Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ৪৫

    ৪৫

    কামরায় উঠে চুপ করে বসে আছে দিব্যেন্দু। মাথা ধরে আছে। তাপসদা নেই, কামরুল নেই। কেউ নেই। এই ট্রেনে সে কাউকে চেনে না।

    লুকা তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে একটা হোমে নামিয়ে দিল। বলল, ‘মামু, তুমি এখানে কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়াও। তারপর তোমার ছুটি।’

    দিব্যেন্দু তাই করল। হঠাৎ করে একজন এসে তাকে বলল, ‘চলো, তোমায় স্টেশনে ছেড়ে দিয়ে আসি।’

    তাই করল। শেয়ালদায় নামিয়ে দিয়ে গেল। পকেটে হাজার টাকা গুঁজেও দিয়েছে। দিব্যেন্দুর নিজের ভাগ্যকে বিশ্বাস হচ্ছিল না।

    সে বেঁচে আছে? বেঁচে থাকার তো কথা না!

    একই ট্রেনে পরিচিত মানুষজন না থাকলে কেমন অপরিচিত লাগে। যে ট্রেনে সে এতদিন ধরে যায়, সেই ট্রেনেই সে আছে, শুধু অন্য সময়ে, অন্য লোকজনের সঙ্গে। ওই তো, কোণে চারজন তাস পিটোচ্ছে, কিন্তু তাদের সে চেনে না।

    এই সময়টা অফিস টাইম না। ভিড়ও নেই। জানলার কাছে বসে আছে। হাওয়া এসে ঝাপড় মারছে কেমন! একটু বৃষ্টিও হয়ে গেল বিধাননগর পেরনোর পর। জল এসে ভিজিয়ে দিয়ে গেল।

    একটার পর একটা স্টেশন পেরোচ্ছে। হকার উঠছে। দিব্যেন্দু চুপ করে বসে আছে। সবাইকে দেখে যাচ্ছে শুধু।

    এই ট্রেনটা বনগাঁ অবধি গিয়ে আবার ফিরবে। শেয়ালদায় গিয়ে আবার বনগাঁ যাবে। এই করতে থাকবে কারশেডে যাওয়ার আগে অবধি। লোক উঠতেই থাকে। ট্রেন যতই বাড়ুক, এখানে ভিড় কখনও কমে না। কামরা বাড়লেও ভিড় কমে না। তাপসদা বলে বাংলাদেশের লোকেরাও কাঁটাতার পেরিয়ে এসে বনগাঁ থেকে ট্রেনে উঠে পড়ে। সীমান্ত থেকে কলকাতা যাবার শর্টেস্ট রুট। শেয়ালদায় পুলিশ থাকে, আর পি এফ থাকে। বোকারা শেয়ালদায় নামে। চালাক লোকজন বিধাননগর বা দমদমেই নেমে যায়। তারপর ভিড়ে মিশে গেলেই হল। এভাবেই অনুপ্রবেশকারীরা এসে মিশে যাচ্ছে এ-দেশে।

    তার স্টেশনে এসে ট্রেন দাঁড়াল। দিব্যেন্দু ট্রেন থেকে নামল। সাইকেল স্ট্যান্ড থেকে সাইকেল নিল। ধীরেসুস্থে প্যাডেল করা শুরু করল।

    বাড়ির সামনে এসে সাইকেল রেখে ঘরে ঢুকল।

    কেউ নেই কোথাও। সে আলমারির জিনিস মেঝেয় ফেলে রেখে গেছিল। সব জিনিস সেভাবেই পড়ে আছে। কেমন একটা অদ্ভুত হাহাকারের মতো ব্যাপার হচ্ছে। যে মেয়েটার উপর সব হতাশা ঝাড়ত, সেই মেয়েটাই নেই। কেমন বিচ্ছিরি ব্যাপার! সোফায় চুপ করে বসে কিছুক্ষণ টিভি দেখল। গা হাত পা ব্যথা শুরু হল আবার।

    কলিং বেল বাজছে। দিব্যেন্দু বিরক্ত মুখে উঠে দরজা খুলল। বলভদ্র দাঁড়িয়ে আছেন। দিব্যেন্দুকে দেখে বললেন, ‘কী একটা খবর শুনলাম! তোমার চোখে কালো দাগ কীসের?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আসুন।’

    বলভদ্র ঘরের ভিতর ঢুকে চোখ কপালে তুললেন, ‘এসব কী?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘বউ পালিয়েছে। কী করব? ভাবলাম ওর নামে ইনসিউরেন্স করব। তার আগেই পালিয়ে গেল।’

    বলভদ্র বললেন, ‘পালিয়ে গেল? বেশি মারতে নাকি?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘খুব বেশি কিছু না তো!’

    বলভদ্র জোরে জোরে মাথা নাড়ালেন, ‘না। বেশি মারতে। মারার মাপ আছে। ঠিক ঠাক মারতে পারলে পালাবে না। ডোজ বেশি হয়ে গেলে পালায়। ঠিক আছে, কিছুদিন যাক, আরেকটা বিয়ে কর। কমবয়সি। সেটাকে কী করবে, আমি বলে দেব। ওভাবে ডোজ বাড়াতে নেই। লোক জানবে কেন? আর্ট তো ওতেই।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আমি আর বিয়ে করব না।’

    বলভদ্র বললেন, ‘ওরকম সবাই বলে। একা থাকা সম্ভব নাকি? কেউ তো থাকবে যে খিদমত খাটবে। যা বলবে তাই করবে। রান্না করবে, ঘর ঝাঁট দেবে, ঘর মুছে দেবে, পুজো দেবে আবার রাতে বিছানা গরম করবে। কাজের মেয়ে থেকে রাঁধুনি হয়ে বেশ্যা, সব এক প্যাকেজ। বুঝলে না?’

    দিব্যেন্দু শক্ত হয়ে বলল, ‘আমি বিয়ে করব না, বললাম তো। মাগী চলে গেলে অনেক ঝামেলা। আমি অত ঝামেলা নিয়ে পারব না।’

    বলভদ্র শ্বাস ছেড়ে বললেন, ‘তাহলে আর কী? একটা ইনসিউরেন্স করে নাও।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘নমিনি কে হবে? আপনার বাবা?’

    বলভদ্র বললেন, ‘রেগে গেলে কেন? কী হয়েছে?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কিছু না। আপনি যান তো। ভালো লাগছে না।’

    ৪৬

    —আপনিই অরিত্রবাবু?

    —হ্যাঁ।

    অফিসার তীক্ষ্ণ চোখে অরিত্রর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘শুনলাম কাল রাতে আপনি অনেকটা সিন ক্রিয়েট করেছেন।’

    অরিত্র অফিসারের দিকে তাকিয়ে আছে। রাস্তায় ঝামেলা করেছে সে। প্রথমে পুলিশ এসে তাকে স্থানীয় থানায় নিয়ে গেছিল।

    বেশ খানিকক্ষণ তাকে বসিয়ে রেখে অন্য একটা ইনভেস্টিগেশন সেন্টারে তুলে নিয়ে এসেছে। অরিত্রর মাথা এতটাই ঘেঁটে আছে, সে কিছুতেই বুঝতে পারছে না যে তাকে কোথায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    অফিসার বলল, ‘করেছেন তো ঝামেলা? কাল রাতে?’

    অরিত্র বলল, ‘ইচ্ছে করে তো করিনি। আমার ওয়াইফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তিলজলা থানায় গিয়ে মিসিং ডায়েরি করেছি। হোটেলে গেছি। এটাকে ঝামেলা বলে কি?’

    অফিসার বলল, ‘বলে। আমার কাছে রিপোর্ট আছে। আপনার চালচলন, কথাবার্তা অন্য সন্দেহ তৈরি করছে। আপনি সেটা বুঝতে পারছেন?’

    অরিত্র অবাক হয়ে বলল, ‘কী সন্দেহ তৈরি করছে?’

    অফিসার বলল, ‘হতে পারে আপনি কোনও কন্ট্রাক্ট কিলার দিয়ে আপনার স্ত্রীকে খুন করেছেন।’

    অরিত্রর মাথা ঘুরে গেল। সে চিৎকার করতে শুরু করল, ‘এ সব কী বলছেন আপনি? আমি আমার স্ত্রীকে খুন করতে যাব কেন?’

    অফিসার শান্ত গলায় বলল, ‘এফেক্ট অফ ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স। এরকম হতেই পারে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কখনও কখনও সন্দেহ এতটাই বেড়ে যায় যে হাজব্যান্ড ওয়াইফকে খুন করে ফেলে। বাইরে নাটক করতে গিয়ে অনেকটা বেশি হয়ে যায়, সেটা হাজব্যান্ড বুঝতে পারে না।’

    অরিত্র বলল, ‘আপনি এরকম আজে বাজে কথা বলে যাচ্ছেন কেন? আমি কেন এণাক্ষীকে খুন করতে যাব? এক মিনিট, এক মিনিট। খুন হয়েছে মানে কী? কী বলতে চাইছেন?’

    অফিসার বলল, ‘আমরা সব অপশন যাচাই করে দেখছি। হতেই পারে আপনি কোথাও গুম করে রেখেছেন ওকে। রাস্তাঘাটে অপ্রয়োজনীয় ঝামেলা লাগিয়ে ফেলছেন যাতে আপনার উপরে কোনও সন্দেহের তির না আসে।’

    অরিত্র মাথা ঠান্ডা করার চেষ্টা করল, ‘শুনুন অফিসার। আপনার কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে আপনি আমাকে হেকল করতে চাইছেন। আমার স্ত্রীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, কোথায় একটা ঠিকঠাক ইনভেস্টিগেশন করে ওকে খুঁজে বের করবেন, তা না, আপনি উল্টোপাল্টা অ্যালিগেশন করে যাচ্ছেন। তিলজলা থানার অফিসার নীল কিন্তু জানেন আমার হোয়ার অ্যাবাউটস। আমাকে অযথা অ্যাটাক না করে সেই এনার্জি এণাক্ষীকে খুঁজতে ব্যবহার করলে ভালো হতো না?’

    একটা বাল্ব জ্বলছে। অফিসার উঠে বাল্বের সুইচটা বন্ধ করে দিয়ে বলল, ‘সব রকম সন্দেহ আপনার উপরে আসছে। আপনি বুঝতে পারছেন না। ঠিক আছে, আপনি বাড়ি যান।’

    অরিত্র বলল, ‘কোনরকম সন্দেহই আমার উপরে আসছে না। আপনারা জোর করে আমার উপর কোনও কিছু প্ল্যান্ট করার তালে আছেন। আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি।’

    অফিসার অরিত্রর দিকে তাকিয়ে চোখ ছোট করে বলল, ‘আপনি বাড়ি চলে যান। আপনার গাড়িটা আটক হবে। পরে দেখছি কী করা যায়।’

    অরিত্র বলল, ‘আপনারা সিসিটিভিতে দেখেননি? আমার কোনও দোষই ছিল না। খামোখা আমার গাড়িটা আটকে রাখছেন কেন? আমার স্ত্রীকে খুঁজতে গাড়িটা দরকার ছিল। প্লিজ গাড়িটা ছেড়ে দিন।’

    অফিসার বলল, ‘বললাম তো, আমরা সব সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছি। কিন্তু এই মুহূর্তে আপনার যা অবস্থা, আমরা আপনাকে গাড়ি চালাতে দিতে পারি না। দেখছি কী করা যায়।’

    অরিত্র বলল, ‘আর এণাক্ষী? ওর কোনও খবর পাওয়া গেছে?’

    অফিসার অরিত্রর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনি শিওর, জানেন না আপনার স্ত্রী কোথায়?’

    অরিত্র বলল, ‘আমাকে বার বার একই প্রশ্ন করে যাচ্ছেন কেন বলুন তো?’

    অফিসার বলল, ‘আপনি এখন ভদ্রভাবে বাড়ি চলে যান। মনে রাখবেন, অতিরিক্ত সক্রিয়তা বিপদের কারণ হতে পারে।’

    কথাটা বলে অফিসার হাসল। অরিত্র অবাক চোখে অফিসারের দিকে তাকিয়ে রইল। অতিরিক্ত সক্রিয়তা মানে?

    ৪৭

    খারাপ সময় এলে কি মাথার উপর শকুন ঘুরে বেড়ায়? কাক চিলে তার শরীর নেবে বলে ঝগড়া শুরু করে? এরকমই তো শুনেছিল ছোটবেলায়।

    কোত্থেকে একটা পাখি এসে মাথার উপরে ঘুরছে। বাজারসুদ্ধ লোক নুরুলের দোকানের দিকে দৌড়চ্ছে। পূর্ণ হতবাক হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে।

    ফোন বাজছে। পূর্ণ ফোন ধরল, ‘হ্যাঁ।’

    বাপিদা বলল, ‘বাড়ি যাচ্ছ?’

    পূর্ণ বলল, ‘আরে বাড়ি যাব কী, নুরুলকে কে খুন করে দিয়েছে!’

    বাপিদা হাসল, ‘তাই নাকি?’

    পূর্ণ বলল, ‘হাসছ তুমি? এটা হাসার বিষয়? তুমি এখানে থাকতে না? নুরুলকে চেনো না তুমি? জানো না ওর পরিবার আছে?’

    বাপিদা ঠান্ডা গলায় বলল, ‘আমার জানার দরকার নেই। আমি শুধু এটুকু জানি, তুমি যদি ওই টাকার ব্যাপার আর কাউকে বলো, তার অবস্থাও নুরুলের মতো হবে। তুমি কি সেটা চাও?’

    পূর্ণ হতভম্ব হয়ে বলল, ‘মানে? তুমি করিয়েছ?’

    বাপিদা বলল, ‘বাড়ি যাও। অনেক কাজ আছে। বাজারে দাঁড়িয়ে থেক না। ইমন পেইন্টের সামনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করছ, যাও। ফিরে যাও।’

    পূর্ণ বলল, ‘তুমি দেখতে পাচ্ছ কী করে?’

    বাপিদা বলল, ‘ইচ্ছে করলে সব দেখা যায়। যা বলছি করো।’

    ফোন কেটে গেল। পূর্ণ বোকাসোকা মানুষ। বেশি বুদ্ধি তার কোনকালেই ছিল না। কিন্তু বাপিদার কথা শুনে সে ভয় পেয়ে গেল। চেনা জানা মানুষটা কেমন যেন অচেনা হয়ে গেছে।

    টোটো যাচ্ছিল একটা। পূর্ণ তাতেই উঠে বাপিদার বাড়ির ঠিকানা বলল। টোটোওয়ালা বলল, ‘নুরুলদা মার্ডার হয়েছে, শুনেছেন?’

    পূর্ণ বিড়বিড় করে বলল, ‘হ্যাঁ, শুনেছি বাপু। তুমি তাড়াতাড়ি চলো। বাড়িতে অনেক কাজ।’

    টোটোওয়ালা বক বক করে যেতে লাগল, ‘ভাবা যায় না, এসব এলাকায় এককালে একটাও বাইরের লোক আসত না। আর এখন নাকি কে বাইকে করে এসে খুন করে দিয়ে গেল! কী অবস্থা বুঝতে পারছেন? আর সে কী টিপ! কুত্তামারা টিপ যাকে বলে। কপালের মাঝ বরাবর গুলি করে দিয়ে গেছে। ভালো মানুষ ছিল। কারো সাতে পাঁচে থাকত না। সেই লোকের এই হাল করে দিয়ে গেছে। ভাবা যাচ্ছে না।’

    পূর্ণ বলল, ‘কী আর করা। সবার নিজের নিজের কপাল।’

    বাড়ির সামনে নেমে পড়ল পূর্ণ। তালা খুলে ঘরের ভেতর গিয়ে তালা বন্ধ করে ঢুকে পড়ল।

    বুক ঢিব ঢিব করছে। ফোন বাজল আবার। সে ফোন ধরতেই বাপিদা বলল, ‘তোমাকে বোকা ভাবতাম। তুমি তো তেমন বোকা না। আলমারি খোলার জন্য যথেষ্ট বুদ্ধি দরকার। সেটা যখন পেরেছ, তাহলে আমার অন্য কাজগুলোও করতে পারবে। এক কাজ করো। আমার বেডরুমে দেখো একটা ব্যাগ আছে। টাকাগুলো ওই ব্যাগে ভরে নাও। একটা ঠিকানা পাঠাচ্ছি। দিনের আলো থাকতে বেরিয়ে গিয়ে ব্যাগটা ওই ঠিকানায় দিয়ে এস। পারবে?’

    পূর্ণর ঘাম হচ্ছিল। সে কোনমতে বলল, ‘আমার বুক ধড়ফড় করছে বাপিদা। নুরুলকে তুমি মেরে দিলে? নুরুল আমার বন্ধু ছিল।’

    বাপিদা বলল, ‘মানুষ মরল বাঁচল, তাতে কিছু যায় আসে না। এই যে তুমি না খেতে পেয়ে ঘুরে বেড়াতে, তোমার বন্ধু কি তোমায় খাইয়ে দিত? নিজেই ভেবে দেখো। এই পৃথিবীতে কেউ কারো না। একেক জন, একেক রকম। তুমি তোমার মতো। নুরুল নুরুলের মতো। আমার কথা শুনে কাজ করো, তোমাকে না খেয়ে থাকতে হবে না। তোমাকে বোকা ভাবাটা আমার ঠিক হয়নি। আগে জানতে পারলে নুরুলের প্রাণটা বাঁচত এই যা। ব্যাগে টাকাগুলো ভরে নাও। উলুবেড়িয়া গেছ কোনওদিন?’

    পূর্ণ বলল, ‘না।’

    বাপিদা বলল, ‘হাওড়া গিয়ে ওখান থেকে মেচেদার দিকের লোকাল ট্রেন ধরবে। উলুবেড়িয়া নেমে রিকশা নিয়ে আমার পাঠানো ঠিকানা বলবে, নিয়ে যাবে। কাজ করো। খাবারের চিন্তা করতে হবে না।’

    পূর্ণর বমি পাচ্ছিল। সে ফোন কেটে দিল।

    ৪৮

    হোটেলের রুমে ফিরে এসেছে সে। টিভি দেখছে স্থির হয়ে বসে। আবেগ শূন্য হয়ে গেছে সে। কী হবে ভেবে?

    যত ভাববে, তত সমস্যা বাড়বে।

    দিব্যেন্দু যখন প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে মারত, প্রথম প্রথম অনেক ভেবেছে। পরে দেখেছে, আসলে ওসব ভেবেটেবে কিছু হয় না। যা হবার, তা হয়েই যায়।

    হোমে দিব্যেন্দুকে দেখার পর হৃদস্পন্দন থমকে গেছিল তার। মনে হচ্ছিল যেকোনও সময় হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাবে। কী ভয়ংকর একটা মুহূর্ত। আবার সে লোকটার মুখোমুখি! পৃথিবীতে কি দিব্যেন্দুর থেকেও ভয়ংকর কেউ হতে পারে? না বোধহয়।

    দিব্যেন্দু অফিস থেকে ফিরে জুতো খুলতে খুলতে বলত, ‘আফগানিস্তানের গল্প শুনলাম। ওখানে বউরা যদি বরের কথা না শোনে, মাথায় পাথর ঠুকেই মেরে দেয়। বুঝতে পারছ, কী ভয়ংকর ব্যাপার? তার তুলনায় আমি কী? কিচ্ছু না। আমি তো আসলে ভালোবাসি তোমায়। এই যে মারি, মারার পরে কি আমার কষ্ট হয় না? কিন্তু কী করব? বউকে সিধে রাখতে হলে মারতে হয়।’

    রুমা চুপ করে বসে থাকত। কী আর বলবে? বাড়ির লোক যদি সাপোর্ট না দেয়, তাহলে সব রকম পরিস্থিতি সহ্য করতে হয়। একবার কী মনে হল, মাঝরাতে হঠাৎ করে ঠেলে তুলে দিয়ে বলল, ‘একটা কাজ করো। বাড়ির বাইরের রাস্তায় গিয়ে দাঁড়িয়ে থাক। দেখা যাক কী হয়।’

    রুমা কোনও প্রতিবাদ করেনি। চুপচাপ গিয়ে বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল।

    দিব্যেন্দু জানলা থেকে চুপ করে বসে তাকে দেখছিল। রুমা কাঁদেনি। পাড়ার কুকুরগুলো এসে একবার তাকে ঘিরে ডেকে চলে গেল। রুমা ভয় পায়নি। ভয়গুলো এভাবেই জয় করতে হতো।

    কিছুক্ষণ পর দিব্যেন্দু তাকে ডাকল। সে আবার ঘরের ভেতর এল। দরজা বন্ধ করতে করতে শুনল দিব্যেন্দু বলছে, ‘রাস্তায় দাঁড়ান অভ্যাস আছে তার মানে। দাঁড়িয়েছিলি নাকি কোনদিন?’

    রুমা সে কথারও প্রতিবাদ করেনি।

    প্রতিবাদ করার ইতিহাস মনে আছে তার। ব্লেড দিয়ে এমন ভাবে হাত চিরে দেবে, অসহ্য যন্ত্রণা হয়। একবার কাটা জায়গায় নুন দিয়ে দিয়েছিল। ব্যথায় সে চিৎকার করছে, দিব্যেন্দু এসে মুখে হাত দিয়ে বলেছে, ‘গলা নামিয়ে চিৎকার কর শুয়োরের বাচ্চা, পাশের বাড়ির লোক জেগে যাবে।’

    কলিং বেল বাজল। রুমার হুঁশ ফিরল।

    সে দরজা খুলল।

    লোকটা বলল, ‘আসব?’

    রুমা কিছু না বলে দরজা থেকে সরে দাঁড়াল।

    লোকটা ঘরের ভেতর ঢুকে বলল, ‘তুমি আমার উপর রাগ করে আছ। রাগ করে থেকো না। রাগ কোনও কিছুর সলিউশন হতে পারে না। আজ না হোক, কাল তোমার হাজব্যান্ড ওই হোমের ঠিকানা ঠিকই পেয়ে যেত। তারপর কী হতো ভেবে দেখেছ?’

    রুমা পাথুরে মুখে বলল, ‘ভাবতে চাই না। আমাকে কী করতে হবে, সেটা বলুন।’

    লোকটা বলল, ‘তোমার ট্রেনিংটা হোক। তারপর তুমি ঠিক করে নিও।’

    রুমা বলল, ‘আপনি বলেছিলেন হানি ট্র্যাপ করাবেন। শেষ অবধি ওটাই করতে হবে তো?’

    লোকটার ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল। বলল, ‘ব্রাভো। তোমার মেমোরি তো খুব শার্প। এই কাজে মেমোরি শার্প হওয়া মাস্ট। একটা কোনও কথা শুনলে, কোনও কোড, কোনও ফোন নাম্বার, মনে রাখতে হবে। তুমি টুয়েলভ অবধি পড়েছ, তারপর পড়া হয়নি। বাড়ির লোক জোর করে বিয়ে দিয়ে দিয়েছিল। ছেলেটার ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করার প্রয়োজন বোধ করেনি।’

    রুমা বলল, ‘চেক করলে কি জানা যেত ছেলেটা ওভাবে মারে?’

    লোকটা বলল, ‘তুমি শক্তিশালী হলে মারতে পারত না। ধর তোমাকে মারতে এল, তুমি এমন একটা প্যাঁচ দিলে, উল্টে পড়ে গেল। কোনওদিন প্রতিরোধ করনি। করলে এত খারাপ অবস্থা হতো না।’

    রুমা বলল, ‘করার কথা মনে হয়নি। বাড়িতে পাঠিয়ে দিলে রাখত না।’

    লোকটা বলল, ‘ঠিক রাখত। এই ধরনের সাইকোপ্যাথরা শক্তের ভক্ত। নরমের যম। তুমি কি কাল থেকে ট্রেনিং শুরু করতে প্রস্তুত?’

    রুমা বলল, ‘আপনি যা বলবেন।’

    লোকটা বলল, ‘তুমি এখনও ভাবছ তোমাকে জোর করা হচ্ছে, তাই না?’

    রুমা ম্লান হাসল, ‘সবাই একটা কথাই বলে। আমার ভালোর জন্যই নাকি করা হচ্ছে। বাবা-মা বলল ভালোর জন্য বিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ও বলল ভালোর জন্য মারা হচ্ছে। কোনটা খারাপ, সেটাই ভাবছি।’

    লোকটা বলল, ‘বেঁচে থাকতে চাও তো এত কিছুর পরেও? সেটার থেকে ভালো আর কী হতে পারে?’

    রুমা উত্তর দিল না।

    .

    ৪৯

    রাত গাঢ় থেকে গাঢ়তর হচ্ছে।

    গলির সামনে ভিড় বাড়ছে একটু একটু করে। যেন কোনও উৎসব চলছে। কত রকম মানুষ আসে, একেক জনের একেক রকম চাহিদা। প্রথম প্রথম সবাই ভয়ে ভয়ে থাকে। এক দিন, দু-দিন করতে করতে যখন অভ্যস্ত হয়ে যায়, তখন তাদের শরীরে আত্মবিশ্বাস ঝকঝক করতে থাকে।

    সুখেনের দুটো কাস্টমার হয়েছে। পকেটে দুশো টাকা এসেছে। সে চায়ের দোকানে গিয়ে বসল।

    আরেকটু রাত হলে আরও মজা হয়। সুখেন আসলে রাতের প্রতীক্ষাই করে দিনভর। রাত হলে সে বেঁচে থাকার রসদ পায়।

    লুকা সাঁতরার গাড়ি গলির সামনে আসতেই সুখেন উঠে পড়ল। লুকা দিব্যেন্দুকে তুলেছিল। কী কেস জানতে হবে।

    লুকা গাড়ি থেকে নামতেই একটু দূরত্ব রেখে সে চিৎকার করল, ‘দাদা, প্যাকেজটা কী করলেন?’

    লুকা সিগারেট টানছিল। সুখেনকে দেখামাত্র হাতছানি দিয়ে ডাকল। সুখেন কান ধরল, ‘মারবে দাদা।’

    লুকা বলল, ‘চাইলে অনেক আগেই উড়িয়ে দিতে পারতাম। এদিকে আয়।’

    সুখেন ধীর পায়ে লাজুক মুখে লুকার কাছে গিয়ে দাঁড়াল।

    লুকা সুখেনের কান ধরে জোরে মুলে দিল, ‘তোর নাকি পাখনা গজিয়েছে?’

    সুখেনের লাগছিল। তাও চিঁচিঁ করে বলল, ‘দাদা, তোমরাই তো রাখবে, তোমরাই তো মারবে। আমি ভাবলাম লোকটাকে যদি হাপিশ করে দাও। এমনি তো দোষ কিছু করেনি। হাতুড়িটা নাকি ওর মুদ্রাদোষ।’

    এক রাস্তা লোকের সামনে লুকা তাকে লাথি মারল। পরপর কয়েকটা চড় মেরে বলল, ‘আমার কথা না শুনে নিজের বুদ্ধি খাটাতে গেলে এরপরে ধাপার মাঠে তোর লাশ পাওয়া যাবে। আমার কথার নড়চড় হয় না।’

    কান মাথা ঝিঁঝি করছে। যে কাজ সে করে, তাতে অপমান বলে কোনও শব্দ হয় না। তাও সুখেনের খারাপ লাগছিল। সে বলল, ‘ভুল হয়ে গেছে দাদা। আর হবে না।’

    লুকা বলল, ‘ভুল বলে কিছু হয় না। তুই পুরোনো শুয়োর বলে তোকে হালকার উপরে ছাড়লাম আজ। আমার ছেলেদের তুই বলেছিলি রাতেই ওকে ট্যাক্সিতে তুলে দিয়েছিস। কিন্তু তুই তা করিসনি। নিজের কাছে রেখেছিলি। তুই কী ভেবেছিলি, এসব করবি আর কিছু হবে না?’

    সুখেন বলল, ‘দাদা, মালটাকে আমি একটু দেখতে চেয়েছিলাম। মানে এরকম তো দেখিনি, তুমি কি দেখেছ? বেশ্যাপাড়ায় এসে পায়ে হাতুড়ি মারে, দেখব না?’

    লুকা জ্বলন্ত চোখে সুখেনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘সাতদিন এলাকায় ঢুকবি না। তোকে সাতদিনের জন্য এখান থেকে বের করা হল। ফের যদি তোকে এলাকায় দেখেছি, তাহলে তুই খবর হয়ে যাবি।’

    সুখেন কাঁদার নাটক করল, ‘এরকম করে বললে কী করে হবে দাদা? আমি কী খাব? না খেতে পেয়ে মরবো তো। তোমার দয়ার শরীর। ছেড়ে দাও।’

    লুকা মাথা নাড়ল, ‘তোর অনেক বাড় বেড়েছে সুখেন। আমি অনেক দিন ধরেই দেখছি। তুই যদি ভেবে থাকিস কেউ কিছু বোঝে না, তাহলে তুই মূর্খের স্বর্গে বাস করছিস। আমি যা বলেছি, তাই হবে। সাতদিন তোকে যেন না দেখি। যদি দেখতে পাই, তোর খবর আছে।’

    সুখেন কান ধরল। আরেকটা গাড়ি এসে গলির মুখে দাঁড়াল।

    লুকা ইশারা করল। সুখেন দেখল গাড়ি থেকে একটা বউ নামল। দেখে বোঝা যাচ্ছে, মেয়েটা হকচকিয়ে গেছে। ভয় পাচ্ছে। একবারে ভদ্রবাড়ির মেয়ে দেখলেই বোঝা যায়।

    লুকা মেয়েটাকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। সুখেন ধীরে ধীরে দূরে চলে গেল। বোঝা যাচ্ছে মেয়েটাকে নিয়ে লুকার কোনও প্ল্যান আছে। গলির ভেতরে ঢুকে জোর পায়ে হাঁটতে হাঁটতে সে শমিতার ঘর থেকে নিরাপদ দূরত্বে একটা ঘরের ছাদে উঠে অন্ধকারে গা ঢাকা দিয়ে বসে রইল।

    ঠিক যা ভেবেছিল তাই।

    মেয়েটাকে নিয়ে শমিতার ঘরে ঢুকল লুকা।

    সুখেন ভ্রু কুঁচকে চিন্তা করতে লাগল, কী করে শমিতার ঘরের ভেতর ঢোকা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }