Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ২৫

    ২৫

    ‘রুমা নেই। অফিস যেতে হবে। অফিস না গিয়ে কি ঘরে বসে বসে ছিঁড়ব নাকি?’

    বিড়বিড় করতে লাগল দিব্যেন্দু। ঘুম থেকে উঠলে রুমা চা করে দেয়। রুমার বাবা-মাকে বের করে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে। অন্য কেউ হলে ঘুম আসত না। দিব্যেন্দু অন্য ধাতুতে গড়া। তার কিছু যায় আসে না।

    ঘুম ভাঙার পর চিৎকার করল, ‘রুমা।’

    কেউ সাড়া দিল না। উঠে বিড়বিড় করতে শুরু করল।

    বাইরে বেরিয়ে দেখল পাড়ার লোকজন দাঁড়িয়ে আছে গেটের সামনে। সে বিশেষ পাত্তা দিল না। রুমার বাবা-মা নিশ্চয়ই কাউকে নালিশ করেনি। ফার্স্ট ট্রেনে ফিরে গেছে। ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজল সে। বাথরুমে গিয়ে তৈরি হয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে আলমারি খুলে জামা-প্যান্ট বের করল।

    রুমা গুছিয়ে রাখে বলে সব জামাকাপড় মেঝেতে ফেলল দিব্যেন্দু। ফিরলে রুমাকে সব গোছাতে হবে। রান্নাঘরে গিয়ে বাসন কোসন মেঝেতে ফেলে দিল। বসার ঘরে রুমা সোফার উপর কাপড় রেখেছিল। সব সরিয়ে দিয়ে ঘরের দিকে হিংস্রপূর্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে সে বলল, ‘আয় এবার। সব তোকে দিয়ে পরিষ্কার করাব। এলেই বুঝবি কেমন লাগে। বাঁচিয়ে রাখব না তোকে, কুপিয়ে মারব। আয় একবার।’

    তৈরি হতে সময় লাগল। মোজা খুঁজে পাচ্ছিল না। আগের দিনের ফেলে রাখা মোজা পরেই বেরোতে হল। অন্যান্য দিন আটটা পঁচিশে বেরোয়। সাইকেলে উঠে ঝড়ের গতিতে স্টেশনের দিকে যেতে থাকে। এদিন একইভাবে বেরিয়ে খানিকটা যাওয়ার পর তার মনে পড়ল তালা দিতে হবে। বাড়িতে কেউ নেই। আবার ফিরে তালা দিয়ে স্টেশনে পৌঁছে দেখল রুমার বাবা-মা দাঁড়িয়ে আছে। ওহ্‌। এরা তাহলে ফার্স্ট ট্রেনে ফিরে যায়নি। কোথায় গেছিল তাহলে? দিব্যেন্দু বেশি ভাবতে গেল না। তাকে দেখে দুজনেই সিঁটিয়ে গেল। দিব্যেন্দু জোর পায়ে ওদের কাছে গিয়ে বলল, ‘কোথাকার কোন বেশ্যাকে আমার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছিলি। নিশ্চয়ই বাবু পেয়ে গেছে একটা। ফ্যামিলিতে সবাই কী এরকমই?’

    রুমার মা কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, ‘কী আর বলবো বাবা তোমায়, তুমি সোনার টুকরো ছেলে। আমার মেয়েটাই খারাপ। কোথায় কী করে এসেছে আমি জানি না। যদি কোনও খোঁজ পাই, তোমায় জানাবো।’

    ট্রেন ঢুকছিল। দিব্যেন্দু দুজনকে আপাদমস্তক দেখে নিয়ে ট্রেনের দিকে দৌড়ল। রুমার বাবা-মা বিহ্বল চোখে দেখল দিব্যেন্দু ট্রেনে উঠে পড়েছে।

    তাপসও একই সঙ্গে উঠল। বসার পরে বলল, ‘শ্বশুর-শাশুড়ি না তোর? স্টেশনে ছাড়তে এসেছে নাকি। মাইরি বলছি, বাঙালদের জামাই আদরের তুলনা নেই।’

    দিব্যেন্দু শান্ত গলায় বলল, ‘আমার বউ পালিয়েছে।’

    তাপস আর কামরুল তার দিকে হাঁ করে তাকাল।

    দিব্যেন্দু হড়বড় করে বলে চলল, ‘প্রেম ছিল কোথাও একটা। প্রেম করত মনে হয়। সকালে পালিয়ে গেছে। শ্বশুর-শাশুড়ি এসেছিল। ওদের রাতে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম। তারপর থেকে কোথায় গেছিল জানি না। স্টেশনে এসে দেখি, এখানেই বসে আছে।’

    কামরুল বলল, ‘ধুস, ইয়ার্কি মারছ।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘তাস দাও। ইয়ার্কি মারার কিছু নেই এখানে। বউ পালিয়ে গেছে বলে ইয়ার্কি মারব নাকি? এটা কি ঘটিদের মাংস রান্না? অকারণে চিনি দিয়ে দেব?’

    তাপস রাগল না। বলল, ‘এ ভাই, তুই অফিস যাচ্ছিস? থানায় কমপ্লেইন করিসনি?’

    ট্রেন চলছে বনবাদাড় পেরিয়ে। একটা ছোট খাল পেরোল। কামরায় প্রবল ভিড়ের মধ্যে এক আমলকি বিক্রেতা উঠেছে। বিভিন্ন গলার স্বরে আমলকির গুণাগুণ বোঝাচ্ছে।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘বউ পালিয়েছে, তাতে কমপ্লেইন করার কী হল? তোমার বউ পালায়নি কখনও?’

    তাপস বলল, ‘ওরে, এভাবে পালালে মেয়েরা আর ফেরে না।’

    দিব্যেন্দু রাগী চোখে তাপসের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ঠিক ফিরবে। চিন্তার কিছু নেই।’

    তাপস বলল, ‘ছি ছি ছি…কী লজ্জার। তুই বুঝতে পারছিস কী লজ্জার?’

    দিব্যেন্দু তাপসের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘লজ্জার না? লজ্জার? দেখাচ্ছি।’

    তাসগুলো শাফল করছিল কামরুল। তার হাত থেকে সব তাস নিয়ে জানলা দিয়ে ফেলে দিল দিব্যেন্দু। উঠে দাঁড়িয়ে বিড়বিড় করতে লাগল, ‘লজ্জার? শালা লজ্জার? লজ্জার কী আছে?’

    লোকজনকে ঠেলতে শুরু করে একটু একটু করে এগোতে শুরু করল সে। তাপস ডাকল, ‘এই দিব্যেন্দু, কী করছিস? কোথায় যাচ্ছিস?’

    চলন্ত ট্রেনে দিব্যেন্দু সবাইকে ঠেলে ঠুলে দরজার কাছে গিয়ে ঝাঁপ দিতে যাচ্ছিল। তাপস আর কামরুল শক্ত করে ধরে ফেলল। দিব্যেন্দু একই কথা বিড় বিড় করতে করতে অজ্ঞান হয়ে গেল, ‘লজ্জার? লজ্জার কী আছে? লজ্জার কিছু নেই। বউ পালিয়েছে তো কী হয়েছে? পালাতেই পারে। লজ্জার কিছু নেই। কিছু নেই লজ্জার…’

    ২৬

    কেমন শান্ত একটা বিছানা। এসি চলছে একবারে কম তাপমাত্রায়।

    ঠান্ডা হয়ে আছে চারদিক।

    কতদিন পরে এত ভালো ঘুম হল। কত যুগ সে ঘুমোয়নি। রাতে এমনিতেও ঘুম হতো না। কোনও রাতে তাকে দিব্যেন্দুর পাঙ্খাপুলার হতে হয়েছে। কোনও রাতে একটু ঘুমিয়েছে হয়তো, পিঠে লাথি খেয়ে উঠে পড়তে হয়েছে।

    তীব্র ব্যথা থাকত সারা শরীরে।

    তার পরিবর্তে এত সুন্দর ঘুম, ভাবাই যায় না। বেশ কয়েকবার উঠতে গিয়েও ওঠেনি সে। অনেকক্ষণ পরে যখন উঠে বসল, কাচের কাছে গিয়ে দেখল, জানলার বাইরে একটা সুন্দর শহর দেখা যাচ্ছে। কোন শহর এটা? কলকাতা?

    রুমের ফোন বাজছে। রুমা ফোন ধরল, ‘হ্যালো।’

    ‘ঘুম হল? নাকি আরেকটু ঘুমোবেন?’

    রুমা হাসল, ‘জানি না। অনেক দিন পরে ভালো ঘুমোলাম।’

    ‘খুব ভালো। খিদে পেয়েছে?’

    খিদের কথায় টের পেল, সে বুঝতে পারেনি এতক্ষণ। পেটটা সত্যিই খালি লাগছে। বলল, ‘হ্যাঁ। ঠিক বলেছেন। খিদে পেয়েছে।’

    ‘আপনি প্রায় চোদ্দো ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন। খিদে তো পাবেই। দরজা খুলে বেরিয়ে আসুন। করিডোরটা যেখানে শেষ হবে, সেখানেই খাবার ব্যবস্থা আছে।’

    ফোন রেখে রুমা ঘর থেকে বেরোল। একটা লম্বা করিডোর। হাঁটতে শুরু করল সে। লোকটা ঠিকই বলেছে। একটা ঘরে চারটে টেবিল পাতা। একটা টেবিলে একজন মেয়ে বসে আছে। রুমা ঘরে ঢুকতে মেয়েটা তার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এটা কোন জায়গা?’

    রুমা বলল, ‘জানি না তো। আপনি জানেন?’

    মেয়েটা মাথা নাড়ল, ‘না। জানি না। ঘুম ভাঙার পর আমাকে এখানে খেতে আসতে বলা হল।’

    মেয়েটা হাত তুলে ব্যুফে টেবল দেখাল। বিভিন্ন রকম খাবার সাজানো আছে। ভাত, মাংস, মাছ। রুমা সেদিকে একবার তাকিয়ে বলল, ‘আপনি খাবেন না?’

    মেয়েটা বিমর্ষকণ্ঠে বলল, ‘আমার বাড়ির জন্য মন খারাপ করছে। খুব ঝগড়া করে বেরিয়েছি। তবু…’

    রুমা বলল, ‘কী নাম আপনার?’

    মেয়েটা বলল, ‘এণাক্ষী।’

    রুমা বলল, ‘খেয়ে নিন। আপনি বলুন, কী কী আনবো, নিয়ে আসছি।’

    এণাক্ষী বিহ্বল চোখে রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমার কিছু খেতে ইচ্ছে করছে না।’

    রুমা একটা প্লেটে ভাত, ডাল, একটু পনির নিয়ে এসে এণাক্ষীর সামনে রেখে বলল, ‘খেয়ে নিন। খালি পেটে থাকা ঠিক না। আমারও খুব খিদে পেয়েছে। বাড়িতে থাকলে এত খিদে পেত না। কিন্তু এখানে খুব খিদে পেয়েছে। আমার মনে হচ্ছে আমি কোথাও বেড়াতে এসেছি। খুব মজা লাগছে।’

    এণাক্ষী অবাক চোখে রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনার ভয় লাগছে না? এরা তো আমাদের আইসিসের কাছে বেচে দিতে পারে? আরও ভয়ংকর কত কিছু করতে পারে। তাও ভয় লাগছে না?’

    রুমা ভাত ডাল নিয়ে এসে এণাক্ষীর সামনে বসে খেতে শুরু করল, ‘না। লাগছে না। আমি যেখান থেকে এসেছি, সেখান থেকে বেরোলে সব নরকই ভালো লাগে।’

    এণাক্ষী মাথা নিচু করল, ‘আমার বর হঠাৎ পাল্টে গেল। আমাকে যা ইচ্ছে বলতে শুরু করল। কিন্তু কোনওদিন আমার গায়ে হাত তোলেনি। কত কিছু কিনে দিত!’

    ডালটা ভারি সুন্দর হয়েছে। রুমা আরও ভাত আর ডাল নিয়ে এসে বসল, ‘তাহলে আপনি ওদের কথায় রাজি হয়ে চলে এলেন কেন?’

    এণাক্ষী বলল, ‘আমি রাজি হইনি কিছুতেই। কোন এক পার্টিতে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে। আমি এদের ছাড়ব না। আমি বাড়ি যাব। তখন কত চিৎকার করলাম, কিছুতেই শুনল না। শুধু বলে গেল খেয়ে নিন। খালি পেটে থাকবেন না। আশ্চর্য!’

    রুমা খেতে খেতে বলল, ‘আমার বর আমাকে গল্প করত। ইসলামিক স্টেটে মেয়েরা কী ভয়াবহ অবস্থায় থাকে। তার তুলনায় নাকি আমি ভালো আছি। আমার এখন কোনও ভয়ই লাগছে না। বিশ্বাস করুন।’

    এণাক্ষী বলল, ‘আপনার বরের জন্য মন খারাপ লাগছে না?’

    রুমা হাসি মুখে বলল, ‘একেবারে না।’

    এণাক্ষী মনমরা হয়ে বলল, ‘আমার লাগছে। লোকটা কেমন পাল্টে গেল।’

    রুমা বলল, ‘খেয়ে নিন না। তারপর মন খারাপ করবেন না হয়।’

    এণাক্ষী খেল না। চুপ করে বসে রইল।

    ২৭

    একা একা দিন কাটানো বড়ই বিরক্তিকর। বাপিদার কড়া নির্দেশ আছে, বাড়ির ভেতরে কাউকে ঢোকানো যাবে না। এদিকে পূর্ণর দিন কাটতে চায় না। টিভিতে কী আর দেখবে? চ্যানেল বেশিবার পাল্টাতে গেলেও ভয় লাগে, পাছে রিমোট খারাপ হয়ে যায়। তখন আবার বাপিদা বকা ঝকা করবে।

    সিসিটিভির ছেলেগুলো এখনও আসেনি। বাপিদা বলেছে এবার অন্য জায়গা থেকে ছেলেপিলে আসবে।

    ছাদে বসে কিছুক্ষণ পাড়ার লোকজনকে দেখল পূর্ণ। এখন গরম কাল। শীতের মতো কেউ আর নরম রোদে বসে থাকে না। সবাই গরমে ফ্যান বা এসি চালিয়ে ঘরে বসে থাকে। পূর্ণর গরম লাগে না। এসিও লাগে না। গরিবের এসি না চালানোই ভালো। যখন কাজ থাকবে না, তখন বড় কষ্ট হবে। বদ অভ্যাসগুলো মানুষকে শেষ করে দেয়।

    ওই নাম্বারটা বাপিদাকে দেওয়ার পর থেকে আর ফোন বাজেনি। পূর্ণর ইচ্ছে হল একবার ওই মহিলার সঙ্গে কথা বলবে। বাপিদা নাম্বার নিয়ে কী করল, জানতে হবে। ফোন করল সে।

    ফোন সুইচড অফ বলছে। ধুস।

    পূর্ণর হঠাৎ ঠাকুরঘরের কথা মনে পড়ল। প্রথমে জিভ কাটল সে। ছি-ছি। লোকের বাড়িতে আবার উঁকি ঝুঁকি মারবে?

    পরক্ষণে মনে হল, কী আছে? একবার দেখে আসাই যায়। দেখে আসার মধ্যে তো কোনও পাপ নেই। বাপিদার বাড়ির সব কিছুই সে দেখেছে। ঠাকুরঘরের আলমারিটা দেখলে কী হয়েছে?

    পূর্ণ কিছুক্ষণ ছাদে পায়চারি করে ঠাকুরঘরে গেল। ড্রয়ার থেকে লুকনো চাবিটা বের করে আলমারি খুলল। বাপরে! এগুলো কী? কতগুলো ছোট ছোট বাক্স। কোনদিন দেখেওনি সে। আজব! বের করতে গিয়ে একবারে নীচের খোপে চোখ গেল। ওরে বাবা, কতগুলো টাকার বান্ডিল। এত টাকা রেখে গেছে? টাকাগুলো হাতে নিয়ে দেখল। ও হরি! এ তো দু’হাজার টাকার নোট। এগুলো তো সব বাজেয়াপ্ত হয়ে যাবে। সেদিনই পালের দোকানে দাঁড়িয়ে খবর দেখছিল। বাপিদা জানে না? এ তো বলাও যাবে না। বললে জেনে যাবে সে আলমারি খুলেছিল। কিছুক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে পূর্ণ একটা বান্ডিল বের করে রেখে দিল। এত সমুদ্র! এর থেকে একটা বান্ডিল না পাওয়া গেলে কী আর হবে? সুন্দর করে আলমারিটা বন্ধ করে চাবিটা আগের জায়গায় রেখে দিল সে।

    দু’হাজার টাকার নোট! বাপরে! কতগুলো আছে এখানে? গুনতে শুরু করল পূর্ণ। একশোটা। একশোটা দু’হাজার টাকার নোট মানে? ওরে বাবা রে! দু’লাখ টাকা? এত টাকা কোনদিন সে একসঙ্গে দেখেনি। অথচ কেমন অবলীলায় বাপিদা রেখে দিয়েছে। এরাই হল বড়লোক। আর তার মতো লোকেরা সব ছোটলোক। এরা মালিকপক্ষ হবে না তো কে হবে?

    ফোন বাজছিল। পূর্ণ দেখল, বাপিদা। সঙ্গে সঙ্গে ধরল, বাপিদা বিরক্ত গলায় বলল, ‘তুমি আবার ওই নাম্বারে ফোন করছ কেন?’

    পূর্ণ বলল, ‘কোন নাম্বারে?’

    বাপিদা বলল, ‘ওই যে মেয়ের নাম্বারটা আমায় দিয়েছিলে?’

    পূর্ণ অবাক গলায় বলল, ‘সে কী? তুমি সেটা কী করে জানলে?’

    বাপিদা বলল, ‘ও জানা যায়। জার্মানিতে অনেকরকম ব্যবস্থা আছে। আমি জেনে যেতে পারি। তুমি অকারণ ওই নাম্বারটায় ফোন করছ।’

    পূর্ণ ভয় পেল। বাপিদা বেশ রেগে গেছে। সে বলল, ‘ঠিক আছে। আমি ফোন করব না আর। হাত পড়ে গেছিল।’

    বাপিদা বলল, ‘সে হাত পড়েছে না পা পড়েছে, আমার জানার দরকার নেই। তুমি আর ফোন করবে না।’

    পূর্ণ বলল, ‘আচ্ছা আচ্ছা। আমি আর ফোন করব না।’

    বাপিদা বলল, ‘তুমি কোন ঘরে এখন?’

    পূর্ণ বলল, ‘ছাদে। আচ্ছা…’

    টাকার কথাটা বলতে গিয়ে চেপে গেল পূর্ণ।

    ২৮

    এণাক্ষী খুব কম খেল।

    রুমা তার উল্টোটা। কতদিন পরে দিব্যেন্দুর চিন্তা না করে খেতে পারছে!

    খাওয়া শেষ হবার পরে হলের কোণের বেসিনে মুখ ধুতে না ধুতেই শাড়ি পরিহিত এক মহিলা প্রবেশ করল।

    এণাক্ষী সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়াল, ‘আপনি আমাকে নিয়ে এসেছেন?’

    মহিলাটি চেয়ার টেনে নিয়ে বসে বললেন, ‘না। আমি আপনাকে নিয়ে আসিনি। আমি স্নিগ্ধা। আপনাদের মেন্টর বলতে পারেন।’

    এণাক্ষী নাক মুখ কুঁচকে বলল, ‘মেন্টর? এখানে কি কোনও গেম চলছে নাকি?’

    স্নিগ্ধা হাসল, ‘আপনারা দুজনেই খুব কঠিন একটা ফেজে ছিলেন। আপনাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। এখানে নিশ্চয়ই আপনারা বসে বসে খেতে চাইবেন না? আমাদের লক্ষ্য আপনাদের স্বনির্ভর করে তোলা। আপনারা রোজগার করতে পারবেন। নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবেন। সেজন্যই আমি এখানে এসেছি।’

    রুমা স্নিগ্ধার কথা কিছুই বুঝছিল না। এণাক্ষীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘কিছু বুঝতে পারছেন?’

    এণাক্ষী বলল, ‘না। কী করতে হবে আমাকে?’

    স্নিগ্ধা হাসল, ‘বিভিন্ন রকম কাজ আছে। আমরা কয়েকটা পরীক্ষা করব, সাইকোমেট্রিক টেস্ট হবে। এগুলোর রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা সিদ্ধান্ত নেবো, আপনাদের কোন কাজে লাগানো হবে।’

    এণাক্ষী রেগে গেল, ‘আমি কারো কেনা গোলাম না। আমাকে অজ্ঞান করে, আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে এখানে আনা হয়েছে। আমাকে আটকে রাখলে ফল ভালো হবে না।’

    স্নিগ্ধা ট্যাব বের করে কয়েক সেকেন্ড সেটা নাড়াচাড়া করে বলল, ‘আপনার হাজব্যান্ড আপনাকে কাজ করতে দিতে চান না। আপনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছেন। খুব ভালো করে জানেন আপনার বাড়ি থেকে আপনার ফিরে যাওয়াটা মেনে নেবে না। তাহলে আপনি এই সময়ে কী করতেন?’

    এণাক্ষী বলল, ‘দ্যাটস নান অফ ইয়োর বিজনেস। আমাকে ফেরানোর ব্যবস্থা করুন।’

    স্নিগ্ধা কয়েক সেকেন্ড এণাক্ষীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তাহলে আপনি ট্রেনিং নিতে, আমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী নন?’

    এণাক্ষী মাথা নাড়ল, ‘না।’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘বেশ। আপনি আপনার ঘরে চলে যান। আপনাকে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

    এণাক্ষী বলল, ‘আমার একটা ফোন লাগবে।’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘রুমে আপনার খাটের ওপরেই ফোন রাখা হয়েছে। আপনি ফোন করতে পারেন।’

    এণাক্ষী ‘থ্যাঙ্ক ইউ’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    স্নিগ্ধা রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনিও কি ফিরতে চান?’

    রুমা মাথা নাড়ল, ‘একেবারেই না। আমি ফিরে যেতে আসিনি। কী করতে হবে আমাকে?’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘আপনার মধ্যে বেশ কয়েকটা ন্যাচারাল ট্যালেন্ট আছে। আপনি কী করতে পারেন, আপনি নিজেই জানেন না।’

    রুমা অবাক হল, ‘কী করতে পারি?’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘আপনি পুনর্জন্ম পেয়েছেন রুমা। কিন্তু আপনি কি আমরা যা বলবো, সেগুলো মেনে নিতে পারবেন?’

    রুমা বলল, ‘আমি তো জানি না কী করে বাকি জীবনটা চলবে। যিনি ফোন করেছিলেন, তার ভরসাতেই বাড়ি ছেড়ে এসেছিলাম। কী করতে চান বলুন।’

    স্নিগ্ধা রুমার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনার পায়ে এখনও ক্ষত আছে। আপনি এখনও ঠিক করে হাঁটতে পারছেন না। আপনাকে কয়েকটা ওষুধ দেওয়া হয়েছে। আপনার রুমে রাখা হয়েছে। আপনি প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধগুলো খেতে পারবেন?’

    রুমা বলল, ‘হ্যাঁ।’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘আপনি চাইলে আপনাকে সময়মতো মনে করিয়ে দেওয়া হবে।’

    রুমা মুগ্ধ হল। এত যত্ন? ভাবা যাচ্ছে না! সে বলল, ‘আমাকে একটু বলুন না আমাকে কী করতে হবে? খারাপ কোনও কাজ না তো?’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘খারাপ কাজ বলতে কী বোঝেন?’

    রুমা একটু না ভেবে বলল, ‘শরীর বিক্রির ব্যবসা। আমি এই ভয়টাই পাচ্ছি। আপনারা কি এরকম কিছু করাবেন?’

    স্নিগ্ধা হাসল, ‘পৃথিবী এখন অনেক দূর এগিয়ে গেছে রুমা। শুধু মাত্র ওই আদিম ব্যবসাটা ছাড়াও অনেক কাজ আছে।’

    রুমা বলল, ‘কীরকম?’

    স্নিগ্ধা বলল, ‘সব একদিনে শিখে নেবেন?’

    রুমা বলল, ‘আমার টেনশনটা তো দূর করুন।’

    স্নিগ্ধা কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল। এণাক্ষী এসে চিৎকার করে বলল, ‘ফোন যাচ্ছে না। কী ফোন দিয়েছেন?’

    ২৯

    সাহেব ডেকে পাঠিয়েছে।

    দিব্যেন্দু সাহেবের চেম্বারে গিয়ে নক করল।

    ‘কাম ইন।’

    দিব্যেন্দু ঘরে ঢুকতে সাহেব বলল, ‘কী হয়েছে তোমার? শুনলাম ফ্যামিলি প্রবলেম?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘একটা প্রবলেম হয়েছে। আমার বউকে পাচ্ছি না। মনে হয় পালিয়ে গেছে।’

    সাহেব চোখ কপালে তুলে বলল, ‘পাচ্ছ না? কী করে করলে? আমি তো রোজ দেখতে চাই ঘুম থেকে উঠে যে আমার বউ নেই। কিন্তু পারছি কই?’

    দিব্যেন্দু বুঝল না সাহেব ইয়ার্কি মারছে।

    সে বলল, ‘এমন কিছু কঠিন ব্যাপার না। মাঝে মাঝে মারবেন। ধরুন একদিন পায়ে হাতুড়ি মারলেন, একদিন গরম ইস্ত্রি হাতে লাগিয়ে দিলেন, মাঝে মাঝেই চড়-থাপ্পড় মারলেন…’

    সাহেব হো-হো করে হেসে উঠে বলল, ‘উফ্‌, তুমি নিজের দুঃসময়েও এরকম মজার কথা বলতে পারো, আই মাস্ট অ্যাডমিট, ইউ আর এ গুড স্পোর্ট।’

    দিব্যেন্দু অবাক হয়ে সাহেবের দিকে তাকাল।

    সাহেব বলল, ‘তুমি একটা কাজ কর, আজকের দিনটা অফিস করতে হবে না। আমি তোমাকে ফুল পেইড ছুটি দিচ্ছি। ঘুরে আস কোনও জায়গা থেকে। নাকি বাইরে ঘুরতে যাবে? আমি ব্যবস্থা করে দেব?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘না স্যার। তার কোনও দরকার নেই।’

    সাহেব বলল, ‘আলবাত দরকার আছে। একজন ইয়ং ম্যান এত ভেঙে পড়লে কী করে হবে? যাও, যাও। তোমায় ছুটি দিলাম। ঘুরে এসো। যেদিন খুশি জয়েন কর। আমি কিছু বলব না।’

    সাহেবের ঘর থেকে বেরিয়ে দিব্যেন্দু নিজের টেবিলে এল। সুদেব এসে পিঠ চাপড়ে দিল, ‘এ ভাই। কী হয়েছে?’

    দিব্যেন্দু ব্যাগ নিয়ে উঠে দাঁড়াল, ‘কিছু না। একটু বেরোতে হবে।’

    সুদেব বলল, ‘ডাউন লাগছে তোকে। একটা জায়গায় যাবি?’

    দিব্যেন্দু সুদেবের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘তুই তো জানিস আমার বউ…’

    সুদেব বলল, ‘বউ? ক’টা বউ চাস?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কোথায়?’

    সুদেব বলল, ‘আমার একজন আছে। চলে যা। ব্যবস্থা হয়ে যাবে। নাম্বার নে।’

    দিব্যেন্দু নাম্বার নিয়ে বেরোল। অফিসের বাইরেই হলদে ট্যাক্সি দাঁড়িয়ে থাকে। তার বলা ঠিকানা শুনে ট্যাক্সিওয়ালা ভিউয়িং মিরর দিয়ে তাকে দেখে নিল।

    দিব্যেন্দু পাত্তা দিল না। মাথা কাজ করছে না। কেন যে সে সুইসাইড করতে গেছিল!

    এ বছর বর্ষা নেই। ঘোর গ্রীষ্ম শহরটাকে রোদ যেন পুড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তার সঙ্গে ঘাম। অফিসে এসির মধ্যে থাকলেই ভালো হতো।

    ট্যাক্সিওয়ালা নামিয়ে দিয়ে গেল রাস্তার মোড়ে। দিব্যেন্দু সুদেবের দেওয়া নাম্বারে ফোন করল। ফোন রিং হয়ে গেল। কেউ ধরল না।

    সুখেন চায়ের দোকানে বসে ছিল। দিব্যেন্দুকে ভ্যাবাচ্যাকা অবস্থায় দেখে এগিয়ে এল, ‘কোথাও যাবেন নাকি স্যার?’

    দিব্যেন্দু সুখেনের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমায় অফিসের একজন বলল একজনের কাছে যেতে। সেখানে একটা কাজ ছিল আর কী।’

    সুখেন চোখ ছোট করল, ‘কার কাছে বলুন তো? কী নাম?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘শমিতা।’

    সুখেন অবাক চোখে দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আপনারও ওখানে কাজ?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কেন? আর কার কার আছে ওখানে কাজ?’

    সুখেন সামলে নিয়ে বলল, ‘আমার সঙ্গে আসুন। আপনি কি আমাকে টাকা দেবেন বাকিদের মতো?’

    দিব্যেন্দু ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘আমার টাকা বেশি নেই।’

    সুখেন বলল, ‘ঠিক আছে। আসুন।’

    সুখেন হাঁটতে শুরু করল। তার পেছন পেছন দিব্যেন্দু। কিছুটা যাবার পর একটা ঘরের দরজা দেখিয়ে বলল, ‘যান।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘থ্যাংকস।’

    সুখেন বলল, ‘লোকে পাঁচশো দেয়। আপনি পঞ্চাশ টাকা তো দিন।’

    দিব্যেন্দু পকেট হাতড়ে একটা পাঁচ টাকার কয়েন বের করল। সুখেন সেটা নিয়ে বলল, ‘তাই দিন। চা খাওয়া যাবে একটা। কতরকম লোক আসছে আজকাল।’

    সুখেন গেল না। একটু দূরে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল।

    দিব্যেন্দু কলিং বেল টিপল। দরজা খুলল।

    শমিতা দিব্যেন্দুকে দেখে বলল, ‘কী চাই?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘আপনি কি শমিতা? সুদেব নাম্বার দিয়েছে। ফোন করেছিলাম। ধরছিলেন না।’

    শমিতা দরজা ছেড়ে দিল, ‘আসুন।’

    দিব্যেন্দু ঢুকে গেল। শমিতা সুখেনকে দেখে মুখ ঝামটা দিল, ‘কীরে? দাঁড়িয়ে আছিস কেন?’

    সুখেন বলল, ‘আমি নিয়ে এলাম তো। কাট দিবি।’

    শমিতা বলল, ‘ফোট। আমার লোক আছে। সেই পাঠিয়েছে।’

    সুখেন হতাশ মুখে দাঁড়িয়ে রইল।

    শমিতা দরজা বন্ধ করে দিল।

    দিব্যেন্দু চারদিক দেখছে। কেমন তেল চিটচিটে জায়গাটা। তার ঘরের মতো না। শমিতা বলল, ‘কত টাকা?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘পাঁচশো। বউ পাওয়া যাবে?’

    শমিতা খিল খিল করে হেসে বলল, ‘এখানে সবাই বউ। যা, ওই ঘরটায় যা।’

    একটা ঘর দেখিয়ে দিল শমিতা।

    দিব্যেন্দু চারদিক দেখতে দেখতে ঘরটায় ঢুকল।

    রুমার বয়সি একটা মেয়ে ড্রেসিং টেবিলের সামনে সাজছে। তাকে দেখে বলল, ‘সকাল সকাল ইচ্ছে হল? হেবি রস তো তোর?’

    দিব্যেন্দু পকেট থেকে হাতুড়িটা বের করে হাতে নিল।

    এই মেয়েটা কি রুমার মতো হবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }