Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অপারেশন ট্রেইটর – ৪০

    ৪০

    দু-দিন আগের কথা

    লতিফ চৌধুরী গম্ভীর হয়ে বসে আছে।

    তার সামনে মাদ্রাসার প্রধান মজনুদ্দিন বসে বসে জানলার বাইরের প্রকৃতি দেখছে।

    লতিফ বলল, ‘কী খবর আপনের?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘চলতেছে।’

    লতিফ বলল, ‘কথা কম বলতেছেন?’

    মজনুদ্দিন হাসার চেষ্টা করল, ‘জি জনাব। অধিক কথা কওন ভালা না।’

    লতিফ বলল, ‘ভালো। পাকিস্তান গড়ার লক্ষ্যে আপনের মতো মানুষ দরকার। আপনি পাকিস্তান গড়ার একজন কারিগর। ভুলবেন না।’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘জি জনাব। আপনের অসীম করুণা।’

    লতিফ বলল, ‘আমায় বলবেন না। তারে বলুন। তিনিই সব কিছুর মালিক। আমার কুড়িজন ছেলে লাগবে মজনুদ্দিন সাহেব।’

    মজনুদ্দিন ঘাবড়ে গেল, ‘কুড়িজন?’

    লতিফ ঠান্ডা চোখে মজনুদ্দিনকে দেখল, ‘কেন? পারবেন না? কুড়িটা ছেলে পাকিস্তান গড়ার জন্য দিতে পারবেন না? তাহলে এত এত টেকা পাঠানো হয় কী জন্য?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘জনাব, আমারে হিসাব করতে দেন। এতিম ছেলে জোগাড় করতে হবে তো! বাপ-মায়ে থাকলে অনেক ঝামেলা করে।’

    লতিফ বলল, ‘বাপ-মা থাকা ছেলেই জোগাড় করবেন। আপনারে শুধু ছেলে মানুষ করার জন্য টেকা পাঠানো হয় না। ছেলে, তার অভিভাবক, তার পাড়া প্রতিবেশী, সবাই যেন পাকিস্তান গড়ার লক্ষ্যে দীক্ষা পায়, তার জন্য টেকা পাঠানো হয়। টেকাগুলান আপনার ভুঁড়ি বাড়ানোর জন্য পাঠানো হয় না।’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘জি জনাব। আমি এক মাসের মধ্যে আপনারে তালিকা পাঠাইতেছি।’

    লতিফ রাগী গলায় বলল, ‘একমাস না। আমার এখন লাগবে তালিকা। আমাকে জায়গামতো জবাব দিতে হয়। বোঝঝেন মিয়াঁ?’

    মজনুদ্দিন বিষম খেল। লতিফ বলল, ‘বিষম খাইলে তো হবে না। কর্তারা আসছেন, তাগো হিসাব দিতে হইব। এত এত টেকা আসে, সৌদি থিকা আসে, বাইরে থিকা আসে, তার তো হিসাব লাগব না? এমনি এমনি তারা টেকা পাঠায়? চরিত্র তৈরি করতে পাঠায়, যখন লাগব, তখন সে ছেলেদের কামে পাঠাইতে হইব। হইব না?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘ছেলেরা এখনও ছোট জনাব।’

    লতিফ চোখ ছোট করল, ‘কত ছোট?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘বারো-তেরো বছরের ছেলে। এদের দিয়া কী হইব?’

    লতিফ বলল, ‘সেইডা কে ঠিক করবেন? আপনে?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘রাজনৈতিক বিষয় আছে জনাব। এলাকা থিকা একসঙ্গে এত গুলান ছেলে লা পাতা হইলে অনেক জবাবদিহি করতে হইব।’

    লতিফ বলল, ‘ঢাকা বেড়াইতে লইয়া আইবেন। যাদের নির্বাচিত করবেন, তাদের আলাদা বাসে রাখবেন। সে বাস মিসিং হইয়া যাইব। বোঝঝেন?’

    মজনুদ্দিন অবাক চোখে কয়েক সেকেন্ড লতিফের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, ‘বুঝছি।’

    লতিফ বলল, ‘দেশ গড়া বোঝেন? দেশ গড়তে কত বলিদান লাগে জানেন? ছহি ইসলামি পাকিস্তান গড়তে হইব আমাদের। চারদিকে ন্যাংটা পুলাপান ভরতি হইয়া গেছে। কায়ামতের দিন করিব চইলা আইসে। কেন হইসে এরূপ? আমরা আর পাকিস্তান নাই বইলা। দেশরে ইন্ডিয়ার কাছে বেইচা দিলে হইব? হইব না। দেশ গড়ার জন্য ছেলে লাগব।’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘জনাব, কুড়ি জন ছেলের বাবা-মায়ের লগে কথা বইলা নিমু?’

    লতিফ হাত দিয়ে মাছি তাড়াবার ভঙ্গি করল, ‘দরকার নাই। গরিব হতদরিদ্র ঘরের ছেলে তারা। তাগো খাওন-দাওন সব আমরা দিতেছি। পরিবর্তে আমাগোও যা লাগব, তাগো তা দিতে হইব। আপনি জানেন, পাকিস্তান সরকারের লোকেরা আপনার নাম জানবে, যদি আপনি এই কাজ ঠিক কইরা করতে পারেন তবে?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘জনাব, আপনি যা বলবেন, তাই মেনে চলার চেষ্টা করি। তবু এই কামটা বড় ছোট কাম না জনাব। একসঙ্গে কুড়িজন ছেলে, এলাকায় ঝামেলা হইবে, পুলিশ আইব, অনেক রকম সমস্যা হইব।’

    লতিফ বলল, ‘পুলিশ আমি বুইঝা নিমু নে, আপনি মিডিয়ারে সামলাইবেন। উলাঝুলা মুখে কান্না করবেন শুধু। বুঝঝেন?’

    মজনুদ্দিন বলল, ‘বুঝছি জনাব। এই ছেলেরা কী করবে জনাব?’

    লতিফ ঠান্ডা চোখে বলল, ‘পাকিস্তান গড়বে। আপনারে কবার কওন লাগব? আপনি চান না পাকিস্তান জিতুক? চান না?’

    মজনুদ্দিন ঘাবড়ে গিয়ে মাথা নাড়ল, ‘চাই জনাব। ইনশাল্লাহ তাই হবে।’

    লতিফ খুশি হল। বলল, ‘ঢাকার ট্যুর দেন। তারপর বাকি কথা কমু। ফান্ডে টেকা পৌঁছায়ে যাইব। কুড়িজন পাইলে কেউ হিসাব চাইব না মনে রাখবেন।’

    মজনুদ্দিন শুকন মুখে বলল, ‘জি জনাব।’

    .

    ৪১

    বর্তমান সময়

    দুপুর আড়াইটা।

    বৃষ্টি পড়ছে। নির্মল নিস্তেজ হয়ে ঘরে শুয়ে আছে। অফিস যায়নি সে। টিভিটা একঘেয়ে খবর পরিবেশন করে যাচ্ছে।

    কোথাও যেতে ইচ্ছে করছে না। সোবাহান সাহেবের কথাগুলো মাথায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘ইন্ডিয়ার দালাল।’

    এই কথাগুলো অনেকবার শুনেছে সে। ঠারে ঠোরে তাকে এটাই বোঝানো হয়েছে বরাবর। আনোয়ার সাহেব যেদিন এসেছিলেন, সেদিন একটা কথা বলেছিলেন, ‘নির্ভয়ে কাজ করো। যদি তুমি সততার সঙ্গে কাজ করো, আর কেউ কোনদিন না থাকে, আমি থাকব।’

    ছিলেনও। বিনা প্রশ্নে যখন সে যা বলেছে, তাই শুনেছেন। প্রকৃত অভিভাবকের মতো মাথার উপর ছিলেন। সে মানুষ নেই ভাবতেও কষ্ট হচ্ছে।

    সোবাহান সাহেবের কথা শুনে বোঝা গেল উনি আনোয়ার সাহেবকে ভারতের দালাল হিসেবে চিহ্নিত করতে চাইছেন। সোবাহান সাহেব বরাবরই পাকিস্তানপন্থী। কথাবার্তায় পাকিস্তান প্রায়ই বেরিয়ে আসে। প্রায়ই বলেন এ দেশকে ভারত নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। দেশকে ভারতের নিয়ন্ত্রণ থেকে দূরে রাখা দরকার। প্রয়োজনে মধ্যপ্রাচ্য বা পাকিস্তানের থেকে সুযোগ-সুবিধা নিতে হবে।

    আনোয়ার অন্য কথা বলতেন। বার বার বলতেন, দেশ স্বতন্ত্রভাবে চলা উচিত। কোনও ধর্মাবলম্বী নয়, যে দেশ ধর্মনিরপেক্ষ, কোনও ধর্মকে অনুসরণ করে না, সে দেশের উন্নতি অনেক বেশি হয়। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ সে দেশের উন্নতির পদে বাধা দেয় সব সময়। স্বাধীনতার পর ভারত যতটা এগিয়েছে, পাকিস্তান ততটাই পিছিয়েছে। কূটনৈতিক ভাবে তারা ধর্মীয় জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী সংস্থাগুলোকে ভারতের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছে। ফলে বাঘের পিঠে উঠতে হয়েছে। এই বাঘ তাদেরও খেতে শুরু করেছে এবারে। গোটা দেশটাকে খাবার পর সে বাঘ যেন বাংলাদেশেও না আসে, সেটা আটকাতে হবে বাংলাদেশকেই। কথাগুলো সোবাহানসহ অনেকেরই ভালো লাগত না। তবে আনোয়ার সাহেবকে টলানো যায়নি কোনদিন। এ জন্যই হয়তো সরতে হল।

    নির্মল জরিনার কথাগুলো মনে করার চেষ্টা করল। সাকিনা কে? সে নিরুদ্দেশ হয়েছে? সাদিকের সঙ্গে সাকিনার কী সম্পর্ক ছিল?

    পর পর একগাদা প্রশ্ন মাথায় আসছে।

    ফোন বাজছে। আলমের ফোন। নির্মল সঙ্গে সঙ্গে ধরল, ‘বল।’

    আলম বলল, ‘দোস্ত, তোমারে একখান কথা কই।’

    নির্মল বলল, ‘বল। তোমার কথা শোনার জন্যই তো বসে আছি।’

    আলম বলল, ‘সাদিক একটা পক্ষী বুঝলা।’

    নির্মল অবাক হল, ‘মানে?’

    আলম বলল, ‘ঘুঘুপক্ষী। এক্কেরে দারুণ এক ঘুঘুপক্ষী। যে পক্ষীর এত ডানা আছে, সে সব ডানার নাগাল পেতে আমার কালঘাম ছুইটা গেছে।’

    নির্মল বলল, ‘যেমন?’

    আলম বলল, ‘চার খান ফাইল আছে তার। দুটো সাদা, দুটো কালো। কালো ফাইলগুলান আবার আলাদা জায়গায় রাখা। আমি তার মধ্যে একটা ফাইলের ছবি তুলতে পারসি। আরেকখান এখনও নাগালে নাই।’

    নির্মল উত্তেজিত হয়ে দেওয়ালে ঘুষি মারল, ‘ইয়েস। কী পাওয়া গেল?’

    আলম বলল, ‘ইস্তানবুল, করাচী, কুয়ালালামপুর, কলম্বো, কাঠমান্ডুতেও তিনি ব্যবসা করেন। এক্সপোর্ট দেখানো হইছে। ক্লাসিফায়েড টেক্সটাইল। মানে কী?’

    নির্মল বলল, ‘মানে জানার দরকার নেই। কত ডলারের ট্রানজাকশান?’

    আলম বলল, ‘শুধু এই অর্থবর্ষে একশো সাতাশ কোটি বাংলাদেশি টাকা।’

    নির্মল বিস্মিত হয়ে বলল, ‘কী? এত টাকা? সম্ভব? এ দেশের ধনী লোকেদের তালিকায় তার নাম কোথায়?’

    আলম হাসল, ‘ভাইরে, তালিকা বাইরে গেলে তাইলে তো ধনী হবে সে। সমস্ত ট্রানজাকশানই হিডেন।’

    নির্মল বলল, ‘তোমাদের ডিপার্টমেন্টের একটা চক্র যতক্ষণ না তাকে সরাসরি হেল্প করবে, ততদিন ও এ কাজ করতে পারবে না। এর মানে হল তোমাদের একটা অংশ এর সঙ্গে জড়িত।’

    আলম বলল, ‘সন্দেহ নাই। এ দেশের অনেক রাঘববোয়ালদের ফাইলই এভাবে আছে। সাহেবেরা তাদের মতো করে এসব হ্যান্ডেল করে। তবে সাদিক ভাই ইজ টুরু লাভ রে ভাই। এত টাকা সবার কাম না।’

    নির্মল বলল, ‘টাকাটা তো এখানেও শেষ হয়নি। আরেকটা ফাইলও তো আছে।’

    আলম বলল, ‘রাতটা দাও। বের করছি। আনুমানিক এই সংখ্যাটাকেই দুই দিয়ে গুণ করে খুশি থাকো।’

    নির্মল বলল, ‘খুশি থাকতে পারছি কোথায়? যে পার্টিগুলোর সঙ্গে ট্রানজাকশান হয়েছে, সেগুলিও লাগবে তো। এ দেশে টাকা পাঠায় কোথাও?’

    আলম বলল, ‘জি পাঠায়। নোয়াখালি, চিটাগাং-এর অনেক মাদ্রাসাতেই পাঠায়।’

    নির্মল ভ্রু কুঁচকাল, ‘মাদ্রাসায়?’

    তাকে অবাক করেই যেন টিভিতে সংবাদ পরিবেশক বলে উঠল, ‘ব্রেকিং নিউজ। নোয়াখালি থেকে ঢাকায় শিক্ষামূলক ভ্রমণের জন্য আসা মাদ্রাসার তিনটি বাসের একটি রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেছে। ঘটনাটি জানা গেছে একটু আগে যখন বাসগুলোর একটির সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন জানার পর মজনুদ্দিন সাহেব বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে যোগাযোগ করেন। আমরা এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত খবর নিয়ে আসছি খুব শিগগিরি। সঙ্গে থাকুন।’

    নির্মল ফোন রেখে চিন্তিত মুখে টিভির দিকে তাকিয়ে রইল।

    .

    ৪২

    সকাল দশটা।

    এয়ারপোর্ট থেকে নেমে গাড়িতে উঠলেন দুজনে।

    মাথুর আগেই ফোন অন করেছিলেন। খানকে বললেন, ‘পীযূষ ফোন করতে বলেছে।’

    আশরফ ইশারায় বোঝালেন সেফ হাউজে পৌঁছে ফোন করবেন।

    গাড়ি প্রায় পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে একটা দরজির দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। দুজনে নেমে গিয়ে দোকানের ভেতরে প্রবেশ করলেন। দোকানদার বলল, ‘কী চাই?’

    খান বললেন, ‘ভাত খাব। ইলিশ দিয়ে। টাকা এনেছি।’

    একটা দশ টাকার বাংলাদেশি নোট এগিয়ে দিলেন খান। তার কোণটা ছেঁড়া।

    দোকানদার নোট হাতে নিয়ে দেখে বললেন, ‘আসুন। ট্রায়াল রুম এদিকে।’

    দোকানের পেছনের দিকে একটা ছোট ঘর। দুজনে সে ঘরে ঢুকলেন।

    খান মোবাইলের টর্চ জ্বেলে দেওয়ালে কিছু একটা খুঁজতে শুরু করলেন। কয়েক সেকেন্ড পরেই তার মুখে হাসি ফুটল। একটা সুইচে হাত দিলেন। গোপন দরজা খুলে গেল। দুজনে ঢুকতে দরজা বন্ধ হয়ে গেল। একটা ছোট খাটো ঘর। অ্যাটাচড বাথরুম। এসি চালালেন খান। আলো জ্বালিয়ে বললেন, ‘দেখি, পীযূষ কী বলে।’

    মাথুর খাটে বসে বললেন, ‘ফোন করো।’

    খান পীযূষকে ফোন করলেন। পীযূষ ফোন তুলেই বললেন, ‘একটা অডিও পাঠাচ্ছি। শোন। ফ্রেশ রিলিজ।’

    খান বললেন, ‘পাঠাও। ওকে দেখছি।’

    ফোনটা কেটে খান মেসেজ বক্স দেখলেন। অডিও মেসেজটা এসেছে। অন করলেন খান,

    .

    ‘প্রিয় বন্ধুরা,

    উপরওয়ালার প্রিয়তম বান্দারা,

    আমাদের বন্ধুরা যারা এতদিন আমাদের হয়ে কথা বলত, তাদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একটার পর একটা আইন। আমাদের ভাইদের বেঁচে থাকাটাকেই দুষ্কর করে দিয়েছে সবাই। দেশের প্রতিটা অঞ্চলের ভাইরা জানে, কাশ্মীরে কী হচ্ছে। এত সহজে আমরা কাশ্মীর ছেড়ে দেব না। দুটো সেনা রেখে যারা ভেবেছে কাশ্মীর দখল হয়ে যাবে, তারা ভুল ভেবেছে। আমরা জড়ো হব, আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধে, এই জিহাদে আমরা কাশ্মীরকে মুক্ত করবই। লড়াই ছাড়লে চলবে না বন্ধুরা। আমাদের প্রত্যেকের রক্ত চায় এ জেহাদ। জিততে আমাদের হবেই।

    কণ্ঠরোধ করে কাশ্মীরকে চুপ করে রাখবেন ভেবেছেন? অত সোজা হবে? হতে দেব না। এত সহজে হতে দেব না…আমরা আসছি। বেঁচে থাকাটাই কঠিন করে দেব। প্রতিটা রক্তের হিসেব নেব আমরা। বুঝে নেব সবটা।’

    .

    মাথুর ভ্রু কুঁচকে বললেন, ‘সে কী গো? গলাটা চেনা লাগছে না?’

    আশরফ বললেন, ‘হু। হাসান মাকসুদের গলা। রেকর্ডেড।’

    মাথুর বললেন, ‘তুমি শিওর হাসান মাকসুদকে আমরা সেই শাস্তিই দিয়েছি? জানা গেছে কি কিছু?’

    খান মাথা নাড়লেন, ‘না। এখনও কিছুই জানি না। ক্লাসিফায়েড ইনফরমেশন। তুষার স্যার জানতে পারেন।’

    মাথুর বললেন, ‘জিগ্যেস করো। ফোন করো।’

    খান বললেন, ‘জেনে কী করবে?’

    মাথুর বিরক্তগলায় বললেন, ‘এখন আমাদের আবার ওই হাসান মাকসুদের ভূত তাড়া করবে? জেনে নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যেত না?’

    খান চেয়ার টেনে বসলেন, ‘ঠিকই। তুষার স্যারকে ফোন করি। দেখা যাক কোনও ইনফো দেন নাকি।’

    মাথুর খানের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে বললেন, ‘করো।’

    খান তুষারের নাম্বার ডায়াল করে ফোন স্পিকারে দিলেন।

    ফোন রিং হচ্ছে। একবার পুরো রিং হয়ে যাবার পরেও তুষার ফোন ধরলেন না। খান আবার ফোন করলেন। এবার তুষার ফোন ধরলেন।

    খান বললেন, ‘স্যার, পীযূষের অডিওটা পেয়েছেন?’

    তুষার বললেন, ‘আমিই পাঠাতে বলেছি। তোমাদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, তাই তো?’

    খান বললেন, ‘বুড়োটার বেঁচে থাকার দরকার ছিল না স্যার। দয়া-মায়া দেখিয়েছেন কি? ওর অডিও বেরোল কী করে এখন?’

    তুষার বললেন, ‘জ্যোতির্ময়ের অডিও নিয়ে ভেবো না। এ আই এর জমানায় তোমার বেসুরো গলা দিয়ে কিশোর কুমারের গান গাওয়ানো যাবে। এভ্রিথিং ইজ পসিবল।’

    খান হাঁফ ছাড়লেন, ‘ওকে স্যার। মাথা থেকে এটা সরালাম। আমাকে জানান, এখন আমরা কী করব?’

    তুষার বললেন, ‘সেল অ্যাক্টিভেট করো, গিয়াস কোথায় আছে খোঁজো। আমাদের যে এজেন্টই ওর কাছে থাকুক, আজ রাতের মধ্যে তাকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে হবে। প্রাইমারি টার্গেট এটাই।’

    খান বললেন, ‘রাইট স্যার। কাজ শুরু করছি।’

    তুষার বললেন, ‘ওখানে আমাদের যারা আছে, লিস্ট পাঠাচ্ছি। কতজনের সঙ্গে কন্ট্যাক্ট করতে পারছ দেখো। বাকিটা আমি পরে বলছি।’

    খান বললেন, ‘রাইট স্যার।’

    তুষার ফোন কাটলেন। খান দেখলেন, তার ফোনে একটা লিস্ট চলে এসেছে। দুজনে ফোন নিয়ে বসে গেলেন।

    .

    ৪৩

    ‘ঠিক কত দিন ঢাকার পরিচিতি বানাতে লেগেছে আমার, জানো? রুমান নামের চরিত্রটাকে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে?’

    অমল চায়ে চুমুক দিয়ে বলল।

    রাণা জিজ্ঞাসুচোখে অমলের দিকে তাকাল। ইমতিয়াজ গাড়ির ব্যবস্থা করতে বেরিয়েছে। কিছুক্ষণ পরে গাড়ি এলে তারা ঢাকা রওনা দেবে।

    অমল বলল, ‘তেরো বছর! উনচল্লিশ বছর বয়স আমার। তেরো বছর আগে আমি এ দেশে এসেছিলাম।’

    তেরো বছর? রাণার কত দিন হল? সবে এল! তাও এত বড় একটা কাজে? সে সংকুচিত হল।

    অমল বলে চলল, ‘ওল্ড স্কুল মেথড বুঝলে? ওই সময়টা চারদিকে এত ক্যামেরা ছিল না। ভিড়ে মিশতে সুবিধে হয়েছিল। হাতের তালুর মতো চিনতে হবে শহর। প্রথম পোস্টিং কোথায় ছিল জানো?’

    রাণা বলল, ‘কোথায়?’

    অমল হাসল, ‘মগবাজার। ভিক্ষা করতাম ছেঁড়া জামা পরে। জিগ্যেস করতাম কী হবে স্যার ভিক্ষা করে? কাউকে ফলো করতে হবে? উত্তর আসতো, না। কাউকে মারতে? উত্তর এল, না। তাহলে কী করতে? বিস্মিত হয়ে জিগ্যেস করতাম। একটাই উত্তর আসতো। করে যাও। আমাকে কেউ কোনও কাজ দিত না। হঠাৎ করেই সাদিকের কাজটা এল। সব তৈরি করে ওর বিশ্বাস অর্জন করলাম। সব এত সহজে চলে যাবে?’

    রাণা বলল, ‘আসগরের জন্য আপনি কি আমাকে দোষ দিচ্ছেন?’

    অমল মাথা নাড়ল, ‘না। দিচ্ছি না। দিলে শুরুতে বাধা দিতাম। মনে করে দেখো, আমিও তোমাকে ওকে মারতে বলেছিলাম, বাধা দিইনি। হিসেব করে দেখতে গেলে ও ব্যাটাকে আমিও অনেকদিন ভেবেছি উড়িয়ে দিই। তোমার গিল্ট ফিলিং হতে পারে, ভেবো না, যা করেছ ঠিক করেছ। পাচার করার আগে ওই বিকৃতমনস্ক আসগর সাত-আট বছরের বাচ্চাদের সঙ্গে যা করত, তার বিস্তারিত বিবরণ দিলে তোমার সব গিল্ট ফিলিং চলে যাবে। ওসব নিয়ে ভেবো না।’

    রাণা বলল, ‘কিন্তু সাদিক আপনাকে সন্দেহ করতে পারে। সাকিনা যদি নাম বলে দেয়?’

    অমল রাণার দিকে তাকাল, ‘কী আর হবে? মরে যাব? মেরে ফেলবে? মারুক। এর বেশি আর কী হতে পারে? মরতে ভয় পাই না। পাবো না।’

    রাণার অস্বস্তি হচ্ছিল। অমল তার টার্গেট? কী করে হয়? ঠিক কী করেছে অমল যে উস্তাদ তাকে অমলকে মারতে পাঠিয়েছেন? মানুষের সঙ্গে থাকলে তার কুকীর্তিগুলো বাইরে আসতে শুরু করবেই একটা সময়ে, অথচ অমলের সঙ্গে থাকার পর কী হয়েছে? এক রাতে অজ্ঞাতপরিচয় কারো সঙ্গে দেখা করেছিল। করতেই পারে। এরকম কাজে অনেকের সঙ্গেই গোপনে দেখা হতে পারে। সেটা নিয়ে অভিযোগ করার কোনও কারণ নেই। জিগ্যেস করবে? না থাক। এখনও সে সময় আসেনি।

    ইমতিয়াজ ব্যস্ত হয়ে ঢুকল, ‘গাড়ির ব্যবস্থা করেছি। আমি দিয়ে আসব। ভেক ধরবে না? এইভাবেই বেরোবে?’

    অমল বলল, ‘আধ ঘণ্টা লাগবে। চলো রাণা, তোমাকেও তৈরি করে দিই।’

    আধঘণ্টাই লাগল। রাণাকে বয়স্ক লোক বানিয়ে দিল অমল। নিজের বয়স সামান্য বাড়িয়ে নিল। রাণাকে বলল, ‘চাচা ভাতিজা। ঠিক আছে না? চলো।’

    রাণা হাসল। চাচা সাজতে হবে ভাবেনি কোনও দিন।

    গাড়ি এসে দাঁড়িয়েছে ইমতিয়াজের বাড়ির সামনে। ইমতিয়াজ বলল, ‘আমার মনে হয় না তোমাদের পথে কোনও সমস্যা হবে। তবে হলে জিনিস আছে তো?’

    অমল বলল, ‘না। রাণার কাছে ছিল, সে হারিয়ে বসে আছে।’

    ইমতিয়াজ অদ্ভুত চোখে রাণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কী করতে এদেশে এসেছ, তাও ভুলে গেছ নাকি?’

    রাণা চমকে ইমতিয়াজের দিকে তাকাল। ইমতিয়াজ হাসি হাসি মুখে তার দিকে চেয়ে আছে। রাণা মাথা ঠান্ডা করে বলল, ‘ভুলিনি।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘দাঁড়াও। নিয়ে যাও।’

    অমল আপত্তি করল, ‘না, না। দরকার পড়বে না।’

    ইমতিয়াজ বলল, ‘তোমার না লাগতে পারে, রাণার জন্য দিচ্ছি। রাণা, এসো।’

    রাণা অমলের দিকে তাকাল। অমল বলল, ‘নিয়ে নাও। ইমতিয়াজ ভাই বললে দরকার আছে তার মানে!’

    ইমতিয়াজ ঘরের ভেতর গেল। পেছন পেছন রাণা। ইমতিয়াজ আলমারি খুলতে খুলতে বলল, ‘ভুলে গেছ, কেন এসেছ?’

    রাণা চাপা গলায় বলল, ‘আপনি কী করে জানলেন?’

    আলমারি থেকে একটা অটোমেটিক রিভলভার রাণার হাতে দিয়ে ইমতিয়াজ বলল, ‘তোমায় যিনি পাঠিয়েছেন, তিনি আমায় এ কথাটা তোমাকে জিগ্যেস করতে বললেন।’

    রাণা বলল, ‘ভুলিনি। সময় লাগবে। আমি এখনও কিছু শিখিনি।’

    ইমতিয়াজ হাসি মুখে রাণার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘যাত্রা শুভ হোক। যাও।’

    .

    ৪৪

    কলকাতা বিমানবন্দর। তুষার ফ্লাইট থেকে নেমে লাগেজ নেওয়ার ভিড়ে গেলেন না। তাঁর লাগেজ নেই। সরাসরি এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে গাড়িতে উঠলেন।

    ড্রাইভার তাকে নিতে এসেছিল। রাঘব নাম। তুষারের পূর্বপরিচিত। তুষার বললেন, ‘কেমন আছ রাঘব?’

    রাঘব বলল, ‘ভালো স্যার। আপনি ঠিক আছেন তো?’

    তুষার বললেন, ‘হ্যাঁ, ঠিক তো থাকতে হয়। আচ্ছা শোন, তুমি এই ঠিকানাটা চেন নাকি দেখো তো।’

    রাঘবের দিকে ফোনটা এগিয়ে দিলেন তুষার।

    রাঘব বলল, ‘লোকেশন দেখে চলে যাচ্ছি স্যার। অসুবিধা হবে না।’

    তুষার খুশি হলেন, ‘ফাইন।’

    গাড়ি চলতে শুরু করল। তুষার পকেট থেকে পেন বের করে নোটপ্যাডে লিখলেন, ‘আছে? না নেই? কিপিং মাই ফিঙ্গারস ক্রসড। থাকতেই হবে যে করে হোক।’

    কিছুক্ষণ পর গাড়িটা নিউটাউনের অত্যাধুনিক বৃদ্ধাশ্রমে প্রবেশ করল। গাড়ি থেকে নেমে কোনদিকে না তাকিয়ে তুষার রিসেপশনে গেলেন।

    রিসেপশনে একজন ছেলে আর একজন মেয়ে বসে আছে। তুষারকে দেখে দুজনেই হেসে বলল, ‘স্যার, হাউ মে উই অ্যাসিস্ট ইউ?’

    তুষার বললেন, ‘আমার বন্ধু আছে এখানে। দেখা করতে চাই।’

    মেয়েটা বলল, ‘নাম বলুন স্যার।’

    তুষার বললেন, ‘অনিল শেখাওয়াত। কোন ফ্ল্যাটে থাকে, কোন ঘরে, কিছু জানি না। আপনারা হেল্প করলে সুবিধা হয়।’

    দুজনে মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। ছেলেটা গম্ভীর হয়ে বলল, ‘সরি স্যার, ওই নামে এখানে কেউ থাকে না।’

    তুষার হেসে ফেললেন, ‘যে আপনাদের এসব লুকোতে বলেছে, তাকে বরং একবার ফোন করুন। বাকিটা আমি বুঝে নেব না হয়।’

    ছেলেটার হাসি কমল। বলল, ‘কেউ বলেনি স্যার। সত্যিই এখানে কেউ থাকে না।’

    তুষার ছেলেটার দিকে স্থির চোখে চেয়ে থেকে বললেন, ‘কৌশিক সেন। আধার নাম্বার ৩৪৫২*৪২৫*৫। বাঁ হাতি, বাড়ি বাগুইহাটি, বাবা মা-র এক ছেলে। অথচ কলেজ লাইফে একবার পরীক্ষা না দিয়ে পালিয়ে গেলে। সেই থেকে ড্রপ আউট। বাবা-মা আছেন। দিদির বিয়ে হয়েছে পাটনাতে। মাঝে মাঝে এখানে ঢপ মেরে ছুটি নিয়ে পাটনায় দিদির সঙ্গে দেখা করে আস। ডান পায়ে হাঁটুর কাছে একটা কাটা দাগ আছে, ছোটবেলায় ফুটবল খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়ে হয়েছিল। কলেজ লাইফে প্রেম করতে, কিন্তু তুমি ড্রপ আউট জেনে প্রেমিকা কেটে গেল। ব্রাউজারে রাত দশটার পর ইনকগনিটো মোডে পর্ণ সাইট দেখো।’

    ছেলেটা আর মেয়েটা হাঁ করে তুষারের দিকে তাকিয়ে রইল। ছেলেটা বলল, ‘আপনি কে?’

    তুষার বললেন, ‘কথা বাড়াচ্ছ কেন কৌশিক? আমার হাতে বেশি সময় নেই। তুমি নিয়ে যাবে না আরও নতুন কোনও ইনফো দেব? দেরি করলে তোমার সমস্যা বাড়বে এটুকু বলতে পারি। আর হ্যাঁ, শেখাওয়াতকে কোনও ফোন করবে না।’

    কৌশিকের মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেল। সে তাড়াতাড়ি ডেস্ক থেকে বেরিয়ে এসে বলল, ‘চলুন স্যার। আমি নিয়ে যাচ্ছি।’

    তুষার কথা বাড়ালেন না। কৌশিকের পেছন পেছন হাঁটতে শুরু করলেন।

    কয়েক মিনিট পরে একটা দরজার সামনে নিয়ে গিয়ে ছেলেটা বলল, ‘এই রুমটা। আমি আসি।’

    তুষার মাথা নাড়লেন, ‘ওকে।’

    কৌশিক চলে গেল। তুষার কলিং বেল টিপলেন।

    দরজা খুলে গেল। যে দরজা খুলল তিনি তুষারের দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে থেকে বললেন, ‘মনে হচ্ছিল আপনি আসবেন। আসুন।’

    তুষার ঘরে ঢুকে বললেন, ‘তোমরা মিনিস্ট্রিকে কনভিন্স করে অর্গানাইজেশনকে ভাগ করলে, মেনে নিলাম। নিজেদের জন্য সব রকম স্বাধীনতা চাইলে, তোমাদের তাও দেওয়া হল। এবার দয়া করে কি বলবে ঢাকায় ঠিক কী চলছে?’

    শেখাওয়াত ঘাড় নাড়লেন, ‘কিছু না তো। এভ্রিথিং ইজ নর্মাল।’

    তুষার মৃদু হাসলেন, ‘ওকে। তুমি যা বলবে, তাই মেনে নিতে হবে। বাই দ্য ওয়ে, তোমার কী খবর শেখাওয়াত? কাউকে কোনও রিপোর্ট করার প্রয়োজন বোধ করছ না, আমরা জানি তুমি থাইল্যান্ডে সেটল করে গেছ অথচ দেখা যাচ্ছে কলকাতায় এরকম একটা বৃদ্ধাশ্রমে একা একা বসে আছ। সমস্যাটা কী?’

    শেখাওয়াত বললেন, ‘আমি এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তোমাকে দিতে বাধ্য নই।’

    তুষার পকেট থেকে ফোন বের করে স্ক্রিনে কয়েক সেকেন্ড কাজ করে ফোনটা শেখাওয়াতের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, ‘মিনিস্ট্রি অর্ডার। আমার আগের সমস্ত চার্জ রিস্টোর হয়েছে। আমি বাংলাদেশও দেখব তার অর্ডার আছে। এবার কি তুমি আমাকে বলবে ঢাকায় কী হচ্ছে?’

    শেখাওয়াত থমথমে মুখে তুষারের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }