলতে পারবে না কোনদিন। সেই ভদ্র সভ্য মানুষটাই ধীরে ধীরে পরিণত হয়ে গেল রাক্ষসে। এমন এক ভয়াবহ রাক্ষস, যার ছায়া পড়লেও সে চমকে উঠত। আতঙ্কিত হতো। ভয়ে কাঁপত। যে তাকে বিন্দুমাত্র ভালো থাকতে দেয়নি। প্রতিটা সময় কখনও গায়ে হাত তুলেছে, কখনও তীব্র লাঞ্ছনা দিয়েছে।

    রুমা বসে আছে ঘরের মধ্যে। তেল চিটচিটে একটা বিছানার চাদর। দেওয়ালে মা কালীর ছবি দেওয়া ক্যালেন্ডার। এই জায়গাটাতেও ঈশ্বর আছেন? আছেন হয়তো। শমিতা ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল।

    রুমা শমিতার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এখানে কীরকম ট্রেনিং হবে?’

    শমিতা পান খাচ্ছিল। হেসে বলল, ‘খদ্দের সামলানোর ট্রেনিং দেব। খদ্দের সামলাতে পারবি না?’

    রুমা ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রইল। শমিতা জানলা খুলে পানের পিক ফেলে বলল, ‘তোর মরদটা কি পাগল?’

    রুমা বলল, ‘ওরকমই।’

    শমিতা বলল, ‘পুলিশে বলিসনি?’

    রুমা শূন্য চোখে তাকাল, ‘কী করতাম? থাকব কোথায়?’

    শমিতা বলল, ‘তাও ঠিক। আমাদের সবার তো ওই একটাই চিন্তা থাকে। থাকব কোথায়? আমাদের এখানে কতজন আছে, তোর মতোই অবস্থা। কাউকে কাউকে শ্বশুরবাড়ি থেকেই বেচে দিয়েছিল। আমাদের এখানে এসে উঠেছে। ওই যে পারুল, তোর বর যার পায়ে হাতুড়ি মেরেছে, তাকে তার বাপ বেচে দিয়েছিল।’

    রুমা মাথা নিচু করে বসে নিজের পায়ের নখ দেখছিল। বলল, ‘আমার বাবা-মা তো ভদ্রবাড়ির লোক। তারাও আসলে আমাকে বেচেছে। কিন্তু সেটা বাইরের লোক বুঝতে পারবে না। বেড়াল তাড়িয়েছিল তারা আমার বিয়ে দিয়ে। বিয়ে দেওয়াটাই সব।’

    শমিতা বলল, ‘তুই জানিস, তোকে শেখানোর জন্য আমি হোটেলেও যেতে পারতাম। তোকে এখানে পাঠিয়েছে কেন?’

    রুমা ঘেন্নায় সিঁটিয়ে যাচ্ছিল, ‘আমি কারো সঙ্গে কিছু করতে পারব না। আমাকে ছেড়ে দাও।’

    শমিতা রুমার পাশে এসে বসল। কাঁধে হাত রেখে বলল, ‘সব সময় ওই পাগলের সঙ্গে থেকেছিস। তোকে মেরেছে। আমি যা শেখাচ্ছি, ভালো করে শেখ, তোকে কেউ মারতে আসবে না। সবাই ভালোবাসবে। আমি কি তোকে বলেছি এই রিকশাওয়ালা, ভ্যানওয়ালা, চানাচুরওয়ালার সঙ্গে শুতে হবে? কখন বলিনি। তোর কাছে অনেক বড় বড় লোক আসবে রে। তাদের অনেক চাহিদা। আমি কি অত শেখাতে পারব? সে শেখানোর অন্য লোক আছে। আমি তোকে একটা জিনিস শেখাব। সেটা কী বলত?’

    রুমা বলল, ‘কী?’

    শমিতা বলল, ‘লজ্জা কাটাতে শেখাব। লজ্জা পেলে হবে? তোর কাছে সব থেকে বড় অস্ত্র আছে। এমন এক অস্ত্র, যেটা থাকলে একটা পুরুষ মানুষ তার সব কিছু তোর পায়ে লুটিয়ে দিতে পারবে। আমি যা শেখাব, তুই শুধু তাই শেখ। নইলে ওই শুয়োরটার সঙ্গে ঘর করবি নাকি রে মাগী? কী হবে ওই ভাবে বেঁচে?’

    রুমা বলল, ‘কোন জীবন ভালো?’

    শমিতা বলল, ‘আমি জানি না। আমার জানার দরকার নেই। কিন্তু তোকে জানতে হবে। তোর সে রূপ আছে। তোকে শিখতে হবে। দেখ, ঘর থেকে বেরো। তোর বরকে বসিয়ে রেখেছে একটা ঘরে। ওর বাড়িতে গিয়ে ঠিক করে তো ভাতও পাবি না। পরিবর্তে জুতো, লাঠি সব খাবি। নিজেই বল, গিয়ে কি কোনও লাভ হবে?’

    রুমা জোরে শ্বাস নিয়ে সোজা হয়ে বসল। বলল, ‘তোমরা যা বলবে, আমি করতে রাজি আছি। তবে আমার একটা শর্ত আছে।’

    শমিতা বলল, ‘বল।’

    .

    কিছুক্ষণ পর বারান্দায় দিব্যেন্দুকে টেনে নিয়ে আসা হল।

    দিব্যেন্দু অবাক গলায় বলল, ‘কী হল?’

    লুকা সিগারেট টানছিল। বলল, ‘বোস। হাঁটু গেড়ে বোস।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কেন?’

    লুকা বলল, ‘দানা খাবি কি? কপালের মাঝ বরাবর দেব, একদম ছবি হয়ে যাবি। যা বলছি কর। বোস।’

    দিব্যেন্দু বসল। রুমা শমিতার ঘর থেকে বেরোল। তার চোখে আগুন জ্বলছে।

    লুকা চেয়ারে বসে বলল, ‘শুরু কর।’

    দিব্যেন্দু অবাক হয়ে রুমাকে দেখছে। রুমা দিব্যেন্দুর স্থির চোখে তাকিয়ে রইল কিছুক্ষণ। দিব্যেন্দু বলল, ‘কী হল? কী দেখছ?’

    রুমা এগোতে শুরু করল দিব্যেন্দুর দিকে।

    তার হাতে দিব্যেন্দুর সেই হাতুড়ি…!

    .

    ৫৬

    তিন মাস পরের কথা

    বৃষ্টি পড়ছে। পুরাতন ঢাকার গলি দিয়ে একটি মেয়ে বোরখা পরে হেঁটে যাচ্ছে। বৃষ্টি থামছে না। বেড়ে চলছে। কালো আকাশে মাঝে মাঝেই বিদ্যুৎ চমক দেখা যাচ্ছে।

    মেয়েটার কানে কয়েকটা কথা ভেসে আসছে, ‘মনে রাখবে, এমন একটা দেশে যাচ্ছ, যেখানে মেয়েদের জীবনের কোন মূল্য নেই। একবারে এটাই বাস্তব সত্যি। চরম পুরুষতান্ত্রিক দেশ। ছেলেদের কোনও দোষ নেই। ভিক্টিম ব্লেমিং হয় রেপের পরে। আমাদের দেশেও হয়। কিন্তু ও দেশে সব সীমা পরিসীমার উপরে গিয়ে হয় যা হওয়ার। বুঝতে পারছ, কী বলছি আমি?’

    মেয়েটা দাঁড়িয়ে গেল। রাস্তার উপরে দাঁড়িয়ে থাকা একটা সিএনজি চালকের একজোড়া চোখ তার উপর নজর রাখছে। সামান্য উৎকণ্ঠা দেখা দিল মেয়েটার মধ্যে? সেকেন্ড পাঁচেক দাঁড়িয়ে আবার হাঁটতে শুরু করল সে।

    গলিটা যেখানে গিয়ে শেষ হয়েছে, সেই দরজায় টোকা মারল।

    দরজা খুলে গেল। লোকটার ঠোঁটের কাছটা কাটা। তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী দরকার?’

    মেয়েটা বলল, ‘মজিদ ভাই পাঠাইসে। বলল সাদিক সাহেবরে সালাম দিবি।’

    লোকটা তার দিকে তীক্ষ্ণ চোখে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে বাইরের দিকে দেখল। সিএনজিটা এখন আর নেই। গলিতেও বৃষ্টির জন্য ভিড় কম। লোকটা বলল, ‘ভিতরে আসেন।’

    মেয়েটা ভেতরে ঢুকল। লোকটা তাকে একটা ছোট ঘরে বসাল। ছোট টিভি চলছে একটা। ঘরে আর কেউ নেই।

    ফোন বের করে লোকটা ঘরের বাইরে চলে গেল। মেয়েটা চুপ করে বসে আছে। কিছুক্ষণ পর লোকটা এসে বলল, ‘ভাই আসছে। আপনাকে খেতে দিতে বলল।’

    মেয়েটা কাঁদতে শুরু করল, ‘এটা কোন জায়গা? আমার ভয় লাগছে।’

    কান্নাটা ইচ্ছাকৃত। এমনই নির্দেশ আছে। বোঝাতে হবে যে সে অথৈ জলে পড়ে গেছে। লোকটা বলল, ‘ভাই আসছে তো। জরিনা! এই জরিনা!’

    একজন সতেরো আঠেরো বছর বয়সি মেয়ে ঘরে ঢুকল। লোকটা জরিনাকে বলল, ‘খেয়াল রাখ। ভাই আসবে আজ।’

    লোকটা বেরিয়ে গেল।

    জরিনা মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বোরখা তোল আপা।’

    মেয়েটা বোরখা তুলল।

    জরিনা গালে হাত দিয়ে বলল, ‘মাশাল্লাহ, আপনে খুব সুন্দর।’

    মেয়েটা কাঁদছে। জরিনা বলল, ‘কাঁদেন না আপা। এখানে থাকবেন। খাবেন, দাবেন, ঘুমাইবেন। চিন্তা নাই। আফনের নাম কী?’

    মেয়েটা বলল, ‘সাকিনা। ঘরের লোক আরব গেছে। এখন শুনি বেঁচে নাই। মজিদ ভাই বলল সাদিক সাহেবের লগে দেখা করতে।’

    জরিনা গলা নামিয়ে বলল, ‘দেখা করতে কইছে? তুমি জানো দেখা করার মানে কী?’

    সাকিনা বিহ্বল হবার অভিনয় করল, ‘মানে কী?’

    জরিনা ফিক ফিক করে হাসতে শুরু করল। সাকিনাকে ঠেলল কনুই দিয়ে ‘তোমারে শোয়াইবে। বোঝ না?’

    বাইরে একজনের চিৎকার শোনা গেল, ‘কই তোরা? কীরে জরিনা?’

    জরিনা তড়িঘড়ি বাইরে গেল। কয়েক সেকেন্ড পরে একজন সুখী সুখী চেহারার লোক ঘরের ভিতর প্রবেশ করল।

    সাকিনা বোরখা পরে ছিল। লোকটা গম্ভীর গলায় বলল, ‘মজিদ পাঠাইছে তোমায়?’

    সাকিনা কাঁদতে শুরু করল।

    লোকটা বিব্রত হল, ‘আহা কান্দো ক্যান? আমার কাছে আইসা পড়সো যখন, তখন তোমার চিন্তা নাই। দেখি, বোরখা তোল।’

    সাকিনা বোরখা তুলল। লোকটা ফিসফিস করে বলল, ‘মাশাল্লাহ, মাশাল্লাহ। তোমার তো চিন্তার কিছু নাই। আমি আছি তো। আমার কাছে আইছো যখন, তখন তুমি চিন্তামুক্ত। তুমি থাকবা আমার কাছে? টেকা দিমু নে। তার চিন্তা করতে লাগবো না, মজিদ যখন পাঠাইছে, তখন তো চিন্তার কিছুই নাই। এই নাও, এই নাও, টেকা নাও।’

    পকেট থেকে টাকার গোছা বের করে সাকিনার কোলে ছুঁড়ে মারল লোকটা।

    সাকিনাকে শক্ত থাকতে হবে। আসল পরীক্ষা শুরু হবে এখন।

    ‘জরিনা, ও জরিনা…’ সাদিক বাইরে গিয়ে কিছুক্ষণ হাঁক ডাক করে ঘরের ভেতর ঢুকে দরজা বন্ধ করল।

    ‘দেখি, সব খুলে ফেলাও দেখি, আমি আছি যখন, তোমার কুনো চিন্তা নাই। রানী কইরা রাখব তোমায়…’

    রুমা একটু থমকে গেল। সাদিক ধৈর্য ধরতে পারল না। নিজেই এগিয়ে এসে রুমার বোরখা খুলতে শুরু করল…

    .

    ৫৭

    টাকা। ভারতীয় টাকা না। বাংলাদেশী টাকা। তাও কম হবে না ভারতীয় মুদ্রায়। বেশ কয়েকটা নোটের বান্ডিল তার নগ্ন শরীরের উপর রেখে চলে গেছে সাদিক। রাত দেড়টা বাজে। রুমা আর শাড়ি পরেনি। চুপ করে শুয়ে আছে। এখানে থাকার জন্যই তো এত ট্রেনিং। এত কিছু। কত ভাবে তাকে বোঝানো হল, নিজেই ভুলে গেছিল সে।

    শেষমেশ সাদিক তাকে ছুঁল। অভ্যস্ত শরীর। শরীর বিদ্রোহ করলেও সে দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে গেছে। খুব একটা অসুবিধা হবেই বা কেন? এরকমই তো হয় অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ। একটা অচেনা অজানা লোক এসে জামা কাপড় খুলিয়ে মেয়েটার সঙ্গে শারীরিক মিলনে লিপ্ত হয়।

    সাদিকের বউ হবে না সে। এই বাড়িতে একজন রক্ষিতার মতো থাকবে। বাড়িটা সাদিকের হারেমের মতন। তার সঙ্গে যারা কাজ করে, তাদের আমোদ প্রমোদের জন্য এই বাড়িটা রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে যে কারো সঙ্গে শুয়ে পড়তে হবে।

    পাখি পড়ানোর মতো করে রুমাকে বোঝানো হয়েছিল। অসুবিধা হবার কথা নয়। রুমা বেশ কিছুক্ষণ শুয়ে থেকে বাথরুমে গিয়ে কল চালিয়ে বমি করল যাতে তার বমির শব্দ বাইরে না যায়। একটা ময়লা শাড়ি ছিল। সেটা পরেই বাথরুম থেকে বেরোল।

    ঘরের দরজায় জরিনা এসে দাঁড়াল, ‘সাহেব বলে গেছে এটাই তোমার ঘর। তুমি এখানে থাকবা।’

    রুমা বলল, ‘তুই এখানে কতদিন আছিস?’

    জরিনা বলল, ‘ছোট থেকেই। আমার মা সাহেবের কাছে থাকত। তারপর কী হইসিল জানি না।’

    রুমা বলল, ‘সাহেবের কাছে যাস না তুই?’

    জরিনা দাঁত বের করল, ‘না। উনি আমারে নেন না।’

    রুমা বলল, ‘আর কে থাকে এখানে?’

    জরিনা বলল, ‘থাকে আরও। তারা তোমার মতো না। তোমার নাম হবে। আমি বলে দিলাম। মিলায়ে নিও।’

    রুমার মাথাটা দপ দপ করছে। জরিনা বলল, ‘তুমি ঘুমায়ে পড়। কাল সকালে তোমারে সবার সঙ্গে আলাপ করাব।’

    রুমা বলল, ‘কেন? বাকিরা কোথায়?’

    জরিনা বলল, ‘সব আছে। একদিনে সব জানবা নাকি? এই তো ছোট একটা খানকি বাড়ি, তার বিষয়ে জানতে বেশিক্ষণ লাগব না। তুমি ঘুমাও। এখানে কুনো সমেস্যা নাই। ভালো থাকবা।’

    রুমা কয়েক সেকেন্ড চুপ করে বসে থেকে বলল, ‘ঠিক আছে। তুই যা।’

    জরিনা বলল, ‘দরজা বন্ধ কইরা দাও। এখানের পোলাগুলান ভালা না। তুমি দরজা খুইলা রাখবা, ঘরের ভিতর ঢুইকা যাইব।’

    রুমার সেই ঘটনাটা মনে পড়ল। সে ঘুমোচ্ছিল হোটেলের ঘরে, আর ওই লোকটা ঢুকে এসেছিল। রুমা বলল, ‘তুই আমার লগে ঘুমা।’

    জরিনা রাজি হল। দরজা বন্ধ করে রুমার পাশে শুয়ে পড়ল।

    রুমা চুপ করে শুয়ে রইল। তার ঘুম পাচ্ছে না। মাথার মধ্যে কত কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে তার। নতুন পরিচয়, কোথায় থাকত, সব কিছু পাখি পড়ার মতো করে পড়তে হয়েছে। সাদিকের একটাই দোষ, মেয়ে মানুষের। সাদিকের একমাত্র মেয়ে সাপ্লায়ার মজিদ। তাকে মজিদের মাধ্যমে এখানে পাঠানো হয়েছে। সামনে কী আছে, কে জানে! শেষ রাতে ঘুম এল।

    চোখ খুলে দেখল জরিনা অঘোরে ঘুমোচ্ছে। কোত্থেকে একটা হিন্দি গান ভেসে আসছে। রাতে এল, সাদিকের শয্যাসঙ্গিনী হয়ে গেল, এর বাইরে কিছুই তো সে চেনে না।

    জরিনাকে তুলবে? না থাক। ঘুমাক। এইটুকু মেয়ে। অযথা বিরক্ত করে লাভ নেই। খাট থেকে উঠে চুপ করে বসে থাকবে সে।

    অদ্ভুত কিছু নির্দেশ আছে। সাদিক যা করছে, তাকে করতে দিতে হবে। সময় এলে তারপর কী করতে হবে বলে দেওয়া হবে। কতদিন তাকে এই নরকে পড়ে থাকতে হবে?

    ভাবতে পারছে না কিছুই। দিব্যেন্দুর মুখটা ভেসে উঠল মনের মধ্যে।

    সেই ভয়টা আবার ফিরছে। সিঁটিয়ে দেওয়া, কুঁকড়ে দেওয়া ভয়টা…

    .

    ৫৮

    ‘রাবণের কাছ থেকে সীতা ফিরে এল। তারপর রাম কী করেছিলেন?’

    অরিত্র টিভি দেখছিল। এণাক্ষী হঠাৎ কথাটা বলে উঠল।

    অরিত্র ভ্রু কুঁচকাল, ‘মানে? এরকম বললে কেন?’

    এণাক্ষী বলল, ‘তোমার মনে সারাক্ষণ ধরে এই কথাটাই ঘুরপাক খাচ্ছে না? ওই দিনগুলোতে আমি কী করেছি?’

    অরিত্র বলল, ‘তোমার মেডিকাল রিপোর্ট বলছে তুমি একদম ঠিক আছ। আমি অকারণ অন্য কথা ভাবতে যাবই বা কেন?’

    এণাক্ষী শ্বাস ছাড়ল, ‘মনে হল। সারাক্ষণই মনে হয় আমার।’

    অরিত্র বলল, ‘কী মনে হয়?’

    এণাক্ষী বলল, ‘মনে হয়, আমি তোমায় ঠকিয়েছি।’

    অরিত্র বলল, ‘চুপ করো তো। কিচ্ছু ঠকাওনি। চাইলে তুমি শ্যুটেও যেতে পারো। আমি আটকাবো না।’

    এণাক্ষী বলল, ‘এরকম ব্যাপার? এত স্বাধীন?’

    অরিত্র বলল, ‘হ্যাঁ। এরকমই ব্যাপার এবং ঠিক এতটাই স্বাধীন। চিন্তার কিছু নেই। চিন্তা করিও না। তুমি আজেবাজে ভেবো না। তিন মাস কেটে গেল। এবার মূল স্রোতে ফেরো। নইলে কাউন্সেলিং করাতে চাইলে করাও। থাক, তুমি তো কোনদিন চাইবে না, আমিই দেখছি।’

    এণাক্ষী বলে উঠল, ‘না না, তার দরকার নেই। অনেক টাকা নিয়ে নেয়। দরকার নেই।’

    অরিত্র বলল, ‘টাকাটা বড় কথা না। তোমার সুস্থ থাকাটা বড় কথা।’

    এণাক্ষী অরিত্রর কাছে ঘেঁষে বসল, ‘তুমি খুব চিন্তায় পড়ে গেছিলে, বলো?’

    অরিত্র বলল, ‘ভীষণ। আমার মাথা খারাপ হয়ে গেছিল। যেটা কোনওদিন করি না, তাও করে ফেললাম। মারপিট। ভাবতে পারছ?’

    এণাক্ষী চোখ বড় বড় করে বলল, ‘সত্যি। আমি ভাবতে পারছি না। কী সব করে বসেছ। এত ভালোবাস আমায়?’

    অরিত্র হাসল, ‘একদম। তোমায় ছাড়া আমি পাগল হয়ে যাব।’

    এণাক্ষী বলল, ‘তারপর তো আমি মরলে আরেকটা বিয়ে করতে। তখন বলতে পাগলে কী না বলে।’

    অরিত্র এণাক্ষীকে জড়িয়ে ধরল, ‘না। কোনদিন বলব না। চল কোথাও ঘুরে আসি। কাছে পিঠে। কোনও শপিং মলে। যাবে? সারাদিন ল্যাপটপে কাজ করে মাথাটা জ্যাম হয়ে গেছে।’

    এণাক্ষী বলল, ‘চল। আমি রেডি হয়েনি তাহলে। তুমিও একটা ভালো জামা পরো। রাতে বাইরে খাব।’

    অরিত্র উঠল, ‘একদম। চল।’

    দুজনে বেরোল কিছুক্ষণ পরে। দুজনকেই ঝকঝকে লাগছে। অরিত্রর পাশে এণাক্ষী বসল। ড্রাইভ করতে করতে অরিত্র বলল, ‘আমার আজকাল সব স্বপ্ন মনে হয়। তোমার ফিরে আসাটা আমি এখনও বিশ্বাস করে উঠতে পারি না। আমার মনে হয়েছিল আর কোনদিন তোমাকে ফিরে পাব না। ছি ছি, কী যা-তা বলেছিলাম।’

    এণাক্ষী বলল, ‘থাক। বার বার আমার কাছে ক্ষমা চাইতে হবে না। আমি কত লাকি যে তোমাকে পেয়েছিলাম। অত ঝগড়ার পরে আমার জন্য ছুটে এসেছিলে।’

    অরিত্রর চোখে জল। রাতের মোহময়ী শহরে কিছুক্ষণ পর অরিত্র এক শপিং মলে পার্ক করল। মাইনাস টু ফ্লোরে তারা দাঁড়িয়ে আছে লিফটের জন্য। লিফট এসে দাঁড়াল। একজন স্যুট পরিহিত ভদ্রলোক লিফট থেকে বেরোলেন। লিফটে তারা দুজন উঠল। লিফটের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। পারফিউমের গন্ধটা নাকে যাওয়া মাত্র এণাক্ষী নাক কুঁচকে ছিল। হঠাৎ লাফিয়ে উঠে বলল, ‘তাই ভাবছি এই গন্ধটা আমি কোথায় পেয়েছি। মনে পড়েছে।’

    অরিত্র চমকে উঠল, ‘কী মনে পড়েছে?’

    এণাক্ষী বলল, ‘এই যে লোকটা নেমে গেল লিফট থেকে, এই লোকটাই ছিল সেদিন। শিগগিরি চল বেসমেন্টে। শিগগিরি।’

    লিফট উপরে যাচ্ছিল। অরিত্র মাইনাস টু দিল। থার্ড ফ্লোর থেকে ঘুরে আবার নীচে নামতে বেশ খানিকটা সময় চলে গেল। মাইনাস টুতে লিফট নামতেই এণাক্ষী সঙ্গে সঙ্গে নেমে গিয়ে দৌড়ে চারদিকে দেখল। নাহ্‌, কোথাও কেউ নেই। পারকিং ফ্লোরের এক কোণ থেকে অন্য কোণে দৌড়ে গেল এণাক্ষী। পাগলের মতো খুঁজতে লাগল। কাউকে দেখতে পেল না।

    অরিত্র কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। এণাক্ষী বেশ কিছুক্ষণ খুঁজে অরিত্রর কাছে এসে অরিত্রর হাত ধরে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল, ‘লোকটা ছিল। এই লোকটাই সেদিন তুলে নিয়ে গেছিল।’

    অরিত্রর চোখে পড়ল তার গাড়ির উইন্ডশিল্ডে একটা কাগজ সেঁটে রয়েছে। এগিয়ে গিয়ে কাগজটা হস্তগত করল সে, তাতে লেখা, ‘এণাক্ষী ম্যাম, ভাগ্যিস আপনার হাজব্যান্ড আপনাকে ভালোবাসেন…ভালো থাকবেন। হ্যাভ এ ব্লাস্ট। ভবিষ্যতে আর কোনদিন আমাদের দেখা হবে না…।’

    .

    ৫৯

    ঝাঁ চকচকে আধুনিক একটা বিল্ডিং। সতেরো তলা। প্রতিটা ফ্লোরে সিসিটিভি ক্যামেরা। প্রতিটা ঘরে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা। এসি। মেডিকাল ফেসিলিটি। নিউট্রিশনিস্ট নির্দেশিত খাবার। পঁয়তাল্লিশ লাখ টাকা ডিপোজিট। প্রতি মাসে পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা।

    লোকটা রিসেপশনে বসে শুনছে, সুবেশ সেলসম্যান এন আর আই ছেলে আর তার বউকে বৃদ্ধাশ্রমের সুযোগ-সুবিধা বোঝাচ্ছে। এন আর আইকে বলছে, ‘স্যার, আপনি একবারে নিশ্চিন্ত থাকুন। এই ডিপোজিটটা আপনার বাবা এক্সপায়ার করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার অ্যাকাউন্টে ব্যাক করবে। আমরা সে চুক্তিও করে নেব। এই প্রশ্নটা বার বার আমাদের করে আপনি বিব্রত করবেন না প্লিজ।’

    রিসেপশনে বসে থাকা লোকটা সেলসম্যানকে ইশারায় ডাকল। সেলসম্যান লোকটার কাছে গিয়ে বলল, ‘হ্যাঁ স্যার।’

    লোকটা বলল, ‘বিপ্র পালিত। সাতশো সতেরো। অ্যাক্সেস কী দিন। আপনাদের রিসেপশনিস্ট অনেকক্ষণ তার সিটে নেই। এরপর আমি কমপ্লেইন করতে বাধ্য হব।’

    সেলসম্যান বলল, ‘শিওর স্যার। আমি একবার বিপ্রবাবুর সঙ্গে কথা বলেনি?’

    লোকটা ঘাড় নাড়ল, ‘শিওর।’

    সেলসম্যান বলল, ‘আপনার নামটা স্যার?’

    লোকটা বলল, ‘বলুন ওর বন্ধু সুমিত এসেছে পাটায়া থেকে।’

    সেলসম্যান বলল, ‘ওকে স্যার।’

    সেলসম্যান বিপ্রকে ফোন করল। কথা বলে লোকটার হাতে অ্যাক্সেস কী এগিয়ে দিয়ে বলল, ‘লিফট ডান দিকে স্যার। ভালো থাকবেন।’

    লোকটা সেলসম্যানকে আর পাত্তাও দিল না। অ্যাক্সেস কী নিয়ে লিফটে উঠল। লিফটে অ্যাক্সেস কী-টা স্ক্যান করাতে হয়। স্ক্যান করানোর পর সাত টিপলে লিফট চলতে শুরু করল। সাত নম্বর ফ্লোরে লিফট দাঁড়িয়ে গেল। লোকটা লিফট থেকে নেমে সাতশো সতেরো নাম্বারের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কলিং বেল টিপল। সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে গেল। লোকটা দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল। এসি চলছে। বেশ ঠান্ডা হয়ে গেছে ঘর।

    বিপ্র বলল, ‘চা চলবে স্যার?’

    লোকটা বলল, ‘শিওর।’

    বিপ্র ইলেকট্রিক কেটলে গরম জল বসাল।

    লোকটা বলল, ‘এরকম সুন্দর বৃদ্ধাশ্রম থাকতে লোকে বাড়িতে থাকবে কেন? ফাইভ স্টার হোটেলকে এর কাছে শিশু মনে হচ্ছে। ছেলেমেয়ের কাছে কে থাকবে? সারাজীবন চাকরি করে টাকা জমিয়ে এখানে চলে এলেই তো হয়।’

    বিপ্র হাসল, ‘হ্যাঁ স্যার। ঠিকই বলেছেন।’

    লোকটা বলল, ‘আমরা তোমার জন্য এত গাদা গাদা টাকা খরচ করে এখানে রেখেছি, তোমায় বাড়ি করে দিয়েছি। পরিবর্তে তুমি কী করেছ বিপ্র, যদি একটু বলো।’

    বিপ্রর মুখ শুকিয়ে গেল, ‘স্যার, আপনারা যেভাবে বলছেন, আমি সেভাবেই তো সব করছি। অ্যাসেট বাংলাদেশ চলে গেছে। তার নিখুঁত কভার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। সাদিকের দালালকে ম্যানিপুলেট করা হয়েছে, যা যা বলেছেন, তাই তো করেছি।’

    লোকটা রিমোট নিয়ে টিভির চ্যানেল পাল্টে বলল, ‘টেল মি অ্যাবাউট অমল।’

    বিপ্র বলল, ‘অমল বেশ কয়েকদিন রিপোর্ট করেনি। সাদিকের সঙ্গে ওর মেলামেশা বেড়েছে।’

    লোকটা শিস দিয়ে উঠল, ‘গুড। মেলামেশা বাড়বে, সেটা আমি চাই। ওকে সেজন্যই ওখানে পাঠানো হয়েছে।’

    বিপ্র বলল, ‘সাদিকের কাজ করতে সাদিকের দেওয়া ফেক আইডি নিয়ে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, বাহরিনের মতো দেশগুলোতে যাওয়ার কথা কি বলা হয়েছিল?’

    লোকটা টেবিলের উপর চায়ের কাপ রাখল, ‘তার কারণ কী দেখিয়েছে?’

    বিপ্র বলল, ‘বলেছে সাদিকের বিশ্বাস অর্জন করতে চায়। এটা করলে কী ধরনের বিশ্বাস অর্জন হবে? আমার তো ভয় লাগছে এর ফলে অমলের কভারটাই না নষ্ট হয়ে যায়। তখন কী হবে?’

    লোকটা বলল, ‘ওকে। টেল অমল টু কন্ট্যাক্ট রুমা। পারবে?’

    বিপ্র বলল, ‘মেসেজ পাঠাচ্ছি। দেখা যাক কী রিপ্লাই করে।’

    লোকটা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আর রুমার সঙ্গে কন্ট্যাক্ট করতে না পারলে অমলকে বলে দাও, বাংলাদেশের সব কাজ বন্ধ করে ইমিডিয়েটলি দিল্লিতে রিপোর্ট করতে। ওকে ওখানে কিছু করতে হবে না।’

    বিপ্র খুশি হল, ‘আমি সেটাই বলতে চাইছিলাম স্যার।’

    লোকটা বলল, ‘পেটে এক আর মুখে এক রাখবে না। তোমাকে এখানে এত টাকা দিয়ে ইয়ার্কি মারতে রাখা হয়নি।’

    বিপ্র অপ্রতিভ হয়ে বলল, ‘স্যার, তাতে আপনিই আমার উপর রেগে যেতে পারতেন। আপনি কী ডিসিশন নেবেন, সেটা আমার বলে দেওয়া ঠিক হবে না।’

    লোকটা চিন্তিত মুখে বলল, ‘অ্যান্ড, বাই দ্য ওয়ে, পূর্ণ নাম না লোকটার? কোথায় আছে এখন?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }