Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    অভীক দত্ত এক পাতা গল্প431 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দিন প্রতিদিন – ১৫

    ১৫

    ফোনটা নিয়ে ঠাকুরঘরে চুপচাপ বসে আছে রুমা। ঠাকুরঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে রেখেছে। মাকে বলেছে পাঁচালি পড়বে।

    দিব্যেন্দু অফিসে গেছে।

    বুকটা কেমন ঢিব ঢিব করছে।

    কয়েক মিনিট আগে একটা নাম্বার থেকে ফোন এসেছিল। সে ধরতে ও পাশ থেকে একজনের গম্ভীর কণ্ঠস্বর ভেসে এল, ‘আমি শুনলাম আপনার বর আপনাকে মারে?’

    রুমা ঘাবড়ে গিয়ে বলল, ‘কে বলছেন আপনি?’

    ‘আমি কে, তা জানার দরকার নেই। আপনি আমাকে শুধু বলুন, আপনার জীবন কি খুব খারাপ হয়ে গেছে?’

    রুমা সতর্ক হল। দিব্যেন্দুই কাউকে দিয়ে ফোন করাতে পারে। সে বলল, ‘রঙ নাম্বার।’

    ‘শুনুন, শুনুন। কাটবেন না। আমার কথা শুনুন। আপনি একজনকে ফোন করেছিলেন তো? আপনি কাউকে একটা খুঁজছিলেন। সিম নিয়েছে নতুন? তাই তো?’

    রুমা এবার নিশ্চিত হল। বলল, ‘আপনি কে বলছেন?’

    ‘আমি কে বলছি তা জানার দরকার নেই। এটা বলতে পারি যে, আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি। আপনি কি বাড়ি ছেড়ে পালাতে চান? একটা নিশ্চিন্ত জীবন পেতে চান?’

    রুমা ফোন কেটে দিল। লোকটার কথাগুলো কেমন টেলি কলারের মতো শোনাচ্ছে।

    লোকটা আবার ফোন করছে। রুমা ধরল না। লোকটা হাল ছাড়েনি। চেষ্টা করেই যাচ্ছে। বিরক্ত হয়ে ধরল রুমা, ‘আপনাকে আমি চিনি না। আপনি আমাকে বার বার ফোন করবেন না।’

    ‘শুনুন ম্যাম, আপনাকে আমি হেল্প করতে পারি। আপনি জীবন থেকে কী চান? একটু শান্তি তো? আমি দেব।’

    ‘মানে? কেন দিতে যাবেন অজানা অচেনা কাউকে?’

    ‘কারণ আপনি একজন মানুষ। আমাদের কাছে একজন মানুষও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ ব্যাপারটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা লোক জড়ো করছি। আমরা খুঁজছি, কারা আমাদের সঙ্গে জুড়তে পারে। সবাই তো আর সব কিছু ছেড়ে চলে আসার পরিস্থিতিতে থাকে না। কেউ সন্তান থাকার কারণে সব কিছু ছেড়ে আসতে পারে না। পড়ে পড়ে মার খায়। আপনার তো কেউ নেই? আছে?’

    রুমা বলল, ‘না। আমার বাবা-মা থেকেও নেই। আমি শুধু মার খাই। দুবেলা ভাত খাবার জন্য আমাকে মার খেতে হয়।’

    ‘আপনি আপনার লোকেশনটা পাঠান। আমরা আপনাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসব।’

    ‘উদ্ধার করে কোথায় নিয়ে যাবেন?’

    ও প্রান্ত থেকে হাসির শব্দ এল। লোকটা হেসে বলল, ‘ভালো থাকবেন, কেউ মার খাবে না, এটুকু নিশ্চিত করতে পারি। তারপরেরটা না-হয় তার পরে দেখা যাবে?’

    রুমা ফোন কেটে অফ করে রেখে দিল।

    মা বাইরে ঘুর ঘুর করছে। তাকে দেখে বলল, ‘শোন, একজন ভালো ডাক্তার পাওয়া গেছে। তোর এই যে বাচ্চা হচ্ছে না, সেটার ব্যাপারে কথা বলা যাবে। ডাক্তারবাবুকে দেখা। দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    রুমা অবাক গলায় বলল, ‘আমার বাচ্চা হচ্ছে না কে বলল তোমায়?’

    মা বলল, ‘জামাইই তো বলল। তোর নাকি কী সব সমস্যা আছে?’

    রুমা স্তম্ভিত হয়ে বলল, ‘আমার সমস্যা আছে? এ কথা বলল?’

    মা বলল, ‘হ্যাঁ। তুই ভাবিস না। আমি কথা বলে রেখেছি। রবিবার তোকে দেখিয়ে আনবো। অনেক রকম উপায় আছে এখন।’

    রুমা ঘরে এসে মাথায় হাত দিয়ে বসল। মা তার পিছন পিছন এসে বলল, ‘ছেলেটা এত ভালো। তোর জন্য সব সময় ভেবে যাচ্ছে।’

    রুমা অন্যমনস্ক গলায় বলল, ‘হু।’

    মা বলল, ‘কানেরটা দেখেছিস? অনেকটা সোনা দিয়ে করা। কত ভালোবাসে। আর তুই কোথাকার একটা জঞ্জালের সঙ্গে পালাবি ভেবে বসেছিলিস। ছি-ছি। কী হতো বলত? কোনও একটা বস্তিতে ঘুটে কুড়ানির কাজ করতে হতো। ভাবতেও লজ্জা লাগে। আমি তো তোর বাবাকে বলি, তোর বোনের জন্য জামাইয়ের মতো একটা ছেলে খুঁজতে হবে।’

    রুমা জানলা দিয়ে বাইরের দিকে তাকাল। হাসি পেয়ে গেল হঠাৎ করে। খিলখিল করে হেসে উঠল।

    মা বলল, ‘তুই খোলা চুলে বাইরে গেছিলি না? আমি আগে থেকেই জানি, তোর উপর কিছু একটা ভর করেছে। তোকে ঝাড়াতে হবে ভালো করে। তার ব্যবস্থাও করছি।’

    রুমা আরও জোরে হেসে উঠল। হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে গেল একেবারে…

    ১৬

    শমিতার ঘরটা ভেতরের দিকে। লোকটাকে সুখেন ছেড়ে দিয়ে এল দরজার সামনে। লোকটা নক করল দরজায়। শমিতা লোকটাকে দেখে সঙ্গে সঙ্গে দরজা খুলে দিল।

    এইসব জায়গায় কাজ করতে হলে চোখ-কান খোলা রাখতে হয়। সুখেনের তা বরাবর প্রখর। লোকটা শমিতার কাছে কেন এলো, তা জানার কৌতূহল হচ্ছিল তার।

    বাইরে থেকে যে মেয়েগুলো আসে, তারা প্রথমে কয়েকদিন এসে শমিতার কাছে থাকে। শমিতা তাদের ট্রেনিং দেয়, কী করে খদ্দেরের সামনে দাঁড়াতে হয়, কথা বলতে হয়। এত লোক থাকতে এই লোকটা শমিতার কাছে এসেছে বলেই সুখেনের অস্বস্তি হচ্ছিল। বীথিকার ঘরটা শমিতার ঘরের কাছেই। সুখেন বীথিকার ঘরের সামনে বসল। বীথিকা তাকে দেখে বলল, ‘কী হল? এখানে কী করছিস তুই?’

    সুখেন বিড়ি ধরিয়ে বলল, ‘কিছু না। লোকজন কম আসছে বলে ব্যবসা ভালো নেই।’

    বীথিকা বলল, ‘ভালো হবে কী করে? কচি কচি সব ধরে আনছে কোত্থেকে। এবার আর আমাদের কেউ নেবে? আর তো কোনও কাজও জানি না ছাই।’

    সুখেন বিড়িতে টান দিল। বলল, ‘অনেক লোকই আছে তোদের মতো বুড়ি পছন্দ করে। নিয়ে আসব। ভাবিস না।’

    বীথিকা সুখেনকে কনুই দিয়ে ঠ্যালা দিল, ‘এই হারামজাদা। আমি বুড়ি? আমার তিরিশও হয়নি।’

    সুখেন বলল, ‘তাই নাকি? জানতাম না তো?’

    লোকটা বেরোল শমিতার ঘর থেকে। সুখেন বলল, ‘এই বীথিকা, দেখ তো, এ লোকটাকে চিনিস?’

    বীথিকা আগেই দেখেছিল। বলল, ‘অনেক দিন আগে দেখেছিলাম। আজ এলো আবার। আমি তো ডেকেওছিলাম, শমিতা তো আমার থেকেও বুড়ি, ওর কাছে গেছিল কেন কে জানে!’

    সুখেন দাঁড়াল, বলল, ‘সেই।’

    লোকটা এগোচ্ছে। গলি দিয়ে সিধে হেঁটে চলেছে। সুখেন একটু দূরত্ব রেখে লোকটার পেছন পেছন হাঁটতে লাগল। বড় রাস্তার কাছে এসে লোকটা ঘুরে দাঁড়াল। তাকে হাতছানি দিয়ে ডেকে বলল, ‘বল ভাই, কিছু জানতে চাও?’

    সুখেন থতমত খেয়ে বলল, ‘না তো। আমি তো এইদিকেই আসছিলাম, খদ্দের ধরার জন্য।’

    লোকটা পকেট থেকে একটা লম্বা সিগারেট বের করে ধরিয়ে বলল, ‘খদ্দের? তাই নাকি?’

    সুখেনের পাড়ায় এসে সুখেনকে গরম নিচ্ছে লোকটা। কিন্তু সুখেন তাও কিছু করতে পারছে না। তার মনে হচ্ছে এ লোকটার বড় কোনও জাহাজে দড়ি বাঁধা আছে। নাকি লোকটাই একটা জাহাজ? কে জানে।

    সুখেন বলল, ‘হ্যাঁ। শমিতার সঙ্গে কাজ মিটেছে?’

    লোকটা তার মুখে ধোঁয়া ছেড়ে বলল, ‘তা জেনে তোমার কী হবে? যত কম জানবে, তত ভালো থাকবে। বুঝেছ?’

    সুখেন ভালো ছেলের মতো মাথা নাড়ল। লোকটা চলে গেলে সুখেন শমিতার ঘরে ঢুকল। শমিতা তাকে দেখে বলল, ‘কীরে? কাউকে নিয়ে এসেছিস, না তোরই লাগবে আজ?’

    সুখেন বলল, ‘এই লোকটা যে এসেছিল, কে রে?’

    শমিতার মুখটা একমুহূর্তের জন্য ফ্যাকাসে হয়ে গেছিল। সে তাড়াতাড়ি সামলে নিয়ে বলল, ‘কোন লোকটা? সারাদিন কত লোক আসছে!’

    সুখেন চারদিকে তাকিয়ে নিয়ে বলল, ‘তুই জানিস কোন লোকটার কথা বলছি। কে লোকটা? পার্টির নাকি পুলিশের?’

    শমিতা রেগে গেল, ‘যেই হোক, তোর কী তাতে? ফোট এখান থেকে।’

    সুখেন বলল, ‘রোজ রাতে তোর ঘরে চার পাঁচটা মেয়ে আসছে। এরা কোথাকার? সবক’টাকে বাঙালি বলে মনেও হচ্ছে না।’

    শমিতা বলল, ‘গায়ে খুব জ্বালা ধরে তোদের না রে? আমি রোজগার করছি, তোদের জ্বলছে। বেশি বাড়িস না সুখেন, আমি কিন্তু বুঝে নেব তোকে। বেরো এখান থেকে।’

    সুখেন বেরিয়ে গেল। সমিতির অফিসে শম্পা একা বসে ছিল। সুখেনকে দেখে বলল, ‘কী রে? কী হয়েছে?’

    সুখেন বলল, ‘শমিতার ঘরে অনেক মেয়ে আসছে। খবর পেয়েছ?’

    শম্পা অবাক হল, ‘না তো। কেউ বলেনি কিছু। কোত্থেকে আসছে মেয়েগুলো?’

    সুখেন বলল, ‘বাইরে থেকে। রেজিস্ট্রেশন বা হেলথ চেক আপ করায়নি কারো?’

    শম্পা ঠোঁট ওল্টালো, ‘আমি জানি না। মাইনর ধরে ধরে আনছে নাকি?’

    সুখেন বলল, ‘তাই তো মনে হয়। খোঁজ নাও।’

    শম্পা বলল, ‘আমি নিতে পারব না। আমার অত আগ্রহ নেই ভাই। কারা কোথায় কী করে বেড়াচ্ছে, তার দায় কি আমার নাকি? শমিতার ঘরে অনেকেই আসে। সব জানার দরকার নেই আমার। আর তোকেও বলি, এত কিছু জানার ইচ্ছা ভালো না। কম জানলে ভালো থাকবি।’

    সুখেন ছোট ছোট চোখ করে শম্পার দিকে তাকিয়ে কিছু একটা ভাবল। কিন্তু কিছু বলল না।

    ১৭

    ‘বাড়ি যাবি এখন?’

    অফিস থেকে বেরোতেই সুদেব পিছু ডাকল। দিব্যেন্দু বলল, ‘হ্যাঁ।’

    সুদেব বলল, ‘প্রমোশন পেয়েছিস, সেলিব্রেট করবি না?’

    দিব্যেন্দু জানে, সুদেব একটু এদিক সেদিক যায়। তবু প্রথমে বুঝতে পারল না সুদেব কী বলতে চাইছে। সে বলল, ‘সেরকম কিছু করার কথা ভাবিনি।’

    সুদেব এসে ফিসফিস করে বলল, ‘এরিয়া টুয়েন্টিতে চল। নতুন ফ্রেশ স্টক এসেছে। ভালো লাগবে।’

    দিব্যেন্দু ঘড়ি দেখল। সুদেবের ভাট বকা শুনলে চলবে না। সে বলল, ‘পরে যাব। এখন তাড়া আছে।’

    সুদেব মুখে বিরক্তি নিয়ে বলল, ‘আরে ভাই, কতদিন আর বাচ্চা ছেলে থাকবি, বড় হ।’

    দিব্যেন্দু দাঁড়াল না। সুদেব এর আগেও বলেছে। অফিস থেকে ওই পাড়াতেই চলে যায় ও।

    সে স্টেশনে এসে শেষ মুহূর্তে ট্রেন ধরল। তাপস বলল, ‘অ। বাঙাল এসে গেছে? আমি তো ভেবেছিলাম আসবে না।’

    দিব্যেন্দুর জন্য রুমাল দিয়ে জায়গা রাখা ছিল। সে বসে তাস হাতে নিয়ে বলল, ‘এক কলিগ ধরেছিল। তোর জন্মস্থানে নিয়ে যাবে বলে। গেলাম না।’

    তাপস বলল, ‘আমার জন্মস্থান মানে?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘ওই যে, যেখানে সব লাইন দিয়ে দাঁড়ায়।’

    তাপসের চোখ-মুখ লাল হয়ে গেল। বাকি রাস্তাটা তাপস যখনই খাপ খুলতে গেল, দিব্যেন্দু প্রতিবারই বাক্যাঘাতে তাকে তছনছ করে দিল। কামরুল পর্যন্ত বলে ফেলল, ‘বিরাট উন্নতি তো? প্রমোশনের জন্য নাকি?’

    দিব্যেন্দু কাউকেই পাত্তা দিল না। তাপসকে পরপর দু’দিন কোণঠাসা করে দেওয়া গেছে। বিরাট ব্যাপার।

    ট্রেন দাঁড়াতে সাইকেল নিতে দৌড়ল সে। মফস্‌সলে সন্ধ্যা নেমেছে। কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হয়ে গেছে বোধহয়। রাস্তাঘাট ভেজা। হলদে আলোয় পিচের রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছে দিব্যেন্দু। মনে একটা আনন্দ হচ্ছে। শ্বশুর শাশুড়ি আছে। ওরা থাকলে রুমা আর কাউকে ফোন করতে পারবে না! ভাবতেই ঠোঁটের কোণে হাসি চলে আসছে তার। আজ বেগ আসেনি। চপের দোকানের সামনে সাইকেল দাঁড় করাল সে। গরম গরম বেগুনি ভাজছে। জলপাইয়ের চপ। ভেজিটেবল চপ। ডিমের চপও আছে। একটা আস্ত ডিম দেয় এ দোকানে। সে প্রত্যেকের জন্য দুটো করে ভেজিটেবল চপ আর ডিমের চপ নিল। দোকানদার বিটনুন ছড়িয়ে দিচ্ছে চপের উপরে। শসা পেঁয়াজ কুঁচো করে কাটা। সেটাও দিয়ে দিল। হ্যান্ডেলে ঝুলিয়ে সাইকেলটা চালিয়ে খানিকটা যাবার পর হঠাৎ করে একটা কুকুর এসে পড়ল চাকায়। দিব্যেন্দু সাইকেল থেকে পড়ে গেল। রাস্তার কাঁদায় চপ মাখামাখি খাচ্ছে। চারপাশে কেউ নেই। ব্যথা করছে পায়ে। দাঁতে দাঁত চেপে দিব্যেন্দু সাইকেল নিয়ে উঠে দাঁড়াল। কুকুরটা দূর থেকে তাকে করুণ চোখে দেখছে। জামা ঠিক করে আবার সাইকেলে উঠল সে। ধীরে ধীরে সাইকেল নিয়ে বাড়িতে এল। সামনের ঘরে শ্বশুর বসে আছে। দিব্যেন্দু শ্বশুরের দিকে তাকিয়ে হেসে বাথরুমে ঢুকে গেল। স্নান সেরে বেরোতে রুমা বলল, ‘মুড়ি দেব?’

    দিব্যেন্দু ঘরে যেতে যেতে বলল, ‘একবার এসো।’

    রুমা তার পেছন পেছন ঘরে ঢুকল। দিব্যেন্দু রুমার চুলের মুঠি ধরে চাপা গলায় বলল, ‘রাস্তায় কুকুর চলে এসেছিল। তোর পোষা?’

    রুমার কাছে রাস্তার কয়েকটা কুকুর এসে খায়। উচ্ছিষ্ট খাবারগুলো রুমা খাওয়ায়। দিব্যেন্দুর হঠাৎ নেমে আসা আক্রমণে সে হতচকিত হয়ে বলল, ‘আমি জানি না।’

    দিব্যেন্দু রুমার গলা টিপে ধরে বলল, ‘তুইই পাঠিয়েছিলিস। আমি জানি।’

    রুমা দিব্যেন্দুর হাত ধরল। দম বন্ধ হয়ে আসছে তার। দিব্যেন্দু রুমার গলা ছেড়ে দিল। রুমা কাশতে কাশতে বলল, ‘ওভাবে কুকুর পাঠানো যায় নাকি?’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘সব যায়। তুই সব পারিস। যা বাজার থেকে চপ নিয়ে আয়। আটটা ভেজিটেবিল, আটটা ডিম।’

    রুমা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘টাকা দাও।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘টাকা নেই। তুই কীভাবে আনবি, তুই জানিস।’

    রুমা কিছুক্ষণ বিহ্বল চোখে দিব্যেন্দুর দিকে তাকিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    ১৮

    অন্যান্য দিন রাত একটার পর আর তার বিশেষ কাজ থাকে না। নিজের ঝুপড়িতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সুখেন। খাওয়া বলতে চাল ডাল ফুটিয়ে নেওয়া। কিছুদিন আগে পেটের সমস্যা হয়েছিল। হাসপাতালে ডাক্তার দেখিয়েছিল গিয়ে। ডাক্তারবাবু স্পষ্ট বলে দিয়েছেন তেল খেলে মরতে হবে। তারপর থেকে সুখেন নিজেই রান্না করে, যত রাত হোক।

    এ দিন সুখেন একটার পর পাপিয়ার ঘরে বেল বাজাল। পাপিয়া বেরিয়ে এসে বিরক্ত গলায় বলল, ‘কাস্টোমার নেই। ঘুমাব ভাবলাম। তোর কী হল? কাউকে এনেছিস?’

    সুখেন ইতস্তত করে বলল, ‘একটু চা খাওয়াবি?’

    পাপিয়া অবাক হয়ে বলল, ‘কী হয়েছে তোর? এত রাতে চা খাবি?’

    সুখেন দাঁত বের করল, ‘কী করব বল? ভালো লাগছে না। কেমন গলা ব্যথা করছে।’

    পাপিয়া বলল, ‘আয়।’

    ছোট একটা ঘুপসি ঘর। এত কিছুর মধ্যেও পাপিয়া ঘরটা কেমন সাজিয়ে রেখেছে। ঘরের মধ্যে আবার এক কোণে ঠাকুরও আছে। এই ঘরেই বাইরের লোক আসে। পাপিয়া স্টোভে চা বসিয়েছে। বলল, ‘আদা দিলে ভালো হতো। যা দাম। কী যে করিস? ওষুধ খাবি?’

    সুখেনের হঠাৎ করে কেমন কান্না পেয়ে গেল। মা-র কথা মনে পড়ে গেল। এই জায়গাতেও ওরা নিজের পৃথিবী তৈরি করে নিয়েছে। এটাই তাদের জীবন। এভাবেই তারা সারাজীবন কাটিয়ে দেবে। অথচ এই জায়গাতেও মেয়েটা তার গলা ব্যথার জন্য আদা দেওয়ার কথা ভাবল। গলা ধরে এল হঠাৎ করেই। পাপিয়া যাতে সেটা বুঝতে না পারে, তাড়াতাড়ি একটু কেশে নিয়ে বলল, ‘সকালে একটা লোক এসে শমিতার ঘরে গেছিল। শমিতা আমাকে কিছুই বলতে চাইল না। কিন্তু জানিস তো, আমার মনে হচ্ছে ডাল মে কুছ কালা হয়। কত কমবয়সি মেয়ে এ পাড়ায় ঢুকে যাচ্ছে।’

    পাপিয়া বলল, ‘তুই বেশি ভাবিস না বাবা। ওদের অনেক ক্ষমতা। কী দরকার আছে এসব নিয়ে বেশি ভাবার? কাউকে কিছু বলেছিস নাকি?’

    সুখেন মাথা নাড়ল, ‘না। বলিনি। কিন্তু ওই মেয়েগুলোকে দেখলে মায়া হয়। কাদের কাদের সব নিয়ে আসছে। শমিতা মোটা টাকা পাচ্ছে।’

    পাপিয়া বলল, ‘পাক। তোকে ভাবতে হবে না। ভাবিস না। বোকামি করিস না। ওরা একবার কিছু বুঝে গেলে তোর বিপদ আছে। এ জায়গা ছাড়তে হবে।’

    সুখেন বলল, ‘কী করব বল এ জায়গায় থেকে? কী লাভ হয়? কী করছি আমি? কীভাবে পেট ভরছি। সবাই দালাল বলে ডাকে।’

    চা হয়ে গেছিল। পাপিয়া চায়ের কাপ এনে তার হাতে দিয়ে বলল, ‘বেশ করেছিস দালালি করেছিস। তুই দালালি না করলে আমরা কী করে খেতাম? আমরাও তো তোর জন্যই বেঁচে আছি। কে কী বলল, তা শোনার দরকার নেই।’

    বড় গাড়িটা এসে দাঁড়াল। জানলা দিয়ে সেটা দেখে সুখেন বলল, ‘ওই দেখ। কতগুলো মেয়ে ঢুকছে। দেখছিস?’

    পাপিয়া বলল, ‘তোকে না বলেছি এগুলো নিয়ে ভাববি না?’

    সুখেন চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, ‘কিছুই ভাবছি না। আমার আর ভাবতে ভালোও লাগছে না। সেই লোকটাকে ঠিক লাগল না বলেই মনে কেমন খটকা লাগছে।’

    পাপিয়া বলল, ‘তার জন্য পুলিশ আছে। দেশে আইন-কানুন আছে। তোকে সেসব নিয়ে ভাবতে হবে না। তুই তোর কাজ করে যা।’

    সেই লোকটাকে দেখতে পেয়ে উঠে দাঁড়াল, ‘ওই দেখ। ওই লোকটাও এসে গেছে। বড় কোনও ব্যাপার আছে বলে মনে হচ্ছে।’

    পাপিয়া কড়া গলায় বলল, ‘তুই কোথাও যাবি না। চা খা বসে বসে।’

    সুখেন বলল, ‘তুই একবার গিয়ে দেখে আয় না মেয়েগুলোকে নিয়ে কার ঘরে ঢোকাচ্ছে? শমিতার ওখানে তো এত জায়গা নেই।’

    পাপিয়া তার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল। শ্বাস ছেড়ে বলল, ‘বড় জ্বালাতন করিস তুই। ঠিক আছে, আমি যাচ্ছি। আমি যতক্ষণ না ফিরছি, তুই কিন্তু এখান থেকে নড়বি না। তুই এ ঘরের বাইরে গেলে ওরা কেন, আমিই তোর বারোটা বাজিয়ে দেব।’

    সুখেন হাসল, ‘ঠিক আছে। তুই গিয়ে খোঁজ নিয়ে আয়।’

    পাপিয়া বাইরেটা দেখে সন্তর্পণে বেরোল। কিছুক্ষণ পরে এসে বলল, ‘হ্যাঁ। তুই ঠিকই বলেছিলিস। শমিতার ঘরেই গেছে। আরেকটা ব্যাপার হল, আর কয়েকটা মেয়ে শমিতার ঘর থেকে বেরিয়ে গেল, বাজারের গলিটা দিয়ে ওদের নিয়ে গেল।’

    সুখেন বলল, ‘তার মানে দেওয়া-নেওয়া চলছে। কী ব্যাপার বল তো?’

    পাপিয়া কড়া গলায় বলল, ‘তোর চা খাওয়া হয়েছে?’

    সুখেন বলল, ‘হ্যাঁ। হয়েছে।’

    পাপিয়া বলল, ‘নিজের ঝুপড়িতে গিয়ে ঘুমো। আদার ব্যাপারী, জাহাজের খবর রাখতে হবে না। যা।

    সুখেন হাসল, ‘ঠিক আছে, যাচ্ছি রে বাবা যাচ্ছি।’

    ১৯

    একটা সময় তো তাদের কাছেই টাকা চাইতে যেত। কিন্তু এত বড় হয়ে কি আর টাকা চাওয়া যায়? রুমা টাকা চাইতে পারেনি। প্রবল যন্ত্রণা হচ্ছিল মাথায়। ছোট্ট একটা ব্যাগে একশো টাকা রাখা ছিল। কবে যেন টাকাটা রেখেছিল সে। আপদকালীন টাকা।

    পালানোর জন্য রাখা। দিব্যেন্দু তাকে একটা টাকাও দেয় না। রুমা কোনওদিন দিব্যেন্দুর পকেট থেকে টাকা নেয়নি। সন্ধে নেমেছে। রুমা যেন ঘোরের মধ্যে চপের দোকানে গেল। চপ নিয়ে ফিরে এসে দিব্যেন্দুকে দিল।

    প্যাকেটটা দেখেই দিব্যেন্দু বলল, ‘দেখলি? ঠ্যাকায় পড়লে সব ব্যবস্থা হয়ে যায়। যা কুচো কুচো করে শশা কাট। পেঁয়াজ কাট। মুড়ি দিয়ে চপ দিয়ে দে।’

    রুমা রান্নাঘরে গিয়ে শশা কাটতে শুরু করল। আগে চোখ থেকে জল বেরোত। এখন সেটাও বেরোচ্ছে না। সুন্দর করে মুড়ি মেখে দিব্যেন্দুকে দিল। দিব্যেন্দু রাগ দেখাল, ‘আগে বাবা-মাকে দে।’

    রুমা তাই দিল। সব কিছু দিয়ে ঠাকুরঘরে গিয়ে ফোন অন করল। লোকটার নাম্বারে ফোন করল। রিং হতেই ধরল লোকটা, ‘হ্যাঁ, ডিসিশন হল?’

    রুমা বলল, ‘আমি কোথায় থাকি, কী করে বুঝবেন?’

    ‘আমাকে হোয়াটস অ্যাপে লোকেশন পাঠান। হোয়াটস অ্যাপে গিয়ে…’

    ‘পারি। কিন্তু আমার নেট নেই।’

    ‘ভরিয়ে দিচ্ছি। লোকেশন পাঠান। বাকিটা দেখছি।’

    ফোন কেটে গেল। রুমার ঘাম হচ্ছিল। দিব্যেন্দু জানতে পারলে সত্যি সত্যি তাকে পুঁতে দেবে। কিন্তু আর না। আর পারা যাচ্ছে না। অনেক হয়েছে। এবার এখান থেকে বেরিয়ে যেতে হবে।

    নেট প্যাকের এসএমএস এল।

    রুমা সঙ্গে সঙ্গে হোয়াটস অ্যাপ খুলে লোকটাকে লোকেশন পাঠিয়ে দিল। ফোন ভাইব্রেট করে উঠল, ফোন ধরতেই লোকটা বলল, ‘দু’ঘণ্টা লাগবে। রাত এগারোটার পর বাড়ির বাইরে একটা কালো গাড়ি দাঁড়াবে। উঠে চলে আসুন।’

    রুমা বলল, ‘শুনুন শুনুন।’

    ‘আপনি চলে আসুন। না আসতে চাইলে আসবেন না। গাড়িটা দশ মিনিট দাঁড়াবে। দেখুন কী করবেন।’

    ফোন কেটে গেল। রুমা ফোন সাইলেন্ট করে রেখে দিল।

    ‘কী হল? কোথায় গেলে?’

    দিব্যেন্দু চিৎকার করছে। রুমা ঘরে ঢুকল, ‘বল।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘রাতে কী রান্না আছে?’

    রুমা বলল, ‘রুটি মাংস।’

    দিব্যেন্দু বলল, ‘মাংস কে আনল?’

    রুমা বলল, ‘বাবা।’

    দিব্যেন্দু খুশি হল, ‘গুড। আয়, কোলে আয়।’

    রুমা দরজার দিকে তাকাল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘কী হয়েছে? এসো সোনা। আমাদের বাড়িতে তো আমরা যা খুশি করতেই পারি।’

    রুমা আরেকবার দরজার দিকে তাকিয়ে দিব্যেন্দুর কাছে গেল।

    দিব্যেন্দু কানে কানে বলল, ‘ডাক্তার দেখাবি। তোর মাকে বলে দিয়েছি। বাচ্চা চাই আমার।’

    রুমা ঘাড় নাড়ল।

    দিব্যেন্দু হাতে চিমটি কাটল। ঘাড়ে চিমটি কাটল। রুমা কিছু বলল না। চুপ করে বসে রইল। ঘরের মধ্যে হঠাৎ রুমার মা ঢুকল। তাদের দেখামাত্র জিভ বের করে বাইরে বেরিয়ে গেল। রুমা ছিটকে গিয়ে বলল, ‘এবাবা।’

    দিব্যেন্দু শক্ত করে রুমার হাত ধরে বলল, ‘আমার বাড়ি। আমি যা খুশি করব। এখানে বোস।’

    রুমা মাটিতে মিশে যেতে যেতে বসল।

    দিব্যেন্দু বলল, ‘মা-বাবা কাল চলে যাবে। তারপর আবার শুরু করবি তুই?’

    রুমা বলল, ‘আমি কিছু করি না।’

    দিব্যেন্দু রুমার পেট খামচে ধরল, ‘আবার মিথ্যে কথা?’

    রুমার ব্যথা লাগছিল। দাঁতে দাঁত চেপে বসে রইল। দিব্যেন্দু হঠাৎ পেট থেকে হাত সরিয়ে দিয়ে বলল, ‘যা। রুটি কর।’

    রুমা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। মা রান্নাঘরে ছিল। তাকে দেখে বলল, ‘কী লজ্জার ব্যাপার হয়ে গেল? আমারই দোষ। জামাই আবার কী মনে করবে?’

    রুমা মা’র দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে আটার প্যাকেট বের করল।

    রুমার মা বলল, ‘ডাক্তারটা কাল আমরা যাওয়ার আগে দেখিয়ে নে। দেখা যাক কী বলে?’

    রুমা কিছু বলল না। চুপ করে রান্না করল। সবাইকে খেতে দিল।

    রাত হল। দিব্যেন্দু ঘুমিয়ে পড়ল। বাকিরাও ঘুমিয়েছে। সে পা টিপে টিপে বাইরে বেরিয়ে দেখল একটা কালো গাড়ি সত্যি সত্যিই এসে দাঁড়িয়ে আছে।

    রুমা দ্বিতীয় কোনও কথা ভাবল না। হাঁটতে হাঁটতে এক বস্ত্রে গাড়িটার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। দরজা খুলে গেল।

    সে গাড়িতে উঠে বসতেই দরজা বন্ধ হয়ে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026
    Our Picks

    বিশ্বাসঘাতকের সন্ধানে – অভীক দত্ত

    July 4, 2026

    কেউ কেউ কথা রাখে – মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    July 4, 2026

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }